Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প478 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আঠাশ বছর পরে

    এতদিন বাবিনের কথাটাকে হালকাভাবে নিচ্ছিলেন শ্রাবন্তী, কিন্তু আজ যেরকম সিরিয়াসলি কথাটা বলে বাবিন ঘর ছেড়ে দুদ্দাড়িয়ে বেরিয়ে গেল, ওর চলে যাওয়া দেখতে দেখতে শ্রাবন্তী সিদ্ধান্তটা নিয়েই নিলেন।

    অনেকদিন ধরে লক্ষ করছেন, এ নিজে থেকে বলবার ছেলে নয়। মাঝে মাঝে আশ্চর্য লাগে, বাবিন সত্যিই শ্রাবন্তীরই ছেলে তো?

    এত মুখচোরা?

    নাঃ! তাই যা করার শ্রাবন্তীকেই করতে হবে।

    অরিন্দম অনেকদিন বাদে আজ টিভিটা খুলেছিলেন। আজকাল টিভি, ল্যান্ডলাইন টেলিফোন, বোতাম টেপা ফোন ডোডো পাখির মতোই লুপ্তপ্রায় হয়ে গেছে, অধিকাংশ বাড়িতেই নেই। থাকবেই বা কেন, মোবাইলের টিভি অ্যাপ, অত্যাধুনিক ক্লাউড টেকনোলজির ইন্টারনেট তো সব চাহিদাই পূরণ করে দিচ্ছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় সদাব্যস্ত থাকতে গিয়ে সবাই আজকাল আনসোশ্যাল, যে বন্ধুটার সঙ্গে চ্যাটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ক্লান্তিহীন ভাবে গল্প করতে পারে, সেই বন্ধুই বাড়িতে আচমকা চলে এলে বিরক্তি উথলে পড়ে যেন। সবটাই তো আজকাল বড় ভার্চুয়াল!

    টিভিতে একটা ওয়াইল্ড অ্যানিম্যাল ডকুমেন্টারি চলছিল, শ্রাবন্তী অরিন্দমের পাশে গিয়ে সোফায় ধপ করে বসে পড়ে বললেন, ”আমি বাবিনের দেখেশুনেই বিয়ে দেব, ঠিক করে ফেললাম, বুঝলে!”

    অন্য কেউ হলে শ্রাবন্তীর এই কথা শুনে ভিরমি খেত, দু-হাজার পঁয়তাল্লিশ সালে যেখানে বিয়ে ব্যাপারটাই অপশনাল হয়ে দাঁড়িয়েছে, লোকজন আকছার লিভ ইন করছে, শীতের মরশুমে এক-আধটা বিয়েবাড়ির নিমন্ত্রণ পেলে যেন হাতে চাঁদ পাওয়ার দশা হয়, সেখানে ছেলের দেখেশুনে বিয়ে দেওয়াটা চোখ কপালে তোলার মতো বিষয়ই বটে!

    অরিন্দম কিন্তু অতটা চমকালেন না, প্রেমপর্ব-বিয়ে মিলিয়ে আজ চল্লিশ বছর হল শ্রাবন্তীকে তিনি দেখে আসছেন, ওর স্বভাবচরিত্র হাতের তালুর মতোই জানা। যতই বয়স হোক, শ্রাবন্তী হল গিয়ে একটা ছোট্ট চড়াই পাখির মতো, এই এখানে গিয়ে একদণ্ড জিরোচ্ছে, চোখের পলক ফেলতে না ফেলতেই সেখান থেকে ফুড়ুৎ হয়ে উড়ে যাচ্ছে অন্য জায়গায়! সেই কলেজ থেকে তো দেখছেন। মাঝের পঁয়ত্রিশটা বছর তো দুজনে আইটি সেক্টরের জোয়াল টানতে টানতেই জেরবার হয়ে গিয়েছিলেন, এখন একসাথে রিটায়ার করে কলেজ লাইফের সেই ছটফটে বান্ধবীটাকে আবার খুঁজে পাচ্ছেন যেন অরিন্দম!

    তারিয়ে তারিয়ে তাই এই অবসর জীবন উপভোগ করছেন দুজনে।

    রিস্ট ওয়াচে একটা ভিডিও কল আসছিল, বাবিনেরই, ছবিটা দেখতে পেলেন শ্রাবন্তী। এই তো বেরলো বাড়ি থেকে, এখনই মা-কে আবার কি দরকার পড়ল?

    শ্রাবন্তী রিসিভ করলেন না। একটা দরকারি কথা বলার সময় ফোন দুচক্ষে দেখতে পারেননা তিনি। আজকালকার ছেলেমেয়েদের কথা কথায় ফোন, এতে করে কথোপকথনের গুরুত্বটাই হারিয়ে যায়।

    অরিন্দম শান্তভাবে বললেন, ”তুমি দেখেশুনে বিয়ে দেবে, সে তো ভালো কথা, কিন্তু বিয়েটা যার, সে মানবে কি?”

    শ্রাবন্তী এবার বললেন, ”আরে সে মানবে বলেই তো বলছি, নাহলে আমি নিজে থেকে বলব কেন! চার পাঁচ মাস ধরে ফোন করলেই জিজ্ঞাসা করি, কিরে এবার বাড়ি এলে গার্লফ্রেন্ডের সাথে আলাপ-পরিচয় করা। বিয়ে করবি কবে? তো সে মক্কেল কোনো উচ্চবাচ্যই করে না! তারপর আজ জোরে চেপে ধরতে বলল, আমার সেরকম কোনো গার্লফ্রেন্ড নেই, আমি বিয়ে করব না মা!”

    অরিন্দম এবারেও টিভির পর্দা থেকে চোখ সরালেন না। মসৃণ দেওয়ালের উপর সুবিশাল ত্রিমাত্রিক টিভি, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের স্ক্রিন থেকে জিরাফগুলো জীবন্ত হয়ে গলা বাড়িয়ে দিচ্ছে বাইরে। ভার্চুয়াল জিরাফের লম্বা গলা নিজের গালে উপভোগ করতে করতে অরিন্দম বললেন, ”বাহ! তবে আবার কি, ছেলে তো বলেই দিয়েছে বিয়ে করবে না।”

    শ্রাবন্তীর এবার রাগ হয়ে গেল, সোফার সাথেই অ্যাটাচড রিমোটের টাচ স্ক্রিনে আঙুল ঘষে টিভিটা মিউট করে দিয়ে ধমকে উঠলেন, ”সব ব্যাপারে তোমার ইয়ার্কি, না! দেখছ একটা সিরিয়াস ব্যাপারে আলোচনা করতে এসেছি, নিজে তো ছাব্বিশ বছর বয়সে ড্যাং ড্যাং করে বিয়ে করে নিয়েছিলে, নিজের ছেলের যে বয়স তেত্রিশ বছর বয়স হয়ে গেল, কোনো ভ্রূক্ষেপ নেই, তাই না!”

    অরিন্দম এবার মনে মনে মুচকি হাসলেন। সত্যি, এতবছর হয়ে গেল, শ্রাবন্তীর কারণে অকারণে রেগে যাওয়া স্বভাবটা গেল না। এই হাসছে, কথা বলছে, পরমুহূর্তেই চিৎকার করছে। আগের মাসেই এই নিয়ে ধুন্ধুমার হয়ে গেল। এখন মোটামুটি সব সচ্ছল বাড়িতেই অ্যান্টি-ভায়োলেন্স সেন্সর লাগানো, স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি জোরে চিৎকার করলেই অটোমেটিকালি অ্যালার্ট চলে যায় মিউনিসিপালিটির সার্ভারে, দশ মিনিটের মধ্যে সিভিক পুলিশের একটা টিম চলে আসে। মানুষের চলাফেরা, কথাবার্তা, হাসিকান্না সব এখন মনিটরড। রাগলে শ্রাবন্তীর কোনোদিনই মাথার ঠিক থাকেনা, এমন জোরে চেঁচাচ্ছিলেন, ব্যাস, পুলিশ এসে হাজির। তারপর সে কি অস্বস্তিকর ব্যাপার! তারা তো মানতেই চায় না, কথাচ্ছলে কোনো মহিলা এমন চিৎকার করতে পারে! তারপর তাঁদের মিষ্টি-টিষ্টি খাইয়ে শান্ত করে ফেরানো হল।

    অরিন্দম স্ত্রীকে আরো রাগিয়ে দিতে বললেন, ”আমাকে ধমকাচ্ছ ধমকাও, আমি তো লাইফটাইম সাবস্ক্রিপশন নিয়েই ফেলেছি, পালাবার কোনো রাস্তা নেই। কিন্তু দেখো, তোমার এই ধমক আবার ওই সিভিক টিমের কানে না পৌঁছে যায়, এখুনি সাইরেন বাজিয়ে এসে হাজির হবে। আগের বারের ঝামেলাটা মনে আছে তো?”

    শ্রাবন্তী তেলেবেগুনে জ্বলে উঠতে গিয়েও মনে মনে থমকে গেলেন।

    অরিন্দম ঠিকই বলছে। উফ কি যে এই ডিজিটাল দুনিয়ার অভিশাপ! একদিকে ভালো ঠিকই, ক্রাইম রেট হু হু করে কমছে, সবকিছুই এখন হ্যাসল-ফ্রি, কিন্তু অন্যদিকে মানুষের আবেগ, উচ্ছাসগুলোকেও যদি এইভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে থাকা হয়, তবে মাপা হাসি, মাপা কান্না, মাপা উত্তেজনা, এইভাবে তো সবাই আস্তে আস্তে রোবটে পরিণত হবে, ওই অনলাইনের রোবটগুলোর মতো, প্রত্যেকটা রোবটের সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিটে বিভিন্ন অ্যালগরিদম প্রোগ্রামড করা, সেই অনুযায়ী চলে তাদের চোখের পাতা পড়া থেকে শুরু করে কাজকর্ম, অভিব্যক্তি।

    রক্তমাংসের মানুষরা কেন সেরকম করবে?

    কিন্তু কি আর করা, পড়েছ যখন মোঘলের হাতে, খানা খেতে হবে সাথে, অনেক ছোটবেলায় দাদুর মুখে শোনা সেই প্রবাদটা মনে পড়ল শ্রাবন্তীর, প্রাণপণে রাগটা গিলে নিয়ে চাপা গলায় গজগজ করলেন, ”ছেলে নিজেই তো বলছে কোনো গার্লফ্রেন্ড নেই।”

    ”গার্লফ্রেন্ড নেই তো কি, বয়ফ্রেন্ড থাকতে পারে। তোমার ছেলে গে হতে পারে, ইমপোটেন্ট হতে পারে, বাইসেক্সুয়াল হতে পারে, আরো অনেক কিছু হতে পারে। ধুম করে না জেনেশুনে পাত্রী খুঁজতে যাবে কেন তুমি?” অরিন্দম ব্যাখ্যা করলেন।

    শ্রাবন্তী ভ্রূ কুঁচকে তাকালেন। টিভির ঢাউস স্ক্রিনে এখন একটা বিশাল সিংহ জিরাফটাকে ধরেছে, জিরাফটা অতবড় গলা দিয়ে প্রাণপণে চেষ্টা করছে মৃত্যুকে এড়ানোর। সাউন্ড অফ করা থাকলেও থ্রি ডি টিভি-র জাদুতে তার সেই গলাটার তীব্র আস্ফালনের ঝাপটা যেন এসে লাগছে ওঁদের গায়েও।

    এক মাইক্রোসেকেন্ডের জন্য শ্রাবন্তীর মনে হল টিভির স্ক্রিনে ছটফট করতে থাকা জিরাফটার মতো অরিন্দমেরও মাথাটা গুঁড়িয়ে দিতে। অনেক কষ্টে নিজেকে কন্ট্রোল করে বললেন, ”তুমি কি একটু সিরিয়াস হবে? বাবিন যে স্ট্রেট সেটা তুমি জানো না? বৈশালী বলে ওর ওই কলেজের বন্ধুটা ওর লং টার্ম গার্লফ্রেন্ড ছিল। মেয়েটা ইউএসএ চলে যাওয়ার পর ব্রেক আপ হয়ে গেল।”

    ”তো নতুন আরেকটা গার্লফ্রেন্ড জুটিয়ে নিতে বলো। লিভ ইন করলে করুক, বিয়ের শখ হলে বলতে বলো, দাঁড়িয়ে থেকে দুজনে বিয়েটা দিয়ে দেব। আবার কি চাই? বাবা-মা পাত্রী খুঁজে আনবে, এটা বাড়াবাড়ি না আজকের দিনে? অত টাইম নেই বস।” অরিন্দম সটান সারেন্ডারের ভঙ্গিতে হাত তুলে দিলেন, ”সারাজীবন অনেক রেটিং, অ্যাপ্রেইজাল, এসক্যালেশনের পেছনে দৌড়েছি, এবার লাইফটা একটু এনজয় করতে চাই, এখনো আর অত চাপ নিতে পারছি না।”

    ”কিরকম বাবা তুমি, হ্যাঁ?” শ্রাবন্তীর রাগে মুখটা লাল হয়ে গেল, ”নিজের ছেলের জন্য মেয়ে দেখবে, সেটাও তোমার কাছে চাপ?”

    ”তা চাপ নয় তো কি?” অরিন্দম শ্রাবন্তীর রাগকে মোটেই পাত্তা দিলেন না, ”আমাদের সময়ে মেয়ে খোঁজার অনেক অপশন ছিল। খবরের কাগজগুলোয় পাত্রপাত্রী কলাম ছিল, সবচেয়ে বড় কথা, প্রচুর ম্যাট্রিমনিয়াল ওয়েবসাইট ছিল, অ্যাপ ছিল, তাতে একটা প্রোফাইল খুললে লক্ষ লক্ষ মেয়ে পাওয়া যেত, একটা ক্লিকে তাদের পছন্দ, অপছন্দ সব জানা হয়ে যেত। এখন কি আর সেই সব ম্যাট্রিমনি সাইটের অস্তিত্ব আছে? কবে উঠে গেছে। আমার তো বেশ মনে আছে, খুব সিকিওরড ছিল প্রসেসটা।” অরিন্দম টিভির থেকে এইবার এই কথোপকথনটায় বেশি ইন্টারেস্ট পেয়ে সোৎসাহে ব্যাখ্যা করতে লাগলেন, ”ফ্রি প্রোফাইল হলে শুধু মেয়ে দেখা যেত, কিন্তু তাদের সাথে যোগাযোগ করা যেত না, মেসেজ বক্সেও ফোন নম্বর দেওয়া যেত না। সেকি বিড়ম্বনা, ফোন নম্বরগুলো শব্দে লিখে কায়দা করে পাঠাতে হত।”

    ”তা তুমি এত কি করে জানলে? কলেজের সেকেন্ড ইয়ার থেকে তো আমার সাথে সেটিং করে রেখে দিয়েছিলে, ম্যাট্রিমনি তো তার অনেক পরের ব্যাপার, আমাদের সার্ভিস লাইফে। তুমি কি করে জানলে যে ফ্রি প্রোফাইলে শুধু মেয়ে দেখা যেত?” শ্রাবন্তী তীক্ষ্ন চোখে প্রশ্নটা করে অরিন্দমকে মাঝপথে থামিয়ে দিলেন।

    অরিন্দম বেশ উৎসাহের সাথে কথাগুলো বলে যাচ্ছিলেন, কিন্তু এবার কেমন ভেবলে গেলেন হঠাৎ, এইজন্য বলে বউয়ের সাথে বেশি দিলখোলা হয়ে কথা বলতে নেই, কেঁচো খুঁড়তে কখন কি কেউটে বেরিয়ে পড়ে! কি বলবেন বুঝতে না পেরে কিছুক্ষণ মাথা চুলকে তারপর হেসে ফেললেন, ”ইয়ে না মানে, সেই একবার টেম্পোরারি ব্রেক আপ হয়েছিল না? ওই সময় তুমি আড়াই মাস কথা বলো নি, অফিসে গেলেও দেখা করতে না মনে নেই? কত সাধ্যসাধনা বাপরে বাপ!” অরিন্দম চোখ বড়বড় করলেন, ”ইয়ে তখনই আর কি একবার জিনিসটা এক্সপ্লোর করার জন্য মানে…জাস্ট টাইম পাস…হে হে…!”

    শ্রাবন্তী দাঁতে দাঁত চিপলেন। ত্রিশ চল্লিশ বছরের পুরনো গুপ্ত কথা হঠাৎ অপ্রাসঙ্গিকভাবেই রিভিলড হয়ে যেতে অরিন্দম আসন্ন ঝড়ের পূর্বাভাস পেয়ে টিভিটা নিজে থেকেই অফ করে দিয়ে শ্রাবন্তীর দিকে কেমন ভয়ার্ত চোখে তাকিয়ে আছেন।

    কিন্তু না। এখন এই নিয়ে কোনো ঝামেলা করব না, শ্রাবন্তী একটা ছোট নিশ্বাস ফেলে মনে মনে ঠিক করলেন। শ্রাবন্তী মজুমদারকে এত বোকা পাওনি। এটা পরের কোনো মোক্ষম সময়ের জন্য তোলা থাক। আপাতত ফোকাসড থাকাই ভালো। সিদ্ধান্তের ব্যাপারটা না জানানো পর্যন্ত যে কিছুতেই শান্তি পাচ্ছেন না তিনি। একমুহূর্ত গুম হয়ে থেকে বললেন, ”তা এখনো তো সেরকম ওয়েবসাইট আছে নিশ্চয়ই।”

    ”কে বলল আছে?” অরিন্দম প্রসঙ্গটা পালটে যেতে পরম আশ্বস্ত হয়ে পড়লেন, ”এই তো, সুমনের মেয়ের বিয়ের সময় ও বলেছিল কোনো ম্যাট্রিমনি ওয়েবসাইট এখন আর চালু নেই, সব উঠে গেছে। কেউ পেইড একাউন্টই খোলে না, চলবে কি করে? তারপর তো ওর মেয়ে নিজেই সব ঠিক করে বিয়ে করে নিল।”

    ”বুঝলাম।” শ্রাবন্তী মাথা নাড়লেন, ”কিন্তু আমাদের বাবিনের মেয়ে দেখার জন্য কোনো ওয়েবসাইট বা ঘটকের দরকার নেই। আমি মেয়ে ঠিক করে ফেলেছি। সেটাই তোমায় বলতে এলাম। বাবিন এখন দশ-বারোদিন থাকবে, তার মধ্যেই সব ফিক্সড করে নিতে চাই। পরের ছুটিতে ডেট ফেলব, এসে বিয়ে করে চলে যাবে।”

    ”ওহ! তাহলে তো ভালোই।” অরিন্দম বেশ উৎসুক হয়ে তাকালেন, ”তা মেয়েটা কে?”

    শ্রাবন্তী একমুহূর্ত থমকালেন, তারপর বললেন, ”তিতির।”

    ”তিতির মানে?” অরিন্দম কৌতূহলী হয়ে প্রশ্ন করলেন, ”ওই বি ব্লকের কৌশিকের মেয়ে?”

    ”হ্যাঁ। ওই তিতির।” শ্রাবন্তী ঠোঁট কামড়ালেন, ”বাবিনের ছোটবেলার বন্ধু ছিল, নার্সারি থেকে একসাথে পড়েছে। ইন্টারনেটেও দুজনের মধ্যে ভালো কন্ট্যাক্ট আছে আমি দেখেছি। কাছাকাছি বাড়ি, ভালো ফ্যামিলি, ভালোই হবে। সবচেয়ে বড় কথা, কাল ওর মা ছন্দার সাথে দেখা হয়েছিল। বলল তিতির একটা ভালো স্কলারশিপ পেয়েছে, শিগগিরই অস্ট্রেলিয়া চলে যাবে ডক্টরেট করতে। বাবিনও যখন অস্ট্রেলিয়াতেই, ভালোই হবে, তাই না! আজকাল স্বামী-স্ত্রী একসাথে থাকাটাও তো ভাগ্যের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।”

    অরিন্দম এবার শ্রাবন্তীর দিকে তাকিয়ে কিন্তু কিন্তু করলেন, ”কিন্তু … বাবিন! সে কি রাজি হবে?”

    শ্রাবন্তী খর চোখে তাকালেন, ”কেন হবে না? তখন তো দিনের পর দিন তিতির এই বাড়িতে এসে থাকত। মনে নেই? স্কুল থেকে বাবিনের সাথে চলে আসত। তোমার মা তখনো বেঁচে, গল্প শুনত, ঘুমোত, তারপর আমি অফিস থেকে ফিরে ওকে বাড়ি দিয়ে আসতাম। কেন তুমিও তো কতদিন দিয়ে এসেছ মনে নেই?”

    ”না সে ঠিক আছে, কিন্তু…!” অরিন্দম আড়ষ্টভাবে বললেন, ”অতবড় একটা ট্রমা … মেয়েটা তো ঠিকমতো কাটিয়ে উঠতে পারেনি শুনেছিলাম।”

    ”তা ট্রমা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলে কি তাকে ট্রমার জগতেই রেখে দিতে হবে?” কথাটা বলে শ্রাবন্তী ভাবলেন, কি যেন নাম ছিল ওদের প্রতিবাদসভাটার? অপ্রকাশিত শৈশব? উঁহু, না না, বিপন্ন শৈশব বোধ হয়!

    দিনের পর দিন তখন অফিস কামাই করে শ্রাবন্তীর মতো সব অভিভাবকেরা মিলে শামিল হয়েছিলেন সেই প্রতিবাদে, তখন প্রায় সপ্তাহ দুয়েক ধরে সমস্ত টেলি মিডিয়া-প্রিন্ট মিডিয়ার হেডলাইন ছিল ঘটনাটা।

    অথচ আজ, ঠিক আঠাশ বছর পরে, সেদিনের সেই শিশুটা কেমন আছে, শৈশবের অতবড় আতঙ্ক সামলে সে স্বাভাবিক জীবনে প্রত্যাবর্তনে সফল হয়েছে কিনা, বেঁচে থাকার ন্যূনতম মৌলিক অধিকারগুলো তার ক্ষেত্রে সমানভাবে ডালপালা মেলতে পেরেছে কিনা, তা নিয়ে মিডিয়া তো দূর, পাড়াপ্রতিবেশীরও কারুর বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই।

    সত্যি, দেখতে দেখতে আঠাশ বছর হয়ে গেল। অথচ আজও মনে হয়, এই সেদিনের কথা।

    কত বয়স যেন তখন বাবিনের? পাঁচ? না সাড়ে পাঁচ? তিতিরের তখন সাড়ে তিন। খবরের দৌলতে ‘সাড়ে তিন বছরের শিশুর উপর স্কুলশিক্ষকের পাশবিক যৌন নির্যাতন’ হেডলাইনটা আজও চোখের সামনে ভাসে শ্রাবন্তীর।

    তখন সবে পুজো শেষ হয়েছিল। হাল্কা শীতের আমেজ, অফিসে সেদিন একটা খুব ইম্পরট্যান্ট মিটিং ছিল শ্রাবন্তীর। তারই মাঝে বারবার একটা ফোন আসছিল। কোনোমতে বাইরে এসে ফোনটা রিসিভ করতেই ভেসে এসেছিল উদ্বিগ্ন একটা কণ্ঠস্বর। বাবিনের স্কুলের এক বন্ধুর মা। তিনিই সবার নম্বর জোগাড় করে জানিয়েছিলেন ঘটনাটা, আকুলভাবে বলেছিলেন সবার একজোট হয়ে রুখে দাঁড়ানোর সংকল্পটা। আজও মনে আছে শ্রাবন্তীর, শুনতে শুনতে শিরদাঁড়া দিয়ে একটা ঠান্ডা স্রোত বয়ে গিয়েছিল সেদিন। চোখের সামনে ভেসে উঠেছিল তিতিরের ছোট্ট মুখটা। সাড়ে তিন বছরের একটা বাচ্চা, তাকে কিনা টিচার নিজেই …!

    আর বেশি সাতপাঁচ ভাবেননি সেদিন শ্রাবন্তী। অফিস থেকে বেরিয়ে সোজা চলে গিয়েছিলেন স্কুলের সামনে। তার পরের দশ বারোদিন অফিস ছুটি নিয়ে টানা ধর্নায় শামিল হয়েছিলেন সকলের সাথে। মিডিয়ার সামনে নৃশংসতা, স্কুলের উদাসীনতা, অবহেলা তুলে ধরেছিলেন সবাই মিলে। শ্রাবন্তীদের প্রবল চাপের মুখে পরে একে একে অপসারিত হতে হয়েছিল স্কুলের হেডমিসট্রেস, কো-অরডিনেশন কমিটির প্রেসিডেন্টকে, স্কুলে পা পড়েছিল দুঁদে মন্ত্রী-আমলা থেকে শুরু তাবড় তাবড় সব পুলিশ কর্তাদের, গ্রেফতার করা হয়েছিল সেই শিক্ষক নামের কলঙ্ক অপরাধীকে। এখনকার মতো তখন ক্লোজ সার্কিট টিভি এত ছেয়ে যায়নি, শ্রাবন্তীদের দাবিতে স্কুলে বসানো হয়েছিল সিসিটিভি।

    আর এখন তো মানুষের প্রতিটা মুভমেন্টেই সেন্সরের মনিটরিং। কিন্তু মনিটর করে কি বিকৃত কামবোধগুলোকে কমানো যায়? আজ এত কড়াকড়িতেও কি সব অপরাধ লুপ্ত হয়ে গেছে?

    রিস্ট ওয়াচে আবার ফোন ঢুকছিল, বাবিনের উজ্জ্বল মুখটা ঘড়ির স্ক্রিনে ভেসে উঠছে। শ্রাবন্তীর এবার বেশ হালকা লাগছে, মা হয়ে ছেলের মনের কথা যদি নাই বুঝতে পারলেন, তবে তিনি কিসের মা? যতই ডিজিটাল হোক দেশ, যতই রোবটে ছেয়ে যাক রাস্তাঘাট, শপিং মল, ছেলেকে মা হয়ে তিনি চোখে চোখে রাখবেন না তো কে রাখবে?

    শ্রাবন্তী একটু ভাবলেন, তারপর আড়চোখে অরিন্দমকে বললেন ”তিতিরদের বাড়িতে কথা বলতে যাবো আজ বিকেলে, দয়া করে রেডি হোয়ো ঠিক সময়ে। যেমন বাবা তেমনি ছেলে! কেউ মুখ ফুটে কিছু বলবে না, মা তো অন্তর্যামী, না!” কোনোমতে কথাগুলো বলেই বাবিনের ফোনটা রিসিভ করলেন তিনি, ”আজ আমি আর তোর বাবা তিতিরদের বাড়ি যাচ্ছি কথা বলতে।”

    ”মানে?” বাবিনের মুখটা ঠিক টিভির জিরাফটার মতোই তোম্বা হয়ে গেল।

    ”তিতিরকে বিয়ে করতে চাস ঝেড়ে কাশতে কি হচ্ছিল তোমার?”

    বাবিন মিনমিন করছিল, ”সেটা নয়। ওকে নিয়ে সবার এত ফিসফিসানি এখনো হয়, ও নিজেও এই নিয়ে একটা চাপা কমপ্লেক্সে ভোগে। তোমরাও ব্যাপারটা কিভাবে নেবে, তা নিয়ে কনফিউজড ছিলাম, তাই ভেবেছিলাম বিয়ে করব না…!”

    শ্রাবন্তী ছেলের মুখ থেকে কথাটা লুফে নিলেন, ”কিন্তু অস্ট্রেলিয়া গিয়ে দুজনে ওং বোং চোং করবে তাই তো? ওসব বাঁদরামি চলবে না। চুপচাপ বিয়ে করে নেবে। আর কমপ্লেক্সের কি আছে? আমাকে কোনো কুকুর রাস্তায় কামড়ে দিলে কি আমি লজ্জায় বাড়ি থেকে বেরবো না?”

    বাবিন চুপ। একটু তুতলে বলল, ”কি-কিন্তু মা তুমি করে জানলে, মানে আমি তো কাউকে…!”

    শ্রাবন্তী এবার বললেন ”তুই বোধ হয় ভুলে গেছিস বাবিন, আমি সারাটা জীবন এথিকাল হ্যাকিং ডিপার্টমেন্টে ছিলাম। ডোন্ট আন্ডার এস্টিমেট দ্য পাওয়ার অফ আ বেঙ্গলি মম, ওকে? এবার থেকে তিতিরের সাথে চ্যাটগুলো বুঝেশুনে করিস, কেমন?”

    বাবিনের হতবুদ্ধি হয়ে যাওয়া মুখটা দেখতে দেখতে শ্রাবন্তী মুখ টিপে হেসে কলটা ডিসকানেক্ট করে দিলেন।

    অরিন্দম অবিশ্বাসী দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয়েছেন ”ছি ছি, মা হয়ে ছেলের প্রোফাইল হ্যাক করে ঢুকে তুমি চ্যাট পড়ছ? একি অন্যায়! অ্যাদ্দিন ভাবতাম তুমি শুধু আমার ওপর স্পাইগিরি করো, এখন তো দেখছি … ছি ছি !”

    ”এই থামো তো!” এক দাবড়ানি দিয়ে বরকে চুপ করিয়ে দিলেন শ্রাবন্তী, ”চ্যাটগুলো পড়তাম বলেই না তিতিরের মতো মেয়েটাকে বউ করে আনতে পারছি। তোমার মুখচোরা ছেলে তো বাবা মা কি ভাববে সেই ভয়েই অস্থির ছিল। আফসোস হয় নিজের মা-কে এতদিনে এই চিনল? আমার কত্ত আনন্দ হচ্ছে তিতির আসবে জেনে!”

    ”তবু ছেলের চ্যাট পড়া খুব গর্হিত কাজ কিন্তু শ্রাবন্তী! আমাদের সময় মায়েরা এসব ভাবতে পারত?” কথাগুলো মুখ থেকে বেরিয়ে গেলেও স্ত্রীর ভ্রূ কুঁচকোনো দেখে মাঝপথেই কথাটা গিলে ফেললেন অরিন্দম।

    শ্রাবন্তী উঠে ভেতরের ঘরে যাচ্ছিলেন, এইবার কোমরে হাত দিয়ে স্বামীর দিকে সরু চোখে তাকালেন, ”বাই দ্য ওয়ে, আগের সপ্তাহে আমি যখন জিমে গিয়েছিলাম, তুমি দেখলাম সমর্পিতা বলে একজনের সাথে হাই হ্যালো করছিলে। মালটা কে?”

    অরিন্দম অমনি মিউট মোডে চলে গিয়ে ভয়ার্ত মুখে টিভিটা চালিয়ে দিলেন।

    শ্রাবন্তী কড়া গলায় বললেন, ”আজ বিকেলে ঘুরে আসি, তারপর তোমার হচ্ছে।” তারপর একটু থেমে বললেন, ”আর মায়েরা চিরকালই সমান, তারা শুধু ছেলেমেয়েদের ভালো চায় বুঝলে! সে যেভাবেই হোক না কেন!”

    **********

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article লোকায়ত দর্শন : দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নরক সংকেত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }