Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পুরাণী – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী এক পাতা গল্প516 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কেশবন্ধ যুগে যুগে

    ”হে মুনিসত্তম মৈত্রেয়, কলিকালে স্ত্রীগণ কেবল কেশ দ্বারাই আপনাকে সুন্দরী মনে করিবে—স্ত্রীনাং রূপমদশ্চৈব কেশৈরেব ভবিষ্যতি। আর সেই সময়ে স্ত্রীগণ সুবর্ণ, মণি, রত্ন ও বস্ত্রাদিতে বঞ্চিত হইয়াও কেবল কেশের পারিপাট্য দ্বারা আপনাকে ভূষিত করিবে—কলৌ স্ত্রিয়ো ভবিষ্যন্তি তদা কেশৈরলংকৃতাঃ।”—পৌরাণিকের ভূমা দৃষ্টিতে আমাদের কালের সার্থক চিত্রটি যেমন ধরা পড়েছে, তেমনি সফল জ্যোতিষীর ভাগ্য নির্ধারণের মতো পুরাণকারের ভবিষ্যৎ কেশচিত্রে দুটি নির্দিষ্ট সময়ের ইঙ্গিতও আছে। আজ থেকে পঞ্চাশ বছর আগে, যখন আজকের এই ঘোর কলি আরম্ভ হয়নি তখনকার স্ত্রীলোকেরা লম্বায়-চওড়ায় চুলের অস্তিত্বমাত্রেই আনন্দিত হতেন, অর্থাৎ কিনা মহামুনি যাকে রূপের অহংকার (রূপমদ) বলেছেন, তার প্রধান উপকরণ ছিল কেশ। স্বভাবতই আমাদের বৃদ্ধপিতা-মাতামহীগণ পঁচিশ থেকে পঞ্চাশ ভরির ভারে ঈষৎ আনত হয়ে চিকন চাঁচর কেশ দুলিয়ে শ্বশুরবাড়ি আলো করে রাখতেন। কিন্তু এ তো গেল প্রথম শ্লোকের কথা। ভেবে আশ্চর্য হই, ভারতবর্ষ ফলিত জ্যোতিষে কত উন্নত ছিল যে, সে যুগের পুরাণকর্তা ধরতে পেরেছিলেন—কলিযুগের দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু হয়েছে এই কিছুদিন হল। কি করে তিনি বুঝতে পারলেন যে এই সময়ে চুরি, রাহাজানি, ছেনতাই এত বেড়ে যাবে কিংবা সোনার দাম হবে এমনই যে, ‘সুবর্ণ, মণি, রত্নাদি’র আশা আকাঙ্ক্ষা থেকেও বঞ্চিত হবে কলির যুবতীরা। আর উত্তরাধিকারের কথা? ”একদিকে কন্যা বসিয়া আছেন, মায়ের অলংকারের বাস্ক হইতে কিয়দংশ সংগ্রহ করিবেন—কিন্তু ঝুনোর শস্য এমনি কঠিন যে মেয়ের দাঁত বসিল না—ঝুনো দয়া করিয়া একটি মাকড়ি বাহির করিয়া দিল।” কাজেই সমস্ত উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত, ঘোরকলির ললনাগণ—যেমন আছ তেমনি এসো আর কোরো না সাজ। বেণী না হয় এলিয়ে রবে/সিঁথে না হয় বাঁকা হবে/নাই বা হল পত্রলেখায় সকল কারুবাজ।

    সত্যি গলিতহৃদয় প্রেমিকের কাছে চিরায়মানা রমণীর চুলবাঁধার কারুকার্য সহ্য হয় না—সে আজও হয় না তখনও হত না; বিশ্বাস না হয় ভাগবত পুরাণে শ্যামচাঁদের ঘনঘন তাড়নাপূর্ণ বাঁশি শুনে ব্রজগোপীদের আলুথালু অবস্থার প্রতি দৃষ্টি দিন। গলিতহৃদয় প্রেমিকের মতোই পদকর্তা গোবিন্দদাস লক্ষ করেছেন তাঁদের ‘গলিত বেণী লোলনী’ অর্থাৎ সেই কথা—’বেণী না হয় এলিয়ে রবে।’

    কিন্তু মনে রাখা দরকার—প্রেমিকের হৃদয় সবসময় গলিত থাকে না, বিশেষত উৎসবে আনন্দে আর পাঁচজন মহিলা যখন তাঁদের কেশপুচ্ছ উচ্চে তুলে ঘোরাফেরা করেন এবং যদি সৌভাগ্যবশত প্রেমিক এবং স্বামী একই মানুষ হন তবুও তাঁর হৃদয় আপন হৃদয়েশ্বরী অগৌরবে এবং অন্যদের অবহেলায় দৃঢ় হয়ে উঠতে পারে আমাদের এই অনুমান আজকে সত্যি কিনা জানি না, তবে মহামুনির আপন কালে এবং শিবঠাকুরের আপন দেশেই কেশসজ্জা নিয়ে যুদ্ধ পর্যন্ত হয়ে গেছে। চিরকালের ঝগড়াটে নারদমুনি স্বর্গের পারিজাত ফুল নিয়ে কৃষ্ণকে সময় বুঝে উপহার দিলেন। ‘সময় বুঝে’ বলছি এই জন্যে যে, পাশেই ছিলেন রুক্মিণী, কৃষ্ণের ইঙ্গিতে তিনি সেই কুসুমস্তবকটি গুঁজে দিলেন খোঁপায়। এদিকে কৃষ্ণের ভালোবাসার রানী সত্যভামার দাসীরা এই খবরটি তুলে দিল সত্যভামার কানে। ফল হল এই—সত্যভামা গোসাঘরে প্রবেশ করলেন। কৃষ্ণ শেষপর্যন্ত অনেক কাকুতিমিনতি, অনেক পাখার হাওয়া, অনেক চাটুকারিতা করে জানতে পারলেন যে, ক্রোধের কারণ হল রুক্মিণীর মাথার পারিজাতগুচ্ছ। স্পষ্ট করে তিনি কৃষ্ণকে জানালেন যে, ওই ফুল চাইই, কেননা ওই ফুল খোঁপায় গুঁজে সতীনদের মনে জ্বালা না ধরানো পর্যন্ত তাঁর শান্তি নেই—বিভ্রতী পারিজাতস্য কেশপক্ষেণ মঞ্জরীম। সপত্নীনামহং মধ্যে শোভেয়মিতি কাময়ে। এই কামনার ফল কৃষ্ণের সঙ্গে ইন্দ্রের ঘোর যুদ্ধ, ইন্দ্রপত্নী শচীর সঙ্গে সত্যভামার কথা কাটাকাটি এবং শেষপর্যন্ত সেই ফুল গোঁজা হল সত্যভামার মাথায়। এই ঘটনায় যদিও প্রেমিকপ্রবর কৃষ্ণের বেশি হাত নেই কিন্তু সমস্ত ঘটনাটি যে অপরের প্রতি ঈর্ষাবশত, তার প্রমাণ সবিস্তারে লেখা আছে হরিবংশ আর বিষ্ণুপুরাণে। এবার সোজাসুজি কেশবন্ধের কথায় আসি।

    প্রথমেই বলে রাখা ভালো—চুল না থাকাটা কোনো কালেই আনন্দের নয়, এমনকী টাকমাথা ভাবী অমঙ্গলের চিহ্ন বহন করত, কেননা রাবণ সবংশে ধ্বংস হওয়ার আগে ত্রিজটা রাক্ষসী রাবণের টাকমাথা দেখেছিল স্বপ্নে, কাজেই টাকমাথায় চুল গজানোর জন্য ঋগবেদের ঋষিরা পর্যন্ত মন্ত্র পড়েছেন এবং আমার দৃঢ় বিশ্বাস ঋষিদের মাথায় যে ব্যালোল জটাজাল দেখতে পাই—তা শত ঋক মন্ত্রের ফল। মন্ত্রশক্তি যদি কাজ না করে তার জন্য অবশ্য বিকল্প ব্যবস্থা ছিল—অথর্ববেদের কিছু প্রক্রিয়া। তবে সে প্রক্রিয়া আর কিছুই নয়, আজকের দিনের মতো মাথার মরুভূমিতে মরূদ্যান সৃষ্টি করা কোনো তৈলাক্ত ওষুধ আর কি। যেখানে পুরুষদের চুলের জন্য এত উৎকণ্ঠা সেখানে মেয়েরা যে বিশাল কেশকলাপের জন্য লালায়িত হবে সে আর বেশি কথা কি? পুরুষদের চুলের কথা অনিবার্যভাবে এসে পড়ছে এই কারণে যে পুরুষরাও সে যুগে চুল বাঁধত। মহারাজ দশরথ যখন মারা যান, তখন কুমার ভরত মামাবাড়িতে শুয়ে শুয়ে ভীষণ অশুভ স্বপ্নে জেগে উঠেছিলেন। সেই স্বপ্নে দশরথের মুখখানি ছিল মলিন আর চুলগুলি খোলা—মলিনং মুক্তমূর্দ্ধজম। ভরত এমনটি আগে কোনোদিন দেখেননি, তাই অনুমান করি বৃদ্ধ দশরথ তাঁর পাকাচুল বেঁধে রাখতেন। এমনকী দুধারে বিনুনী করে চুল-বাঁধা—এও পুরুষদের অভ্যাস ছিল; একে বলা হত কাকপক্ষ। তবে কাকপক্ষ চুলের ফ্যাসানটি বোধ হয় কিশোরদের মধ্যেই চালু ছিল বেশি, না হলে রণক্ষেত্রে সপ্তরথীর মাঝখানে মৃত পড়ে আছেন অভিমন্যু কিন্তু ব্যাসদেব লক্ষ করেছেন যে তাঁর চাঁদমুখখানির ওপরে কাকপক্ষ চুল উলটে এসে তার রণক্লান্ত চক্ষুদুটিকে ঢেকে দিয়েছে—কাকপক্ষাবৃতাক্ষিকম। অন্যদিকে আবার রামায়ণে দেখি, কিশোরাকৃতি লক্ষ্মণ বিশ্বামিত্রের আদেশে রামচন্দ্রের পেছন পেছন চলেছেন তাড়কাবধের জন্য, কিন্তু সেই প্রথম অযোধ্যাপুরীর বাইরে যাবার আনন্দেই বোধহয় চুলটি কাকপক্ষ করে ঝুলিয়ে দিতে ভোলেননি লক্ষ্মণ—কাকপক্ষধরো ধন্বী। আমরা দুধারে ঝোলানো কাকপক্ষ চুলের কথা বলছি এই কারণে যে সেকালের কিশোরদের চুলের ঢং আজকের দিনের কিশোরী স্কুলে-পড়া মেয়েদের মধ্যে এখনও টিকে আছে।

    চুল বেঁধে লম্বা বিনুনী করার রীতি তৈরি হতে বেশি দিন সময় লাগেনি। বৈদিকযুগের সাধাসিধে রমণীরা, যাঁদের কাছে ঘন চুলের অস্তিত্বটাই বড় কথা ছিল, তাঁরাও যে তাঁদের আলুলায়িত কেশপাশ চারভাগে ভাগ করে ফেলেছিলেন তার প্রমাণ যজ্ঞদেবীর চারটি কোণের সঙ্গে রমণী-কেশের চারটি কপর্দের তুলনায়। এই চুলই পেছন দিকে টেনে এনে বিনুনী তৈরি করে দিয়েছেন মহাভাষ্যকার পতঞ্জলি। অবশ্য যেহেতু সুদূর ১৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে ভাষা তৈরির জন্য ব্যাকরণের কচকচি নিয়ে তিনি ভীষণ ব্যস্ত ছিলেন তাই কবরী কিংবা মাথার ওপরে চূড়া করে শিঙের মতো বাঁধা কেশচূড় ছাড়া তাঁর কাছে বেশি কিছু আশা করা যায় না। কিন্তু রাজা মিনান্দার, যিনি প্রথম শতাব্দীতে বৌদ্ধধর্মীয় প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে মিলিন্দপংহের জন্ম দিয়েছেন, তাঁর শান্ত আলোচনার মধ্যেও চুল বাঁধার রীতিনীতি কিছু ঢুকে পড়েছে, যার প্রমাণ মিলবে ‘ধোবন’, ‘বন্ধন’, ‘কোপ্পক’—এইসব শব্দগুলির মধ্যে। এর মধ্যে ‘কোপ্পক’-এর সঙ্গে আধুনিক খোঁপা কথাটির কোনো মিল আছে কিনা জানি না, তবে বৈদিক কেশপাশে ‘কুম্বা’র সঙ্গে যে মিল আছে একথা সবাই বুঝতে পারবে। এ বিষয়ে এই যুগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ বোধ হয় ভরতের নাট্যশাস্ত্র। ভরত যেহেতু নাট্যামোদী মানুষ, তাই কোনো নাটকে যদি গৌড়দেশের নারীর ভূমিকা থাকে, সেখানে তিনি অবন্তীর কেশসজ্জা সহ্য করবেন বলে মনে হয় না। কাজেই অবন্তীযুবতীর রূপসজ্জায় যদি কোঁকড়ানো চুলের গ্রন্থি থাকে—শিরঃ সালক কুন্তলম, গৌড়ীর মাথায় থাকবে খোঁপা কিংবা পাশে ঝোলানো বেণী। রাখালিয়া আভীরিণী কিন্তু আবার দুটি বেণী করে সমস্ত মাথাটিকে ভরিয়ে দেবে এমনি ভাবে যাতে একটা ঝুটিবাঁধা কাকাতুয়ার মতো দেখাতে পারে। কেশবিন্যাসের বৈচিত্র্য কিন্তু চিরকালই উত্তর ভারতের থেকে দক্ষিণভারতে বেশি। ভরত সেই যুগে লক্ষ করেছেন যে দক্ষিণী যুবতী চুল বেঁধেছে ছোট্ট একটি জলঘটের আকারে—কুম্ভীপদকসংযুক্তম এবং সেই কেশঘট ঠিক রেখেছে অলংকারের সাহায্যে। এ ছাড়া ছিল ললাট আবর্তন করে বাঁধা চুল—আবর্তললাটিকম। দক্ষিণীদের মধ্যে খুব রেওয়াজ ছিল সমস্ত কেশজাল পাঁচভাগে ভাগ করে খোঁপা এবং বিনুনী তৈরি করার। এই ঘরানার পরিচয় মিলবে পরবর্তী তামিল সাহিত্যেও।

    সাহিত্য এবং ভাস্কর্য যদি সমাজের প্রতিচ্ছবি হয়, তাহলে বিশ্বাস করতেই হবে চুল বাঁধার হাজারো বৈচিত্র্য ছিল প্রাচীন ভারতে, যার তুলনা এখনকার বিউটি পার্লারগুলোতেও পাওয়া যাবে না। কেউ হয়তো একটি বড় খোঁপা করে চার পাশ থেকে অসংখ্য সরু সরু বিনুনী এনে জুড়ে দিয়েছেন মূল খোঁপাটির সঙ্গে। কেউ বা আবার বিরাট দুটি বিনুনী বেঁধে তার শেষের দিকটা জুড়ে দিয়েছেন নিতম্বের উপরিভাগে। কেশবিন্যাসের প্রকারভেদ, কারুকার্য আছে আরও অনেক, এমনকী আজকের দিনের হীনকেশী মহিলারা খোঁপা বড় দেখানোর জন্য যেমন ‘বল’ জাতীয় জিনিস আমদানি করেন চুলের মধ্যে, তেমনি প্রাচীনরাও অনেক কিছুর সাহায্য নিতেন। আর একটা জিনিস, যেটিকে অনেকটা খেলার রিং-এর মতো দেখতে, সেটি মাথার ওপরে লাগিয়ে তার ভিতর দিয়ে কিংবা ওপর দিয়ে চুল গলিয়ে সুদৃশ্য করে ফেলা হত সম্পূর্ণ মাথাটিকে। এই বস্তুটি এত জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল যে পেরিপ্লাস অব দ্য ইরিথ্রিয়ান সী-এর লেখক তাঁর নিজের দেশের যুবতীদের দুর্ভাগ্য নিয়ে মাথা চাপড়েছেন, অবশ্য শেষে বলেছেন এই বস্তুটি তাঁর দেশে আমদানি করা হত ভারতবর্ষ থেকে। বিনুনী না করে এই পত্র-পুষ্প মণিখচিত রিং কিংবা চ্যাপলেট দিয়ে চুল বাঁধার উপযোগিতা ছিল এই যে, এতে যেমন কেশবিন্যাসের সৌকর্য চোখে পড়বে, তেমনি চোখে পড়বে মরাল গ্রীবাটি।

    আজকের দিনে যেমন চুল কার্ল করায় কিংবা কানের পাশে খুচরো চুলের মধ্যে পেনসিল গুঁজে একটি কৃত্রিম কুঞ্চনের সৃষ্টি করা হয়, তেমনি কাশ্মীরের কবি ক্ষেমেন্দ্র উল্লেখ করেছেন কৃত্রিম-কুঞ্চিত কেশের কথা। এখন বুঝি কবিগুরুর মানসপটে যে রমণী সখীদের সাধছিল—দে লো তুলে দে লো, চঞ্চল কুন্তল কপোলে পড়িছে বারেবার—সে কুন্তল তার স্বেচ্ছাকৃত অবহেলায় আপন অবসরে তৈরি করা মায়ার খেলা। সুবিন্যস্ত কেশকলাপের পাশে এই কৃত্রিম-কুঞ্চিত কেশ বৈপরীত্যে নিশ্চয়ই একরকম শোভা বর্ধন করে এবং একে প্রাচীন কেশশিল্পের পরিভাষায় আমরা বলতে পারি চূর্ণকুন্তল। এর আবার কারুকার্য অনেক—সুবিন্যস্ত কেশপাশের মধ্যে যখন একগুচ্ছ চুল কপালে এসে পড়ত তাকে কবিরা বলেছেন ‘ভ্রমরক’, আবার সেটি যদি মাথার বা কানের পাশ থেকে এসে রবীন্দ্র মানসীর কপোলে পড়ে, তবে তার নাম শিখণ্ডক। এ ছাড়াও বিভিন্ন কেশবন্ধের আরও অষ্টোত্তর শত নাম করেছেন কবি-সাহিত্যিক-শিল্পীরা। দক্ষিণাবর্ত, কোকিলকেশপাশ, কৈশিক—এরকম আরও কত শত, এমনকি বিষ্ণুধর্মোত্তর পুরাণে ‘সিংহকেশর’ নামে যে কেশবন্ধের নমুনা পাই, তাতে ভাবার উপায় নেই যে আমরাই ‘ববছাঁটে’র সৃষ্টিকর্তা, কেননা সিংহকেশর কেশবন্ধে চুলটি থাকবে মাত্র ঘাড় পর্যন্ত আর আমাদের মতে এই সিংহকেশরে একটু রমণীয় কুঞ্চন মেশালেই বা ক্ষতি কি?

    এতরকম হেয়ার স্টাইলের জন্যে কাঠখড় কম পোড়াতে হত না। চুলের মধ্যে ফাঁপা-ফাঁপা মায়াবী আবেশ তৈরি করার জন্য শ্যাম্পু ছিল না বটে, কিন্তু নানা রসায়নে তৈরি আমলকীর নির্যাস ছিল। তার পর বকুল, চম্পক কিংবা অতিমুক্তকের গন্ধ দেওয়া তেলে কেশগুচ্ছ সুবাসিত করে তাতে লাগানো হত কালাগুরু ধূপের ধোঁয়া। এতে চুল শুকানো এবং হেয়ারস্প্রের কাজ একসঙ্গে হত। কালিদাস যখন উমাকে বধূবেশে সাজিয়ে দিয়েছেন, তখন ধূপের উষ্ণতায় পার্বতীর কেশগুচ্ছের আর্দ্রতা শুকিয়ে দিতে ভোলেননি—ধূপোষ্ণনা ত্যাজিতমার্দ্রভাবম। রাজধানীর কবি কালিদাস উজ্জয়িনীর হর্ম্যমালার গবাক্ষপথে বেরিয়ে আসা কেশধূপের ধোঁয়ায় কেশসংস্কারধূপৈঃ অলকা পথিক মেঘের চোখ ধাঁধিয়ে দিয়েছেন একেবারে। এর পরে চুল বাঁধা তারপর অলংকরণ। সত্যিকারের সোনার গয়না দিয়ে সুচারু কেশবন্ধ একেবারে ঝলমলে করে তুলতেন সেকালের বরনারীরা। সোনার সুতোয় মণিমুক্তখচিত করে বেঁধে নিতেন ‘ধম্মিল্ল’ কেশপাশ। আর ছিল ফুলের গয়না খোঁপার চারপাশে কেয়ারী করে দেওয়া। কালিদাসের পার্বতীকে দেখেছি প্রথম প্রেমের অবনতিতে তাঁর আলোকশোভী কর্ণিকার পুষ্প ঝরে পড়েছে মহাদেবের পায়, আর বিয়ের সময় তাঁর খোঁপাটি ঘিরে আছে হলুদ মধূক ফুলের মালা, যার মাঝে মাঝে আছে দুর্বাদলের সবুজ মেশানো গ্রন্থি—দুর্বাবতা পাণ্ডুমধূকদাম্না।

    বিচিত্র কেশবন্ধ, তার অলংকরণ—এ সব কিছু একা আপনহাতে করা সম্ভব নয়। আজকের দিনে এখানে সেখানে গজানো বড় বড় বিউটি পার্লার সে যুগে ছিল না ঠিকই, তবে সৈরিন্ধ্রী ছিল, যারা দরকারমতো মুদ্রার বিনিময়ে অন্যের বাড়িতে সুচারু কেশবন্ধ তৈরি করে দিত। তবে নিঃসন্দেহে এ কাজ ভদ্রঘরের মেয়েরা করত না, কেননা পঞ্চস্বামী-গর্বিতা দ্রৌপদী যখন বিরাট মহিষী সুদেষ্ণার চুল বাঁধার অছিলায় অজ্ঞাতবাস নিতে চাইলেন, তখন এই কাজের মর্যাদাহীনতাই তাকে সে সুযোগ দিয়েছে। তিনি যুধিষ্ঠিরকে বলেছেন—”লোকে শিল্পকর্ম সম্পাদনের জন্য দাসী নিযুক্ত করে কিন্তু সৎকুলে জাত রমণীরা কখনও সে কাজ করে না, তাই আমি কেশসংস্কার করার কাজ নেব। বিরাট যদি আমাকে পূর্ব অভিজ্ঞতার কথা জিজ্ঞাসা করেন তা হলে বলব, আমি দ্রৌপদীর চুল বেঁধে দিতাম।” এ থেকে বোঝা যায়, তখনকার সুমহিলাদের বাঁধাধরা সৈরিন্ধ্রী থাকত এবং যে সৈরিন্ধ্রী পাণ্ডবঘরণী দ্রৌপদীর চুল বাঁধত, বাজারে তার দাম আলাদা, যেমনটি এখন কোন বিউটি পার্লারের ওজন কত তা বোঝা যায় কত বড় সিনেমা অ্যাকট্রেস সেখানে চুল বেঁধেছে—সেই থেকে। এ ছাড়া সে যুগের পুরুষ মানুষরাও যেহেতু চুল বাঁধতেন তাই কখনও প্রণয়বশে দয়িতার খোঁপাটিও বেঁধে দিতেন তাঁরা। অমন যে রাবণদমন রামচন্দ্র তাঁকেও দেখেছি সীতার মাথায় ফুল গুঁজে তাঁর বনবাসী চুলের শোভা বাড়াতে। আর গীতগোবিন্দের যে নায়কটির অভ্যাস ছিল ‘সকচগ্রহচুম্বনদানম’ তিনি শতকোটি গোপীর সঙ্গে নাচতে নাচতে একটি বিশেষ রমণীকে নিয়ে অন্তর্ধান করেছিলেন। ভাগবতপুরাণে এই সৌভাগ্যবতীর নাম নেই বটে, তবে চৈতন্যপন্থীরা বলেন গন্ধ আছে। ইনি নাকি শ্রীরাধিকা। কৃষ্ণ যাকে একান্তে তুলে নিয়ে গিয়ে সদ্য ফোটা ফুলে কেশপ্রসাধন করেছেন আর তার চিহ্ন দেখে অন্য গোপীরা অভিমানে বলেছেন কেশপ্রসাধনং হ্যত্র কামিন্যাঃ কামিনা কৃতম। এই প্রসঙ্গে আর একটি ঘটনা উল্লেখ না করলে অন্যায় হবে। মহাভারতের পাণ্ডবপুঙ্গব ভীম, যাঁকে বঙ্কিমচন্দ্রের কল্যাণে এবং আজকের নাথবতী অনাথবৎ-এর সৌজন্যে দ্রৌপদীর সবচেয়ে সুযোগ্য স্বামী বলে জানি, তাঁর রমণীকেশের পারিপাট্য ভালোই জানা ছিল। ঘটোৎকচ জননীর লম্বা লম্বা চুল তিনি বেঁধে দিতেন কি না সে প্রমাণ ব্যাসদেব রাখেননি কিন্তু মাঝে মাঝে চুল বেঁধে দিয়ে তিনি যে অর্জুন-মোহগ্রস্তা দ্রৌপদীর মন পেতে চেষ্টা করতেন, তার প্রমাণ বিলক্ষণ আছে। না হলে কৌরবসভায় দুঃশাসনের সাহস তথা দ্রৌপদীর অপমান দেখে তিনি যে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন তাতে দুঃশাসনের বুক চিরে রক্ত খাওয়ার ভীষণতার মধ্যেও, সেই রক্তে দ্রৌপদীর বেণীসংহার (চুল বাঁধা) করার ইচ্ছেটি তাঁর অভ্যস্তবিদ্যার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

    আমরা শুনেছি, যে রাঁধে সে চুলও বাঁধে। একথায় রান্নার প্রতি তাচ্ছিল্য আছে যেমন, তেমনি তাচ্ছিল্য আছে চুল বাঁধার ওপরেও। বাস্তবে কিন্তু সে রকম করে চুল বাঁধতে গেলে পঞ্চব্যঞ্জনে রান্নার সময় নাও থাকতে পারে। ঠিক যেমন জুতসই রান্না করতে গেলেও সময় থাকবে না ভালো করে চুল বাঁধার। কিন্তু বিশ্বজনহিতায় সমস্ত দিন সরন্ধনে কাটালেও ধন্যি ধন্যি, কিন্তু সমস্ত দিন চুল বাঁধলে? অথচ প্রাচীনা যাঁরা, যাঁরা চিরকাল, রাঁধা খাওয়া আর শোয়ার বৃত্তে বাঁধা বলেই জানি, তাঁদের চুল বাঁধার পরিপাটি যে কত নিপুণ ছিল এবং তার পিছনে তাঁরা অসময়েও কত সময় দিতেন—তা বোঝানোর জন্য প্রাচীন বৃন্দাবনের একটি কাকভোর সকালে ফিরে যেতে হবে। কৃষ্ণজননী যশোদাকে আমরা মাতৃমূর্তির আদর্শ বলেই জানি। সেই যশোদা সকালবেলায় কৃষ্ণ ঘুম থেকে ওঠার আগেই দুধ চাপিয়ে দিয়েছেন উনুনে, অন্যদিকে চলছে দধিমন্থন। দধিমন্থন যে কাকভোর সকালেই হত তার প্রমাণ যথেষ্ট আছে ভাগবত পুরাণে, তাছাড়া ”ওরে বিহান হল জাগো রে ভাই ডাকে পরস্পরে, ওরে ওই যে দধিমন্থধ্বনি উঠল ঘরে ঘরে” এ তো প্রমাণ। সে যাই হোক, সেই কাকভোর সকালেও মাতৃমূর্তি যশোদা কিন্তু চুল বেঁধে নিয়েছেন সুদৃশ্য কবরীবন্ধনে এবং সেই সাতসকালেও তাতে ফুল গুঁজে দিতে ভোলেননি; কেননা দধিমন্থনের পরিশ্রমে তাঁর খোঁপার মালতীকুসুম খসে খসে পড়ছিল—কবরবিগলন্মালতী নির্মমন্থ। একই সময়ে কৃষ্ণ ঘুম থেকে উঠে দৌরাত্ম্য আরম্ভ করলে পর যশোদা তাকে ধরবার জন্য দিলেন দৌড়। কিন্তু দৌড়তে গিয়ে তাঁর সাধের খোঁপাটি গেল খুলে এবং আবারও দেখি ফুল খসে পড়ছে মাটিতে—জবেন বিস্রংসিত কেশবন্ধন/চ্যুত প্রসূনানুগতি পরামৃশৎ। এর পরে কৃষ্ণকে ধরে ফেলার পর আরম্ভ হল দামবন্ধন অর্থাৎ কোমরে দড়ির বাঁধন। তখন দেখি তিনি ঘামে ভিজে গেছেন, তাঁর কানের পাশে চূর্ণকুন্তলগুলি গালের ওপরে লেপটে রয়েছে, কিন্তু রসিক ভাগবতকার তৃতীয়বার উল্লেখ করতে ভুললেন না যে, তাঁর খোঁপায় লাগানো মালাটি, যা এতক্ষণ হয়তো কোনোরকমে ঝুলে ছিল, তাও খসে পড়ে গেছে মাটিতে, বিস্রস্তকবরস্রজঃ। অনুমান করি, সেই কাকভোর সকালে উঠে কত ফুল যশোদা গুঁজে দিয়েছিলেন খোঁপায় যে ভাগবতকার তিন তিনবার উল্লেখ করে তাকে সম্পূর্ণ খসাতে পেরেছেন। কৃষ্ণের মতো খ্যাপাটে ছেলে সামাল দিয়ে তার দধি, দুগ্ধসেবার সুব্যবস্থা করেও যদি এই কেশসজ্জার ধৈর্য থাকে, তবে তার অবস্থা হবে ঠিক এমনিতর—এইটেই ভাগবতকারের ব্যঞ্জনা নয় তো?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাঙালীর ইতিহাস (আদিপর্ব) – নীহাররঞ্জন রায়
    Next Article মহাভারতের ছয় প্রবীণ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    Related Articles

    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    কথা অমৃতসমান – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    মহাভারতের ভারতযুদ্ধ এবং কৃষ্ণ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    কলিযুগ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    মহাভারতের অষ্টাদশী – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    চৈতন্যদেব – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    দেবতার মানবায়ন : শাস্ত্রে সাহিত্যে ও কৌতুকে – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }