Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নতুন নতুন নাটক – সম্পাদনা: মনোজ মিত্র

    মনোজ মিত্র এক পাতা গল্প504 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    তিতির মৌ – চন্দন সেন

    তিতির মৌ – চন্দন সেন

    কেয়া, কামিনী, কদম্ব, টগর মিতুলের বন্ধু চারটি ফুল।

    মিতুল ছোট্ট মেয়ে

    মিতুলের মা ঘুঁটেকুড়ুনি দাসী

    বণিক

    বণিকের কয়েকজন ভৃত্য ও একটি হাতি একটি শিশু হাতির মুখোশ পরে অভিনয় করবে।

    প্রথম প্রেক্ষণ

    [ বাগান। সকাল বেলা।

    কেয়া, কামিনী, কদম্ব, টগর। একসঙ্গে গাইছে ]

    গান

    ভোর এলরে ভোর এলরে-

    ফুটবি চলে আয়-

    (আয়রে) ফুটবি চলে আয়-

    শ্রাবণের আকাশ থেকে

    মেঘ যে ওঠে ডেকে ডেকে

    সূর্য বলে ফোটনা সই-

    (নইলে) ওঠাই হল দায়।

    ফুটবি চলে আয়।

    পাখির গলায় জেগেছে সুর

    রাতের আঁধার গিয়েছে দূর

    সূর্য তবু থমকে আছে মেঘের ইশারায়।

    ফুটবি চলে আয়।।

    কেয়া। ফোটা তো হল ভাই, সে তো এখনও এল না।

    টগর। কী করে আসবে? আকাশে মেঘ না, সুয্যি কোনোটাই এখনও চোখ মেলতে পারছে না।

    কামিনী। না, না, সূর্য ওঠার আগেই তো সে আসে রে।

    কদম্ব। কোনোদিন তো তার দেরি হয় না।

    কেয়া। আসবে বলে বসে আছি কখন থেকে-

    ফুটিয়ে ডালা ফুলের মালা আদর মেখে কখন থেকে।

    কদম্ব। সে না এলে বৃথাই ফোটা, মিথ্যে হবে সূর্য ওঠা-

    ভোরের হাসি শুকিয়ে যাবে তারেই ডেকে,

    -কখন থেকে।

    কামিনী। সে যে সখা জন্ম হতে

    (আমরা) তাই যে ফুটি তারই পথে আদর পেয়ে

    খেলায় মাতি তাকেই দেখে,

    -কখন থেকে

    কেয়া। ইস! কত দেরি হয়ে গেল রে, শরতের সকাল হলে এতক্ষণ অনেক আগেই সূর্য উঠত-

    টগর। বসন্ত হলে তো কথাই নেই-

    কামিনী। শীতেও সূর্য উঠতে এত দেরি হত না।

    কদম্ব। কিন্তু এটা যে শ্রাবণ, তাই সাত সকালেই মেঘ রয়েছে ঢেকে আকাশ।

    কেয়া। তবু দেখ এখনও সে এল না, মিটছে না আশ।

    টগর। না রে ওই ওই তো তাকে দেখা যাচ্ছে-

    কামিনী, কদম্ব। মিতুল, মিতুল, তাড়াতাড়ি এসো….. আমরা কখন থেকে ফুটে বসে আছি।

    কেয়া। কিন্তু ওকে কেমন ক্লান্ত লাগছে দেখ।

    টগর। আহারে বেচারির সারারাত নিশ্চয়ই ঘুম হয়নি- দেখ দেখ চোখ দুটো ফোলা ফোলা- মুখটাও বিষাদ কালো, দৃষ্টিও করুণ, ঠেকছে না ভালো।

    কামিনী, কদম্ব। (চিৎকার) কী হয়েছে? কী হয়েছে রে মিতুল? (গলা নিচু করে) কেমন আস্তে আস্তে করুণ ছলছল চোখে আসছে দেখ।

    কেয়া। ওর নিশ্চয়ই মন ভালো নেই, আয়, আয় আমরা গান গেয়ে তোর মন ভোলাই।

    চারজনে। গান

    মিতুল সোনা, মিতুল সোনা,

    ফুল তুলে যায় ভোরের বেলা-

    মিতুল সোনা মিতুল সোনা

    মোদের সঙ্গে করবে খেলা।

    সুয্যি ওঠার অনেক আগে

    কুঞ্জে অলি কুসুম জাগে-

    মিতুল সোনার হাসি রাঙায় শাওন ভেলা,

    ভোরের বেলা।

    [ ছোট্ট মিতুল করুণ মুখে প্রবেশ করে ]

    টগর। কী হয়েছে মিতুল সোনা?

    কেয়া। তুমি গান শুনেও হাসছ না, তোমার রাতে নিশ্চয়ই ঘুম হয়নি?

    কামিনী। তোমার বাড়িতে নিশ্চয়ই কিছু হয়েছে।

    কদম্ব। তোমায় কেউ দুঃখ দিয়েছে মিতুল সোনা?

    [ মিতুল করুণ মুখে হাসে, তারপর গান গায় ]

    মিতুল। গান

    ওগো প্রিয় ফুল সখীরা, কোনো দুঃখ নাই, নাইরে,

    আমার কোনো দুঃখ নাই-

    প্রতিদিন ভোরের বেলা ফুল তুলি আর গাই,

    গাইরে, আমার কোনো দুঃখ নাই।

    টগর। তুমি কেন রাখছ ঢেকে তোমার ব্যথা-

    কেয়া, কামিনী। তোমার করুণ চোখে বিধুর মুখে কান্নাভরা অনেক কথা-

    কদম্ব। আমরা তোমার গোপন বেদন জানতে শুধু চাই, চাই রে-

    মিতুল। কোনো দুঃখ নেই।

    চারফুল। (একসঙ্গে) না, না, তুমি বলো তুমি বলো- আমরা তোমার গোপন বেদন জানতে শুধু চাই চাই রে-

    মিতুল। গান

    আমি ছোট্ট মেয়ে, আমার ছোট্ট জীবন,

    ছোট্ট দুঃখ, আমার দুঃখ আমারই থাক-

    তোমরা আমার প্রিয় সখী কতদিনের

    কুসুমিত ভালোবাসায় ঋণী আমি কত ঋণের!

    ব্যথার কথা জানিয়ে যেন ঋণের বোঝা না বাড়াই

    আমি যে তা চাইরে!

    চারফুল। না, না- তুমি আমাদের ছোট্ট সখী আমরা তোমার সুখে সুখি-

    আমরা তোমার দুঃখে দুখী কেন তবে দিচ্ছ ফাঁকি?

    মিতুল। বেশ তবে বলো কী বলব?

    টগর। কেন দেরি করে এলে, কোনোদিন তো ভোরে ফুল তুলতে এত দেরি করো না-!

    কদম্ব। কেন তোমার চোখেমুখে গভীর ব্যথা?

    কেয়া। তোমার নিশ্চয়ই রাতে ঘুম হয়নি?

    কামিনী। কিংবা তোমাদের ঘরে নিশ্চয়ই বড়ো বিপদ-!

    মিতুল। ফুল সখীরা, তোমরা যখন আমায় এত ভালোবাস, আমায় যখন এত করে বলছ, তখন সব বলতে মন চাইছে। তখন তোমাদের খুলেই বলি আমার কথা- আমার ঘরে আজ অনেক দুঃখ, ভীষণ বিপদ। তোমরা তো জানো আমার বাবা নেই কবে থেকেই, মা আমার ঘুঁটেকুড়ুনি দাসী! অনেক কষ্টে অনেক যন্ত্রণায় আমায় বড়ো করে তুলছে আমার মা-

    সকলে। আহা রে, তোমার মা-এর অনেক কষ্ট অনেক দুঃখ-

    মিতুল। হ্যাঁ ভাই-

    গান

    মা আমার দুঃখী বড়ো, ঘুটেকুড়নি দাসী হায়-

    সারাদিন খেটে খেটে

    (মা) দুটো রুটি জোগান পেটে-

    না খেয়ে তা আমায় খাওয়ান-

    তার মুখে তাতেই সুখের হাসি।

    ঘুঁটেকুড়ুনি দাসী।

    চারজনে। আহারে! তোমার তো দুঃখ ভারী!

    বলো না তোমার জন্য কী করতে পারি?

    মিতুল। প্রয়োজন নেইকো তারই-

    আমি নিজেই নিজের দুঃখে ভাসি

    মা যে আমার দুঃখিনী এক ঘুঁটেকুড়ুনি দাসী।

    চারজন। বলো মিতুল, তোমার কীসের দুঃখ?

    মিতুল। বলছি, ছাড়বে না যখন তোমরা, তখন শোনো- এই তো কদিন আগে সন্ধেবেলা মালাগুলো বিক্রি করে- ফিরে গিয়ে মাকে দেখি মাথা নিচু করে একা একা কাঁদছে ঘরে। আমায় দেখে দুটো কান্নাভেজা চোখ মুছে বলল ডেকে-

    [ ফ্ল্যাশ ব্যাক! সামনে জোন তৈরি হয়, অন্যরকম আলোর ]

    মা। (ম্লান হেসে) যাবি রে মিতুল অন্য কোথা এখান থেকে?

    মিতুল। মা, এখানেতে জন্ম আমার,

    এখানেতে কুটির তোমার,

    এখান ছেড়ে আমরা মাগো কোথাও যাব না।

    মা। যেতে আমার মন কী চায় রে-

    এমন শান্ত কুটির, চেনা আকাশ

    ফুলের গন্ধ মাতাল বাতাস

    বনানির এমন মায়া অন্য কোথাও পাব না।

    মিতুল। যাব না মা-যাব না।

    মা। কিন্তু আমি যে ঘুঁটেকুড়ুনি দাসী, কপাল সর্বনাশী; তোকে যে রোজ ভাতটুকুও দিতে পারি না-

    মিতুল। আমিও মা কষ্ট করে, যত্ন করে, মালা গাঁথি, বিক্রি করি ঘরে ঘরে, দুজনেরই চলে তো যায়, কাউকে তো ধারি না।

    মা। (তবু) তোকে রোজ ভাত জোগাতে পারি না।

    তাই মিতুল আমি যে রাতে কাল

    নিজেকেই দিয়েছি অনেক গাল,

    ভেবে রেখেছি একবার দেখে আসবই শহরের হাল-

    অন্য কোনো কাজ যদি পাই

    থেকে যাব তবে ওখানেই বাকি কাল।

    মিতুল। না, না, পারব না মা থাকতে সেথা,

    এই বাগানের স্মৃতি দেবে ভীষণ ব্যথা।

    এত বন্ধু ছেড়ে আমি একাই কেন সুখের খোঁজে যাব?

    এমন সব বন্ধু কুসুম মাগো, কোথায় পাব?

    মা। (তবু) মিতুল, আমি যে কাল দেখতে যাবই শহরের হাল।

    না খেয়ে আর মালা গেঁথে হচ্ছে জানি জীবন নষ্ট।

    বলে দিলাম আমি স্পষ্ট

    কাল ভোরেতে যাবই যাব।

    তারপরেতে এসে ফিরে ভাবনা চিন্তা করেই ধীরে-

    এখান থেকে জিনিসপত্র গুছিয়ে নেব,

    শহরেতে কাল ভোরেতে যাবই যাব।

    মিতুল। যেয়ো না মা, শহরে মানুষ থাকে ইটের অন্ধ খাঁচায়।

    দরকার নেই এমনভাবে বাঁচায়।

    মা। (চলে যেতে যেতে) মিতুল রে, দুঃখকষ্ট শহরেতে পেলে পাব,

    তবু আর সয় না, এবার আমি যাবই যাব।।

    [ ফ্ল্যাশ ব্যাক কেটে যায়। মিতুল ফুলদের মাঝখানে ফিরে আসে ]

    মিতুল। পরদিনই মা গেল চলে সকালবেলা,

    এল ফিরে আবার ঘরে সন্ধ্যাবেলা।

    তারপরেতে বলব কী ভাই মরণ খেলা-

    জমছে দেখি ক্ষণে ক্ষণে মাকে ঘিরে-

    টগর। কেন মা শহর পর্যন্ত যেতে পারেননি?

    কেয়া। তোমার মা অন্য কোনো বিপদে পড়েছেন?

    কামিনী, কদম্ব। কী হল ভাই তোমার মার?

    মিতুল। কী জানি তার, সন্ধেবেলায় মায়ের চোখে নেমে এল অন্ধকার।

    গা পুড়ে যায়, ভীষণ জ্বর, কাঁপছে দেহ, কাঁপছে স্বর।

    ভয়ে আমার কান্না পেল,

    মা নাকি পথের মাঝেই মাথা ঘুরে

    পড়েছিল দুপুরবেলা জ্বরের ঘোরে, কেউ একজন দয়া করে মাকে আবার পৌঁছে দিয়ে গেছেন ঘরে।

    চারজন। আহারে, তোমার মায়ের কী দুঃখ কী কষ্ট!

    মিতুল। কিন্তু আর তো সময় করতে পারি না নষ্ট! কারণ ভয় পেয়ে আমি রাজবৈদ্যের কাছে ছুটে গেলাম।

    সকলে। রাজবৈদ্য! সে তো অনেক টাকা লাগে ভাই।

    মিতুল। কিন্তু মায়ের আমার চিকিৎসা তো চাই। এদিকে পয়সাওতো নাই।

    সকলে। তারপর তারপর?

    মিতুল। রাজবৈদ্য মুখ ঘুরিয়ে নিলেন, বললেন না, না, হবে না, অন্তত দুই মোহর ছাড়া আমার ওষুধ পাবে না! গরিব আমরা কোথায় পাব মোহর? কাল সন্ধের এই ঘটনা- ফিরে আসছি আপন ঘরে রাগদুঃখ নিয়ে, এমন সময় দেখি রাস্তা দিয়ে – ফিরছেন এক বণিক আপন ঘরে, সঙ্গে অনেক লোক লশকর।

    [ আবার ফ্ল্যাশব্যাক। রাস্তা। হাতির পিঠে বণিক, বাজনা বাজছে। মঞ্চ আস্তে আস্তে অন্ধকার। লোকের চিৎকার বাজনার শব্দ শোনা যায় ]

    মিতুল। আমি যাচ্ছি হাতির পাশ দিয়ে কাঁদতে কাঁদতে। বেশ কিছু দূর চলে গেছি। হঠাৎ দেখি বণিকমশাই আমার পিছু ছুটে এসেছেন, মুখে তাঁর দারুণ বিস্ময়। আর রাগে তাঁর দেহ কাঁপছে। আমার কাছে এসেই বললেন-

    বণিক। এই মেয়ে তুই আমার হাতির পাশ দিয়ে যেতে যেতে কাঁদছিলি?

    মিতুল। হ্যাঁ বণিকমশাই। আমার মা জ্বরে কষ্ট পাচ্ছে।

    বণিক। কিন্তু এদিকে যে আমার হাতি দাঁড়িয়ে পড়েছে। জানিস না আমার অদ্ভুত হাতি কাউকে কাঁদতে দেখলে দাঁড়িয়ে পড়ে। কিন্তু যদি তাকে বুঝিয়ে বলিস কানে কানে মিষ্টি স্বরে- -আমি আর তোর সামনে কাঁদব না রে হাতি, কাঁদব না রে।- অমনি হাতি চলতে শুরু করে।

    মিতুল। (চোখ মুছে) আমি জানতাম না বণিকমশাই, বেশ আমি যাচ্ছি। এক্ষুনি হাতিকে গিয়ে বলছি- -আর আমি তোমার সামনে কাঁদব না। কক্ষনো না-

    [ যেতে চায়। বণিক কথা বলে ]

    বণিক। দাঁড়া। তুই তো বেশ লক্ষ্মী মেয়ে! তা কাঁদছিলি কেন?

    এখনও জল দেখছি দু-চোখ ছেয়ে!

    মিতুল। আমার মায়ের ভারী অসুখ। রাজবৈদ্য দুই মোহর পেলে ওষুধ দেবেন। তবে মায়ের প্রাণ বাঁচবে।

    বণিক। দুই মোহর! (হাসি) সোজা কথা দুই মোহর? অত সস্তা!

    ঠিক আছে- তোকে একটা সুযোগ দিচ্চি। ওই, ওই যে রাস্তাটা, ওটা সোজা গেছে মধুপুরে। মধুপুরের কাজলদিঘির পাশেই আমার বাড়ি।

    মিতুল। শ্বেত পাথরের প্রাসাদ তো-?

    বণিক। তুই তো সব জানিস মেয়ে!

    মিতুল। ও বাড়িতে গত শ্রাবণের পূর্ণিমার উৎসবে আমি মালা বেচতে গিয়েছিলাম।

    বণিক। ও- হ্যাঁ-হ্যাঁ শুনেছি বটে এক বাচ্চা মেয়ের কাছ থেকে মালা কিনেছিল ওরা, সুন্দর মালা ছিল। তা বেশ তো, পরশুই তো পূর্ণিমা, মালা বেচতে আসিস, অনেক মালাই কিনব। এবার উৎসবও হবে বড়ো। আমার এবার বাণিজ্যে অনেক লাভ হয়েছে রে। দেখছিস না কেমন বাজনা বাজিয়ে হাতি নিয়ে যাচ্ছি! আসিস তুই পরশু সন্ধেবেলা।

    মিতুল। কিন্তু আমার যে দুই মোহর-

    বণিক। ও হ্যাঁ। মোহর। দেখ দুই মোহর কি সহজে মেলে! আচ্ছা তোকে একটা সুযোগ দেই। এবারে আমি অনেক বড়ো উৎসব করব শুনলি তো? বাইরে থেকে অনেক গানবাজনার লোক আসবে। কিন্তু আকাশে যেমন মেঘ দেখছি, ভয় হচ্ছে শ্রাবণ পূর্ণিমার চাঁদ হয়তো উঠবেই না। ফলে আমার সব আয়োজন হবে মাটি। তা মেয়ে, যদি সেইদিন চাঁদ হাসে, চাঁদের মুখে যদি আলোর হাসি নাচে, পাবিরে দুই মোহর তুই, জেনে রাখ আমার কাছে। মনে রেখো মেয়ে- চাঁদ যদি হাসে তবেই- দুটি মোহর পাবেই।

    [ বণিক চলে যায়। ফ্ল্যাশ ব্যাক ভেঙে যায় ]

    মিতুল। শুনলে তো সব তোমরা ভাই, আজই তো ভাই পূর্ণিমা। কিন্তু আকাশের মুখ যে ভার করে আছে ভাই, মোহর পাওয়ার আর কোনো আশাই নাই।

    চারজন। আহারে, তোমার ভাগ্য বড়ো মন্দ,

    শ্রাবণের ওই কালো মেঘ হল প্রতিবন্ধ।

    আমরা তো ভাই ছোটো ছোটো ফুল, তোমার দুঃখে ভেবেই আকুল-

    কীভাবে যে হাসবে গো চাঁদ, আকাশ যে আজ অন্ধ।

    তোমার ভাগ্য বড়ো মন্দ।

    টগর। (হঠাৎ) না, না, একটা উপায় পড়ছে মনে-

    কথাটা যে ডুবে ছিল বিস্মরণে!

    চলে যাও ভাঁড়ুর বাগান,

    পাবে তিতির মৌ ফুলের সন্ধান।

    তিনজন। ঠিক, ঠিক বলেছ। তিতির মৌ- এ অঞ্চলে একটাই গাছ আছে। কিন্তু কঠিন বড়ো যাওয়া তার কাছে।

    মিতুল। কেন বন্ধু কেন?

    তিনজনে। বাগানের মালিক ভা৺ড়ু দত্ত, শয়তান সে এক মস্ত, কাউকেই সে বাগানে দেয় না ঢুকতে।

    মিতুল। গান

    সময় যে বয়ে যায় যায়

    ভাবনার সুযোগ তো নাই।

    সেই ফুল খুঁজে পাই বা না পাই,

    আমি যে যাব সেখানে ছুটে।

    (শুধু) ঠিকানা বলে দাও মুখটি ফুটে।

    যদি আজ রাতে চাঁদ ওঠে বাঁচবে গো মা

    তাকে বাঁচাবার সুযোগটা চাই!

    টগর। বেশ তবে যাও ভাই সাবধানে।

    কদম্ব। ভরসা শুধু রাখো মনে ভাঁড়ু দত্তের ঘুম ভাঙতে দেরি যে হয় ঢের।

    সাঁঝে ঘুমোয়, পাহারা দেয় সারাটি রাত-

    লাঠি ঠোকে তার শক্ত দু-হাত

    শেষ রাতেতে ঘুমিয়ে পড়ে ক্লান্তিতে ফের।

    কামিনী,কদম্ব। তবে যাও দ্রুত সেথা, তোমার দুঃখে আমরা পেলাম গভীর ব্যথা,

    তিতির মৌ চাঁদের মেয়ে সুন্দর ফুল,

    তার কাছে যাও তাড়াতাড়ি সোনার মিতুল।

    কদম্ব। সামনেই চকের পোতা পার হয়ে ভাই,

    দক্ষিণেতে যেতে হবে মাঠ পেরিয়ে

    রায়দিঘিটার বাম পাশেতে মেঠোপথের আল ছাড়িয়ে

    ভাঁড়ুদত্তের বাগান পাবে; সাবধানেতে সেখানে যাবে।

    মিতুল। যাই তবে ভাই, শুভাশিস দাও গো তবে আমায় সবাই।

    দুটি মোহর পেলেই আমার বাঁচবে যে মা-

    তিতির মৌ ফুল না পেয়ে ফিরব না, না!

    যাই তবে যাই।

    [ মিতুলের প্রস্থান

    [ দৃশ্যান্তর। আলো জ্বলে। ভাঁড়ু দত্তের বাগান। মিতুল ও তিতির মৌ ]

    মিতুল। তিতির মৌ, তিতির মৌ ফুল, কী সুন্দর তুমি-

    এমন ফুলকে কাছে পেয়ে ধন্য হলাম আমি।

    কী সুন্দর তুমি!

    তিতির। তুমি ওগো ছোট্ট মেয়ে, আরও সুন্দর আমার চেয়ে,

    আজ বন্ধু হয়ে এলে যখন, ভালোবাসা নাও।

    এলে কত কষ্ট করে, এবার বলো স্পষ্ট করে,

    সামান্য এই ফুলের কাছে কী সাহায্য চাও?

    মিতুল। শুনলে পাবে বড়োই ব্যথা, আমার বড়ো করুণ কথা-

    রোগশয্যায় কাঁপছে যে আজ মাগো আমার।

    রাজবদ্যি বলল আমায়, ঔষধ যে নিতে চায়,

    অন্তত দুটি মোহর তাকে দিতে হবে উপহার।

    গরিব আমি, কেমন করে তা করব জোগাড়!

    ঘুঁটেকুড়ুনি দাসীর মেয়ে আমি, মোহর যে আমার চেয়েও দামি।

    শেষে এক বণিক বলল ডেকে, চাঁদ যদি এই পূর্ণিমাতে হাসে ওই আকাশ থেকে,

    খুশি হয়ে সে আমাকে দুটি মোহর দেবে।

    রাজবৈদ্যের হাতে তবে মা-র চিকিৎসা হবে।

    তিতির। কিন্তু ভাই, তুমি কি জানো না- চাঁদ যে আমার মা?

    কাল শেষ রাতেতে মা আমাকে ফুটিয়ে দিয়ে

    সোহাগে বলল হেসে,

    তিতির সোনা, আমি কাল আর উঠছি না,-

    ভালো থেকো আনন্দে ও অনুরাগে-

    রাঙিয়ে আলো নীল পরাগে।

    মিতুল। তবে কি ভাই তোমার কথাতেও চাঁদ আজ রাতে উঠবে না? তবে কি মোহর আমি পাব না? তবে কি ঘুঁটেকুড়ুনি দাসী মা আমার রোগে ভুগে শেষ হয়ে যাবে? (কান্না)

    গান

    বলো তিতির, বলো আমায়,

    মা গেলে মা পাব কোথায়?

    দুটি মোহর না পেলে যে

    (তার) প্রাণটা টলমল।

    বলো তিতির, বলো।

    তিতির। আর বোলো না ভাই মিতুল সোনা, বোলো না ভাই,

    তোমার বেদন শুনে আমি ছোট্ট ফুল যে কষ্টে মরে যাই।

    তুমি জানো না মোর ভাগ্যলিপি-

    প্রথম রাতে জন্ম আমার চাঁদের আলোর তাপে

    (তবু) দ্বিতীয় রাতে চাঁদ উঠলেই আমার বুক যে কাঁপে।

    মিতুল। কেন ভাই মাকে দেখলে বুক কাঁপে? এ কেমন কথা-

    তিতির। (ম্লান হেসে) ঠিক কথা, না ভাই মা দেখলে কারো বুক কাঁপে?

    ঠিক আছে ভাই, বিদায় জানাই তুমি আমার সখী।

    দেখা হল, চোখের জলে, তুমিও আমায় পথে পেলে;

    বাঁধব এবার তোমার হাতে ভালোবাসার রাখি।

    যাও ফিরে যাও নিজের ঘরে, জানাই তোমায় মনের জোরে,

    চাঁদ মা আমার উঠবেই আজ রাতে।

    মা বলেছে, ঠিক তিনবার -মা- বলে যদি দিই চিৎকার,

    তবে চাঁদের আলো ছড়িয়ে যাবে এধার থেকে ওধার।

    তখন গেঁথে হাজার মালা,

    তুমি বণিকবাড়ি চলে যেয়ো ভুলে মনের জ্বালা।

    আকাশ তখন যতই ঢাকুক মেঘে, মায়ের আমার চাঁদের হাসি থাকবে তাতে লেগে।

    দেখে আমার চাঁদমায়ের মুখখান, মোহর দেবে বণিক ধনবান।

    মিতুল। বিদায় বন্ধু, বিদায়, মনে জাগছে খুশির গান,

    বন্ধু, তোমার হৃদয় মহান, বড়োই মহান!

    যা চেয়েছে ব্যাকুলভাবে আমার ছোট্ট প্রাণ-

    অচেনা এই মিতুলকে ভালোবেসে তাই করলে দান!

    হৃদয় তোমার বড়োই মহান

    বিদায় বন্ধু, বিদায় [ মিতুল চলে যায়

    [ দৃশ্যান্তর ]

    [ মিতুল খুশি হয়ে ফিরে এসেছে ফুলেদের মধ্যে ]

    মিতুল। গান

    ফুটবি চলে আয়-

    (আয়রে) ফুটবি চলে আয়-

    শ্রাবণের আকাশ থেকে

    মেঘ যে ওঠে ডেকে ডেকে

    সূর্য বলে ফোটোনা সই

    নইলে ওঠাই হল দায়।

    ফুটবি চলে আয়।।

    চারফুল (একসঙ্গে)। ওই ওই তো আজ ঠিক সময় মিতুল সোনা এসেছে।

    টগর। ওই দেখ কী খুশি খুশি লাগছে ওকে।

    কদম্ব। ওর হাসি আজ উছলে পড়ছে

    কেয়া, কামিনী। মিতুল সোনা, মিতুল সোনা। তোমার মা ভালো আছে?

    মিতুল। হ্যাঁ খুব ভালো। কাল রাতে চাঁদ উঠেছে- মেঘ চিরে। বণিকমশাই বড়ো খুশি হয়ে আমায় দুটি মোহর দিয়ে দিলেন। বললেন, তুমি খুব পয়া মেয়ে! এই নাও দুই মোহর! রাজবদ্যি মোহর পেলেন, ওষুধ দিলেন। সেই ওষুধ খাইয়ে দিলাম মাকে। জানো, মা ভালো হয়ে গেছে, ভোরেই মায়ের মুখে কোনো যন্ত্রণা নেই, আছে হাসি।

    চারটি ফুল। আমরা খুব খুশি, মিতুল সোনা, খুব খুশি।

    মিতুল। এমন খুশির ভোরে যাব একবার আমার নতুন বন্ধুর কাছে-

    তিতির মৌ ফুলের কাছে।

    সারা বাগানে ওই একটিই ফুল, সবচেয়ে সুন্দর, সবচেয়ে দরদী!

    ভাঁড়ু দত্তর চোখ এড়িয়ে যাব তিতির মৌ-এর কাছে,

    সে জানে না, তার সঙ্গে আমার কত কথা আছে!

    কী মিষ্টি ফুল তিতির মৌ, কী সুন্দর নাম!

    এমন বুকভরা তার ভালোবাসার কী দেব ভাই দাম?

    আমি শুধু বলব তাকে, তোমায় আমি ভুলব না ভাই-

    টগর। কেন যাবে সেখানে হায়, আর তো কোনো প্রয়োজন নাই।

    মিতুল। কেন ভাই কেন? বলছ কেন এমন কথা?

    এমন উপকারকে অস্বীকারে চিরকাল যে বইব ব্যথা!

    কেয়া। তুমি কি মিতুল জান না কিছু? তোমায় কি বলেনি সে?

    দ্বিতীয় রাতের চাঁদ দেখলেই মরণ যে তার কাছে আসে!

    মিতুল। সেকী! কেন এমন বলছ কেয়াফুল?

    কদম্ব। ঠিকই মিতুল, কেয়া করেনি একটুও ভুল। তিতির মৌ চাঁদের মেয়ে, চাঁদ তার মা। কিন্তু তার ভাগ্যটাই অভিশপ্ত। প্রথম রাতে চাঁদ উঠলেই তিতির মৌ ভুবনভোলানো হাসি নিয়ে ফোটে। কিন্তু দ্বিতীয় রাতে চাঁদ ওঠার পর যখন তৃতীয় প্রহরে ঢলে পড়ে চাঁদ, তিতির মৌ ফুলও ঝরে পড়ে, ছোট্ট জীবন শেষ হয়ে যায় চাঁদের অস্ত যাওয়ার একটু আগে। দ্বিতীয় রাতে চাঁদ না উঠলে অন্তত বেশ কিছুক্ষণ সে বাঁচতে পারে।

    কামিনী। কিন্তু তিতির মৌ এমন উদার, তোমায় এমন ভালোবেসেছে যে তার নিজের মৃত্যুকে ডেকে এনেই তোমায় খুশি করেছে। তোমার হাতে মোহর জুটেছে, তোমার মায়ের জীবন বেঁচেছে।

    মিতুল। না, না, তিতির মৌ আমার বন্ধু, আমার কত আদরের বন্ধু। (কান্না)

    চারটি ফুল। গান

    একটি -দুটি তারা জ্বলে ওঠে আকাশে,

    একটি দুটি সুর জেগে ওঠে বাতাসে।

    -পৃথিবীটা সুন্দর- – বলে যায় ওই চাঁদ,

    (তবু) তিতির মৌ কেঁদে কয়,-

    আজ মোর শেষ রাত

    আজ মোর শেষ রাত।।

    [ গান মৃদু কণ্ঠে চলে ]

    মিতুল। তিতির মৌ, বন্ধু আমার, আমায় তো একবারও খুলে বলোনি- তোমার ভাগ্যটা এমন, কেন বলোনি? কেন? (কান্না)

    চারফুল, মিতুল। গান

    তিতির মৌ তিতির মৌ, মিষ্টি ফুলের নাম,

    মৃত্যুহীন তোমার কথা হৃদয়ে লিখিলাম।

    নিজের জীবন পরের তরে

    বিলিয়ে দিলে অকাতরে-

    এমন উদার ভালোবাসার সোনার বেশি দাম

    তিতির মৌ, তিতির মৌ, মিষ্টি ফুলের নাম।।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগাঞ্জে ফেরেশতে (চলচ্চিত্র ইতিহাসের দলিলগ্রন্থ) – সাদত হাসান মান্টো
    Next Article ভৌতিক অমনিবাস ২ – মানবেন্দ্র পাল
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }