Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প478 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বুমেরাং

    এরকম যে কিছু হতে পারে আমি কেন আমার চোদ্দপুরুষও ভাবতে পারেনি! বড় ল্যাংচাটার অর্ধেকটা মুখে আগেই জোর করে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল, বাকিটা বাইরে খুবই বিসদৃশভাবে ঝুলছিল। নির্লজ্জের মতো হে হে করে হেসে কি আর করি, বাকিটা ঠেসে মুখের মধ্যে ঢুকিয়ে দিলাম। কিন্তু সেটাকে পেটের মধ্যে গিলে ঢোকানো আমার পক্ষে আর সম্ভব ছিল না। গলায় হঠাৎ আটকে গেছে এমন একটা ভান করে তাড়াতাড়ি ভেতরের ঘরে এলাম। ঘুপচি বাথরুমের অন্ধকার শ্যাওলা পড়া বেসিনে সেটাকে উগড়ে দিয়ে গলায় ঘাড়ে মুখে জলের ঝাপটা দিলাম ভালো করে। পিঠে একটা কার হাতের ছোঁয়া পেতেই চমকে ঘুরে তাকিয়ে দেখি, পুটপুটি।

    পুটপুটির গলায় অল্প উৎকন্ঠা, ব্যগ্রভাবে বলল, ”কি হয়েছে বাবা? তুমি হঠাৎ ওরকমভাবে চলে এলে কেন? বিষম লেগেছে? জল দেব?”

    আমি ওর মুখের দিকে তাকিয়ে অল্প হাসলাম। আমার সেদিনের সেই ছোট্ট মেয়েটাকে আজ শাড়ি পড়ে কি বড়সড়ই না লাগছে! পাশের বাড়ির দোয়েলের থেকে ধার করে আনা শাড়ি, গলায় একটা সরু চেন, কপালে ছোট্ট টিপ। লম্বা চুলটাকে খুলে সামনের দিকে বিছিয়ে রেখেছে। আমার স্ত্রী মালতির মতে তাতে নাকি চুলের গোছটা বেশি মোটা দেখায়। কবে এতবড়ো হয়ে গেল মেয়েটা? বললাম, ”কিছু হয়নি রে মা। তুই যা বাইরের ঘরে। ওঁরা কি না কি ভাবছেন। আমি আসছি।”

    পুটপুটি চলে যাওয়ার পর বাথরুমের লাগোয়া একফালি বারান্দায় গিয়ে একটা সিগারেট ধরালাম। সন্ধে ঘনিয়ে এসেছে প্রায়। আমাদের এই বারান্দা থেকে আকাশ তো দূর, পচা নর্দমার হাইড্রেন আর নোংরা ফেলার ভ্যাট ছাড়া কিছুই দেখা যায় না। অবশ্য এই জবরদখল বস্তির দেড় কামরার সস্তা ফ্ল্যাটে এর থেকে বড় ব্যালকনি আশা করা অন্যায়। পুরো মুখটা তেতো লাগছিল। বড় করে একটা ধোঁয়া ছেড়ে সামনের দিকে তাকালাম। গুটিসুটি মেরে ওখানেই বসে পড়লাম। অথচ আমার এখন গলায় গামছা দিয়ে অতিথি আপ্যায়ন করার কথা। কিন্তু বাইরের ঘরে গিয়ে সেই কাজটা করার মুখ আমার আর নেই।

    আজ আমার একমাত্র মেয়েকে বারো নম্বর পাত্রপক্ষ তৃতীয় তথা ফাইনায় দফায় দেখতে এসেছে। ছেলে তার বন্ধুদের নিয়ে আগেই দেখে গিয়েছিল, মাঝে দুদিন ওরা দুজন নিজেদের মতো বেরিয়েছিল, পরে একদিন ছেলের বাবা আর জেঠা এসেছিল। আজ এসেছে মা আর আরো কিছু আত্মীয়, একদম পাকা কথা বলতে। আমাদের কাছে এই সম্বন্ধটা হাতে চাঁদ পাওয়ার চেয়েও বিশাল কিছু। পুটপুটি দেখতে খারাপ না হলেও রঙ চাপা হওয়ায় ওর তথাকথিত বিয়ের দাঁড়িপাল্লার বিচারে রূপ নেই, আর ওর বাপেরও রুপো মানে টাকাপয়সা নেই। মেয়েটার পড়াশুনোতেও তেমন মাথা ছিল না। কোনোরকমে গ্র্যাজুয়েশনটা করেছে। আমিও জোর করিনি। সবার দ্বারা সব কিছু তো হয় না। বাড়িতেই ক-টা বাচ্চাকে পড়ায় আর মা-কে সাহায্য করে। এমনিতে যে যাই বলুক, আমার মেয়ে ভারি শান্ত ভদ্র। রান্নাবান্না, ঘরদোর গোছানোতে খুব মন। কিন্তু অন্য ‘কিন্তু’-গুলোর জন্য বিয়ে ঠিক হয়েও হয় না। আমার স্ত্রী মালতী তো প্রায় অস্থির হয়ে উঠেছিল। একটার পর একটা সম্বন্ধ আসে, মেয়েকে সেজেগুজে বসানো, কৃত্রিম গুণকীর্তন, ইন্টারভিউ, তাদের জন্য এলাহি জলখাবারের আয়োজন, তার কয়েকদিন বাদে ফোনে ‘না’ শুনতে শুনতে হাঁপিয়ে উঠেছিল আমার মেয়েটা। আমি ওর কষ্টটা বুঝি, কিন্তু কি করব! সাতাশ পেরিয়ে আঠাশে পড়েছে, এরপরেও যদি বিয়ে দিতে না পারি তবে তো মুশকিল! আমার স্ত্রী ওকে প্রায়ই গঞ্জনা দেয়, মুখে একটাও রা কাটে না পুটপুটি, কিন্তু আমার বুকটা ফেটে যায়। অথচ ও জন্মেছিল কত আদরে, কত বিলাসিতায় কেটেছিল ওর শৈশব! সব কিছুর জন্যই আমি দায়ী, সিগারেটের ধোঁয়ায় কাশতে কাশতে ভাবলাম আমি।

    অথচ বিশাল উচ্চবিত্ত না হলেও যথেষ্ট সচ্ছল ছিলাম বছরকয়েক আগেও। আমি হিন্দমোটর কারখানায় ভালো পোস্টে চাকরি করতাম। পড়াশুনোয় সাধারণ হলেও বরাতজোরেই ভালো চাকরিটা বাগিয়েছিলাম অল্পবয়সেই। ছোট থেকেই আমার দ্যাখানেপনা, অহঙ্কার একটু বেশি, যে মামার সুপারিশে চাকরিটা পেয়েছিলাম, পরে সেই কৃতজ্ঞতা স্বীকার তো দূর, মামার অন্তিমকালে দেখা করতে গিয়েও সময় নষ্ট করিনি। দু-হাতে খরচা করতাম। উত্তরপাড়ার মতো জায়গায় দোতলা বাড়ি, একটা বড় গাড়ি, মেয়েকে ভালো স্কুলে ভর্তি করা, বছরে দু-তিনবার ঘুরতে যাওয়া কোনোকিছুই বাদ রাখতাম না। চিরকালই যতটা না আয় তার থেকে ব্যয় দেখিয়ে লোকের কাছে ঠাটবাট দেখানো আমার স্বভাব। সেটাই করতাম। তাতেও কিছু অসুবিধা হত না, যদি না আমাদের কারখানাটা দুম করে বন্ধ হয়ে যেত! কারখানা বন্ধ হওয়ার পরেও বছর দুয়েক আমি আগের লাইফস্টাইলই বজায় রেখেছিলাম, কিন্তু শেষ অবধি আর পারলাম না! এদিক সেদিক অনেক চেষ্টা করেও কোনো চাকরি জোটাতে পারলাম না, কিছুটা আমার হামবড়া ভাবের জন্যই, শেষে গলা অবধি দেনায় ডুবে বাড়ি-গাড়ি সব বিক্রি করে দিয়ে এই বস্তির ফ্ল্যাটে উঠে আসতে হল। মালতী এ নিয়ে আমায় মাঝে মাঝে কথা শোনালেও পুটপুটি কোনোদিন কোনো অনুযোগ করেনি।

    হঠাৎ মালতির ডাকে আমি চমকে পেছনে তাকালাম। মালতি চাপা গলায় ধমকাল, ”কিরকম আক্কেল গো তোমার! এত ভালো একটা সম্বন্ধ, কপালগুণে প্রায় ঠিক হয়ে এসেছে, কোথায় তাদের যত্নআত্তি করবে, তা না, এইখানে বসে সিগারেট টেনে যাচ্ছ? বলি সব দায় কি আমার একার?”

    আমি বললাম, ”তুমি যাও। আমি আসছি”।

    মালতি আরো রেগে গেল, অথচ বাইরের ঘরে যেন শোনা না যায় এইভাবে বলল, ”আসছি বলতে বলতে তো আধঘণ্টা হতে চলল। কি ভালো ফ্যামিলি! পুটপুটির হাজার জন্মের তপস্যা ওই ডাক্তার ছেলে এত ভালো ভালো মেয়ে থাকতে শেষে ওকে পছন্দ করেছে। ওই তো তোমার মেয়ের গায়ের রঙ! আর আমাদের ঘরের চালচুলোও তেমনি। কিন্তু কি ভালো ব্যবহার! সত্যিকারের শিক্ষিত একেই বলে। বিশেষ করে ছেলেটার মা। যেমন মিষ্টি দেখতে, তেমন ব্যবহার। কে বলবে ডাক্তারের বউ, ডাক্তারের মা। এত বড়োলোকের বউ, কিন্তু কোনো অহঙ্কার নেই। আমাকে এসেই হাত ধরে বলল দিদি আমায় কিন্তু তৃপ্তি বলে ডাকবেন, ওইসব বেয়ান টেয়ান আমার পোষায় না। আর তুমি এইখানে বসে রোয়াব নিচ্ছ?”

    এইবার বিরক্ত লাগল আমার। একটু জোরেই বললাম, ”বললাম তো আসছি। বাজে বকছ কেন! পছন্দ হবার হলে এমনিতেই করবে। আমার মেয়ে অন্তত আমার কাছে ফ্যালনা নয়। তুমি যাও তো!”

    মালতি পারলে চোখ দিয়ে আমায় ভস্ম করে দেয়, তবু কিছু না বলে দাঁত চিপে গজগজ করতে করতে চলে গেল। আমি আবার বাইরের খোলা নর্দমাটার মধ্যে ভনভন করা মাছিগুলোর দিকে তাকালাম। বেকার অভিনয় করে আর লাভ কি? সম্বন্ধটা ভেস্তে যাবেই যখন! হুম। নামটা পড়েছে এতক্ষণে। তৃপ্তিই বটে! তখনো খুব মিষ্টি ব্যবহারই ছিল। কিন্তু সেদিকে আমি ভ্রূক্ষেপ করিনি। করলে কি আজ কিছু অন্যরকম হত? কি জানি! আমি আবার ভাবতে লাগলাম।

    মামার সুপারিশে সাধারণ ঘরের সাধারণ পড়াশুনোয় হয়েও যখন তখনকার হিসেবে মোটা মাইনের চাকরিটা বাগিয়েছিলাম, তখন আমার ল্যাজ আরো মোটা হয়ে গিয়েছিল। ধরাকে সরা জ্ঞান করতাম। বন্ধুদের সাথে পাড়ার আড্ডায় বার খেয়ে বাজি ধরেছিলাম, বিয়ে করব ঠিকই, কিন্তু তার আগে তিনশোটা বাড়িতে ফ্রিতে রোববারের জলখাবার খাওয়াব ওদের। সেইমতো রবিবার হলেই আমি সোমনাথ আর পরেশ বেরিয়ে পড়তাম। আমাদের মতো গরিব দেশে আর যা কিছুরই অভাব থাকুক না কেন, কন্যাদায়গ্রস্ত পিতার অভাব হয় না কখনো। কয়েকটা ঘটককে ফিট করেছিলাম। গম্ভীরভাবে যেতাম, যতটা পেটে ঢোকানো যায়, ততটাই খাবার সাফ করতাম, মেয়ের মা মেয়েকে ধরে ধরে নিয়ে এলে শরীরের ঠিকঠাক জায়গায় ঠিকঠাক মাংস আছে কিনা দেখে নিয়ে আর কিছু অপ্রস্তুতে ফেলা বেয়াড়া প্রশ্ন করে পরে খবর দেব বলে কেটে পড়তাম।

    শেষের দিকে সোমনাথ আর পরেশ আর যেতে চাইত না। বলত, ”ধুর, তোর বাজি রাখত! মেয়েগুলোর মা যখন চলে আসার সময় হাত ধরে বারবার বলে একটু দেখ বাবা, খুব কষ্ট হয় তখন। তুই তো শালা অমানুষ। আমরা তো আর তা নই। গরিব ঘরের মেয়ে, বাবারা কত কষ্ট করে খাবার দাবারের বন্দোবস্ত করে, আর এইভাবে গিয়ে…”

    আমি বিয়ের বাজারে নিজের চাহিদার কথা ভেবে হাসতাম। ছোট থেকেই দেখেছি, কাউকে কষ্ট দিতে পারলে আমার মধ্যে একটা জান্তব আনন্দ হয়। ছোটবেলায় মা মারা যাওয়ার জন্যই হোক বা আর যে কারনেই হোক, স্নেহ ভালোবাসার কোনো গুরুত্ব আমার কাছে ছিল না। বলতাম, ”আরে পছন্দ না হলে কি করব বল!”

    ওরা রেগে উঠত, ”ফালতু বকিস না। তোর জন্য এতদিনে দুশোর ওপর মেয়ে দেখলাম, একটাকেও পছন্দ হল না! গেল রবিবারের অত ভালো মেয়েটা, কি সুন্দর গেয়ে শোনালো, দেখতেও ভালো, পরে যখন ওর বাবা বারবার ঘটককে দিয়ে জিজ্ঞেস করে পাঠাচ্ছিল, কি বলে কাটালি? না, আপনার মেয়ের কানদুটো বড়! ছি ছি। তুই তো আসলে বিয়ে করার জন্য দেখতে যাস না, যাস শুধু গিলতে।”

    আমি বলতাম, ”আরে বিয়ে করতে হবে মালদার বাপ দেখে, তবেই না লাভ?”

    তৃপ্তিও এদের মধ্যে একজন ছিল। এত ভিড়ের মধ্যে আমার ওকে আলাদা করে মনে রাখার কথা নয়, যদি না ওকে দেখে এসে নাকচ করে পাঠাবার কয়েকদিন বাদে বাসে ওর সাথে দেখা হয়ে যেত। ও নিজেই এসে কথা বলেছিল, আমার সেটা আজও স্পষ্ট মনে আছে। চোখের দিকে তাকিয়ে ঠাণ্ডা দৃষ্টিতে বলেছিল, ”আপনি আসলে কাউকেই বিয়ে করার জন্য দেখতে যান না, তাই না! আমার এক বন্ধুকেও দেখতে গিয়েছিলেন, তাকেও এইভাবে অযৌক্তিক একটা কারণ দেখিয়ে…কি পান আপনি?”

    আমি ওর কথার মাঝখানে বাস থেকে নেমে পড়েছিলাম। মালতীকে বিয়ে করেছিলাম সত্যিকথা বলতে কি ওর বাবার ব্যবসা দেখে। শিক্ষা, রুচি এসব কিছুই গুরুত্ব পায়নি আমার কাছে তখন। বিয়ের পর বুঝলাম ওর বাবার ব্যবসা ভেতরে ভেতরে ফোঁপরা, মালতী যতটা না সোনাদানা নিয়ে আমার ঘরে এসেছে, মেজাজ, স্থূল রুচি, ছোট মন এনেছে তার দশগুণ বেশি।

    সিগারেটটা পুড়তে পুড়তে ছোট হয়ে আঙুলে ছ্যাকা লাগতেই চমকে উঠে এলে দিলাম। মনটা খুব খারাপ লাগছিল। সেদিনের সেই বাবাগুলোর কষ্টটা আজ একটা মেয়ের বাপ হয়ে টের পাচ্ছি। কিন্তু আমার পাপের শাস্তি আমার নির্দোষ মেয়েটাকে পেতে হবে বলেই খারাপ লাগছিল। এই ক-দিনে বুঝেছিলাম জয়ব্রতর প্রতি পুটপুটির একটা ভাললাগা জন্মেছে। এত বড়লোকের ছেলে, এতো শিক্ষিত, অথচ কত বিনয়ী। আমাদের পাশের ফ্ল্যাটে ওর এক বন্ধুর বাড়ি এসেছিল, তখন পুটপুটির সাথে আলাপ হওয়াতে বাড়ি গিয়ে জানায়। বাবাটাও বড় ভালো। এত ভালো সম্বন্ধটা কেটে গেল শুধু আমার জন্য! আচ্ছা তৃপ্তি কি আমায় চিনতে পেরেছে? নিশ্চয়ই পেরেছে। বিকাশবাবু, মানে ছেলের বাবা যখন আমায় জোর করে ওদের শক্তিগড়ের থেকে আনা ল্যাংচা মুখে পুরে দিয়ে খাওয়াচ্ছিলেন, তখন পাশ থেকে তৃপ্তি একদৃষ্টিতে চেয়েছিল আমার দিকে। এত টাকার আয়োজন, এত খাবারদাবার সব বৃথা হল।

    একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললাম আমি। এখন এইটুকুই মনে হচ্ছে কোনো কটু কথা যেন শুনতে না হয় আমার মেয়েটাকে। ‘না’ বলার ছুতো হিসেবে অপমানজনক কিছু যেন না বলে ওরা, ঠিক যেরকমটা আমি বলতাম।

    হঠাৎ একটা আওয়াজ হতে আমার চিন্তার জ্বাল ছিঁড়ে গেল। চমকে উঠে দেখলাম, তৃপ্তি আসছে, পাশে পুটপুটি। আমার সাথে চোখাচোখি হতে পুটপুটি বলল, ”বাবা, কাকিমা বাথরুম যাবেন, তাই নিয়ে এলাম।”

    পুটপুটি তৃপ্তিকে বাথরুমে ঢুকিয়ে দিয়ে চলে গেল। মালতী মনে হয় ভালোই রেগেছে, আর আসছে না ডাকতে। আমি আরো গুটিয়ে গেলাম সঙ্কোচে। ছি ছি। আমার এই নোংরা শ্যাওলা পরা অন্ধকার বাথরুমে ঢুকে কি ভাবছে তৃপ্তি! ভাগ্যের নিঠুর পরিহাস কি একেই বলে? ওদের বাড়ি থেকে ঘুরে এসে যখন ওর বাবা বারবার ঘটককে গিয়ে দিয়ে জিজ্ঞেস করে পাঠাচ্ছিলেন, তখন জমিদারি চালে বন্ধুদের সামনেই আর কোনো খুঁত খুঁজে না পেয়ে ঘটকমশাইকে বলেছিলাম, ”বলে দেবেন এরপর যখন পাত্রপক্ষ দেখতে যাবে, খাওয়াদাওয়ার পর হাত ধোয়ার মগটা যেন একটু ঠিকঠাক মেজে দেয়! যেটায় হাত ধুয়েছিলাম সেটা জলের মগ না পায়খানার গাড়ু!” বলে নিজের রসিকতায় নিজেই হেসে গড়িয়ে পড়েছিলাম।

    আচ্ছা পুটপুটিকেও কি ওরা এরকমই কিছু একটা বলবে যাতে আমার মেয়েটার কষ্টে মনটা ফেটে যায়? মালতী একদিন ঘুরে এসেছে ওদের বাড়ি, বিশাল প্রাসাদোপম বাড়ি, তার এলাহি সব আসবাব আর ডেকোরেশন। কি বলবে তৃপ্তি আমার মেয়েটাকে?

    এর মধ্যেই কখন তৃপ্তি ফিরে গেছে খেয়াল করিনি। হঠাৎ মালতীর ডাকে ফিরে তাকালাম, ”ওগো, শীগগিরই চল। ওরা বিয়ের ডেট ঠিক করতে চাইছে। ছেলের মায়ের খুব পছন্দ হয়েছে আমাদের পুটপুটিকে।”

    আমি কিছুটা অবিশ্বাস কিছুটা সন্দেহ নিয়ে উঠে দাঁড়ালাম। তার মানে তৃপ্তি আমায় চিনতে পারেনি। আমি সঙ্গে সঙ্গে অসাধারণ ক্ষিপ্রতায় নিজের মনখারাপ ভাবটাকে কাটিয়ে নিয়ে দায়িত্তবান অতিথিপরায়ণ মেয়ের বাবা হয়ে বাইরের ঘরে এসে ঢুকলাম। আর দেরি করা যায় না। চিনতে যখন পারেনি, যে করেই হোক এত ভালো সম্বন্ধটাকে পাকা করতেই হবে।

    আরো ঘণ্টাখানেক বাদে ড. বিকাশ মজুমদার, তার ছেলে বউ আরও অন্যান্য আত্মীয়দের নিয়ে যাওয়ার জন্য উঠে পড়লেন। আমার বউয়ের মুখটা আনন্দে জ্বলজ্বল করছে। বিয়ের ডেট ঠিক হয়ে গেছে, আমি আলগোছে দেনাপাওনার কথা পাড়তেই ডাক্তারবাবু এমন ভাবে তাকিয়েছিলাম যে আমিই লজ্জায় পড়ে গেছিলাম। বললেন, ”আপনি তো সবচেয়ে দামি জিনিসটাই আমাকে দিয়ে দিচ্ছেন! আবার কি দেবেন! উল্টে আমারই আপনাকে মোটা ক্ষতিপূরণ দেওয়া উচিত।” হাসিহুল্লোড়ে সব কাজ শেষ হল। আমার মেয়েটাও ভারী খুশি, মুখ দেখে বুঝতে পারছিলাম। আনন্দে মনটা আমার ভরে উঠেছিল।

    ওদের বিশাল দুধসাদা দামি গাড়িটা আমাদের ছোট গলিটাকে প্রায় ভরাট করে দাঁড়িয়েছিল। সবাই একে একে উঠছিল গাড়িতে। মালতী হবু বেয়াইয়ের সাথে হালকা রসিকতায় যোগ দিয়েছে। সবাই হাসছে। কত খুশি সবাই। তৃপ্তি উঠতে গিয়েও হঠাৎ নেমে এসে আমার দিকে এগিয়ে এল। চাপা অথচ স্পষ্ট গলায় কেউ শুনতে যেন না পায় এমনভাবে বলল, ”আপনার সব অপরাধ ক্ষমা করলাম আজ। শুধু পুটপুটির মতো একটা মেয়েকে তৈরি করেছেন বলে! ভালো থাকবেন বেয়াইমশাই।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article লোকায়ত দর্শন : দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নরক সংকেত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }