Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প478 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    লুকোচুরি

    সনাতনদা দরজার দিকে তাকিয়ে সোৎসাহে বলে উঠলেন, ”ওই যে, দিদিমণির রানার এসে গেছে! তাই তো বলি, আড়াইটে বাজতে চলল, এখনো দেখা নেই কেন?”

    ছেলেটা সেলসম্যানসুলভ মিষ্টি হেসে বলল, ”কাকু আপনাকে সেদিন বললাম না, রানার নয়, আমার নাম সুশান্ত!”

    পারমিতা স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে হাসতে গিয়েও গম্ভীর হয়ে গেল। ওদিকে গণেশদা ওপাশের কেবিন থেকে হাসতে হাসতে চাপা গলায় বলছে, ”আরে, ওর দ্যাখাদেখি তো গোমড়াথেরিয়াম সুমনও একই কাণ্ড শুরু করেছে, এই মাসে নয় নয় করে তিন বার জিনিস এল ওর! সত্যি বাপু, কি ভাইরাসই না ছড়াচ্ছ তুমি পারমিতা!”

    পারমিতা কৃত্রিম হেসে সইসাবুদ করে চটজলদি ফ্লিপকার্টওলা কে বিদেয় করলো। সবার সামনে সুন্দর প্যাকেট করা জিনিসটা খুলতে ইচ্ছে করল না ওর। ইতিউতি চেয়ে সুট করে প্যাকেটটাকে ড্রয়ারে চালান করতে যাবে, এমন সময় সনাতনদার ঠিক চোখে পড়ে গেছে, ভ্রূ কুঁচকে বললেন, ”কই, খোলো দেখি! জামা না জুতো, নাকি বাসন মাজার সাবান-টাবান? ওই রানার ছেলেটা তো আমাদের পাড়াতেই থাকে, সকালটায় ব্যাচ ব্যাচ পড়ায়, আর দুপুর হলেই ঝোলা নিয়ে বেরোয় এইসব পার্টটাইম করতে! দ্যাখো আজ কি এনেছে!”

    পারমিতা অন্য প্রসঙ্গে কথা ঘুরিয়ে কিছুক্ষণ বকে টকে সনাতনদাকে ওর ডেস্ক থেকে বিদায় করল। কথাটা অবশ্য অক্ষরে অক্ষরে সত্যি। পারমিতার একটা বিদঘুটে স্বভাব হল, অনলাইন শপিং পোর্টাল থেকে সব কিছু কেনা, সে পোশাক আশাক জুতো মোজা থেকে শুরু করে রান্নাঘরের টুকিটাকি, বই-খাতা-পেন, কাজল-সানস্ক্রিন-লিপস্টিক মায় কাজের মাসির স্ক্রচ বাইট পর্যন্ত ও অনলাইনে কেনে। বছরদুয়েক আগে ফ্লিপকার্ট, আমাজন, স্ন্যাপডিল এইসব সাইট থেকে টুকটাক কেনা শুরু করেছিল, এখন সেটা এমন পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে যে আগের মাসে ভাইয়ের জন্মদিনে সাইকেল পর্যন্ত অনলাইনে কিনেছিল। সে কি কাণ্ড! ওদের এতবড় প্যাকেজিং দেখে মনে হচ্ছিল যেন সাইকেল নয়, আস্ত একটা চারচাকা গাড়ি এসেছে বাড়িতে!

    অফিসেও সবাই পারমিতার এই বাতিক নিয়ে মজা-ঠাট্টা করে। ওদের এই ল্যান্ড রেভেনিউ অফিসের অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সেকশনে পারমিতা আর সুমন বাদে বাকিদের বয়স ওদের বয়সের ডাবলেরও বেশি। বেশিরভাগেরই রিটায়ারমেন্টের আর দু-বছরও বাকি নেই।

    সুমন বয়সে ছোট হলেও খুব গম্ভীর ধরনের, কথাবার্তা প্রায় বলে-ই না, কিন্তু পারমিতা সারাক্ষণ এই জ্যেঠুর বয়সি কলিগদের সাথে বন্ধুর মতো মেশে। তাই পারমিতাকে সবাই স্নেহের চোখেই দ্যাখে। ও ছাড়া বাকি সবাই এই আধা শহর আধা গ্রামেই থাকে, শুধু ওকেই তিনটে স্টেশন পেরিয়ে আসতে হয় রোজ। ওর এই অনলাইন শপিং-এর বাহার দেখে ওরা ভারী মজা পায়, আবার দরকারি কিছু কেনার হলে টুক করে পারমিতাকে দিয়ে অনলাইনে দামটা আর রিভিউটা একবার চেকও করিয়ে নেয়।

    অন্যদিন হলে পারমিতা নিজেই সোৎসাহে প্যাকেট খুলে দেখাত আজ কি এল। কিন্তু আজ ও সেটা করল না। কারণ ও খুব ভাল করে জানে অন্তত ও নিজে কোন কিছু অর্ডার দেয়নি। ওর কপালের মধ্যিখানের ভাঁজটা আবার চওড়া হয়ে গেল।

    ব্যাপারটা শুরু হয়েছে মাসখানেক হল। প্রায় প্রতি সপ্তাহে পারমিতাকে কেউ বা কারা একটা করে গিফট ফ্লিপকার্টের থ্রু দিয়ে পাঠাচ্ছে। আগে থেকে টাকা মেটান থাকায় পারমিতা কিছুতেই বুঝে উঠতে পারছে না কার কাজ এটা! দু-বার ফোন করেছে ফ্লিপকার্ট কাস্টমার কেয়ারে, তাঁরা দুঃখ প্রকাশ করে জানিয়েছেন কাস্টমারের প্রাইভেসি রক্ষার স্বার্থে তাঁরা ডিটেইল জানাতে পারবেন না।

    প্রথম দিনটা এখনো মনে আছে ওর। আগে প্রোডাক্ট ডেলিভারি দিতে আসার আগে ফ্লিপকার্টের ছেলেটা ওকে একবার ফোন করে রুটিনমাফিক কনফার্ম হয়ে নিত, যে ও এই ঠিকানায় আছে কিনা। এটা মফসসল এলাকা, তাই এ চত্বরে ফ্লিপকার্টের প্রোডাক্ট একজনই সাপ্লাই দেয়। কিন্তু গত একবছর ধরে ওর এত হাজার হাজার প্রোডাক্ট আসে যে ছেলেটা ফোন-টোন আর করে না, সোজা এসে ওর কেবিনের বাইরে ঢাউস ব্যাগটা নামায়। সেদিনও কাজের ফাঁকে ছেলেটাকে দেখে ওর ভ্রূ কুঁচকে গেছিল, ও তো কোনো অর্ডার দেয়নি! পরক্ষণেই আর বেশি মাথা ঘামায়নি, দুমদাম, ট্রেনে-বাসে, এমনকি বাথরুমে বসেও ফোন ঘাঁটতে ঘাঁটতে ও দুম করে ছোটখাটো এত জিনিস অর্ডার দিয়ে ফেলে, যে পরে নিজেই ভুলে যায়। কথা না বাড়িয়ে ও প্যাকেটটা নিয়ে টেবিলে রেখে দিয়েছিল। এমনিতে সারাবছর আহামরি যে কিছু কাজের চাপ থাকে তা নয়, কিন্তু মার্চ মাসটা একদম নিশ্বাস ফেলার অবধি টাইম হয় না। কাজ শেষে উঠে প্যাকেটটা হঠাৎ খেয়াল হতে যখন খুলেছিল, তখন হাঁ হয়ে গিয়েছিল। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের অসাধারণ ঐতিহাসিক ট্রিলজি ‘সেইসময়-প্রথম আলো-পূর্ব পশ্চিম’! আনন্দে পুলকিত হতে গিয়েও ও অবাক হয়ে গিয়েছিল, ও তো এটা কস্মিনকালেও অর্ডার দেয়নি! কে পাঠাল ওকে এটা?

    আমতা আমতা মনে বই তিনটেকে বাড়ি নিয়ে গিয়েছিল পারমিতা। হ্যাঁ এটা ঠিক, এই তিনটে বই নিজের সংগ্রহে রাখার বহুদিনের ইচ্ছে ছিল পারমিতার। এই তো সেদিনই কথায় কথায় অফিসে বলছিল ও, এই তিনটে বইয়ের জন্য প্রতিটা বাঙালির সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছে ঋণী থাকা উচিত! এটাও দুঃখ করে বলেছিল যে, লাইব্রেরি থেকে নিয়ে পড়লেও ওর অনেকদিনের ইচ্ছে এই বই তিনটেকে বাড়িতে নিজের কাছে রাখবে। কিন্তু কোনো না কোনো কারণে সেটা হয়ে ওঠেনি।

    কিন্তু তাই বলে অন্য কারুর কাছ থেকে কেন নেবে ও? তাও আবার অচেনা কেউ! এমনিতেই মনটা খারাপ হয়েছিল, তার ওপর এই ঘটনায় আরো তেতো হয়ে গেল ওর মনটা। এক মুহূর্তের জন্য পার্থর নামটা মনে আসতেই ঝটিতি সে সম্ভাবনা বাতিল করেছিলো পারমিতা। চার বছরের দীর্ঘ সম্পর্কে যে কোনোদিন পারমিতার ইচ্ছে অনিচ্ছের মূল্য দেয়নি, পারমিতার এই বই প্রীতিকে ‘ব্যাকডেটেড’ বলে উপহাস করেছে, যে এইসমস্ত ক্লাসিক পড়ার থেকে ক্লাবে গিয়ে স্থূল রসিকতা আর মাতলামি করে বেশি আনন্দ পায়, সে কিনা পারমিতাকে এটা পাঠাবে! তাও আবার বিয়ে ঠিক হয়েও তিক্তভাবে ভেঙে যাওয়ার পর! অসম্ভব!

    অফিস থেকে যখন ট্রেনে একলা বাড়ি ফেরে, তখন জানলার ধারে বসে মাঝে মাঝে আনমনে ভাবে পারমিতা! সত্যি! কি করে যে ওদের দুজনের সম্পর্ক এতদিন টিকল, এ এক আশ্চর্য ব্যাপার। দুজনের মধ্যে কোনো দিকেই কোনো মিল নেই, না মানসিকতায়, না রুচিতে, না পছন্দ-অপছন্দে। পারমিতা চিরকালই বই-লেখালেখি-গান এইসব নিয়ে থাকতে ভালোবাসে, নিজের পছন্দগুলোকে বিসর্জন দেবে না বলেই ব্যাঙ্কের দারুণ চাকরিটা পেয়েও ছেড়ে দিয়ে রাজ্য সরকারের এই চাকরিতে ঢুকেছিল ও, অপেক্ষাকৃত কম মাইনে হলেও এখানে কাজের চাপ অনেক কম, ও সারাটা জীবন নিজের ভালোলাগাগুলো পারস্যু করতে পারবে। চাকরিসর্বস্ব জীবন ওর কোনোকালেই পছন্দ নয়। সরকারি চাকরির কোচিং নিতে গিয়ে পার্থর সাথে ওর আলাপ। যদিও পার্থ কোনোদিনই এইসব চাকরি করার বা পাওয়ার যোগ্যতা রাখে না, কোনো বন্ধুর পাল্লায় পড়ে ভর্তি হয়ে মাস তিনেক বাদেই ছেড়ে দেয়। ওর দ্বারা ঐ দশটা পাঁচটার চাকরি হবে না, তাতে অবশ্য কিছু যায় আসে না, কারণ ওদের অগাধ টাকাপয়সা। পারমিতার বাড়ি স্বচ্ছল হলেও নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জেদটা ওর মধ্যে বরাবরই ছিল।

    ট্রেনের দমকা হাওয়ায় চুল ঠিক করতে করতে ভাবে পারমিতা, বছরখানেক ধরেই হয়তো পার্থ হাবেভাবে বোঝাচ্ছিল ও আর টানতে চায় না এই রিলেশন, ও-ই বুঝতে পারেনি। শেষে পার্থর বাড়ির লোক যখন পারমিতাদের বাড়ি এসে পার্থর সামনেই দুই পরিবারের স্টেটাসের বৈষম্যের কথা তুললেন, তখন পার্থর নীরব সম্মতি মাখানো চোখটা দেখেই পারমিতা পিছিয়ে এসেছিল।

    একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে ভাবে পারমিতা, খুব ভালো ডিসিশন নিয়েছে ও। নিজের মতো করে বাঁচছে যেন ও এবার! কিন্তু মাঝখান দিয়ে এই উটকো গিফটের বহরে ও দিশেহারা হয়ে যাচ্ছে।

    এরপর প্রতি সপ্তাহে একটার পর একটা প্রোডাক্ট আসতে শুরু করল। কোনো সপ্তাহে সমরেশ মজুমদারের ‘কালপুরুষ’ তো কোনো সপ্তাহে একটা দারুণ পার্কার পেনের সেট। কোনো সপ্তাহে আবার সুন্দর কলমকারি কাজ করা কুর্তি। ভেবে ভেবে পারমিতার মাথা খারাপ হয়ে যেতে লাগল।

    আজকের গিফটটাও নিয়ে তেমনি আনমনে ও ট্রেনে বসেছিল। বারকয়েক ভেবেছে ক্যুরিয়ারের ছেলেটাকে বলে দেবে যে ও প্রোডাক্টটা নেবে না, কিন্তু আগে থেকে টাকা মেটানো প্রোডাক্ট নিতে রিফিউজ করলে কি ভাববে সবাই, এই লজ্জায় ও বলতে পারেনি। কিন্তু দিনে দিনে তো সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে! আজকের প্যাকেটটায় রয়েছে খুব সুন্দর শান্তিনিকেতনের কাজ করা একটা ঝোলা ব্যাগ, তাতে ফেব্রিক দিয়ে লেখা গীতাঞ্জলির একটা কবিতার প্রথম স্তবক- ”জড়ায়ে আছে বাধা, ছাড়ায়ে যেতে চাই, ছাড়াতে গেলে ব্যথা বাজে।”

    সেটা দেখতে দেখতে পারমিতার ভ্রূ কুঁচকে উঠল। যে-ই পাঠাক, সে আর কিছু না হোক, পারমিতার পছন্দ-অপছন্দ খুব ভালো করে জানে। ও কি বই পড়তে ভালোবাসে, কেমন জামা পড়ে, কিরকম ব্যাগ নেয়, সব তার জানা। ওর আবার মনটা সন্দিগ্ধ হয়ে উঠল। কে হতে পারে? কলেজের বন্ধুদের সাথে এখন আর তেমন যোগাযোগ নেই বললেই চলে, তাছাড়া তারা কেউ পারমিতার অফিসের ঠিকানাও জানে না। বাকি রইল অফিস। হঠাৎ পারমিতার মাথায় ধাঁ করে একটা সম্ভাবনা উদয় হল। আচ্ছা, সুমনের কাজ নয় তো! পরক্ষণেই ওর মনে হল, ধুর, ও ব্যাটা তো কথাই বলে না কারুর সাথে! চুপচাপ কাজ করে যায় মুখ বুজে।

    পরের দিন পারমিতা অফিসে ঢুকেই দেখল তখনো কেউ আসেনি সুমন ছাড়া। এই সুযোগ। ও সুমনের একদম মুখোমুখি হয়ে জিজ্ঞেস করল, ”এই শোন তুমি আমাকে ফ্লিপকার্টে প্রোডাক্ট পাঠাও?”

    পারমিতা বইতে পড়েছে অপরাধীকে সরাসরি গিয়ে দুম করে প্রশ্ন করলে সে সত্যিটা স্বীকার করে ফেলে। কিন্তু এক্ষেত্রে তা হল না। সুমন বেজার মুখে চোখ কুঁচকে মুখ তুলল, ”মানে! আমি তোমাকে প্রোডাক্ট পাঠাব? কেন? আমি কি পাগল নাকি!”

    ফাঁদটা কাজে তো লাগলোই না, উল্টে অপ্রস্তুত হয়ে পারমিতা নিজের ডেস্কে ফিরে এল। অসহ্য লাগছে! এগুলো কি ধরনের বেয়াদপি! একবার মনে হল, সনাতনদা গণেশদা এদের কাজ নয়তো! পরক্ষণেই মনে হল, ধুর, ঠিক করে গুগলই খুলতে পারে না, ওরা আবার অনলাইনে অর্ডার করবে! তাহলে? কে এটা করছে? কেনই বা করছে?

    অন্যমনস্ক থাকার কারণে কাজে কিছুতেই মন বসাতে পারছিল না পারমিতা। পার্থর সঙ্গে সবকিছু শেষ হয়ে যাবার পর এই কয়েকমাসে তো সবকিছু বেশ সামলে নিয়ে নিজের মতো করে চলছিল, হঠাৎ এ কি উপদ্রব? ভাবতে ভাবতে হঠাৎ চোখ পড়ল নিজের জামায়, সেই কলমকারি প্রিন্টের কুর্তি, নিজের অজান্তেই মনটা নরম হয়ে এল ওর। কে ওর ভালোলাগাগুলোর এত মর্ম বোঝে, তাকে দেখতে ইচ্ছে করছে হঠাৎ। যতই বাইরে রাগ হোক, এই ক-দিনে সেই অদেখা অজানা উপহারদাতার প্রতি একটা কৃতজ্ঞতা জন্মেছে পারমিতার।

    হঠাৎ সনাতনদার জোর গলায় কথায় চিন্তার জ্বাল ছিঁড়ে যায় ওর, চমকে তাকিয়ে দেখে, সনাতনদা কাকে যেন বলছেন, ”পাঞ্জাবিটা তো জব্বর পরেছ সুবলদা, কোত্থেকে কিনলে?”

    ‘সুবলদা’ নামক লোকটা বলল, ”আরে, ছোটছেলে করে দিয়েছে গো, ওর তো খুব ভালো আঁকার হাত! পাঞ্জাবিটার ওপর ও-ই এসব লিখেছে-টিখেছে।”

    সনাতনদা দু-হাত কোমরে দিয়ে বলল, ”বটে! তোমার ছোটছেলের তো অনেক গুণ দেখছি! এত ভালো আঁকে, এত ছেলেপিলে পড়ায়, আবার ক্যুরিয়ার সার্ভিসেও কাজ করে!”

    পারমিতা আনমনে ওই সুবলবাবুর সুতির পাঞ্জাবিটার দিকে তাকিয়ে চমকে উঠল, ওর ব্যাগের ওপর গীতাঞ্জলির যে দুটো পঙক্তি লেখা, তার ঠিক পরের দুটো পঙক্তি লেখা ওই পাঞ্জাবিতে, ”মুক্তি চাহিবারে তোমার কাছে যাই, চাহিতে গেলে মরি লাজে!”

    পারমিতা বিস্ফারিত চোখে দেখল, হাতের লেখা থেকে শুরু করে হরফগুলোর টান, রঙ সব-ই এক! ও সেদিকে তাকাতেই সনাতনদা বললেন, ”এই দ্যাখো সুবল, এই হচ্ছে আমাদের দিদিমণি। অবশ্য তোমার ছেলে ওকে ভালো করেই চেনে।” তারপর পারমিতার দিকে তাকিয়ে বলল, ”তোমার রানারের বাবা, বুঝলে দিদিমণি?”

    পারমিতার যা বোঝার যা আগেই বোঝা হয়ে গিয়েছিল। রাগে ওর ব্রহ্মতালু জ্বলছিল। ঠিক, ক্যুরিয়ারের ওই ছেলেটার সামনেই তো ও সেদিন বলেছিল সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বইগুলোর কথা! জীবনে এই প্রথম, নিজের রুচি, ভালোলাগার সাথে মিলিয়ে মিশিয়ে একজনকে পেয়েছিল, তার কাছ থেকেও এমন ফাঁকি! অনেক কষ্টে নিজের রাগ চেপে রেখে বলল, ”আপনার ছেলেকে আজ একবার স্টেশনে আসতে বলবেন প্লিজ, পাঁচটার সময়, ভীষণ দরকার!”

    পাঁচটা সতেরোর ডাউন লোকাল যখন স্টেশন ছেড়ে বেরিয়ে গেল, তখন ফাঁকা প্ল্যাটফর্মের একদম শেষের একটা বেঞ্চিতে বসেছিল পারমিতা আর সুশান্ত। পারমিতার রাগ তখনো পড়েনি। সুশান্ত মিনমিন করে যাই বলতে যাচ্ছিল, প্রবলদর্পে থামিয়ে দিচ্ছিল পারমিতা। তবু সুশান্ত বলল, ”তুমি চাকরি করো, আমি তো এখনো চাকরি পাইনি, তাই ভয়ও হচ্ছিল বলতে কি করব বল! তাই, নিজেই ওগুলো অর্ডার দিতাম। আর ওই ব্যাগটা প্যাকেট থেকে বের করে লাইনগুলো লিখে আবার প্যাক করে দিয়েছিলাম!”

    পারমিতা তেলেবেগুনে জ্বলে উঠল, ”এত কাণ্ড করতে পারলে, এক মাস ধরে এত পয়সা খসিয়ে আমাকে টেনশন দিলে, আর একবারও মুখ ফুটে বলতে পারলে না! এত লুকোচুরি?”

    সুশান্ত মাথা নাড়ল, এতক্ষণে একটু সাহস পেয়ে ভয়ে ভয়ে পারমিতার একটা হাত ধরল, অস্ফুটে বলল, ”মুক্তি চাহিবারে তোমার কাছে যাই, চাহিতে গেলে মরি লাজে!”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article লোকায়ত দর্শন : দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নরক সংকেত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }