Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নতুন নতুন নাটক – সম্পাদনা: মনোজ মিত্র

    মনোজ মিত্র এক পাতা গল্প504 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বুডঢার তরবারি – শুভংকর চক্রবর্তী

    বুডঢার তরবারি – শুভংকর চক্রবর্তী

    ৫টি শিশু

    বুডঢা

    প্রথম দৃশ্য

    [মঞ্চে পরপর সিঁড়ি উঠে গেছে। বুডঢা শেষ সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে তরবারি টাঙাচ্ছে। বিরাট লম্বা তরবারি। ডগাটা ভাঙা। দর্শকদের দিকে পেছন করে বুডঢা কাজ করছে। চারটি শিশুর প্রবেশ]

    শিশুরা। (কণ্ঠে বিস্ময়) কে তুমি? কে গো?

    প্রথম শিশু। কথা বলছ না কেন?

    দ্বিতীয় শিশু। শুনতে পাচ্ছ? তুমি কে?

    তৃতীয় শিশু। তুমি কি কালা? ডাকছি যে?

    চতুর্থ শিশু। কী করছ তুমি?

    বুডঢা। কে? (কাঠিন্য মিশ্রিত কণ্ঠ)

    শিশুরা। আমরা। কী করছ তুমি?

    বুডঢা। টাঙাচ্ছি।

    শিশুরা। কী?

    বুডঢা। ত-র-বা-রি।

    শিশুরা। তরবারি!

    [বুডঢা ওদের দিকে ফেরে। হাতে তরবারি। হাজার বছরের বৃদ্ধ বুডঢা। কিম্ভূত পোশাক। নীচের ঘেরের প্রান্তদেশ রাজার পোশাকের মতো। বুকে উ, আ, পা, ই, অ, সি, জা অক্ষরগুলি পর পর লেখা। মাথায় ব্যাঘ্রলাঞ্ছিত মুকুট]

    শিশুরা। তোমার কী বিশ্রী চেহারা!

    বুডঢা। হা-হা-হা।

    প্রথম ও দ্বিতীয় শিশু। তোমার পোশাকটা বিশ্রী।

    বুডঢা। বটে, বটে, বটে।

    তৃতীয় ও চতুর্থ শিশু। তোমার মুকুটটা দেখলে ভয় করে।

    বুডঢা। হা-হা-হা-হা।

    শিশুরা। তোমার বয়স কত?

    বুডঢা। হাজার বছর। আরও হাজার বছর। হাজার হাজার বছর।

    শিশুরা। তাই তুমি বুডঢা?

    বুডঢা। বুডঢা? হো-হো-হো। বুডঢা? বেশ বলেছ।

    প্রথম ও দ্বিতীয় শিশু। তোমার তরবারিটা অত লম্বা কেন?

    তৃতীয় ও চতুর্থ শিশু। তরবারি দিয়ে তুমি কী কর?

    বুডঢা। রক্তপান করি।

    তখন আমি ঠিক এমনি করে তরবারি হাতে নেচেছি।

    শিশুরা। (আতঙ্কিত) রক্ত!!!

    বুডঢা। হ্যাঁ, হ্যাঁ। (তরবারিটা সামনের দিকে সোজা ধরে) হরিণের নধর বুকের রক্ত, পায়রার নরম বুকের রক্ত, শিশুর কচি বুকের রক্ত, মায়ের ও বাবার বুকের রক্ত।

    প্রথম শিশু। না, না, তুমি আমার হরিণটার বুকের রক্ত খেয়ো না।

    বুডঢা। হা-হা-হা-হা।

    দ্বিতীয় শিশু। না, না, তুমি আমার নোটন পায়রার রক্ত খেয়ো না।

    বুডঢা। হা-হা-হা-হা।

    তৃতীয় শিশু। তুমি আমার মার বুকের রক্ত খেয়ো না।

    বুডঢা। হা-হা-হা-হা।

    চতুর্থ শিশু। আমার বাবার বুকের রক্ত খেয়ো না।

    শিশুরা। (বুক চেপে ধরে) তুমি আমাদের বুকের রক্ত খেয়ো না।

    বুডঢা। হরিণের নধর বুকের রক্ত, পায়রার নরম বুকের রক্ত, শিশুর কচি বুকের রক্ত, বাবার গভীর বুকের রক্ত, এই তরবারি আমায় কোষ ভরে ভরে দেয়। আমি ঠিক এমনি চোঁ চোঁ করে পান করি।

    শিশুরা। তুমি রাক্ষস।

    বুডঢা। উঁহু। আমি যখন যুবক ছিলাম (পোশাকের ঘেরের প্রান্তদেশ দেখিয়ে) এই ঝলমলে পোশাকে আমি ছিলাম রাজা। আমি দেখতে ছিলাম দেবতার মতো সুন্দর। তখন আমি ঠিক এমনি করে তরবারি হাতে নেচেছি। (তরবারি হাতে নৃত্য। নৃত্য শেষে) এমনি করে হরিণ আর পায়রা, শিশু আর তার মা-বাবার বুকে এই তরবারি বসিয়ে রক্ত টেনে এনে পান করেছি। (তরবারি বসাবার ও রক্তপান করবার ভঙ্গি)

    শিশুরা। (ভয় ও ঘৃণা) বুডঢা, তুমি রাক্ষস।

    বুডঢা। উঁহুঁ, উঁহুঁ! আমি যখন আরও যুবক (পেটের পোশাক দেখিয়ে) তখন আমি দেবতাদের রাজার মতো শক্তিশালী। এই তরবারি হাতে আমি এমনি করে নেচেছি। (নতুন ছন্দে তরবারি নৃত্য। নৃত্য শেষে)এমনি করে কোষভরে রক্তপান করেছি।

    প্রথম ও দ্বিতীয় শিশু। তুমি এখান থেকে চলে যাও।

    তৃতীয় ও চতুর্থ শিশু। তুমি রাক্ষস।

    বুডঢা। উঁহুঁ। তখন আমাকে প্রভু বলেছে কত লোক। রাজা বলেছে কত লোক। দেবতা বলেছে কত লোক। তারপর যখন আরও বয়স হল আমি তখন সূর্যের মতো শক্তিশালী। আমার কত চমক (বুকের পোশাক দেখিয়ে) আমি তরবারি হাতে তখনও নৃত্য করেছি। আঁজলা আঁজলা রক্ত পান করেছি। আর এখনও আমি তরবারি নিয়ে নাচ দেখাই, আর নধর হরিণ, নোটন পায়রা আর বাবা আর মার রক্ত পান করি।

    প্রথম শিশু। ওঃ তুমি কী ভয়ানক!

    দ্বিতীয় শিশু। তুমি তো খুনি!

    তৃতীয় শিশু। তুমি শয়তান!

    চতুর্থ শিশু। তোমার তরবারি যদি ভেঙে ফেলি?

    বুডঢা। ভেঙে ফেলবে? হা-হা-হা-হা-এ তরবারি ভেঙে ফেলবে? হা-হা, (তরবারি বাঁ হাতে ধরে ডান হাত দিয়ে দেখিয়ে) এতে হাজার হাজার বছরের ধার। রক্ত খেয়ে খেয়ে এ তরবারি ভারী হয়েছে। কত লোক চেষ্টা করেছে একে ভেঙে দিতে। অবশ্য একটু ভোঁতা হয়েছে। আমি আবার ধার দিয়েছি। (তরবারির ভাঙা ডগাটা লুকোতে চেয়ে চেপে ধরে)

    প্রথম শিশু। তুমি ওরকম করে তরবারি ধরেছ কেন?

    তৃতীয় শিশু। মুঠোটা খুলে দাও।

    দ্বিতীয় ও চতুর্থ শিশু। হাত খুলে দাও।

    বুডঢা। ও তোমরা বুঝবে না। ওখানে বসো, শোনো। (শিশুরা দূরে বসে। বুডঢা তরবারিটা টাঙাতে টাঙাতে) সে হাজার হাজার বছর আগের কথা। আমি পেট ভরে খেয়ে হিরা, চুনি, মুক্তোর পোশাক পরে, তরবারিটা টাঙিয়ে আর প্রহরীদের সতর্ক করে দিয়ে হাড়ের পালঙ্কে শুয়ে একদিন নিশ্চিন্তে এমনি করে ঘুমোচ্ছিলাম।

    [বুডঢা তরবারিটা টাঙিয়ে পালঙ্কে শুয়ে পড়ে। একটি খালি গা বলিষ্ঠ চেহারার মানুষ দৃঢ় অথচ শঙ্কিত সতর্ক পায়ে মঞ্চে প্রবেশ করে। লক্ষ্য তার তরবারি। টাঙানো তরবারি ধরতে খুব কষ্টে সিঁড়ির এক ধাপ ওঠে। তরবারি ধরতেই ঘণ্টা বাজে। তার বুকে তরবারি বিদ্ধ হয়। আহত মানুষ গর্জন করে প্রস্থান করে]

    হা-হা-হা। পারেনি, ওরা পারেনি। তবে ওদের বুকের রক্তে তরবারিটা একটু ভোঁতা হয়েছে। কিন্তু আমি আবার ধার দিয়েছি।

    শিশুরা। তোমার তরবারিতে জাদু আছে?

    বুডঢা। হুঁ-হুঁ-হুঁ- এমন একটা কলবল্টু আছে তা ওরা জানত না।

    শিশুরা। কী সেই কলবল্টু?

    বুডঢা। তোদের কী দরকার?

    শিশুরা। যদি জানতে পারি?

    বুডঢা। তাহলেই বিপদ। তবে আমার চর আছে। কলবল্টু যে-ই জানতে চায়- হরিণের মতো, পায়রার মতো তার বুক ফুটো করে দিই।

    প্রথম শিশু। আর কেউ কখনো জানতে পারেনি বুডঢা?

    বুডঢা। বারে বারে চেষ্টা করেছে।

    শিশুরা। কে, কে, চেষ্টা করেছে? বলো, বলো।

    বুডঢা। একদিন আমি তরবারিটা টাঙিয়ে রেখে আর প্রহরীদের খুব সজাগ থাকতে বলে আরাম করে আহার শেষে সোনার গড়্গড়ায় রুপোর নল লাগিয়ে মিষ্টি তামাক খেতে খেতে হাড়ের পালঙ্কে এমনি নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। তখন-

    [তরবারি টাঙিয়ে বুডঢা শুয়ে পড়ে। একটি জীর্ণবস্ত্র বলিষ্ঠ মানুষ দৃঢ় অথচ শঙ্কিত এবং সতর্ক পায়ে মঞ্চে প্রবেশ করে। লক্ষ্য তরবারি। প্রথম ধাপ সে সহজে ওঠে। অর্থাৎ পূর্বের অভিজ্ঞতা আছে। দ্বিতীয় ধাপে সে পা দেয়, যেখানে পূর্বের লোকটি পা দেয়নি। এবার সে তরবারি চেপে ধরে। ঘণ্টা বেজে ওঠে। তরবারি তার বুকে বিদ্ধ হয়। সে ছিটকে পড়ে গর্জন করে প্রস্থান করে। বুডঢা জেগে ওঠে]

    হা-হা-হা। এ ব্যাটা কলবল্টু ধরেছিল আর কি। কিন্তু পারেনি। আমার তরবারি ওর বুকের রক্ত পান করল। আবার একটু ভোঁতা হল, কিন্তু আমি আরও ঝকমকে করে ধার দিলুম।

    প্রথম শিশু। ওকী তোমার তরবারিটা ছুঁচোলো নয় কেন?

    বুডঢা। তা দিয়ে তোদের দরকার কী?

    দ্বিতীয় শিশু। তাইতো, তাইতো। তুমি যে মুঠো করে ধরেছিলে, তাই দেখিনি। তোমার তরবারির ডগাটা কোথায়?

    বুডঢা। ডেঁপো ছেলে, তা দিয়ে তোর দরকার কী?

    তৃতীয় শিশু। তোমার তরবারির যে অনেকটা ভাঙা।

    চতুর্থ শিশু। কেন? কী করে ভাঙল বুডঢা?

    বুডঢা। (শিশুদের দিকে ভ্রূকুঁচকে তাকায়) হাজার হাজার বছরের তরবারি তো? ওই ডগার কয়েক আঙুল পলকা ছিল। ধার দেবার সময় শানদার তা দেখতে পায়নি, ভেঙে গেছে।

    প্রথম শিশু। তবে তো সেই-ই ঠিক করে দিত।

    বুডঢা। শানদারকে বলতে হবে।

    দ্বিতীয় শিশু। শানদার তো জোড়ে না, শানদার তো শান দেয়।

    চতুর্থ শিশু। নিশ্চয়ই কেউ ভেঙে দিয়েছে বলো?

    বুডঢা। কে ভাঙবে অ্যাঁ? এমন বুকের পাটা কার?

    তৃতীয় শিশু। কিন্তু ভেঙেছে তো? তুমি লুকোচ্ছিলে তো?

    বুডঢা। ভেঙেছে তো ভেঙেছে।

    শিশুরা। বলো, বলো, কেমন করে ভাঙল?

    বুডঢা। একদিন…

    শিশুরা। (প্রবল আগ্রহে) বলো, বলো।

    বুডঢা। একদিন আমি তরবারি টাঙিয়ে রেখে, নতুন নতুন সব প্রহরীদের সজাগ থাকতে বলে, পেট ভরে আরাম করে খেয়ে, পাইপে ভাজা তামাক ভরে, টানতে টানতে হাড়ের পালঙ্কে শুয়ে ঘুমিয়ে পড়েছি। তখন-

    [পূর্ববৎ বুডঢা তরবারি টাঙিয়ে রেখে শুয়ে পড়ে। দৃঢ় অথচ সতর্ক পায়ে একজন লোক প্রবেশ করে। লক্ষ্য তার তরবারি। প্রথম দুটো ধাপ সে বেশ সহজে ওঠে। তৃতীয় ধাপ সে খুব কষ্টে ওঠে। কষ্টে উঠে সে তরবারি আঁকড়ে ধরে। ডগাটা মট করে ভেঙে দেয়। ঘণ্টা বাজে। হাতে তরবারির ডগা নিয়ে ঘুমন্ত বুডঢার পায়ে লাথি মারে এবং আনন্দের হুংকার তুলে প্রস্থান করে। বুডঢা ধড়মড় করে জেগে ওঠে। আতঙ্কে ক্রোধে হা হা করে ছুটে যায় এবং সতর্কতামূলক ‘প্রহরী প্রহরী’ চিৎকার করে গম্ভীর হয়ে যায়]

    শিশুরা। কী হল? কী হল?

    বুডঢা। আমার তরবারির ডগা ভেঙেছে। কিন্তু ধার তো যায়নি, আর ভারীও আছে যথেষ্ট। এখনও আমি হরিণের কোমল বুকের, পায়রার নরম বুকের, শিশু আর মা-বাবার বুকের রক্ত পান করি। তবে আমি সতর্ক হয়ে গেছি। আরও নতুন নতুন প্রহরী রেখেছি চারিদিকে সাজিয়ে। এখন আর আরামে নিশ্চিন্তে ঘুমোই না।

    শিশুরা। তবে কী কর?

    বুডঢা। এখন আমি আরাম করে খেয়ে হাড়ের পালঙ্কের ওপর বসে বসে চোখ ঘুরিয়ে দেখি, ছল করে হাসি, ছল করে কাঁদি, আরও নানা ছল করে তরবারির ধার দেখি।

    শিশুরা। না ঘুমিয়ে কেউ পারে?

    বুডঢা। তা ঠিক। বয়সও হয়েছে, একটু ক্ষয়িষ্ণু হয়েছি। তাই ঘুম পেলে হাড়ের পালঙ্কে বসে বসেই একটু ঝিমিয়ে নিই।

    শিশুরা। আর তোমার তরবারি?

    বুডঢা। এ তরবারি এখন অনেক অনেক চালাক লোকে পাহারা দেয়। আমি নিত্য নিত্য নতুন নতুন লোক রাখি-খুব চালাক-খুব ওস্তাদ লোক।

    [শিশুরা। নিজেদের মধ্যে কথা বলাবলি করে]

    বুডঢা। কী হচ্ছে?

    প্রথম শিশু। তুমি ঘুমোও না?

    বুডঢা। না।

    দ্বিতীয় শিশু। তুমি ঝিমোও?

    বুডঢা। তা দিয়ে তোদের দরকার কী?

    তৃতীয় শিশু। না, রাগ কোরো না, জিজ্ঞেস করছি।

    বুডঢা। হ্যাঁ, আমি ঝিমোই মাত্র।

    চতুর্থ শিশু। ও বেশ বেশ। আচ্ছা, বুডঢা তোমার তরবারি কেউ কেড়ে নিয়ে ভাঙতে পারবে না?

    বুডঢা। আমি এখন খুব, খু-উ-ব সতর্ক (বুডঢা দাঁড়িয়ে ওঠে। হাত ঘুরিয়ে নেচে জাদুকরের মতো অং বং চং রেখা কাটে)

    অং বং চং ফুসফুস ফাস

    আমার মন্তর দেশে দেশে যাস।

    ফাস ফুস ফুস আর অং বং চং

    টুং টাং মন্তর দেখা যত ঢং।

    ঝর ঝর ঢালরে রাশি রাশি দানা

    চার চার দিকে, নয়া নয়া হানা।

    ঝুম ঝাম সাই সাই টরর টরর টর

    অং বং চং এই যন্তর মন্তর।

    শিশুরা। ওকী, ওকী, ওকী করছ?

    বুডঢা। আমি এখন প্যাঁচ খুলি আর প্যাঁচ আঁটি। এক প্যাঁচে আঁটি আর এক প্যাঁচে খুলি। আমি এক হাতে ছুরি নিয়ে নাচি, আর হাতে মধু নিয়ে ছুটি। (নেচে দেখাবে) কিন্তু-

    শিশুরা। কিন্তু কী?

    বুডঢা। কিন্তু তরবারি আমার আগের মতোই কাজ করে। আমি এখন ওর ধারে একটু মধু লাগিয়ে দিই, একটু খিদে লাগিয়ে দিই, একটু তেষ্টা লাগিয়ে দিই। আর ও মধু দিয়ে, খিদে দিয়ে, তেষ্টা দিয়ে হরিণের আর পায়রার শিশু আর মা-বাবার বুক চিরে রক্ত এনে দেয়।

    প্রথম শিশু। না, না, তুমি মধু আর খিদে মাখিয়ে অমনি করে ছল করে আমার হরিণ মেরো না।

    বুডঢা। হা-হা-হা।

    দ্বিতীয় শিশু। অমনি করে আমার নোটন পায়রা মেরো না।

    বুডঢা। হা-হা-হা।

    তৃতীয় শিশু। অমনি করে আমার মায়ের বুক কেটো না।

    বুডঢা। হা-হা-হা।

    চতুর্থ শিশু। আমার বাবাকে মেরো না।

    বুডঢা। হা-হা-হা।

    শিশুরা। তোমার তরবারি আমরা কেড়ে নেব, ভেঙে দেব।

    বুডঢা। পারবি না, পারবি না।

    শিশুরা। কেন পারব না?

    বুডঢা। (রেগে) নাঃ। তোরা এখন যা। আমার এখন অনেক কাজ। দেশ-বিদেশের খবর আসবে। আমার দশটা ছুরির নাচ আছে। দশটা মধুর নাচ আছে। যা, তোরা যা।

    [বুডঢা মঞ্চের চারদিকে কয়েক সেকেন্ড করে দাঁড়িয়ে কর্মব্যস্ততা দেখায়। কর্মব্যস্ততার বিচিত্র ধ্বনি শোনা যায়। ইত্যবসরে শিশুরা কথা বলে]

    প্রথম শিশু। আমার হরিণটার জন্য মন কাঁদছে। ওই বুডঢা আর ওর ওই তরবারি থাকতে আমার হরিণ বাঁচবে না।

    দ্বিতীয় শিশু। ঠিক ভাই। ওই বুডঢা আর তরবারি থাকতে আমার নোটন পায়রা বাঁচবে না।

    তৃতীয় শিশু। আমার মার জন্যে মন কেমন করে। ওই বুডঢা আর তরবারি থাকতে আমার মাও বাঁচবে না।

    চতুর্থ শিশু। আমার বাবাও বাঁচবে না রে, আমরাও বাঁচব না। আয় তরবারি কেড়ে নিই।

    শিশুরা। কেমন করে কাড়ব?

    চতুর্থ শিশু। চল আমরা সবাই একসঙ্গে গিয়ে কেড়ে নিই।

    তৃতীয় শিশু। শোন শোন। আমার মা একটা গল্প বলেছিল। পাঁচটা বাড়ির পাঁচটা কুড়ুল এক করে, সেই ভীম কুড়ুল সাহসী পাঁচটা মানুষ কাঁধে নিয়ে তবে একটা দানো মেরেছিল। আয়, আমরাও তাই করি।

    শিশুরা। বেশ বলেছ, ঠিক বলেছ। তাই চলো।

    [পরস্পরের কাঁধ ধরে প্রস্থান]

    [বুডঢা কাজ শেষ করে হাততালি দিয়ে প্রহরী ডাকে। দুজন ভীম প্রহরী এসে দাঁড়ায়। বুডঢা তাদের তরবারি পাহারা দেবার ইঙ্গিত করে এবং প্রস্থান করে। ওরা পাহারারত। পাঁচ মহাদেশের পাঁচ রকমের পোশাক পরে পাঁচটি শিশু পাঁচমুখ এক কুড়ুল কাঁধে নিয়ে দৃঢ় অথচ সতর্ক পায়ে মঞ্চে প্রবেশ করে। লক্ষ্য তাদের তরবারি। তারা এগোতেই ভীম প্রহরী পথরোধ করে। ওরা মিলিত আঘাতে তাকে পরাজিত করে। আবার এগোতেই দ্বিতীয় প্রহরী। তাকেও ঘায়েল করে। এরপর তরবারির নীচে এসে পৌঁছোয়। প্রথম তিনটি ধাপ তারা সহজেই ওঠে। চতুর্থ ধাপে দাঁড়িয়ে পাঁচের ধাপে পা রেখে পাঁচজন একসঙ্গে কুড়ুলের বাঁট ধরে তরবারির ওপর আঘাত করে। ঘণ্টা বেজে ওঠে। বুডঢার চিৎকার-‘প্রহরী প্রহরী’। কুড়ুল দিয়ে ওরা দড়ি কাটে। বুডঢার আতঙ্কিত চিৎকার ‘প্রহরী, শত্রু’। তরবারির এক টুকরো ভেঙে প্রথম শিশু হাতে নেয়। বুডঢার চিৎকার-‘আমার হাত গেল।’ দ্বিতীয় শিশু দ্বিতীয় টুকরো নেয়। বুডঢার চিৎকার-‘আমার হাত গেল’। তৃতীয় শিশু তৃতীয় টুকরো নেয়। বুডঢার চিৎকার-‘পা গেল’। চতুর্থ শিশু চতুর্থ টুকরো নেয়। বুডঢার চিৎকার-‘পা গেল’। পঞ্চম শিশু পঞ্চম টুকরো নেয়। বুডঢা মৃত্যু চিৎকার করে গড়াতে গড়াতে মঞ্চে এসে পড়ে এবং স্তব্ধ হয়ে যায়। পাঁচ টুকরো হাতে নিয়ে পাঁচটি শিশু উত্তোলিত হাতে একটি স্তবক রচনা করে। মিলিত হাত উত্তোলিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পূর্বের মৃত্যু ঘণ্টা থেমে যায়। পাঁচটি শিশু নেচে নেচে গান গেয়ে ওঠে]

    গান

    আমাদের হাতে হল বুডঢা সংহার,

    হরিণের বুকে নেই মৃত্যুর ভয়।

    তরবারি ভেঙেছি এই পাঁচবার,

    পায়রার মৃত্যু আর কভু নয়।

    পিতামহ বীরদের প্রণাম জানাই,

    শিশুদের ছোটো বুকে নেই ভয় আর।

    এইখানে বিজয়ের নিশান টানাই,

    রাশি রাশি হাসি ফোটে বাবা আর মার।

    ফুল ফোটে, চাঁদ ওঠে কী বাহার কী বাহার,

    তরবারি ভেঙে গেছে। হল বুডঢা সংহার।

    [পরদা নেমে আসে]

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগাঞ্জে ফেরেশতে (চলচ্চিত্র ইতিহাসের দলিলগ্রন্থ) – সাদত হাসান মান্টো
    Next Article ভৌতিক অমনিবাস ২ – মানবেন্দ্র পাল
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }