Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নরকের দ্বার খোলা ২ – বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী

    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী এক পাতা গল্প277 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পিপাসা

    সক্কাল সক্কাল একচোট ঝগড়া হয়ে গেল সুনন্দিনীর সঙ্গে। দিনদিন বড্ড ঘ্যানঘ্যানে হয়ে উঠছে মেয়েটা। মাত্র মাস চারেক হল বিয়ে হয়েছে আমাদের। তাও সম্বন্ধ করে। এরই মধ্যে ও নাকি আমার মধ্যে পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছে। আমি নাকি ওকে আর ভালোবাসি না। তাই ক’দিন পর পরই ওকে ছেড়ে এখানে সেখানে চলে যাই। আরে বাবা, কে বোঝাবে যে, আমি বরাবরই খুব ডানপিটে। অ্যাডভেঞ্চার আমার রক্তে নেশা ধরিয়ে দেয়। বিশেষ করে রহস্যের গন্ধ পেলে আমার কোনও দিকেই নজর থাকে না আর। এই তো, কয়েকদিন আগেই হিমাচলের এক প্রত্যন্ত গ্রামে একের পর এক মানুষের রক্তশূন্য দেহ পাওয়া যাচ্ছে, এই খবরটা খবরের কাগজে পড়া মাত্রই ব্যাকপ্যাক গুছিয়ে বেরিয়ে পড়েছিলাম। এসব কাজে আমি একা যেতেই পছন্দ করি। সঙ্গে কাউকে নেওয়া মানেই হেডেক। তবে এবার নিয়েছিলাম। সদ্য বিয়ে করা বউকে একা ছেড়ে যেতে মন চাইছিল না। তাছাড়া হিমাচল-এর ছবির মতো গ্রামে মধুচন্দ্রিমা যাপনের এই সুযোগ ছাড়তে ইচ্ছে করছিল না। ওখান থেকে ফেরার পর থেকে অবশ্য প্রায়ই বেড়িয়ে পড়ি নিজের তাড়নায়। তবে সুনন্দিনীকে হিমাচলে যাওয়ার আসল কারণটা বলিনি। যা ভীতু মেয়ে! নিজে তো যাবেই না, চেঁচামেচি করে আমাকেও আটকে দিত।

    এর আগেও এরকম বেশ কিছু অভিজ্ঞতা আছে আমার ঝুলিতে। পরে কখনো সুযোগ পেলে বলব। সুযোগ পেলে! যাই হোক, হিমাচলের এই গ্রাম আমার জীবন পালটে দিয়েছে। তাই এই গল্পটা আমাকে বলতেই হবে। ওখানে গিয়ে শুনেছিলাম এক অদ্ভুত গল্প। গ্রাম থেকে ২ কিলোমিটার মতো দক্ষিণে গেলে একটা বিরাট বড় পাহাড়ি তালাব বা পুকুর। টলটলে কাকচক্ষু জল এতই ঠান্ডা, যেন মানুষের শরীরে ছুরি চালায়। তালাবের ওপারে পাহাড়। তালাব আর পাহাড়ের মধ্যিখানে কিছুটা জায়গা যেন নো ম্যানস ল্যান্ড। গ্রামবাসীরা পারতপক্ষে ওই তালাবের ধারে পাশে যায় না, ওপারে তো কথাই নেই। আমি গ্রামে পৌঁছে খোঁজ খবর করা শুরু করলাম।

    কিন্তু যাকেই জিজ্ঞেস করি, রক্তশূন্য লাশের রহস্য তারা কিছু জানে কি না? ফ্যাকাশে মুখ আর চোখে স্পষ্ট আতঙ্কের ছায়া নিয়ে পত্রপাঠ কেটে পড়ত। শেষপর্যন্ত আমরা যার বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলাম দিনে মাত্র ৪০০ টাকার বিনিময়ে, সেই বৃদ্ধা জানিয়েছিলেন এমন এক কাহিনি, যা পাহাড়ী গ্রাম্য লোককথা হিসেবে যতই আকর্ষনীয় লাগুক, একবিংশ শতকে দাঁড়িয়ে বিশ্বাস করা অতীব কঠিন। এখানে একটু বলে নিই, বৃদ্ধার কাছে যখন এসব গল্প শুনছিলাম, সুনন্দিনী তখন স্নানে গিয়েছিল। বলতে পারেন, সেই সুযোগটাই নিয়েছিলাম আমি। এবার আসি সেই গল্পে।

    বহুকাল আগে এই গ্রামে বাস করতো এক অবস্থাপন্ন চাষীর পরিবার। চাষীর একমাত্র ছেলে বছর পনেরো বয়সে হঠাৎই উধাও হয়ে যায়। যথাসাধ্য খোঁজখবর করেও তার কোনও হদিশ পান না চাষী। একসময়ে হাল ছেড়ে দেন তিনি। সেই সময় পাহাড়ের এক নির্জন উপত্যকায় তাঁবু ফেলেছিল একদল যাযাবর উপজাতি। গ্রামের মানুষ তাদের এড়িয়ে চলত, ভয় পেত। তারা নানা রকম তন্ত্র মন্ত্র জানতো। মানুষের ভালো করার চেয়ে খারাপই করতো বেশি। এমনকি অনেকে বলতো, ওদের পোষা অপদেবতা আছে। রাত-বিরেতে উপত্যকা থেকে বয়ে-আসা ঠান্ডা হাওয়া নিজের সঙ্গে বয়ে আনতো অস্বাভাবিক আর হাড় হিম করে দেওয়া কিছু বিকট শব্দ। সেগুলো যে কীসের শব্দ, তা কেউ জানতো না। যেন এক বিশাল দানব হঠাৎ জেগে উঠে নিজের বন্দিত্ব ঘোচানোর প্রবল প্রচেষ্টায় উন্মত্ত ক্রোধে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। চাষীর ছেলে পদম যেদিন উধাও হল, সেদিন রাতারাতি এই যাযাবরের দল তাদের তাঁবু গুটিয়ে কোথায় চলে গেল কেউ জানে না। পদম নিরুদ্দেশ হওয়ার পর কেউ কেউ বলতে লাগল, “তারা পদমকে প্রায়ই সন্ধ্যার আলো আঁধারে ওদের তাঁবুতে যেতে দেখেছে। কাজেই গ্রামের লোকের ধারণা হল ছেলেটি ওদের সঙ্গেই চলে গেছে।”

     

     

    জলের বুদ্বুদের মতোই একদিন পদমের কথাও মিলিয়ে গেল গ্রামবাসীর মন থেকে। চাষী আর চাষী বউ শুধু বুকে একটা শূন্যস্থান নিয়ে দিন যাপন করতে লাগলেন। এরপর কেটে যায় প্রায় বারো বছর। চাষী বউ মারা গেলেন। সেদিনই, যেমন গিয়েছিল তেমনি ধূমকেতুর মতো আবির্ভূত হল পদম। হিমাচলিরা এমনিতেই সুন্দর; কিন্তু পদমের দিক থেকে যেন চোখ ফেরানো যাচ্ছে না। এক জ্যোতির্বলয় যেন ঘিরে রয়েছে তাকে। টকটকে ফর্সা গালদুটো আপেলের মতো লাল। চাষী বুঝতে পারলো না কী করবে। বউ এর মরার শোক, না ছেলেকে ফিরে পাওয়ার আনন্দ। বৃদ্ধার মৃত্যুশোক ছাপিয়ে উচ্ছ্বাসে মেতে উঠল গ্রামের লোক। শুধু একজন বাদে।

    শুধু একজন দূর থেকে লক্ষ্য করছিল সবকিছু। তার বলিরেখা পড়া কপাল আরও কুঁচকে রয়েছে কোনও এক অজানা আশঙ্কায়। গাঁওবুড়ো কাঁসিরাম। সব সমস্যার সমাধান ছিল এই লোকটির কাছে। জড়িবুটি চিকিৎসা থেকে শুরু করে ঝাড়ফুঁক, তাবিজ-কবচ সব কিছুতেই গ্রামবাসী এরই শরণাপন্ন হতো। কাজ হতো কিনা জানি না, তবে বিশ্বাসেই বোধহয় বেশিরভাগ সুরাহা হতো।

    যাই হোক না কেন, ঠিক দু’দিন পর থেকেই গ্রামে দেখা দিল এক আতঙ্ক। কয়েকদিনের ব্যবধানে গ্রাম থেকে উধাও হয়ে যেতে থাকলো এক একটি তরতাজা মানুষ। উধাও হওয়ার দু-একদিন পর সেই নো ম্যানস ল্যান্ডে মিলত তার দেহ। রক্তশূন্য, ফ্যাকাশে। যেন সারা শরীরের রক্ত কেউ নিংড়ে বের করে নিয়েছে। ক্ষত বলতে ঠিক বুকের ওপর একটা গর্ত। কেউ বা কিছুতে যেন খুবলে বের করে নিয়েছে তার হৃদপিণ্ড আর সেই পথেই বয়ে গেছে তার শরীরের রক্ত, যদিও দেহের আশেপাশে কোথাও কোনও রক্তের ফোঁটা পর্যন্ত নেই। এইরকম ভয়াবহ মৃত্যুর মিছিল যতই বাড়তে লাগল, ততই গ্রামের সহজ সরল মানুষগুলো প্রতিকারের আশায় ভিড় জমাতে লাগল কাঁসিরামের কুটিরে। সন্দেহ তো তার আগেই হয়েছিল, এবারে মানুষের কান্নায় যেন তার ঠান্ডা হয়ে আসা বৃদ্ধ রক্ত রাগে ফুটতে লাগল।

     

     

    গ্রামের কয়েকজন যুবককে নিয়ে একটা গোপন সভা করল সে। তারা ছাড়া কাকপক্ষীটিও জানতে পারল না। পূর্ব পরিকল্পনা অনুসারে পরের অমাবস্যায় সূর্য ডোবার ঘণ্টা দুয়েক পর ঘর থেকে বেরোল বিক্রান্ত। বাইশ বছরের টগবগে তরুণ। আর তাকে নিঃশব্দে বেড়ালের মতো অনুসরণ করল এক দীর্ঘদেহী ব্যক্তি, যে জানতো না, তার ঠিক কয়েক গজ দূরেই লাঠি সোটা, দড়ি নিয়ে ছায়ার মতো হেঁটে আসছে কয়েকজন।

    বিক্রান্তকে টোপ হিসেবে ব্যবহার করে পদমকে হাতে-নাতে ধরার এই পরিকল্পনা সফল হয়েছিল ঠিকই। কিন্তু বিক্রান্তের প্রাণের বিনিময়ে। অমাবস্যার অন্ধকারে শেষ মুহূর্তে শিকারকে নিয়ে কোথাও লুকিয়ে পড়েছিল পদম। ঝোপ জঙ্গল তন্ন তন্ন করে খুঁজে যখন তাদের পাওয়া যায়, তখন বিক্রান্তের ছিন্ন হৃদপিণ্ড হাতে নিয়ে তার বুকের গর্তে মুখ ডুবিয়ে আকণ্ঠ রক্তপিপাসা মেটাতে ব্যস্ত পদম। পিঠে ঘাড়ে একের পর এক লাঠির আঘাত এসে পড়তেই বিক্রান্তকে ছেড়ে দিয়ে আকস্মিক আক্রমণকারীদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে সে। কিন্তু এতজনের সঙ্গে পেরে ওঠেনি। অবশেষে তাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে নিয়ে যাওয়া হয় তালাব আর পাহাড়ের মধ্যিখানের সেই স্থানে। আট দশটা মশালের আলোয় দিনের মতো আলোকিত হয়ে উঠল অমাবস্যার রাত। একটি গাছের সঙ্গে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলা হয় পদমকে। খবর পেয়ে সেই রাতে এসে জুটেছিল শয়ে শয়ে গ্রামবাসী। মশালের আলোয় পদমের রক্তমাখা মুখ ও জান্তব আক্রোশের গর্জন তাদের রক্ত হিম করে দিয়েছিল। গাঁওবুড়ো কাঁসিরামের আদেশে গ্রামবাসীরা মিলে ওখানেই জ্যান্ত কবর দিয়েছিল পদমকে। হাত-পা বাঁধা অবস্থায় গর্তে ফেলে যখন মাটি দেওয়া চলছে, তখন নাকি পদম চিৎকার করে বলেছিল যে তার কোনও দোষ নেই। তার ভিতরে পরজীবীর মতো বসবাস করছে একটা পিশাচ। যে উপজাতির সঙ্গে সে চলে গিয়েছিল তাদের বিদ্যা শিখবে বলে, তাদেরই কোনও একজন মাতব্বরের কন্যাকে নিয়ে দল ছাড়তে চেয়েছিল সে। সেই অপরাধে তার আত্মাকে এই পিশাচের কাছে চিরকালের মতো জিম্মা করে দেয় তারা। তাকে হত্যা করলেও এই পিশাচ শেষ হবে না। সময় ও সুযোগ বুঝে সে আবার কব্জা করবে কোনও না কোনও মানবদেহকে আর তার আত্মাকে। পদমের হয়তো আরও কিছু বলার ছিল। কিন্তু এক চাঙড় মাটি তার কথা জীবনের মতো বন্ধ করে দেয়। সেই রাতে ঘরমুখো গ্রামবাসীদের মিছিলের একদম শেষে মাত্র দুটো চোখেই শুধু জল ছিল। পেয়ে হারানোর যন্ত্রণা তার মতো আর কেই বা জানে?

     

     

    প্রায় সত্তর বছরেরও বেশি সময় ধরে হিমাচল-এর এই অখ্যাত গ্রাম তার এই নিরুচ্চার রহস্য বুকে নিয়ে দৈনন্দিন জীবনযাপন করে এসেছে। আজ আবার এমন সব ঘটনা ঘটে চলেছে, যা মানুষগুলোর মনে সেই সত্তর বছর আগের আতঙ্ক ফিরিয়ে এনেছে। সেই সময়ের মানুষগুলো আজ বেশিরভাগই নেই। যে দু-একজন আছে, তারাও সেই সময় নেহাতই শিশু। তবু মা ঠাকুমার মুখে শোনা কাহিনি যেন তাদের শিরদাঁড়ায় হিমশীতল স্রোত এনে দেয়। একে একে এ যাবৎ পাঁচটি তরতাজা প্রাণ মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছে। সবার মনেই প্রশ্ন, এবার কার পালা? কেউ আলোচনা করে না, তবু সবাই জানে, হয়তো সেই আতঙ্ক আবার ফিরে এসেছে।

    বৃদ্ধার এই গল্প আমার মনে কৌতূহল জাগালেও ভয় দেখাতে পারল না। আমার আগের অভিজ্ঞতা থেকে এটুকু বুঝেছি যে ভূত প্রেত বা পিশাচের এইসব কাহিনিকে ঢাল করে কুকীর্তি চালিয়ে যায় মানুষই। খুব ইচ্ছে করছিল তালাবের ওপারের পরিত্যক্ত জায়গাটা ঘুরে আসি। দেখে আসি, ইচ্ছার বিরুদ্ধে বাধ্য হয়ে মাটির তলায় শুয়ে থাকা মানুষটার শেষ আর্তনাদ এখনও সেখানকার বাতাসে ভেসে বেড়ায় কিনা। সুনন্দিনী ইতিমধ্যে স্নান সেরে রেডি হয়ে গেছে দেখে ওকে ট্রেক করতে যাওয়ার প্রস্তাব দিলাম। তুষার ঢাকা সফেদ পাহাড়ের ছায়া বুকে নিয়ে শুয়ে থাকা তালাবের কথা শুনেই ও এককথায় রাজি হয়ে গেল। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলাম সবে বারোটা। এখনই বেরিয়ে পড়লে ঘণ্টা দেড়েকের মধ্যে ফিরে আসা যাবে। এই তো ২ কিলোমিটার পথ। ফিরে এসে না-হয় লাঞ্চ সারবো।

     

     

    আমাদের বেরোতে দেখে বৃদ্ধা মালকিন বোধহয় কিছু আঁচ করেছিলেন। আমার দিকে শাসনের দৃষ্টিতে তাকাতেই আমি সুনন্দিনীকে নিয়ে তাড়াতাড়ি ঘর থেকে বেরিয়ে গেলাম। এক্ষুনি কেলো করেছিল আর কি! কিন্তু ভবি ভুলবার নয়। পিছন থেকে ডেকে দাঁড়াতে বললেন বৃদ্ধা। দু-হাতে দুটো তাবিজ জতীয় বস্তু নিয়ে এগিয়ে এলেন। লাল হলুদ সুতোয় গাঁথা ছোটছোট কালো বীজ জাতীয় জিনিস। পরম মমতায় আমাদের হাতে বেঁধে দিলেন। জানলাম, ওটা হল গ্রামের জ্বালামুখী দেবীর মন্দিরের মন্ত্রপূতঃ ধাগা। গ্রামবাসীর বিশ্বাস এই ধাগা হাতে থাকলে কোনও বিপদ ছুঁতে পারে না। ভদ্রমহিলার বিশ্বাসে আঘাত করতে চাইনি। কিন্তু এসব ব্যাপারে আমি বড়ই নাস্তিক। দেবতা বা পিশাচ কোনওটাই আমার ভরসা জিততে পারে না। সুনন্দিনী বেশ ভক্তি ভরে হাতসুদ্ধ ধাগাটা কপালে ঠেকালো দেখে আমার একটু হাসিই পেয়ে গেল। যাই হোক, বেরিয়ে পড়া গেল।

    কোনও উচ্চমানের শিল্পীর হাতের মাস্টারপিস যেন হিমাচলের প্রকৃতি। ২ কিলোমিটার রাস্তা অতিক্রম করতে লেগে গেল প্রায় চল্লিশ মিনিট। প্রকৃতি যেন তার ভাণ্ডার উপচে দিয়েছে পথের দু’পাশে। হাঁ করে দেখতে দেখতে কখনো হারিয়ে ফেলেছি নিজেদের, কখনো বা ফটো সেশনে সময় কাটালাম। এভাবে কখন যেন পৌঁছে গেলাম তালাবের ধারে। আমি আর সুনন্দিনী দু’জনেই চিত্রার্পিতের মতো দাঁড়িয়ে রইলাম। এই সৌন্দর্যের সামনে সাংসারিক চিন্তা, দৈনন্দিন জীবনযাত্রার ‘থোড় বড়ি খাড়া’ রুটিন, বিদ্বেষ, বিবাদ, পাওয়া না-পাওয়া— সবকিছু কেই কেমন অবাস্তব মনে হয়। মনে হয়, আমি চিরকাল এখানেই ছিলাম। এখানেই স্বয়ম্ভূ আমি সৃষ্টির আদিকাল থেকে এই স্বৰ্গীয় সৌন্দর্যকে নিজের আত্মায় ধারণ করে রেখেছি।

     

     

    হুঁশ ফিরল সুনন্দিনীর ডাকে। আমার হাত ধরে টেনে ও নিয়ে যেতে চাইছে তালাবের ওই পারে। ও, বলা হয়নি। পথে আসতে আসতেই আমার হাতের ধাগাটা খুলে পকেটে রেখেছি। সুনন্দিনীকেও খুলে ফেলতে বলেছিলাম। কিন্তু ও পরে থাকতে চাইলো বলে আর আপত্তি করিনি। তালাবের পাশ দিয়ে একটা সরু আলপথ ধরনের রাস্তা চলে গেছে ওপারে।

    ওপারে পৌঁছে প্রথম একটা জিনিসই অনুভব করলাম। সেটা হল ঠান্ডাটা যেন এক ধাক্কায় বেশ কিছুটা বেড়ে গেল। পাহাড়ের দিক থেকে কনকনে একটা হাওয়া তালাবের ধারে দাঁড়িয়েই টের পাচ্ছিলাম। কিন্তু এপারে যেন তাপমাত্রা আরও পাঁচ ছ-ডিগ্রি কম। হতে পারে সেটা এপারে পাহাড়ের জন্য রোদ কম পড়ে বলে। খুব একটা মাথা ঘামালাম না ব্যাপারটা নিয়ে। আমার চোখ ছিল মাটির দিকে। এখানে ঠিক কোন্ অংশে সত্তর বছর আগে এক মনুষ্যরূপী পিশাচকে জ্যান্ত কবর দেওয়া হয়েছিল, তা আজ আর জানা সম্ভব নয়।

    সুনন্দিনীর অস্ফুট চিৎকার কানে যেতেই ফিরে তাকালাম। ও আমাকে ছেড়ে ডানদিকে চার-পাঁচ ফুট মতো সামনে এগিয়ে গেছে। আমি দৌড়ে সেখানে গেলাম। যে জিনিসটার দিকে ও আঙুল দেখাল, সেটা আমার কপালেও ভাঁজ ফেলল। সেটা একটা ফতুয়া ধরনের জামা। হিমাচলিদের পরনে প্রায়ই দেখা যায়। আর সেটার মধ্যে কালো হয়ে শুকিয়ে আছে যে জিনিসটা, সেটা রক্ত ছাড়া আর কিছুই হতে পারে না। আমি একটা গাছের শুকনো ডাল জোগাড় করে তার আগায় জামাটাকে তুলে ধরতেই আর একটা জিনিস চোখে পড়ল। সেটা হল জামাটার বুকের কাছে বাঁ দিক ঘেঁসে একটা বেশ বড়ো গর্ত। গর্তটা এমন যেন, ওই জায়গার কাপড় কেউ একটানে উপড়ে নিয়েছে। আমি ওটা ফেলে দিয়ে সুনন্দিনীর হাত ধরে সরিয়ে আনলাম ওখান থেকে। বোঝালাম, নির্জন জায়গা, হয়তো অপরাধীদের আড্ডাখানা। কিন্তু নিজে মনে মনে একটু দমে যাচ্ছিলাম। বৃদ্ধার গল্পের সঙ্গে যেন মিলে যাচ্ছে না? ফিরতে ফিরতেই ঠিক করলাম আবার যাব। কিন্তু এবার আর দিনে নয়, রাতে। সুনন্দিনী ঘুমিয়ে পড়ার পর। রহস্যটা আমাকে জানতেই হবে। –

     

     

    সেদিন বিকেলে সুনন্দিনী না-চাইলেও ধাগাটা ওর হাত থেকে খুলে ফেলতেই হল। হাতের যেখানে ওটা বাঁধা ছিল, সেখানটা লাল হয়ে কেমন ফোসকা ফোসকা মতো পড়ে গেছে। বীভৎস লাগছে দেখতে। একটু রাতের দিকে বেশ জ্বর এল ওর। সঙ্গে যা ওষুধপত্র ছিল, তাই খাইয়ে শুইয়ে দিলাম। তালাবের ঠান্ডা হাওয়াটা বোধহয় নিতে পারেনি ওর শরীর। একদিন বাদেই ফেরার টিকিট কাটা। তাই একটু চিন্তা হচ্ছিল। ভালোয় ভালোয় ফিরতে পারলে হয়। দুপুরে ওখান থেকে ফিরে অবধি কিছু দাঁতে কাটেনি মেয়েটা। বলল ইচ্ছে করছে না। আর রাতে তো জ্বর এসে গেল।

    রাত দশটা নাগাদ সুনন্দিনীর গায়ে হাত দিয়ে দেখলাম জ্বরটা একটু কম। সারা দিন শুধু জল খেয়েই রয়েছে ও। খালি বলছে গলা শুকিয়ে যাচ্ছে। জ্বরের উপসর্গ ভেবে খুব একটা মাথা ঘামাইনি। এখন টেবিলের উপর জলের খালি বোতলগুলো দেখে আমার টনক নড়লো। গুনে দেখলাম তেরোটা। এখানে এসেই আমি মিনারেল ওয়াটার এর পেটি কিনে নিয়েছিলাম। দুপুর তিনটে থেকে রাত দশটার মধ্যে সুনন্দিনী তেরো লিটার জল খেয়েছে! ওকে অঘোরে ঘুমোতে দেখে আর বিরক্ত করলাম না। হাতের ফোসকাগুলো আরও বড়ো হয়ে উঠেছে। আমি দরজা ভেজিয়ে দিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে এলাম। ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যে আশা করি ও জাগবে না। তাড়াতাড়ি ফিরবো ভেবেই বেরিয়েছিলাম। আজ ভাবি, শুধু সেই রাতে নয়, দুপুরেও যদি ওখানে না-যেতাম; যদি ওই গ্রামেই না-যেতাম তাহলে জীবনটা হয়তো অন্য খাতে বইতো।

     

     

    কনকনে ঠান্ডা বাইরে। ভিতরে দুটো সোয়েটার, জ্যাকেট, উলের টুপি, গ্লাভস—কোনও কিছুই যেন যথেষ্ট নয়। রাতে প্রকৃতিও অন্ধকারে ঢাকা। তাই দুপুরের চেয়ে বেশ কিছু কম সময়ই লাগল পৌঁছতে। তালাবের কাছাকাছি যেতেই একটা অদৃশ্য শক্তি যেন আমার পা দুটোকে বেঁধে ফেলতে চাইল। তালাবের উপরে ঘন কুয়াশার জন্য ওপারটা দেখা যাচ্ছে না। কিন্তু একটা অস্পষ্ট শব্দ আমার কানে আসছে। শব্দটা একনাগাড়ে একই সময়ের ব্যবধানে হয়ে চলেছে। ধুপ ধুপ ধুপ ধুপ। আর যদি খুব ভুল না করি, তবে সেটা আসছে তালাবের ওপার থেকে। প্যান্টের পকেটে হাত দিয়ে আমার বিপদের সঙ্গী .৩৮ ফাইভ শটারটাকে অনুভব করতেই যেন সাহস ফিরে পেলাম। আমার এই ছোট্ট অস্ত্রটার খবর সুনন্দিনী এখনও জানে না। আলপথের রাস্তাটা বেয়ে ওপারে পৌঁছতেই একটা দৃশ্য আমার মতো ডাকাবুকোকেও স্তব্ধ করে দিল। যেখানে সেই রক্তমাখা জামাটা পড়ে থাকতে দেখেছিলাম দুপুরে, তার পাশাপাশি বেশ কিছুটা জমি যেন লাফাচ্ছে। ভালো করে দেখে বুঝলাম মাটির নীচ থেকে একটা ক্রমাগত আঘাতে সেই অংশটা উপর দিকে ঠেলে ঠেলে উঠছে। স্পষ্ট বুঝলাম, এই সেই জায়গা, যেখানে পদমকে কবর দেওয়া হয়েছিল। একটানা শব্দটাও আসছে মাটির নীচ থেকে। এক পা, এক পা করে পিছিয়ে এসে আশ্রয় নিলাম একটা গাছের পিছনে। কতক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিলাম জানি না। মাটির উপরের অংশে অনেকগুলো ফাটল তৈরি হয়েছে। একসময়ে দেখলাম দুটো হাত মাটির তলা থেকে বেরিয়ে প্রাণপণে মিজের বুকের উপর থেকে মাটি সরাচ্ছে। আস্তে আস্তে পুরো চেহারাটাই উঠে এল মাটির তলা থেকে। সেটাকে চেহারা বলব, না কেবল একটা অবয়ব—বুঝতে পারছি না। লিকলিকে সরু বাঁকাচোরা একটা দেহ; অন্ধকারে খুব ভালো দেখতে না পেলেও বুঝলাম হাত পাগুলো অস্বাভাবিক লম্বা। বেঁকেচুরে চলে ফিরে বেড়াতে লাগল আমার বিস্ফারিত দৃষ্টির সামনে। ঠিক যেন একটা কিলবিলে পোকা মানুষের মতো দুপায়ে হাঁটার চেষ্টা করছে। মুখ বোঝা যাচ্ছে না, কিন্তু একরাশ অন্ধকারের মধ্যে লাল আগুনের আংরার মতো ধিকিধিকি জ্বলতে থাকা জিনিস দুটো যে ওটার চোখ, তা বলে দিতে হল না। মাঝে মাঝে একটা জান্তব স্বর বেরোচ্ছে ওটার গলা দিয়ে। বুকের রক্ত জল করে দেওয়া চিৎকারটা শুনে মনে হল, এই কি সেই শব্দ যা সত্তর বছর আগে যাযাবরদের তাঁবু থেকে ভেসে এসে বুক কাঁপিয়ে দিত গ্রামবাসীদের?

     

     

    বিদ্যুৎ চমকের মতো একটা কথা মনে হল। এটা তবে পদম নয়। পদমের দেহ হয়তো এতদিনে প্রকৃতির নিয়মেই মাটিতে মিশে গেছে। এ সেই পরজীবী পিশাচ। পদমের দেহে বাস করে নিজের রক্ততৃষ্ণা মেটাতো। আর কোনও এক অজানা কারণে এতদিন বাদে আবার সে জেগে উঠেছে। লোকচক্ষুর আড়ালে কবর থেকে উঠে নিজের পিপাসা মিটিয়ে আবার ঢুকে পড়ে কবরে। তবে তো… তবে তো পিশাচ আবার এক মানবদেহ খুঁজবে। আর আমি এখন এখানে দাঁড়িয়ে। ছুটে পালানোর কথা মাথায় আসলেও নড়তে ভয় করছিল। হঠাৎ দেখলাম পিশাচটা বেঁকেচুরে এগিয়ে আসতে লাগলো আমি যে গাছের পেছনে দাঁড়িয়ে আছি, সেদিকেই। ভয়ে সিঁটিয়ে গেলাম। জানি না ও আমাকে দেখেই এদিকে আসছে, না এমনিই। ছুটে পালাতে গেলে আরও বেশি করে নজরে পড়বো। এই বিভীষিকার হাত থেকে পালিয়ে বাঁচতে পারব, তার কোনও সম্ভাবনা দেখছি না। হঠাৎ মনে পড়ল জ্যাকেটের পকেটে জ্বালামুখী দেবীর ধাগাটার কথা। কাঁপা কাঁপা হাতে বের করে হাতে পড়লাম ওটা। এটা যে আমি, সেটাই বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। ধাগার জন্য কিনা জানি না, পিশাচটা থমকে গেল। লাল চোখদুটো যেন বশীভূত করে ফেলছে আমাকে। আর কিছুক্ষণ ওটার দিকে তাকিয়ে থাকলে অজ্ঞান হয়ে যাব। হয়তো কাল সকালে আমারও হৃৎপিণ্ড ওপড়ানো রক্তশূন্য লাশ পাওয়া যাবে। এসব ভাবছি একটা ঘোরের মধ্যে। হঠাৎ পিছনে একটা আওয়াজ পেয়ে চমকে তাকিয়ে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেলাম।

     

     

    সুনন্দিনী! ও যেন ঘুমের মধ্যে হাঁটছে। এভাবেই এতটা পথ এসেছে ও? মাথাটা বুকের উপর ঝুঁকে পড়েছে। এলোমেলো চুলগুলো মুখের দু’পাশ দিয়ে, ওপর থেকে ঝুলে পড়ে মুখটাকে ঢেকে দিয়েছে। গলা দিয়ে একটা গোঙানির মতো শব্দ। এটা সুনন্দিনীর গলা বলে চিনতে পারছি না আমি। ও এগিয়ে যাচ্ছে খুব ধীরে। ওকে বাধা দেব, সে ক্ষমতা হল না আমার। নিজের স্ত্রীকে ভয় পাচ্ছি আমি। সেই পিশাচটা আবার আকাশ ফাটিয়ে গর্জন করে উঠল। সুনন্দিনী প্ৰায় পৌঁছে গেছে ওর কাছে। গলা চিরে একটা চিৎকার বেরিয়ে এল আমার, “নন্দিনী…”।

    পিশাচটা আমার দিকে সরাসরি তাকালো। আমার কি হল জানি না। কোথা থেকে এত সাহস সঞ্চয় করলাম! গাছের পিছন থেকে বেরিয়ে ছুটে গেলাম সুনন্দিনীর পাশে। ওকে জড়িয়ে ধরে সরিয়ে আনতে চাইলাম ওখান থেকে। পিশাচ যদি আমার আত্মা চায়, নিক। কিন্তু সুনন্দিনীকে নয়। অথচ একচুল নড়াতে পারলাম না ওকে। পিশাচটা এগিয়ে এসেছে আরও কাছে, আরও কাছে, আরও…।

    *****

     

     

    ঘুম ভাঙল বিছানায়। ভোরের আলো ঘুলঘুলির ফাঁক দিয়ে ঢুকছে ঘরে। ভেবে পেলাম না, কীভাবে এখানে এসে পৌঁছলাম। পাশে সুনন্দিনী ঘুমিয়ে। ওর গায়ে হাত দিয়ে দেখলাম জ্বর নেই। হাতের ফোসকা গুলোও নেই। অদ্ভুত তো! এখনও ওর মুখ চুলে ঢাকা। আঙুল দিয়ে সরাতে গিয়ে চমকে উঠলাম। ওর মুখে গালে শুকিয়ে রয়েছে রক্তের দাগ। বুকটা ছ্যাঁত করে উঠল। একটা রুমাল ভিজিয়ে আস্তে আস্তে মুছে দিলাম দাগগুলো। সেদিন আরও একটা মৃতদেহ পাওয়া গেল তালাবের পাশে। সেদিনই ব্যাগ পত্তর গুছিয়ে সুনন্দিনীকে নিয়ে বেরিয়ে এসেছিলাম ওই গ্রাম থেকে।

    তারপর থেকে এই তিনমাস ধরে প্রায়ই সুনন্দিনী বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় গভীর রাতে। আমি ওর ছটফটানি আর জল খাওয়ার বহর দেখেই বুঝে যাই। আগেই ব্যাগ গুছিয়ে কোথাও যাওয়ার নাম করে বেরিয়ে পড়ি বাড়ি থেকে। বাইরে থেকে নজর রাখি ওর উপর। ওকে ঠিকঠাক অক্ষত ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব তো আমারই। বাড়িতে ফিরে ওর মুখে হাতে লেগে থাকা রক্ত পরিষ্কার করে দিই। সুনন্দিনীর এসব কিছুই মনে থাকে না। তাই অভিমান করে আমার উপর। কলকাতার বাড়ি বিক্রি করে একটু মফস্বলে বাড়ি নিয়েছি। জানি না হয়তো ওর হাতেই কোনওদিন মরতে হবে আমাকে। তবু যতদিন আছি, নিজের কর্মের প্রায়শ্চিত্ত তো করতেই হবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅনির্বাণ অমিতাভ – বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article কাদম্বরী – বানভট্ট
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }