Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প478 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দোলগোবিন্দবাবুর চশমা

    পটলা ডাইনিং-এ এসে চায়ের কথা জিজ্ঞেস করতেই দোলগোবিন্দবাবু গরম তেলে পড়া পাঁচফোড়নের মত চিড়বিড়িয়ে উঠলেন, ”রোজ রোজ এক কথা জিজ্ঞেস করিস কেন রে হতভাগা? দিবি তো দে, না দিবি তো বিদেয় হ’ এখান থেকে!”

    পটলা একটু হকচকিয়ে মানে মানে রান্নাঘরের দিকে কেটে পড়ল। বাবু এমনিতে তো বেশ শান্ত, এরকম চেঁচামেচি তো কোনোদিন করে না, আজ হলটা কি!

    হয়েছেটা যে কি সেটা দোলগোবিন্দবাবু নিজেও ঠিক বুঝে উঠতে পারছেন না। তবে মেজাজটা মারাত্মক খিঁচড়ে আছে সন্দেহ নেই। খিঁচড়ে থাকার যথেষ্ট গুরুতর কারণও আছে। তাও আবার একটা কারণ নয়, দু-দুটো কারণ। প্রথম কারণটার জন্যই দ্বিতীয় কারণটা ঘটেছে, আর দ্বিতীয়টাই বেশি চিন্তার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    পরশু সন্ধেবেলা ছিল রবিবার, অফিসের কলিগ অজয় তার অতীব বেয়াদপ বছরদশেকের ছেলেকে নিয়ে এসেছিল দোলগোবিন্দবাবুর বাড়ি। এদিকে কি কাজ ছিল, তাই ঘণ্টাখানেকের জন্য দেখা করে গেল। তার মধ্যেই সেই বিচ্ছু ছেলেটা একগাদা ক্ষতি করে দিয়ে গেল। প্রথমে পটলার আনা কাঁচের গ্লাস ভর্তি শরবৎ উল্টে একাকার করলো, তারপর চাউমিনের নুডলসগুলো রিং করে করে খেতে গিয়ে দোলগোবিন্দবাবুর সাধের সোফায় একগাদা ফেলল। দোলগোবিন্দবাবু তো রাগে দাঁত কিড়মিড় করছেন মনে মনে, এইসব বাচ্চাদের নিয়ে কেউ লোকের বাড়ি আসে! এরা হচ্ছে যাকে বলে গিয়ে খুদে একেকটা অ্যান্টিসোশ্যাল বম্ব! অবশেষে সবচেয়ে বড় সর্বনাশটা করে ক্ষান্ত হল, দোলগোবিন্দবাবুর কাল সকালেই কিনে আনা নতুন সানগ্লাসটা ‘একটু দেখছি’ বলে নিয়ে সেটার ডাঁটি বেঁকিয়ে, তার কাচে দাগ বসিয়ে দিল।

    এমনিতে দোলগোবিন্দবাবু একা বোকা মানুষ, নিজেকে নিয়ে থাকতেই ভালোবাসেন। বিয়ে করলে হাজার ঝঞ্ঝাটে জড়াতে হবে ভেবে আর ও-পথ মাড়াননি। এখন তো এইসমস্ত খুদে দুষ্কৃতীদের দেখে মনে মনে নিজেকে অশেষ ধন্যবাদ দেন তিনি। অফিস আর বাড়ি ফিরে অ্যাকোরিয়াম ভর্তি মাছ, সঙ্গে চাকর পটলা এই নিয়েই কাটে তাঁর জীবন। কয়েকদিন ধরেই ভাবছিলেন, সকাল সাড়ে ন-টার সময় যখন অফিস বেরোন, এত রোদ, চোখ তুলে তাকানো যায় না, যেন ধাঁধা লেগে যায়। পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ু দিনদিন পালটে যাচ্ছে। তাই কাল সকালে অনেক সাধ করে রে-ব্যানের দামি সানগ্লাসটা কিনেছিলেন। এমনিতে দোলগোবিন্দবাবু ভীষণ হিসেবি মানুষ, বাজে খরচা একদমই করেন না, নিন্দুকেরা তাকে কিপটে বলেই চেনে। তবু কখনো কখনো তো সবারই কিছু না কিছুর শখ হয়!

    ভালো সানগ্লাসের দোকান অফিসের এক ছোকরার থেকে জেনে নিয়ে গুটিগুটি তাই হানা দিয়েছিলেন সেখানে। দোকানের ছেলেটিও বড়ো ভালো, প্রায় পঞ্চাশটার ওপর সানগ্লাস দেখে তারপর পছন্দ করেছিলেন দোলগোবিন্দবাবু, তবু তার এতটুকু বিরক্তি নেই! শেষে যখন এইটা পরে আয়নায় নিজেকে বেশ ভালো লাগছিল, তখন ছেলেটা একগাল হেসে বলল, ”এইটা নিয়ে যান স্যার, আপনার ওই লালমোহন গাঙ্গুলির মতো চকচকে টাকের সাথে হেব্বি মানিয়েছে! আপনার টাকটাও গোল, মুখটাও গোল, আর সানগ্লাসের ফ্রেমটাও একদম গোল, হে হে!”

    দোলগোবিন্দবাবু বেশ লজ্জাটজ্জা পেয়ে খুশি হয়ে কড়কড়ে সাড়ে চার হাজার টাকা দিয়ে সানগ্লাসটা কিনে বাড়ি চলে এসেছিলেন। ভেবেছিলেন সোমবার অফিসে গিয়ে সবাইকে চমকে দেবেন। ওমা, দশঘণ্টাও টিকলো না সানগ্লাসটা! রাগে দোলগোবিন্দবাবুর গা রি-রি করছিল, মনে হচ্ছিল টেনে এক চড় কসিয়ে দেন বিচ্ছুটার গালে।

    রাগে দুঃখে অজয়ের দিকে তাকাননি পর্যন্ত অফিসে গিয়ে। কাল অফিস- ফেরতা কাঁচুমাচু মুখে নিয়ে গিয়েছিলেন চশমাটা সেই দোকানে। আর সেইখানেই দু-নম্বর কারণটার সূত্রপাত। দোকানের সেই হাসিখুশি ছেলেটা সানগ্লাসটা উল্টে পালটে দেখে বলল, ”জেঠু, এটা তো একদমই ড্যামেজড হয়ে গেছে, আর এটা তো ইচ্ছে করে ভাঙা, তাই ওয়ারান্টির মধ্যে আসবে না!”

    দোলগোবিন্দবাবু কাঁদোকাঁদো হয়ে বলেছিলেন, ”প্লিজ কিছু একটা ব্যবস্থা করো বাবা! এত টাকা দিয়ে কিনলাম বুঝতেই পারছ! নইলে যে আমি ধনেপ্রাণে মারা পড়ব!”

    ছেলেটা আরো কিছুক্ষণ পরীক্ষানিরীক্ষা করে বলেছিল, ”না জ্যেঠু, এটা সারাতে আপনার প্রায় দু-হাজার টাকা মতো পড়ে যাবে।”

    শুনে তো দোলগোবিন্দবাবুর প্রায় ভিরমি খাওয়ার মতো অবস্থা। স্থানকালপাত্র ভুলে ছেলেটার হাত ধরে কাকুতিমিনতি করতে থাকেন কিছু একটা করার জন্য। অবশেষে ছেলেটা গলা একটু নামিয়ে বলেছিল, ”আপনি এত করে যখন বলছেন, একটা কাজ করতে পারি।”

    দোলগোবিন্দবাবু সোৎসাহে বললেন, ”কি ভাই বল না!”

    ছেলেটা গলা আরো খাদে নামিয়ে বলেছিল, ”আমাদের তো কিছু ডিফেক্টিভ মাল স্টকে থাকে, মানে আপনারা খালি চোখে সেই ডিফেক্ট বুঝতেই পারবেন না, সেরকম একটা সানগ্লাস দিয়ে দিতে পারি আপনাকে! তবে তার জন্য পাঁচশো টাকা লাগবে।”

    দোলগোবিন্দবাবু একটু চুপসে গিয়ে বলেছিলেন, ”কিন্তু আ-আমি তো নতুনের দামেই কিনেছি, এতগুলো টাকা দিয়ে! ডিফেক্টিভ মাল নেব, তাও আবার টাকা লাগবে?”

    ছেলেটা তখন সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে গলা চড়িয়ে বলেছিল, ”তাহলে আমার আর কিছু করার নেই দাদা!”

    স্যার থেকে জ্যেঠু, জ্যেঠু থেকে দাদা! আর বেশি কথা বাড়ালে বোধ হয় নাম ধরেই ডাকবে! কিছু করার নেই, দোলগোবিন্দবাবু বেজার মুখে নতুন সানগ্লাস নিয়ে বাড়ি এলেন। নেই মামার থেকে কানা মামা ভালো। তবে বাড়ি এসে ভালো করে দেখেটেখে তাঁর মন খুশ হয়ে গেল। কি ডিফেক্ট কে জানে, দোলগোবিন্দবাবুর তো কিছুই চোখে পড়ল না, একদম আগেরটারই মতো অবিকল! বরং আজ সকালে চোখে দিয়ে বেরোতে চোখটা বেশ ঠাণ্ডাই লাগছিল।

    দ্বিতীয় কারণটা এর পরেই ঘটতে শুরু করল। প্রথম গোল বাঁধল অফিস যাওয়ার সময়েই। প্রচণ্ড চড়া রোদ উঠেছিল বলে দোলগোবিন্দবাবু সানগ্লাসটা পরে বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়েছিলেন, খুলে হাতে নিয়ে বাসে উঠতে যাবেন এমন সময় পাশের পাড়ার অলোক বলে উঠল, ”হ্যাঁ চশমাটা খুলেই রাখুন দাদা, আকাশ এমন অন্ধকার করে এসেছে, সানগ্লাসের দরকার কি! হোঁচট খাবেন তো এবার!” এইরকম চাঁদিফাটানো রোদ্দুর, আর বলছে অন্ধকার করে এসেছে? বাজে রসিকতা ভেবে দোলগোবিন্দবাবু কটমট করে তাকিয়েছিলেন, এরকম ফচকেমির জন্য কিছু বলতেও যাচ্ছিলেন, এমন সময় বাস আসতে কথা না বাড়িয়ে উঠে পড়লেন।

    পরের গণ্ডগোলটা হল অফিস গিয়েই। দোলগোবিন্দবাবু রাজ্যসরকারের আপার ডিভিশন ক্লার্ক, এই দপ্তরে এগারোটা সাড়ে এগারোটার আগে কেউ অফিস ঢোকে না। দোলগোবিন্দবাবুও ওরকম সময়েই ঢুকে চেয়ারে বসে সানগ্লাসটা সবে খুলতে যাবেন এমন সময় চোখ পড়ল সামনের দিকে। মাথার ওপর ঘড়ঘড় ঘুরছে পাখা, টেবিলের ওপর ছোট্ট ক্ল্যালেন্ডার শো-পিস, প্রতিদিন সকালে পিওন ঝন্টু এসে ওর তারিখটা বদলে দেয়। দেখে ভ্রূ কুঁচকে গেল দোলগোবিন্দবাবুর। ব্যাটার কাজে মন নেই, খালি বখশিশ পাওয়ার ধান্দা! আজ হল গিয়ে একুশ তারিখ, ব্যাটাচ্ছেলে বাইশ করে রেখেছে। সানগ্লাসটা খুলে রুমালে মুখ মুছতে মুছতে হাঁক পাড়লেন ঝন্টুকে, ”হ্যাঁরে, আর কটাদিন বাকি আছে চোখে তুলসীপাতা পড়তে? কাজেকম্মে মন আছে তোর?”

    ঝন্টু এসে তাকিয়ে রইল হাঁ করে কিছুক্ষণ, তারপর মুখ বেঁকিয়ে খিঁচিয়ে বলল, ”তুলসীপাতা পড়বে কেন বাবু! এত তাড়াতাড়ি আমি মরছি না, মেয়েটার বিয়ে দিতে হবে, ছেলেটাকে……।”

    দোলগোবিন্দবাবু আরো রেগে গিয়ে থামিয়ে দিয়ে বললেন, ”আরে বাবা, তোকে কে মরতে বলছে! বলছি তোর চাকরিলাইফে তুলসীপাতা পড়তে তো আর একবছর বাকি আছে, না? এর মধ্যেই কাজে ঢিলে দিতে শুরু করেছিস? আজকে একুশ তারিখ ভুলে মেরে দিয়েছিস বুঝি?”

    হাত দিয়ে ঝন্টুকে ভুলটা দেখাতে গিয়ে দোলগোবিন্দবাবু নিজেই থ হয়ে গিয়েছিলেন, না, একুশই তো রয়েছে! একটু আগে কি ভুল দেখলেন নাকি! দোলগোবিন্দবাবু আর কিছু বলতে পারলেন না। উল্টে ঝন্টু অ্যাটিটিউড নিয়ে বলে গেল, ”হু!, ঝন্টু হেলা কখনো কাজে ভুল করে না, আপনি বরং আপনার চোখটা দেখান!”

    দোলগোবিন্দবাবু আর কি বলবেন! সরকারি অফিস, কেউ কাউকে তেমন মানে না। খুঁতখুঁতে মনে বিকেলে বাড়ি ফিরে এলেন। এরকম কেন হচ্ছে? ডিফেক্টিভ সানগ্লাস পড়ে চোখ টোখ খারাপ হচ্ছে না তো! চুপচাপ সোফায় বসে টিভি দেখছিলেন, হঠাৎ চোখ পড়ল সামনে রাখা সানগ্লাসটার দিকে। আনমনে সানগ্লাসটা হাতে নিয়ে অন্যমনস্কভাবে ঘুরিয়েফিরিয়ে কিছুক্ষণ দেখলেন, তারপর চোখে দিলেন সেটা। এরই মধ্যে টিভিতে চলতে থাকা খবর পালটে গেছে, পোস্তা অঞ্চলে একটা উড়ালপুল ভেঙে পড়েছে, প্রচুর মানুষ মারা গেছে, চাপা পড়ে আছে অনেকে, সেটাই দেখাচ্ছে বারবার। দোলগোবিন্দবাবু চমকে গেলেন, আরে ওখানেই তো তাঁর এক খুড়তুতো ভাইয়ের বাড়ি, ওই ফ্লাইওভারের পাশেই তো তার দোকান। সাবধানে সানগ্লাসটা টেবিলে নামিয়ে রেখে সঙ্গে সঙ্গে উঠে গিয়ে ল্যান্ডলাইন থেকে ফোন করলেন ভাইকে, ”হ্যাঁ রে, তোরা সবাই ঠিক আছিস তো?”

    সুজয় তো অবাক, দাদা এতকাল বাদে হঠাৎ ফোন করেছে, সাতজন্মে তো কারুর সাথে যোগাযোগ রাখে না! সে বলে, ”হ্যাঁ বুবুদা, আমরা তো ঠিকই আছি, তুমি কেমন আছ?”

    দোলগোবিন্দবাবু আবার বললেন, ”না না, ওই যে তোদের বাড়ির পাশের ফ্লাইওভারটা ভেঙে পড়েছে, কিছু হয়নি তো তোদের?”

    সুজয় তো আকাশ থেকে পড়ল, ”কি সব বলছ দাদা! ফ্লাইওভার ভেঙে পড়েছে! কোথায়! এই তো দিব্যি দোকানে বসে দেখতে পাচ্ছি!”

    দোলগোবিন্দবাবু বললেন, ”অ্যাঁ? অ্যাঁতবে কি অন্য কোথাও নাকি! কিন্তু না, ওই জায়গার কথাই তো বলল!”

    সুজয় আবার বলল, ”তোমার শরীর-টরির ঠিক আছে তো বুবুদা? একদিন যাব’খন দেখতে!”

    দোলগোবিন্দবাবু হু-হা করে ফোন ছেড়ে দিয়ে আবার সোফায় এসে বসলেন। কি হল ব্যাপারটা? এতবড় একটা খবর, আর সুজয় জানেনা! টিভিতেও এখন আর কিছু দেখাচ্ছে না ওই ব্যাপারে! অন্যমনস্কভাবে দোলগোবিন্দবাবু আবার সানগ্লাসটা চোখে পড়লেন, সঙ্গে সঙ্গে টিভির খবর পালটে গিয়ে ভেসে উঠল ফ্লাইওভার দুর্ঘটনায় হতাহতের মর্মান্তিক সংবাদ। স্ক্রিনের ডানদিকে চোখ পড়ল দোলগোবিন্দবাবুর, বাইশ তারিখ দেখাচ্ছে! ঝটিতি সানগ্লাসটা খুললেন, এখন টিভির পর্দায় একুশ তারিখ, খবরও শান্ত, চুপচাপ ডিবেট চলছে একটা। নিজের অজান্তেই শিরদাঁড়া দিয়ে একটা হিমেল স্রোত বেয়ে গেল দোলগোবিন্দবাবুর। এ কি অপার্থিব ব্যাপার! সানগ্লাসটা পরলে একরকম, খুললে আরেকরকম কেন! কাঁপাকাঁপা হাতে সানগ্লাসটা আরেকবার পরলেন দোলগোবিন্দবাবু, কোনো সন্দেহ নেই, এটা ভূতুড়ে সানগ্লাস। সানগ্লাসটা যখন পরছেন, তখন ঠিক একদিন পরের ঘটনা দেখতে পাচ্ছেন দোলগোবিন্দবাবু, খুলে ফেললে আবার যে কে সেই! অন্য কেউ হলে এতক্ষণে ভয়ে চেঁচামেচি জুড়ে দিত, কিন্তু দোলগোবিন্দবাবু মাথা ঠাণ্ডা রাখলেন। প্রথমেই রিমোট টিপে টিভিটা বন্ধ করলেন, তারপর তাকালেন চারপাশে। অ্যাকোয়ারিয়ামের দিকে চোখ পড়ল, আর সঙ্গে সঙ্গে লক্ষ করলেন তাঁর প্রিয় অস্কার ফিশটা জলের নীচে এককোণে শুয়ে আছে, কমলা রঙের শরীরটা কেমন ফুলে উঠেছে। সানগ্লাসটা খুলতেই দেখলেন মাছটা আনন্দে সাঁতার কেটে চলেছে। দোলগোবিন্দবাবুর গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল। তার মানে ঠিক চব্বিশ ঘণ্টা বাদে মাছটার শরীর খারাপ হবে আর সেটা এই সানগ্লাসটা পরে দোলগোবিন্দবাবু এখনই জেনে গেলেন! উত্তেজনায় দোলগোবিন্দবাবুর শিহরণ হতে লাগল। অলৌকিক ব্যাপার, কোনো সন্দেহ নেই, কিন্তু দোলগোবিন্দবাবু যদি এটাকে ঠিকমতো ব্যবহার করেন, সে যে একদম মারকাটারি ব্যাপার হবে!

    **********

    সেদিনের পর প্রায় ছ-মাস কেটে গেছে। দোলগোবিন্দবাবু চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন, গড়িয়াহাটের মোড়ে তাঁর এখন পেল্লায় চেম্বার। ফিল্মস্টার, খেলোয়াড় থেকে শুরু করে মিনিস্টার পর্যন্ত তাবড় তাবড় লোকের লাইন পড়ে তাঁর কাছে। সবথেকে বেশি ভিড় হয় রেস খেলার লোকেদের, দোলগোবিন্দবাবু শুধু মোটা টাকার বিনিময়ে রেসের মাঠে একবার যান, ব্যস, বলে দেন পরের দিনের রেসে কোন ঘোড়াটা জিতবে। দোলগোবিন্দবাবুর হয়ে প্রচার চালায় তাঁর খুড়তুতো ভাই সুজয়। ফ্লাইওভার সত্যিই ভেঙে পড়ার পর সে তাঁর দাদার অলৌকিক প্রতিভা টের পেয়ে আর একদিনও দেরি করেনি, ছুটে এসে সে-ই বুদ্ধি দিয়েছিল চেম্বার খোলার।

    দোলগোবিন্দবাবু কাউকেই বলেননি আসল ব্যাপার। অলৌকিক প্রতিভা যে তাঁর কিছুই নেই, সবই এই সানগ্লাসের খেল, তা সুজয়ও জানে না। দোলগোবিন্দবাবুর ব্যাঙ্কব্যালান্স প্রতিদিন গুণোত্তর প্রগতিতে বেড়ে চলেছে, ত্রিকালজয়ী মহাপুরুষ বলা হচ্ছে তাঁকে, তিনি এসবে বড়ই খুশি। খুব শীগগিরই নিজের পুরনো বাড়ি ছেড়ে উঠে আসছেন নিউ আলিপুরের এক বাংলোয়। ভক্তদের বলা হয়েছে তাঁর ত্রিনয়ন জাগ্রত হয় শুধুমাত্র অন্ধকারে, তাই চশমা পড়ার প্রয়োজন হয়। আর ভক্তদেরই বা অত কথায় কাজ কি, তারা হাতেনাতে ফল পাচ্ছে এতেই গদগদ।

    এভাবেই চলছিলো, কিন্তু বিপত্তিটা ঘটল একদিন বিকেলে। দোলগোবিন্দবাবু সবেমাত্র তখন তাঁর দৈনন্দিন রেসের মাঠভ্রমণ সেরে চেম্বারে তাঁর দামি ল্যাম্বরগিনি গাড়িতে চড়ে ফিরছেন, তাঁর এক ভক্ত উমেশ ঝুনঝুনওয়ালা রেসের মাঠে প্রচুর টাকা জেতার পর খুশি হয়ে তাঁকে এই গাড়িটা উপহার দিয়েছে। বেশ তাড়াহুড়ো আছে আজ, কাল বিধানসভা ভোটের রেজাল্ট, আজকেই তা জানতে উঁচুতলার দু-তিনজন নেতা আসবেন গোপনে দোলগোবিন্দবাবুর কাছে, কি ফলাফল হবে তা জেনে তারপর তাঁরা প্রস্তুতি শুরু করবেন। দোলগোবিন্দবাবুকে বিশেষ কিছুই করতে হবে না, শুধু একবার টিভিটা খুলে বসতে হবে, ব্যস!

    দোলগোবিন্দবাবুর আদেশমত ড্রাইভার বেশ জোরে গাড়ি চালাচ্ছে, বালিগঞ্জের দিক থেকে এসে গড়িয়াহাট ক্রসিংটার কাছে এসে সিগন্যালে অপেক্ষা করতে করতে হঠাৎ চোখে পড়ল ওপারে তাঁর চেম্বারটার সামনে বিশাল জটলা। কি হল, ফিল্মস্টার কেউ এলো নাকি! চট করে পকেট থেকে ডায়রিটা বের করলেন দোলগোবিন্দবাবু, না, সেরকম তো কারুর আসার এখন অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেই! তবে এত ভিড় কেন?

    সিগন্যাল সবুজ হতে আরও মিনিটতিনেক লাগল। ওপারে পৌঁছে চেম্বারটার কাছে পৌঁছে দোলগোবিন্দবাবুর চক্ষুস্থির হয়ে গেল। লোকে লোকারণ্য, তারই মধ্যে একটা শববাহী স্বর্গরথ দাঁড় করানো রয়েছে মাঝখানে, তার চারপাশে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে অগণিত লোকজন। ড্রাইভার তাঁকে নামিয়ে দিয়ে দুটো গলি পরে গ্যারাজে চলে গেল, দোলগোবিন্দবাবু বিস্মিত চোখে গাড়িটার কাছে এসে প্রথমেই দেখতে পেলেন, তাঁর ভাই সুজয় শববাহী গাড়িটার গায়ে হুমড়ি খেয়ে পড়ে হাপুস নয়নে কাঁদছে, ওদিকে উমেশ ঝুনঝুনওয়ালাও চোখ মুছছে ঘনঘন। আরো কিছু চেনা ভক্তকে চোখে পড়ল তাঁর। বিহবল চোখে আরেকটু এগোতেই পাশ থেকে শুনতে পেলেন একটি মেয়ের সঞ্চালনা, ”বাংলা নিউজ এক্সক্লুসিভ, আপনাদের আবারও দেখাচ্ছি ওঁর নশ্বর দেহ, প্রায় তিন ঘন্টা আগে এই প্রবাদপ্রতিম সিদ্ধপুরুষের জীবনাবসান হয়েছে, খবু অল্পদিনের জন্যই উনি পৃথিবীতে এসে…।”

    আতঙ্কে ভয়ে কয়েক মুহূর্তের জন্য দোলগোবিন্দবাবুর খেয়াল হল যে তিনি সানগ্লাসটা পরে রয়েছেন, বিদুদবেগে সেটা খুলে ফেলতেই সব ভেঁ-ভাঁ, তাঁর চেম্বারের গেটের সামনে অলস ভঙ্গিতে দারোয়ান দাঁড়িয়ে, তাঁকে দেখে পেল্লায় সেলাম ঠুকছে ঘনঘন। ঘামে সারা শরীরটা ততক্ষণে জবজবে হয়ে উঠেছে দোলগোবিন্দবাবুর, অবসন্ন শরীরে টলে পড়ে গেলেন সামনের চাতালটায়।

    পরেরদিন সকালে ঘুম ভেঙে নিজেকে একটা পুরনো হোটেলের ঘরে আবিষ্কার করলেন দোলগোবিন্দবাবু। সুজয় পাশে টেবিলে বসে কি করছিল, দোলগোবিন্দবাবুকে চোখ মেলতে দেখেই উঠে কাছে এসে বলল, ”বুবুদা, এখন কেমন লাগছে তোমার?”

    দোলগোবিন্দবাবু ঘড়ির দিকে তাকালেন, সাড়ে দশটা। উঠে বসে ভ্রূ কুঁচকে বললেন, ”এখানে কেন?”

    সুজয় বলল, ”কাল তোমার প্রেশারটা হঠাৎ ফল করেছিল, মাথা ঘুরে পড়ে গিয়েছিলে, তাই ডাক্তার বলার পর আর বাড়ি নিয়ে যাইনি, চেম্বারের পাশেরই এই হোটেলে নিয়ে এসে রেখেছি তোমায়। হোটেলটা ভালো নয় খুব একটা, কিন্তু তখন আর বেশি দূরে নিয়ে যাওয়ার সাহস পাইনি। এখন ঠিক লাগছে?”

    দোলগোবিন্দবাবু উত্তর না দিয়ে ঠোঁট কামড়ালেন। নাকের পাটা লাল হয়ে আছে, ফুলছে ঘনঘন। আজ তার মানে তাঁর জীবনের শেষ দিন? আজ বিকেলের আগেই তাঁর মৃত্যু হবে? না না, সে কি করে হয়, দোলগোবিন্দবাবু কেঁপে উঠলেন। সবেমাত্র অর্থ, নাম, যশের স্বাদ পেতে শুরু করেছেন, এর মধ্যেই মরে যাবেন তিনি, হয় নাকি! আচ্ছা, কাল শরীরখারাপের জন্য ভুলভাল দেখেননি তো? পরক্ষণেই গলায় ঝোলা সানগ্লাসটার দিকে চোখ পড়ল, হারিয়ে যাওয়ার ভয়ে ওটাকে গলায় ঝুলিয়েই রাখেন তিনি। না, ভুল দেখেননি। আর সানগ্লাস ভুল দেখাবেও না। আজই দোলগোবিন্দবাবু মরে যাবেন।

    সুজয় তাকিয়ে ছিল, দোলগোবিন্দবাবু ওকে আজকের সব অ্যাপয়েন্টমেন্ট ক্যানসেল করতে বলে হোটেলের ঘর বন্ধ করে বসলেন। কনকনে এসির মধ্যেও ঘামতে শুরু করেছেন। আচ্ছা, কিভাবে মৃত্যু হবে ওনার? হার্ট অ্যাটাক? না, ক-দিন আগেও ডাক্তার দেখিয়েছেন, হৃৎপিণ্ড যথেষ্ট সবল। তবে কি গাড়ি অ্যাকসিডেন্ট? এই পরেশ ছোকরা যা রাফ চালায়! নাকি চেনা কেউ খাবারে কিছু মিশিয়ে দেবে! সুজয় নয়তো! এত টাকা, দোলগোবিন্দবাবু মরে গেলে তো সব ও-ই পাবে।

    জানলা থেকে নীচের মানুষগুলোকে দেখতে দেখতে দোলগোবিন্দবাবুর মনে হল, আচ্ছা কেউ গুলি করবে নাতো? রেসের নম্বর বলে দেওয়াতে শত্রুর অভাব নেই এখন। মনস্থির করে নিলেন দোলগোবিন্দবাবু। সানগ্লাস যা দেখায় দেখাক গে যাক, দোলগোবিন্দবাবু আজ কিছুতেই মরবেন না! কোথাও বেরোবেন না, কিচ্ছু খাবেন না, এমনকি কারুর সাথে দেখাও করবেন না। তাহলে আর মৃত্যু হানা দেবে কোথা দিয়ে!

    যেমন ভাবা তেমন কাজ। সুজয়কে ফোন করে কঠোর নির্দেশ দিলেন দোলগোবিন্দবাবু, কেউ যেন না বিরক্ত করে, সে যে-ই হোক না কেন। ডাক্তারও নয়। কাউকে বিশ্বাস নেই। এখন মরলে কিছুতেই চলবে না দোলগোবিন্দবাবুর। হোটেলের দরজায় ডু নট ডিস্টার্ব বোর্ড লাগিয়ে ফোন সুইচড অফ করে এসে বসলেন দোলগোবিন্দবাবু। এইবার মনটা বেশ ভালো লাগছে। বেশ বিজয়ী বিজয়ীও মনে হচ্ছে! হু, ওঁরই সানগ্লাস ওঁকেই নাকি মৃত্যুর নোটিশ দেবে! নিজেকে সত্যিই ত্রিকালজ্ঞ মনে হচ্ছিল দোলগোবিন্দবাবুর।

    ঘড়িতে দেখলেন আড়াইটে বেজে গেছে। কোনো কাজ নেই, তাই ক্লান্তিতে এতদিনের ব্যস্ত শরীরটা বুজে আসছে। বিছানায় চিত হয়ে শুয়ে পা নাচাতে নাচাতে দোলগোবিন্দবাবু ভাবতে লাগলেন, আর কি! তিনটে তো বাজতেই চলল, সানগ্লাস ব্যাটাকে তিনি জব্দ করেছেন। খিদেয় পেট চুঁইচুঁই করছে। গা-টাও চ্যাটচ্যাট করছে। সকাল থেকে কিচ্ছু খাননি, স্নান করেননি, বাথরুমে যদি পড়ে যানসেই ভয়ে! পেটে ব্যথা হয় হোক, আর ঘণ্টাখানেক উতরে গেলেই……

    দোলগোবিন্দবাবুর ভাবা শেষ হল না। বিস্ফারিত চোখে দেখলেন, মাথার ওপর ঘুরতে থাকা প্রাগৈতিহাসিক বিশালমাপের কালো মিশমিশে সিলিং ফ্যানটা হঠাৎ তার ছিঁড়ে বিকটভাবে বনবন করে ঘুরতে ঘুরতে নেমে আসছে তাঁর দিকে…!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article লোকায়ত দর্শন : দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নরক সংকেত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }