Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প478 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    থার্ড পার্সন

    বাসের লেডিস সিটে বসে থাকলেও দরজা দিয়ে উঠে বাঁদিকে এক হাত ওপরে তুলে বাসের হাতল ধরে আরেক হাতে মোবাইল খুটখাট করা সোহমকে ঠিক দেখতে পেয়েছে ঈশানী। আর দেখেই সাতসকালে মেজাজটা ওর খিঁচড়ে গেল। কোলের ওপর পড়ে থাকা ঢাউস সানগ্লাসটাকে চোখে লাগিয়ে জানলা দিয়ে দূরে তাকিয়ে রইল ও। কানে হেডফোন গোঁজা। কিছুক্ষণ বাদে নারকেলবাগান স্টপেজ আসতে ভিড়টা একটু হালকা হতেই না চাইতেও চোখটা আবার চলে গেল, হুম, সে ব্যাটাও ঈশানীকে দেখেছে, আড়ে আড়ে চাইছে এদিকে। ঈশানী মুখটা আবার গম্ভীর করে বাইরের দিকে তাকাল। ডিভোর্স হতে যাওয়া স্বামীর সঙ্গে রাস্তায় দেখা হলে কি করা উচিত সেটা ওর উকিল বলে দেয়নি।

    ওদের ফাইনালি ডিভোর্সের আর মাস দুয়েক বাকি। নিয়ম অনুযায়ী ডিভোর্সের ফাইল পিটিশন করলে ছ-মাস সেপারেশনে থাকতে হয়, তারপরও কোর্টে জজের সামনে দুজনে একসাথে থাকতে নারাজ জানালে তবেই মিউচুয়ালি ডিভোর্স কমপ্লিট হয়। সেই জানুয়ারিতে কোর্টে দেখা হবার চারমাস বাদে আবার আজ দেখা হল। না চাইতেও ওর মনে হাজারো প্রশ্ন এসে উঁকি দিতে লাগল, আচ্ছা সোহম এই রাস্তায় কেন? এটা তো ঈশানীর অফিস যাবার রাস্তা, গত ছ-বছর ধরে বালি থেকে বাসে উঠে কলেজ মোড়ে নামে ও, মাঝে বিয়ের পর শুধু দু-বছর সোহমের সাথে এয়ারপোর্টের ফ্ল্যাটে থাকার সময় এয়ারপোর্ট থেকে উঠত, কিন্তু রুট একটাই। কিন্তু সোহমের তো অফিস ডালহৌসি, এদিকে কি করছে?

    পরমুহূর্তেই ওর মনে পড়ল, নিশ্চয়ই সেই মেয়েটা, কি নাম বলেছিল সৌম্য, আত্রেয়ী, তার সাথে দেখা করতে যাচ্ছে, সেই মক্কেলের তো অফিস তো এদিকেই শুনেছিলো। গা’টা রাগে চিড়বিড় করে উঠল ওর, হু! আবার বেগুনি শার্টটা পড়েছে, ঈশানীই কিনে এনেছিল ওটা। চুলের অবস্থা দ্যাখো, চিরুনিও জোটেনি মনে হচ্ছে! গালটা কি একটু ভেঙে গেছে? চোখের কোলটাও বেশ বসা লাগছে। বয়েই গেছে ঈশানীর! ঈশানী হেডফোনটাকে আরও জোরে কানের মধ্যে গুঁজে অরিজিৎ সিং-এর দুনিয়ায় চলে গেল।

    অফিসে পৌঁছে ব্যাগটা ডেস্কে রেখেই অনির্বাণকে ফোন লাগাল ঈশানী। অনির্বাণ ওদের দুজনেরই ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সময় থেকে বন্ধু। অনির্বাণ প্রথমদিকে অনেক চেষ্টা করেছিল ওদের ঝামেলাটাকে মিটমাট করার, কিন্তু শেষে হাল ছেড়ে দিয়েছে। ঈশানীকে বুঝিয়ে কোনো লাভ হয়নি, সোহম নাকি অনুতপ্ত, বারবার অনির্বাণের কাছে ফোন করে বলে একবার যেন ঈশানী ওর ফোনটা রিসিভ করে। ওর চালাকি ঈশানী ভালোই বোঝে, একদিকে ওই আত্রেয়ীর সাথে ফষ্টিনষ্টিও করবে আবার অন্যদিকে ঈশানী, এইসব মেনে নেওয়ার বান্দা ঈশানী নয়!

    অনির্বাণ বলল, ”আরে তুই জানিস না? সোহম তো সিটিএস-এ জয়েন করেছে আগের উইকে, কলেজ মোড়েই তো ওর পোস্টিং।” শুনে টুনে ঈশানী কিছুক্ষণ গুম হয়ে বসে রইল, রাগে ওর ব্রহ্মতালু জ্বলছে, এত শয়তান সোহম, ইচ্ছে করে ঠিক এই সময়ে কোম্পানি চেঞ্জ করল, এইবার সকাল বিকেল দেখা হবে। অবশ্য করবে নাই বা কেন, ওই আত্রেয়ীও তো সিটিএস-এই আছে। ভালো! রাগে দুঃখে ঈশানীর চোখে জল এসে গেল। এই ওর এতদিনের ভালোবাসার পরিণাম! অসহ্য। যেদিন ওরা দুজনেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল আলাদা হয়ে যাবার, সেদিনের কথা মনে পড়ছিল ওর। চার বছরের প্রেম, তারপর বিয়ে করেছিল ওরা। প্রথম প্রথম দিনগুলো স্বপ্নের মতো কাটত, সারা সপ্তাহ অফিস, উইকএন্ডে টুকটাক বেরিয়ে পড়া, তিন-চার মাস অন্তর বাইরে কোথাও ঘুরতে যাওয়া, এভাবেই কাটছিল জীবন। তারপর আস্তে আস্তে কি যে হল, ঈশানীর সবকিছুই সোহমের অসহ্য লাগতে শুরু করল। ছোটখাটো খুঁটিনাটি জিনিস নিয়ে ঝগড়া, তারপরেই তা তুলকালাম আকার ধারণ করত। কান্নাকাটি, চিৎকার চেঁচামেচি, ইগোর লড়াইয়ের মধ্যে ওদের ভালোবাসা যেন কোথায় হারিয়ে গিয়েছিল। রোজ অফিসে এসে ঈশানী মন খারাপ করে বসে থাকত।

    তখন ওদের প্রোজেক্টে সবে জয়েন করেছিল সৌম্য। সোহমের সাথে দূরত্ব বাড়তে বাড়তে কখন যে ঈশানী সৌম্যর মধ্যে একটা সত্যিকারের বন্ধু খুঁজে পেয়েছিল সেটা ও বুঝতেই পারেনি। রোজ সোহমের আঘাত করে বলা কথা, ঝগড়া, তিক্ততা এইসব কিছুর দুঃখ মনের মধ্যে চেপে অফিসে সৌম্যর সাথে কথা বলে টাটকা বাতাস পেতে চাইত ও। সৌম্য ধৈর্য নিয়ে ওকে বোঝাতে মন খারাপ না করতে, মানিয়ে নিতে। সৌম্যই বলেছিল ওকে আত্রেয়ীর কথা। সৌম্যর পুরনো অফিসে আত্রেয়ী কাজ করে, সেখান থেকেই জানতে পেরেছে সোহমের সাথে আত্রেয়ীর ঘনিষ্ঠতার কথা। তবু ঈশানী মুখ ফুটে কিছু বলেনি সোহমকে। কিন্তু শেষে একদিন যখন সোহম রাত করে বাড়ি ফিরে ঝগড়ার সময় তেতো মুখে বলল ঈশানীর কিছুই নাকি ওর ভালো লাগে না, ঘেন্না লাগে ওর মুখটা দেখে, সেদিন ঈশানী আর সহ্য করতে পারেনি। পরেরদিন ভোর হতে না হতেই ব্যাগ গুছিয়ে চলে বেরিয়ে এসেছিল ওদের দু-কামরার ছোট্ট সংসারটা থেকে। না, বাবার কাছেও যায়নি, ও কারুর সহানুভূতির পাত্রী হতে চায় না, সোজা এসে উঠেছিল ডানলপের একটা লেডিজ হস্টেলে। বাবামা অনেক বুঝিয়েছিল, বন্ধুরাও। কিন্তু ও কারুর কথা শোনেনি। দুজন মানুষ জন্তুর মতো একসাথে থাকার চেয়ে ভালোভাবে ভদ্রভাবে আলাদা থাকা অনেক ভালো। তার দিন পনেরো বাদে উকিলের নোটিশ পাঠিয়েছিল সোহমকে।

    এমন তন্ময় হয়ে ও ভাবছিল, কখন সৌম্য এসে ডাকছিল বুঝতেই পারেনি ঈশানী। সৌম্য যে ওকে পছন্দ করে সেটা ঈশানী ভালোমতোই জানে, কিন্তু এত তাড়াতাড়ি আর কিছু ভাবতে চায় না ও। সোজা হয়ে বসে মনটাকে শক্ত করল ঈশানী, রাস্তা সবার, যেকেউ সেখান দিয়ে যেতে পারে, তাতে ঈশানীর কিছুই যায় আসে না। বাসে সোহমের সাথে দেখা হলে কিছুই যায় আসবে না ওর, কত অপরিচিত লোকই তো প্রতিদিন ঈশানীর সাথে বাসে আসে, যায়, সোহমও তেমনই কেউ। পাত্তাই দেবে না ও।

    *

    কিন্তু মানুষ যা ভাবে তা হয় না। এরপর থেকে প্রায়ই দুজনের দেখা হতে লাগলো। কখনো বাসে, কখনো লাঞ্চ টাইমে রাস্তায়। প্রথম প্রথম ঈশানী দেখতে পেলেই উল্টো দিকে তাকাত বা অন্য দিক দিয়ে চলে যেত। কিন্তু একদিন ফেরার সময় বাসে খুব ভিড় ছিল, আইপিএল-এর ম্যাচ চলছে, বাসে তিলধারণের জায়গা নেই। ঈশানী কোনোমতে উঠে একটা লেডিজ সিট পেয়েছিল। একটু বাদে ওর সামনে এসে সোহম দাঁড়াল। প্রথমে কিছুক্ষণ চুপচাপ দুজনেই, বাসটা খুব জোরে চলতে চলতে বারবার ব্রেক কষছিল, সোহমই প্রথম কথা বলল, ”ব্যাগটা একটু ধরবে?”

    ঈশানী কয়েক মুহূর্ত ইতস্তত করে ব্যাগটা নিয়ে কোলের ওপর রেখে আবার বাইরের দিকে তাকাল। মিনিট পনেরো দুজনেই চুপ, বাইরে জোর বৃষ্টি নেমেছে, তার ছাঁটে ঈশানী ভিজে যাচ্ছিল, সেটা দেখে সোহম ঝুঁকে এসে জানলার কাচটা নামিয়ে দিলো, মৃদু স্বরে বলল, ”কেমন আছ?”

    —-”ভালো।”

    সেদিন আর কোনো কথা হল না, এয়ারপোর্ট আসতে চাপা গলায় থ্যাঙ্কস বলে সোহম নেমে গেল।

    এর পরেরদিন বাসে উঠে চোখাচোখি হতে সোহম হাসল, ঈশানীও হাসিটা ফিরিয়ে দিল। সোহম দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই পকেট থেকে একটা পাঁচ টাকার কেক বের করে খাচ্ছিল। ঈশানীর দিকে বাড়িয়ে বলল, ”খাবে?”

    ঈশানী দু-দিকে মাথা নাড়ল। কিছুক্ষণ চুপ থেকে অন্যদিকে তাকিয়েই বলল, ”লক্ষ্মীমাসি কি আসেনি আজ?”

    —”ছাড়িয়ে দিয়েছি। একা মানুষ, অসুবিধা হয় না। আমার ফেরার কোনো ঠিক নেই, বুড়ো মানুষ আর কত দেরি করে আসবে।”

    —”ও। তাহলে…খাওয়াদাওয়া?”

    —”লাঞ্চটা অফিসেই সারি। আর রাতের খাওয়াটা হোটেলে। আর মাঝে মাঝে এই কেক, পিৎজা দিয়েই চালিয়ে দিই।”

    ঈশানী ঠোঁটটা কামড়াল। লক্ষ্মীমাসি রান্না করতে আসবে বলে ও রোজ ছুটতে ছুটতে অফিস থেকে সন্ধের মধ্যে বাড়ি ফিরত। সোহমের বাড়াবাড়ি লেভেলের জন্ডিস হবার পর থেকে ঈশানী ওকে কিচ্ছু খেতে দিত না বাইরে। এদিকে কোর্টে দাঁড়িয়ে সোহম বলেছিল ঈশানীর নাকি সংসারের দিকে কোনো মন-ই নেই। তাহলে ঈশানী জীবন থেকে চলে যেতে এইরকম দশা কেন! সেপারেশনটা হয়ে গেলে ওই আত্রেয়ীকে বিয়ে করে নিয়ে এলেই ল্যাঠা চোকে! ঈশানীও খবর রাখবে, রোজ কত বিরিয়ানি, মণ্ডা-মিঠাই বানিয়ে খাওয়ায় মেয়েটা সোহমকে!

    অফিসে গিয়ে সৌম্যকে ব্যাপারটা বলল ঈশানী। সৌম্য তাচ্ছিল্যভরে বলল, ”ওসব তোমাকে গিল্টি ফিল করাবার জন্য।”

    ঈশানীও মাথা নাড়ল সম্মতির ভঙ্গিতে। ঠিকই বলেছে সৌম্য, যে ঈশানীকে ঘেন্না করে, এত ভালোবাসার পর যে কোর্টে অমন মিথ্যে কথা বলতে পারে, সে সব কিছুই পারে!

    *

    সেদিন বাসে মারাত্মক ভিড় ছিল। ঈশানী জায়গা পায়নি, এক কোণে দাঁড়িয়ে ছিল কোনোমতে। ভিড় বাসে মেয়েদের দাঁড়িয়ে থাকা যে কি দুঃসহ ব্যাপার সেটা যারা রোজ ডেলি প্যাসেঞ্জারি করে তাদের থেকে ভালো কেউ জানে না। একদিকে ব্যাগটাকে দিয়ে শরীরকে অবাঞ্ছিত স্পর্শ থেকে আড়াল করার প্রাণপণ চেষ্টা, অন্যদিকে বাসের হঠাৎ ব্রেক কষা, বা ঝাঁকুনিতে টাল সামলানো। এয়ারপোর্ট আসতে সোহম এখন উঠে প্রথমে লেডিজ সিটের দিকে ওকে খোঁজে, দেখতে পেলে সামনে এসে দাঁড়ায়। কিন্তু আজ তো ওকে সিটে দেখতে পাবে না। তাতে অবশ্য ঈশানীর কিছুই যায়-আসে না। রাস্তায় দেখা, ওই সৌজন্যমূলক যেটুকু কথা না বললে নয় আর কি! মনের দিক থেকে ঈশানী যথেষ্ট দৃঢ়, বাড়ি ছেড়ে চলে আসার পর সোহমের হাজার মেসেজ, ইমেইল, হোয়াটসআপেও ও সাড়া দেয়নি। হঠাৎ ঈশানী দেখতে পেলো, ভিড় ঠেলে সোহম ওর দিকে এগিয়ে আসছে, হাতে একটা বড় গিফটের বাক্স। লোকজন সাইড দিচ্ছে না, উল্টে কড়া কথা শোনাচ্ছে ভিড় ঠেলে এগোবার জন্য। কোনোদিকে ভ্রূক্ষেপ না করে সোহম ঠেলেঠুলে কাছে এসে যুদ্ধজয়ের হাসি হাসল। বেশ দামি একটা শার্ট পড়েছে, এটা প্রথম জামাইষষ্ঠীতে ঈশানীর বাবামা দিয়েছিলেন।

    বাসের একটা রডে হেলান দিয়ে খুব ব্যালান্স করে ঈশানী দাঁড়িয়েছিল, মুখোমুখি সোহম। কোনো কথা খুঁজে না পেয়ে ঈশানী বলল, ”আজ কোনো পার্টি আছে বুঝি?”

    সোহম মাথা নাড়ল, ”হ্যাঁ, আজ আমাদের একটা কলিগ, তুমি নাম শুনেছ মনে হয়, আত্রেয়ী বসু বলে, ওর বিয়ে। অফিস থেকে ডাইরেক্ট চলে যাব। সবাই আমাকেই গিফট কেনার দায়িত্ব দিয়েছিল।”

    ঈশানী হাঁ হয়ে গেল, ”আত্রেয়ী?”

    —”হ্যাঁ, তুমি চেনো নাকি?”

    ঈশানী কিছু বলল না। মনের মধ্যে নাগরদোলা পাক খাচ্ছে। বিরক্তি, কৌতূহল, খটকা সব মিলেমিশে ঘূর্ণিপাকের সৃষ্টি করছে ভেতরে। কিন্তু সৌম্য যে বলেছিল……হঠাৎ একটা সাংঘাতিক ঝাঁকুনিতে সোহম টাল সামলাতে না পেরে ঈশানীর গায়ের ওপর সটান হুমড়ি খেয়ে পড়ল। বাসটা খুব জোরে ব্রেক কষেছে। ঈশানীর প্রত্যেকটা অঙ্গ ছুঁয়ে গেল সোহমের সাথে, অনেক দিন বাদে। ঈশানী প্রথমে কি বলবে ভেবে পেল না, তারপর ওর মুখ দিয়ে একটু জোরেই বেরিয়ে গেল, ”কি অসভ্যতা হচ্ছে এগুলো!”

    পাশের একটা ছেলে হাঁক দিল, ”কি ব্যাপার বলুন তো দাদা, চেহারা দেখে তো ভদ্রলোক বলেই মনে হয়, মেয়েদের ঘাড়ের ওপর পড়ছেন কেন? তখন থেকে দেখে যাচ্ছি।”

    আরেকজন টিপ্পনী কাটল, ”যেই দেখেছে একটা মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে, অমনি ভিড় ঠেলে ওইখানে ছুটল, কি স্বভাব সত্যি এদের!”

    ”কানের গোড়ায় দু ঘা দিলেই এদের চুলকুনি বেরিয়ে যাবে।”

    সব জায়গাতেই ইন্ধন জোগানো জনতার অভাব হয় না। বিনি পয়সার এন্টারটেনমেন্ট পেতে দু-একজন এগিয়ে এসে সোহমের কলার ধরল, ”এই এটাকে ধরে বাস থেকে নামিয়ে দে তো!”

    ঈশানী থতমত খেয়ে গেছে, এরকম যে হবে ও ধারণাও করতে পারেনি। সোহমের মুখ অপমানে লালচে হয়ে গেছে। আরেকজন এসে চুলের মুঠি ধরে টেনে নিয়ে যাওয়ার উপক্রম করতেই সোহমের হাত থেকে গিফটটা মাটিতে পড়ে গেল। সোহম বলতে গেল, ”কি করছেন কি আপনারা! আমি কি ইচ্ছে করে গায়ে পড়েছি নাকি! আর তাছাড়া উনি আমার………” কথাটা সম্পূর্ণ করার আগেই একটা ফচকে ছেলের রদ্দায় ওর মুখটা একদিকে বেঁকে গেল।

    ঈশানীর পাশে বসে থাকা এক ভদ্রমহিলা ওর মুখের দিকে তাকিয়ে বললেন, ”তুমি ভয় পেয়ো না মা, আমার সিটে এসে কিছুক্ষণ বসো, এইসব জানোয়ারদের জন্য মেয়েদের রাস্তায় বেরনোই দুষ্কর হয়ে উঠেছে।

    ঈশানী হতবুদ্ধি হয়ে গিয়েছিল। সোহম ততক্ষণে বাসের মেঝেতে শুয়ে পড়েছে, কিল চড় চলছে অবিরাম। ঈশানী প্রাথমিক ঘোর কাটিয়ে চিৎকার করল, ”কি করছেন কি আপনারা? ছেড়ে দিন এক্ষুনি ওনাকে!”

    কেউ কান দিল না। আরো দু-একবার ঈশানীর চিৎকারে একটা ছেলে মুখ ফেরাল, ”আজব মাইরি! আপনার সাথে অসভ্যতা করল বলে আমরা মারছি, আর আপনিই?”

    ঈশানী পাগলের মতো সবাইকে ঠেলে সরাতে সরাতে চিৎকার করল, ”উনি, উ-উনি আমার স্বামী।”

    সোহমের ততক্ষণে মুখ-চোখ ফুলে গেছে, কপালে গভীর কালশিটে, সেই অবস্থাতেও ঈশানীর দিকে ও তাকাল। চোখে সেই লুপ্ত হয়ে যাওয়া দৃষ্টি, যেটা বহুকাল আগে বিয়ের আগে বা বিয়ের পরে পরে ঈশানী দেখতে পেত, যদিও সেই চোখে ভালোবাসার সাথে মিশে রয়েছে এক পরম নির্ভরতার আশ্বাস।

    * * * * *

    ঈশানী ধীর পায়ে কোর্টের এজলাসে ঢুকল। লোকজন তেমন নেই। কিছু অত্যুৎসাহী লোকজন কোর্টের আশেপাশে ঘুরঘুর করে, মামলা শোনা তাদের নেশা, কিন্তু ডিভোর্সের মামলা আজকাল জলভাত। ও একবার চোখ তুলেই নামিয়ে নিল, সোহম বসে আছে চুপচাপ। মুখে বেশ কয়েকদিনের না কাটা দাড়ির জঙ্গল, চুল উসকো খুসকো।

    প্রাথমিক ফরম্যালিটিজের পর হিয়ারিং শুরু হল। ঈশানীর সাথে ওর বাবা- মাও গেছেন। মা একবার ঈশানীর দিকে চেয়ে বললেন, ”এখনো সময় আছে, ভেবে দ্যাখ। স্বামী-স্ত্রী একসাথে থাকলে ঠোকাঠুকি লাগবেই, তোর বাবা আর আমার মধ্যে লাগেনি? শুধু স্বামী-স্ত্রীই বা কেন, মা মেয়ে, বাবা ছেলের সবার মধ্যেই লাগে। তার মানে কি ছাড়াছাড়ি করতে হবে? তাই বলে ভালোবাসাটা মিথ্যে হয়ে যায়না।”

    জজসায়েব বললেন, ”আপনাদেরকে মহামান্য আদালত ছয়মাস সময় দিয়েছিল শেষ চেষ্টা করতে। সেই সময়কাল উত্তীর্ণ। আপনারা কি এখনো ডিভোর্সই চাইছেন?”

    সোহম চুপ করে মাথা নামিয়ে বসে আছে। ঈশানীর উকিল এগিয়ে গেলেন, ”ইয়োর অনার, আমার মক্কেল মিসেস ঈশানী সেন………” হঠাৎ উনি চুপ করে গেলেন। ঈশানী উঠে দাঁড়িয়েছে, ”স্যার, আমাদের সময় দেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। আমরা, আ-আমরা আবার একসাথে থাকতে চাই।”

    সোহম মাথা তুলল, অবাক দৃষ্টি।

    ঈশানীর চোখে জল এসে গিয়েছিল বলতে বলতে, অনেক কষ্টে নিজেকে সংবরণ করল ও। আজ ওর খুব হালকা লাগছে নিজেকে। সেদিন আত্রেয়ীর বিয়ের কথা জানতে পারার পর সব কিছু দিনের আলোর মতো ওর সামনে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল। অনির্বাণ ওকে আগেই বলেছিল ও বিশ্বাস করেনি। সৌম্য মিথ্যে কথা বলে দিনের পর দিন ঈশানীর মনটা বিষিয়ে দিয়েছিল। নিজে ঈশানীকে পাওয়ার জন্য পুরো প্ল্যানমাফিক এগিয়েছে, মাঝখান থেকে ঈশানী-সোহমের সাময়িক মনোমালিন্য অনুঘটকের কাজ করেছে।

    *

    রাতে শুয়ে সোহম ঈশানীর পিঠে সুড়সুড়ি দিয়ে দিচ্ছিল ঠিক আগের মতো। ঈশানী মনে মনে ভাবছিল মায়ের বলা কথাগুলো, সব স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেই ঝগড়া হয়, তাই বলে ভালোবাসা নেই এটা ভাবা ভুল, আরও বড় ভুল সেই ঝগড়ার সুযোগ কাউকে নিতে দেওয়া। ঈশানী গুটিসুটি মেরে শুয়ে শুয়ে বলল, ”আর কোনোদিনও আমরা কেউ কোনো থার্ড পার্সনকে আমাদের মধ্যে আসতে দেব না, কেমন?”

    সোহম চুপিচুপি ঈশানীর কানের কাছে মুখ নিয়ে বলল, ”না। দেব। জুনিয়র সোহম আর জুনিয়র ঈশানীকে।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article লোকায়ত দর্শন : দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নরক সংকেত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }