Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নতুন নতুন নাটক – সম্পাদনা: মনোজ মিত্র

    মনোজ মিত্র এক পাতা গল্প504 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দত্যিদানার ছানা – শৈলেন ঘোষ

    দত্যিদানার ছানা – শৈলেন ঘোষ

    ঝুনঝুন ছোট্ট মেয়ে। বয়স ৬-৭

    টুমটুমি খুকু-পুতুল

    খটখট ঘোড়া-পুতুল

    ব্যাব্যা ভেড়া-পুতুল

    হোঁদল গাবদা-গাবুস পুতুল

    দত্যি

    পুষি

    নেংটি

    ওঝা

    প্রথম দৃশ্য

    [একটি সাজানোগোছানো ঘর। খোলা জানলা দিয়ে চাঁদের আলো ছড়িয়ে পড়ছে ঘরে। একদিকে একটি ছোট্ট খাট। খাটের ওপর ফুটফুটে মেয়ে ঝুনঝুন ঘুমোচ্ছে। পরনে ঝকমকে ফ্রক।

    ঘরটিকে তার শোবার ঘর আবার খেলাঘরও। দেওয়ালে রংচঙে ছবি। কাগজের ফুল, বেলুন দুলছে। মেঝের ওপর তার খেলনা-পুতুল সাজানো। যেন খেলতে খেলতে সাজিয়ে রাখা। দেখা যাচ্ছে, একটা পেট-ফোলা গাবদা-গাবুস পুতুল চিত হয়ে পড়ে আছে। তার পায়ের কাছে একটা ঘোড়া-পুতুল হাঁটু মুড়ে দাঁড়িয়ে আছে। তার পিঠে লাগাম ধরে বসে আছে একটি ছোট্ট খুকু-পুতুল। পেট-ফোলা পুতুলটার মাথার কাছে হাঁটু মুড়ে হেঁট হয়ে দাঁড়িয়ে আছে একটা ভেড়া-পুতুল। ঝুনঝুন তার পুতুলের মজার মজার নাম রেখেছে। পেট-ফোলা পুতুলটার নাম হোঁদল কুতকুত। ঘোড়ার নাম খটখট। ঘোড়ার পিঠের খুকু-পুতুলের নাম টুমটুমি। আর, ভেড়াটার নাম ব্যাব্যা।

    রাত বারোটার ঘণ্টার শব্দ শোনা গেল। শেষ ঘণ্টার শব্দ বাজতে বাজতে মিলিয়ে যাচ্ছে। অনেকদূর থেকে একটা গানের সুর ভেসে আসছে। চাঁদের অস্পষ্ট আলোয় সাদা ধবধবে পোশাক পরে গাইতে গাইতে আর নাচতে নাচতে ঝুনঝুনের ঘরে ঢুকল একঝাঁক ঘুমপরি। তারা গাইছে]

    গান

    ঘুম যা, খুকু ঘুমা

    নীল আকাশে তারার দেশে

    সোনার আলো ছেঁকে,

    রঙিন স্বপন খুকুর চোখে

    কে দিয়েছে এঁকে!

    চাঁদ দিয়েছে খুকুর গালে

    জ্যোছনা ধারার চুমা

    ঝুন ঝুন ঝুন নূপুর বাজে

    ঘুম যা খুকু ঘুমা!

    [গান ও নাচ শেষে পরিরা বেরিয়ে গেলে, গানের সুর ধীরে ধীরে মিলিয়ে যাবে। তারপর সব নিস্তব্ধ। হঠাৎ ব্যাব্যা নড়ে উঠল। চোখ খুলল। মাথা নাড়ল। ঘাড় ঘুরিয়ে এদিক-ওদিক দেখল। তারপর হোঁদল কুতকুতের মুখের কাছে মুখ এনে দুষ্টুমি করে হেঁচে দিল-ফ্যাঁচ-চ-চ! হোঁদল কুতকুতের আচমকা ঘুম ভেঙে গেল। তার নড়তে-চড়তে সময় লাগে। তাই সে ঢিমে তালে উঠে বসল। মুখে হেঁচে দিয়েছে ভেড়া। তাই ঘেন্নায় মুখখানা তার বিচ্ছিরি হয়ে গেছে। সে হেঁড়ে গলায়, টেনে টেনে ব্যাব্যাকে বলল]

    হোঁদল। এঃ! ম্যাগো ম্যা, মুখময় থুতু দিয়ে দিলে! কী হল ব্যাব্যা! অসভ্য কোথাকার! (আবার শুয়ে পড়ল)

    ব্যাব্যা।(হোঁদলের মুখের ওপর ভেংচি কেটে) ব্য-ব্র্যা-এ্যা!

    [ভেংচিকাটার শব্দ শুনে খটখট ঘোড়ার আচমকা ঘুম ভেঙে গেল। সে থতমত খেয়ে খাড়া হয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল। চিৎকার করে উঠল, চিঁ-হিঁ-হিঁ! পিঠে বসা টুমটুমি ধপাস করে ডিগবাজি খেল মাটিতে]

    টুমটুমি। (গা ঝাড়তে ঝাড়তে উঠে দাঁড়িয়ে) উঃ! বাব্বা! আচমকা এমনি করে ফেলে দিতে হয়! মাথাটা যদি ফেটে যেত! দুষ্টু কোথাকার! (তারপর হোঁদল কুতকুতকে দেখে, তার ভুঁড়িতে ঠেলা দিয়ে) এই হোঁদল, ওঠ না! দিন নেই, রাত নেই, খালি কুমড়োর মতো গড়াচ্ছিস!

    ব্যাব্যা। (খুনসুটি করে) ব্যা-এ্যা-এ্যা! যা বলেছ! ঘুম ভাঙাতে গেলুম, বলল কিনা অসভ্য!

    হোঁদল। (উঠে দাঁড়িয়ে) তা তুই আমার মুখে হেঁচে দিবি কেন?

    খটখট। চিঁ-হিঁ-হিঁ-হিঁ, এ তোর ভারী অন্যায়।

    ব্যাব্যা। অন্যায়! কেন অন্যায়? পুতুল-পরি এসে ঘুম ভাঙিয়ে দিয়ে গেল, ওমা! তবুও উনি নাক ডাকাচ্ছেন (নাকে শব্দ করে) ফররর-ফর, হোঁতকা কোথাকার!

    হোঁদল। (খুব রেগে) এই ভেড়া, আমি যদি নাক ডাকি তোর তাতে কী র্যা! তাই বলে আমার মুখে হেঁচে দিবি! আমার বুঝি ঘেন্নাপিত্তি নেই!

    খটখট। তা তো বটেই, তা তো বটেই। তুই ভেড়া, ভেড়ার মতো থাকতে পারিস না? তোর হাঁচি আমরা কেন সইব রে!

    [খটখটের কথা শুনে ব্যাব্যা দুষ্টুমি করে আবার হেঁচে ফ্যাঁচ চ চ]

    টুমটুমি। বলি মশাই, আজকের রাতটা সবাই কি ঝগড়া করেই কাটাবে? রাত পোয়ালে ঝুনঝুনের জন্মদিন তার খেয়াল আছে!

    ব্যাব্যা। (তাচ্ছিল্যের ভঙ্গিতে) ঝুনঝুনের জন্মদিন তো আমাদের কী!

    হোঁদল। কী বলে দেখো! ব্যাব্যাটার মাথার ভেতর গোবর ঠাসা! জন্মদিনেই তো মজা রে! কত খাবার! রসমুন্ডি, পান্তুয়া, রসমালাই-খাও গপাগপ!

    ব্যাব্যা। আরে ছ্যা-ছ্যা! রসের খাবার! রসের খাবার খায়, তোদের মতো রস খেয়ে যারা মটকু হয়েছে! এই দেখ- দিকিনি, কচি কচি ঘাস খেয়ে কেমন ভদ্দরগোছের চেহারাটা বানিয়েছি! হ্যাঁ, খাবার যদি বলতে হয় তো ঘাস, পাতা, ছোলা! ভারী লাগতাই হে, ভারী মুখরোচক-ফ্যাঁচ-চ-চ! (আবার হাঁচল)

    টুমটুমি। যেমন হোঁদল, তেমনি ব্যাব্যা-খাবার জন্যে খালি চ্যাঁ-ভ্যাঁ! সব পেটকু কোথাকার! (খটখটের কাছে গিয়ে) বলো না খটখট, সেইটা ঝটপট কাল যেটা মাথা খাটিয়ে বার করেছি!

    খটখট। চিঁ-হিঁ-হিঁ! কী করে বলি বলো? এত হট্টগোল করলে কি বলা যায়! ছটফট কোরো না, বলছি!

    ব্যাব্যা। বেশ, এই স্পিকটি নট হচ্ছি!

    খটখট। হ্যাঁ, কাল আমি আর টুমটুমি একটা মতলব খাটিয়েছি!

    ব্যাব্যা। (হেঁচে) ফ্যাঁচ-চ-চ! কী মতলব?

    হোঁদল। (তেড়েমেড়ে) কী যে চোপরদিন ফ্যাঁচ ফ্যাঁচ করিস! জ্বালাতন! নাকে বাঁশ পুরে দিতে হয়! শোন না চুপচাপ!

    খটখট। ঠিক কথা!

    ব্যাব্যা। বেশ, আর হাঁচছি না। বলো!

    খটখট। বলছিলুম কী, ঝুনঝুন আমাদের কত ভালোবাসে। তার জন্মদিনে আমাদের তো একটা কিছু করা উচিত!

    ব্যাব্যা। (মুরুব্বি চালে) কী করতে চাও?

    খটখট। একটা কিচ্ছু প্রেজেন্ট করলে কেমন হয়?

    হোঁদল। (আনন্দে) বারে বা, একেবারে আমার মনের কথা! আমিও যে এই কথাটাই ভাবছিলুম!

    ব্যাব্যা। (ভেংচি কেটে) ভাবছিলুম! ভাবলে কী হবে? শুনি প্রেজেন্টটা করবে কী?

    টুমটুমি। সেইটাই ভেবে পাইনি।

    ব্যাব্যা। তবে তো সবই হল।

    হোঁদল। আচ্ছা, এক কাজ করলে হয় না, ভাঁড়ার ঘরে নিশ্চয়ই মোয়া আছে। লুকিয়ে লুকিয়ে সেই মোয়া এনে প্রেজেন্ট করলে হয় না?

    ব্যাব্যা। (রেগে) তুই হোঁদল মানুষ-পুতুল না হয়ে যদি বাঁদর কিংবা গাধা-পুতুল হতিস, তাহলে, সবচেয়ে ভালো হত!

    হোঁদল। (আরও রেগে) তা আমার কথা যদি পছন্দ না হয়, তো (ভুঁড়িটা নেড়ে) ভেড়ু তুমিই বলো না, দেখি তোমার বুদ্ধি কেমন পাকা!

    ব্যাব্যা। (অপ্রস্তুত ভাব) আমি একা কী করতে পারি, এসো সবাই মিলে ভাবা যাক!

    খটখট। তা ঠিক, তা ঠিক, সবাই মিলে ভাবাই ঠিক।

    হোঁদল। বেশ, তাহলে সবাই ভাবি!

    [ভাবতে ভাবতে চারজনে চার কোণে চলে যাবে। হঠাৎ ব্যাব্যা চেঁচিয়ে উঠল]

    ব্যাব্যা। (হেঁচে) হয়েছে! হয়েছে!

    সবাই। কী হয়েছে? কী হয়েছে?

    ব্যাব্যা। কাঠবিড়ালি!

    সবাই। (অবাক হয়ে) কাঠবিড়ালি?

    ব্যাব্যা। (ছড়ার সুরে) হ্যাঁ, হ্যাঁ।

    আমার আছে জানা,

    কাঠবিড়ালির ছানা,

    খুকুমণি পেলেই হবে,

    আনন্দে আটখানা!

    খটখট। আচ্ছা, আচ্ছা, আচ্ছা, ভেড়ুরামের বাচ্চা!

    টুমটুমি। বুদ্ধিটা নয় কাঁচ্চা, এক্কেবারে সাচ্চা!

    হোঁদল। (ঠাট্টা করে) দোষটা কেবল মাঝে মাঝে

    ফ্যাঁচ-ফ্যাঁচ-ফ্যাঁচ হাঁচ্চা!

    [খটখট, টুমটুমি আর হোঁদল তিনজনে ব্যাব্যাকে ঘিরে ঘুরে ঘুরে আনন্দে নাচবে আর হাতে তালি দিয়ে ছড়া কেটে চ্যাঁচাবে]

    আচ্ছা, আচ্ছা, আচ্ছা,

    ভেড়ুরামের বাচ্চা,

    বুদ্ধিটা নয় কাঁচ্চা,

    এক্কেবারে সাচ্চা,

    দোষটা কেবল মাঝে মাঝে,

    ফ্যাঁচ-ফ্যাঁচ-ফ্যাঁচ হাঁচ্চা!

    [ঠিক তখনই একটা চিৎকার শোনা গেল-‘আঁ-আঁ!’ কে যেন পুতুলদের ভয় দেখাবে বলে এদিকেই ছুটে আসছে। পুতুলদের আনন্দ থমকে গেল। ভয়ে একজন আরেকজনকে জড়িয়ে ধরছে। দেখা গেল, চ্যাঁচাতে চ্যাঁচাতে একটা দত্যিছানা ঘরে ঢুকে পড়েছে। পুতুলরা যে যেখানে যেমনভাবে ছিল, ঠিক তেমনভাবেই দাঁড়িয়ে পড়ল। পুতুলের মতোই অনড় হয়ে গেল। দত্যিছানাটা ঘরে ঢুকে ভয় দেখানোর সুরে চিৎকার করছে, লাফাচ্ছে, হাঁপাচ্ছে। ছিঁড়ে ফেলছে ঘরে সাজানো কাগজের ফুল। ফাটিয়ে দিচ্ছে বেলুন। এটা টানছে, ওটা ভাঙছে। পুতুলগুলোকে ঠেলে ফেলে দিল। তারপর হঠাৎ দত্যিটার নজরে গেল ঘুমন্ত ঝুনঝুনের দিকে। ঝুনঝুনের পায়ের নীচে দিল খামচিয়ে একবার, দুবার, তিনবার। ঝুনঝুনের ঘুম ভেঙে গেল! দত্যিছানাটার স্বভাব ছোটোদের ভয় দেখানো। সে ঝুনঝুনকেও ভয় দেখাল। কিন্তু ঝুনঝুন ভয় কাকে বলে জানে না। ভারী হাসিখুশি সে। ঘুম ভেঙে যেতেই অবাক হয়ে দেখল দত্যিছানাটাকে। তারপর বলল-]

    ঝুনঝুন। ওমা-গো-মা! তুমি আবার কে? রাত দুপুরে আমার ঘরে ঢুকেছ? আমার পায়ে সুড়সুড়ি দিয়ে ঘুম ভাঙাচ্ছ?

    দত্যিছানা। (ঝুনঝুনের দিকে তেড়ে গিয়ে, ভয় দেখিয়ে) ফিস-স-স-স! (মুখে শব্দ করল)

    ঝুনঝুন। (খুব জোরে হেসে ফেলে) একী, একী, মুখের কাছে অমন করছ কেন? (বিছানা ছেড়ে সে নেমে পড়ল। তারপর দেখল চারদিক। অবাক হয়ে) বলি, আমার বেলুনগুলো ফাটল কী করে! ওমা! আমার পুতুলগুলোরই বা এমন দশা হল কী করে! তোমার কাজ বুঝি! (হেসে ফেলবে)

    দত্যি।(খুব রেগে) হুম! আমিই করেছি গুম! অমন করে, হাসলে লাগিয়ে দেব খুনোখুনির ধুম! এই টাক-টাক-টাক-ডুম!

    ঝুনঝুন। (জোরে জোরে হেসে) বা রে! সে আবার কী, টাক-টাক ডুম! ভারী মজা করতে জানো তো!

    দত্যি।বটে! মজা জানি! জানো আমি কে! একরত্তি হ্যাঁ! একরত্তি আমার নাম। ঘুপচুপ বনে আমার ধাম। (মুখে শব্দ করে ঝুনঝুনকে ভয় দেখিয়ে) এইসব পুঁচকে পেঁচি খোকা-খুকুদের ভয় দেখানো আমার কাম। আমি দত্যিদানার ছানা! অমন করে হাসলে- (হাত ছড়িয়ে ঝুনঝুনের মুখের সামনে চরকি খাবে)

    ঝুনঝুন। (খুশিতে হাততালি দিয়ে হাসতে হাসতে) বারে, বারে! তুমি তো বেশ চরকি খেতে পার!

    দত্যি।(খুব রেগে) কী, আমাকে তাচ্ছিল্য করা হচ্ছে! এক্ষুনি মরা বকের ঠোঁট দিয়ে চোখদুটো কানা করে দেব না!

    ঝুনঝুন। (মুচকি মুচকি হেসে) বাব্বা! রাগ দেখো! মরা বকের ঠোঁট দিয়ে চোখ কানা করে দেবে! দাও, দাও না আমায় কানা করে!

    দত্যি।ওরে মেয়ে! তবু গ্রাহ্যি নেই! এক্ষুনি ফুসমন্তরে ফুসকুড়ি করে দেব না!

    ঝুনঝুন। (খুব জোরে হেসে উঠে) ফুসকুড়ি! সে আবার কী? তোমার কথা শুনে হাসতে হাসতে পেট ফেটে যাচ্ছে!

    দত্যি।(ঝুনঝুনের মুখের সামনে গিয়ে হাত-পা ছুঁড়ে) তবে রে মেয়ে!

    ঝুনঝুন। (নিজেকে সামলাতে-সামলাতে) ওকী! ওকী! মুখের সামনে অমন করছ কেন? ঘাড়ে পড়বে নাকি!

    দত্যি।(রাগ দেখিয়ে লাফিয়ে ঝাঁপিয়ে) আমি রেগে গেলে রক্ষে থাকে না! আমায় হতচ্ছেদ্দা!

    ঝুনঝুন। সত্যি বলছি, তোমার কাণ্ড দেখে আমার খুব মজা লাগছে!

    দত্যি।অ্যাঁ! মজা লাগছে! আমায় দেখলে বুড়োখোকাদের বুকের রক্ত শুকিয়ে যায়, আর তোমার মজা লাগছে! আমার সঙ্গে ঠাট্টা! মাথায় মারব এমন গাঁট্টা যে টুনটুনি পাখি করে ছেড়ে দেব!

    ঝুনঝুন। (অবাক হওয়ার ভান করে) বলো কী! তোমার এত ক্ষমতা! দাও না একরত্তি, আমার মাথায় গাঁট্টা মেরে টুনটুনি পাখি করে! বনে বনে, গাছে গাছে উড়ে বেড়াব!

    দত্যি।উফ! তবু ভয় নেই পুঁচকে মেয়ের! এমন চিমটি কেটে দেব যে, নেংটি ইঁদুর হয়ে যাবে!

    ঝুনঝুন। (মুখে ঘেন্নার ভাব) না, না, একরত্তি ইঁদুর-টিঁদুর কোরো না। মেনিটা সারাদিন পেছনে লেগে থাকবে। কে বাবা ওর সঙ্গে লুকোচুরি খেলবে! তার চেয়ে এক কাজ করো না, তুমি আমার বন্ধু হয়ে আমার সঙ্গে খেলা করো না!

    দত্যি।কী! সাহস তো কম নয়! বলে, দত্যিদানার সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতাবে! তবে রে! (ঝুনঝুনের গলা টিপতে চটপট এগিয়ে গেল। হাত গলা অবধি উঠল, কিন্তু টেপা হল না। ঝুনঝুনের হাসি হাসি মুখ আর চোখদুটি দেখে থমকে গেল) না, আজ আর কিচ্ছু বললুম না। তুমি কেমন না জব্দ হও দেখছি! (বেরিয়ে যাবার জন্য ছুট দিল। ঝুনঝুন তার আগেই ছুটে গিয়ে একরত্তির পথ আটকাল। একরত্তি ঘুরে দাঁড়াল) সর্বনাশ করেছে! আমায় ছুঁতে আসা! জানে না, আমায় ছুঁলে এক্ষুনি ঘুরঘুরে-পোকা হয়ে কানে ঢুকে যাব!

    ঝুনঝুন। বেশ ছোঁব না। তবে তুমি চলে যাচ্ছ কেন? আর একটু থাকো! আর দুটো কথা বলি! তুমি এসে অবধি খালি ঝগড়া করছ!

    দত্যি।ভারী যে মিষ্টি মিষ্টি কথা! উঁ! হাড়বজ্জাতির জায়গা পাওনি! জানো না, মানুষের ছেলেপুলের সঙ্গে কথা বললে কী হয়!

    ঝুনঝুন। কী হয় একরত্তি?

    দত্যি।এইসব মানুষের ছেলেপুলেরা ব্যাঙের বাচ্চা হয়ে যায়! এই কদিনে আমি পাঁচজনকে ব্যাঙাচি করে ছেড়েছি।

    ঝুনঝুন। (হাতের বুড়ো আঙুল নেড়ে) কই, আমায় তো করতে পারলে না!

    দত্যি।(ঝুনঝুনের মতো বুড়ো আঙুল নেড়ে) করতে পারলুম না? ইচ্ছে করে করলুম না। (হঠাৎ ছুটে বেরিয়ে যেতে-যেতে) কেমন না পারি দেখাচ্ছি!

    ঝুনঝুন। (একরত্তির পেছনে ছুটতে ছুটতে) ও একরত্তি শোনো! শোনো!

    [ঝুনঝুনও দত্যির পেছনে পেছনে ছুটে বেরিয়ে গেল]

    [এতক্ষণ পুতুলগুলো চুপচাপ মটকা মেরে মেঝেতে পড়েছিল। দত্যিছানা আর ঝুনঝুন বেরিয়ে যাবার পর ব্যাব্যা, খটখট আর টুমটুমি ভয়ে জড়ামড়ি করে এক পা এক পা করে এগিয়ে দত্যি আর ঝুনঝুন যেদিক দিয়ে বেরিয়ে গেল সেইদিকটা উঁকিঝুঁকি মেরে দেখতে লাগল। এদিকে হোঁদলটা যেখানে দাঁড়িয়ে ছিল সেইখানেই ভয়ে ঠকঠক করে কাঁপতে-কাঁপতে হুমড়ি খেয়ে পড়ে গেল! চেঁচিয়ে উঠল]

    হোঁদল। ওরে বাবা ভূত! (বলেই অজ্ঞান হয়ে যাবে)

    [হোঁদলের চিৎকার শুনে ব্যাব্যা, খটখট আর টুমটুমি মুখে এ্যাঁ-এ্যাঁ-এ্যাঁ করে হোঁদলের কাছে ছুটে আসবে। তাকে ঘিরে বসে পড়বে। ব্যাব্যা হোঁদলকে ভালো করে দেখে কেঁদে উঠবে]

    ব্যাব্যা। ওমা, হোঁদলঅজ্ঞান হয়ে গেল!

    [ব্যাব্যার মুখের কথা মুখ থেকে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে খটখট আর টুমটুমিও কেঁদে উঠবে]

    সক্কলে। ওমা, কী হবে গো হোঁদল অজ্ঞান হয়ে গেল!

    [অমন করে চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে ওরা যখন কাঁদছে ঠিক তখনই একটা নেংটি ইঁদুর ঘরের মধ্যে ঢুকে পড়বে। পুতুলরা ভয়ে থমকে যাবে]

    নেংটি। (তিড়িং বিড়িং লাফিয়ে আর ধমক দিয়ে) এই, এই, এত চ্যাঁচামেচি কীসের অ্যাঁ! রাতদুপুরে ঘরের মধ্যে ছুঁচোর কেত্তন শুরু করে দিয়েছে!

    [পুতুলরা প্রথমটা থমকে গেলেও, ইঁদুরের ধমক খেয়ে আরও জোরে কেঁদে উঠবে]

    নেংটি। (তেড়ে গিয়ে) তবে রে পাজিগুলো! কানে কথা ঢুকছে না! আমার বলে ছোটোমাসির জ্বর হয়েছে, আর ওনারা এখানে চিলের মতো চ্যাঁচাচ্ছে!

    টুমটুমি। (কান্না-কান্না গলায়) ইচ্ছে করে চ্যাঁচাচ্ছি নাকি!

    ব্যাব্যা। ইচ্ছে করে কাঁদছি নাকি!

    নেংটি। (ঠাট্টার সুরে) না, ইচ্ছে করে কাঁদছেন না! তবে কি গলায় কান্নার কল বসানো হয়েছে! যত্তোসব!

    টুমটুমি। তাই বলছি নাকি! আমাদের ঘরে ভূত ঢুকেছিল।

    ব্যাব্যা। আবার তুমি ঢুকেছ!

    খটখট। বকাবকি করছ। আমাদের ভয় করে না বুঝি!

    নেংটি। কচিখোকা! ভয়ে একেবারে গেলেন সব! ভূত ঢুকেছিল, না আর কিছু!

    ব্যাব্যা। তুমি নিজেই দেখো না হোঁদলকে ভূতে ধরেছে!

    টুমটুমি। দেখো না, অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে!

    নেংটি। (ধমক দিয়ে) চুপ! পুতুলকে আবার ভূতে ধরবে কী র্যা! খামোকা মটকা মেরে পড়ে পড়ে ন্যাকামি হচ্ছে!

    টুমটুমি। পুতুল বলে কি আমরা মিথ্যুক?

    নেংটি। না, না। সত্যবাদী যুধিষ্ঠির!

    ব্যাব্যা। ওই দেখো না, ঝুনঝুনকেও ভূতে ধরে নিয়ে গেছে।

    নেংটি। আমার সঙ্গে চালাকি হচ্ছে! আমি বলে আমার সাত ভাই-এর দাদা, আমার সঙ্গে মিথ্যে মিথ্যে চালাকি! এক্ষুনি দাঁত দিয়ে কুটোকুটি করে নাড়িভুঁড়ি বার করে দেব না!

    খটখট। অমন করে ভয় দেখাচ্ছ কেন?

    ব্যাব্যা। ভূতে ধরেছে কিনা নিজেই তো দেখলে পারো!

    নেংটি। আমার আর খেয়েদেয়ে কাজ নেই, পুতুলকে ভূতে ধরেছে, বিশ্বাস করতে হবে। ফক্কুড়ি করার জায়গা পায়নি! যতসব দুষ্টু পুতুল! হ্যাঁ, এক্ষুনি আমায় আবার হাকিম বাড়ি যেতে হবে। তোমাদের সঙ্গে তো আর ঝুটমুট চ্যাঁচালে চলবে না। আমি যাচ্ছি (চলেই যাচ্ছিল, হঠাৎ আবার ঘুরে পুতুলদের ধমক দিয়ে) ফের যদি ট্যাঁ-ফুঁ শুনি তাহলে তোদের একদিন, কি আমার একদিন! (এবার সে সত্যিই চলে যাচ্ছিল। হঠাৎ তার নজরে পড়ল একটা বেড়াল আসছে। তাকে দেখে নেংটিটা তিড়িং করে একলাফ মেরে পুতুলদের কাছে ছুটে কাকুতি-মিনতি করে) উরিব্বাস! পুষি-ফ্যাঁস-ফ্যাঁস আসছে। (ভয়ে খুবই ব্যস্ত হয়ে) ওরে ব্যাব্যা, ওরে খটখট বাঁচা নারে! কোথা পালাই! ওরে বাবা, এসে পড়ল রে! (একবার ব্যাব্যার পেছনে, একবার খটখটের পেছনে আবার কখনো টুমটুমির পেছনে লুকিয়ে পড়বার চেষ্টা করবে)

    ব্যাব্যা। অত ভয় পাচ্ছ কেন! আমাদের পেছনে লুকিয়ে পড়ো!

    নেংটি। দেখতে পাবে যে!

    টুমটুমি। না, না, দেখতে পাবে না। আমরা আড়াল করে দাঁড়াচ্ছি।

    [নেংটি চটজলদি পুতুলদের পেছনে লুকিয়ে পড়ল। পুতুলরা নেংটিকে আড়াল করে দাঁড়াল। কিন্তু নেংটির ল্যাজটা ওদের পায়ের ফাঁক দিয়ে একটু দেখা গেল। একটা বুড়ি বেড়াল আলতো পায়ে ডিঙি মেরে ঘরে ঢুকল। পুতুলরা তাকে দেখতে লাগল ভয়ে ভয়ে। বেড়ালটা টেনে টেনে কথা বলে]

    বেড়াল। নেংটি, নেংটি গন্ধ পাই। (পুতুলদের দিকে চোখ পড়তে) তোমরা কে বাছারা?

    খটখট। আমি কাঠের ঘোড়া খটখট।

    টুমটুমি। আমি খুকু-পুতুল টুমটুমি।

    ব্যাব্যা। আমি পোড়া-মাটির ব্যাব্যা!

    পুষি। ও, তোমরা খেলনা-পুতুল?

    পুতুলেরা। হ্যাঁ!

    পুষি। তা বেশ! তা বেশ! রেতেরবেলা খেলাধুলো করছ?

    পুতুলেরা। হ্যাঁ!

    পুষি। তা বেশ! তা বেশ! (একটু এদিকে-ওদিক দেখে) তা বাছারা, তোমাদের ঘরে নেংটি-টেংটি ঢুকেছে? গন্ধ-গন্ধ পাচ্ছি!

    ব্যাব্যা। কই, না তো!

    টুমটুমি। আমাদের ঘরে নেংটির গর্ত নেই তো!

    খটখট। আমাদের ঘরে নেংটি ঢুকবেই বা কেন!

    পুষি। তা তো বটেই! তা তো বটেই! না, তা বলছি না, (গলার স্বরে একটু কিন্তু-কিন্তু ভাব) বলছি, কিছু খাবার-দাবার আছে?

    ব্যাব্যা। আমরা আর খাবার পাব কোথায়?

    পুষি। হ্যাঁ, তা তো ঠিক! তা তো ঠিক! না, বলছিলুম কী, তোমরা তো দুধ-টুধ খেয়েছ, বাটিতে যদি লেগে-টেগে থাকে, তাহলে চেটেপুটে খাই!

    টুমটুমি। দুধের বাটি রান্নাঘরে। এখানে কোথায়!

    পুষি। ঠিক বটে, ঠিক বটে! দেখো না, বুড়ো বয়সে ভীমরতি ধরেছে! (পুতুলদের আড়চোখে দেখে নিয়ে) তা বলছিলুম কী, মাছের কানকো-কাঁটাও নেই?

    টুমটুমি। মাছ-টাছ আমরা খাই না।

    পুষি। ও হ্যাঁ, তাও তো বটে, তোমরা তো পুতুল! (আদরের সুরে) তা সোনারা তোমরা কী খাও?

    টুমটুমি। আমরা লজেন্স খাই, বিস্কুট খাই।

    ব্যাব্যা। পাতা খাই, ভুসি খাই।

    খটখট। ছোলা খাই, ঘাস খাই।

    পুষি। তা বেশ! তা বেশ! তাই বাছা এক-আধখানা বিস্কুট-টিস্কুটই দাও না!

    খটখট। বেশ দিচ্ছি। (টেবিলের ওপর রাখা বিস্কুটের বাকসো থেকে বিস্কুট বার করে এনে বেড়ালকে দিয়ে) বিস্কুট নিয়ে তুমি চলে যাও। তোমাকে দেখে আমাদের ভয় করছে!

    পুষি। (বিস্কুট নিতে গিয়ে বেড়ালটার হঠাৎ পুতুলদের পায়ের ফাঁকে নেংটির ল্যাজের দিকে নজর পড়ল) তোমাদের পায়ের তলায় ওটা কী বাছা?

    ব্যাব্যা। (হকচকিয়ে) কই? (তারপর দেখে) এই রে, এটা ইঁদুরের ল্যাজটা। (পায়ে করে ল্যাজটা সরিয়ে দেবার চেষ্টা করল)

    পুষি। অ্যাঁ! কী বললে?

    খটখট। (চট করে কথাটা ঘুরিয়ে) না, না, ও কিছু নয়, ও কিছু নয়, ওটা ইজেরের সুতো।

    পুষি। ও, তাই বলো! আমিও ঠিক ধরেছি। কার ইজের, খুকুর বুঝি? (বিস্কুটটা মুখে দিতে গিয়ে, হঠাৎ হোঁদলের দিকে নজর পড়ল। হোঁদল এতক্ষণ অজ্ঞান হয়ে পড়েই ছিল) তা, এই পুতুলটির কী হয়েছে?

    ব্যাব্যা। হোঁদলটা অজ্ঞান হয়ে গেছে।

    খটখট। ওকে ভূতে ধরেছে।

    পুষি। (আনমনে) তা বেশ! তা বেশ! (হঠাৎ খেয়াল হতে ভয়ে চমকে) এ্যাঁ! কী বললে, ভূতে ধরেছে? (ভয়ে একবার এদিক ছুটে, একবার ওদিক ছুটে) ওরে বাবা রে ভূত! ভূত! ভূত!

    [লাফালাফি করে পালায়]

    [বেড়াল পালিয়ে যাবার সঙ্গে সঙ্গে হোঁদলের জ্ঞান ফিরে আসবে]

    হোঁদল। (চিৎকার করে) ভূত! ভূত! ওরে বাবারে ভূত-ত-ত! (গড়াগড়ি খাবে)

    পুতুলেরা। (কেউ মাথায় হাত বুলিয়ে, কেউ বুকে হাত বুলিয়ে) কী হয়েছে হোঁদল কুতকুত? কী হয়েছে?

    [ততক্ষণে নেংটিটা আড়াল থেকে বেরিয়ে পড়েছে। বেড়ালটা চলে গেল কি না দেখবে। তারপর হোঁদলের চ্যাঁচামেচি শুনে বলবে]

    নেংটি। এই, কাঁদিস না, কাঁদিস না! আমি ঝট করে একটা ওঝা ডেকে আনছি!

    [নেংটি বেরিয়ে গেল। হোঁদল ভয়ে চ্যাঁচাতেই লাগল]

    টুমটুমি। (হোঁদলকে ভুলিয়ে ভুলিয়ে) কাঁদতে নেই, কাঁদতে নেই। এক্ষুনি ওঝামশাই এসে পড়বেন।

    [চ্যাঁচামেচি চলছে-এমন সময়ে কিম্ভূত চেহারার এক ওঝা ঢুকে পড়ল। তার কাঁধে ঝোলানো থলি-ঝুলি। হাতে মড়ার হাড় আর ঝাড়ফোঁকের গাছ গাছড়া]

    ওঝা। হেঁ-হেঁ-হেঁ, আমি এসে গেছি! এসে গেছি!

    টুমটুমি। তুমিই বুঝি ভূত-ছাড়ানোর ওঝা?

    ওঝা। হুঁ, হুঁ! তা, কার কী হয়েছে?

    খটখট। এই হোঁদলটাকে এইমাত্তর ভূতে ধরেছে।

    ওঝা। এইমাত্তর? কীরকম ভূত, দেখেছে কেউ?

    টুমটুমি। হ্যাঁ, দেখেছি, বাচ্চা ভূত!

    ব্যাব্যা। না আজ্ঞে, বাচ্চা ঠিক নয়, একটু গ্যাঁড়া মতো ভূত!

    টুমটুমি। এত্তো বড়ো বড়ো চোখ, যেন গিলতে আসছে!

    ব্যাব্যা। (হেঁচে ফেলে) ফ্যাঁচছ! এত্তো বড়ো বড়ো দাঁত, হাতির চেয়েও বড়ো!

    খটখট। বাঁশের মতো ঠ্যাং, কীরকম খ্যান খ্যান করে কথা বলছিল!

    ওঝা। অ, বুঝেছি, বুঝেছি, এ ব্যাটা ছিঁচকে ভূতের কাণ্ড। (হোঁদলকে ডেকে) কই দেখি হোঁদল উঠে বসো!

    [হোঁদল ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে কাঁদতে উঠে বসল]

    ওঝা। কী কষ্ট হচ্ছে?

    হোঁদল। (খুব জোরে কেঁদে) কী কষ্ট? ভারী কষ্ট।

    ওঝা। মাথা বনবন ঘুরছে?

    হোঁদল। (কাঁদতে কাঁদতেই) না-এ্যাঁ-এ্যাঁ-এ্যাঁ।

    ওঝা। পেট আইঢাই করছে?

    হোঁদল। না-এ্যাঁ-এ্যাঁ-এ্যাঁ।

    ওঝা। তবে পা টনটন করছে?

    হোঁদল। আজ্ঞে না। উঃ, উঃ! নাকের বাঁদিকের গর্তটা বড়ো সুড়সুড় করছে।

    ওঝা। সুড়সুড় করছে! ওরে বাব্বা, এ তো ভীষণ ব্যাপার।

    হোঁদল। (কেঁদে-ককিয়ে) আমার কী হবে ওঝামশাই?

    ওঝা। কিচ্ছু হবে না, সব ঠিক হয়ে যাবে। আমি যখন আছি, তখন ভূতের বাপের সাধ্যি কী তোমার নাক কামড়ে খেয়ে ফেলে! হ্যাঁ, এবার বলো, সে তোমার কোন জায়গাটা ছুঁয়েছিল?

    হোঁদল। সে তো ছোঁয়নি আমায়!

    ওঝা। তবে নিশ্চয়ই তুমি তাকে ছুঁয়েছিলে?

    হোঁদল। না, সে আমার পায়ের কড়ে আঙুলের দিকে চেয়েছিল।

    ওঝা। কড়ে আঙুলের দিকে চেয়েছিল! ব্যাটার সাহস তো কম নয়!

    হোঁদল। আমার কী হবে ওঝামশাই, আমি বাঁচব তো?

    ওঝা। বাঁচবে না মানে! ব্যাটার নাকে দড়ি দিয়ে ঠ্যালা গাড়ি ঠেলিয়ে ছাড়ব না! হ্যাঁ, তুমি কিন্তু আর ছটফট কোরো না! লক্ষ্মীটির মতো বসে থাকো! আমি এবার ভূত ছাড়ানোর মন্ত্র পড়ছি, দেখি ব্যাটা কেমন না জব্দ হয়!

    [ওঝা ঝুলি নামিয়ে, উপুড় হয়ে বসে মেঝেয় একটা ঘর কেটে খানিকটা ধুলো নেবে। তারপর মড়ার হাড়টা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে বিড়বিড় করে মন্তর পড়বে। চোখদুটি গোল গোল করে, একটা ভয়-জাগানো মুখের চেহারা করবে। তারপর কটমট করে হোঁদলের দিকে চেয়ে, উঠে দাঁড়িয়ে চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে মন্তর পড়বে]

    ওঝা। ইস ফিস ফিস ফুস মন্তর

    আসকে পিঠের হাঁড়ি,

    খুস খুস খুস চুলকে ছেঁদা

    চ্যাংড়া ভূতের দাড়ি।

    খক খক খক কাশছে ব্যাটা

    রক্ত ওঠে মুখে,

    ধুক পুক পুক করছে শোনো

    প্রাণটি এবার বুকে।

    এই মারলুম ল্যাং ভূতের ঠ্যাং-এ

    চ্যাঁচায় উহুর উঃ,

    উস ফুস ফুস ছুঃ! উস ফুস ফুস ছুঃ!

    ওঝা। (মন্তর শেষ করে হোঁদলকে হাসি মুখে দেখতে দেখতে) কেমন মনে হচ্ছে হোঁদল?

    হোঁদল। (এদিক-ওদিক চেয়ে হঠাৎ বসে পড়ে) আজ্ঞে গড়াগড়ি খেতে ইচ্ছে করছে! (শুয়ে গড়াগড়ি খাবে)

    ওঝা। ওকে ধরো, ধরো!

    [ব্যাব্যা, খটখট আর টুমটুমি হোঁদলকে চেপে ধরবে। হোঁদল তবুও ছটফট করবে। ওঝা আর একটা মন্তর পড়বে]

    ওঝা। তেল তেল তেলুনি,

    তেলে ভাজা বেগুনি।

    দিনরাত খাই খাই

    পেট তাই আই ঢাই।

    কচ কচ খাচ্ছে,

    তাইতো গড়াচ্ছে।

    কটমট চাউনি,

    খড়কুটো ছাউনি।

    বক বক বুকনি,

    চিঁড়ে ভাজা ঘুগনি।

    নাদা পেট হাঁসফাস,

    জ্বলে খাক হাড়মাস।

    উস ছুঃ, উস ছুঃ, উস ছুঃ!

    [হোঁদল গড়াতে গড়াতে থামল]

    ওঝা। (হোঁদলকে ভালো করে দেখে) এবার কেমন বুঝছ হোঁদল?

    হোঁদল। (দাঁড়িয়ে উঠে) আজ্ঞে বড়ো নাচতে ইচ্ছে করছে। (ধেই ধেই করে নাচবে)

    ওঝা। (হোঁদলকে নাচতে দেখে থতমত খেয়ে, নিজেও নেচে নেচে) এ্যাঁ! নাচতে ইচ্ছে করছে!

    [হোঁদল থুপথুপ করে নাচতে নাচতে ঘরের চারদিকে গোল হয়ে ঘুরবে। ওঝাও হোঁদলের নাচের তালে নিজেও নাচতে নাচতে মন্তর আওড়াবে]

    ওঝা। ইরিশি বিরিশি, ঝাঁটার কাঠি

    তেলা মাথায় গাঁট্টা চাঁটি।

    ঘুরছে মাথা বাঁই বাঁই বোঁ।

    ভাঙছি এবার পাজির গোঁ!

    দামড়া ধাড়ি ভূতের ছা,

    ঘরে যাবি তো শিগগির যা!

    লঙ্কা জিরে পাঁচফোড়ন

    তবুও ব্যাটার নেই নড়ন।

    তবে রে ব্যাটা ইস্টুপিট,

    কোঁতকা মেরে ভাঙব পিঠ!

    [হোঁদলের পিঠে কনুই দিয়ে, কোঁতকা মারবে ওঝা। হোঁদল মাটিতে চিতপটাং হয়ে পড়ে যাবে। ওঝা নাচতে নাচতে দাঁড়িয়ে পড়বে। দেখবে হোঁদলকে মুহূর্তের জন্য। তারপর বলবে]

    ওঝা। এই তো জাদু কুপোকাত,

    স্লেটের পিঠে একশো আট!

    ফুস ফুস ছুঃ! ফুস ফুস ছুঃ!

    ওঝা। (হোঁদলকে একটু দেখে) এবার নিশ্চয় অনেকটা ভালো বুঝছ হোঁদল?

    হোঁদল । (ধীরে ধীরে দাঁড়াল। তারপর হঠাৎ ‘ভ্যাঁ’ করে কেঁদে চেঁচিয়ে উঠল।) আজ্ঞে বড্ড কাঁদতে ইচ্ছে করছে। (কাঁদতে লাগল)

    ব্যাব্যা। (এতক্ষণ একপাশে দাঁড়িয়ে ছিল হঠাৎ তার বাইরের দিকে নজর পড়ল) ওরে বাবা ওই যে!

    ওঝা। কী ওই যে?

    টুমটুমি। (বাইরের দিকে চেয়ে) ঝুনঝুনকে তাড়া করেছে ভূতটা!

    [ওঝা প্রথমটা কেয়ারই করেনি। তারপর বাইরের দিকে চেয়ে ভয়ে চিৎকার করে একবার এদিক ছুটবে, একবার ওদিক ছুটবে। ঘর থেকে বেরিয়ে যাবার পথ খুঁজবে আর চ্যাঁচাবে ‘ওরে বাবারে ভূত’। ভূত ভূত বলে চ্যাঁচাতে-চ্যাঁচাতেই বেরিয়ে যাবে। পুতুলগুলোও ভূত ভূত বলে এদিক-ওদিক ছোটাছুটি করে ঘর থেকে বেরিয়ে যাবে। বেরিয়ে যাবার ঠিক পরেই ছুটতে ছুটতে ঝুনঝুন ঢুকবে। তার পেছনে তাড়া করে দত্যিছানা ঢুকবে]

    ঝুনঝুন। (হাঁপাতে হাঁপাতে) উঃ! বাব্বা! কী জোর তাড়া করেছ! হাওয়ার মতো কোত্থেকে এসে আমার পেছনে এমন করে ছুটতে লেগেছ? কী, আবার এলে যে?

    দত্যি।(হাসিমুখে) এসেছি বেশ করেছি! একশোবার আসব!

    ঝুনঝুন। (হাসিমুখে) আমি জানি, কেন তুমি এসেছ, আমার সঙ্গে খেলা করতে এসেছ!

    দত্যি।অমন করে কথা বললে আমি এক্ষুনি কেঁদে ফেলব। জানো আমি যদি কাঁদি সব্বোনাশ হয়ে যাবে!

    ঝুনঝুন। কী সর্বনাশ হবে?

    দত্যি।আমার কান্নার জল মাটিতে পড়লে এক-এক ফোঁটায় এক-একটা দত্যিছানা মাটি ফুঁড়ে বেরিয়ে আসবে!

    ঝুনঝুন। ও একরত্তি, একটু কাঁদোই না! তোমার কান্নার জল মাটিতে পড়ে দু-চারটে দত্যি মাটি ফুঁড়ে বেরোক না দেখি, তাদের সঙ্গেও তোমার মতো ভাব করে নেব। খেলা করব। দেখো না, আমার একজন জানাশোনা ছেলে আছে, সে ভারী ঝগড়াকুটে। রাতদিন খুনসুটি করবে। ঠিক তোমার মতো!

    দত্যি।কী, আমাকে মানুষের ছেলের সঙ্গে তুলনা! এক্ষুনি তুলকালাম করে ছাড়ব। আর যাই বলো, আমাকে মানুষ বোলো না!

    ঝুনঝুন। না, না, তোমাকে মানুষ বলব কেন! আচ্ছা একরত্তি তুমি তো দত্যি। তা তোমাকে এমন পুঁচকে মতো দেখতে কেন? দত্যিরা তো শুনেছি খুব লম্বা-চওড়া হয়। হাতির মতো নাকি!

    দত্যি।হাতি! আরে ছ্যা ছ্যা! হাতি তো আমাদের কড়ে আঙুল! আমি বাচ্ছা-দত্যি। আমি যদি ইচ্ছে করি এক্ষুনি তালগাছের মতো লম্বা হয়ে যেতে পারি। হ্যাঁ, আমাকে যা-তা ভেবো না!

    ঝুনঝুন। হ্যাঁ, ঠিক বলেছ। আমার ঠানদির কাছেও এমন সব অনেক গল্প শুনেছি। তা একরত্তি এমন দুষ্টুমি করে তোমাদের লাভ কী হয়? কারো অনিষ্ট করতে তোমাদের কষ্ট হয় না?

    দত্যি। কষ্ট? কীসের কষ্ট? মানুষের বাচ্চাদের আচ্ছা করে জব্দ করতে না পারলেই আমাদের কষ্ট।

    ঝুনঝুন। এতে তোমরা কী আনন্দ পাও?

    দত্যি। ওসব বুঝি-টুঝি না। এমনি করেই কচিবেলা থেকে আমরা বড়ো হয়ে উঠি। আমার বাবা যখন আমার মতো ছিল তখন কী করেছিল জান?

    ঝুনঝুন। কী করেছিল?

    দত্যি। (থমকে থেমে) না, না, আমি কেন তোমাকে সে-গল্প শোনাই!

    ঝুনঝুন। বলো না একরত্তি! গল্প শুনতে আমার খুব ভালো লাগে।

    দত্যি। আবদার পেয়েছ!

    ঝুনঝুন। আবদারের কী দেখলে? বেশ, তবে একটা গান শোনাও।

    দত্যি। (রেগে) আমাকে কী মনে করেছ অ্যাঁ? ন্যাকা পেয়েছ যে, তোমাকে গান শোনাব?

    ঝুনঝুন। তবে একটা নাচ দেখাও!

    দত্যি। আরে ছ্যা-ছ্যা-ছ্যা!

    ঝুনঝুন। আচ্ছা তুমি কী বলো তো! গল্প বলতে বলছি, বলবে না। গান শোনাতে বলছি, শোনাবে না। নাচ, তা-ও না। তবে একরত্তি তুমি আমার বাড়িতে এসেছ, আমি তোমায় একটা নাচ দেখাই।

    দত্যি। (রেগেমেগে) না, আমি নাচ দেখব না!

    ঝুনঝুন। কেন, নাচ দেখতে দোষ কী?

    দত্যি। আমি ওসব পছন্দ করি না।

    ঝুনঝুন। জানো একরত্তি, আমি রোজ গান গাই, নাচি। আমার কেউ গানও শোনে না, নাচও দেখে না। তুমি একটু দেখো!

    দত্যি। ভালো হবে না বলে দিচ্ছি। আমি না দেখব না, দেখব না, দেখব না!

    ঝুনঝুন। তোমাকে দেখতেই হবে!

    দত্যি। তবে আমি পালাচ্ছি। (পালাতে উদ্যত)

    ঝুনঝুন। (দু-হাত আড়াল করে) তোমায় যেতে দিলে তবে তো!

    দত্যি। তাহলে আমি চোখে হাত দিয়ে বসে থাকব!

    ঝুনঝুন। থাকো, বড়ো বয়েই গেল। আমি তো নাচি।

    [ঝুনঝুন নাচবে। দত্যিছানা চোখে হাত দিয়ে এককোণে বসে থাকবে। তারপর একটু একটু করে চোখ থেকে আঙুল সরিয়ে চুপিসাড়ে নাচ দেখার চেষ্টা করবে। ঝুনঝুন নাচতে নাচতে দত্যিছানার দিকে ফিরবে, দত্যিছানা ঝট করে চোখে হাত চেপে ধরবে। এমনি সে কয়েকবার করবে। তারপর একসময়ে দত্যিছানা তার চোখ থেকে হাত একেবারে সরিয়ে নেবে। উঠে দাঁড়াবে]

    ঝুনঝুন। (নাচ শেষ হলে) কী, কেমন লাগল নাচ? কথা বলছ না যে? একী, তোমার চোখে জল! কী হল তোমার?

    দত্যি। (মুহূর্ত নির্বাক থেকে, কান্না-ভেজা গলায়) তুমি আমার সঙ্গে এমন করে ভাব করলে কেন? জানো না, আমি দত্যি! আমায় এক্ষুনি চলে যেতে হবে যে।

    ঝুনঝুন। (হাসি মুখে) কোথায় চলে যাবে?

    দত্যি। ভোর হয়ে আসছে, দেখছ না!

    ঝুনঝুন। বারে, তাতে তোমার কী?

    দত্যি। দিনের আলো আমরা যে সহ্য করতে পারি না। আমি তো মানুষ নই। আমি যদি মানুষ হতুম!

    ঝুনঝুন। তাহলে কী করতে একরত্তি?

    দত্যি। তাহলে তোমার সঙ্গে খেলা করতুম। তোমার গান শুনতুম, নাচ দেখতুম। ঝুনঝুন সত্যি তুমি খুব ভালো। (ছুটে গিয়ে ঝুনঝুনকে জড়িয়ে ধরবে)

    [সঙ্গে সঙ্গে মঞ্চ অন্ধকার হবে। ঝুনঝুন নিজের বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড়বে। দত্যি বেরিয়ে যাবে। ধীরে ধীরে আলো জ্বলবে। বোঝা যাবে ভোর হচ্ছে। ঝুনঝুন যেন স্বপ্ন দেখছে। সে ঘুমের ঘোরে এপাশ-ওপাশ করছে আর ঘুমের আবেশে ডাকছে, ‘একরত্তি, শোনো! শোনো! ও একরাত্রি!]

    ঝুনঝুন। (হঠাৎ ঘুম ভেঙে যাবে। অবাক হয়ে চারদিক চাইবে। উঠে বসে চোখ মুছবে।) কই একরত্তি? (একটু ভাবল) আমি কি তবে এতক্ষণ ধরে স্বপ্ন দেখছিলুম! আচ্ছা দেখি তো, কাল কাকামণি আমায় যে দত্যি-পুতুলটা এনে দিয়েছেন সেটা ঠিক আছে কি না! (ঘরে রাখা টেবিলের কাছে যাবে। হাতে একটা দত্যি-পুতুল রাখা বাকসো নিয়ে মঞ্চের সামনে আসবে। তারপর হাসতে হাসতে বলবে।) ওরে দস্যি দত্যি-পুতুল, তুমিই সারারাত দস্যিপনা করছিলে!

    [বলতে বলতে বেরিয়ে যাবে। পরদা নেমে আসবে]

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগাঞ্জে ফেরেশতে (চলচ্চিত্র ইতিহাসের দলিলগ্রন্থ) – সাদত হাসান মান্টো
    Next Article ভৌতিক অমনিবাস ২ – মানবেন্দ্র পাল
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }