Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প478 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আত্মজ

    ভাইস প্রেসিডেন্ট শুভব্রত গ্লাসে টুং টুং শব্দ করে বললেন, ”লেডিস অ্যান্ড জেন্টলম্যান অফ ম্যানহাটন আসোসিয়েটস! ফরম্যালিটিজ অনেক হল, এবার আজকের পার্টির যে মূল আকর্ষণ, সে আপনাদের কিছু বলবে। আমাদের কোম্পানির ইয়ং ব্রিগেডের মেন অ্যাসেট মি. রাজাধিরাজ দত্ত ওরফে আমাদের সবার প্রিয় ধীরাজকে কিছু বলতে রিকোয়েস্ট করছি।”

    প্রবল করতালির মধ্যে ধীরাজ ধীর পায়ে এগিয়ে এল। পরনে মোটা লেদারের জ্যাকেট আর জিন্স। আমেরিকার পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত পোর্টল্যান্ডের ছোট্ট বিভারটন শহর। এমনিই এখানে হাড়কাঁপানো ঠান্ডা, তার মধ্যে খোলা টেরেসে এই অফিস পার্টিতে অদূরের প্রশান্ত মহাসাগর থেকে হিমেল হাওয়া এসে সবাইকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে। ধীরাজ শুভব্রতর কাছে এসে মাইক্রোফোনটা নিয়ে মৃদু হেসে বলতে শুরু করল, ”আমি মাত্র একবছর হল ম্যানহাটন আসোসিয়েটস জয়েন করেছি এখানে এসে, এর মধ্যেই আমি যে ভালোবাসা পেয়েছি তাতে আমি আপ্লুত। আজ যে এমপ্লয়ি অফ দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ডটা আমি পেলাম তা কিছুই সম্ভব হত না যদি না শুভব্রত স্যার আমার পাশে থাকতেন। আমি প্রথম যখন আমেরিকায় আসি, আমার এই দেশ সম্পর্কে কোনো ধারণাই ছিল না, এখানকার ওয়েদার, কালচার সবকিছুই অজানা ছিল। ভালো করে ইংলিশও বলতে পারতাম না। শুভব্রত স্যার আমার বড়দাদার মতো পাশে থেকে……।”

    শুভব্রত পাশ থেকে বাধা দিলেন, যদিও এই ক-মাসে ধীরাজ তার নিজের ছোটভাইয়ের মতোই হয়ে গেছে তবু নিজের সম্পর্কে প্রশংসা শুনতে কেমন যেন লাগে, বললেন, ”আহা ওসব থাক, তোমার এই অ্যাচিভমেন্ট, ভবিষ্যতের গোল সম্পর্কে কিছু বল ধীরু।”

    ধীরাজ বলল, ”আমার সাফল্যের পেছনে সবচেয়ে যাঁদের অবদান তাঁরা আমার বাবা-মা। প্রতিটা দিন, প্রতিটা মুহূর্ত তাঁরা নিজেদের আনন্দ, খুশি স্যাক্রিফাইস করে আমাকে বড় করেছেন। বাবার ইচ্ছেতেই আমি যাদবপুর থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ি। আমার বাবা-মা……।”

    শুভব্রতর পাশ থেকে আরেকজন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইকেল ফুট কাটল, ”ওই শুরু হয়ে গেল। শুভ তুমি যাই বল ছেলেটার সব ভালো, আমাদের কোম্পানিকে ও একাই অনেক দূর নিয়ে যেতে পারে, কিন্তু ওর এই এক বাবামায়ের প্রশস্তি শুনতে শুনতে কান পচে গেল! ছেলেটার কোনো গার্লফ্রেন্ডের কথাও তো কোনোদিনও বলতে পারে! কি বুড়োদের মতো সবসময়!”

    শুভব্রত কিছু না বলে হাসলেন। এটা ঠিক যে ধীরুর সব ভালো, কিন্তু দশটা কথার মধ্যে অন্তত পাঁচবার বাবামায়ের কথা তোলাটা একটু বিরক্তির উৎপাদন করে বইকি! তবে এই আমেরিকানরা জানবে কি করে বাবা-মায়ের টান কি হয়? এদের সেই অনুভূতিটাই নেই। আঠেরো বছর বয়স হয়ে গেলে বাবামায়ের সঙ্গে একসাথে থাকাটা এরা লজ্জা মনে করে। প্রায় তিরিশ বছর হয়ে গেল মার্কিন মুলুকের বাসিন্দা শুভব্রত, কাছ থেকে দেখেছেন এদের মানসিকতা। বনের পশুরা যেমন ছেলেমেয়ে একটু বড় হয়ে গেলে তাদেরকে ছেড়ে দেয়, এদেরও তেমন। নস্ট্যালজিয়া, বুড়ো বাপমায়ের প্রতি ভালোবাসা এসব এদের মধ্যে নেই। সবটাই দূর থেকে হাই-হ্যালো। ভাবতে ভাবতেই নিজের মনের মধ্যে হোঁচট খেলেন শুভব্রত। তিনি নিজে কি সামান্য হাই-হ্যালোটুকুও করেছেন এই আঠাশটা বছরে? এতগুলো বছর ধরে নিজের বাবামায়ের প্রতি সুতীব্র অভিমান সময়ের সাথে সাথে অলঙ্ঘ্যনীয় দূরত্বে পরিণত হয়েছে। একবার খোঁজও নেননি এতগুলো বছরে বাবামা কেমন আছে জানতে! কিছুটা শ্রেয়সীর প্ররোচনায়, আর অনেকটাই নিজের উদাসীনতায়। আশ্চর্যের ব্যাপার, এতগুলো বছরে তা নিয়ে একবারও অনুতাপ হয়নি শুভব্রতর, কিন্তু ধীরু আসার পর থেকে ওর সাথে দিনে দশ থেকে বারো ঘণ্টা থাকতে থাকতে অজান্তেই ইদানীং বড্ড মনে পড়ে ছোটবেলার দিনগুলো! ভোর হতে না হতেই কিছু ছোলা পকেটে নিয়ে বাবার সাথে গঙ্গার পাড়ে হেঁটে বেড়ানো, হাঁটতে হাঁটতেই বাবার কাছে ইংরেজি শেখা। মায়ের মুখটা মনে পড়তেই ভেতরটা চিনচিন করে ওঠে শুভব্রতর। মনে হয় সব মান অভিমান দূরে সরিয়ে রেখে একছুটে চলে গিয়ে মায়ের কোলে মাথা রাখেন। ধীরুর কাছে সারাদিন তার বাবামায়ের কথা শুনতে শুনতে ভেতরে আত্মগ্লানিতে পুড়ে যাচ্ছেন শুভব্রত বেশ কিছ্যদিন ধরে।

    ”স্যার, কি ভাবছেন?”

    ধীরু কখন বলা শেষ করে কাছে এসে দাঁড়িয়েছে শুভব্রত বুঝতেই পারেননি। পার্টি প্রায় শেষের দিকে। সবাই ইতিউতি ডিনার শেষ করতে ব্যস্ত। স্কচের গ্লাসটায় আরেক পেগ নিয়ে তিনি লাল চোখে ধীরুর দিকে তাকালেন। ছেলেটা চুপচাপ ফ্রুটজ্যুসে চুমুক দিচ্ছে। শুভব্রত জানেন অ্যালকোহল অফার করলেই স্মিত হেসে বলবে, ”স্যার এসব খাওয়াতে আমার কোনো ছুঁৎমার্গ নেই। আমার বাবা সবসময় বলেন যে খেলেই খারাপ না খেলেই ভালো এমন কোনো ব্যাপার নেই। কিন্তু বাবা বলেন যে জিনিসটা খাব সেটা শরীরের পক্ষে উপকারী কিনা তা দেখে। অপকারী হলেও খাওয়া যায় সাময়িক জিভের স্বাদে, যেমন তেলেভাজা বা ফুচকা। কিন্তু যে জিনিস খেলে সে আমাকেই বশ করে ফেলবে, আমার নিজের প্রতি কোনো কন্ট্রোল থাকবে না সে জিনিস আমি খাব না স্যার।”

    শুভব্রত গ্লাসটা শেষ করে দূরে শ্রেয়সীর দিকে তাকালেন। এই সব পার্টিতে যা হয়, ও-ই মধ্যমণি। কালার করা ফাঁপানো চুল ছড়িয়ে আছে খোলা পিঠের ওপর, কালো গ্লসি প্রিন্টের হল্টারনেক ব্লাউজ আর সোনালি শাড়ি। লালমুখো সব চাটুকারেরা ঘিরে ধরে আছে ওকে। শুভব্রত বারণ করেছেন আগে বেশ কয়েকবার, এই অফিস পার্টিগুলোতে এসব না পরে ফরম্যাল কিছু পরতে, শ্রেয়সী শোনেনি। ঘাড় বেঁকিয়ে উদ্ধতভাবে বলেছিল, ”তুমি তোমার অফিস নিয়ে ব্যস্ত, আমি কি নিয়ে থাকব? আর এরকম সাজতে আমার ভালো লাগে। আমার ব্যাপারে তুমি ইন্টারফেয়ার করবে না।”

    অথচ এই শ্রেয়সীই প্রবলাবে ইন্টারফেয়ার করেছিল শুভব্রত আর ওর বাবামায়ের মাঝে, মনে পড়ল শুভব্রতর। বাবা ছিলেন পুরনো আমলের রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পাওয়া শিক্ষক। ছোট্ট থেকে শুভব্রতদের শেখাতেন, টাকা চলে গেলে আবার ফিরে আসে, সম্পত্তি চলে গেলেও তা আবার ফেরত পাওয়া যায়, কিন্তু চারিত্রিক মূল্যবোধ, নৈতিকতা একবার চলে গেলে আর আসে না। বলতেন, ”এই সুন্দর পৃথিবীতে যখন জন্মেছিস, স্বামীজীর কথামতো কোনো একটা আঁচড় কেটে যাবি।”

    ও আর দাদা হাঁ করে শুনত। দাদা সত্যিই অন্তর থেকে নিয়েছিল বাবার শিক্ষা, তাই ডাক্তারির দারুণ স্কলার হয়েও, লন্ডন থেকে এফআরসি এস পাশ করে এসে গ্রামগঞ্জের গরিব মানুষদের সেবায় ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। বাবার গর্বে সেদিন বুক ফুলে গিয়েছিল মনে পড়ে ওর। ওর মাথায় হাত রখে বাবা বলেছিলেন, ”তুইও দাদার মতোই হোস। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছিস খুব ভাল, পড়ে যেন দেশেই থাকিস। আমাদের এই পোড়া দেশের মানুষের জন্য কিছু করিস।”

    কিন্তু করতে পারেননি শুভব্রত। বড়োলোক বাবার মেয়ে শ্রেয়সীর কাছে এই সমস্ত বস্তাপচা মূল্যবোধের কোনো দামই নেই। ওকে বিয়ের প্রথম শর্ত দিয়েছিল বিয়ের পর আমেরিকায় চলে যেতে হবে, সেখানে নিজেদের মত একটা বাংলো, একটা বড় গাড়ি, তবে না ফ্যামিলির কাছে ওর স্টেটাস থাকবে! নাহলে আর গরিব মাস্টারের ছেলেকে ও বিয়ে করবে কেন?

    দাদা মুর্শিদাবাদের এক গ্রাম থেকে ফেরার সময় ট্রেন অ্যাকসিডেন্টে মারা যাওয়ার পরে বাবা পাথর হয়ে গিয়েছিলেন। বিয়ের পরই যখন শ্রেয়সীকে নিয়ে এখানে পাড়ি দেন শুভব্রত, মা-র চোখে জল থাকলেও বাবা কিছু বলেননি। মা বারবার জিজ্ঞেস করছিলেন, ”খোকা, দু-বছর বাদেই ফিরে আসবি বলছিস, ততদিন সাবধানে থাকবি, বউমাকেও সাবধানে রাখিস।” বাবা চুপ ছিলেন কারণ তিনি জানতেন শুভব্রত আর ফিরবেন না। আচ্ছা বাবার সুযোগ্য পুত্র দাদাই কেন মরে গেল, শুভব্রত মরে গেলে এই পৃথিবীর তো কোনো ক্ষতিই হত না, বরং দাদা বেঁচে থাকলে আরও অনেক গরিব মানুষের উপকার হত!

    ধীরু আবার ডাকতে শুভব্রত চমকে তাকালেন, ”কিছু বলবে?’ ‘

    ধীরাজ শান্ত অথচ দৃঢ় গলায় বলল, ”স্যার, একটা রিকোয়েস্ট ছিল। একবছর হয়ে গেল এখানে এসেছি, একটু বাড়ি থেকে ঘুরে আসতে চাই। এমনিতেই তো সামনে ক্রিসমাস, লম্বা ছুটি পড়ে যাবে। আমি নিউ ইয়ারের মধ্যেই ফিরে আসব। মা বারবার আমায় দেখতে চাইছেন।”

    শুভব্রত হাসলেন। বললেন, ”ও, সেইজন্য তুমি আজ সারাটা দিন ধরে এত কেনাকাটা করলে?”

    ধীরাজ চোখ নামিয়ে হাসল, ”স্যার, আমরা অনেক ভাইবোন। সবার জন্য না নিয়ে গেলে ওরা মুখভার করবে। ওদের জন্যেই তো এত খাটি বলুন!”

    শুভব্রতর বুকটা মুচড়ে উঠল। সবার পরিবার আছে, বাবা মা, ভাই বোন আছে। তাঁর কেউ নেই। এককালে সব ছিল, উনি নিজে সেই সম্পর্কগুলোর টুঁটি ছিঁড়ে হত্যা করেছেন। আঠাশ বছর আগের দিনটার কথা মনে পড়ে গেল তাঁর। কয়েকদিন ধরেই মা বারবার ব্যাকুল হয়ে চিঠি লিখছিলেন দু-বছর তো হয়ে গেল আর কেন! এবার চলে আয় তোরা, আমরা বুড়োবুড়ি আর একা থাকতে পারছি না। তোর দাদা চলে যাওয়ার পর দিনগুলো অসহ্য হয়ে উঠেছে।

    শ্রেয়সীর কাছেও মায়ের এই প্যানপ্যানানি অসহ্য হয়ে উঠেছিল। তখন সবে সে পশ্চিমী দুনিয়ার রঙ-রসের স্বাদ পেয়েছে, উড়ে বেড়াচ্ছে প্রজাপতির মতো। কয়েক মাসের অসহিষ্ণুতা ঠিকরে বেরিয়েছিল সেদিন শ্রেয়সীর লেখা চিঠিতে, ”মা, আপনারা কি মনে করেন, বাবা আর দাদার মতো ওই পচা গাঁয়ের এঁদো গলিতে মাস্টারি করে আর রুগিদের নোংরা ঘাঁটার জন্য শুভ জন্মেছে? কি পেয়েছেন বাবা ওই ক-টা পয়সার মাস্টারি করে? না ছেলেদের ভালো স্কুলে পড়াতে পেরেছেন না একটা ভালো বাড়ি! আপনারা কেন আমাদের এভাবে বিরক্ত করেন? আমরা আর কোনোদিনই ইন্ডিয়ায় ফিরব না। আমাদের আর বিরক্ত করবেন না।”

    আচ্ছা সেদিন দোষ কি পুরোটাই শ্রেয়সীর ছিল? পাশে নীরব দর্শক হয়ে প্রচ্ছন্ন মদত কি শুভব্রত নিজেও দেননি? তারপর এই আঠাশটা বছরে ইন্ডিয়া থেকে একটা চিঠিও আর আসেনি। বাবামায়ের অভিমান তো ভাঙাতে পারতেন শুভব্রত একবার নিজে গিয়ে, একবারও তার তাগিদ অনুভব করেননি। কেরিয়ারের মইয়ে উঠতে উঠতে শেষ হয়ে গেছে যৌবন, সন্তানহীন ওদের দুজনের মাঝে দূরত্ব আরো বেড়েছে, শ্রেয়সী বুঁদ হয়ে থেকেছে ওর নিত্যনতুন পার্টি, ফ্যাশন নিয়ে আর শুভব্রত অফিসে। একটা সন্তান থাকলেও বোধ হয় আজ এতটা ফাঁকা লাগত না!

    শুভব্রত বললেন, ”বেশ তো, ঘুরে এসো। আমার জন্যে কলকাতা থেকে ভালো কিছু নিয়ে এসো। অনেকদিন যাইনি কলকাতা।”

    ধীরাজ হাসল, ”নিশ্চয়ই স্যার। আমার মায়ের হাতের নরমপাকের সন্দেশ আনব স্যার। আশা করি প্লেনে নষ্ট হবে না।”

    শুভব্রত বাড়ি ফেরার সময় ড্রাইভ করতে করতে ভাবছিলেন, এই ক-মাসে ধীরাজ তাঁকে অনেকটা পালটে দিয়েছে। ধীরাজের কাছে প্রতিনিয়ত ওর বাবামায়ের কথা, শিক্ষা, ভালোবাসা শুনতে শুনতে এতদিনের জমে থাকা বরফ যেন গলে যাচ্ছে, জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে করছে মা-কে। কিন্তু যে পাপ তিনি এতগুলো বছরে করেছেন তার কি কোনো ক্ষমা আছে? একবার কোন বইয়ে যেন পড়েছিলেন, পিতৃ-মাতৃ ঋণ কখনো শোধ হয় না, তাই শোধ করতে হয় শোধ হয় পিতামাতা হয়ে। নিজের সন্তানদের বাৎসল্য স্নেহের মধ্যে দিয়েই চক্রাকারে আবর্তিত হয় ভালোবাসার এই প্রবাহ। শুভব্রতর হঠাৎ গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল, তিনি তো সেই পুণ্যেরও অংশীদার হলেন না, তার পিতৃমাতৃ ঋণ কিভাবে শোধ হবে তাহলে? শ্রেয়সী বিয়ের পরই স্পষ্ট জানিয়েছিল বাচ্চা সে চায় না, বাচ্চা মানুষ করে সাধারণভাবে জীবন কাটাতে সে চায় না, সে চায় নিজের মতো করে বাঁচতে।

    শুভব্রত ঝট করে পাশে বসে মোবাইলে খুটখাট করা শ্রেয়সীর দিকে তাকালেন, ”ক্রিসমাসে চল না ইন্ডিয়া ঘুরে আসি।”

    শ্রেয়সী অবাক হয়ে ওর মুখের দিকে তাকাল, ”ইন্ডিয়া! কেন? এতকাল বাদে?”

    —”চল না, খুব ইচ্ছা করছে।”

    শ্রেয়সী পাত্তাই দিলো না, ”আর ইউ ম্যাড? ক্রিসমাসে আমাদের ক্লাব থেকে লাসভেগাস যাওয়ার কথা, কবে থেকে ঠিক হয়ে আছে! হঠাৎ করে ইন্ডিয়া যেতে যাব কেন! হঠাৎ হঠাৎ তোমার কি উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া নস্টালজিয়া উথলে ওঠে নাকি!”

    শুভব্রতর চোয়ালটা শক্ত হয়ে উঠল। শ্রেয়সীর সাথে এখন কথা বলা মানেই পারস্পরিক খোঁচা আর তিক্ততা। শ্রেয়সীর বাবামা লন্ডনে ওদের ছেলের কাছে থাকেন বহুদিন ধরে, তাই শ্রেয়সীর টান থাকবে না ইন্ডিয়া যাওয়ার এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু শুভব্রত কি বলে এতদিন টান অগ্রাহ্য করে থাকলেন?

    ধীরাজ ছুটি নিয়ে চলে যাওয়ার পর শুভব্রত আরো অস্থির হয়ে উঠলেন। শ্রেয়সীও ওর বন্ধুদের সাথে লাসভেগাস চলে গেছে। একেবারে নিউইয়ার কাটিয়ে ফিরবে। ওদের ওই মাতলামি, লোক দেখানো গা জড়াজড়ি অসহ্য লাগে শুভব্রতর। অফিসও ছুটি। এদেশে এসময় সবাই লম্বা ছুটি কাটাতে যায়। সারাটাদিন একা একা থেকে অবসাদ এসে গ্রাস করছিল তাঁকে, এ কি বয়সের লক্ষণ?

    দু-দিন বাদে আর থাকতে না পেরে শুভব্রত ইন্ডিয়ার টিকিট কেটে প্লেনে চড়ে বসলেন। মন উচাটন, এতগুলো বছরের পাপের অনুতাপ দগ্ধে দগ্ধে খাচ্ছে তাঁকে। দাদা মারা যাওয়ার পর কোথায় তিনি একমাত্র ছেলে হয়ে বাবামায়ের দেখাশোনা করবেন, তা না, স্বার্থপরতার চূড়ান্তে গিয়ে এতগুলো বছর কাটিয়েছেন তিনি। আচ্ছা, বাবামা আছেন তো? যদি না থাকেন? এই পাপ তিনি রাখবেন কোথায়? ধীরাজ যেদিন ওঁর কাছে বিদায় নিতে গিয়েছিল, থাকতে না পেরে সব খুলে বলেছিলেন ওকে, সব শেষে বলেছিলেন, ”ধীরাজ, জানো তোমার কথা শুনে আমারও ভীষণ ইচ্ছে করে বাবামায়ের কাছে ছুটে যেতে। কিন্তু বাবা- মা কি আমাকে ক্ষমা করবেন? আমি যা করেছি তারপরেও?”

    ধীরাজ হেসে বলেছিল, ”স্যার, আমার বাবা কি বলেন জানেন? বলেন, ছেলেমেয়েদের ওপর বাবা মা কি করে রাগ করবে? তাঁরা তো বাবামায়েরই রক্ত, বাবামায়েরই শরীরের অংশ। ছেলেমেয়ে ভুল করেছে মানে সেটা বাবামায়ের শিক্ষা দেওয়ার ব্যর্থতা। আপনি গিয়েই দেখুন না স্যার, তাঁরা সব ভুলে আপনাকে জড়িয়ে ধরবেন, আপনি দেখবেন! আর যদি একটু বকুনি খানই, হজম করে নেবেন। তবু তাঁরা যতদিন এই পৃথিবীতে আছেন, তাঁদের ভালোবাসাটুকু নিংড়ে নিন স্যার। জানবেন একমাত্র এই দুটো মানুষই আপনাকে কোনো স্বার্থ ছাড়াই ভালোবাসেন।”

    জার্মানি থেকে ফ্লাইট চেঞ্জ করে যখন দমদমে নামলেন শুভব্রত তখন টানা ছত্রিশ ঘণ্টার জার্নিতে শরীর ক্লান্ত। তবু এতদিন বাদে এসে মনটা তাঁর আনন্দে নেচে উঠল। প্রিপেড ট্যাক্সি নিয়ে হাওড়া ব্রিজ পেরিয়ে শ্রীরামপুরের দিকে যেতে যেতে আনন্দে চোখে জল এসে গেল শুভব্রতর। জন্মভূমির টান বোধ হয় একেই বলে! খুব ছোটবেলায় একটা কঠিন অসুখ হয়েছিল শুভব্রতর, সপ্তায় একদিন করে বাবা স্কুল কামাই করে তাঁকে নিয়ে হাওড়া এসে মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যেতেন টানা এক বছর। মনে পড়তেই মনটা ভিজে উঠল তাঁর।

    শ্রীরামপুরে গাড়ি ঢুকতে প্রথমে কিছু চিনতেই পারলেন না শুভব্রত! যখন চলে গিয়েছিলেন তখন শ্রীরামপুর একটা বর্ধিষ্ণু গ্রাম ছিল মাত্র, মাহেশের রথ, গঙ্গার ধারের চার্চ ছাড়া ছিল না কিছুই তেমন। কিন্তু এখন তো প্রায় শহর। ঝাঁ-চকচকে বিগ বাজার, অত্যাধুনিক মলের পাশ দিয়ে ছুটে চলল গাড়ি লাহিড়ীপাড়ার দিকে। বাড়ির গলিটায় ঢুকতেই নিজের হৃৎপিণ্ডের হাতুড়ি পেটার মতো শব্দটা শুনতে পাচ্ছিলেন শুভব্রত।

    নিজেদের ছোটো একতলা বাড়িটা চেনা চেনা লাগলেও সামনে কিসব সাইনবোর্ড দেখে মুহূর্তের জন্য কনফিউজড হয়ে গেলেন শুভব্রত। পাশের চায়ের দোকানের ছেলেটা ততক্ষণে এগিয়ে এসেছে, ”কাউকে খুঁজছেন স্যার?”

    ”হ্যাঁ মানে” শুভব্রত আমতা আমতা করলেন, ”অনেকদিন বাদে এলাম তো, ঠিক চিনতে পারছি না, জীবনকৃষ্ণ লাহিড়ী, স্কুলের মাস্টার ছিলেন, তাঁর বাড়িটা………”

    ছেলেটা একগাল হেসে বলল, ”ঠিক বাড়ির সামনেই তো দাঁড়িয়ে আছেন স্যার। এটাই তো ওঁর বাড়ি। বাবা বাড়িতে অনাথ আশ্রম করেছেন তো, তাই বুঝতে পারেননি। আসুন আসুন।” বলতে বলতে ছেলেটা এগিয়ে গেল বাড়ির ছোট্ট গেটের দিকে, ”আমিও এখানেই মানুষ স্যার। নর্দমার ধারে পড়েছিলাম, বাবা তুলে নিয়ে এসে বড় করেছিলেন। পড়াশুনোয় মাথা ছিল না, তাই দোকান দিয়েছি আর আশ্রমের কাজ করি। আপনি বুঝি বাবার পুরনো ছাত্র স্যার?”

    শুভব্রত বিস্ময়ে ঘাড় নাড়লেন। বাড়িটা ভেতরটা একইরকম আছে, সেই ছোট্ট একফালি বাগান, একটেরে বাড়ি। এই বাগানে তিনি আর দাদা একসময় কত খেলেছেন, এখন কিছু বাচ্চা ছোটাছুটি করছে, বাবার হাতে তৈরি করা নতুন ফুলগুলোকে দেখতে পেলেন শুভব্রত বাচ্চাগুলোর মাঝে। কিছু ছোটমেয়ে ফুল দিয়ে সাজাচ্ছে রেলিঙগুলো।

    ছেলেটা বলেই চলল, ”ভালো সময়ে এসেছেন স্যার, আমাদের আরেক দাদাও এসেছেন পরশু, আজ একটা ছোট পিকনিক আছে, একদম খাওয়াদাওয়া করে যাবেন স্যার।”

    বাড়ির দিকে যত এগোচ্ছিলেন তত যেন কে তাঁর পা টেনে ধরছিল। ঘরে ঢুকে দেখলেন, বাবা সেই একইভাবে আগের মতো সোজা হয়ে বসে পড়াচ্ছেন। সামনে অনেক ক-টা কিশোর-কিশোরী। চুলগুলো ধপধপে সাদা হয়ে গেছে, মুখেও বলিরেখা থাবা বসিয়েছে, তবু কণ্ঠস্বর আজও ঋজু, ”ছোট্ট ক্যাসাবিয়াঙ্কাকে আস্তে আস্তে আগুনের লেলিহান শিখা গ্রাস করছিল, তবু সে জাহাজের ডেক থেকে একচুলও নড়ল না, তার বাবার আদেশ অমান্য করবে না বলে। তার বাবা তাকে ডেক থেকে কোথাও যেতে বারণ করেছিলেন। এই একই জিনিস আমরা আমদের পুরাণে নচিকেতার মধ্যেও পাই। তোমরাও নিজেদের এভাবেই তৈরি করো যাতে……।”

    শুভব্রত আর নিজেকে সামলাতে পারলেন না, চারদিকে না তাকিয়ে ”বাবা!’ বলে গিয়ে জীবনকৃষ্ণর পায়ের কাছে লুটিয়ে পড়লেন।

    পাশ থেকে কেউ একটা বলে উঠল, ”একি স্যার! আপনি!”

    শুভব্রত প্রবল বিস্ময়ে তাকাতেই দেখলেন ধীরাজ বসে আছে বাবার কোল ঘেঁসে। হাতে অনেক গিফটের বাক্স।

    ধীরাজ বলল, ”বুঝেছি স্যার, আপনিই তাহলে শুভদা? আপনার কথা বাবা- মায়ের মুখে অনেক শুনেছি। আমিই এই অনাথ আশ্রমে প্রথম আসি। যদিও এতদিনে ভুলেই গেছি বাবামা আমার সত্যিকারের বাবামা নন!”

    শুভব্রতর চোখের জল তখন বাবার পায়ের পাতা ভিজিয়ে দিচ্ছে। স্থান কাল পাত্র ভুলে ম্যানহাটন আসোসিয়েটসের দুঁদে ভাইস প্রেসিডেন্ট শুভব্রত লাহিড়ী কাঁদতে কাঁদতে বলছিলেন, ”আমাকে ক্ষমা করো বাবা!”

    ধীরে ধীরে বাবার অশক্ত কাঁপা কাঁপা হাত নেমে এল শুভব্রতর উপর, ”উঠে আমার কাছে আয় খোকা!”

    পাক্কা পনেরো দিন পরে শুভব্রত যখন শ্রীরামপুর ছাড়লেন, তখন তাঁর হাত ভর্তি মায়ের বানানো খাবারের ব্যাগ আর কোলে ছোট্ট একটা শিশু। বাবার আশ্রম থেকে নিয়ে যাচ্ছেন। পিতৃঋণ শোধ করতেই হবে, এই মাটির তালটাকে বাবার মন্ত্রে দীক্ষিত করে। শিগগিরই আবার আসবেন।

    তাঁর নিজের জীবনের সব ভুলগুলোকে ফুল করে ফোটাতেই হবে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article লোকায়ত দর্শন : দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নরক সংকেত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }