Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প478 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আচ্ছে দিন

    রাজন্যা অফিসে ঢুকলই কেমন পাঁচনগেলা মুখ করে, তারপর মুখটা একইরকম ভেবলে রেখে ধপ করে চেয়ারে বসে পড়ল।

    টেনশনে ওর বুকের ভেতরটা ঢিপঢিপ করছে।

    অথচ নিয়মমতো আজ ওদের সবার সাপের পাঁচ পা দেখার কথা, আজ ডিপার্টমেন্টের কমিশনার সায়েব আসবেন না, বিধান চন্দ্র রায়ের জন্মদিন, সেই উপলক্ষে মন্ত্রীর ডাকা একটা সভায় যাবেন, সঙ্গে ওনার হেড পিয়োন কাঠি চৌধুরীও যাবে।

    বুড়ো চৌধুরী কিছুতেই ছুটি নেয় না, আর মাসছয়েক হয়তো বাকি রিটায়ারমেন্টের, চাকরি আছে সর্বসাকুল্যে একশো আশি দিন, আর ছুটি জমেছে ইএল, সিক লিভ, সব মিলিয়ে পাঁচশোরও বেশি। তবু কারুর সাধ্যি নেই তাকে ছুটি নিতে রাজি করানোর। বাড়ি থেকে বউও তাড়িয়ে দেয় বোধ হয়!

    শীত গ্রীষ্ম বর্ষা, ট্রেন ধর্মঘট, বাস ধর্মঘট, বুড়ো ঠিক তার ছাতা আর ভাঙা অ্যাটাচি নিয়ে হাজির হয়ে যাবে, আর কে পাঁচ মিনিট পরে ঢুকল, কে সাত মিনিট আগে বেরিয়ে গেল, এই নিয়ে চুকলি করবে কমিশনারের কাছে, সাধে কি আর ওর নাম কাঠি চৌধুরী! কাজ তো করেই না, তার উপর এইরকম কাঠিবাজি।

    মানস রাজন্যাকে ঢুকতে দেখে বলল, ”আরিব্বাস! তুই এলি? আমি তো ভাবলাম সাড়ে এগারোটা বাজে, কাঠিও নেই, আজ বুঝি ডুব দিয়ে অরিন্দমের সঙ্গে ঘুরতে বেরিয়ে পড়বি!”

    রাজন্যা গম্ভীরভাবে বলল, ”আমার বর তো আর এরকম সরকারি চাকরি করে না, আইটি-তে দুমদাম ছুটি পাওয়া যায় না, কাজেই আমি একা একা কোথায় ঘুরব, তাও আবার এই গরমে! অদ্ভুত অদ্ভুত কথা বলিস তুই!”

    মানস ঠোঁট উল্টে বলল, ”পয়েন্ট!” তারপরই চোখ গোলগোল করে বলল, ”এই, ওই কেসটার কি খবর রে? মালটা তো একদম হাবুডুবু খাচ্ছে কুহেলির প্রেমে! আজকেই তো দেখা করার দিন, না? কি করবি কিছু ভেবেছিস?”

    রাজন্যা কিছু বলার আগেই পাশ থেকে সুচরিতা এগিয়ে এল বেশ রসালো ভঙ্গিতে, ”হ্যাঁ, আমাকে আজ অফিসে ঢুকতে না ঢুকতেই বলেছে।”

    রাজন্যা থম মেরে গেল, ”কি বলেছে?”

    সুচরিতা মুখ চোখ নাচিয়ে বলল, ”বলছে ম্যাডাম, আমি না তিন-চার রাত ধরে ঘুমোতেই পারছি না, কি করি বলুন তো? আজ তো এক তারিখ, ও সত্যিই আসবে তো?” বলতে বলতে হেসে গড়িয়ে পড়ল সুচরিতা, ”রাজন্যা, তুই যা শুরু করেছিস না! বেচারা দেবদাস না হয়ে যায়!”

    তমাল ফুট কাটল, ”আজ থেকে জিএসটি-ও শুরু, অজয়ের ব্যাক টু সিঙ্গলহুডও শুরু! কি কো-ইনসিডেন্স মাইরি!” তারপর গম্ভীর হয়ে বলল, ”শোন, আলতু ফালতু ঝেড়ে ফুটিয়ে দে। দেবদাস হয়ে থাকবে ক-দিন তারপর ভুলে যাবে।”

    রাজন্যা হাসতে গিয়েও হাসতে পারল না।

    অথচ নাটের গুরু কিন্তু ও-ই।

    রাজন্যা কি একটা বলতে যেতেই মানস চোখের ইশারায় ওকে থামিয়ে দিল।

    অজয় ফাইলগুলো সাজিয়ে সবার টেবিলে রাখতে এসেছে। ছেলেটা ভারি ভালো, নতুন ঢুকেছে গ্রুপ ডি পিয়োন হিসেবে। সরকারি অফিস, এখানে কেউ কাউকে মানে না, পিয়োনদের মেজাজ শুনলে মনে হয় তারা অফিস এসে বুঝি কৃতার্থ করছে! সেখানে এই ছেলেটা এত কাজের, যে যা বলে, কখনো মুখে না নেই। কোনো কাজ পেন্ডিং রাখে না, ভাউচার বাঁধা থেকে শুরু করা, ফাইল সই করিয়ে ঠিকঠাক দপ্তরে পৌঁছনো, পোস্ট অফিসে যাওয়া সব করে একনিষ্ঠভাবে, বারবার গুঁতোতে হয় না। বয়স ত্রিশের নীচেই হবে, খিদিরপুরে বাড়ি। এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জে নাম লেখানো ছিল, সেখান থেকে চাকরি পেয়েছে। ওই পোস্টে ঢুকে বেশিরভাগই ভাবে বুঝি বিরাট হিল্লে হয়ে গেল জীবনে, কাজ করি না করি চাকরি তো আর যাবে না! প্রথম প্রথম ঠিক থাকলেও বুড়ো পিয়োনদের মগজ ধোলাইয়ে কয়েক মাসেই সব ক-টা এক গোয়ালের গোরু হয়ে যায়। বসে বসে খালি খৈনি চিবোবে আর মোবাইলে গান শুনবে, সিনেমা দেখবে। আর কাজ করতে বললেই ঝাঁঝিয়ে উঠবে।

    কিন্তু এই ছেলেটা তেমন নয়। কাঠি আর যাই করুক, ওর মাথাটা খেতে পারেনি।

    রাজন্যার সঙ্গে চোখাচোখি হতেই অজয় একগাল হাসল, ”গুড মর্নিং ম্যাডাম!”

    রাজন্যা হাসল। পাশ থেকে মানস বলল, ”কি ব্যাপার বাওয়া অজয়! আগে তো রোজ একটাই জামা পরে আসতে, এখন দেখছি রোজ নতুন নতুন জামা! আজ আবার শার্ট ইন করে বেল্ট পরে এসেছ। হিরো হয়ে গেলে তো পুরো!”

    সুচরিতা পাশ থেকে কপট রাগের ভঙ্গিতে টিপ্পনি কাটল, ”তুই থাম। ও যে অফিসে আসছে এ-ই অনেক। অন্য কেউ হলে মাথা ঠিক রাখতে পারত না। কি বলো অজয়? আর আজ তো সেই দিন!” বলতে বলতে সুচরিতা রাজন্যার দিকে তাকিয়ে চোখ টিপল।

    অজয় একটু লজ্জা লজ্জা মুখ করে বলল, ”হ্যাঁ, ওইজন্যই নতুন জামা পরে এলাম। ও আসবে তো ম্যাডাম?”

    ”আলবাত আসবে! মোদির আচ্ছে দিনও আজ থেকে শুরু, তোমারও আচ্ছে দিন!” সুচরিতা হেসে বলল।

    রাখি এসেছিল টেবিলে টেবিলে জল দিতে, সেও খুব মজা পেয়েছে কয়েকদিন ধরে গোটা ব্যাপারটায়। যদিও সে ভেতরের ব্যাপারটা জানে না।

    রাজন্যার গা ঘেঁষে চুপিচুপি হাসল, ”অজয় দাদাবাবু নাকি একটা মেয়েকে ভালোবেসেছে খুব, সত্যি দিদি? কোথায় থাকে মেয়েটা?”

    রাজন্যা ম্লান হাসল। রাখি মেয়েটা খুব ভালো। ওদের এই নতুন শিফট হওয়া অফিসে এখনো অবধি ক্যান্টিন নেই, তাই ওরা নিজেরাই সবাই মিলে রাখিকে রেখেছে রান্নাবান্না করে দেওয়ার জন্য। সবাই মিলে মাসের শেষে টাকা দেয় ওকে। কাঠি আর ওর চ্যালারা একটু আপত্তি তুলেছিল প্রথমে, ”মেয়েছেলে মানুষ, এতগুলো লোকের রান্নাবান্না, বাজার দোকান, পারে নাকি? লোক রাখা হোক তার চেয়ে!”

    তাতে বাধা দিয়েছিল শম্ভুদা। বয়স্ক ক্লারিকাল স্টাফ শম্ভুদা, রিটায়ারমেন্টের আর বছরখানেক বাকি, সেই খুঁজে পেতে এনেছিল রাখিকে। বলেছিল, ”তোরা থাম দিকিনি! মেয়েটা ভদ্রঘরের, একটা ছোট ছেলে আছে, অভাবে লোকের বাড়ি বাড়ি কাজ করছে, এর চেয়ে না হয় এখানেই রান্নাবান্না করল!”

    সত্যিই, মেয়েটার বয়স কুড়িও হবে না, প্রথম দিন এসেই ছলছল চোখে রাজন্যাকে বলেছিল, বিয়ের ছ-মাসের মধ্যেই ওর বরটা নাকি পার্টির গণ্ডগোলে খুন হয়েছিল। তারপর ছেলে হয়েছে, শ্বশুরবাড়িও জায়গা দেয়নি। বাধ্য হয়ে ওকেই কাজে বেরোতে হয়েছে। সেই ছেলে এখন তিন বছরের।

    অন্য কেউ রাখির সঙ্গে দরকার ছাড়া তেমন কথা না বললেও রাজন্যার ভারি মায়া লেগেছিল রোগা পাতলা চেহারার ওই শ্যামলা নরম সরম মেয়েটাকে। কথা বলার সময় রাখির নাকের পাতলা টিকটিকে নথটাও দুলত কেমন তিরতির করে। রাজন্যা কাজের ফাঁকে গল্প করত, ওর ছেলেটার জন্যও জিনিস পাঠাত টুকটাক। ওর পুরনো স্মার্টফোনটাও রাখিকে দিয়ে দিয়েছে, ছেলের ছবি দেখে কাজের ফাঁকে ফাঁকেই।

    রাজন্যা কতবার জিগ্যেস করেছে, ”রাখি, তোমার বরের জন্য খুব কষ্ট হয়, বলো?”

    রাখি প্রথমে চুপ করে থেকেছে, তারপর কাছে এসে বলেছে, ”সত্যি কথা বলবো দিদি?”

    ”হ্যাঁ, বলো?” রাজন্যা ভ্রূ কুঁচকে তাকিয়েছিল।

    রাখি সরল সাদা হেসেছিল, ”একটুও কষ্ট হয় না গো দিদি! এত মারত না, পিঠের কালশিটে শুকোত না গো! এখন তো তবু খেটে খাচ্ছি। ছেলেটা মানুষ হোক এটাই শুধু চাই।”

    রাজন্যার মন বেশ নরম, এসব শুনে ও রাখির হাতের ওপর হাত রেখেছিল, ”তুমি একটা বিয়ে করতে পারো তো রাখি! এইটুকু বয়স তোমার!”

    রাখি হেসেছিল, ”কি যে বলেন দিদি! এ কি আর আপনাদের ভদ্দরঘর নাকি? ছেলে কোলে আমায় কে বিয়ে করবে? করলেও সেই মদোমাতাল বুড়ো, তখন সেই মার খেয়েই মরতে হবে।”

    রাজন্যা শুনে আর কিছু বলতে পারেনি।

    এখনো রাখির প্রশ্নের কোনো উত্তর ও দিতে পারল না।

    একটা লিমিট পর্যন্ত ও-ও মজা নিচ্ছিল, কিন্তু কাল রাত থেকে মনে হচ্ছে, এসব না করলেই ভালো হত! বেচারাকে শুধু শুধু আশা দেখানোর কোনো মানে হয়?

    না, ও খুব খারাপ করেছে কাজটা। অরিন্দম অবধি পুরোটা শুনে টুনে রেগে গিয়েছিল কাল রাতে, ”কি করলে তুমি এটা? ছি ছি! এটা তো এক ধরনের সাইবার ক্রাইম!”

    রাজন্যা আমতা আমতা করেছিল, ”আরে সুচরিতারা এমন করল, আমিও বার খেয়ে …!”

    অথচ শুরুটা কিন্তু ও এত ভেবেচিন্তে করেনি, কিন্তু ঘটনার পরম্পরায় তা এখন বিশাল মহীরুহ হয়ে দাঁড়িয়েছে, শিকড় চলে গেছে অনেক গভীরে।

    রুবির একদম মোড়ে সেন্ট্রাল গভর্নমেন্টের ইনকাম ট্যাক্স অফিসের ঝাঁ চকচকে নতুন এই অফিস। বছর কয়েক হল ডালহৌসি পাড়া থেকে আস্তে আস্তে এই নতুন কর্পোরেট ধাঁচের অফিসে কাজকর্ম গুটিয়ে আনা হচ্ছে। আগেকার দিনের মতো চেম্বার সিস্টেম উঠে গিয়ে মার্কিন স্টাইলে কিউবিকল প্যাটার্নে তৈরি করা হয়েছে নতুন বিল্ডিং এ। জিএসটি শুরু হতে চলেছে খুব শিগগিরই, সেই নিয়ে গত কয়েকমাস ধরে রাজন্যাদের যেমন খাটনি যাচ্ছিলো, তেমনই সাধারণ মানুষের মনেও একটা কি হবে কি হবে ভাব তৈরি হয়েছে। গুডস অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্যাক্স চালু হলে সেটা ভালো হবে, নাকি বুমেরাং হয়ে আরো বেশি করের বোঝা চাপবে তাই নিয়ে লোকজনের প্রশ্নের শেষ নেই।

    শুধু রাজন্যা কেন, ওরা সবাই প্রশ্নের উত্তর দিতে দিতে জেরবার হয়ে যাচ্ছে। অফিসেও ইদানীং অনেকে এসে জিজ্ঞেস করে যাচ্ছে, বাড়িতেও তাই। পাড়ার লোকেদের কাছে ইনকাম ট্যাক্সে চাকরি করে মানেই বেশ খাতিরের চোখে তাকায় সবাই। ফলে শনি রবিবারও শান্তি নেই, কেউ না কেউ ঠিক এসে হাজির, ”ভাবলাম আমাদের পাড়ার মেয়ে এতবড় চাকরি করতে আর একে তাকে জিজ্ঞেস করি কেন! রাজন্যা মা, বল তো, এই জিএসটি-টা কি? ইনকাম ট্যাক্স কি আরো বেড়ে যাবে নাকি রে? মোদি তো দেখছি আমাদের নিঃস্ব করে দেবে রে!”

    উফ! বোঝাতে বোঝাতে পাগল হয়ে গেছে রাজন্যা, জিএসটি-তে ইনডাইরেক্ট ট্যাক্সগুলোকে সব অ্যাসেম্বল করে দেওয়া হচ্ছে, আর ইনকাম ট্যাক্স হল ডাইরেক্ট ট্যাক্স, একদম প্রত্যক্ষভাবে মানুষের থেকে নেওয়া হয়। সেখানে জিএসটি-র কোনো ভূমিকাই নেই।

    কিন্তু কে শোনে কার কথা!

    যত দিন এগিয়ে আসছে জিএসটি চালু হবার, তত বাড়িতে তো বটেই, অফিসেও আনাগোনা বাড়ছে লোকজনের। সবার মুখেই এক কথা, ”ইনকাম ট্যাক্স কি আরো বেড়ে যাবে?”

    এই ব্যাপারেই সপ্তাখানেক আগে গল্পটা শুরু হয়েছিল বেশ অদ্ভুতভাবে। রোজকার মতো অফিস শুরু হয়েছিল, সেদিন কাজের বেশ একটু চাপই ছিল, বারোটা বাজতেই অজয় বেরিয়ে গিয়েছিল পোস্ট অফিসে। রোজই ওইসময় অফিসের নানারকম চিঠিপত্র পোস্ট করতে যায় ও, ফেরে প্রায় দেড়টা নাগাদ। রাজন্যা, মানস, সুচরিতা এরা সবাই এই ডিপার্টমেন্টের ইন্সপেক্টর, ওরাও নিজেদের কাজ নিয়ে ব্যস্ত ছিল সেদিন।

    একটা মেয়ে এসেছিল, অন্য সবার মতোই প্রশ্ন করতে, কোথাও থেকে বোধ হয় শুধু অজয়ের নামটুকু জেনে এসেছিল, প্রথমেই এসে জিজ্ঞেস করেছিল, ”আচ্ছা, অজয়বাবু আছেন? ওনার সাথে একটু কথা ছিল।”

    অজয়কেও যে কেউ বাবু বলে ডাকতে পারে, সেটা দেখতে ওরা সবাই মুখ তুলে তাকিয়েছিল। অবশ্য এই অফিসের পিয়োনরাও বাইরে এমন হাবভাব করে যেন তারা কোনো বড় অফিসার।

    কিন্তু, অজয় তো তেমন নয়!

    রাজন্যাই কথা শুরু করেছিল, ”তুমি … আপনি অজয়কে চেনেন?”

    মেয়েটা মাথা নেড়েছিল, ”নানা, আমার মামার চায়ের দোকান আছে তো সামনে, ওখানে অজয়বাবু চা খেতে যান। মামাই একটু ওনার ফোন নম্বরটা নিতে পাঠাল, ওই কি ট্যাক্স চালু হচ্ছে, সেই ব্যাপারে জানতে চায়।”

    ফোন নম্বরটা লিখে নিয়ে মেয়েটা চলে গিয়েছিল, কিন্তু ওইখান থেকেই শুরু হয়েছিল এই উটকো ঝামেলাটা।

    একটু পরেই অজয় কাজ সেরে ফিরতে তমাল বেশ সিরিয়াস মুখে বলেছিল, ”অজয়, তোমাকে খুঁজতে একটা মেয়ে এসেছিল, বলছিল অজয়বাবুকে ভীষণ দরকার! খুব টেন্সড ছিল কিন্তু।”

    অজয় খুব অবাক হয়ে গিয়েছিল, ”মেয়ে? কে বলুন তো?”

    ”দ্যাখো, তোমার চেনা কেউ হয়তো!” তমাল একটা রহস্যময় ভঙ্গি করে রাজন্যার দিকে আঙুল দেখিয়েছিল, ”রাজন্যা ম্যাডামকে জিজ্ঞেস করো। ও-ই কথা বলেছে।”

    সেইসময় যে কি হল রাজন্যার, আগে থেকে প্ল্যান করে তমালদের ফাঁদে পা দিয়ে ও-ও অভিনয় শুরু করে ফেলল, ”হ্যাঁ গো, একটা মেয়ে দেখা করতে এসেছিল তোমার সাথে।”

    সেই শুরু, তারপর ফেসবুকে ফেক প্রোফাইল খোলা, তা থেকে অজয়ের ফোনে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে অজয়ের সঙ্গে চ্যাট করতে শুরু করা, সব হয়েছে রাজন্যার ফোন থেকে। অজয় এমনিই অত ইন্টারনেটের কারিকুরি বোঝে না, একটা ফুলের ছবি দেওয়া প্রোফাইল থেকে রাজন্যা চ্যাট করতে শুরু করেছিল অজয়ের সাথে। কিছুটা অন্যদের উসকানিতে, কিছুটা নিজেও একটা মজা পাচ্ছিল।

    সে এক সাংঘাতিক কাণ্ড। রাজন্যা আড়চোখে দূরে অজয়কে দেখে নিয়েই একেকটা পিং করছে মেসেঞ্জারে, আর অজয়ের ফোনে টুং শব্দ হতেই সবাই ওকে আওয়াজ দিচ্ছে, ”জিও অজয়! দ্যাখো দ্যাখো এবার কি লিখল কুহেলী!”

    প্রথম প্রথম অজয় বিশেষ গুরুত্ব দেয়নি, কিন্তু দিন দুয়েক বাদ থেকে অজয়ও বেশ সলজ্জ ভঙ্গিতে রেসপন্ড করা শুরু করল। রাজন্যা ওর কল্পনা মিলিয়ে মিশিয়ে আস্তে আস্তে তৈরি করছিল কুহেলী বলে একটা কলেজে পড়া মেয়েকে, যে কিনা অজয়কে রোজ অফিস আসতে দ্যাখে তার বাড়ির লুকনো বারান্দা থেকে, যে কিনা ভালোবেসে ফেলেছে অজয়কে কিন্তু সলজ্জ ভঙ্গিতে ঠিক প্রকাশ করে উঠতে পারছে না।

    কত কি যে লিখত রাজন্যা! ”অজয় তুমি প্রাইভেটে পরীক্ষা দাও, তুমি আরো বড় চাকরি পাবে, এভাবে জীবন কাটিও না,” তারপর, ”অফিস থেকে বেরিয়েই ক্লাবে আড্ডা মারতে যাও কেন? পড়তে বসতে পারো না?” অজয়ের নিজের মুখ থেকেই শোনা কথাগুলোকে নিয়ে কি যে হাবিজাবি লিখে যেত রাজন্যা, তার কোনো ইয়ত্তা নেই।

    একদিন অফিস থেকে বেরিয়েই রাজন্যা দেখল, অজয় লিখেছে, ”তুমি আমাকে এতটা ভালোবাসো, আমাকে সবসময় পড়তে বল, এদিকে আমি তো তোমাকে চিনিই না!”

    ও তড়িঘড়ি লিখল, ”তুমি আমাকে খুব ভালো করে চেনো অজয়। আর আমি তোমাকে যে কতটা ভালোবাসে তুমি জানো না!”

    একটু বিরতি, তারপরই দেখল, অজয়ের লেখা ফুটে উঠেছে স্ক্রিনে, ”তোমার সাথে কথা বলতে বলতে তোমায় খুব দেখতে ইচ্ছে করছে। কাল আমি মা-কে তোমার কথা বলেও দিয়েছি। মা বলেছে এক তারিখ তুমি যখন অফিসে আসবে, তোমার যেন একটা ছবি তুলে নিয়ে যাই। আচ্ছা, তোমার নাম কি সত্যিই কুহেলী?”

    রাজন্যা সেদিন আরো কিছুক্ষণ নিজের মনগড়া কথা লিখে তারপর থেমেছিল।

    কিন্তু তারপরই ওর মনে একটা খারাপ লাগা শুরু হল। ছেলেটা সরল বিশ্বাসে ওর বাড়িতেও সব বলে দিয়েছে? এ বাবা! কিন্তু এর তো কোনো পরিণতি নেই! কি দরকার এরকমভাবে কষ্ট দিয়ে?

    রাজন্যা একটু খোলামেলা স্বভাবের বলে অজয় ওকে পরের দিন এসে একটু লজ্জা লজ্জা ভঙ্গিতে বলল, ”ম্যাডাম! কুহেলী বলে মেয়েটা আমাকে খুব ভালোবাসে। কি বলি বলুন তো!”

    রাজন্যা তখনো মজা করে যাচ্ছিল, কপট সিরিয়াস স্বরে বলেছিল, ”সেকি গো অজয়!”

    অজয় মাটির দিকে তাকিয়ে বলেছিল, ”হ্যাঁ, দেখলাম না, চিনলাম না, এদিকে নাকি আমার জন্য পুজো দিতে যাচ্ছে কালীঘাটে! আমি তো হাঁ!”

    ”তারপর” রাজন্যা জিজ্ঞেস করেছিল।

    ”কি বলব বলুন তো! মেয়ের গলায় তো কোনোদিনও এসব শুনিনি! কীরকম একটা হচ্ছে এসব মেসেজ পড়ে!” অজয়কে খুব বিভ্রান্ত দেখাচ্ছিল, ”তবে আমি ওকে অফিসে আসতে বলেছি ম্যাডাম। আপনার সাথে আলাপ করিয়ে দেব। সারাদিন মেসেজ করে যাচ্ছে, কাজকর্ম সব মাথায় ওঠার জোগাড়! পাগলি একদম।” রাজন্যা আড় চোখে দেখল অজয় ওর ফোনের ওয়ালপেপার পালটে মেয়েটার ফেসবুক প্রোফাইলের ডাউনলোড করা ছবিটা সেট করেছে।

    সুচরিতা পাশে এসে ফিসফিস করল, ”কি হাঁদা দ্যাখ, ওটা তো মনের ছবি সিরিয়ালের অ্যাকট্রেসটার ছবি, সেটাও জানে না। কি বোকা রে বাবা! ভাবছে কি সুন্দরীই না ওর ওই কুহেলী! হি হি! খুব প্রেম করার শখ!”

    রাজন্যার আর ভালো লাগছিল না এই বেয়াড়া মজাটা।

    রাখি এসে তার দু-দিন বাদে রাজন্যাকে দুঃখ করে বলল, ”অজয় দাদাবাবুর খাওয়া একদম কমে গেছে জানেন দিদি! আগে তিনবার ভাত নিত, এখন একবারও খায়না ঠিকমতো! মেয়েটা কবে আসবে বলুন তো!”

    রাজন্যা বলেছিল, ”ওই যে, এক তারিখ!”

    আজ সেই কালান্তক এক তারিখ। সকালে উঠে থেকে মেসেঞ্জারে অজয়ের এত মেসেজ পেয়েছে যে অরিন্দম পর্যন্ত বিরক্ত হয়ে গেছে, ”কি করছ বলো তো! আমাকে তো ভুলেও একটা মেসেজ করো না, আর কোথাকার একটা ছেলের সাথে দিনরাত …!”

    রাজন্যা রাগেনি, একটু ভয়ে ভয়ে বলেছিল, ”আমি খুব চাপে আছি গো! আজ তো কেউই আসবে না, ছেলেটা দুঃখ পাবে না?”

    অরিন্দম ডিমের কুসুমটা একবারে মুখে পুরে বলেছিল, ”তোমার তো এইরকমই কার্যকলাপ! লোকেও নাচায়, তুমিও নাচো! এখন কেউ যদি ওর কানে কথাটা তুলে দেয়, যে কুহেলী সেজে তুমিই ওইসব করছিলে, ওর কাছে তোমার প্রেস্টিজটা কোথায় যাবে ভেবেছ?”

    রাজন্যা কাঁদো কাঁদো হয়ে বলেছিল, ”তবে কি আজ অফিস যাবো না?”

    ”অফিস না গেলে তো আরোই ফাঁস হয়ে যাওয়ার চান্স! তোমাকে সবাই বলির পাঁঠা করে, আর তুমিও তাই হও। কাজ তো কিছুই নেই, তাই এইসব অপকর্ম করে চলেছ। আমাদের মতো হলে বুঝতে! জল খাওয়ার টাইম পাই না তো এইসব কাজ!”

    রাজন্যা বসে আছে গুম হয়ে। অজয়কে তখন ঝোঁকের বশে লিখে ফেলেছিল এক তারিখ ঠিক দুপুর বারোটায় যাবো। ঘড়ির কাঁটা এখন দেড়টা ছুঁই ছুঁই। অজয় আজ দেরি করে বেরল, বেচারার মুখটা কেমন ম্লান হয়ে যাচ্ছিল আস্তে আস্তে।

    যাওয়ার আগে রাজন্যাকে বলে গেল, ”কোথাও আটকে পড়ল কিনা কে জানে! ফোন নম্বরও তো দেয়নি। আপনি এলে একটু বসতে বলবেন ম্যাডাম!”

    রাজন্যার তখন এত খারাপ লাগছিল বলার নেই।

    অজয় পোস্ট অফিস গেছে ঠিকই, কিন্তু বারবার মেসেজ করে যাচ্ছে, তুমি এলে না কেন? কখন আসবে? প্লিজ এসো, অমুক তমুক …!

    সবাই এদিকে অলস ভঙ্গিতে কাজ গোটাতে ব্যস্ত। সব ক-টা দুটোর পরই কেটে পড়বে, কেউ বৌয়ের সাথে সিনেমায়, কেউ আবার বন্ধুবান্ধব মিলে চলে যাবে অ্যাকোয়াটিকা। তমালের তো আর পনেরো দিন বাদেই বিয়ে, বাছাধন আজই সেরে ফেলবে প্রি-ওয়েডিং ফটোশ্যুট, ওর হবু বৌ ঝিমলির নাকি আর তর সইছে না! আর সুচরিতা তো কেয়া শেঠের কি প্যাকেজ বুক করে ফেলেছে।

    ও মাথার রগদুটো টিপে বসে রইল কিছুক্ষণ, অরিন্দম ঠিকই বলেছে, সবাই এখন মজা মারছে, আর ও মাঝখান থেকে মরছে।

    একমুহূর্ত চুপ করে বসে রইল ও, তারপর একটা লম্বা মেসেজ টাইপ করতে লাগল অজয়কে, ”আমি যাব না অজয়। আমি তোমাকে মিথ্যে বলেছিলাম। আমার নাম কুহেলী নয়। আমি দেখতেও অত সুন্দর নই। তুমি আমাকে বিয়ে করতে পারবে না। প্লিজ আমাকে ক্ষমা করো।”

    মেসেজটা পাঠাবার সাথে সাথে বন্যার স্রোতের মতো মেসেজ ঢুকতে লাগল, ”প্লিজ এমন করো না। তোমার সঙ্গে কথা বলতে বলতে আমি তোমাকে খুব ভালোবেসে ফেলেছি। তুমি যেমনই হও, যেই হও, আমি তোমাকেই চাই। প্লিজ তুমি এসো আজ! আমি ঠিক আড়াইটের সময় অফিসে ঢুকব। আমাদের সামনের লবির বাঁদিকে যে জলের কলগুলো আছে, সেইখানে দাঁড়িয়ে থাকব আমি, যদি তুমি না আস, বুঝব আমাকে বলা সব কথাগুলো তোমার মিথ্যে, আমাকে বড় হতে বলা, আমাকে ভালো মানুষ হতে বলা সব মিথ্যে!”

    রাজন্যা একটা ঢোঁক গিলল।

    ওদিকে ঝড়ের বেগে অজয়ের মেসেজ ঢুকছে, ”তুমি কি ভাবো আমার কোনো খারাপ নেই? সব মানুষেরই ভালো মন্দ থাকে। তোমার ভালো খারাপ সবটুকু নিয়েই আমি তোমায় চাই।”

    অজয় ঢুকল প্রায় দুটো বেজে দশ মিনিটে, চুল উশকো-খুসকো, ততক্ষণে অফিস প্রায় ফাঁকা। ও পড়িমড়ি করে গিয়ে ক্যান্টিনে দু-মুঠো খেয়ে এসেই রাজন্যার কাছে এল, ”ম্যাডাম, ও কেন বুঝতে পারছে না যে আমি ওকে খুব ভালোবাসি! ও যেমনই হোক, ওর সবসময় আমার খেয়াল রেখে বলা কথা, আমাকে উৎসাহ দেওয়া, আমি যে এইগুলোকেই ভালোবাসি ম্যাডাম! এই প্রথম জীবনে কাউকে এতটা ভালোবাসলাম, তাও না দেখে!”

    রাজন্যা কি বলতে যাচ্ছিল, তার আগেই অজয় বলল, ”আমি একটু বাইরেটা আছি ম্যাডাম। কোনো দরকার লাগলে বারান্দা থেকে হাঁক দেবেন, চলে আসব।” বলেই ও আর দাঁড়াল না।

    রাজন্যা পুরো ডিপার্টমেন্টে একা বসেছিল। বেরিয়ে যেতেও ইচ্ছে করছিল না ওর। পুরো মেজাজটাই তেতো লাগছিল।

    ঘড়িতে এখন ঠিক আড়াইটে।

    ও অজয়কে ”আসব না” জানিয়ে মেসেজ করতে গিয়ে অলস কণ্ঠে হাঁক দিল, ”রাখি! একটু জলটা ভরে দাও তো আমার!”

    কোনো সাড়া পেল না।

    হঠাৎ ওর মনে হল, রাখি তো এইসময়েই বাইরের কলে বাসনগুলো ধুতে যায়!

    কি সাংঘাতিক!

    বিদ্যুৎগতিতে চেয়ার ছেড়ে উঠে বারান্দার দিকে উঁকি মারল রাজন্যা।

    যা ভেবেছে ঠিক তাই!

    অজয় রাখিকে কুহেলী ভেবে ভুল করেছে। রাখি বাসনগুলো ধুচ্ছে, আর অজয় ওর সামনে এসে কিসব বলছে।

    রুদ্ধশ্বাসে দুদ্দাড়িয়ে সিঁড়ি দিয়ে নেমে ছুটল রাজন্যা ওদিকে, চেঁচিয়ে বলতে গেল, ”অজয়, তুমি ভুল করছ! ও কুহেলী নয়, কুহেলী বলে কেউ নেই, আমরা মজা করেছিলাম!”

    কিন্তু তার আগেই ও শুনল অজয় রাখিকে বলছে, ”রাখি, তুমি!”

    রাখি তাকাল অজয়ের দিকে।

    অজয় বলল, ”বুঝেছি, তুমি ভাবছিলে তুমিই কুহেলী এটা জানতে পারলে আমি তোমায় ভালোবাসব না? তোমার ছেলে আছে বলে?”

    রাজন্যা হতভম্ব হয়ে গেল।

    রাখি শুধু বলতে গেল, ”আপনি কি বলছেন আমি …!”

    অজয় রাখিকে কোনো কথাই বলতে দিল না, এগিয়ে এসে রাখির হাতদুটো জড়িয়ে ধরল, ”আমি ওরকম মানুষ নই। আমি তোমাকে এই কয়েকদিনে খুব ভালোবেসে ফেলেছি, তোমার সুন্দর মনটাকে। আর তোমার হাতের রান্নার তো আমি এমনিই ভক্ত।”

    রাখি অবাক হয়ে গেল, ”আপনি আমাকে ভালোবাসেন? আমার যে …!”

    অজয় মাঝপথেই বলল, ”আমাকে বিয়ে করবে রাখি?”

    রাজন্যা হাঁ করে তাকিয়েছিল সামনের দিকে। ওর পা আর সরছিল না।

    এত ভালো কিছু শেষ হতে পারে?

    টুং করে ওর ফোনে একটা হোয়াটসঅ্যাপে ঘুরতে থাকা একটা জোক ঢুকে ওর ঝটকাটা ভাঙিয়ে দিল, ”জিএসটি মানে গুড ডে, সুইট রিলেশনশিপ অ্যান্ড ট্রু লাভ! আচ্ছে দিন আ গয়া মিত্রো!”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article লোকায়ত দর্শন : দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নরক সংকেত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }