Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 9, 2026

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নতুন নতুন নাটক – সম্পাদনা: মনোজ মিত্র

    মনোজ মিত্র এক পাতা গল্প504 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মহাজাগতিক রিসার্চ ক্লাব – সাধন চট্টোপাধ্যায়

    মহাজাগতিক রিসার্চ ক্লাব – সাধন চট্টোপাধ্যায়

    অরুণ সকলেই ৮ম শ্রেণির ছাত্র

    বরুণ ,,

    তরুণ ,,

    প্রসূন রিসার্চ ক্লাবের প্রেসিডেন্ট

    প্রিয়তোষবাবু অরুণের বাবা

    সমরেশবাবু তরুণের বাবা

    পুলিশ

    সেপাই

    প্রথম দৃশ্য

    [অরুণ, বরুণ, তরুণ। তরুণদের বাড়িতে একটি ঘর ]

    অরুণ। পাঁচটা বেজে গেল, প্রেসিডেন্ট কোথায়? আজই দেরি করছে!

    বরুণ। মিটিং তো সাড়ে পাঁচটায়।

    অরুণ। সাড়ে ছটা থেকে তড়িৎ স্যারের কোচিং। বেশি দেরি করতে পারব না।

    তরুণ। কথাটা তালে আমাদের কাছে বল।

    অরুণ। অসম্ভব!

    বরুণ। কেন?

    অরুণ। ভীষণ ইন্টারেস্টিং ঘটনা।

    তরুণ। বল না। টেনশন বাড়াচ্ছিস কেন?

    অরুণ। প্রেসিডেন্ট ছাড়া বলা যাবে না!

    তরুণ। তোর সবকিছুতেই চালাকি!

    অরুণ। চালাকি? চালাকি মানে?

    বরুণ। প্রেসিডেন্ট এলে না হয় ফের শুরু করবি। বল না কী ঘটেছে?

    অরুণ। আমাদের ‘মহাজাগতিক রিসার্চ ক্লাব’-এর কথা দেখবি কালই কাগজে খবর হয়ে বেরুবে।

    বরুণ। অত ঘ্যাম নিচ্ছিস কেন- বল না?

    তরুণ। সবাই তো ক্লাবের মেম্বার, বলতে আপত্তি কী?

    অরুণ। তখনই শুনিস! আজ মিটিংয়ে স্টান্ট দেব! কী যে করে প্রেসিডেন্ট!

    বরুণ। তাই বলে ভেবো না, প্রসূন তোমায় ছাড়বে! আজ দেবে তোমাকে?

    অরুণ। কেন? প্রেসিডেন্ট দেবে কেন আমাকে?

    বরুণ। তুই কেন হেম স্যারকে বলেছিস ক্লাসে, আমরা ‘মহাজাগতিক রিসার্চ ক্লাব’ বানিয়েছি? প্রসূন তার প্রেসিডেন্ট?

    অরুণ। কেন? কী হয়েছে?

    বরুণ। স্যার যে ক্লাসে ঢুকেই ওকে প্রসিডেন্ট বলে ডাকছে! কেবলই ওকে পড়া ধরছে।

    অরুণ। আমি কি বুঝেছিলাম প্রেসিডেন্ট বলে ডাকবেন ক্লাসে?

    তরুণ। বলতে গেলি কেন?

    অরুণ। ধূমকেতু নিয়ে কথা বলতে বলতে বলে ফেলেছি!

    তরুণ। হেম স্যার বকেননি?

    অরুণ। বলল, অ্যানুয়াল পরীক্ষার দিন মনে আছে তো?

    বরুণ। স্যারটা বড্ড খিটখিটে!

    তরুণ। তবে হেভি নলেজ আছে অঙ্ক সম্পর্কে।

    বরুণ। তা হোক! সব সময় কি পড়তে ভালো লাগে?

    তরুণ। জয়ন্ত স্যার খুব ভালো।

    অরুণ। জানিস, জয়ন্ত স্যার পরশু আমাদের বাড়ি এসেছিলেন। বাবার বন্ধু তো।

    তরুণ। বল না কী স্টান্ট খবর? তুই খুব ভালোছেলে মাইরি!

    অরুণ। উঁহু! গ্যাস দিয়ো না চাঁদু! প্রেসিডেন্ট বকবে!

    তরুণ। আহা! প্রেসিডেন্ট হয়েছে তো কী?

    অরুণ। কেন, প্রসূন বলেনি, কোনো রোমাঞ্চকর খবর কারো থাকলে মিটিংয়ে সবার সামনে বলতে হবে?

    তরুণ। বেশ, মিটিংয়ে বুঝিয়ে দেব, তুই আগে বলিসনি!

    অরুণ। কেন? তুমি সেবার ব্রহ্মকমল ব্যাগ থেকে বার করে দেখিয়েছিলে আগে? মিটিংয়ে প্রেসিডেন্টের সামনেই বার করেছিলে!

    বরুণ। ছাড় তো! বলবে না তো বলবে না!

    অরুণ। (হেসে) বরুণ, মেজাজ নিয়ো না বাপধন! খবরটা শুনলে তুমিও ছুটবে আমার পেছনে।

    বরুণ। ধুস, ছুটতে আমার বয়েই গেছে!

    অরুণ। হেম স্যার সাধে তোকে বলেন খুদে বিজ্ঞানী!

    বরুণ। তোকেও তো বলেন!

    অরুণ। হ্যাঁ, বিজ্ঞানী তো বটেই আমরা! নইলে ক্লাবটা বানালাম কেন? স্পোটির্ং ক্লাব, লাফিং ক্লাব, রিডিং ক্লাব না বানিয়ে ‘মহাজাগতিক রিসার্চ ক্লাব’!

    তরুণ। ক্লাবের তো কিছুই নেই।

    অরুণ। কী নেই?

    তরুণ। দূরবিন, ক্যামেরা…!

    অরুণ। এইটের ছেলেরা বুঝি দূরবিনের পয়সা জোগাড় করতে পারে? আমরা যে হাতে-লেখা কাগজ করছি? স্টান্ট খবরটাই তো এই সংখ্যায় থাকবে!

    তরুণ। আর আমার ছড়াগুলো?

    অরুণ। ওসব বরুণ জানে!

    বরুণ। প্রেসিডেন্ট বলেছে, দুটো যাবে, চারটে যাবে না।

    তরুণ। কোন দুটো?

    বরুণ। মনে নেই।

    অরুণ। মুখস্ত আছে? শোনা তো?

    বরুণ। কেন? তুই খবরটা বলেছিস? তরুণ বলবি না।

    তরুণ। শোনাতে ক্ষতি কী?

    বরুণ। বে-শ!

    তরুণ। বিজ্ঞানী এক গবেষণায়

    খুঁজছিল তার দোষত্রুটি

    এমন সময় পড়ল মাথায়

    সেই গোলাকার বস্তুটি

    ও হাঁদারাম, বস্তুটি যে শুক্রগ্রহের রবার বল

    মাটির ওপর পড়ার পর

    লাফিয়ে ছিল কবার বল?

    অরুণ। (হাততালি দিয়ে) দারুণ! দারুণ!

    [হন্তদন্ত হয়ে প্রেসিডেন্ট প্রসূনের প্রবেশ ]

    প্রেসিডেন্ট। কী দারুণ? জমিয়ে তুলেছিস দেখছি! (চেয়ারে বসে)

    অরুণ। আমি চললাম।

    প্রেসিডেন্ট। কেন?

    অরুণ। ইচ্ছে। আমার পড়া আছে!

    প্রেসিডেন্ট। মিটিং?

    অরুণ। আমরা কখন থেকে বসে আছি!

    তরুণ। এটা তোর ঠিক না প্রসূন! জানিস অরুণ যাবে তড়িৎ স্যারের কোচিংয়ে!

    প্রেসিডেন্ট। কী করব? আমি কি ইচ্ছে করে লেট করেছি?

    অরুণ। সাড়ে তিনটেয় স্কুল ছুটি হয়েছে। ক্রিকেট খেলতে গেছলি?

    প্রেসিডেন্ট। তোরা তো তাই বলবি!

    তরুণ। এত দেরি করলি কেন?

    প্রেসিডেন্ট। কাল রাতে ঘুমিয়েছিলি? ভালো ঘুম?

    অরুণ। (বিস্ময়ে) হঠাৎ ঘুমের কথা!

    প্রেসিডেন্ট। ওই তো বললাম! সাংঘাতিক ব্যাপার ঘটে গেছে, কেউ টের পায়নি।

    তরুণ। কেউ বলতে?

    প্রেসিডেন্ট। পৃথিবীর মানুষ।

    তরুণ। পৃথিবীর সব মানুষ তো একসঙ্গে ঘুমোয় না। কোথাও রাত, কোথাও দিন থাকে। সন্ধেও চলে কোথাও কোথাও!

    প্রেসিডেন্ট। জানি! আমায় ভূগোল শেখাবি না।

    বরুণ। কী হয়েছে বল না? আজ সব্বাই এত ঘ্যাম নিচ্ছিস কেন?

    প্রেসিডেন্ট। (ব্যাগ থেকে ইংরেজি কাগজখানা তুলে সশব্দে টেবিলে রেখে) এর জন্যই মিটিংয়ে আসতে দেরি হল!

    অরুণ। কাগজটা বুঝি পথ আটকে রেখেছিল?

    প্রেসিডেন্ট। সাইকেলে দীপুমামার বাড়ি গেছলাম। আমরা ইংরেজি কাগজ রাখি না। মামা ফোনে জানাল বলেই তো কাণ্ড! মামার বাড়ি তো দেশবন্ধু পাড়া!

    তরুণ। সংক্ষেপে বল ভাই! ইংরেজি বুঝি না!

    প্রেসিডেন্ট। হাফইয়ার্লিতে আশি পেলি কি টুকে?

    তরুণ। কাগজ কী বলছে? ইংরেজির নম্বর ছাড়।

    প্রেসিডেন্ট। (থেমে থেমে) কাল যখন তোমরা গভীর ঘুমে নাক ডাকছ, পৃথিবীটা শেষ হয়ে যাচ্ছিল। একটুর জন্য বেঁচে গেল।

    তরুণ। একটুর জন্য? বেঁচে গেল? মারতে এসেছিল কেউ?

    প্রেসিডেন্ট। ধাক্কা দিতে এসেছিল।

    অরুণ। কোন পালোয়ান ভাই? মস্ত পৃথিবীটাকে ধাক্কা দিতে এসেছে?

    প্রেসিডেন্ট। পালোয়ান লাগে না অরুণ।

    বরুণ। তবে?

    প্রেসিডেন্ট। একটা টুকরো। যথেষ্ট!

    বরুণ। টুকরো? কীসের টুকরো?

    প্রেসিডেন্ট। মঙ্গল আর বেস্পতির মাঝখান থেকে একটুকরো মহাজাগতিক বস্তু গোত্তা মেরে আমাদের প্রায় চল্লিশ লক্ষ কিলোমিটার কাছে চলে এসছিল।

    তরুণ। কী হত?

    প্রেসিডেন্ট। ব্যস্ত হোস না! আমাদের এ-সংখ্যার দেওয়াল ম্যাগাজিনে খবরটা দিতেই হবে।

    তরুণ। দেওয়ার মতো হলে তো দেব!

    প্রেসিডেন্ট। মানে? দেওয়ার মতো বলতে?

    তরুণ। আগে খুলে বল! টুকরোটা এল কোত্থেকে?

    প্রেসিডেন্ট। টুকরে টুকরো বলছিস কেন? বৈজ্ঞানিক নাম আছে ওটার।

    তরুণ। কী?

    প্রেসিডেন্ট। 2000 Q.W.7 -হাফ কিলোমিটার চওড়া।

    তরুণ। অদ্ভুত নাম তো!

    প্রেসিডেন্ট। খুবই খতরনক। কয়েকশো মিটার চওড়া হলেই এই টুকরোগুলো খতরনক হয়ে পড়ে।

    তরুণ। শুধু ওইটুকু চওড়া হলেই?

    প্রেসিডেন্ট। তা ছাড়া পৃথিবী থেকে সাড়ে ছেচল্লিশ লক্ষ কিলোমিটারের মধ্যে নেমে আসতে হবে। তালেই গ্র্যাভিটির টানে -চোঁ!

    অরুণ। মানে উল্কা! উল্কা তো পড়ে আকাশ থেকে!

    প্রেসিডেন্ট। হাঁদা, ওরা মাটিতে পড়ে না। আকাশপথেই পুড়ে ছাই হয়ে যায় ঘর্ষণে। এগুলো বড়ো বলে সবটা ছাই হত না, গদাস করে মাটিতে পড়ত!

    তরুণ। কিংবা সমুদ্রে!

    প্রেসিডেন্ট। যদি আটল্যান্টিকে পড়ত, তিন মাইলের মধ্যে সব জল উবে যেত। আমেরিকা আর ইয়োরোপের দু-পাড় ডঁ×চু ঢেউয়ে ধুয়েমুছে যেত। কী সাংঘাতিক!

    বরুণ। ধুলোয় আকাশ ছেয়ে থাকত!

    অরুণ। আগে পৃথিবীতে এমন উল্কা পড়েছিল?

    প্রেসিডেন্ট। হ্যাঁ।

    অরুণ। রেকর্ড আছে তোর কাছে?

    প্রেসিডেন্ট। দাঁড়া! ধার করি। (কাগজ বার করে) ৬৫ লক্ষ বছর আগে ১১ কিলোমিটার চওড়া একটা উল্কা ইউকাটনে পড়েছিল!

    তরুণ। ইউকাটন কোথায়?

    প্রেসিডেন্ট। হাঃ হাঃ হাঃ! একটু আগেই ভূগোলের জ্ঞান দিচ্ছিলি না?

    তরুণ। দিচ্ছিলাম তো! তুই কি সবজান্তা ভাবিস নিজেকে?

    প্রেসিডেন্ট। মেক্সিকো! বিজ্ঞানীরা বলছে, ওই ধাক্কাতেই নাকি পৃথিবী থেকে ডায়নোসররা নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে!

    তরুণ। কই জুরাসিক পার্কে তো দেখায়নি?

    প্রেসিডেন্ট। ধুস! তা দেখাবে কেন!

    অরুণ। কী জানি ভাই! ৬৫ লক্ষ বছর আগে কে দেখতে গেছল! গ্যাঁজাগুলও হতে পারে! উল্কা নিয়ে তো অনেক গল্পই আছে!

    প্রেসিডেন্ট। অরুণ, তোর মেম্বারশিপ থাকা ঠিক নয়। মহাজাগতিক রিসার্চ ক্লাবের মেম্বার হয়ে গ্যাঁজাগুল বলছিস?

    অরুণ। (হেসে) কিছু মনে করিস না ভাই! লক্ষ কোটি শুনলেই কেমন যেন মাথাটা ঘুলিয়ে যায়!

    প্রেসিডেন্ট। অত কেন? ১৯০৮ সালে ৬০ মিটার লম্বা একটা উল্কা পড়েছিল সাইবেরিয়াতে। তেরো মাইলের মধ্যে সব গাছপালা শেষ; শয়ে শয়ে তুন্দ্রা-হরিণ মরে গেছল। এই তো কাগজই বলছে।

    তরুণ। আচ্ছা অমন শয়তান উল্কা যদি নেমেই আসে আকাশ পথে, টেকনলজি দিয়ে বিজ্ঞানীরা ধ্বংস করে দিতে পারে না?

    বরুণ। অসম্ভব।

    প্রেসিডেন্ট। ঠিক অসম্ভব নয়! বিদেশে বিজ্ঞানীরা ব্যাপারটা নিয়ে ভাবছেন।

    তরুণ। কী ভাবছেন?

    প্রেসিডেন্ট। যদি পারমানবিক কোনো আক্রমণ চালিয়ে জিনিসটাকে ফাটিয়ে গুঁড়ো গুঁড়ো করে দেওয়া যায়!

    অরুণ। এরপর গেলে তড়িৎ স্যার আমাকেই গুঁড়িয়েই দেবে। (উঠে গিয়ে প্রেসিডেন্টের কানে ফিসফিস কথা)

    প্রেসিডেন্ট। (উৎসাহে) বলিস কী? এক্ষুনি নিয়ে আয়? কে পেয়েছে?

    অরুণ। বাবা! গ্রামে সার্ভে করেন তো- অফিসের গাড়ি ছিল, নিয়ে এসেছেন!

    প্রেসিডেন্ট। দারুণ। দারুণ। হিপ হিপ হুররে!…

    তরুণ। আস্তে! আস্তে! বড্ড চ্যাঁচাচ্ছিস! এক্ষুনি বাপি কিন্তু দোতলা থেকে নেমে আসবেন!

    প্রেসিডেন্ট। সরি! সরি! কাকু কলেজ যাননি?

    তরুণ। কাল শিলিগুড়ি যাবেন একটা সেমিনারে। কী সব লেখালিখি করছেন।

    প্রেসিডেন্ট। অরুণ, মাইরি, ছুটে যা। সাইকেলটা থাক। ওটা রিক্সায় চাপিয়ে আনবি। ভাড়া ক্লাব থেকে দিয়ে দেব!

    অরুণ। কিন্তু বাবা যদি হাতছাড়া না করেন?

    প্রেসিডেন্ট। বলবি, এক্ষুনি পৌঁছে দেব।

    [অরুণ দ্রুত বেরিয়ে যায়

    বরুণ। প্রসূন, কী রে?

    প্রেসিডেন্ট। এলেই দেখতে পাবি।

    বরুণ। এমন করলে, আমি কিন্তু ক্লাব ছেড়ে দেব। অরুণ ঘ্যাম নিল, তুইও কিছু বলবি না?

    প্রেসিডেন্ট। (হেসে) একটা বেলুন!

    বরুণ। বেলুন! কী বেলুন?

    প্রেসিডেন্ট। বাচ্চাদের বেলুন না। বড়ো বড়ো বেলুন। মানুষ চড়তে পারে।

    বরুণ। অরুণ পেল কোত্থেকে?

    প্রেসিডেন্ট। ওর বাবা তো গ্রামে সার্ভে করেন। কাল বিকেলে একটা ফাঁকা মাঠে পড়ে গেছিল, অমনি লুকিয়ে সেটাকে গাড়ির ডিকিতে ভরে নিয়ে এসছেন।

    বরুণ। লুকিয়ে কেন?

    তরুণ। পুলিশ জানতে পারলে- ভীষণ!

    বরুণ। বেলুনটা কি পুলিশদের?

    তরুণ। বুঝছিস না কেন, ওটা তো স্পাইদের হতে পারে।

    প্রেসিডেন্ট। কিন্তু ফাঁকা বেলুনে কি স্পাইং হবে?

    তরুণ। হয় ভাই! নইলে পুলিশ আসে কেন?

    প্রেসিডেন্ট। শুনলাম বিদেশি ভাষায় কীসব লেখা আছে বেলুনটার মধ্যে!

    তরুণ। তাহলে? সাংকেতিক ভাষা হতে পারে।

    প্রেসিডেন্ট। তবে, আবহাওয়ার জন্য শুনেছি নানা দেশের বিজ্ঞানীরা বেলুন ওড়ায়। হয়তো তারই একটা পথ হারিয়ে চলে এসছে।

    তরুণ। কোন গ্রামে পড়েছিল, প্রসূন?

    প্রেসিডেন্ট। তা বলেনি।

    বরুণ। অরুণের বাবা সার্ভে করেন মানে?

    প্রেসিডেন্ট। ও আমিও বুঝি না। ওসব ছাড়, যদি দেখি বেলুনে কোনো রহস্য আছে, আমরা কাগজে ছাপিয়ে দেব। মহাজাগতিক রিসার্চ ক্লাবের নাম সব্বাই জেনে যাবে।

    বরুণ। অরুণ তো তাই শোনাচ্ছিল আমাদের!

    তরুণ। কিছু হবে না তো?

    বরুণ। ভয় পাচ্ছিস?

    তরুণ। যদি বোমা ভরা থাকে? কাগজে হরদম শুনছি।

    প্রেসিডেন্ট। বোমা থাকলে অরুণদের বাড়িতেই ফেটে যেত!

    তরুণ। তা অবশ্য ঠিক বলেছিস!

    বরুণ। কাল অঙ্কের হোমটাস্ক আছে? কত প্রশ্নমালা?

    প্রেসিডেন্ট। ভাগ্যিস মনে করালি। কত থেকে কত রে তরুণ? হেম স্যার আমাকে তো দেবে! অরুণটা যা করে দিয়েছে।

    বরুণ। বললাম, কেন ফাঁস করলি হেম স্যারের কাছে!

    প্রেসিডেন্ট। ওর মতো হাঁদা ছেলে আর দেখিনি! চেপে গেলেই হত!

    তরুণ। আহা! হেম স্যারের অঙ্ক করলেই তো হল! আমরা অন্যায় তো কিছু করছি না!

    প্রেসিডেন্ট। অন্য ছেলেরা যে খ্যাপায়!

    তরুণ। খ্যাপাক!

    প্রেসিডেন্ট। কাল সুমিত বলল ‘প্রেসিডেন্ট!’ আমিও দিয়েছি ঠেঙিয়ে! হেড স্যারের কাছে নাকি নালিশ করবে।

    তরুণ। করুক! আমার বাবা স্কুলের মেম্বার! হেডস্যার কিচ্ছু বলবেন না তোকে। আর বাবা তো বলেছেন, আমাদের ক্লাবকে ছোটো একটা দূরবিন কিনে দেবেন।

    প্রেসিডেন্ট। কবে? কবে? ফ্যান্টা! ফ্যান্টা!

    তরুণ। চ্যাঁচাতে বারণ করছি না।

    বরুণ। আমার এক কাকু প্রেসে কাজ করেন। বলেছেন ক্লাবের নামে একটা প্যাড ছাপিয়ে দেবেন!

    প্রেসিডেন্ট। চমৎ-কার! প্রসূন ভট্টাচার্য, প্রেসিডেন্ট! সই করে সব কাগজে পাঠিয়ে দেব!

    [ইতিমধ্যে রিক্সায় বেলুনটি নিয়ে অরুণ এবং তার বাবা প্রিয়তোষবাবু ঢুকলেন। ওরা সব উঠে দাঁড়াল ]

    প্রিয়তোষ। বসো! বসো! দামি জিনিস তো! অরুণকে দিয়ে একা ছাড়লাম না। সঙ্গে এলাম।

    প্রেসিডেন্ট। খুব ভালো করেছেন কাকু। কোথায় পেলেন?

    প্রিয়তোষ। কাছের গ্রামেই! ঈশ্বরীপুর! আমাদের সার্ভের কাজ হচ্ছে!

    তরুণ। তারপর?

    [প্রিয়তোষ প্রেসিডেন্টের চেয়ারে বসল ]

    প্রিয়তোষ। সন্ধ্যা হয় হয়! কাজ সেরে ফিরছি। হঠাৎ একটা বটগাছের পাশ দিয়ে হুশ করে মাটিতে পড়ল।

    তরুণ। বটগাছ থেকে?

    প্রিয়তোষ। বোধ হয় গাছে আটকে-ফাটকে ছিল! কীসব বিদেশি ভাষায় লেখা!

    [সবাই ঝুঁকে দেখতে থাকে। অরুণ পড়তে চলে যায় ]

    প্রিয়তোষ। (ছেলেকে) কোচিং থেকে সোজা বাড়ি চলে যাবে। এখানে আসার দরকার নেই।

    তরুণ। কাকু, এটা কী ভাষা?

    প্রেসিডেন্ট। চীনা ভাষা!

    প্রিয়তোষ। (হেসে) তুমি চীনা ভাষা জানো?

    প্রেসিডেন্ট। না। দেখে মনে হচ্ছে।

    প্রিয়তোষ। কোরিয়া, জাপান, হংকং, সিঙ্গাপুরী-যেকোনো ভাষা হতে পারে। সবগুলোই দেখতে একরকম!

    তরুণ। কলকব্জাগুলো কীসের? জিনিসটা কি নাইলনের?

    প্রিয়তোষ। দামি কিছু ফাইবারের মনে হচ্ছে!

    বরুণ। চীন হলে এতদূর আসবে কেন?

    প্রিয়তোষ। বেলুনে সারা পৃথিবী ঘোরা যায়!

    প্রেসিডেন্ট। আমি একটা বইতে পড়েছিলাম, আবহাওয়া পরীক্ষা করতে বিজ্ঞানীরা এই বেলুন ওড়ায়।

    বরুণ। শুনেছি গুপ্তচররাও বেলুন ছেড়ে দেয় শত্রুদের দেশে!

    প্রিয়তোষ। বেলুন ছেড়ে দিয়ে কী করবে? এখন তো স্যাটেলাইটেই শত্রুদেশের খুঁটিনাটি পেয়ে যাচ্ছে। মনে হয় বিজ্ঞানীরাই ছেড়েছে!

    প্রেসিডেন্ট। (উৎসাহে) একটা কাজ করলে হয় না?

    তরুণ। কী?

    প্রেসিডেন্ট। আমাদের ক্লাবের নামলেখা একটা কাগজ সাঁটিয়ে যদি উড়িয়ে দিই বেলুনটাকে? বিদেশে নামটা চলে যাবে।

    তরুণ। প্রেসিডেন্ট প্রসূন ভট্টাচার্য নামটার সই থাকবে না?

    প্রেসিডেন্ট। হ্যাঁ।

    বরুণ। তোর একারটাই থাকবে? আমরা বুঝি ক্লাবের কেউ নই?

    তরুণ। সবার নাম থাকতে হবে।

    প্রেসিডেন্ট। যা হিংসুটে হয়েছিস না? আচ্ছা, সবারই নাম থাকবে।

    প্রিয়তোষ। বিদেশিরা তো বাংলা পড়তে পারবে না।

    প্রেসিডেন্ট। ইংরেজিতে লিখব।

    প্রিয়তোষ। পৃথিবীর সব দেশ ইংরেজিও জানে না।

    প্রেসিডেন্ট। কাকু, বেলুনটা আমরা ক্লাবে রাখতে পারি?

    প্রিয়তোষ। ক্লাব মানে তো, তরুণদের এই বাড়ি?

    প্রেসিডেন্ট। হ্যাঁ।

    প্রিয়তোষ। ওর বাবা কি রাজি হবেন?

    প্রেসিডেন্ট। অসুবিধে কোথায়?

    তরুণ। যদি ভেতরে বোমা থাকে?

    প্রেসিডেন্ট। তাহলে তো কাকুর বাড়িতেই ফাটতে পারত।

    বরুণ। তা কেন, বোমা অনেকদিন বাদেও ফাটতে পারে।

    প্রেসিডেন্ট। আমরা একটু পরীক্ষাই করে দেখি না কেন?

    বরুণ। কীভাবে?

    প্রেসিডেন্ট। বমস্কোয়াড ডেকে যাচাই করে নেব।

    তরুণ। বোকা, পুলিশ দেখলে বুঝি এটা রেখে যাবে? তোকেই গুপ্তচর ভাববে।

    প্রেসিডেন্ট। আমরা গুপ্তচর হব কেন? আমাদেরটা তো রিসার্চ ক্লাব!

    [দরজার বাইরে থেকে শোনা গেল ‘প্রিয়তোষবাবু আছেন! প্রিয়তোষবাবু?’ ]

    প্রিয়তোষ। (দরজা খুলে) কে?

    [একজন পুলিশ অফিসার ও একজন সেপাই ঢুকে পড়ল ]

    পুলিশ। আপনি এখানে? ঠিকই খবর পেয়েছিলাম!

    প্রিয়তোষ। আপনারা?

    পুলিশ। বাঃ! জিনিসটাও টেবিলের ওপর বসানো আছে দেখছি! আমরা আপনার বাড়িতে গেছলাম!

    প্রিয়তোষ। কেন? আমি কি ঘুটালায় জড়িয়েছি?

    পুলিশ। না মশাই! গুপ্তচরবৃত্তি করছেন।

    প্রিয়তোষ। মানে? কী বলতে চাইছেন? জানেন, আমি একজন সরকারি কর্মচারী?

    পুলিশ। অভিযোগ তো আরও ঘোরালো হয়ে যাবে তাহলে!

    প্রিয়তোষ। খবর পেলেন কোত্থেকে?

    পুলিশ। পুলিশ সব খবর রাখে প্রিয়তোষবাবু! কাল বিকেল সাড়ে পাঁচটাতেই জানতে পেরেছি আমরা। ভাবলাম, আপনি ওটা থানায় জমা দিয়ে যাবেন!

    প্রিয়তোষ। ভুল করছেন অফিসার, এটা কোনো স্পাইং ব্যাপার নয়! সরল বেলুন।

    পুলিশ। সাংকেতিক ভাষাগুলোও? বোকা বানাতে চাইছেন?

    প্রেসিডেন্ট। না দারোগাবাবু, আবহাওয়ার জন্য বেলুন-

    পুলিশ। বাচ্চা ছেলের মতো থাকো! একদম ডেঁপোমি করবে না। হ্যাঁ বলুন প্রিয়তোষবাবু, কেন আপনি থানায় জমা দিলেন না? কী মতলব?

    [তরুণের পিতা অধ্যাপক সমরেশ সান্যাল ঢুকলেন ঘরে ]

    সমরেশ। আমার বাড়ি পুলিশ? কী ব্যাপার?

    পুলিশ। আপনার বাড়ি এটা? কী করেন আপনি?

    সমরেশ। আজ্ঞে। আমি অধ্যাপনা করি। বিষয় পদার্থবিদ্যা!

    পুলিশ। আপনিও গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে পড়তে পারেন! বেলুনটা এখন আপনার বাড়িতে পাওয়া গেল!

    সমরেশ। বেলুন? গুপ্তচর? খুলে বলুন তো।

    তরুণ। বাপি, কাকু কাল গাঁয়ে এটা পেয়েছেন। আমরা রিসার্চ ক্লাবে দেখতে এনেছি। হঠাৎ পুলিশ হাজির।

    সমরেশ। (সমরেশ সান্যাল ঝুঁকে বেলুনটা দেখে) এগুলো তো আবহাওয়া পরীক্ষার জন্য ছাড়া হয়।

    পুলিশ। ঘোরাবেন না অধ্যাপক! আবহাওয়ার দেখার কী আছে?

    সমরেশ। আমাদের বায়ুমণ্ডলের মূল চারটে ভাগ!

    পুলিশ। মানে? ভাগ বলতে?

    সমরেশ। ক্ষুব্ধ, শান্ত, ওজনস্তর, আয়নস্তর। ঝড় বৃষ্টি মেঘ ক্ষুব্ধ স্তরে হয়!

    পুলিশ। তা দেখার কী আছে?

    সমরেশ। কার্বনডাইঅক্সাইড বা ওজোন গ্যাস বাড়ল না কমল, দেখতে হয়! মশাই, আপনি ব্যস্ত হবেন না! এগুলো নিরীহ বৈজ্ঞানিক গবেষণার যন্ত্র!

    পুলিশ। এসব সাংকেতিক ভাষা কেন? নিশ্চয়ই মিলিটারি সিক্রেট আছে!

    সমরেশ। পৃথিবীর সব ভাষা কি আপনার জানা? তাই সাংকেতিক লাগছে! বিদেশিরা বাংলা অক্ষরকেও সাংকেতিক ভাবে!

    পুলিশ। বুঝলাম। তা আপনার বাড়িতে কেন জড়ো হয়েছে সব?

    প্রেসিডেন্ট। আমাদের ক্লাব আছে এখানে। মহাজাগতিক রিসার্চ ক্লাব!

    প্রিয়তোষ। দেখুন, গুপ্তচর আছে ঠিকই! তারা এসব আড়ম্বর করে না।

    পুলিশ। তবু ওটা আমাদের দিয়ে দিতে হবে স্যার!

    সমরেশ। কেন?

    পুলিশ। আমরা এক্সপার্ট দিয়ে পরীক্ষা করাব। চারদিকের অবস্থাটা বুঝতেই পারছেন!

    সমরেশ। আসল গুপ্তচরদের খোঁজ করুন। ছেলেরা যদি জ্ঞানের জন্য এটা রেখেই দেয়, তাতে ক্ষতি কী? ছেলেরা তো উৎসাহ পাবে না।

    পুলিশ। ক্লাবটা কি রেজিস্টার্ড?

    সমরেশ। হাসালেন আপনি।

    পুলিশ। কেন?

    সমরেশ। বাচ্চা কটা ছেলে! আকাশ নিয়ে উৎসাহী। এখানে বসে এরা আলোচনা করে। ভাবে বড়ো বিজ্ঞানী হবে একদিন! রেজেস্ট্রির কথা উঠছে কেন?

    প্রিয়তোষ। বেলুনটা যে আপনার থানার মধ্যে অক্ষত থাকবে, গ্যারান্টি কোথায়?

    পুলিশ। আমরা এস. ডি. ও.-কে খবর দিয়েছি।

    প্রিয়তোষ। উনি নিশ্চয় ডি. এম.-কে?

    সমরেশ। (হেসে) ডি. এম. নিশ্চয়ই ডেপুটি সেক্রেটারিকে?

    পুলিশ। আপনারা শিক্ষিত হয়ে কী বলছেন? জানেন কীভাবে আমাদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে?

    সমরেশ। ভালো করেই জানি। তাই বলে এ-বেলুনে নয়। এটা অতি নিরীহ জ্ঞান-বিজ্ঞানের ব্যাপার! দুনিয়া জুড়ে যাই ঘটুক, গবেষণা বন্ধ থাকে না। কোনো দেশ থেকে নিশ্চয়ই মানুষের কল্যাণে ছাড়া হয়েছে!

    প্রিয়তোষ। যদি আমার দেশের উৎসাহী কিছু ছেলে এ নিয়ে স্বপ্ন দেখে, আপনার আপত্তি আছে?

    সমরেশ। শুনুন, আপাতত এটা এদের জিম্মায় থাক! যদি চাপ আসে কোথাও থেকে ফোন করবেন, আমি পৌঁছে দিয়ে আসব। কথা দিলাম। বাই দি বাই! আপনার কোনো ছেলে-মেয়ে নেই?

    পুলিশ। একটিই ছেলে! নাইনে পড়ে! -কেন?

    সমরেশ। কোথায় পড়ে?

    পুলিশ। সোদপুর হাই স্কুলে।

    বরুণ, তরুণ, প্রেসিডেন্ট। আমাদের স্কুলে? অ্যাঁ?

    পুলিশ। তোমরাও ওই স্কুলে পড়ো?

    প্রেসিডেন্ট। হ্যাঁ! আমার নাম প্রসূন-প্রসূন ভট্টাচার্য! আমি এই ক্লাবের প্রেসিডেন্ট!

    পুলিশ। শা-বা-শ! আমি খবরটা কাগজে পাঠিয়ে দেব।

    প্রেসিডেন্ট। রিসার্চ ক্লাবের নামটা উঠবে?

    পুলিশ। নিশ্চয়ই! মনে কিছু করবেন না স্যার, দরকার হলে ফোন করব।

    [পুলিশ ও সেপাই বেরিয়ে যায়

    বরুণ, তরুণ, প্রেসিডেন্ট। ই-য়া-য়া! (চিৎকার)

    সমরেশ । আসুন প্রিয়তোষবাবু। ওপরে গিয়ে এক কাপ কফি খাই! এরা গবেষণা করুক বেলুনটা নিয়ে।

    [পরদা নেমে আসে ]

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগাঞ্জে ফেরেশতে (চলচ্চিত্র ইতিহাসের দলিলগ্রন্থ) – সাদত হাসান মান্টো
    Next Article ভৌতিক অমনিবাস ২ – মানবেন্দ্র পাল
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026
    Our Picks

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 9, 2026

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }