Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নতুন নতুন নাটক – সম্পাদনা: মনোজ মিত্র

    মনোজ মিত্র এক পাতা গল্প504 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ভাষণদাদা – শৈবাল মিত্র

    ভাষণদাদা – শৈবাল মিত্র

    বঙ্কিম বটব্যাল শিক্ষাবিদ। বয়স ৫৫-৬০

    রাম

    রাখাল

    ভুবন বয়স ১৭-২০

    সুবোধ

    মিমি বঙ্কিমবাবুর নাতনি। বয়স ১৪-১৫

    প্রথম দৃশ্য

    [ বঙ্কিম বটব্যালের বসার ঘর। রাম, রাখাল, সুবোধ, ভুবন বসে আছে। সময় সকাল দশটা ]

    রাম। বঙ্কিমবাবুর সঙ্গে কাজের কথাটা সুবোধ বলবে। আমরা শুধু সায় দিয়ে যাব।

    রাখাল। ঠিক তাই। আমরা শুধু -ইয়েস স্যার- -হ্যাঁ স্যার- করে যাব।

    রাম। ভয় হচ্ছে ভুবনকে নিয়ে। মুখ ফসকে কী বলে ফেলবে, কে জানে!

    ভুবন। কেন রে? আমি কি ছাগল?

    সুবোধ। (মুখে আঙুল দিয়ে) চুপ! চুপ! স্যার আসছেন।

    [ দরজায় পরদা ঝুলছে। বাড়ির ভেতর থেকে চটির চটাপট আওয়াজ শোনা যাচ্ছে। সকলে নড়েচড়ে বসল। ধুতি পাঞ্জাবি পরা, বঙ্কিম ঘরে ঢুকে চেয়ারে বসল ]

    বঙ্কিম। (চার তরুণের দিয়ে তাকিয়ে) তোমরা?

    সুবোধ। আজ্ঞে, আপনার কাছে একটু এলাম।

    বঙ্কিম। সে তো দেখতে পাচ্ছি। থাক কোথায়?

    সুবোধ। আজ্ঞে, এই পাড়াতেই।

    বঙ্কিম। করো কী?

    সুবোধ। আজ্ঞে কলেজে পড়ি।

    বঙ্কিম। সবাই কলেজের ছাত্র?

    [ রাম, রাখাল মুখ চাওয়াচায়ি করে। সুবোধ নখ খুঁটছে ]

    রাখাল। না, সবাই নয়। সুবোধ আর আমি কলেজে পড়ি।

    বঙ্কিম। সুবোধ কে?

    [ রাখাল আঙুল তুলে দেখায় ]

    বঙ্কিম। (রাম আর ভুবনের দিকে তাকিয়ে) তোমার নাম কী?

    রাম। আমি রাম, আর ও ভুবন।

    বঙ্কিম। (রামকে) তোমরা কী করো?

    রাম। (আমতা আমতা করে) আমি ট্রেনিং-এ আছি।

    বঙ্কিম। কীসের ট্রেনিং?

    রাম। ধৈর্য পরীক্ষার।

    বঙ্কিম। ভারী অদ্ভুত তো! আগে শুনিনি তো, একটু বলো দেখি।

    রাম। গোলমাল না করে এক জায়গায় বসে থাকতে হয়।

    বঙ্কিম। শুধু বসে থাকতে হয়?

    রাম। হ্যাঁ স্যার।

    বঙ্কিম। কতদিন বসে থাকতে হবে?

    রাম। চিঠিটা আসা পর্যন্ত!

    বঙ্কিম। কীসের চিঠি?

    রাম। অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার, চাকরির নিয়োগপত্র স্যার।

    বঙ্কিম। বুঝলাম। কোথায় বসে থাকতে হয় তোমাকে? মানে, ধৈর্যশীল করার ট্রেনিং সেন্টারটা কোথায়? ঠিকানা কী?

    রাম। খালপাড়ের রাস্তায়, পচাদার চা দোকানের পাশে যে রক রয়েছে সেখানে। সকাল দশটায় বসি, বাড়ি ফিরতে রাত দশটা হয়। দুপুরে দু-ঘণ্টা ছুটি। বাড়ি থেকে নাওয়া-খাওয়া করে আসি। বলতে পারেন, বারো ঘণ্টা ডিউটি।

    বঙ্কিম। তার মানে রকবাজি করো।

    রাম। ঠিক রকবাজি নয় স্যার! বলতে পারেন, রকপালিশ করি, সেই সঙ্গে পাড়ার ভালো-মন্দের ওপর নজর রাখি। দরকারে পাড়ার জ্যাঠা-কাকারা আমাদের কাছে ছুটে আসে। সাহায্য চায়। আমরা সাহায্য করি।

    ভুবন। শুধু সাহায্য! কত ছক্কাপাঞ্জা যে করতে হয়!

    বঙ্কিম। তোমাদের নেতা কে?

    ভুবন। পচাদা।

    বঙ্কিম। চাওয়ালা?

    ভুবন। হ্যাঁ স্যার। পচাদা ভারী সৎ, চায়ে ভেজাল দেয় না। এক কাপ চায়ে ঠিক এক কাপ জল মেশায়। ডবল হাফ চা চাইলে নিয়মমতো আধকাপ জল দেয়। ঠকানোর কোনো সিন নেই!

    [ বঙ্কিম কয়েক সেকেন্ড ভুবনের দিকে তাকিয়ে থেকে চোখ ঘুরিয়ে নেয় ]

    বঙ্কিম। (সুবোধকে) তা আমার কাছে কেন?

    সুবোধ। সামনে মাসের সতেরো তারিখে, শুক্রবার, আমাদের পাড়ার লাইব্রেরি, ভূপেন্দ্র স্মৃতি পাঠাগারের অনুষ্ঠানে আপনাকে প্রধান অতিথি হিসেবে আমরা পেতে চাই স্যার। অনুষ্ঠান বিকেল পাঁচটায় শুরু হবে। দয়া করে -না- বলবেন না স্যার।

    বঙ্কিম। উপলক্ষটা কী?

    সুবোধ। পুরস্কার বিতরণ স্যার।

    বঙ্কিম। কারা পুরস্কার পাবে?

    সুবোধ। মাধ্যমিক আর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষাতে এলাকায় যারা ভালো রেজাল্ট করেছে, তাদের পুরস্কার দেওয়া হবে।

    বঙ্কিম। বেশ। তা আমাকে ডাকছ কেন?

    সুবোধ। এ পাড়ায় আপনার মতো পণ্ডিত মানুষ কজন আছে স্যার! দেশের লোক এক ডাকে আপনাকে চেনে।

    রাখাল। আপনার নাম শুনলে আমাদের বাবা-কাকারাও শ্রদ্ধায় মাথা হেঁট করে।

    বঙ্কিম। তাই নাকি?

    রাম। আঠারো আনা সত্যি স্যার।

    বঙ্কিম। কী করতে হবে আমাকে?

    সুবোধ। একটা ভাষণ দিতে হবে।

    রাখাল। আর পুরস্কারগুলো ছেলে-মেয়েদের হাতে তুলে দিতে হবে।

    বঙ্কিম। কতজনকে পুরস্কার দেবে?

    সুবোধ। পঁচিশজনকে স্যার।

    বঙ্কিম। না বাপু, একটানা দাঁড়িয়ে পঁচিশজনকে পুরস্কার দেওয়ার মতো হাঁটুর জোর আমার নেই। গেঁটে বাতে ভুগছি অনেকদিন। তা ছাড়া সামনে মাসের সতেরো তারিখ সন্ধেতে আরও গুচ্ছের সভা আছে। পাঁচ মিনিটের জন্যেও একবার করে যেতে হবে। দাঁড়াও, দেখাই। (ড্রয়ার খুলে ডাইরি বার করে, পাতা উলটে দেখে) না, এটাতে নেই। (হাঁক পাড়ে) মিমি, অ্যাই মিমি।

    . . . কলম হাতে নিয়ে দাদুর পাশে মিমি দাঁড়িয়ে আছে।

    [ দরজার পরদার ওপাশ থেকে কিশোরী গলা সাড়া দেয়, -কী দাদু- ]

    বঙ্কিম। আমার সভাসমিতির ডাইরিটা নিয়ে আয়।

    [ বাড়ির ভেতর থেকে মিমি–যাচ্ছি।- ভুবন, রাম, রাখাল, নড়েচড়ে বসে ]

    বঙ্কিম। পঁচিশটা প্রাইজ আমি দিতে পারব না।

    সুবোধ। স্যার, প্রথম পাঁচটা দিয়ে আপনি চলে যাবেন। বাকিগুলো মঞ্চে আর যারা থাকবেন, তারা দেবেন।

    বঙ্কিম। ভাষণ দিতে হবে নাকি আমাকে?

    সুবোধ। তা তো হবেই স্যার। আপনার ভাষণ শুনতেই তো সকলে আসবে।

    বঙ্কিম। কতক্ষণ বলতে হবে?

    সুবোধ। সাত মিনিট। দশ মিনিটও বলতে পারেন।

    বঙ্কিম। দশ মিনিট বলব।

    সুবোধ। আপনার যেমন খুশি। (এক মুহূর্ত থেমে) আপনার নাম দিয়ে কার্ড ছাপতে দিতে পারি স্যার?

    বঙ্কিম। দাও।

    [ মিমি ডাইরি নিয়ে ঘরে ঢুকল। তার সপ্রতিভ, চোখা চেহারা ]

    বঙ্কিম। সামনের মাসের সতেরো তারিখে, বিকেলে আমার কী কী প্রোগ্রাম আছে, পড়ো তো।

    মিমি। (ডাইরির পাতা খুলে) ক্ষেত্রনাথের বিয়ে, হরিবাবুর মায়ের শ্রাদ্ধ, অনন্তর ছেলের মুখেভাত, বিধান সরকারের কবিতা পাঠের আসর, পরিবেশ দূষণ রোধে বিকেল পাঁচটায় পদযাত্রা, তারপর টপ্পাগানের আসর, তারপর-

    বঙ্কিম। ঠিক আছে, ঠিক আছে, এদের অনুষ্ঠানটাও ডাইরিতে সতেরো তারিখের পাতায় লিখে নাও।

    মিমি। দাদু, আরও আছে। সব অনুষ্ঠান পড়া হয়নি।

    বঙ্কিম। দরকার নেই।

    মিমি। (খোলা ডাইরি, কলম হাতে নিয়ে দাদুর পাশে দাঁড়িয়ে) কী লিখব দাদু?

    বঙ্কিম। পাড়ার লাইব্রেরিতে সন্ধে ছটায় অনুষ্ঠান।

    সুবোধ। ছটায় নয় স্যার, পাঁচটায়।

    রাখাল। লাইব্রেরির নাম, ভূপেন্দ্র স্মৃতি পাঠাগার।

    বঙ্কিম। (মিমিকে) ওরা যা বলছে, লেখো। লাইব্রেরির নাম, সময়।

    মিমি। (ডাইরি লিখতে লিখতে) সতেরো তারিখ শুক্রবার বিকেল পাঁচটায় বালিগঞ্জ লেক থেকে দূষণবিরোধী যে পদযাত্রা বেরোচ্ছে, সেখানেও তো ভাষণ দিতে হবে তোমাকে।

    বঙ্কিম। তাতে কী? কোনো অসুবিধে হবে না।

    মিমি। সেদিনই বিকেল সাড়ে পাঁচটায় বিধান সরকারের নবতম কাব্যগ্রন্থ তো তোমার প্রকাশ করার কথা। বিধান সরকারের কবিতা নিয়ে ভাষণ দিতে হবে তোমাকে।

    বঙ্কিম। দেব।

    মিমি। অনুষ্ঠানটা কোথায় হবে জানো?

    বঙ্কিম। খুব জানি। দক্ষিণেশ্বরে। বিধান সরকারের বাড়ির ছাতে।

    মিমি। সন্ধে ছটায় ক্ষেত্রকাকার বিয়েতে বরযাত্রী যেতে হবে তোমাকে। দুটোর মধ্যে ক্ষেত্রকাকার বাড়িতে তোমার পৌঁছোনোর কথা।

    বঙ্কিম। ঠিক পৌঁছে যাব।

    মিমি। ক্যানিং-এ হরিবাবুর মায়ের শ্রাদ্ধবাসরে গিয়ে, দুপুরের মধ্যে সেখান থেকে ফিরতে পারবে?

    বঙ্কিম। খুব পারব। ওসব নিয়ে তোকে মাথা ঘামাতে হবে না। (মিমি গম্ভীর হয়ে যায়। সুবোধকে) -হ্যাঁ। ওই কথাই রইল। দশ মিনিট বলব আমি।

    সুবোধ। যথেষ্ট। আপনার দশ মিনিট।

    রাখাল। তাতেই সকলে ফ্ল্যাট হয়ে যাবে।

    বঙ্কিম। কী বিষয়ে তোমরা শুনতে চাও?

    সুবোধ। আপনি যা ভালো মনে করেন।

    বঙ্কিম। ভাষণের একটা নিয়ম আছে। প্রথমে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বলতে হয়।

    সুবোধ। বলবেন স্যার, নিশ্চয় বলবেন।

    বঙ্কিম। আচ্ছা, আমি যদি এভাবে শুরু করি- (এক মুহূর্ত নীরবতা)

    সুবোধ। করুন স্যার।

    বঙ্কিম। বাংলার ভাগ্যাকাশে আজ দুর্যোগের ঘনঘটা, কে তারে আশা দেবে, কে তারে ভরসা দেবে, কে বলবে, ওঠো মা, জাগো।

    [ সকলে হাততালি দেয় ]

    সুবোধ। দারুণ!

    রাখাল। ফ্যানটেনিয়াস এ্যান্ডিভোরাস!

    রাম। মার কাটারি, ধর ছুরি।

    সুবোধ। থামলেন কেন স্যার? বলুন।

    বঙ্কিম। (মুচকি হেসে) দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে দু-চার কথা বলে, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ছুঁয়ে তারপর সমাজগঠনে ছাত্রদের ভূমিকায় চলে যাব। খুব বেশি টানব না। প্রাইজ নিতে যারা আসে, তারা ভাষণ শোনে না। প্রাইজটা হাতে পাওয়ার জন্যে হাপিত্যেশ করে বসে থাকে, আমি এসব জানি।

    সুবোধ। স্যার, যদি কিছু মনে না করেন, আমাদের অনুষ্ঠান কিন্তু একদম আলাদা। সবাই মন দিয়ে ভাষণ শোনে। পুরস্কৃতরাও পুরস্কার নেওয়ার চেয়ে বেশি করে ভাষণ শুনতে চায়।

    বঙ্কিম। অবাক কাণ্ড তো!

    সুবোধ। হ্যাঁ স্যার!

    বঙ্কিম। তাহলে দশের বদলে পনেরো মিনিট বলতে পারি। পারি কি না?

    সুবোধ। অনায়াসে।

    মিমি। পরিবেশ দূষণ বিরোধী পদযাত্রার কী হবে? বিধান সরকারের কাব্যগ্রন্থের প্রকাশ যে আটকে থাকবে।

    বঙ্কিম। কিচ্ছু আটকে থাকবে না। পৃথিবীতে কারো জন্যে কিছু থেমে থাকে না। হ্যাঁ, যা বলছিলাম, জাতিগঠনে ছাত্রদের ভূমিকা নিয়ে অনেক কথা বলার আছে। তরুণরাই তো সব। তারা হল সকাল আটটা-নটার সূর্যের মতো। তাদের এমন কথা শোনাতে হবে যা তারা কখনো শোনেনি, কখনো শুনবে কি না সন্দেহ। একটু বাড়তি সময় পেলে সেকথা আমি শোনাব।

    সুবোধ। শোনাবেন স্যার, অবশ্যই শোনাবেন।

    রাখাল। কেস জমে যাবে। যাকে বলে, খেপচুরিয়াস মাইলোপিথোরাস হয়ে উঠবে গোটা অনুষ্ঠান।

    রাম। দুর্দান্ত কাণ্ড হবে।

    বঙ্কিম। আমার ভাষণ শোনার জন্যে তোমাদের আগ্রহ দেখে ভারী খুশি হলাম। (গলা নামিয়ে) তবে শুধু ছাত্রদের দায়দায়িত্বের কথা বলে আমি থামব না। অভিভাবকদের দায়িত্বের কথাও বলতে হবে আমাকে। ছেলেমেয়েদের বকে যাওয়ার পেছনে অভিভাবকদের দোষত্রুটি কম নেই। খোলাখুলি এসব কথা বলার সময় হয়েছে। কাউকে আমি ছাড়ব না।

    রাখাল। সাংঘাতিক কাণ্ড হবে স্যার। হইচই পড়ে যাবে।

    বঙ্কিম। হুস। এসব বলতে গেলে আরও পাঁচ মিনিট দরকার। পনেরোর বদলে কুড়ি মিনিট লাগবে। হ্যাঁ কুড়ি মিনিট। কুড়ি মিনিটে হয়ে যাবে।

    রাখাল। তা হোক। কুড়ি মিনিটই আপনি পাবেন। কুড়ি মিনিট চোখের পলকে কেটে যাবে। উফ, আমি ভাবতে পারছি না, তারপর কী ঘটবে!

    মিমি। দাদু, আর বাড়িয়ো না। পরিবেশদূষণ বিরোধী পদযাত্রার কী হবে? বিধান সরকারের কবিতার বই প্রকাশ? ক্ষেত্রকাকার বিয়েতে বরযাত্রী? কে যাবে?

    বঙ্কিম। আমি যাব। সব জায়গাতে আমি যাব। দরকার হলে রাত বারোটায় পৌঁছোব।

    রাখাল। সাবাস স্যার। একদম বাঘের মতো কথা বলেছেন।

    বঙ্কিম। এ কী শুনছ! মঞ্চে দাঁড়িয়ে যখন ভাষণ দেব- যাক শোনো, আরও পাঁচ মিনিট বেশি সময় চাই। কুড়ি মিনিটের বদলে শেষ করতে পঁচিশ মিনিট নেব।

    সুবোধ। তাই হবে স্যার!

    রাখাল। হতেই হবে। আপনার ভাষণে সভায় ধুন্ধুমার লেগে যাবে।

    বঙ্কিম। বলছ?

    রাম। কালীর দিব্যি বলছি।

    [ রামের কাঁধে হাতের চাপ দিয়ে তাকে সুবোধ থামায় ]

    বঙ্কিম। স্পষ্ট ভাষায় বলব, হে ভারত, ভুলিয়ো না তোমার শিরদাঁড়া তরুণ সম্প্রদায়। হ্যাটকোট পরা তরুণ, নগ্ন তরুণ, ভদ্র তরুণ, কাদাখোঁচা তরুণ, সকলে তোমার সম্পদ। দেশের ভবিষ্যৎ বলতে তরুণরা ছাড়া কেউ নেই।

    রাখাল। ব্রাভো, বুঝতে পারছি, আপনি সেদিনের অনুষ্ঠানে স্বামী বিবেকানন্দ, নেতাজি সুভাষচন্দ্রের মতো মাতিয়ে দেবেন শ্রোতাদের।

    বঙ্কিম। ঠিক তাই। আরও পাঁচ মিনিট বেশি সময় লাগবে আমার।

    রাম। পাঁচ মিনিট কেন স্যার, দশ মিনিট পাবেন।

    বঙ্কিম। তাহলে কত সময় ভাষণের জন্যে বরাদ্দ হল?

    সুবোধ। পঁয়ত্রিশ মিনিট স্যার।

    বঙ্কিম। যথেষ্ট।

    মিমি। পরিবেশ পদযাত্রা কী হবে? কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ কে করবে? ক্ষেত্রকাকার বিয়েতে বরযাত্রী যাওয়া তো লাটে উঠবে। ক্যানিং-এ হরিবাবুর মায়ের শ্রাদ্ধের যে স্মরণসভা হবে, সেখানেও তোমার ভাষণ দেওয়ার কথা। হাওড়ায় অনন্ত সেনের ছেলের মুখেভাত অনুষ্ঠানের শিশুকে মানুষ করা নিয়ে নাতিদীর্ঘ ভাষণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছ তুমি। মুখেভাত অনুষ্ঠানও হবে সতেরো তারিখ দুপুরে। সব দিক তুমি সামলাবে কী করে? তারপরেও আছে টপ্পা গানের আসর।

    বঙ্কিম। ঠিক সামলাব।

    রাম। আমরা সামলে দেব।

    বঙ্কিম। তার মানে?

    রাখাল। রামের কথায় কান দেবেন না স্যার। ওর কথার কোনো মানে নেই। ও হল একটা ফ্লোকসিনেটসি-নিহিলিপিলিফিকেশন।

    বঙ্কিম। কথাটার মানে?

    রাখাল। লবডঙ্কা। রাম একটা লবডঙ্কা।

    বঙ্কিম। বিবেকানন্দ, নেতাজির নাম যখন উঠল, তখন তাঁদের দু-একটা বাণী আমি ভাষণে না ঢোকালে, সেটা অন্যায় হবে। তোমরা কী বলো?

    রাখাল। হক কথা স্যার।

    বঙ্কিম। দুজনের দুটো করে চারটে বাণী, আমার ভাষণের মধ্যে আমি গুঁজে দেব।

    রাখাল। চমৎকার হবে।

    বঙ্কিম। তাহলে আর পাঁচ মিনিট সময় আমার দরকার।

    রাখাল। কোনো অসুবিধে নেই।

    বঙ্কিম। ব্যস, আর চিন্তা নেই। আমার ভাষণ দাঁড়িয়ে যাবে।

    ভুবন। আমরা শুয়ে পড়ব।

    বঙ্কিম। কী বললে?

    ভুবন। ভাষণ দাঁড়িয়ে গেলেও পাবলিক ফ্ল্যাট হয়ে যাবে।

    মিমি। শুনুন, আমার দাদুকে আপনি অপমান করতে পারেন না।

    রাখাল। ভুবনের মাথায় ছিট আছে।

    সুবোধ। ভুবন, তুই থাম।

    ভুবন। তোদের পাঁয়তাড়া আর সহ্য হচ্ছে না।

    বঙ্কিম। ছিঃ, ঝগড়া করতে নেই।

    ভুবন। স্যার একটা প্রশ্ন করতে পারি?

    রাখাল। চুপ, চুপ!

    বঙ্কিম। প্রশ্ন থাকলে ওকে করতে দাও। (ভুবনকে) বলো, কী তোমার প্রশ্ন?

    ভুবন। মশাই, আমার মুখটা ভালো নয়। দু-একটা বাজে কথা যদি মুখ ফসকে বেরিয়ে যায়, গায়ে মাখবেন না। প্রশ্নটা হল, চল্লিশ মিনিট ধরে আপনার ভাষণ শুনে আমার কী জমা হবে?

    বঙ্কিম। অ্যাই, অ্যাতক্ষণে আসল প্রশ্নটা করেছ? (এক সেকেন্ড থেমে) কথাটার মানে তো বুঝলাম না।

    ভুবন। জমা মানে বুঝলেন না। আপনি তো… (ভুবনকে কথা শেষ করতে দেয় না রাখাল)

    রাখাল। জমা মানে লাভ। ভুবন জানতে চায়, আপনার ভাষণ শুনে তার কী লাভ হবে?

    বঙ্কিম। আমারও তাই মনে হয়েছিল। এক্কেবারে ন্যায্য প্রশ্ন করেছে ও। আমাকে যদি আরও পাঁচ মিনিট সময় দেওয়া হয়, ভাষণের মধ্যে ভাষণ শোনার উপকারিতা নিয়ে দু-চার কথা বলে দেব। ভাষণ শেষ করতে আমার লাগবে পঁয়তাল্লিশ মিনিট, খুব বেশি পঞ্চাশ মিনিট।

    ভুবন। আপনার ওপর তাহলে পটকা পড়বে।

    বঙ্কিম। পটকা! পটকা কেন?

    ভুবন। পচাদার ভাই ধসাদা, ভূপেন স্মৃতি পাঠাগারের সে পৃষ্ঠপোষক, পাঁচ মিনিটের বেশি ভাষণ সে সহ্য করতে পারে না। সে টাকা জোগাড় করে আনলে তবেই লাইব্রেরি চলে। আপনার কাছে আমরা আসার সময়ে লাইব্রেরির মাতব্বররা পইপই করে সময়ের কথাটা সুবোধ আর রাখালকে বলে দিয়েছিল। কিছুতেই সাত মিনিটের বেশি সময় যে দেওয়া যাবে না, মাথায় রাখতে বলেছিল। কিন্তু এখন সময় নিয়ে এরা যা শুরু করেছে এর অবশ্যম্ভাবী পরিণতি তাই।

    রাখাল। বাজে বকবি না ভুবন।

    ভুবন। এই চোখ তুলে কথা বলিসনি।

    সুবোধ। আমি চললাম।

    [ সুবোধ বেরিয়ে গেল

    বঙ্কিম। তোমাদের সভায় আমি যাব না।

    ভুবন। যেতে আপনাকে হবেই। ভাষণ দিতে হবে পাঁচ মিনিটের।

    বঙ্কিম। না না পঞ্চাশ মিনিটের। একঘণ্টাও হতে পারে।

    ভুবন। (রাম ও রাখালের সঙ্গে সমস্বরে) না, পাঁচ মিনিটের।

    বঙ্কিম। অসম্ভব। ফ্লো এসে গেলে থামতে পারি না। মাইক ধরাবে তোমরা, কখন ছাড়ব সে আমি বলব।

    ভুবন। ফ্লোর নিকুচি করেছে। আমরা যাচ্ছি। বাজারে প্রধান অতিথির অভাব নেই। অনেক ভাষণদাদা আছে।

    [ ভুবন, রাম, রাখাল বেরিয়ে গেল

    বঙ্কিম। দাঁড়াও, দাঁড়াও, ভাষণ শুনবে না? দাঁড়াও-

    মিমি। যাক বাবা, বাঁচা গেছে!

    বঙ্কিম। (হেসে) আর আসবে না। ভাষণের নাম শুনলে ওরা এখন থেকে ডরাবে। এদের হাত থেকে মুক্তি পাবার ভালো উপায় বার করিনি দিদি! ডায়েরির অ্যাপয়েন্টমেন্টগুলো তো সব মিথ্যে!

    মিমি। তাই! কিন্তু গত সপ্তাহেই তো সাহিত্যসভা, পরিবেশদুষণ সচেতনতা সভা, আরও কী কী অনুষ্ঠানে ভাষণ দিয়ে এলে। দাদু, প্লিজ, অসুস্থ শরীরে তুমি এভাবে সভাসমিতিতে যেয়ো না। তোমাকে নিয়ে ওরা মজা করছিল। ভাষণদাদা বলছিল তোমাকে। কান্না পাচ্ছিল আমার।

    বঙ্কিম। ঠিক আছে, ঠিক আছে দিদি, আর কোথাও ভাষণ দিতে যাব না। আসলে কী জানিস দিদি, পুরোনো অভ্যাস। ছাড়তে সময় লাগে- old habits die hard. তবে আজকাল মাঝে মাঝে ভাবি -ভাষণ দিয়ে সত্যিই কি কিছু হয়?

    মিমি। ওরেব্বাবা, তুমি তো দেখছি দার্শনিক হয়ে যাচ্ছ। তাও ভালো। ভাষণদাদার চেয়ে দার্শনিকদাদা শুনতে ভালো লাগবে। তুমি এখন থেকে ভাবো দাদু। ভাবতে থাকো। একদিন ওটাও অভ্যাস হয়ে যাবে।

    [ ধীরে ধীরে পরদা নেমে আসে ]

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগাঞ্জে ফেরেশতে (চলচ্চিত্র ইতিহাসের দলিলগ্রন্থ) – সাদত হাসান মান্টো
    Next Article ভৌতিক অমনিবাস ২ – মানবেন্দ্র পাল
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }