Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নতুন নতুন নাটক – সম্পাদনা: মনোজ মিত্র

    মনোজ মিত্র এক পাতা গল্প504 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রবীন্দ্রজয়ন্তী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    রবীন্দ্রজয়ন্তী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    পল্লব ১২শ শ্রেণিতে পড়ে। বয়স ১৮

    গোলোকপতি প্রমোটার। বয়স ৪৫-৫০

    পাপুন ৪র্থ -৫ম শ্রেণিতে পড়ে। বয়স ১০-১১

    ধ্রুব ,,

    ছোটন ,,

    শ্রাবণী একটি মেয়ে। বয়স ১০-১২

    ঝালর একটি মেয়ে। বয়স ৫-৬

    সন্টু স্কুলে পড়ে না। বয়স ১২

    আলোর মা ,,

    প্রথম দৃশ্য

    [ পরদা পড়ে আছে। পরদার ভিতর থেকে মাইক ঠিক করার আওয়াজ আসছে। হারমোনিয়ামের প্যা-পু, তবলা বাঁধবার তেরে কেটে তাক, ঠুক ঠুক, হ্যালো মাইক টেস্টিং ওয়ান টু থ্রি ফোর, বাচ্চাদের কলরব।

    মাইকে একটা গলা শোনা যায়। গলাটা পল্লবের ]

    পল্লব। আমাদের রবীন্দ্রজয়ন্তীর অনুষ্ঠান এক্ষুনি শুরু হবে। আপনারা যারা এখানে এসে পৌঁছোননি, এক্ষুনি চলে আসুন। বাচ্চারা গোলমাল কোরো না। তোমরা গোলমাল করলে আমরা অনুষ্ঠান শুরু করতে পারব না। অ্যাই পাপুন, কী হচ্ছে, কথা বলছ কেন? গুঞ্জন, তুমি আর গুঞ্জন কোরো না। ছোটোরা সব চেয়ার ছেড়ে দাও, চেয়ারে বড়োদের বসতে দাও। আমাদের সভাপতিমশাই এসে গেছেন, বাচ্চারা হাততালি দাও। আমরা শুরু করছি আমাদের রবীন্দ্রজয়ন্তীর অনুষ্ঠান।

    [ হাততালির শব্দের মধ্যে পরদা খুলতে থাকে। পরদা খুললে দেখা যায় একটা ছোটোখাটো মঞ্চ, মঞ্চে একটা ঢাকা-দেওয়া টেবিল, চেয়ার, কোণায় রবীন্দ্রনাথের একটা ছোটো মূর্তি, মালা দেওয়া, ধূপকাঠি জ্বলছে; পল্লব সভাপতিমশাইকে ধরে ধরে মঞ্চের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। সভাপতিমশাই মাঝবয়সি, গোলগাল গড়ন, মঞ্চে উঠে সহাস্য বদনে বললেন, নমস্কার।

    পল্লব মাইকের সামনে দাঁড়ায়। কবিতার লাইন লেখা পাঞ্জাবি গায়ে ]

    পল্লব। আমাদের পরম সৌভাগ্য যে, মাননীয় প্রমোটার শ্রীযুক্ত গোলোকপতি গোলদার আজকের এই অনুষ্ঠানে সভাপতি হতে রাজি হয়েছেন, সেইজন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তিনি অত্যন্ত ব্যস্ত লোক, আরও দু-জায়গায় সভাপতি হতে হবে, তাই আমরা এখুনি সভাপতি বরণ করে নিচ্ছি, তারপরই তিনি ভাষণ দেবেন। প্রথম সভাপতি বরণ। সভাপতিকে বরণ করছে ছোট্ট মেয়ে ঝালর। এই ঝালর, এদিকে আয়।

    [ একটা ছোট্ট মেয়ে শাড়ি পরেছে, খুব সেজেছে, লিপস্টিক ধেবড়ে গেছে, একটা মালা হাতে করে আসে। সভাপতি গোলোকপতির গলায় পরাতে চায় ]

    গোলোকপতি। গলায় দিয়ো না, বড্ড সুড়সুড়ি লাগে। হাতে দাও।

    [ মেয়েটি কোনোরকমে মালাটা দিয়েই পালিয়ে আসে ]

    পল্লব। কী হল, হাততালি কোথায়?

    [ বাচ্চারা সবাই হাততালি দেয় ]

    পল্লব। এবার সভাপতির ভাষণ।

    গোলোকপতি। আমি তোমাদের অনুষ্ঠানে সভাপতি হতে পেরে খুব আনন্দিত। রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে কী আর বলব, সবই তো রচনা বইতে লেখাই আছে। তবুও সভাপতিকে কিছু বলতেই হয়। (পকেট থেকে একতাড়া কাগজ বার করে) আমি লিখিত ভাষণ পাঠ করব। রবীন্দ্রনাথের জন্ম হয় জোড়াসাঁকো ঠাকুর বাড়িতে। ১৮৬১ সালে। পিতার নাম ছিল দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। ছোটোবেলা থেকেই রবীন্দ্রনাথের হেভি প্রতিভা ছিল। রবীন্দ্রনাথ খুব আমসত্ব খেতে ভালোবাসতেন। তাইতো কবি লিখেছিলেন-

    আমসত্ব দুধে ফেলি

    তাহাতে কদলী দলি

    সন্দেশ মাখিয়া দিয়া তাতে-

    হাপুশ হুপুশ শব্দ

    চারিদিক নিঃশব্দ

    পিঁপড়া কাঁদিয়া যায় পাতে।…

    পাপুন। (দর্শকদের মধ্যে বসা পাপুন ধ্রুবকে ঠেলা দিল) এই মরেচে। সভাপতি যে আমার কবিতাটা বলে দিল…

    ধ্রুব। যদি আমারটাও বলে দেয়, দামোদর শেঠ…

    পাপুন। আমার অবিশ্যি আরেকটা কবিতা করা আছে …

    পল্লব। (মঞ্চের কোণে দাঁড়িয়ে ধ্রুব-পাপুনদের দিকে তাকিয়ে মুখ ঝামটা দেয়) এ্যাই বাচ্চারা কী হচ্ছে! গোলমাল করছ কেন?

    [ যখন এইসব হচ্ছে, তখন গোলোকপতি বক্তৃতা দিয়ে চলেছেন। কিন্তু গোলোকপতির কথা শোনা যাচ্ছে না। তিনি বক্তৃতার মুকাভিনয় করছিলেন। এবার আবার গোলোকপতির কথা শোনা যাচ্ছে। সন্টু নামে : একটি ছেলে, ওর মা বাড়িতে ঝি-এর কাজ করে, সে কিন্তু মন দিয়ে শুনছে ]

    গোলোকপতি। তারপর রবীন্দ্রনাথ বড়ো হলেন। বড়ো হয়ে অনেক বড়ো বড়ো কাজ করলেন। বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন। -বাংলার মাটি বাংলার জল- রচনা করলেন। ব্রিটিশ সরকার ১৯২৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগে নৃশংস হত্যাকাণ্ড চালাল (পাতা উলটিয়ে) এতে রবীন্দ্রনাথ বড়োই আনন্দিত হন। সেই আনন্দের প্রকাশ দেখা যায় তাঁর বিভিন্ন গানে। যেমন -তা-তা-থই-থই তা-তা-থই-থই-। রবীন্দ্রনাথ ছিলেন প্রকৃতির কবি সৌন্দর্যের কবি…

    [ সভায় গুঞ্জন ওঠে। ধ্রুব পাপুনের দিকে তাকায়, পাপুন গুঞ্জনের দিকে। ওরা তো ৪র্থ-৫ম শ্রেণিতে পড়ে, জালিয়ানওয়ালাবাগ এখনও পড়েনি। তবুও ওদের মনে হয় কিছু একটা গণ্ডগোল হয়েছে। হঠাৎ ধ্রুব মাথা নাড়ায়। প্রতিবাদের ]

    ধ্রুব। না-না-না।

    শ্রাবণী। (স্কুলের পড়া মুখস্থ বলার ঢং-এ) জালিয়ানওয়ালাবাগের নৃশংস হত্যাকাণ্ডে রবীন্দ্রনাথ অত্যন্ত ব্যথিত হন এবং প্রতিবাদস্বরূপ নাইট উপাধি ত্যাগ করেন।

    পল্লব। বাচ্চারা গোলমাল কোরো না।

    গোলোকপতি। (শ্রাবণীর দিকে তাকিয়ে) তুমি কিছু বলছ?

    শ্রাবণী। (একইরকমভাবে) জালিয়ানওয়ালাবাগের নৃশংস হত্যাকাণ্ডে রবীন্দ্রনাথ অত্যন্ত ব্যথিত হন এবং …

    গোলোকপতি। সরি সরি সরি সরি। আমার বোধ হয়… (পাণ্ডুলিপিটা পরীক্ষা করে) পেজ নম্বার ওলটপালট হয়ে গিয়েছিল। তিনের পাতার পর পাঁচের পাতা পড়ে দিইচি। হে-হে-হে সিলি মিসটেক। আমি তাহলে আবার প্রথম থেকে পড়চি, অ্যাঁ!

    [ গোলোকপতি বক্তৃতা দিতে থাকে। কী বলছে দর্শকরা শুনতে পাচ্ছে না। দর্শকরা দেখতে পাচ্ছে উত্তেজিত গোলোকপতির হাত-নাড়া, মুখ এবং গ্রীবার আলোড়ন। দর্শকদের মধ্যে ছোটোদের দু-একজন ঘুমিয়ে পড়েছে। কয়েকজন নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা বলতে শুরু করেছে ]

    ধ্রুব। এটা হলেই আমি কবিতা বলতে উঠব, -দামোদর শেঠ-।

    পাপুন। নারে, তোর আগে আমি।

    শ্রাবণী। আমি বলব সবার ফাস্টে। কুমোরপাড়ার গোরুর গাড়ি বোঝাই করা কলসি হাঁড়ি। গাড়ি চালায় ভাগনে মদন সঙ্গে যে যায় বংশীবদন।

    [ সন্টু একটু তফাত রেখে বসেছিল। ও শ্রাবণীর ভুল কবিতা শুনে উসখুস করে উঠল ]

    সন্টু। গাড়ি চালায় বংশীবদন সঙ্গে যে যায় ভাগনে মদন।

    শ্রাবনী। সরি। সরি।

    পাপুন। তুই কী করে জানলি সন্টু?

    সন্টু। ফোর অবদি পড়েছিলাম তো।

    পাপুন। এখন পড়িস না?

    সন্টু। কাজ করি যে।

    পাপুন। তুই কবিতা বলার জন্য নাম দিলি না কেন?

    সন্টু। আমাকে নেবে?

    [ গোলমাল শুনে সভাপতি হঠাৎ থেমে যান। চোখ গোলগোল করে সামনের দিকে তাকান। পল্লব ছুটে এল ]

    পল্লব। অ্যাই গোলমাল করছিস কেন? মন দিয়ে সভাপতির ভাষণ শোন।

    [ আবার ভাষণ চলতে থাকে। দু-একজন চোখ বোজে। সন্টু কিন্তু গালে হাত দিয়ে শুনছে। উত্তেজিত সভাপতি হাত-পা নাড়ে। হাত-পা নাড়াবার সময় রবীন্দ্রনাথের ছবিটা পড়ে যায়। তখন কয়েকজনের ঝিমুনি ভেঙে যায়। ধ্রুব উঠে গুটিগুটি পল্লবের কাছে যায়। পল্লব তখন মঞ্চের বাইরে ]

    পল্লব। কী চাই?

    ধ্রুব। আমি দামোদর শেঠ…

    পল্লব। সময় হলেই ডাকব। তুই এখন চামেকাটা দামোদর হয়ে বসে থাক।

    [ ধ্রুব আবার দর্শকদের মধ্যে চলে আসে। সভাপতির ভাষণ চলতেই থাকে। একটু পরে সভাপতির ভাষণ শেষ হয় ]

    গোলোকপতি। আর কিছু বলব না। আরও অনেক অনুষ্ঠান আছে। আমার সংক্ষিপ্ত ভাষণ এখানেই শেষ করছি।

    [ পল্লব হাততালি দেবার জন্য ইশারা করে। সবাই হাততালি দেয় ]

    পল্লব। সবাই ধৈর্য ধরে সভাপতির ভাষণ শুনেছেন বলে সভাপতির পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এবার নাচ হবে। নৃত্য পরিবেশন করবেন পৃথুলা রায়। এখন কিছুক্ষণের জন্য বিরতি।

    [ পরদা পড়ে ]

    দ্বিতীয় দৃশ্য

    [ পরদা উঠলে দেখা যায় পল্লবকে ঘিরে ছোটোরা সব বসেছে। একটা মিটিং হচ্ছে ]

    ধ্রুব। দামোদর শেঠ করতে দিলে না আমায়। তুমি বললে চামেকাটা মজুমদার হয়ে বসে থাকতে। আমি বসে রইলাম। ডাকলে না।

    পাপুন। আমাকেও ডাকেনি।

    পল্লব। কী করব বল। সভাপতির ভাষণটা বড়ো হয়ে গেল, তা ছাড়া মাইকটা বিগড়োল, নাচের সময় আলোক সম্পাতের রঙিন কাগজ ছিঁড়ে গেল, পৃথুলা রায়ের পা মচকে গেল। এরকম কত কী হল, টাইম চলে গেল। সামনের বার তোরা ভালো করে করবি।

    ছোটন। তো এরকম সভাপতি এনেছ কেন? হোয়াই? এত বড়ো ভাষণ দেয়, কিচ্ছু বুঝি না।

    পল্লব। তো কী করব বল। উনি কত টাকা চাঁদা দিয়েছেন জানিস? ওই চাঁদাটা না পেলে লুচি আলুর দম বোঁদের প্যাকেট দিতে পারতাম?

    ছোটন। আমরা কি বোঁদে খেতে চেয়েছিলাম? আমরা তো কবিতা বলতে চেয়েছি, গান গাইতে চেয়েছি।

    পল্লব। ম্যালা বকিসনি তো, দর্শকদের সব জানা আছে। আমাদের দর্শকদের মধ্যে অর্ধেক ছিল বাড়ির কাজের লোক। প্যাকেট না হলে বাবুদের ঘরে বসে সবাই টিভি দেখত। ফাংশন করব-দর্শক পাব কোথায়? তোরা তো সবাই এখন ইংলিশ মিডিয়াম। রবীন্দ্রনাথ-নজরুল-সত্যেন দত্ত কিচ্ছু জানবিনা। কুমুদরঞ্জন মল্লিকের নাম শুনেছিস?

    [ ছোটন হাত তোলে ]

    ধ্রুব। আমি ইংলিশ মিডিয়াম না।

    পাপুন। আমিও না।

    ছোটন। আমি ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ি, বাট বাংলাও পড়ি। কুমুদরঞ্জন মল্লিক হচ্ছেন একজন গ্রেট বেংগলি পোয়েট। বাড়ি আমার ভাঙন-ধরা অজয় নদীর বাঁকে-জল যেখানে সোহাগ ভরে স্থলকে ঘিরে রাখে…

    পল্লব। গ্রেট। তোর মতো সব ইংলিশ মিডিয়ামওয়ালারা যদি বাংলাটা ঠিক করে পড়ত, তাহলে আমাদের অবস্থাটা পালটে যেত। তবে ছোটন, বাংলা কথার মধ্যে ইংরিজি বলার অভ্যেসটা ছাড়।

    ছোটন। আই এ্যাম সরি।

    পল্লব। ওকে! ও-ও-কে। আমি এবার যাই। কাজ আছে।

    পাপুন। আমরা আবার রবীন্দ্রজয়ন্তী করব।

    ছোটন। হ্যাঁ, বোঁদে-আলুরদম ছাড়াই।

    ধ্রুব। হ্যাঁ। বেশ হয় তাহলে। আমরাই কার্ড লিখব। ঘোষণা করব।

    ছোটন। মাইকে…

    পাপুন। মাইক কোথায় পাব? পাউডারের কৌটো কেটে মাইক বানিয়ে নেব।

    ধ্রুব। আর সিন?

    ছোটন। ধুর বুদ্ধু, সিন না ওটা স্ক্রিন, ওটা মায়ের শাড়ি দিয়ে হয়ে যাবে।

    ধ্রুব। সভাপতি?

    পাপুন। সে না হয় আমিই হয়ে যাব।

    ধ্রুব। তাই আবার হয় নাকি! ছোটোরা কখনো সভাপতি হয়?

    পাপুন। কেন হবে না? হলেই হল। দেখিস কেমন বক্তৃতা দেব।

    ছোটন। তাহলে প্রধান অতিথিটা….

    পাপুন। এ নিয়ে কোনো চিন্তা নেই। প্রধান অতিথি হচ্ছে ধ্রুব।

    ছোটন। কেন? ধ্রুব কেন?

    পাপুন। ওতো এমনিতেই অতিথি। রামকৃষ্ণ মিশনে পড়ছে, হোস্টেলে থাকছে। গরমের ছুটিতে কদিনের জন্য এসেছে বাড়িতে।

    ছোটন। ও হবে প্রধান অতিথি? ওর জি. কে. কত কম। আমার ড্যাডি ওকে জিজ্ঞাসা করেছিল, বল তো মাছ কোথায় থাকে? ও বলেছিল ঝোলে।

    ধ্রুব। আমি তো তখন ওয়ানে পড়তাম। ওয়ানের কথা ছাড়ো।

    ছোটন। বাঃ, তোরা সব হয়ে গেলি। তাহলে আমি কী হব?

    পাপুন। তুই তাহলে ঘোষক হ। ঘোষক তো খালিই আছে। পল্লবদা তো ঘোষকই হয়েছিল। ঘোষকই তো আসল।

    ছোটন। ঘোষক মানে কমপেয়ারিং করতে কোনো আপত্তি ছিল না, যদি সত্যিকারের মাইক থাকত। পাউডারের কৌটোর মাইকে ঘোষক? আমার ওপর এই অবিচার? হে রবীন্দ্রনাথ, ইহারা জানে না ইহারা কী করিতেছে। তুমি ইহাদিগকে ক্ষমা করিয়ো।

    পাপুন। আচ্ছা, এক কাজ করছি। কবিতা আবৃত্তির প্রাইজটা তুই পাবি।

    ছোটন। গট আপ গেম?

    পাপুন। হ্যাঁ। গট আপ। ধ্রুব, তোর আপত্তি নেই তো?

    ধ্রুব। ঠিক আছে, পুরস্কারটা ছোটনকেই দেওয়া হোক।

    ছোটন। জানি না, যাঃ।

    তৃতীয় দৃশ্য

    [ সন্টু ঝাড়ু দিচ্ছে। রবীন্দ্রজয়ন্তীর তোড়জোড়। ধ্রুব, পাপুন, ছোটন, সবাই রয়েছে ]

    সন্টু। ঝাড়ু দেওয়া হয়ে গেছে। যা ময়লা ছাতে। ঝাড়ুটাড়ু তো পড়েনি কত কাল। আর কী কাজ করতে হবে বলো।

    ধ্রুব। নীচ থেকে চেয়ারগুলো আনতে হবে যে…

    সন্টু। এক্ষুনি নিয়ে আসছি।

    [ সন্টু চলে যায়

    ধ্রুব। সন্টুকে একটা কবিতা বলতে দিলে ভালো হয়। ওর কিন্তু অনেক কবিতা মুখস্থ। থ্রি-ফোরে যা পড়েছে, ভোলেনি।

    [ সন্টু চেয়ার নিয়ে আসে ]

    সন্টু। তোমাদের মায়েরা বলছিল আবার ঠিকমতো পৌঁছে দিয়ে যাস। আমি বললাম সে তোমাদের চিন্তা করতে হবেনি।

    [ সন্টু চেয়ারগুলো রাখে। মেঝের দিকে তাকায় ]

    সন্টু। জলের ছিটে দিয়ে আর একবার ঝাড়ু মেরে দিলে হয়। এখানে বালি কিচমিচ করছে। (ঝাড়ুটা তুলে নেয়) আমরা সবাই রাজা আমাদের এই রাজার রাজত্বে। নইলে মোদের রাজার সনে মিলব কী শর্তে।

    [ শ্রাবণী ঢোকে ]

    শ্রাবণী। এই নে লুচি আর হালুয়া। তোরা সকাল থেকে খাটাখাটনি করছিস বলে মা পাঠিয়ে দিল। সবাই খেয়ে নে। অ্যাই সন্টু, আমার গানটা বেশ গেয়ে দিচ্ছিস।

    সন্টু। তোমার গান নাকি? ইঃ, এটা তো রবীন্দ্রনাথের গান।

    শ্রাবণী। কিন্তু এটা তো, আমি গাইব।

    সন্টু। তা গাও না, কে মানা করেছে। গাইলে গান ক্ষয়ে যাবে নাকি?

    ছোটন। ঠিকই তো, রবীন্দ্রনাথ সবার।

    পাপুন। তোর গলাটা বেশ ভালো তো সন্টু, শিখলি কোথায়?

    সন্টু। ওই দিদিমণির কাছে।

    শ্রাবণী। ওমা! আমি আবার তোকে গান শেখালাম কবে?

    সন্টু। হারমনি কাছে রেখে আমাকে বসিয়ে শেখাওনি, কিন্তু বলতে গেলে তুমিই শিখিয়েছ। তুমি যখন গান গাও, আমি বাসন মাজতে মাজতে শুনি।

    ধ্রুব। তোকে বাসন মাজতে হয় কেনরে সন্তু, তোর মা নেই?

    সন্টু। আমার মার জ্বর হলে আসতে পারে না তো, না এলে তোমাদের মায়েরা বকাবকি করে। তাই আমাকে পাঠিয়ে দেয়। তাইতেই তো তোমাদের গান শিখি, তোমাদের টি.ভি. দেখি, তোমাদের ফেলে দেওয়া খাবার দেখি। কত নষ্ট করো। পেলেটের মধ্যে পড়ে থাকে কত খাবার। ঝাড়ু দেবার সময় তোমাদের ছেঁড়া পাতা দেখি। কত পাতা নষ্ট কর তোমরা। কত সাদা সাদা কাগজ ঝাড়ু মেরে ফেলে দিই। একদিন একটা কবিতা পেয়েছিলাম- পূজার সাজ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

    শ্রাবণী। ওটাতো আমার আগের ইস্কুলে ছিল। বেংগলি মিডিয়াম ছেড়ে ইংলিশ মিডিয়ামে ভরতি হলাম তো, ওই বইটা লাগল না।

    সন্টু। ঘর মোছার জন্য যে গেঞ্জিটা দিয়েছে তোমার মা, আমার বাবার তত ভালো গেঞ্জি নেই।

    ধ্রুব। তোর বাবা কী করে?

    সন্টু। করত। বার্লিকলে কাজ করত। এখন কারখানা বন্ধ। ঘরে বসে থাকে। কোনো কোনো দিন ফুলুরি ভাজে।

    ধ্রুব। তোর দাদা নেই?

    সন্টু। আমার দাদার নাম ঝন্টু। মোটর গ্যারেজে কাজ করত। এ্যাকসিডেন হয়ে একটা আঙুল চিমসে গেছে। কেটে বাদ। এখন গাড়ি ধোয়।

    ধ্রুব। আর কে আছে তোদের সংসারে?

    সন্টু। বুড়ি ঠাকুরমা আছে। চোখে দেখে না। বকিয়ো না তো। অনেক কাজ।

    [ ছোটন আর ধ্রুব কী যেন পরামর্শ করে ]

    ছোটন। সন্টু, তুই অনেক খেটেছিস রে। তোকে কী দিই বল তো? এই নে দুটো বাবল গাম।

    সন্টু। কী হবে আমার বাবল গামের ফটাস?

    পাপুন। তবে এইনে ছটা পেপসির ছিপি। দোকানে দিলে স্ক্র্যাচকার্ড পাবি। অনেক অফার আছে। ওয়াক ম্যান, সেল ফোন, সি ডি প্লেয়ার…।

    সন্টু। ওসব আমার কোন কাজে লাগবে? খাব, নাকি মাথায় দেব!

    ধ্রুব। তা হলে স্টিকার নিবি? থ্রি ডাইমেনশনাল হলোগ্রাম।

    সন্টু। উলটোপালটা কথা বলনি তো, আমাকে কাজ করতে দাও।

    ধ্রুব। তাহলে কী দিই বল তো! আমাদের কাছে তো টাকা নেই এখন। মার কাছ থেকে চেয়ে এনে দিই, কিছু তো নিবি। আমাদের জন্য এত কাজ করলি।

    সন্টু। তোমরা ইস্কুলে পড়া ছেলে, কী যে ভুলভাল বকো বুঝি না। এত আমাদের আমাদের করছ কেন? রবীন্দ্রনাথ কি শুধু তোমাদের নাকি? আমারও নয়? আমার বইয়েও তো তেনার কবিতা ছিল। নেহাত এখন পড়ছি না তাই। আমি তো এতক্ষণ রবীন্দ্রনাথের কাজই করলাম। তো কিছু দিতে চাইছ যখন, একটা জিনিস দেবে?

    ছোটন, ধ্রুব। কী বল?

    সন্টু। আমাকে একটা কবিতা বলতে দেবে?

    ছোটন। সিওর সিওর।

    ধ্রুব। নিশ্চই নিশ্চই।

    চতুর্থ দৃশ্য

    [ একটা মোটামুটি রকমের মঞ্চ। টেবিলে চাদর পাতা, রবীন্দ্রনাথের একটা ছবি। পাপুন, ছোটন, ধ্রুব, সবাই ভালো পোশাক পরেছে। ছোটনের হাতে একটা পাউডারের কৌটো ]

    ছোটন। এবার আমাদের নিজেদের রবীন্দ্রজয়ন্তী স্টার্ট হচ্ছে। ফার্স্টেই সভাপতি বানানো হচ্ছে। সভাপতি হবে পাপুন।

    [ দর্শকদের মধ্য থেকে একজন মহিলা উঠে দাঁড়ালেন ]

    মহিলা। অ্যাই ছোটন, পাপুনের ভালো নামটা বল।

    ছোটন। (জিভ কামড়ে) সরি। সভাপতি হচ্ছেন শ্রী ঋজুরেখা বসু। আজলা, তুমি সভাপতি বরণ করো।

    [ ছোট্টমেয়ে আজলা একটা ট্রে নিয়ে আসে। ট্রে থেকে মালা নিয়ে পাপুনের গলায় পরিয়ে দেয়। হাততালির শব্দ ]

    ছোটন। এবার সভাপতিরা যা করেন, পাপুন তাই করবেন।

    পাপুন। আমাকে সভাপতি করা হয়েছে বলে আমি খুব আনন্দিত। যদিও আমি যোগ্য নই, সেজন্য দুঃখিত। রবীন্দ্রনাথ ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন আর ১৯৪১ সালে পরোলোক গমন করেন। এর মধ্যে যা যা করেছেন তা বলতে গেলে অনেক সময় লাগবে, তা ছাড়া রচনাটা মুখস্থ হয়নি। আমি আমার বক্তৃতা আর দীর্ঘ করতে চাই না। আমার বক্তব্য এখানেই শেষ করলাম।

    [ হাততালি ]

    ছোটন। এবার প্রধান অতিথি বানানো হচ্ছে। প্রধান অতিথি হচ্ছেন শ্রী ধ্রুব চক্রবর্তী।

    [ আজলা মালা নিয়ে আসে। পরাতে গিয়ে মালা ছিঁড়ে যায় ]

    আজলা। ভ্যা এ্যা- এ্যা…

    [ দর্শকদের ভিতর থেকে আজলার মা দাঁড়ায় ]

    আজলার মা। আমার মেয়ের কী দোষ। মাথা বড়ো মালা ছোটো।

    ছোটন। ও কে। নো প্রবলেম। এবার আমাদের আসল ফাংশন শুরু হচ্ছে। প্রথমেই আবৃত্তি করে শোনাবেন আমি। শ্রী সৌম্যকান্তি মিত্র।

    [ দর্শকদের মধ্য থেকে পল্লব দাঁড়িয়ে যায় ]

    পল্লব। আগেই তড়িঘড়ি করে আবৃত্তি? প্রধান অতিথির বক্তৃতাটা কী হল?

    ছোটন। সরি সরি। এখন প্রধান অতিথি শ্রী ধ্রুব চক্রবর্তী কী বলে… ভাষণ দেবেন।

    [ ধ্রুব পকেট হাতড়াতে থাকে। দর্শকদের মধ্য থেকে একজন উঠে দাঁড়ায়। ধ্রুবর মা ]

    ধ্রুবর মা। একদম কিচ্ছু মনে থাকে না তোর। এত কষ্ট করে লিখে দিলুম।

    ধ্রুব। ঠিক আছে। ঘাবড়িয়ো না। আমি আমার রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজদের কায়দায় বলে দিচ্ছি। (চোখ বুজে হাতে একটা আশীর্বাদের মুদ্রা তৈরি করে) তোমরা এই মহতী উৎসবের আয়োজন করেছ বলে আমরা খুব প্রীত হয়েছি। প্রার্থনা করি তোমরা সুখে থাকো। আনন্দে থাকো। ওঁ শান্তি।

    [ হাততালি ]

    ছোটন। এবার আবৃত্তি পরিবেশন করবেন শ্রী সৌম্যকান্তি মিত্র। (ছোটন আবৃত্তি শুরু করে।)

    ফাল্গুনে বিকশিত কাঞ্চন ফুল-

    (এবার আবৃত্তি শেষ হলে কাগজ দেখে বলে) এবার নৃত্যানুষ্ঠান পরিবেশনায় শ্রাবণী পাল।

    [ শ্রাবণীর নাচের সঙ্গে ক্যাসেট বেজে ওঠে- পৌষ তোদের ডাক দিয়েছে…

    দর্শকদের মধ্য থেকে ছোটনের মা বলে ওঠে, এই বৈশাখের পচা গরমে পৌষ তোদের ডাক দিয়েছে।

    প্রথম সারি থেকে শ্রাবণীর মা দাঁড়িয়ে বলে, যখন বৈশাখের গরমে ছোটন ফাল্গুনে বিকশিত কাঞ্চন ফুল করল? ]

    ছোটন। বড়োরা গোলমাল করবেন না। গোলমাল করলে আমাদের পক্ষে অনুষ্ঠান চালাতে অসুবিধে হচ্ছে। ফ্ল্যাটের পুরোনো ঝগড়া এখানে নয়…। (নাচ শেষ হলে ছোটন বলে) এবার আবৃত্তি করে শোনাবেন আমাদের সবার পরিচিত সন্টু। অ্যাই সন্টু, তোর পুরো নামটা কি?

    সন্টু। (মঞ্চের বাইরে থেকে) ইস্কুলের খাতায় ছিল সনৎ মণ্ডল।

    ছোটন। সনৎ মণ্ডল, তুমি এসে আবৃত্তি শুরু করো।

    [ দর্শকদের মধ্য থেকে কেউ কেউ বলে ওমা! সন্টুও … ]

    সন্টু। প্রণাম হই।

    কবিতার নাম পূজার সাজ-

    আশ্বিনের মাঝামাঝি উঠিল বাজনা বাজি-

    পূজার সময় এল কাছে

    মন্টু সন্টু দুই ভাই ছুটাছুটি করে তাই-

    আনন্দে দু-হাত তুলে নাচে।

    [ দর্শকদের মধ্য থেকে পাপুনের মা উঠে দাঁড়ায় ]

    পাপুনের মা। অ্যাই সন্টু। কী হচ্ছে। ওটা মন্টু সন্টু নয়, মধু বিধু হবে।

    সন্টু। (ভ্রূক্ষেপ না করে)

    পিতা বসি ছিল দ্বারে দুজনে শুধাল তারে

    কী পোশাক আনিয়াছ কিনে?

    পিতা কহে আছে আছে তোদের মায়ের কাছে

    দেখিতে পাইবি ঠিক দিনে।

    সবুর সহে না আর জননীরে বারবার

    কহে, মাগো ধরি তোর পায়ে

    বাবা আমাদের তরে কী কিনে এনেছে ঘরে

    একবার দে না মা দেখায়ে।

    ব্যস্ত দেখি হাসিয়া মা দুখানি সিন্থেটিক জামা

    দেখাইল করিয়া আদর।

    সন্টু কহে আর নেই? মা কহিল আছে এই-

    হাফ প্যান্ট মোটা খদ্দর।

    রাগিয়া আগুন ছেলে ওই জামা ধুলায় ফেলে

    কাঁদিয়া কহিল, চাহি না মা

    ফ্ল্যাট বাড়ির সব ছেলে কতরকম জিনস পেলে

    ঋত্বিক রোশন মার্কা জামা-

    [ দর্শকদের মধ্যে গুঞ্জন ]

    মা কহিল, সন্টু ছি ছি কেন কাঁদ মিছামিছি

    গরিব যে তোমাদের বাপ

    বার্লিকল লক আউট আছে কতদিন উপোস গেছে

    পেয়েছেন কত দুঃখ তাপ।

    পল্লব। অ্যাই। কী হচ্ছেটা কী। কার কবিতা পড়ছিস!

    সন্টু। রবীন্দ্রনাথ আর আমার মেশানো।

    জনৈক। ছিঃ। রবীন্দ্রনাথের কবিতা বিকৃত হচ্ছে?

    জনৈক। ওকে ধরে নামিয়ে দাও।

    পল্লব। এই যে সভাপতিমশাই। থামিয়ে দিন।

    জনৈক। থামিয়ে দিন থামিয়ে দিন।

    পাপুন। আমাদের অনুষ্ঠান এখানেই শেষ হল।

    [ পরদা পড়ে যায়। কিন্তু পরদার বাইরে তখন ধ্রুব, ছোটন, পাপুন আর সন্টু চলে এসেছে। সন্টু রাগ রাগ মুখ করে দাঁড়িয়ে আছে ]

    ছোটন। তোর কবিতাটাই বেস্ট হয়েছে রে সন্টু। কবিতার জন্য প্রাইজটা আমারই পাবার কথা ছিল। ওটা গট আপ প্রাইজ। ওটা আর আমি নিচ্ছি না রে। তুই নে।

    সন্টু। আমি কেন নেব। আমাকে তো বলতেই দিলে না।

    পাপুন। সরি সন্টু। আমার অন্যায় হয়ে গেছে। আমি ঠিকমতো সভাপতি হতে পারিনি। তোর কবিতাটাই সবচেয়ে ভালো হয়েছে। আমি সভাপতি। দেখ গলায় এখনও ফুলের মালা। তুই প্রাইজটা নে।

    ধ্রুব। আমি প্রধান অতিথি। আমিও বলছি তোর কবিতাটাই সবচেয়ে ভালো, প্রাইজটা নে।

    [ ধ্রুব প্রাইজটা দেয় ]

    সন্টু। (বইটা দেখে) এই বই নিয়ে আমি কী করব। কীসব টিনটিন, আরচি…

    ছোটন। হ্যাঁ, হ্যাঁ… কমিকস…

    সন্টু। এসব আমার ভালো লাগে না। এসব আমি বুঝি না। এসব তোমাদের জন্য।

    ধ্রুব। তাহলে কী পুরস্কার চাস তুই বল…

    সন্টু। যা চাইব দেবে?

    ছোটন। সিওর সিওর।

    সন্টু। আমাকে একটু পড়িয়ে শুনিয়ে মানুষ করে দাও না। যেন তোমাদের ওই আরচি, টিনটিন বুঝতে পারি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতাও ঠিকমতো বুঝতে পারি। ইংরিজি সাইনবোর্ড পড়তে ইচ্ছা যায় ছোটনদাদা, চিঠির ঠিকানা লিখতে ইচ্ছা যায়। পড়াবে?

    ছোটন। রোজ পড়াব। পালা করে। এই ছাতে। আসবি তুই?

    ধ্রুব। ইশ। আমি কী করব তাহলে? আমাকে তো হোস্টেলে ফিরে যেতে হবে।

    সন্টু। সেই হোস্টেলেও দেখবে আরেকটা কোনো সন্টু আছে। পড়া ফেলে কাজ করে।

    পাপুন। তাহলে কাল থেকেই। রোজ বিকেলে।

    ছোটন। আমাদের রোজই রবীন্দ্রজয়ন্তী হবে। রোজ।

    [ সন্টুকে মাঝখানে রেখে ওরা তিনজন দাঁড়িয়ে থাকে ]

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগাঞ্জে ফেরেশতে (চলচ্চিত্র ইতিহাসের দলিলগ্রন্থ) – সাদত হাসান মান্টো
    Next Article ভৌতিক অমনিবাস ২ – মানবেন্দ্র পাল
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }