Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প478 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বাবা আর ভায়াগ্রা

    চান্দ্রেয়ী গোঁজ হয়ে বিছানায় বসেছিল।

    শুভব্রত দু-তিনবার এসে কথা বলানোর চেষ্টা করে অবশেষে ধাতানি খেয়ে বাইরের ঘরে ফিরে গেছে।

    মিঠাই এসেছে বারতিনেক, ওর স্বভাবমতো কিম্ভূতকিমাকার সমস্ত প্রশ্ন করেও মা-র কাছ থেকে কোনো উত্তর পায়নি, চান্দ্রেয়ী এমন দায়সারাভাবে কথা বলেছে, শেষে বাচ্চা মেয়েটা ঠোঁট ফুলিয়ে কেঁদে ফেলেছে।

    অন্যসময় হলে চান্দ্রেয়ী মেয়ের এইসব কৌতূহল মেটানোর দিকে কড়ানজর রাখে, এই সাড়ে তিন-চার বছর বয়সটা হল নিজের ডেটাবেস তৈরি করার সময়। এই সময় বাচ্চারা দিনে চার-পাঁচশো প্রশ্ন করে, আর সেটা স্বাভাবিক। সাধারণ জ্ঞানগুলো তো এখনই মনের অবচেতনে তৈরি হয়। নিজে সায়কিয়াট্রিস্ট হয়ে চান্দ্রেয়ী যদি নিজের মেয়েকে এই সময়টা ভালোভাবে না গড়ে তোলে, আর কে করবে?

    কিন্তু আজকের ব্যাপার আলাদা। চান্দ্রেয়ী বিছানায় বসেও যেন এখানে নেই, শূন্যদৃষ্টি মেলে চেয়ে আছে দূরের কোনো অজানা দিকে।

    শুভব্রত বাইরের ঘরে দিব্যি খোশগল্পে মেতেছিল, এবারে অনেকদিন পর শ্বশুরবাড়ি আসা হয়েছে। ব্যাঙ্গালোরে দুজনেরই টাইট শিডিউল, শুভব্রত আর চান্দ্রেয়ী একই হসপিটালে চাকরি করে, ও অর্থোপেডিক, আর চান্দ্রেয়ী সায়কিয়াট্রি। সেখানে পুজোর সময় এত টানা ছুটি কোনোবারই মেলে না, একদিন ছুটি নিয়ে হোয়াইটফিল্ড বা কোনো বেঙ্গলি ক্লাবে মেয়েকে নিয়ে গিয়ে দুর্গাপুজো দেখাতে হয়। তাই এবার প্রায় এপ্রিল-মে মাস থেকে দুজনেই প্ল্যান করেছিল পুজোয় দিনদশেকের ছুটি নিয়ে কলকাতা আসবেই।

    কলকাতা মানে চান্দ্রেয়ীর বাড়ি। শুভব্রতর বাবা-মা কয়েক প্রজন্মের প্রবাসী বাঙালি, তাঁরা থাকেন রাজস্থানের জয়পুরে। সেখানেও ঘুরে আসা হয়েছে এই বছরের জানুয়ারিতে।

    চান্দ্রেয়ী বিছানায় এতক্ষণ বসেছিল, এবার পা-দুটোকে সামনের দিকে ছড়িয়ে দিয়ে মাথাটা একটু হেলিয়ে দিল বালিশে। সদ্য পাটভাঙা নতুন শাড়ি পরেছিল প্যান্ডেলে একটু ঘুরে আসবে বলে।

    কিন্তু এখন সেসব আর ইচ্ছেই করছে না। এটা কি করে সম্ভব? যতবার ব্যাপারটা ভাবছে, ভেতরে ভেতরে কেমন একটা ভয়মেশানো বিশ্রী অনুভূতি হচ্ছে। বাবা, যাকে ও ছোট্ট থেকে নিজের আদর্শ ভেবে এসেছে, সেই বাবার সম্পর্কে এইধরনের কথা যেন ও কল্পনাও করতে পারছে না!

    মা কখন ঘরে ঢুকেছেন ও খেয়াল করেনি, এখন চটকাটা ভেঙে গেল মায়ের কথায়, ”কি ব্যাপারটা কি তোর? নিজেই সকাল থেকে উঠে আমাকে তাড়া মারলি প্যান্ডেলে যাব প্যান্ডেলে যাব করে, তাড়াহুড়ো করে রান্নাবান্না সারলাম, আর নিজেই এখন গোঁজ হয়ে বসে পড়লি?”

    চান্দ্রেয়ী এবারেও কোনো উত্তর দিল না।

    উদাসচোখে মাথাটা পেছনের দিকে হেলিয়ে দিল।

    ”কি হয়েছে কি তোর?” মা এবার পায়ে পায়ে ওর কাছে এগিয়ে এলেন, ”শুভব্রতর সঙ্গে আবার ঝগড়া-টগড়া করলি নাকি? ভালো ছেলেটাকে পেয়েছিস তো, তাই নাকে দড়ি দিয়ে ঘোরাচ্ছিস। আমাদের মতো হলে …!”

    মায়ের এই তিনশো তিরানব্বইবার বলা কথার মাঝখানে চান্দ্রেয়ী বাধা দিয়ে বলল, ”আচ্ছা মা, আমরা যখন থাকি না, তোমরা তখন কি করো?”

    ”মানে?” মা এমন অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্নে যেন বেশ ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেলেন, ”তোরা আবার থাকিস কোথায়! এই তো এলি কতদিন পর!”

    ”হ্যাঁ সেটাই বলছি। দুজনে মিলে সকাল থেকে কি করো এতবড় বাড়িতে সারাদিন?”

    ”কি আবার করব?” মা খাটের একপাশে কাল রাত থেকে পড়ে থাকা চান্দ্রেয়ীর সালোয়ার কামিজটা ভাঁজ করতে শুরু করলেন, ”তোর বাবা সকালে উঠে বাইরের বাগানে ফুলগাছগুলোর তদারকি করে, আমি ফুলুর মা এলে রান্নার জোগাড় করি।”

    ”তারপর?” চান্দ্রেয়ী তীক্ষ্ন গলায় প্রশ্ন করে।

    ”তারপর কাগজ পড়তে পড়তে চা খেয়ে তোর বাবা বাজারে যায়, আমি জলখাবার বানাই, বাজার থেকে ফিরে জলখাবার খেয়ে খেলতে বসে পড়ে।” মা এবার ভ্রু কুঁচকোলেন, ”কি ব্যাপার বল তো? আমরা সারাদিন কি করি, তাই নিয়ে তুই কি করবি? এসব তো কোনোদিন জিজ্ঞেস করিস না?”

    ”কতক্ষণ মোবাইলে খেলে বাবা?” চান্দ্রেয়ী মা-র শেষ প্রশ্নটায় পাত্তাই দিল না।

    ”ওই তো, একটা-দেড়টা নাগাদ। তারপর স্নান করে খেতে বসে। দুপুরে চারটে অবধি খেলে ক্লাবে বেরিয়ে যায়। আসে সন্ধে ছ-টা সাড়ে ছ-টা। এসে একটু টিভি-ফিভি দেখে, আমিও বইটই পড়ি, তারপর রাতের খাওয়া সেরে ঘুম।” মা চোখ সরু করলেন, ”বুড়োবুড়িকে নিয়ে গল্প লিখবি নাকি?”

    চান্দ্রেয়ী এবারেও মা-র কথায় উত্তর দিল না, কি যেন ভাবতে ভাবতে বলল, ”তার মানে, সকালে দশটা থেকে একটা, আবার দুপুরে দুটো থেকে চারটে অবধি বাবা মোবাইলে বসে থাকে?”

    ”তাছাড়া আবার কি!” মা এবার মুখ বেঁকালেন, ”আগে তবু গল্পগুজব করত, ক্লাবে কি হল, চায়ের দোকানে কি হল, এখন সারাক্ষণ মুখে কুলুপ এঁটে মোবাইল করছে। বিরক্ত লেগে যায় মাঝেমধ্যে! চোখেরও বারোটা বাজছে, ঘাড়েরও।”

    ”বাবা যখন মোবাইলে খেলে, তখন তুমি পাশেই বসে থাকো?” মা থামতে না থামতেই চান্দ্রেয়ী বুলেটের মতো প্রশ্ন করল।

    মা এবার ঝঙ্কার দিয়ে উঠলেন, ”আমার কি কাজকম্ম নেই নাকি যে সারাক্ষণ পাশে বসে থাকব? তোর বাবা তো মোবাইল নিয়েই ব্যস্ত, আমি একা একা বসে কি করব? আমি আমার কাজ করি, সংসারে কি কাজ একটা? তাছাড়া তোর বাবা তো দোতলায় গিয়ে খেলে।”

    চান্দ্রেয়ী ঠোঁট কামড়াল।

    পাঁচ বছর আগে যখন বাবা রিটায়ার করেছিলেন, তার বহু আগে থেকেই ওরা সবাই জানত বাবা অবসর জীবনটা খেলেই কাটাবেন।

    খেলা মানে ব্রিজ। বাবার ব্রিজ খেলার নেশা বহুবছর থেকে ছিল, সেই ট্রেনে সবাই মিলে রুমাল পেতে খেলতে খেলতে যাওয়া থেকে নানারকমের টুর্নামেন্ট। তারপর তো গত দশবছর হল ভারতের বিভিন্ন জায়গায় ক্লাবের হয়ে খেলে বেড়ান। আগে অফিস থাকার সময় তবু ছুটিছাটা পাওয়া নিয়ে একটু সমস্যা ছিল, রিটায়ারের পর আর কোনো অসুবিধা নেই। এপাড়ার আরো দুজন আছেন, সাধনকাকু আর ব্যানার্জিজেঠু, তিনজন মিলে হিল্লিদিল্লি করে বেড়ান।

    বছরখানেক ধরে চান্দ্রেয়ী যখনই ফোনে বাবাকে জিজ্ঞেস করত, ”কি বাবা, কেমন খেলা হচ্ছে?”

    বাবা তখন বিমর্ষমুখে বলতেন, ”আর বলিস না। দিনদিন পিছিয়ে পড়ছি।”

    ”কেন? এই তো এত মোটা মোটা বই পড়ো!” চান্দ্রেয়ী অবাক হয়েছিল।

    বাবা মাথা নেড়েছিলেন, ”শুধু বই পড়ে থিওরেটিকাল নলেজ নিয়ে তো কিছু হয় না, রেগুলার বাঘা বাঘা খেলোয়াড়ের সাথে খেলতে হয়, তবেই তো চালগুলো পাকা হবে। চৌধুরী, ব্যানার্জিদা আর সাধনও আমারই মতো, ঠিক সময়ে কল করতে পারে না। আমরা টুর্নামেন্টগুলোয় শুধু এইজন্য ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছি!”

    চান্দ্রেয়ী চিন্তিতভাবে বলেছিল, ”তাহলে? কি উপায়? সবাই কি করে প্র্যাকটিস করে? মানে বললেই তো আর কেউ বাঘা বাঘা প্লেয়ার পাচ্ছে না দিনরাত প্র্যাকটিসের জন্য।”

    ”একটা ওয়েবসাইট আছে।” বাবা বলেছিলেন, ”সেখানে সারা পৃথিবীর নানাপ্রান্ত থেকে সবরকমের প্লেয়ার অনলাইন থাকে। সেখানেই তো সবাই খেলে। তিনরকম ক্যাটেগরি হয়। বিগিনার, মডারেট আর এক্সপার্ট। রোজ ওই এক্সপার্টদের সাথে খেলতে পারলে …!” বাবা উৎসাহী গলায় বলেছিলেন।

    বাবার ব্রিজ খেলা নিয়ে চিরকালই চান্দ্রেয়ীর ভীষণ উৎসাহ, বাবা থামতে না থামতেই বলে উঠেছিল, ”দারুণ তো! তুমিও খেল।”

    বাবা বলেছিলেন, ”কি করে খেলব? আমার কি কম্পিউটার আছে? আর এই বুড়ো বয়সে ওইসব শেখার আর ইচ্ছেও নেই।”

    চান্দ্রেয়ী আর কিছু বলেনি। দিনকয়েক পরে অনলাইন একটা ই-কমার্স সাইট থেকে ঝকঝকে একটা স্মার্টফোন পৌঁছে গিয়েছিল কলকাতায় বাবার ঠিকানায়।

    বাবা অমনি ফোন করেছিলেন, ”এইবয়সে এইসব ঢাউস ফোন কি করে ইউজ করব! দুমদাম তুই এসব পাঠাস কেন? এটা ফেরত দেওয়া যাবে না?”

    ”না যাবে না।” হসপিট্যালে ডিউটি করতে করতে চান্দ্রেয়ী সাফ জানিয়েছিল, ”রুকুকে বলে দিয়েছি, বিকেলবেলা ও গিয়ে তোমার ফোনে ওই ওয়েবসাইটের অ্যাপটা ইন্সটল করে সব শিখিয়ে দিয়ে আসবে।”

    রুকু ওদের পাশের বাড়িতে থাকে। ক্লাস এইটে পড়ে। সে এসে জেঠুকে শুধু ব্রিজ খেলাই নয়, আরো অনেক কিছু শিখিয়ে দিয়ে গিয়েছিল।

    ফলস্বরূপ সপ্তাহখানেকের মধ্যে বাবার যখন তখন ভিডিও কলের ঠ্যালায় চান্দ্রেয়ী পাগল হয়ে যেতে বসেছিল প্রায়।

    এখন বাবা ফোনটাকে অনেকটাই রপ্ত করে ফেলেছে, নাতনির সাথে ভিডিও চ্যাট থেকে শুরু করে, কোন দরকারী ডকুমেন্টস ছবি তুলে পাঠানো, সবই করে ফেলে নিমেষে।

    কিন্তু এতকিছুর ভালোর মধ্যে যে কাল রাতে চান্দ্রেয়ীকে যে ওইরকম একটা জিনিস দেখতে হবে, তা ও স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি।

    মা কখন ঘর থেকে বেরিয়ে গেছেন, ভাবতে ভাবতে ও খেয়ালই করেনি। সম্বিত ফিরল শুভব্রতর কথায়, ”কি ব্যাপারটা কি তোমার, অ্যাঁ?”

    চান্দ্রেয়ী চমকে তাকাতে শুভব্রত বেশ গলা চড়িয়ে বলে চলল, ”কবে থেকে কলকাতার পুজো কলকাতার পুজো করে হাঁপিয়ে যাচ্ছিলে, আর এখন সকাল থেকে বিছানায় থম মেরে বসে আছ। মা পর্যন্ত তোমার জন্য রেডি হয়ে বেরোতে পারছেন না। মিঠি, বাবা সবাই হাঁকডাক করছে। কি হল কি তোমার?”

    চান্দ্রেয়ী কেমন শূন্য দৃষ্টিতে স্বামীর দিকে তাকাল।

    চান্দ্রেয়ীর এরকম মূর্তি দেখে শুভব্রত এবার একটু ভেবলে গেল, কাছে এসে বলল, ”কি হয়েছে বলো তো তোমার? এনি প্রবলেম?”

    ছোট থেকেই চান্দ্রেয়ীর এই এক দোষ, মন খারাপের সময় কেউ ভালো করে কথা বললেই ও নিজেকে আর সামলে রাখতে পারে না, সব দুঃখ ঝরিয়ে দিয়ে পেতে চায় একটু আশ্রয়। এবারেও সেটাই হল। শুভব্রতর নরম জিজ্ঞাসাতেই ওর চোখ জলে ভরে গেল, সেখানে টলটল করতে লাগল বড় বড় জলের ফোঁটা।

    ”কি হয়েছে চান্দ্রেয়ী?” দেখেশুনে শুভব্রত আরো হতবুদ্ধি হয়ে গেল। এতদিন পরে বাপের বাড়ি এসে কান্নাকাটি তো খুব সামান্য ব্যাপার নয়।

    চান্দ্রেয়ীর গলার কাছটা দলা পাকিয়ে উঠছিল। তবু ও মুখে কিছু বলতে পারল না। হাতের চেটো দিয়ে চোখদুটো মুছে ধরা গলায় বলল, ”কিছু না। তুমি যাও। মা-কে বলো আমি আসছি।”

    কিন্তু শুভব্রত গেল না, উলটে খাটের কোণায় বসে পড়ে বলল, ”না বলো আমাকে কি হয়েছে।”

    চান্দ্রেয়ী কাঁদোকাঁদো মুখে শুভব্রতর মুখের দিকে তাকাল। শুভব্রত শুধু যে ওর স্বামী তাই নয়, কতবছর হয়ে গেল, সেই মেডিক্যাল কলেজ থেকে ওরা বন্ধু। সামান্য কিছু ঘটলেও ওকে না বললে পেটের ভাত হজম হয় না চান্দ্রেয়ীর।

    কিন্তু, এ যে বড় লজ্জার কথা! কি করে বলবে ও? বাবার সম্পর্কে এত খারাপ একটা ব্যাপার, এত চিন্তার একটা ব্যাপার কি ওকে বলা যায়?

    শুভব্রতই বা কি ভাববে শ্বশুরমশাইয়ের সম্পর্কে?

    তবুও চান্দ্রেয়ী বলাই ঠিক করল। এভাবে মনের মধ্যে একা একা গুমরে মরলে লাভ তো কিছু হবেই না, উলটে বিপদ বাড়তে পারে।

    বিদ্যুৎচমকের মতো ওর মনে হল, আচ্ছা, বাবা কোনো ফাঁদে পড়েননি তো? কোনো বিপদে পড়লে ওরা তো ব্যাঙ্গালোর থেকে চট করে আসতেও পারবে না, তখন কি হবে!

    ও কাঁদো কাঁদো গলায় শুভব্রতর হাতটা চেপে ধরে বলল, ”বাবা … বাবা খুব খারাপ হয়ে গেছে গো!”

    ”বাবা খারাপ হয়ে গেছে!” শুভব্রত আরো দিশেহারা হয়ে গেল, ”মানে?”

    চান্দ্রেয়ী ফোঁপাতে ফোঁপাতে বলল, ”বাবা সকালে ফোনটা দিয়ে গিয়েছিল, বলল সাইলেন্ট হয়ে যায় মাঝেমধ্যে ফোনটা, একটু ঠিক করে দে তো!”

    ”হ্যাঁ তো?”

    ”বাবার ফোনটা নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করতে গিয়ে যা দেখলাম …!” চান্দ্রেয়ী আর নিজেকে সামলাতে পারল না, বেশ সশব্দে কেঁদে উঠল।

    শুভব্রত বলল, ”আরে কি দেখলে সেটা বলবে তো!”

    চান্দ্রেয়ী প্রাণপণে নিজেকে সামলাতে সামলাতে বলল, ”দেখলাম কাল বাবা ইন্টারনেটে সার্চ করেছে ভায়াগ্রা সত্যিই উপকারী কিনা!” কথাটা বলেই ও লজ্জায় বালিশে মুখ গুঁজে ফেলল।

    শুভব্রত সামান্য কয়েক মুহূর্ত নিল পুরো ব্যাপারটা হৃদয়ঙ্গম করার জন্য, তারপর হো হো করে হাসিতে ফেটে পড়ল, ”তুমি এই সামান্য ব্যাপারের জন্য সকাল থেকে মৌনব্রত পালন করছ? আরে ওইসব লিঙ্ক তো ভাইরাস, অনেক সময় দেখবে একটা ওয়েবপেজ খুলতে গেলে ওইসব খুলে গেল। তুমি না সত্যিই!”

    ”না। এটা ভাইরাস নয়।” চান্দ্রেয়ী শক্তগলায় বলল, ”বাবা গুগলে বারবার সার্চ করেছে, সেটা আমি সার্চ হিস্ট্রিতে দেখেছি। শুধু তাই নয়, বাবা আমাজনেও উইশ লিস্টে অ্যাড করে রেখেছে।”

    শুভব্রত এবার হাসি থামিয়ে বলল, ”তা রেখেছেন রেখেছেন। তাতে তোমার সমস্যাটা কোথায়? একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তাঁর নিজের ইচ্ছেমতো কিছু কেনার কথা ভাবতেই পারেন। আর …।” শুভব্রত এবার রীতিমতো রেগে উঠল, ”তোমার এই গোয়েন্দাগিরির বদভ্যাসটা আমার ওপর দেখিয়ে দেখিয়ে তো আমার অবস্থা খারাপ করছই, এবার যার-তার ওপর অ্যাপ্লাই করতে শুরু করেছ। এগুলো কি ধরনের অভব্যতা? ছি ছি। বাবা শুনলে কি ভাববেন বলো তো? প্রত্যেকের একটা ব্যক্তিগত জীবন থাকে। সেটাকে সম্মান করতে শেখো।”

    চান্দ্রেয়ী যেন শুনতেই পেল না, বলল, ”তুমি বুঝতে পারছ না। আমরা যখন ছোট ছিলাম, তখন বাবা-মা আমরা কি করছি, কার সাথে মিশছি সেসব দিকে খেয়াল রাখতেন না?”

    ”তোমার বাবা এখন কি ছোট হয়ে গেছেন বলতে চাও?” শুভব্রত এবার ক্রমশ বিরক্ত হয়ে উঠছিল।

    ”আহা বয়সে ছোট না হোক, ভার্চুয়াল দুনিয়ায় তো ছোটোই। ইন্টারনেটে কতরকম ট্র্যাপ থাকে, তা তুমি জানো না?” চান্দ্রেয়ী বলল, ”এইতো সেদিন, আমাকে ফোন করে বলে কি, একটা ইমেল এসেছে আমি ১০ লক্ষ পাউন্ড জিতেছি, একাউন্ট নম্বর পাঠাতে বলছে, রিপ্লাইতে গিয়ে লিখে সেন্ড করে দেব তো? ভাব! যদি আমাকে না জিজ্ঞেস করত, তাহলে কি হত?”

    শুভব্রত বলল, ”কিন্তু এখানে তো তেমন কিছু …!”

    ”কে বলেছে তোমায়?” চান্দ্রেয়ী ফুঁসে উঠল, ”তুমি জানো এই বয়সে কতরকম সমস্যা হয়? মেয়েদের মেনোপজাল ডিপ্রেশনের মতো ছেলেদেরও ডিপ্রেশন আসে। মা তবু আমার সাথে শেয়ার করতে পারে, বাবা কার সাথে করবে? হসপিট্যালের জার্নালে গতবছর একটা আর্টিকেল লিখেছিলাম পড়োনি? হাইপারঅ্যাকটিভ সেক্সুয়াল ডিজায়ার ডিজঅর্ডার অ্যামাং এল্ডারলি?” চান্দ্রেয়ীর মুখটা আবার কাঁদোকাঁদো হয়ে গেল, ”বা-বাবারও যদি তেমন কিছু হয়? হয়তো সঙ্কোচে কাউকে বলতেও পারছে না, মা-র সাথেও শেয়ার করতে পারছে না, এদিকে ইন্টারনেটে এইসব করে কোনো ডেটিং সাইট ফাইটে গিয়ে যদি বাজে কারুর পাল্লায় পড়ে …!”

    ”উফ! কোথা থেকে কোথায় নিয়ে চলে গেলে!” শুভব্রত রেগেমেগে বলল, ”আগে পুরো ব্যাপারটা বুঝতে দাও। প্রথমেই ওভাররিয়্যাক্ট কোরোনা। বাবার সার্চ হিস্ট্রিতে ভায়াগ্রা ছাড়া আর কি দেখেছ?”

    চান্দ্রেয়ী এবার অসহায় চোখে তাকাল, ”আর তো কিছু তেমন … মানে ওই টুকটাক … ফেসবুক, নেটব্যাংকিং, ব্রিজ, শেয়ারমার্কেট এইসব।”

    ”কোনো পর্নোগ্রাফি সাইট চোখে পড়েনি?” শুভব্রত চোখ সরু করে বলল।

    চান্দ্রেয়ীর মুখটা নিমেষে লাল হয়ে উঠল, ”ছি! তুমি আমার বাবার সম্পর্কে এমন বাজে ভাবনা ভাবতে পারলে? আমার বাবার মতো আদর্শবাদী মানুষ তুমি দেখেছ কখনো? এইজন্য তোমায় কিছু বলতে ইচ্ছে করে না।”

    ”আ হা!” শুভব্রত বলল, ”এর সাথে ভাল খারাপ আদর্শ-টাদর্শের কি আছে রে বাবা! উফ, এটা একটা হিউম্যান ইন্সটিংক্ট! প্রতিটা প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ জীবনে একবার হলেও পর্ণ দেখেছেন।”

    ”থামো তুমি।” চান্দ্রেয়ী কেটে কেটে বলল, ”আমার বাবা তোমার মতো নয়। আমাদের গোটা সুভাষনগর জানে বাবা কেমন মানুষ, বুঝলে? সমস্ত মেয়েকে উনি মাতৃজ্ঞানে দেখেন।”

    ”সমস্ত মেয়েকে মানে, তোমার মাকেও কি মায়ের চোখে …?” শুভব্রত রাগিয়ে দেওয়ার জন্য আরো কি বলতে যাচ্ছিল, হঠাৎ চুপ করে গেল।

    আকস্মিক চান্দ্রেয়ীর বাবা ঢুকেছেন ঘরে, ”কি ব্যাপার! তোরা বেরোবি না? বেলা তো হয়ে এল। এরপর আর কখন যাবি?”

    চান্দ্রেয়ী মুহূর্তের মধ্যে নিজেকে স্বাভাবিক করে নিল। জোর করে মুখে হাসি টেনে বলল, ”হ্যাঁ, এই যাব। বাবা তোমার ফোনটা আর সাইলেন্ট হয়ে যাচ্ছে নাতো?”

    বাবা হেসে বললেন, ”না, এইতো সাধন ফোন করল, তোকে বলেছিলাম না, একাদশীর দিন আমরা ক্লাবে একটা হেলথ ক্যাম্প করছি, সেই ব্যাপারেই। দিব্যি রিং হল।” কথাটা বলেই বাবা শুভব্রতর দিকে তাকালেন, ”তোমাকে কিন্তু ঘণ্টাতিনেক বসতে হবে সেদিন ওখানে শুভব্রত। আমি সবাইকে বলে রেখেছি। বেশি কিছু না, একটু জেনারেল চেক আপ করলেই …!”

    ”হ্যাঁ হ্যাঁ সে ঠিক আছে, কোনো ব্যাপার নয় বাবা।” শুভব্রত আশ্বস্ত করল, ”সঙ্গে ব্লাড ডোনেশন-টোনেশনও আছে নাকি?”

    ”ব্লাড ডোনেশন আগেরবার রেখেছিলাম, এবার বাদ দিয়েছি। পরে সেই ব্লাড রিপোজিটরি নিয়ে খুব সমস্যা হয়, ব্লাড ব্যাঙ্কগুলোও অনেক অজুহাত দেখায়।” বাবা বললেন, ”এবার ওই কয়েকজন ডাক্তার বসবেন, কিছু ওষুধ দেওয়া হবে, ওই আর কি!”

    ”শুভব্রতকে বসতে বলছ, আর আমাকে বলছ না?” চান্দ্রেয়ী খনখনে গলায় বলল।

    বাবা বললেন, ”হাড়ের সমস্যায় তো সবাই এখন ভুগছে, বিশেষ করে পাড়ার বয়স্করা। তাই অর্থোপেডিকের খুব ডিমান্ড। সঙ্গে অস্থায়ী এক্স-রে মেশিনও লাগাচ্ছি আমরা, যাতে দরকারে চট করে এক্স-রে করে দেখিয়ে নেওয়া যায়।” তারপর বাবা চান্দ্রেয়ীকে রাগানোর জন্য শুভব্রতর দিকে তাকিয়ে একটু চোখ টিপে বললেন, ”মাথার গোলমালে তো এখনো তেমন কেউ পড়েনি, তাই তোকে আর ডাকা হচ্ছে না।”

    চান্দ্রেয়ী আবার রেগে উঠল, ”তোমাকে কতবার বলেছি সায়কিয়াট্রিস্ট মানে মোটেও পাগলের ডাক্তার নয়? মানুষের এখন স্ট্রেসফুল জীবন, সবারই মাঝেমধ্যে সায়কিয়াট্রিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত।”

    ”সে যাইহোক, এখানকার লোকেদের ওইসব ডাক্তারের দরকার নেই।” বাবা গম্ভীরভাবে বললেন, ”তখন তো অনেকবার বলেছিলাম কার্ডিও বা অর্থোতে এমডিটা কর, তখন তো শুনিসনি।”

    শুভব্রত এবার চান্দ্রেয়ীকে আরো চটিয়ে দিতে দুঃখ দুঃখ মুখ করে বলল, ”আসলে নম্বরটা একটু বেশি পেলেই ওগুলো পেয়ে যেত, সেটা হল না, আর কি করা যাবে!”

    চান্দ্রেয়ী দুজনের রসিকতা এখনো বুঝতে পারল না, বলল, ”মানে? আমি তোমার থেকে বেশি মার্কস পেয়েছিলাম শুভ! সায়কিয়াট্রি আমি স্বেচ্ছায় পছন্দ করেছিলাম! আর বাবা তুমিও চুপ করে বসে কি শুনছ? তুমি তো সত্যিটা জানো!”

    বাবা হাত উলটে বললেন, ”আমি তোদের ডাক্তারির পরীক্ষার কি অত বুঝি বল তো? যা বুঝিয়েছিস তাই বুঝেছি।”

    চান্দ্রেয়ী এবার আর সহ্য করতে পারল না, বিছানা থেকে নেমে দুম দুম করে পা ফেলে চলে গেল বাইরের ঘরে।

    বাবা আর শুভব্রত হেসে উঠল হো হো করে। বউ রেগেমেগে চলে গেলেও শুভব্রত বেশি চাপ নিল না, চান্দ্রেয়ীর মান-অভিমান এই বর্ষা, এই শরতের মত। একটু বাদেই ঠিক হয়ে যাবে।

    *

    কিন্তু কিছুই ঠিক হল না।

    চান্দ্রেয়ীর দুশ্চিন্তা তো কমলই না, বরং হু হু করে বেড়ে গেল।

    মহাষ্টমীর সকালে ও মিঠাইকে শাড়ি পরিয়েছিল। অনেকদিন ধরে ইচ্ছে ছিল মেয়েকে টুকটুকে একটা শাড়ি পরিয়ে অঞ্জলি দেওয়াবে। বাইরে থেকে থেকে বাঙালি কালচারগুলো তো শিখছেই না। সেইমত সাজিয়ে গুজিয়ে চান্দ্রেয়ী মা আর মেয়েকে নিয়ে বেরিয়েছিল পাড়ার পুজোয় পুষ্পাঞ্জলি দিতে।

    চান্দ্রেয়ীর মা নাতনির হাত ধরে হাঁটছিলেন। মিঠাই একের পর এক প্রশ্ন করে যাচ্ছিল দিদুনকে। মহিষাসুর কেন বন্দুক চালায় না, মা দুর্গা কেন হাজব্যান্ডকে নিয়ে বাপের বাড়ি আসে না, এমন হাজার হাজার সব অদ্ভুত প্রশ্ন। চান্দ্রেয়ীও হাসিমুখে হাঁটছিল পাশে পাশে।

    হঠাৎই ছন্দপতন। বিভিন্ন সময়ে বাবার ইমেলগুলো চেক করার জন্য বাবার ইমেল অ্যাকাউন্টটাও ওর ফোনে লিঙ্ক করা আছে। সেই ইমেল অ্যাকাউন্টেই একটা মেল ঢুকল, ”নমস্কার মি. জয়ন্ত চক্রবর্তী, অমুক ওয়েবসাইটে অর্ডার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার অর্ডার তিন-চারদিনের মধ্যেই পৌঁছে যাবে।”

    সঙ্গে অর্ডার ট্র্যাক করার একটা লিঙ্ক।

    চান্দ্রেয়ী ভ্রু কুঁচকে প্যান্ডেলে ঢোকার আগে দাঁড়িয়ে পড়ল।

    মা বললেন, ”কি হল চল। মাইকে অ্যানাউন্স করছে, আর একবার মাত্র হবে।”

    লিঙ্কটা খোলামাত্রই চান্দ্রেয়ীর মাথাটা কেমন ঘুরে গেল। অনেক কষ্টে নিজেকে সামলাল ও। বলল, ”তোমরা ঢোকো, আমি আসছি।”

    ”কখন যে কি মতিগতি হয় কিছুই বোঝা যায় না!” গজগজ করতে করতে মা কাঁধ ঝাঁকিয়ে মিঠাইকে নিয়ে এগোলেন।

    চান্দ্রেয়ীর হাত কাঁপছিল, তারই মধ্যে ও অতিকষ্টে শুভব্রতকে ডায়াল করল, অস্ফুটে বলল, ”সব শেষ হয়ে গেল গো!”

    মাইকে ইতিমধ্যে এক পর্ব পুষ্পাঞ্জলির মন্ত্রোচ্চারণ শেষ, এখন বিরতিতে গান বাজছে। চারদিকের কোলাহলে শুভব্রতর গলা শুনতে পেল, ”আবার কি হল?”

    ”বা-বাবা!”

    ”হ্যাঁ, বাবার কি হল আবার?”

    চান্দ্রেয়ী অস্ফুটে বলল, ”বাবা একটা অনলাইন মেডিসিন শপ থেকে ভিগোরা ১০০ অর্ডার দিয়েছে। ৫০ প্যাকেট।”

    ”প-পঞ্চাশ প্যাকেট!” চান্দ্রেয়ী এদিক থেকে দেখতে না পেলেও পরিষ্কার বুঝতে পারল শুভব্রতর মুখটা হাঁ হয়ে গেছে।

    ও বলল, ”হ্যাঁ।”

    শুভব্রত বলল, ”ভিগোরা ১০০ তো ভায়াগ্রা। প্রেসক্রিপশন ছাড়া এইরকম ওষুধ তো অনলাইনে পাওয়া যায় না! তার ওপর এতগুলো!”

    চান্দ্রেয়ী এবার এদিক-ওদিক দেখে ছলছলে চোখে বলল, ”নিজের ইচ্ছেমতো ট্যাবলেটগুলো খেলে বাবার যে হার্ট ফেলও হয়ে যেতে পারে, নিশ্চয়ই জানো তুমি!”

    ”সেতো খুবই ন্যাচারাল। সম্রাট শাজাহান কি করে মারা গিয়েছিল জানো না? বুড়ো বয়সে দুটো কচি মেয়ের সাথে ফুর্তি করার আগে নিজের পারফরম্যান্স বাড়াতে গিয়ে ভায়াগ্রা খেয়েছিল। সামলাতে পারেনি, একদম হার্ট ফেল।” শুভব্রত বলল।

    ”তুমি থামবে?” চান্দ্রেয়ী ঝঙ্কার দিয়ে উঠল, ”তোমাকে কতবার বোঝাব যে আমার বাবা … আমার বাবা ওইরকম নয়! মানে, আমি যে কি করব কিছুই বুঝতে পারছি না!”

    শুভব্রত বলল, ”এখানে আরো একটা বোঝার মতো ব্যাপার আছে। তোমার বাবা কি তোমার মা-র জন্যই … মানে ইয়ে… অন্যভাবে নিও না, মানে আমি ভাবছি, তোমার বাবাও ওইরকম কোনো বাচ্চা মেয়ের জন্য এইসব …।”

    চান্দ্রেয়ীর মুখটা কালো হয়ে গেল। ওদিক থেকে আসছিল পাড়ার দাদা বিল্টুদা, সে বলল, ”কিরে চাঁদু, ধেড়ে মেয়ে হয়ে রাস্তার মধ্যে কাঁদছিস কেন? হারিয়ে গেছিস নাকি?”

    চান্দ্রেয়ী ফোনটা আগেই কেটে দিয়েছিল। এখন শক্তমুখ করে এগোল। বিল্টুদা এখনো ওকে ক্লাস ফাইভের চান্দ্রেয়ী ভাবে। সবার সামনে চাঁদু বলে ডাকবে আর পেছনে লাগবে। আলগোছে চোখের পাতায় লেগে থাকা অশ্রুবিন্দুটা মুছল ও।

    কি করবে ও? কার সাথে শেয়ার করলে বাবাকে এই বিপদ থেকে মুক্ত করতে পারবে? এইবয়সে এতগুলো ভায়াগ্রা ট্যাবলেট খাওয়ার পরিণাম কি ভয়ানক হতে পারে, নিজে ডাক্তার হয়ে সেটা ও হাড়ে হাড়ে বুঝছে। কিন্তু বাবাকে কি করে বোঝাবে? কাকে দিয়ে বোঝাবে?

    পরক্ষণে শুভব্রতর কথাটা না চাইতেও মনে ভেসে ওঠে। সত্যিই কি বাবা অন্য কোনো মেয়ের সাথে … সে-ই কি এইসব বুদ্ধি দিচ্ছে? কোনো পেশাদার প্রস্টিটিউট ছাড়া এমন বুদ্ধি কে দিতে পারে?

    চান্দ্রেয়ী পুস্পাঞ্জলি তো দিলই না, সারাটা দিন বলতে গেলে কিছুই খেল না। উল্টে অষ্টমীর সারাটা দুপুর বাবার ফোন নিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে বসে রইল।

    বাবা-মা, শুভব্রত তো বটেই, মিঠাইও মায়ের এই আচরণে বেজায় ক্ষুব্ধ। মিঠাই কবে থেকে শুনে আসছে কলকাতায় গিয়ে মা এখানে নিয়ে যাবে, ওখানে নিয়ে যাবে, আর সেখানে এরকম কারুর ভালো লাগে?

    কিন্তু যে যাই ভাবুক, চান্দ্রেয়ী সারাটা দুপুর বাবার ফোন পুরো ঘেঁটে ফেলল। কিন্তু কোথাও কোন সন্দেহজনক মেসেজ বা মেল পেল না। বাবার ইনবক্সে কেজো জিনিস আর গ্যালারিতে নাতনির ছবি ছাড়া কিছুই নেই।

    তবে? তবে কি মা-র জন্যই? চান্দ্রেয়ীর কানদুটো অজান্তেই লাল হয়ে উঠল। কিন্তু মা-র তো মেনোপজ হয়ে গেছে, এইসময় এত বাড়াবাড়ি করলে … ও আর ভাবতে পারছিল না। মেডিকেল সায়েন্স যাই বলুক, নিজের বাবামা-কে সবসময় যুক্তির আতশকাচের নীচে ফেলে দেখতে মন চায় না।

    অষ্টমীর সন্ধেবেলা সারা কলকাতা যখন আলোর গয়নায় মেতে উঠেছে, তখন চান্দ্রেয়ীদের বাড়িতে রীতিমতো অশান্তি শুরু হয়েছে। বাবা-মা, শুভব্রত, মিঠাই প্রচণ্ড রেগে গেছে চান্দ্রেয়ীর ওপর। সবাই সেজেগুজে রেডি, চান্দ্রেয়ী সেই একভাবে শুয়ে আছে।

    মিঠাই তো রীতিমতো কান্নাকাটি জুড়ে দিয়েছে, ”চলো না মাম্মাম, প্লিজ! তুমি কতকিছু প্রমিস করে এলে, এখন তো একটাও রাখছ না। আমি একটাও ভালো ছবি গিয়ে বন্ধুদের দেখাতে পারব না।”

    চান্দ্রেয়ীর মা রাগ চাপতে চাপতে বললেন, ”চল মিঠাই আমরাই ঘুরে আসি। তোর মা ওইরকমই, বিয়ের আগেও যেমন, বিয়ের পরেও তেমন! এত মেজাজ নিয়ে কি করে কি করবে কে জানে!”

    চান্দ্রেয়ী করুণচোখে মা-র দিকে তাকাল, হায়! যার জন্য করি চুরি, সে-ই বলে চোর! মা বুঝতেও পারছে না আসন্ন কতবড় বিপদের হাত থেকে এই চক্রবর্তীবাড়িকে বাঁচানোর জন্য নিজের শখ-আহ্লাদ বিসর্জন দিয়েছে চান্দ্রেয়ী!

    ইতিমধ্যে বাবার বন্ধু ব্যানার্জিজেঠুও চলে এসেছেন। এমনি সময় চান্দ্রেয়ী ব্যানার্জিজেঠু এলেই হাঁটু মুড়ে বসে খোশগল্পে মেতে ওঠে, ব্যানার্জিজেঠু লোকটা ভারি আমুদে, বিয়ে-থা করেননি, ক্লাব, খেলা আর পাহাড়ে ঘুরে বেড়ানো নিয়ে থাকেন। আড্ডা একেবারে জমিয়ে দেন বসলেই। এই বয়সেও বিশাল ফিট, দৈনিক ব্যায়াম জগিং করেন আর মাঝেমধ্যেই কাউকে কিছু না বলে কয়ে উধাও হয়ে যান কোথায়, আবার ফিরে আসেন হঠাৎ করে।

    জেঠু বললেন, ”আরে ডাক্তারম্যাডাম কেমন আছেন? আমাদের দিকে একটু চেয়ে দেখুন!”

    হালকা হাসলেও আজ চান্দ্রেয়ী জ্যেঠুকে খুব একটা সাড়াশব্দ দিল না। ভালোই লাগছে না কিছু! অজানা একটা আশঙ্কায় মন কু ডাকছে ঘনঘন।

    এটা এমন একটা বিষয় যা মা-কে বলা যায় না, শুভব্রতকে বলে তো কোনো লাভই হল না, ছেলেটা বিয়ের আগে অনেক ভালো ছিল, দিনদিন দাম্পত্য পুরনো হচ্ছে, আর কেমন যেন হয়ে যাচ্ছে।

    সবই আসলে চান্দ্রেয়ীর দুর্ভাগ্য!

    সময় কারুর জন্যই থেমে থাকে না। অষ্টমী, নবমী, দশমী এভাবেই কেটে গেল। আনন্দের অনুষ্ঠানে বেজে উঠল মায়ের বিসর্জনের বিষাদসুর।

    চান্দ্রেয়ীকে বাকি ক-টা দিন আর কেউ জোরাজুরি করেনি। ও একবারও বেরনো তো দূরের কথা, ভালো জামাকাপড়ও পরেনি। সারাক্ষণ নিজের ঘরের জানলায় বসে চেয়ে থেকেছে বাইরের দিকে, মাইকে বাজা গানের সঙ্গে একাত্ম করে ফেলতে চেয়েছে নিজেকে।

    থেকে থেকে ছোটবেলার কথা ওর মনে ভেসে এসেছে।

    বাবা। সেই বাবা, যাকে ও ছোট থেকে নিজের আদর্শ ভেবে এসেছে। যে বাবাকে কখনো একবারের জন্যও ও অন্যায়কে প্রশ্রয় দিতে দেখেনি, যে বাবা সবসময় সৎপথে অবিচল থেকেছেন। আর সেই বাবাই কিনা …!

    একাদশীর দিন বেলায় চান্দ্রেয়ী নিজের ঘরে অলসভাবে বসেছিল। মা মিঠাইকে নিয়ে গিয়েছেন বড়মাসির বাড়ি বিজয়া করতে। শুভব্রত আর বাবা বাইরের ঘরে বসে দাবা খেলছিল। শুভব্রত একবার এসে ডেকেছে, ও সাড়া দেয়নি।

    শক্ত হয়ে বসে ও অপেক্ষা করছিল। ট্র্যাক করে দেখেছে অর্ডারটা আজই ডেলিভার হবে।

    ও সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে। বাবার যদি লজ্জা না থাকে এমন একটা জিনিস বাড়িতে নিতে, চান্দ্রেয়ীরই বা লজ্জা করবে কেন?

    কলিং বেলটা বাজল ঠিক এগারোটা বেজে দশ মিনিটে। অন্যসময় চান্দ্রেয়ী ওঠেই না, আজ প্রায় উল্কার গতিতে ছুটে গিয়ে দরজাটা খুলে দিল।

    প্রিপেইড অর্ডার, সই করে বাক্সটা নিয়ে পেছনে ঘুরতেই ও চমকে উঠল। বাবা আর শুভব্রত দুজনেই বেরিয়ে এসেছে ড্রয়িং রুম থেকে।

    চান্দ্রেয়ীর বুকের ভেতর কেউ দুমদুম করে হাতুড়ি পিটছিল। নিজেকে প্রাণপণ সংবরণ করে ও বাবার দিকে তাকাল।

    বাবা নিশ্চয়ই মেয়ের হাতে জিনিসটা এসে পড়েছে দেখে লজ্জায় লাল হয়ে উঠবেন? কিভাবে ম্যানেজ করবেন নিজের কুকীর্তি?

    চান্দ্রেয়ী ঠান্ডা চোখে বাবার দিকে তাকাল। কিন্তু না, বাবার চোখে কোনোরকম ভয় বা লজ্জা দেখতে পেল না ও।

    বাবা এগিয়ে এসে বললেন, ”ও! জিনিসটা এসে গেছে? দাঁড়া! ওকে আগে ফোন করে ডাকি।”

    প্রবল অবিশ্বাসে চান্দ্রেয়ী শুভব্রতর দিকে তাকাল। কি করতে যাচ্ছেন বাবা? কাকে ডাকবেন? মা এখন বাড়িতে নেই, সেই সুযোগে কি শুভব্রতর কথা অনুযায়ী কোনো বাচ্চা মেয়েকে …!

    শুভব্রতর মুখে কোনো ভাবান্তর নেই। সে নির্বিকার নিজের ফোনে গভীর মনোযোগে কি যেন দেখতে ব্যস্ত।

    ওদিকে বাবা ফোনের বোতাম টিপছেন। চান্দ্রেয়ীর মুখে যেন সব রক্ত এসে জমা হয়েছে। কোনোরকমে তুতলে ও বলতে পারল, ”কা-কাকে ফোন করছ বাবা?”

    ”আরে ব্যানার্জিকে। ও তো কেমন অদ্ভুত লোক জানিসই, কিছুতেই কোনো ভালো ফোন ব্যবহার করবে না, এদিকে ইন্টারনেটের সবকিছু জানে। ব্যাটা এখন চারমাসের জন্য কোথায় ঘুরতে যাবে, তার জন্য হ্যান ওষুধ অর্ডার দাও, ত্যান ওষুধ অর্ডার দাও। নিজে আমার ফোনে নেট ঘাঁটবে আর ওষুধ অর্ডার দেবে। ভাগ্যিস এবারে শুভব্রত ওর প্যাডে লিখে দিল, নাহলে তো নাকি অর্ডারই করতে দিচ্ছিল না!”

    চান্দ্রেয়ী শুভব্রতর দিকে তাকাল। সে তখন কিছুই না শুনতে পাওয়ার ভান করে ফোনে কার সঙ্গে যেন হ্যালো হ্যালো করতে লেগেছে।

    *

    রাতে শুভব্রত চান্দ্রেয়ীর কাছে শুতে আসার রিস্ক কিছুতেই নিচ্ছিল না, বারবার ইনিয়েবিনিয়ে বাবাকে বলছিল, ”চলুন বাবা, আজ আমি আর আপনি কোন পুরনো ভালো সিনেমা দেখি।”

    কিন্তু চান্দ্রেয়ীর হিমশীতল চাউনিতে কিছু একটা প্রচ্ছন্ন ছিল, যাতে মা কি বুঝলেন, বাবাকে একাই শুতে পাঠালেন। নিজে মিঠাইকে নিয়ে শুতে গেলেন আর শুভব্রতকে পাঠালেন চান্দ্রেয়ীর কাছে।

    শুভব্রত এসেই বলল, ”আমি কি করব বলো, আমি আসার পরেই ওই ব্যানার্জিকাকা আমাকে হাত করেছিলেন। তিনি নাকি একজন সঙ্গিনী পেয়েছেন, তার সঙ্গে এখন চারমাসের জন্য তীর্থে যাবেন। এবার ওইজন্যই নাকি …। বুঝতেই তো পারছ …রসিক লোক … সপ্তাহে তিনটে করে … হে হে!”

    ”সবই ঠিক আছে। কিন্তু আমার বাবাকে তুমি আমার কাছে খারাপ কেন করলে আর আমার পুজোটা এবারে নষ্ট কেন করলে এইটুকু শুধু বলো।” চান্দ্রেয়ী বরফ গলায় বলল।

    ”কি মুশকিল? আমি তোমাকে বাবার নামে কখন কি বলেছি? তুমিই তো যা ভাবার ভেবে নিলে! নিজের বাবাকে কি না কি …ছি ছি!” শুভব্রত ছদ্মপ্রতিবাদ করলো, ”আর তোমার পুজো নষ্টের জন্যও তুমি আমাকে দায়ী করতে পারো না। আমি ব্যানার্জিকাকার কাছে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিলাম। বেচারা সারাজীবন বিয়ে-থা করলেন না, এখন শেষ বয়সে একটু রোমাঞ্চ খুঁজতে যাচ্ছেন, আর আমি তাতে ইয়ে করব না একটু?”

    চান্দ্রেয়ী মাথা নাড়ল, ”তুমি আমার এতবড় ক্ষতি করেছ, কলকাতায় এসেও তুমি আমাকে পুজো এনজয় করতে দাওনি, দুটো প্রায়শ্চিত্ত না করলে আমি তোমাকে কিছুতেই ক্ষমা করব না। একনম্বর হল, এরপর থেকে টানা পাঁচবছর পুজোয় কলকাতায় আসতেই হবে। ”

    শুভব্রত এবার ভয়ার্তচোখে তাকিয়ে রইল স্ত্রীর দিকে।

    চান্দ্রেয়ী এবার গম্ভীর গলায় বলল, ”আর দু-নম্বর, বাক্সটা খুলে একটা স্ট্রিপ বের করে রেখেছি। ব্যানার্জিজেঠু কিছু বুঝতে পারবেন না। সেইটা এখন তোমাকে গলাধঃকরণ করতে হবে।” ও কথাটা বলেই টেবিলের দিকে এগিয়ে গেল, ”এই নাও। খেয়ে ফ্যালো। ক্যুইক।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article লোকায়ত দর্শন : দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নরক সংকেত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }