Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নরকের দ্বার খোলা ২ – বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী

    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী এক পাতা গল্প277 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ক্ষমা নেই

    (সত্য ঘটনা অবলম্বনে। নাম, কাল ও ঘটনাপঞ্জী গল্পের প্রয়োজনে কিঞ্চিৎ পরিবর্তিত।)

    নভেম্বর ২৪, ১৯৪৬

    বার্লিংটন, ভারমন্ট, আমেরিকা

    নিউহোপ হোম ফর আনওয়েড মাদারস

    ইলানর একজন মাত্র ২২ বছর বয়সী অবিবাহিতা মেয়ে, যে আজই তার শিশুপুত্রের জন্ম দিয়েছে এখানে। বার্লিংটনের এই হোমে তার সন্তানের জন্ম দেওয়ার জন্য তাকে নিয়ে এসেছেন তার বাবা-মা। যদিও তার কৃতকর্মে তাঁরা যারপরনাই ক্ষুব্ধ, তবু কেবলমাত্র সন্তানস্নেহের খাতিরেই তাঁরা নিজেদের বংশগরিমা ও নাকউঁচু মনোভাবকে কিছুদিনের জন্য দূরে সরিয়ে রেখেছেন। গ্রামে তাঁরা অত্যন্ত ধার্মিক ও সৎ বলে পরিচিত। তাঁদের মতো উচ্চনীতিবোধসম্পন্ন ঘরে ইলানরের মতো অশৈলী কীর্তি কেউ করতে পারে, তা মিসেস কোওয়েল কল্পনা করতে পারতেন না, যদি না তাঁর কন্যা হয়ে ইলানর এ কাজ করে ফেলত। মিস্টার কোওয়েল, ইলানরের পিতা, ঘটনাটা শুনে অবধি যে মৌনতা নিয়েছেন, খুব প্রয়োজন না হলে কথা বলছেন না। ইলানর জানে সে অন্যায় করেছে। কিন্তু প্রেমের কি কোনও সীমানা হয়? কাউবয় হেনরির সঙ্গে তার দেখা হওয়াটাই যেন কাল ছিল। হেনরি একটা চালচুলোহীন ছেলে। পাশের গ্রামের মিঃ মার্কসের ভেড়াগুলোকে নিয়ে মাঠে আসত। ইলানর জানত, হেনরি তার যোগ্য নয়। সেই বা কেন বিয়ে করতে চেয়েছিল হেনরিকে? কী করে সে যৌবনের টান অগ্রাহ্য করে? মাঠের এক ঝোপের আড়ালে দিনের পর দিন চলল তাদের অভিসার। মাসতিনেক পর ইলানর টের পেল শরীরের পরিবর্তন। সে কথা জানার কয়েকদিনের মধ্যেই হেনরি পালাল। বাধ্য হয়ে সে তার মা-কে জানাল সব। মায়ের প্রথম প্রতিক্রিয়া ছিল, টেনে তার মুখে এক চড়, তারপর প্যারানয়েডের মতো থরথর করে কাঁপতে কাঁপতে হাউমাউ কান্না। এগুলো সবই ইলানর জানত। অবশেষে বাবা সিদ্ধান্ত নিলেন যে এই গর্ভ রাখা যাবে না। ততদিনে তার গর্ভাবস্থার পাঁচমাস অতিক্রান্ত। বাবার চেনাশোনা ডঃ ম্যাক্সওয়েল দেখে বললেন, এখন গর্ভপাত করালে ইলানরের জীবনসংশয় হতে পারে। এরপরই নিউহোপে আসার সিদ্ধান্ত।

    বাবা চেয়েছিলেন, বাচ্চাটার একটা ব্যবস্থা নিউহোপের কর্ণধার সিস্টার এলিজাবেথই করে দিন। কোনও অরফ্যানেজ কিংবা কোনও ফসটার হোমে বাচ্চাটার গতি করে দিয়ে ঝামেলা ঝেড়ে ফেলতে পারলে শান্তি পেত পুরো পরিবার। কিন্তু তা হল না। সিস্টার এলিজাবেথ বরং মিঃ কোওয়েল কেই বুঝিয়ে দিলেন, কেন ঈশ্বরের দান শিশুটির দায়িত্ব তাঁদেরই নেওয়া উচিৎ। মায়ের থেকে সন্তানকে পৃথক করার পাপ করতে অস্বীকার করলেন সিস্টার। অগত্যা ইলানরের বাবা-মা ঠিক করলেন তাঁরাই শিশুটিকে দত্তক নেবেন এবং পৃথিবীর কাছে শিশুটির পরিচিতি হবে তাঁদের দত্তক সন্তান হিসেবে। তাঁদের আর পাঁচটা সমাজকল্যাণমূলক কাজের একটা হয়েই থেকে যাবে সে। শিশুটি তাঁদের চিনবে পিতা মাতা হিসেবে আর ইলানর সহ তাঁদের অন্যান্য সন্তানেরা তার কাছে পরিচিত হবে দাদা-দিদি বলে। সিস্টার এলিজাবেথ ছাড়া এ জগতের আর কেউ এ শিশুর আসল পরিচয় জানবে না। এই শর্ত পূরণ করার মাশুল হিসেবে সিস্টার এলিজাবেথের নিউহোপ হোম মিঃ কোওয়েলের দরাজ মনের নিদর্শন হিসেবে তখনকার দিনের হিসেবে বিরাট অঙ্কের ডোনেশন লাভ করল।

     

     

    ১৯৫১ সাল, টাকোমা, ওয়াশিংটন

    টেডির জন্মের কয়েকবছরের মধ্যেই ইলানর ওয়াশিংটনে চলে আসে। ওর জন্মটা কিছুতেই মেনে নিতে পারেননি মিঃ কোওয়েল। চোখের সামনে সেই অনাকাঙ্খিত শিশুর বেড়ে ওঠা তাঁর মনে এক অদম্য বিতৃষ্ণার বীজ বপন করছিল। তাঁদের পারিবারিক সম্পর্কের টানাপোড়েনে একসময় মনে হচ্ছিল, পরিবারটাই হয়তো ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যাবে। এরপরই ইলানর সিদ্ধান্ত নেয় টেডিকে নিয়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার। ওয়াশিংটনে এসে নিজের ও টেডির জীবন চালানো খুব সহজ ছিল না, যদি না সামান্য বারের ওয়েট্রেসের চাকরিটা জোটাতে পারত ইলানর। একটা মাথা গোঁজার ঠাঁই আর দুমুঠো খাবার— এই জোটাতে হিমশিম খেয়ে যাওয়া ইলানর খুব তাড়াতাড়ি লেগে পড়ল একজন স্বামী জোগাড়ের চেষ্টায়। খুব সময় লাগল না। জনাথন ব্রড ছিল তাদের বারের সিঙ্গার। একজন মহিলা সিঙ্গারের সঙ্গে প্রতি সন্ধেয় মাখোমাখো প্রেমের গান করতে বাধ্য হত জনাথন। অতিথিদের পানীয় সরবরাহের পাশাপাশি তাদের নানাবিধ বায়নাক্কা সামলাতে সামলাতে ইলানর আর জনাথন দু’জনেই অনুভব করত একে অপরের সঙ্গলাভের আকাঙ্খা। সামান্য চাকরি, সামান্য মাইনে দু’জনেরই। কিন্তু ইলানরের তখন বেশি প্রয়োজন একজন মনের মতো সঙ্গীর। জনাথন সেই জায়গাটা ভালোভাবেই পূরণ করতে পেরেছিল। কিন্তু মাত্রই কিছুদিনের জন্য। জনাথনের অতিরিক্ত পানদোষ ও ইলানরের গায়ে হাত তোলার প্রবণতা তাকে শীঘ্রই স্বামী হিসেবে অতি নিম্নমানের বলে প্রমাণ করল। যাই হোক না কেন, যেহেতু এ গল্প ইলানরের নয়, জনাথনের নয়, এ গল্প টেডির, থিওডর ব্রড এর, তাই তার বাবা মাকে তাদের নিয়তির হাতে ছেড়ে দিয়ে আমাদের এগোতে হবে।

     

     

    ১৯৫৩ সাল, ওয়াশিংটন

    অনেক ছোটবেলা থেকেই টেডির মধ্যে কিছু অচিরাচরিত কৌতূহল দেখা গিয়েছিল। এমন কিছু, যা সাধারণভাবে মানুষ ঘৃণা বা ভয় করে। আট বছর বয়সে টেডিকে একটি সুন্দর পাখি কিনে দিয়েছিল ইলানর। সে ভেবেছিল, দিনের অনেকটা সময় একা থাকে টেডি, এই পাখিটা ওর একাকীত্বের সঙ্গী হবে। টেডি পাখিটা পেয়ে খুব খুশি হয়েছিল। সারাদিন পাখির সঙ্গে খেলা করত। একদিন কাজ থেকে বাড়ি ফিরে ইলানর খেয়াল করে পাখিটি খাঁচাতে নেই। টেডিকে প্রশ্ন করে যথাযথ উত্তর পায় না ইলানর। কিন্তু ঘরের কাজ করতে করতে নজরে পড়ে খুব সূক্ষ্ম রক্তের ছোপ লেগে রয়েছে ঘরের কোথাও কোথাও। ছাপ অনুসরণ করে কয়েক পা এগিয়ে স্টোররুমের দিকে যেতেই গা শিউরে ওঠে টেডির মায়ের। পাখিটির প্রাণহীন দেহ পড়ে রয়েছে স্টোররুমের নর্দমার গর্তে অর্ধেক গোঁজা অবস্থায়। সেখান থেকে টেনে বের করে বোঝা গেল, জ্যান্ত অবস্থায় কেউ পাখিটির ঘাড় মুচড়ে দিয়েছে উলটোদিকে। পাখির দুটি পা কাটা, সেগুলির কোনও সন্ধান পাওয়া গেল না। চোখদুটি কোটর থেকে বেরিয়ে ঝুলছে। ইলানর জানে না, চোখদুটোকে টেনে তাদের স্বস্থান থেকে বের করে আনা হয়েছিল, না কি ঘাড়ে আচমকা মোচড়ের অভিঘাতে সেগুলো প্রচণ্ড যন্ত্রণায় ঠিকরে বেরিয়ে এসেছিল। শুধু তার মায়ের মন কেন যেন বড্ড কু গাইতে শুরু করল। পাখিটার দেহের সৎকার্য করে ফিরে এতক্ষণ একা একা থাকা মাত্র আট বছরের টেডির ধারে কাছেও ফিরল না ইলানর। পিছন ফিরে খেলায় মগ্ন ছেলের পাশ কাটিয়ে ঢুকে পড়ল বেডরুমে। সেই সময় সে যদি ভালো করে লক্ষ্য করত, তবে দেখতে পেত টেডির হাতে আবছা হয়ে আসা রক্তের চিহ্ন ও মুখে ফুটে ওঠা পৈশাচিক হাসি, যা আর যাই হোক, আট বছরের ছেলের উপযুক্ত নয়।

     

     

    সেদিনই বোধহয় টেডির ভবিষ্যৎ স্থির হয়ে গিয়েছিল। এই দিন থেকে মাত্র ছত্রিশ বছরের মাথায় ফ্লোরিডার স্টেট প্রিজনে ইলেকট্রিক চেয়ারে যে তাকে অনিচ্ছাপূর্ণ মৃত্যুবরণ করতে হবে, তা কি ইলানর কল্পনাও করতে পেরেছিল? তবে ইলানর চেয়েছিল তার ছেলে আর পাঁচটা শিশুর মতোই সুস্থ স্বাভাবিক হোক। জনাথনের মতের বিরুদ্ধে নিজের সামান্য পুঁজি দিয়ে সে টেডিকে ভর্তি করেছিল নামী স্কুলে। কিন্তু খুঁত বোধহয় টেডির রক্তেই ছিল। কমবয়সের একটা ভুলের মাশুল যে ইলানরকে সারাজীবন ধরে দিতে হবে, এ কথা সে কল্পনাও করেনি। ইলানরের প্রথম যৌবনের প্রেমিক হেনরির বংশপরিচয় জানার কোনও চেষ্টা তখন সে করেনি। যদি সম্ভব হত, তবে আজ ইলানর জানতে চাইত। সে কার সন্তান ছিল, কোন পরিবেশে তার বেড়ে ওঠা, এসব জানতে পারলে হয়তো টেডির অস্বাভাবিকতার হদিশ পাওয়া যেত। কিন্তু আজ আর তা সম্ভব নয়। জনাথন যতই অমানুষ হোক, সে টেডির দায়িত্ব নিয়েছে, নিজের নাম দিয়েছে। স্কুলে টেডি ব্ৰড নামেই পরিচিত; থিওডর ব্রড, বাবার নাম জনাথন ব্রড। এর জন্যই ইলানর পড়ে পড়ে ওর মার খেত।

    ১৯৬০ সাল, ওয়াশিংটন

     

     

    টেডি বড় হতে হতে আরও বেশ কিছু ঘটনা ঘটে গেল। ইলানরের বাড়ির পিছনের বাগানে মাঝে মাঝেই প্রথম প্রথম ছোটখাটো প্রাণী যেমন, খরগোশ, গিনিপিগ, ইঁদুর, বেড়ালের এবং পরে বড় প্রাণী, যেমন কুকুর, ভেড়া বা গরুর ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ পাওয়া যেতে লাগল। ইলানরের কাজই ছিল অন্ধকার থাকতে উঠে পিছনের বাগান পরিষ্কার করা। রাতে শুয়ে অনিদ্র ইলানর শুনতে পেত লেপার্ডের মতো হালকা অথচ ক্ষিপ্ৰ পদক্ষেপে চলাফেরার শব্দ। বাগানের শুকনো পাতার ভেঙে গুঁড়িয়ে যাওয়া, অসহায় জীবগুলোর যন্ত্রণাময় মরণচিৎকার ও শেষপর্যন্ত বাগান থেকে পায়ের আওয়াজের গৃহে প্রত্যাবর্তন। ইলানর এরপর সামান্য দু-একঘণ্টার জন্য হয়তো চোখ বুজত। ঘুমের মধ্যে কোনও মনুষ্যবেশী দানব হানা দিত কিনা জানি না, কিন্তু প্রবল ঠান্ডার দিনেও ঘামে ভিজে তার দু’ঘণ্টার ঘুমের অবসান হত। বাগান থেকে জীবজন্তুগুলোর শেষ চিহ্নগুলো দূর করতে করতে সে হয়তো মনে করত তার কতদিন আগে ছেড়ে আসা বাবা মায়ের কথা, একসময়ের প্রেমের মানুষ হেনরির কথা, আস্তে আস্তে দানবে রূপান্তরিত হতে-থাকা পুত্রের কথা, হয়তো বা নিজের ‘হয়তো-হতে-পারত’ জীবনের কথাও।

    অন্যদিকে টেডি তার মায়ের প্রশ্রয়ে এগিয়ে চলছিল তার অনিশ্চিত ও সম্পূর্ণ অন্ধকার এক ভবিষ্যতের দিকে। ঠিক এই সময়েই যদি ইলানর তাকে তুলে দিত কোনও মানসিক চিকিৎসকের হাতে, তাহলে হয়তো টেডির পরিণতি এত মর্মান্তিক হত না। ইলেকট্রিক চেয়ারে তার মৃত্যুর পর জেলের বাইরে জনসাধারণ আনন্দ উৎসবে মেতে উঠত না, বাজি ফাটিয়ে মাতোয়ারা হয়ে উঠত না।

     

     

    টেডি পড়াশোনায় ভালো ছিল, শান্ত ও বিবেচক স্বভাবের হওয়ায় স্কুলে সে শিক্ষক ও সহপাঠীদের প্রিয় পাত্র ছিল। স্কুল পেরিয়ে কলেজে ওঠার আগেই একদিন রাতে ইলানরের আধো ঘুমের মধ্যে অভ্যস্ত শব্দগুলোর কিছু ব্যত্যয় ঘটেছে বলে মনে হল। একজনের বদলে দুজনের পায়ের শব্দ ও পিছনের বাগানের জন্তুটা যেন একটু বেশিই বড়মাপের বলে মনে হয়েছিল তার। পরদিন ভোরে অবশ্য কোনও জন্তুর দেহ সে পায়নি। পেয়েছিল বাগানের গাছে জল দেওয়ার জন্য কাটা অগভীর পরিখার জলে উপুড় হয়ে পড়ে থাকা জনাথনের আধডোবা দেহটা। এই দেহটা সরিয়ে ফেলার ঝুঁকি অবশ্য নেয়নি ইলানর। মদ্যপ জনাথনকে আশেপাশের সবাই চিনত। তাই

    নেশাড়ু অবস্থায় জলে পড়ে সে মারা গেছে, এই তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা করতে বিশেষ বেগ পেতে হল না। কিন্তু নিজের মনেই এতদিনে একটু চিন্তা হতে শুরু করল ইলানরের। তবে কি যে ছেলে এতকাল পশুর রক্তে হাত রাঙিয়ে তৃপ্ত ছিল, এবার কি তার নররক্তের তৃষ্ণা শুরু হল? এভাবে কি আর বেশিদিন ছেলেটাকে বাঁচাতে পারবে সে?

    ১৯৬৬ সাল, ওয়াশিংটন

     

     

    ইলানরকে এরপর খুব বেশিদিন এসব সইতে হয়নি। টেডি কলেজে পড়তে পড়তেই মাত্র তেতাল্লিশ বছর বয়সে ইলানর মারা যায়। মাকে বোধহয় ভালোই বাসত টেডি। পরম যত্নে তার মৃতদেহ সমাধিস্থ করেছিল সে। এইসময়েই টেডির জীবনে আসে স্তেফানি। উচ্চবিত্ত পিতার একমাত্র সন্তান, লম্বা কালো চুলের অধিকারিণী স্তেফানির মধ্যে সেই সবই ছিল, যা যা টেডি কামনা করত। ব্যাগ-ভরতি টাকা, ক্ষমতা, প্রতিপত্তি, সৌন্দর্য— টেডি নিজেকে হারিয়ে ফেলল। জানি না স্তেফানির সঙ্গ টেডিকে তার জন্মসূত্রে প্রাপ্ত দানবীয় প্রবৃত্তি সাময়িক ভুলিয়ে দিতে পেরেছিল কিনা! তবে স্তেফানির কাছে টেডি তার বহু চাটুকারদের একজন হয়েই থেকে গিয়েছিল। তাই টেডির কাছে তাদের সম্পর্কের মূল্য থাকলেও স্তেফানির কাছে সবটাই ছিল দু’দিনের ফুর্তি।

    কিছুদিনের মধ্যেই টেডিকে ছুঁড়ে ফেলে সে অন্য সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ল। এই সময়ের আশেপাশেই কলেজের পাঠ চুকিয়ে বৃহত্তর জীবনের জন্য তৈরি হচ্ছিল টেডির অধিকাংশ সহপাঠী। কিন্তু স্তেফানির অবহেলা, তাচ্ছিল্য টেডির মধ্যে জন্ম দিচ্ছিল এক বিজাতীয় প্রবণতা। জন্মগতভাবে অমানুষোচিত প্রবণতাবিশিষ্ট টেডির জীবনের পরবর্তী কিছু বছর কেটে যাবে সিরিয়াল কিলিং, রেপ ও নেক্রোফিলিয়ার মতো ঘৃণ্য অপরাধের পুনরাবৃত্তিতে। অফিসিয়ালি ৩৬টি ও আনঅফিসিয়ালি প্রায় ১০০টি মেয়েকে অপহরণ, নৃশংসভাবে হত্যা এবং মৃত্যুর আগে বা পরে কয়েকজনের সঙ্গে শারীরিকভাবে ঘনিষ্ঠ হওয়ার দায় বর্তেছিল টেডির কাঁধে। জানা যায়, এই হতভাগ্য মেয়েদের প্রত্যেকেই ছিল স্তেফানির মতো লম্বা কালো চুলের অধিকারিণী! জন্মগত মেন্টাল ডিসঅর্ডার নিয়ে বড় হলেও টেডির প্রেমিক-সত্তাকে কিন্তু মোটেই অস্বীকার করা যায় না। সারা জীবন ধরে শিকারের মধ্যে বিশ্বাসঘাতিনী প্রেমিকাকে খুঁজেছে টেডি। তাকে ভালোবেসেছে, শাস্তি দিয়েছে, নিজের মেল ইগো চরিতার্থ করেছে।

     

     

    প্রকৃতির মধ্যে যেসব ঘটনাবলী মানুষকে সবচেয়ে বেশি অবাক করে, তা হল প্রকৃতির নিজেকে ছাপিয়ে যাওয়ার প্রবণতা, নিজের গড়ে তোলা নিয়ম ভেঙে, আবার নতুন নিয়ম গড়ে তোলা। এইজন্যেই মানুষ একদিকে পশুকে পোষ মানায়, ভালোবাসে, অন্যদিকে পশুমাংসে উদরপূর্তি করে। যে উদ্ভিদ দিনের আলোয় অক্সিজেনের উৎস, প্রাণের রক্ষক, সেই রাতের বেলা বিষবাষ্পের সরবরাহকারী। নিয়মকে ব্যতিক্রম প্রমাণিত করে ব্যতিক্রমকে নিয়ম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে প্রকৃতি। তা না হলে, যোগ্যতমের উদ্বর্তনের পৃথিবীতে কীভাবে জন্ম হল টেডির মতো অ-মানুষ, যে কিনা শিকার করত প্রয়োজনে নয়, কেবল সহজাত প্রবৃত্তির তাড়নায়। কেবল শিকার করাই নয়, জীবন্ত অবস্থায় শিকারকে প্রবল কষ্ট দিয়ে, অত্যাচার করে যেন যৌনতৃপ্তি অনুভব করত সে। টেডির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার প্রায় ত্রিশ বছর পরে আজও সে অপরাধবিজ্ঞানের গবেষণার বস্তু।

    অনেকে বলেন, ইলানরের পিতা স্যামুয়েল কোওয়েল ধার্মিকতার মুখোশের আড়ালে ছিলেন যৌনতার পূজারী। তাঁর কাছে ছিল পর্ণগ্রাফির এক বিরাট সম্ভার। এমনকি কেউ কেউ তাঁর বিরুদ্ধে শিশুদের প্রতি শারীরিক আকর্ষণ বা পিডোফিলিয়ার অভিযোগও করে থাকেন। তাঁর লালসার শিকারদের মধ্যে একজন হয়তো টেডিও। ইলানরের তার পিতা-মাতাকে ছেড়ে যাওয়ার কারণও হতে পারে এটাই। আরও এক পা এগিয়ে কেউ কেউ ইলানরের সন্তানের পিতৃত্বের দায়ও তাঁর উপরেই ন্যস্ত করতে চান। যদিও এইসব কিছু কেবল অভিযোগ হয়েই থেকে গেছে। কোনও প্রমাণ এর স্বপক্ষে মেলেনি। তবে যা রটে, তার কিছুটা বটে, এই তত্ত্বে বিশ্বাসী হলে মাতামহের চারিত্রিক আখ্যান থেকে টেডির আচরণগত ত্রুটির কিছু হদিশ পাওয়া যায় বৈকি। আপাতত সত্যি মিথ্যের দ্বন্দ্বকে সরিয়ে রেখে আমরা গল্পে ফিরি।

     

     

    ১৯৭০ সাল, সিয়াটেল

    একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার আত্মহত্যা-নিবারণ সংক্রান্ত কাজে যোগ দিল থিওডর ওরফে টেডি ব্রড। তার কাজ ছিল হটলাইনে আত্মহত্যাপ্রবণ মানুষের দুঃখের কথা শুনে তাদের আত্মহত্যার পথ থেকে সরিয়ে আলোর দিশা দেখানো। অল্প কিছুদিনের মধ্যে টেলিকলার ও কাউন্সেলার হিসেবে টেডি অত্যন্ত সাফল্যলাভ করল। তার মিষ্ট কণ্ঠস্বর ও যুক্তিপূর্ণ বাক্য বহু মানুষকে নিশ্চিত মৃত্যুর কবল থেকে ফিরিয়ে এনেছিল। অনুমান করা যায়, এই সময়ে হয়তো টেডি তার জীবনের অভিশাপ থেকে মুক্তির পথ খুঁজছিল। তা নাহলে যে টেডি ভবিষ্যতে সাক্ষাৎ মৃত্যুদূতে পরিণত হবে, সে কীভাবে কিছু মানুষের কাছে দেবদূতের ভূমিকায় অবতীর্ণ হল? তবে টেডির জীবনে এই উত্তরণের সময়কাল বড়ই স্বল্প। খুব তাড়াতাড়িই সে নিজের স্যাডিস্ট পারসন্যালিটির কাছে পরাজয় স্বীকার করে।

    ১৯৭৩ সাল, আমেরিকার বিভিন্ন রাজ্য

    এরপরে যে টেডিকে দুনিয়া দেখল, সে একটা পচে গলে যাওয়া মানসিকতার মানুষ। সে তার অন্তত বারোজন ভিকটিমের ক্ষেত্রে অমানুষিক অত্যাচারের পর হত্যা করে তাদের দেহ পচন ধরার অপেক্ষায় নিজের ঘরে লুকিয়ে রাখে এবং পচন ধরার পর দেহগুলির সঙ্গে বিকৃত যৌনক্রীড়ায় মেতে ওঠে। পরে দেহগুলিকে শহরের বিভিন্ন স্থানে ফেলে দিলেও তাদের কর্তিত মুণ্ডগুলিকে নিজের কৃতকর্মের নিদর্শন অর্থাৎ ট্রফি হিসেবে নিজের ঘরের ফ্রিজারে রেখে দেয় বহুদিন।

     

     

    ১৯৭৭ সাল, ফোরিডা

    পরবর্তীকালে টেডি যখন পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়, তখন পুলিশের তাবড় অফিসারেরা তার কীর্তি দেখে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলেন। যদিও টেডি তার বিরুদ্ধে ট্রায়াল চলার প্রথম কিছু বছর নিজের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগই স্বীকার করেনি। একাধিকবার কোর্টরুম থেকে ও পুলিশি হেপাজত থেকে সে পালিয়েছে। বাইরে এসেই পুনরায় সে কোনও না কোনও অসহায় মেয়েকে খুন করেছে। সাধারণত অসুস্থতার ভান করে ও নিজের সুদর্শন চেহারার সুযোগ নিয়ে সে মেয়েদের নিজের দিকে আকৃষ্ট করত। মেয়েরা তাকে সাহায্য করার জন্য তার গাড়িতে উঠলেই পরিস্থিতির রাশ নিয়ে নিত সে নিজের হাতে। পুলিশ তাকে বারবার পাগলা কুকুরের মতো খুঁজে বের করত। কিন্তু দোষ স্বীকার না-করায় এবং তার বিরুদ্ধে পুলিশের প্রমাণ যথেষ্ট বলে প্রতিপন্ন না-হওয়ায় পুলিশ একটু সমস্যায় পড়েছিল।

    ১৯৮০ সাল, ফোরিডা

    এইসময় টেডির নিস্পাপ চেহারা ও প্রেমিকসুলভ আবেদনের মায়ায় ভুলে আমেরিকা জুড়ে তার বেশ কিছু মহিলা অনুরাগী তৈরি হল, যারা বিশ্বাস করত টেডি নির্দোষ। এমনকি তারা টেডিকে বিয়ে করে সংসার পাততেও রাজী ছিল। এদের মধ্যেই একজন, ক্যারলের সঙ্গে টেডির পরিচয় ও প্রেম এইসময়ই। ক্যারল বিশ্বাস করত টেডি নির্দোষ। পূর্বে একবার বিবাহিত ও দুই সন্তানের মা ক্যারলকে বিয়ে করে টেডি। ১৯৮২তে এই যুগলের একটি কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। স্তেফানির সঙ্গে প্রেম ভেঙে যাওয়ার পর থেকে যে টেডির সঙ্গে মেয়েদের সম্পর্কের ভিত্তি ছিল কেবলই বিকৃতি, সেই টেডি তার খুনি সত্তার চরম দিনগুলিতে কীকরে একটি মেয়ের সঙ্গে স্বাভাবিক দাম্পত্য যাপন করল, তা বোধহয় জটিল থেকে জটিলতম মনস্তত্ত্বের বিষয় বলে বিবেচিত হতে পারে।

     

     

    ১৯৮৫ সাল, ফোরিডা

    টেডির বিরুদ্ধে ক্যারল নামের একটি মেয়ের (টেডির স্ত্রী নয়) আনা অভিযোগ ফ্লোরিডা পুলিশের হাতে টেডির বিরুদ্ধে শক্তপোক্ত প্রমাণ হিসেবে সঞ্চিত হয়। ক্যারল ছিল সেই কয়েকজনের একজন, যারা টেডির শিকার হয়েও সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে গিয়েছিল। ক্যারলের সাক্ষ্য টেডির কাছে চরম বলে প্রমাণিত হয়েছিল। টেডির অপরাধী প্রমাণের পর পরই তার স্ত্রী ক্যারল তাকে ত্যাগ করে। ইউনাইটেড স্টেটস সুপ্রিম কোর্ট চারটি আলাদা আলাদা কেসে টেডিকে তিনটি পৃথক মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে। অবশেষে ১৯৮৯ সালের ২৪ শে জানুয়ারী ফ্লোরিডা স্টেট প্রিজনে তাকে সরকারিভাবে হত্যা করা হয়। এই সময় টেডির হাতে মৃত্যুবরণ করতে বাধ্য হয়েছিল যে হতভাগ্য মেয়েরা, তাদের আত্মীয় পরিজন ও বন্ধুবান্ধবরা বাজি ফাটিয়ে আনন্দে মেতে উঠেছিল জেলের বাইরে।

    টেডির মতো সিরিয়াল কিলার মানুষের ইতিহাসে আরও অনেক এসেছে। তাদের সবারই মানসিক বৈকল্যের বীজ লুকিয়ে ছিল হয় রক্তে, নয়ত বেড়ে ওঠার পরিবেশে। বলা হয়, প্রকৃতি তথা ঈশ্বর নিজের কোনও ত্রুটিপূর্ণ সৃষ্টি পছন্দ করেন না। এই কারণে অধিকাংশ ত্রুটিপূর্ণ ভ্রূণ মাতৃগর্ভেই নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু টেডির মতো অমানুষ সৃষ্টি করেও তার মনে বিশেষ কারও প্রতি স্বাভাবিক মানুষের মতো ভালোবাসা ভরে দেন কোন উদ্দেশ্যে? হয়তো নিজের সৃষ্টিকেই কখনো কখনো যাচাই করে দেখতে সাধ হয় সৃষ্টিকর্তার। তাই টেডির মতো সৃষ্টিছাড়াদের জন্ম হয়। কিন্তু তাদের পাপের বোঝা বইতে রাজি নন ঈশ্বরও। সেইজন্যই বোধহয় মৃত্যুর পরও টেডির নাম সাধারণ মানুষের শিরদাঁড়া কাঁপিয়ে দেয়, অপরাধবিজ্ঞান ও মনস্তত্ত্বের বিষয়বস্তু হয়ে আজও ঘৃণা কুড়োতে হয়, তার নিজের কন্যাও পরিচয় লুকোতে নাম পদবী বদলে আত্মগোপন করতে বাধ্য হয়। সময় ও প্রকৃতির দরবারে কোনও অপরাধেরই ক্ষমা নেই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅনির্বাণ অমিতাভ – বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article কাদম্বরী – বানভট্ট
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }