Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প478 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কালো চিঠি

    হাওড়া থেকে বর্ধমান কর্ড লাইনে ছোট্ট একটা স্টেশন পড়ে, মধুসূদনপুর। খুবই অকিঞ্চিতকর অঞ্চল, আগে অজ পাড়াগাঁ-ই বলা চলত, এখানকার মানুষজন বেশিরভাগই চাষবাস করে জীবন কাটায়, বড়জোর দশ পনেরোজন ট্রেন ধরে চাকরি করতে যায় রোজ। তবে ইদানীং গ্লোবালাইজেশনের দৌলতে কোন গ্রামই তো আর সেই সবুজ শ্যামল জসীম উদ্দিনের কবিতায় পড়া গ্রাম টাইপের নেই, একটু হলেও শহুরে ছোঁয়া লেগেছে সব জায়গাতেই। মধুসূদনপুরেও তাই। এখানে ছেলেছোকরাদের হাতে এখন টুকটাক মোবাইল, ছোট্ট একফালি বাজারে আলু-পটল -ঝিঙের পাশেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে হাল আমলের কম্পিউটার গেমের দোকান। একটা সরকারি ব্যাঙ্কের ছোট ব্র্যাঞ্চও খুলেছে বাজার চত্বরে বেশ কয়েক মাস হল।

    তো, এই বাজার চত্বরেই আমাদের দোলগোবিন্দবাবুর সিডির দোকান ‘ছবিঘর’। দোলগোবিন্দবাবু মধুসূদনপুরের বহুকালের বাসিন্দা নন, আগে থাকতেন এখান থেকে আরও কয়েকটা স্টেশন পেরিয়ে নবগ্রাম বলে একটা জায়গায়। ওখানে কি করতেন ঠিক জানা যায় না, তবে বিয়ে-থা করেননি, ঝাড়া হাত-পা মানুষ। বয়স পঞ্চাশের ওপারেই হবে, মোটাসোটা তেল চুকচুকে গড়ন। এই মধুসূদনপুরে ছিল ওনার মামার বাড়ি। মামা-মামি দুজনেই ছিলেন নিঃসন্তান, তাঁরা মারা যাওয়ার আগে তাঁদের সামান্য যেটুকু গচ্ছিত টাকা আর ছোট্ট একতলা বাড়িটা বছরকয়েক আগে তাঁদের একমাত্র ভাগনাকে দিয়ে যেতে নবগ্রামের মায়া কাটিয়ে দোলগোবিন্দবাবু এখানেই থিতু হয়েছেন। এখানকার মানুষজনের সাথে বিশেষ মেলামেশা করেননা বটে, তবে দশবছর আগে এই বাড়িতে জাঁকিয়ে বসে মামার জমানো টাকা দিয়ে যখন একদম বাজারের মুখে এই দোকানঘরটা ভাড়া নিয়ে দোলগোবিন্দবাবু সিনেমার সিডির দোকান করলেন, তখন অনেকেই তাঁর ব্যবসাবুদ্ধির প্রশংসা করেছিল।

    মধুসূদনপুরে টিভির কেবিল কানেকশন থাকলেও তা একদমই পরিষ্কার নয়, আর বেশি চ্যানেলও আসে না। তাই দোলগোবিন্দবাবুর সিডির ব্যবসা হু-হু করে চলতে শুরু করেছিল। এখানকার মানুষজন বড় সরল, শহুরে প্যাঁচপোঁচ নেই বললেই চলে। সারাদিনের খাটুনির পর বাড়িতে এসে নিজেদের মনোমতো সিনেমা দেখার লোভে বেশ কয়েক মাস ধরে পয়সা জমিয়ে সিডি প্লেয়ার কিনে ফেলার লোক তাই ভালোই বাড়ছিল ক্রমাগত। তার ওপর বেশিরভাগ বয়স্ক মানুষজন যাঁদের অবসর সময় কাটতেই চায় না, তাঁরা তাঁদের মনোমতো পুরনো আমলের কানন দেবী, প্রমথেশ বড়ুয়ার সিনেমার সিডি কিনে নিয়ে গিয়ে বাড়িতে মনের সুখে দেখতে শুরু করেছিলেন। দোলগোবিন্দবাবুও তাই সুযোগ বুঝে বাড়ির দোতলার গাঁথনি শুরু করে দিয়েছিলেন। সকাল থেকে সন্ধে দোকানেই কেটে যায়, তারপর বাড়ি ফিরে পুরনো দিনের সিনেমাগুলোই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখা, ব্যাস।

    কিন্তু ‘ছবিঘর’-এর যেদিন বারোবছর পূর্ণ হল, জুলাই মাসের সেই বৃষ্টির দুপুরে দোলগোবিন্দবাবুকে দেখা গেল গোমড়া মুখে দোকানে তার চেয়ারে গালে হাত দিয়ে বসে থাকতে। বাইরে অঝোরে বৃষ্টি, আকাশের কালো মেঘ মুহুর্মুহু গজরাচ্ছে। একটু আগেই দুপুরের খাওয়া শেষ করেছেন। আগে পাশেই একটা পাইস হোটেলে খাওয়াটা সেরে নিতেন, কিন্তু বছরপাঁচেক হল নতুন ছেলেটাকে রাখার পর সে-ই দুজনের জন্য বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে আসে।

    দোলগোবিন্দবাবু আনমনে তাঁর একমাত্র কর্মচারীর দিকে তাকালেন। রমেন একমনে কালকের নতুন স্টকের সিডিগুলো ক্যাটালগে লিখছে, একটা করে কপি কম্পিউটারে চালিয়ে টেস্ট করছে, আবার এনলিস্ট করছে। দোলগোবিন্দবাবু একদৃষ্টিতে সেদিকে চেয়ে থেকে নিজের মনেই একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। নাহ ছেলেটা বড় ভালো। বয়স এখনো পঁচিশ পেরোয়নি। ওর মা দোলগোবিন্দবাবুর বাড়িতে কিছুকাল ঠিকে ঝির কাজ করত। মাঝে দোকানের বিক্রি এত বেড়ে গিয়েছিল যে দোলগোবিন্দবাবু একা মাল নিয়ে আসা আর দোকান চালানো একসাথে সামলাতে পারছিলেন না, তাই ওকে রেখেছেন। আর সত্যি বলতে কি, ছেলেটা এসে দোকানের কাজ করার ধরনটাই বদলে দিয়েছে। আগে দোলগোবিন্দবাবু ব্যবসা মানে বুঝতেন সাপ্লায়ারের কাছ থেকে সিডি আনা, সেগুলো পাইল আপ করে রেখে বিক্রি করা। কোনো কাস্টমার এসে সিডি খারাপের কমপ্লেন করলে মান্ধাতা যুগের সেকেন্ড হ্যান্ড সিডি প্লেয়ারটায় বড়জোর একবার চালিয়ে দেখা।

    কিন্তু রমেন এসে বোঝাল ওইসব সাবেক আমলের দোকানদারি আর চলে না বাজারে। দোকানের গেট-আপ সুন্দর করতে হবে আর সব ধরনের কাস্টমারের পছন্দ অনুযায়ী সিডি আনাতে হবে, শুধু দোলগোবিন্দবাবুর নিজের বা কয়েকটা বুড়ো কাস্টোমারের মর্জিমাফিক নয়। তাই ইংলিশ, হিন্দি থেকে শুরু করে নতুন বাংলা সিনেমা, সব ধরনের ফিল্মের সিডি আনতে লাগল দোকানে। শুধু তাই নয়, সিডিগুলোকে এরকমভাবে ফেলে রাখলে হিসেবের গরমিল হতে পারে, তাই সেগুলোকে সময়মতো টেস্ট করে তার রেজিস্টার মেইন্টেন করাটাও রমেনই শুরু করেছে। বারো ক্লাস ফেল হলে কি হবে, ছেলেটার বুদ্ধি আছে আর কাজে উৎসাহও আছে খুব।

    রমেন কখন পাশে এসে দাঁড়িয়েছে দোলগোবিন্দবাবু টেরই পাননি, হুঁশ ফিরল রমেনের কথায়, ”এরকম আনমনা হয়ে কি ভাবছ জ্যাঠা? কি হয়েছে?”

    দোলগোবিন্দবাবু মৃদু মাথা নাড়লেন। কি আর বলবেন! ছেলেটা এত কাজ করেও যদি শোনে দোলগোবিন্দবাবু ওকে এই মাসটা গেলেই ছাড়িয়ে দেবেন, সে-ই বা কি ভাববে! কিন্তু দোলগোবিন্দবাবুরও তো আর কোনো উপায় নেই। একে তো সামনের ব্যাঙ্ক থেকে লোন নিয়ে রমেনের উৎসাহে কম্পিউটার কিনলেন, দোকানটাকে একটু মাজাঘষা করলেন, তার ওপর গোদের ওপর বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে মধুসূদনপুরে হঠাৎ নতুন ইন্টারনেট কানেকশনের রমরমা। নাহ! রমেন ছেলেটা করিৎকর্মা হলেও দোকানের পক্ষে পয়া নয় মোটেই।

    এতকাল এখানে কম্পিউটারের আগমন ঘটলেও ইন্টারনেট ছিল না, কারণ তিনটে গ্রাম পেরিয়ে যে টেলিফোন এক্সচেঞ্জ, তাদের এতদূর নেট কানেকশন আসে না। কিন্তু ইদানীং ভোদাফোন, এয়ারটেলের হঠাৎ সস্তায় নেট কানেশনের অফার আসতে দোলগোবিন্দবাবুর দোকানের ব্যবসা সাঙ্ঘাতিকভাবে মার খেতে শুরু করেছে। মানুষজন যদি বাড়ি বসে পঞ্চাশ টাকা খরচ করে নেট প্যাক রিচার্জ করে অনলাইনে সিনেমা দেখতে পারে, তবে একটা সিনেমার সিডি তারা দোকান থেকে খরচ করে কিনবে কেন! গত দু-মাসে সর্বসাকুল্যে হাজার টাকারও বিক্রি হয়নি।

    যুগের নিয়মেই একের পর এক জিনিস মার্কেট থেকে অবসোলেট হয়ে যায়, আগে ভিসিআর এর যুগ ছিল, তারপর এল সিডি। সেও শেষের পথে। দোলগোবিন্দবাবু একা মানুষ, দোকান না চললেও খুব একটা চিন্তা করতেন না, তাঁর একার ঠিকই চলে যাবে, কিন্তু ঝোঁকে পড়ে ব্যাঙ্কের যে লোনটা নিয়ে ফেলেছেন, সেটা শোধ করবেন কি করে এভাবে চললে! এর মধ্যেই ব্যাঙ্কের ম্যানেজার সুকুমারবাবু তিনদিন তাগাদা দিয়ে ফোন করেছেন। তাঁর নেওয়া লোন ওভারডিউ হয়ে গেছে বেশ কয়েকমাস হল। সে ম্যানেজারের আপন দাদা আবার পুলিশের নাকি দুঁদে বড়কর্তা, এসব ভেবে ভেবে রাতে আর ঘুম হয় না দোলগোবিন্দবাবুর।

    দোলগোবিন্দবাবু ব্যাপারটা রমেনকে বলতে যাচ্ছিলেন, এমন সময় কাছাকাছি কড়কড়াৎ শব্দে কোথাও ভীষণ জোরে বাজ পড়ল। বিদ্যুতের ঝলকানিতে দোলগোবিন্দবাবু দেখলেন তাঁর দোকানের সামনের রাস্তা দিয়ে বাজারের কিছু চেনা ছেলেপিলে বিপ্লব মজুমদারের বডি নিয়ে যাচ্ছে সৎকারের জন্য। বিপ্লব মজুমদার দোলগোবিন্দবাবুর প্রতিবেশী, আজ সকালেই মারা গেছেন। এতক্ষণ বাদে সব মিটল বোধ হয়!

    দোলগোবিন্দবাবু বল হরি, হরি বোল শুনতে শুনতে বিপ্লব মজুমদারের স্বর্গত আত্মার প্রতি কপালে হাত জড়ো করে নমস্কার করলেন। আহা, লোকটা অনেক টাকার ব্যবসা দিয়েছে তাঁকে! বুড়ো বয়সে কথা বলার লোক পেত না, বাড়ির লোক সিডি প্লেয়ারের সামনে বসিয়ে দিয়েছিল। টুকটুক করে লাঠি নিয়ে আসত দোকানে, আর হাজারো সিডি নিয়ে যেত! দোলগোবিন্দবাবু মুখে আফসোসের চুকচুক আওয়াজ করলেন। এই মন্দাতে এত ভালো কাস্টোমারটাও চলে গেল!

    রমেনকে এই মন্দার ব্যাপারটা খুলে বলতেই হল। একটু আভাস তো আগে থেকে দিয়ে রাখতে হবে বেচারাকে, নাহলে মাসের শেষে দুম করে ছাঁটাই হলে আরও কষ্ট পাবে যে!

    রমেন সব শুনেটুনে গালে হাত দিয়ে বসল, ”হুম, ব্যাপারটা আমিও লক্ষ করেছি বটে, বুঝলে জ্যাঠা! এই শালা ইন্টারনেটের জন্য কেউ আর সিডি কিনছেই না মাইরি!”

    দোলগোবিন্দবাবু কাঁদোকাঁদো হয়ে বললেন, ”তবে তুইই বল! তার ওপর আগে আমার মেন কাস্টোমার বেস বলতে ছিল এই তল্লাটের সব বুড়োগুলো। কেউ ইস্কুলের চাকরি থেকে রিটায়ার করেছে, কেউ আবার পোস্ট অফিস। রোজ অন্তত কুড়ি-পঁচিশটা সেল তো হতই ওদের দিয়ে। তা সেই বুড়োগুলোও লাইন দিয়ে সব মরতে লেগেছে, এগুলো সব আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত বুঝলি তো? নিজেরাও ওপরে যাবে, আমার দোকানটাকেও লাটে তুলবে!”

    রমেন চিন্তান্বিত গলায় বলল, ”সেটাই তো! ছেলেছোকরাগুলো নেট থেকে সিনেমা দেখলেও বুড়োগুলো তো আর সেটা পারবে না! কিন্তু এ যেন একের পর এক মরছে!”

    দোলগোবিন্দবাবু আরো উত্তেজিত হয়ে কি বলতে যাচ্ছিলেন, হঠাৎ রমেন হাত নেড়ে থামিয়ে দিয়ে বলল, ”কিন্তু জ্যাঠা, তুমি কিন্তু এই মরে যাওয়া বুড়োগুলোর থেকেই প্রচুর টাকা ঝাড়তে পারো মাইরি!”

    দোলগোবিন্দবাবু থমকে গেলেন। অন্যসময় হলে রমেনের এই কথায় কথায় মাইরি বলার বদভ্যাসটায় এক দাবড়া দিতেন, কিন্তু এখন বললেন, ”মানে! মরে গেছে, তার কাছ থেকে আবার কি করে টাকা পাবো! সে কি স্বর্গে গিয়ে সিনেমা দেখবে নাকি! কিসব আবোল-তাবোল বকছিস বল তো!”

    ততক্ষণে রমেনের চোখ উত্তেজনায় জ্বলজ্বল করছে, ”আলবাত পাবে। তার বাড়ির লোকই দেবে! ভালো করে শোন জ্যাঠা, সলিড একটা আইডিয়া এসেছে মাথায়!”

    *

    বর্ষাকালের সেই দুপুরে দোলগোবিন্দবাবু আর রমেনের কথোপকথনের পর প্রায় একবছর কেটে গেছে। দোলগোবিন্দবাবুর ব্যবসা যে আগের থেকে প্রায় চতুর্গুণ ফুলেফেঁপে উঠেছে, তা দোকানের দিকে তাকালেই বোঝা যায়। খদ্দেরের দেখা তেমন না মিললেও হাল ফ্যাশানের রট আয়রনের অফিস ফার্নিচার বসানো হয়েছে, তৈরি হয়েছে সিডি রাখার রকমারি তাক। দোলগোবিন্দবাবু এখন আর সামনের চেয়ারে বসেন না, তাঁর ছোট্ট প্রাইভেট কেবিন দোকানের ভেতরদিকটায়।

    সামনে কর্পোরেট স্টাইলের ডেস্কে বসে রমেন, সামনের কম্পিউটারে সে সদাই ব্যস্ত। মডার্ন স্টাইলে ছবিঘরে এখন কম্পিউটারে জেনারেটেড ইনভয়েস আর ক্যাশমেমো দেওয়া হয়। এমনকি ওয়ার্যা র‌্যান্টি কার্ডও দেওয়া হয় প্রিন্টেড। রমেন হাতে লেখা বিল পছন্দ করে না। ওতে নাকি দোকানের মান থাকেনা। ব্যাঙ্কের সেই লোন কবেই শোধ হয়ে গেছে, বরং নতুন ওভারড্রাফট নিয়ে কেনা হয়েছে আরও দুটো কম্পিউটার।

    ফেব্রুয়ারি মাস। হাল্কা শীতের পড়ন্ত দুপুরে দোলগোবিন্দবাবু তাঁর কেবিনে পুরনো একটা মুভিতে মগ্ন আর রমেন ঝড়ের গতিতে কম্পিউটারে টাইপ করছিল। সে ম্যানেজার হলেও ইচ্ছে করেই দোকানে আর কোনো কর্মচারী রাখেনি। শুধু কর্মঠ বলেই নয়, আরো একটা গূঢ় কারণ আছে।

    পাশ থেকে চায়ের কাপে আলগা চুমুক দিয়ে রমেন চিঠি টাইপ করা শুরু করল,

    প্রবাল সেনগুপ্ত,

    ৩৪, বসুনগর

    হাওড়া।

    মাননীয়া শ্রীমতী বীথি সেনগুপ্ত,

    প্রথমেই জানাই আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত এইরকম অসময়ে আপনাকে বিরক্ত করার জন্য, কিন্তু পেশাগত কারণেই আমরা অত্যন্ত নিরুপায়।

    আপনার পরলোকগত স্বামীকে আমরা গত বেশ কয়েক বছর ধরে তাঁর চাহিদামতো অসংখ্য ইরোটিক মুভির সিডি যথাযথভাবে বিক্রি করতে পেরে আমরা অত্যন্ত তৃপ্ত। উনি ছিলেন প্রকৃত অর্থেই একজন ভদ্রলোক। গত ২৩ তারিখ উনি কিছু সিডি আমাদের দোকান থেকে কিনে নিয়ে যান, যেগুলোর দাম তিনি পরে মেটাবেন বলেছিলেন, সেই বিলটি আমাদের ইনভয়েস সহ আপনাকে এই চিঠির সঙ্গে আমরা পাঠাচ্ছি।

    আপনাকে এটাও জানাতে চাই যে, এই ধরনের মুভির সিডিগুলি কিন্তু অত্যন্ত দুর্লভ আর অধিকাংশই ভারতে নিষিদ্ধ, তাই দুর্মূল্যও বটে। তাই আশা রাখি যথাযথ গোপনীয়তার সঙ্গেই আপনি আপনার স্বামীর এই বিশাল নিষিদ্ধ মুভির কালেকশনকে যত্নে রাখবেন। যাতে আমাদের পরবর্তী স্টেপ না নিতে হয় তাই আমাদের এই বিলটি আপনাকে যথাসম্ভব দ্রুত মিটিয়ে দেবার অনুরোধ জানাই। আমাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর সঙ্গে দেওয়া হল।

    মুভিগুলি হল :

    সেক্স মেশিন – ৫৬০ টাকা

    হার্ডকোর ন্যটি সিস্টার্স – ১২৫৪ টাকা

    পিজ্জা ডেলিভারি বয় – ৯৯৯ টাকা

    ব্যাড গার্লস – ৮২০ টাকা

    মোট — ১০৫২০ টাকা।।

    ধন্যবাদান্তে

    দোলগোবিন্দ বটব্যাল

    প্রোপ্রাইটর, ছবিঘর।

    রমেশ টাইপ করা শেষ করে প্রিন্ট নিতে নিতে খেয়াল করল পাশে এসে দোলগোবিন্দবাবু কখন দাঁড়িয়েছেন।

    দোলগোবিন্দবাবু বললেন, ”হ্যাঁ রে, একে কি চিনিস তুই?”

    রমেন তাচ্ছিল্যভরে খামে চিঠি মুড়তে মুড়তে বলল, ”ধুস! চেনা মালগুলোকে তো আগেই ঝেড়েমুছে সাফ করে নিয়েছি। নতুন আর পাবো কোথায়! আর এ তো কলকাতার দিকের মাল!”

    দোলগোবিন্দবাবু আঁতকে উঠে বললেন, ”সেকি! তবে ওর বর সত্যিই মরেছে কিনা জানলি কি করে! আর কলকাতা থেকে এতদুরে কিনতে আসবেই বা কেন সে!”

    রমেন উঠে দাঁড়িয়ে বলল, ”ওফ জ্যাঠা! অ্যাদ্দিনে এই চিনলে আমায়? এই বুড়োটা মুধুসূদনপুরে প্রায়ই তাস খেলতে আসতো। আরে ক্যুরিয়ার সার্ভিসের পল্টু আছে না? ওর সাথে সব ফিট করা আছে, বলিনি তোমায়? ওর নেটওয়ার্ক একদম সলিড! বাড়িতে কম্পিউটার করত, এমন বুড়ো আশপাশে মরলেই খবর দিয়ে যায়। আর দেবে নাই বা কেন, কম বখশিস দিই নাকি! আর তাছাড়া…!” রমেন মোবাইলে খুটখাট করতে করতে বলল, ”এ এমন কেস জ্যাঠা, বুড়োর বউ তো দূর, ছেলেপুলেরাও লজ্জায় কিস্যু করতে পারবে না, জানাজানি হবার ভয়ে, তাই সুড়সুড় করে বিল মিটিয়ে দেবে বুঝলে!’

    দোলগোবিন্দবাবু নিশ্বাস ফেলেন। কথাটা ভুল কিছু নয়। এই কয়েক বছরের মধ্যে রমেন নয়নয় করে লাখপাঁচেক টাকা কামিয়ে ফেলেছে এই ধান্দা করে। শুরুটা করেছিলো বিপ্লব মজুমদারকে দিয়ে। বুড়োর নামে ৬০০০ টাকার ঐ সব সিনেমার বিল পাঠাতেই বুড়োর বড়ছেলে পরের দিনই বিগলিতভাবে দিয়ে গেল, সঙ্গে আবার পঞ্চাশ টাকা এক্সট্রা যাতে এই খবরটা পাঁচকান না হয়। বাবার বুড়োবয়সের কেচ্ছা কে-ই বা পাঁচকান করতে চায়! তারপর একে একে, নতুনপল্লির সাধন চক্কোত্তি, পূর্বপাড়ার বিশ্বেশ্বর সমাদ্দার, পারুল কাননের মাধব নন্দী সবার বাড়িতেই বিল গেল।

    প্রথম প্রথম দোলগোবিন্দবাবু ভয়ে কাঁটা হয়ে থাকলেও এখন বুঝেছেন যে, এ এমন একটা ব্যাপার যে স্ত্রী তো বুঝবেই না, আর ছেলেপুলেরা বুঝলেও লজ্জায় টুঁ শব্দটি না করে টাকা দিয়ে নিঃশব্দে কাজটা মিটিয়ে ফেলতে চাইবে, তাই জানাজানি হবারও কোনো ভয় নেই।

    কিন্তু রমেন ব্যাটা ইদানীং বড্ড বাড়াবাড়ি করছে। অচেনা অজানা সদ্য সদ্য মরে যাওয়া লোকজনের বাড়ি ব্লু ফিল্মের সিডির মোটা বিল পাঠিয়ে দিচ্ছে। দোলগোবিন্দবাবু মাথা নাড়েন, এত লোভ কি ভালো? কিন্তু রমেনের মতো তিনি নিজেও তো লোভ সংবরণ করতে পারছেন না। যেজন্য কাজটা শুরু, সে লোন কবেই চুকেবুকে গেছে, তবু নতুন জিনিসের আকর্ষণে আরও জড়িয়ে পড়ছেন ক্রমশ।

    বীথি সেনগুপ্তর বাড়ি থেকে সেবার কড়কড়ে দশ হাজার টাকা লাভ হতে মনের আনন্দে দোলগোবিন্দবাবু রমেন আর ওর মা-কে নিয়ে দিনসাতেকের জন্য পুরী ঘুরে এলেন। নাহ, ক্যাপিটাল ভালোই জমেছে, এবার দোকানটাকে সত্যি সত্যি এক্সপ্যান্ড করতে হবে, ক-দিন ধরেই ভাবছেন, একটা জেরক্স মেশিন কিনবেন, তাতে আয় বাড়বে। আর এখন এরকমভাবে টাকা পাওয়ার পদ্ধতিটা খুব একটা খারাপও লাগে না দোলগোবিন্দবাবুর, কারুর ক্ষতি তো হচ্ছে না এতে!

    পুরী থেকে ঘুরে আসার দু-দিন বাদে একদিন বিকেলবেলা দোলগোবিন্দবাবু সামনের ডেস্কে বসেছিলেন। রমেন আধঘণ্টার জন্য কোথায় বেরিয়েছে। দোলগোবিন্দবাবু অলসভঙ্গিতে আনন্দবাজার পড়ছিলেন। রমেনের মতো তাঁরও অভ্যেস হয়ে গেছে আগে ওবিচুয়ারির পেজ ওল্টানো, কোন মালদার পার্টি কোথায় মারা গেছে, সে সম্পর্কে ভালো খোঁজ পাওয়া যায়। শ্রাদ্ধশান্তির খবর পড়তে পড়তে আড়চোখে একবার বোল্ড ফ্রেন্ডশিপগুলোর দিকেও তাকাচ্ছিলেন। রমেনের আনা ওইসব সিডিতে যে বিদেশি মেয়েগুলোকে দেখেন, এরাও কি এমনই হবে? উত্তেজনায় দোলগোবিন্দবাবুর চোখ চকচক করে উঠল। টাকার তো অভাব নেই, একবার ট্রাই মারতে দোষ কি?

    ঠিক এই সময় দোকানের দরজা খুলে ঢুকলেন একজন মধ্যবয়স্ক ভদ্রলোক। দোহারা পেটানো চেহারা অথচ একটা সৌম্য ভাব আছে, চোখে সোনালি ফ্রেমের চশমা। ইতস্ততভাবে বললেন, ”আচ্ছা, দোলগোবিন্দ বটব্যাল আছেন?”

    দোলগোবিন্দবাবু ভ্রূ কুঁচকে বললেন, ”হ্যাঁ আমিই, বলুন?”

    ভদ্রলোক বললেন, ”আপনিই কি প্রোপ্রাইটর?”

    ইতিমধ্যে রমেন কখন এসে পড়েছে, এহেন প্রশ্নে সে বেশ মেজাজ দেখিয়ে বলল, ”আরে কি দরকার বলুন না! কিসের সিডি কিনবেন বলুন?”

    ভদ্রলোক ধীরে ধীরে মাথা নেড়ে বললেন, ”না, আমি কিছু কিনতে আসিনি। দোলগোবিন্দবাবু, আপনার সঙ্গে আমার কিছু কথা ছিল।”

    রমেনকে তেমন পাত্তা না দেওয়ায় সে বোধ হয় আরও চটে গেল, বলল, ”আরে মশাই, আমি এই দোকানের ম্যানেজার। বলুন না কি দরকার!”

    ভদ্রলোক এবার পকেট থেকে একটা কাগজ বের করে বললেন, ”গতকাল আমরা আপনাদের এই বিলটা ক্যুরিয়ার মারফত পাই।”

    রমেন একঝলক চোখ বুলিয়ে নিল। হুম, আশিস সরকার। মনে পড়েছে। একে সে আগের সপ্তাতেই চিঠি পাঠিয়েছিল। পল্টু কোত্থেকে খোঁজ পেয়েছিল কে জানে! যূর মনে পড়ছে বেলুড়ে বাড়ি। ও স্মার্টলি বলল, ”ওহ, হ্যাঁ বলুন। হ্যাঁ উনি মারা যাওয়ার কয়েকদিন আগেই এসে ওই মুভিগুলো কিনে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেদিন সঙ্গে অত টাকা ছিল না তাই… আর আমাদের উনি অনেকদিনের কাস্টোমার তো তাই আমরা…!”

    ভদ্রলোক এবার ভারি অবাক হয়ে বললেন, ”আপনাদের কোথাও ভুল হচ্ছে মনে হয়! বাবা এদিকে কোনোদিনও আসেনইনি। আর এগুলো ওঁর পক্ষে কেনা সম্ভব নয়।”

    রমেন এবার মাছি তাড়াবার ভঙ্গিতে বুক ফুলিয়ে বলল, ”আরে মশাই, এসব ব্যানড পর্নোগ্রাফিক সিডি শুধু এতল্লাটে আমাদের দোকানেই পাওয়া যায়, অনেকেই লুকিয়ে চুরিয়ে কিনতে আসেন। আর আ-আপনার বাবা, মানে, ইয়ে কি বলে আশিসবাবু তো প্রায়ই আসতেন, সে কি আর আপনাদের বলেকয়ে আসবেন? অনেক দূর দূর থেকে আমাদের দোকানে কাস্টমার আসে, বুঝলেন? হে হে!”

    ভদ্রলোক এবারও বেশ অবাক হয়েই বললেন, ”আপনারা অন্য কারুর সঙ্গে আমার বাবাকে গুলিয়ে ফেলছেন না তো? কারণ আমার বাবার পক্ষে এগুলো কেনা কোনোমতেই সম্ভব নয়!”

    রমেন এবার খিঁচিয়ে উঠল, ”ধুর মশাই, ফালতু ক্যাঁচরা করছেন তো তখন থেকে! বলছি, আপনার বাবাই কিনেছেন!”

    ভদ্রলোক এবার বাইরে কাউকে ডাকলেন, ”ভাই, ভেতরে আয়।”

    পর্দা সরিয়ে যিনি ঢুকলেন, তাঁকে দেখে দোলগোবিন্দবাবু এবার ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে উঠে দাঁড়ালেন। এখানকার ব্যাঙ্কের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার সুকুমারবাবু।

    সুকুমারবাবু বললেন, ”দোলগোবিন্দবাবু, আমি ইচ্ছে করেই ঢুকছিলাম না ভেতরে। ইনি আমার দাদা, লালবাজারে আছেন।”

    দোলগোবিন্দবাবুর মুখটা ভয়ে এইটুকু হয়ে গেছে, তার মধ্যেই তুতলে কোনোমতে কিছু বলার চেষ্টা করলেন, কিন্তু পুলিশ ভদ্রলোক তাঁকে থামিয়ে দিয়ে রমেনের দিকে তাকিয়ে বললেন, ”এসব সিডি তো ব্যানড, সেজন্য তো আপনারা অ্যারেস্টেড হবেনই, আর দু-নম্বর হল, এগুলো কি শুধু অডিও পর্ণোগ্রাফি?”

    রমেনের মুখ শুকিয়ে আমসি হয়ে গেছে, তবু তার মধ্যেই ও শেষ খড়কুটো ধরার চেষ্টা করতে করতে বলল, ”কে-কেন স্যার?”

    সুকুমারবাবুই দাদার হয়ে উত্তরটা দিলেন, ”কারণ আমার বাবা অন্ধ ছিলেন। প্রায় পনেরো বছর আগে একটা অ্যাক্সিডেন্টে ওনার দুটো চোখই নষ্ট হয়ে যায়! তো তর্কের খাতিরে যদি মেনেও নিই যে লুকিয়ে এই দোকান থেকে উনি ওগুলো নিয়ে যেতেন, কিন্তু উনি এই সিডিগুলো নিয়ে কি করবেন বলতে পারেন?”

    তারও আধঘণ্টা বাদে যখন পুলিশের ভ্যানে দোলগোবিন্দবাবু আর রমেনকে তোলা হচ্ছিল, তখন রুমালে মুখ লুকোতে লুকোতে দোলগোবিন্দবাবু ভাবছিলেন, একেই বলে লোভে পাপ আর পাপে মৃত্যু! অন্যকে ব্ল্যাকমেল করতে গিয়ে নিজেই ব্ল্যাকমেলড হয়ে গেলেন।

    **********

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article লোকায়ত দর্শন : দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নরক সংকেত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }