Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পুরাণী – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী এক পাতা গল্প516 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দুর্গাপূজা : মার্কণ্ডেয় চণ্ডী এবং কৃত্তিবাসী রামায়ণ

    মার্কণ্ডেয় পুরাণের গল্পে আছে—

    সেকালের দিনে ভারতবর্ষে সুরথ বলে এক রাজা ছিলেন। যতখানি জায়গা জুড়ে তাঁর রাজ্য ছিল, তার এক প্রান্তে ছিল কাশ্মীর। এখনকার দিনে কাশ্মীর নিয়ে যে সব গণ্ডগোল চলছে, তার চরিত্র এবং প্রকৃতি যাই হোক, সেকালের দিনে কাশ্মীর ছিল বহিরাক্রমণের দ্বার। যে সময়ের কথা আমরা এখানে উল্লেখ করছি, সে অনেক কাল আগের কথা। কাশ্মীরে তখনও এমন কিছু ছোট ছোট সমস্ত রাজাদের বাস ছিল, যাঁরা ভারতবর্ষের আচার এবং রীতিনীতির বাইরে ছিলেন। সেকালের ভারতবর্ষীয় সমাজ এঁদের যবন অথবা ম্লেচ্ছ বলে ডাকত।

    এই যবন এবং ম্লেচ্ছ রাজারাই সুরথ রাজার রাজ্য আক্রমণ করে তাঁর রাজ্যের খানিকটা কেড়ে নিল। সুখের বিষয়, তখনও সুরথ রাজার রাজধানীটা বাকি ছিল। রাজ্যের প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলি হাতছাড়া হয়ে গেলেও সুরথ রাজা নিজের নগরে ফিরে রাজ্য চালাতে আরম্ভ করলেন। কিন্তু সেখানেও আরেক রকমের গণ্ডগোল বেধে গেল। রাজা দুর্বল হয়ে গেলে যা হয়। রাজদরবারের সুযোগ-সন্ধানী মন্ত্রী, অমাত্য, সেনাপতিরা চক্রান্ত করে রাজার অর্থভাণ্ডার আত্মসাৎ করল আর রাজার বশংবদ সৈন্যদের টাকাপয়সা খাইয়ে ভাগিয়ে নিল নিজেদের পক্ষে।

    নিজের আধিপত্য এইভাবে চলে যাওয়ার ফলে সুরথরাজা মৃগয়া করতে যাবার নাম করে একা একা ঘোড়ায় চড়ে চলে গেলেন বনে—’একাকী হয়মারুহ্য জগাম গহনং বনম।’ বনের মধ্যে মেধস মুনির আশ্রম। মুনি বসে আছেন শিষ্যদের নিয়ে। প্রশান্ত পরিবেশ, হিংস্র পশুরাও এখানে হিংসা ভুলে আছে। রাজা প্রথমেই মুনির সঙ্গে দেখা করলেন না। বনের মধ্যেই এদিক ঘোরেন, ওদিক ঘোরেন আর ভাবেন—বাপ-ঠাকুরদার আমলের এত বড় রাজ্যটা! অসভ্য মন্ত্রী আর রাজকর্মচারীরা নিশ্চয় রাজ্যটা লুটেপুটে খাচ্ছে। আমি রাজ্যে নেই, প্রজাদের সুখ-দুঃখ নিশ্চয়ই কিছুই খেয়াল করছে না ওরা।

    রাজার মনে পড়ল তাঁর হাতিশালের বিশাল হাতিটার কথা। সেই হাতিটাকে হয়তো ওরা খেতেই দিচ্ছে না। যে লোকগুলো রাজার ব্যক্তিগত সেবা করত, সেই লোকগুলো হয়তো এখন অন্য এক রাজার খিদমতগারি করছে। রাজকোষে এতকাল ধরে জমানো টাকাপয়সা—সব হয়তো ওই হাভাতে মন্ত্রীগুলো নিজেদের বিলাস-ব্যসনে উড়িয়ে দিচ্ছে—’সঞ্চিতঃ সো’ তিদুঃখেন ক্ষয়ং কোষো গমিষ্যতি। রাজা এই সব কথা চিন্তা করতে করতে অত্যন্ত মনমরা হয়ে গেলেন। মুনির আশ্রমের প্রান্তদেশে এদিক-ওদিক ঘুরতে ঘুরতে রাজার নজরে পড়ল আরও একটা লোক যেন তাঁরই মতো মনমরা হয়ে আশ্রমভাগের একান্তে বসে আছে। মাথায় হাত, মনে গভীর চিন্তা।

    ব্যথার ব্যথী একই গোত্রের আরও একটা লোককে দেখে রাজার কৌতূহল হল। তিনি বললেন—’কে গা তুমি? এখানে এসেছ কি করতে? দেখে মনে হচ্ছে—মনটা তোমার একদম ভাল নেই? কী হয়েছে?’ রাজার মিষ্টি কথা শুনে লোকটা বলল, ‘আমি ব্যবসায়ী মানুষ, জাতিতে বৈশ্য। আমার নাম সমাধি। টাকাপয়সা আমার কম ছিল না, বড়লোকের ঘরেই আমার জন্ম। কিন্তু মুশকিলটা কী জানেন,—আমার বউ-ছেলেরা সব এমন যে, আমার সব টাকা-পয়সা আত্মসাৎ করে তারা আমাকে ঝাঁটা মেরে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে। আমারই আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে ষড় করে আমার টাকাপয়সা মেরে দিলে, আর আমাকেও দিলে তাড়িয়ে। মনের দুঃখে আমি বনে চলে এসেছি।’

    সমাধি বৈশ্যের ছোট পরিবারের মধ্যে যে লোভ আর প্রতারণার ছবি আমরা ছোট আকারে দেখলাম, ওই একই ছবি রাজকীয় কায়দায় ব্যক্ত হয়েছে সুরথ রাজার রাজ্যের অধিকারে। কিন্তু এই অত্যাচার প্রতারণার পরেও রাজার মুখ দিয়ে যে সত্যি কথাটা বেরুনো উচিত ছিল—সেটা কিন্তু তাঁর মুখ দিয়ে বেরোল না। হয়তো রাজোচিত মর্যাদা অথবা গাম্ভীর্যের কারণে সুরথ কিছু বললেন না, কিন্তু সংসারে এমনটি হলে কী মানসিকতা তৈরি হয় সেই অন্তরের দুঃখটা বেরিয়ে এল সমাধি বৈশ্যের মুখ দিয়ে। সে বলল—’আমার টাকাপয়সা হাতিয়ে আমাকেই তাড়িয়ে দিয়েছে এই তিক্ত ঘটনা জেনেও আমার কেবলই মনে হচ্ছে—আমার ছেলেগুলি ভাল আছে তো, আমার বউটা কষ্টে নেই তো? আমাকে বাদ দিয়ে কীভাবে তারা দিন কাটাচ্ছে, কারও অসুখ-বিসুখ করল কিনা, ছেলেগুলো সৎপথে চলছে কিনা—এইসব চিন্তায় আমি বড় ভাবনায় আছি।’

    রাজা বললেন—বেশ রাজকীয় কূটবুদ্ধি প্রয়োগ করেই বললেন—’সে কি কথা? যে ছেলে-বউরা আপনারই টাকাপয়সা আত্মসাৎ করে আপনাকেই ঝাঁটা মেরে ঘরছাড়া করল, তাদের জন্যই আবার আপনার এত ভাবনা হচ্ছে? ভারী আশ্চর্য!’ বৈশ্য বলল—’যা বলেছেন আপনি! এক্কেবারে হক কথাটা বলেছেন—এবমেতদ যথা প্রাহ। সত্যি আমি মনটাকে অত নিষ্ঠুর করে তুলতে পারছি না। যারা টাকার লোভে বাপের স্নেহ ভুলে গেল, স্বামীর ভালবাসা ভুলে গেল, আমাকে বার করে দিল—আশ্চর্য! তাদের আমি এখনও ভালবাসি। এটা হওয়া উচিত ছিল না। কিন্তু হয়েছে। আমি সব বুঝেও এটা বুঝতে পারছি না—কিমেতান্নাভিজানামি জানন্নপি মহামতে। আমি কিছুতেই বুঝতে পারছি না—যে প্রিয়জনেরা আমার সঙ্গে এত শত্রুতা করল, তাদেরই জন্য কেন আমার এই দুশ্চিন্তা, কেন এই দীর্ঘশ্বাস?’

    বস্তুত রাজার মনেও তো এই বিক্রিয়াই চলছিল। ‘কেমনে বেটা পেরেছে সেটা জানতে।’ তিনি রাজা, তাই হয়তো সামান্য এক পরিবারের দুঃখ তাঁর কাছে বড় নয়। তিনি তাঁর মতো করে মন্ত্রী-অমাত্যের দুর্নীতির কথা, হাতিশালের হাতির কথা, রাজকোষের অপব্যয়ের কথা—এইসবই তো ভেবে যাচ্ছেন এতক্ষণ। এখন বৈশ্য যে কথাটা বলল, তাতে রাজা দেখলেন তাঁর মানসিকতা তো একই রকম। বৈশ্য তার পারিবারিক রাজ্যের কথা ভাবছে, রাজা তাঁর বিশাল প্রশাসনিক রাজ্যপাটের কথা ভাবছেন। ব্যাপারটা একই—এত শত্রুতা, এত কষ্ট যে কারণে বা যাদের জন্য—সেই পরিবার, সেই রাজ্যপাটের কথাই এঁরা ভেবে যাচ্ছেন। একই ব্যথার ব্যথী, একই কারণে ক্লিষ্ট দুই ভিন্ন গোষ্ঠীর লোক এবার উপস্থিত হলেন মেধস মুনির আশ্রমে। যথাবিহিত সম্ভাষণ করে দুজনেই মুনির কাছে বসলেন। এখানে কথা আরম্ভ করলেন রাজাই। তিনি বললেন—’একটা কথা জিজ্ঞাসা করি মুনিবর! আমার যে রাজ্যপাট, মন্ত্রী অমাত্য, সেনাপতি—ইত্যাদি যে প্রশাসনিক উপকরণ—এই বনে এসেও সেগুলিকে আমি ভুলতে পারছিনা। এই সব রাজোচিত বিষয়ের প্রতি আমার এই যে মমতা, সেই মমতার জন্যই যে আমার কষ্ট হচ্ছে—তা আমি বেশ জানি, কিন্তু জেনেও বোকার মতো কেন দুঃখ পাচ্ছি আমি—তার কারণটা বলতে পারেন?’

    রাজা এবার বৈশ্যের দিকে আঙুল দেখিয়ে বললেন—’আর এই যে সমাধি বৈশ্য, এর বউ-ছেলে এর টাকাপয়সা হাতিয়ে দুর-দুর করে একে তাড়িয়ে দিয়েছে, কিন্তু তবুও দেখুন ও ওদেরই ভালবাসে, ওদের কথাই ও তখন থেকে ভেবে যাচ্ছে। আমার জিজ্ঞাসা, তাহলে ব্যাপারটা কি? যে বিষয়-সুখের কারণে দুজন আমরা কষ্ট পাচ্ছি বা পেয়েছি, অথচ সেগুলির প্রতিই আমাদের এত মমতা—এটা কী হল? অথচ দেখুন, আমরা বেশ জ্ঞানী লোক, দুঃখের কারণটা আমরা বেশ বুঝতে পারছি, তাহলে আমাদের এই অকারণ মোহটা হচ্ছে কেন, কেনই বা বারবার সেই কথা চর্চা করছি, যা আমাদের কষ্ট দিয়েছে। কেনই বা আমাদের মতো বিবেচক জ্ঞানী মানুষের এই মূঢ়তা?’

    ‘জ্ঞানী’, ‘বিবেচক’—কথাগুলি শুনে মেধস মুনি বুঝি হেসেই ফেললেন। বেড়ে বলেছেন রাজা—তিনি জানেন কী তাঁকে কষ্ট দিচ্ছে। কিন্তু কেন কষ্ট দিচ্ছে, তা তিনি জানেন না। মুনি বললেন—’আপনার যেরকম জ্ঞান, ওরকম জ্ঞান পশুপক্ষীরও আছে—যতো হি জ্ঞানিনঃ সর্বে পশুপক্ষিমৃগাদয়ঃ। নিষাদের বাঁশি শুনে মুগ্ধ হরিণ যখন অস্ত্রাঘাত লাভ করে, তখন হরিণও বোঝে যে গান শুনেই এমন হল, কিন্তু কেন এমন হল সেটা বোঝে না। হরিণ আবারও গান শোনে। আবারও মরে। খাবারের লোভে পাখি যখন জালে ধরা পড়ে, তখন পাখিরাও বোঝে যে, লোভের কারণেই এমন দুর্গতি হয়, কিন্তু কেন হল সেটা বোঝে না। আবারও খাবার দেখে লুব্ধ হয়। আবার জালে ধরা পড়ে। কাজেই আপনাদের যে রকম জ্ঞান, ওরকমটি পশুপক্ষীরও আছে। পুনশ্চ ওই গাছের পাখিদেরই খেয়াল করুন। খিদেয় কষ্ট পাচ্ছে এই অবস্থাতেও তারা ছোট্ট ছোট্ট ছানাগুলির মুখে খাদ্যকণা তুলে দিচ্ছে। ওদের কি খিদের কষ্ট নেই? আছে। ছোট্ট ছোট্ট ছানাগুলিকে বড় করে তোলার ব্যাপারে যে কষ্টটা হয়, সে কষ্ট সম্বন্ধেও এদের যথেষ্ট বোধ আছে। আর এই কষ্টের বোধ আছে মানেই বিষয়ের দোষটা এরাও দেখতে পাচ্ছে, তার মানে এরাও একভাবে জ্ঞানী। অর্থাৎ যে যে কারণে আপনারা নিজেদের জ্ঞানী মনে করছেন, সেই সেই জ্ঞান এই পশুপক্ষীরও আছে।’

    মেধস মুনি এবার আরও পরিষ্কার করে কঠিন বাস্তবে আঘাত করলেন। বললেন,—’ছেলেপিলে, সংসারের ওপর আপনাদের যে এত মমতা দেখা যাচ্ছে তার কারণ কী জানেন? আপনারা আসলে ছেলেপিলেদের কাছে থেকে বিরাট একটা ‘রিটার্ন’ আশা করছেন। অর্থাৎ ছোটো বয়স থেকে গু-মুত ঘেঁটে তোদের এত বড়টা করলাম, বুড়ো বয়সে তোরা আমাদের দেখবি বলেই তো! এই লোভেই এই আশাতেই আপনাদের সন্তানের ওপর এত ভালবাসা—লোভাৎ প্রত্যুপকারায় নন্বেতে কিং ন পশ্যসি। কিন্তু সন্তানের জন্ম থেকে আরম্ভ করে তাকে মানুষ করা, লেখাপড়া শেখানো, জীবনে প্রতিষ্ঠিত করা—এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটার মধ্যেই যে কষ্ট আছে, সে কষ্টটার সম্বন্ধে আপনাদের যথেষ্ট জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও, আপনারা যে তাদের এত ভালবাসেন, তার কারণ হলেন মহামায়া—মহামায়া প্রভাবেণ… মোহগর্তে নিপাতিতাঃ।’

    মেধস মুনি এতক্ষণে আসল কথায় এলেন। ‘মহামায়া—যাঁর প্রভাবে অখিল চরাচর মোহে অন্ধ হয়ে কলুর বলদের মতো ঘুরে বেড়াচ্ছে, সেই তিনিই হলেন মহামায়া—জগৎপতি ভগবান শ্রীহরির ‘যোগনিদ্রা’ হলেন এই মহামায়া ‘যোগনিদ্রা জগৎপতেঃ’। যথেষ্ট বুদ্ধিমান এবং জ্ঞানী ব্যক্তিরাও এই মায়ার ফেরে সংসারের মোহে কাল কাটান। কিন্তু সত্যি করে যদি তাঁকে বোঝা যায় তবেই মানুষের মুক্তি।

    সুরথ রাজা আর সমাধি বৈশ্য এবার বুঝলেন যে মহামায়ার স্বভাব এবং ক্রিয়াকলাপ—দুই-ই বড় গভীর। অতএব এই মহামায়াকেই একটু চিনে নেওয়া দরকার। মেধস মুনির ইঙ্গিতে এইটুকু তাঁরা বুঝলেন যে, রাজ্যপাট ছেলেপিলে সব ছেড়ে এসে তবুও তাদের জন্যই যে কষ্ট হচ্ছে—এর মূলে আছেন এই দেবী। অতএব এই দেবীর জন্ম-কর্ম, স্বভাব-স্বরূপ সবটা যদি মেধস মুনির কাছে বুঝে নেওয়া যায়, তবেই আত্মার শান্তি, মনের আরাম।

    মুনি বলতে আরম্ভ করলেন। বলতে আরম্ভ করলেন—কেমন করে ব্রহ্মার স্তুতিতে তুষ্ট হয়ে ভগবান শ্রীহরির মায়াশক্তি এই মহামায়া প্রবুদ্ধ হলেন। একে একে এল মহিষাসুর বধের গল্প, শুম্ভ-নিশুম্ভ বধের গল্প, রক্তবীজ-বধের কাহিনী। একেবারে শেষ কল্পে এসেছে সুরথ এবং সমাধির তপস্যার কথা। বস্তুত সুরথ আর সমাধির মহামায়া তথা চণ্ডীর আরাধনার ব্যাপারটা—অনেকটাই চণ্ডীমঙ্গল, মনসামঙ্গলের আরম্ভের মতোই। ঠিক এই কারণেই সুরথ আর সমাধির কাহিনিটা এখানে শোনালাম। আমার আসল উদ্দেশ্য কিন্তু অন্য। এই প্রবন্ধের মধ্য এবং শেষ পরিসরে আমি দুটি সমস্যার কথা বলব। এক, দেবীর উৎপত্তি যেভাবে মার্কণ্ডেয় পুরাণের চণ্ডীতে বর্ণিত আছে, তাতে ভোলানাথ শংকর তাঁর স্বামী হলেন কীভাবে, সেটা চিন্তার বিষয়। দুই, শরৎকালে আমাদের যে দুর্গোৎসব হয়, সেটাকে অকালবোধন বলার কোনো অর্থ আছে কিনা।

    (২)

    পুজোর সময় বড় বড় প্যান্ডেল থেকে আরম্ভ করে ছোট-মাঝারি এক-চালাতেও আমরা যে সপরিবারে সিংহবাহিনী দুর্গাপ্রতিমা দেখতে পাই, সেই চালচিত্রের চূড়ায় এককোণায়, কোথাও বা পাশে অবহেলিত অবস্থায় একখানি শিবের ছবি আমরা দেখতে পাই। যত অবহেলাতেই হোক তিনি থাকেন। স্বামীসোহাগিনী উমা বাপের বাড়ি এসেও স্বামীর কথা ভুলতে পারেন না—সেই সংস্কারে আমরা পার্বতীর জন্য এই ছবিটুকুর ব্যবস্থা করি। কিন্তু সত্যি কথা বলতে কী—শরৎকালের দেবীপক্ষে পনের দিন ধরে আমরা যে দুলে দুলে চণ্ডীপাঠ করি, সেই চণ্ডীর সঙ্গে মহাদেবের কিন্তু কোনো সম্পর্ক নেই। দক্ষযজ্ঞ বিনাশের পর দুর্গা-চণ্ডী হিমালয়ের মেয়ে হয়ে জন্মালেন—এমনটি কিছু কিছু পুরাণে পাওয়া যায়। আরও পাওয়া যায় যে, এই পার্বতীর সঙ্গে কীভাবে মহাদেবের বিয়ের ঘটনাটা ঘটল। এইরকম পুরাণ-কথার আশ্রয়েই মহাকবি কালিদাসের বিখ্যাত কাব্য কুমারসম্ভব রচিত হয়েছে। কিন্তু মার্কণ্ডেয় চণ্ডী—যেটাকে আমরা দুর্গামায়ের আধারভূমি বলে মনে করি, সেখানে চণ্ডী বা দুর্গার উৎপত্তি অন্যভাবে হয়েছে, শিবের সঙ্গেও সেখানে তাঁর কোনো বৈবাহিক সম্বন্ধ নেই। বরঞ্চ নানাভাবে বিষ্ণু বা নারায়ণের সঙ্গেই তাঁর সম্বন্ধ বেশি।

    মার্কণ্ডেয় চণ্ডীতে পদ্মযোনি ব্রহ্মা দেখলেন—মধু-কৈটভ নামের দুই অসুর, যারা নাকি ভগবান বিষ্ণুর কানের নোংরা থেকে জন্মেছিল—তারা ব্রহ্মাকেই মারতে উদ্যত হল। ওদিকে বিষ্ণু তখনও ঘুমিয়েই আছেন, তিনি যোগনিদ্রায় আচ্ছন্ন। যোগনিদ্রা এমনই এক মোহজাল যা বিষ্ণুকেও কর্তব্যবিমূঢ় করে রেখেছে। তিনি নির্বিকার চক্ষু মুদে শুয়ে আছেন। এই অবস্থায় ব্রহ্মা—ত্বং স্বাহা ত্বং স্বধা… ত্বং দেবি জননী পরা—ইত্যাদি মন্ত্রে সেই যোগনিদ্রা মহামায়ার অনেক স্তুতি-নতি করে শেষে তাঁকে অনুরোধ করলেন, বিষ্ণুকে ঘুম থেকে জাগাতে। বিষ্ণুর ঘুম মানেই তো সেই যোগনিদ্রা, মহামায়া। ব্রহ্মা সেই যোগনিদ্রাকে মন্ত্রের শক্তিতে নিজের অনুকূলে নিয়ে এলেন। তিনি শ্রীহরির নেত্র-নাসিকা এবং হৃদয়ের অবস্থান ছেড়ে ব্রহ্মার দৃষ্টিপথে এসে দেখা দিলেন। বিষ্ণুর মায়া-ঘুম ভাঙল, তিনি এবার মধুকৈটভকে শায়েস্তা করার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা নিলেন। মার্কণ্ডেয় চণ্ডীতে দেবী মহামায়ার প্রথম উৎপত্তি এইভাবেই—’এবমেষা সমুৎপন্না ব্রহ্মণা সংস্তুতা স্বয়ম।’

    আমাদের ধারণা—হরির এই যে যোগনিদ্রা, যাকে ব্রহ্মা স্তুতি করে হরির ঘুম ভাঙালেন—ইনি যে ঠিক চণ্ডী বা দুর্গা—এমন কোনো সন্ধান আমরা এই উপাখ্যানে পেতাম না। তবে হ্যাঁ, যোগনিদ্রাস্বরূপিণী মহামায়ার কথাটা কেন এখানে বলা হল সেটা বুঝি। সুরথ রাজা আর সমাধি বৈশ্য রাজ্যপাট আর সংসার ছেড়ে এসে সেই বিষয়চিন্তাতেই মগ্ন ছিলেন এবং ঠিক বুঝতে পারছিলেন না—কেন এমন হল। এই ‘কেন এমন হল’—সেটা বোঝানোর জন্যই এই মহামায়ার কথা বলা। আরও বলা এই কারণে যে, ওঁরা বলেছিলেন—আমাদের তো বেশ জ্ঞান আছে, বুদ্ধি আছে, তবু এমনটি হচ্ছে কেন? মুনি দেখালেন—তোমরা কোন ছার, মহামায়া বিষ্ণুকেই ঘুম পাড়িয়ে রাখছেন, তো তোমরা তো সামান্য মানুষ। সংসারের সমস্ত কাজকর্মে এবং চৈতন্যে যে এই মহামায়ারই কর্তৃত্ব—এটা বোঝানোর জন্য এই—মহাবিদ্যা মহামায়া মহামেধা মহাস্মৃতির কথা জানানো। অর্থাৎ জ্ঞানী বলব তাকেই, যার এই মহামায়ার জ্ঞানটি আছে। এখন এই মহামায়ার উৎপত্তির সঙ্গে দেবী চণ্ডী বা দুর্গাকে মিলিয়ে দেবার জন্য দ্বিতীয় কাহিনির অবতারণা। বস্তুত মহামায়ার উৎপত্তির কথা বলে দেবীর স্বরূপ নির্ণয় করা হল, এবার তাঁর স্বভাবটা বলা হচ্ছে।

    এবারে দেখা যাচ্ছে—দেবতা আর অসুরদের নাকি একশো বছর তুমুল যুদ্ধ হয়েছিল। এই যুদ্ধে দেবতারা শেষপর্যন্ত হেরে গেলেন এবং অসুরদের রাজা মহিষাসুর ইন্দ্র হয়ে বসলেন স্বর্গরাজ্যে। পরাজিত দেবতারা মনের দুঃখে সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মার কাছে উপস্থিত হলেন এবং ব্রহ্মা তাঁদের নিয়ে গেলেন—শিব আর বিষ্ণুর কাছে। দেবতারা মহিষাসুরের স্পর্দ্ধা এবং ঔদ্ধত্যের পূর্বাপর ইতিবৃত্ত জানালেন এই দুই দেবতাকে। মহিষাসুরের এত বাড় বেড়েছে শুনে ভগবান বিষ্ণু রাগে ফেটে পড়লেন, শান্ত শিবের চক্ষু দুটি রাঙা হয়ে উঠল। এই দুই দেবতার রাগ দেখে ব্রহ্মারও বড় রাগ হল। এই তিন মূর্তি দেবতার ক্রোধারুণ মুখমণ্ডল থেকে নিঃসৃত হল এক পরম তেজ। সঙ্গে সঙ্গে অন্যান্য দেবতাদের শরীর থেকেও তাঁদের তেজ-স্বরূপটি আলাদা করে বেরিয়ে এল। এইভবে ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বরের তেজ আর দেবতাদের তেজ মিলেমিশে এক তেজোময়ী নারীশরীর তৈরি হল।

    এই যে দেবতেজের তিল তিল তেজের সমাহার জগদম্বা চণ্ডীর নারী বিগ্রহ তৈরি হল, সেই তেজকে পৃথক করে দেখলে দেখা যাবে যে শংকরের তেজে তাঁর মুখমণ্ডল, বিষ্ণুর তেজে তাঁর হাত দুটি এবং ব্রহ্মার তেজে তাঁর পা দুটি মাত্র তৈরি হয়েছিল। দেবীর অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ—স্তন, কেশ, নাক, চোখ—এই সবই সাধারণ অন্য দেবতার তেজে সৃষ্টি হয়েছিল। তিনি এখানে হিমালয়ের কন্যা পার্বতীও নন, দক্ষকন্যা সতীও নন—তিনি সমস্ত দেবতার তেজসম্ভবা, স্বয়ম্ভূ। তিনি মহিষাসুর থেকে আরম্ভ করে আরও অনেক অসুর বধ করেছেন বটে, কিন্তু শিবের সঙ্গে তাঁর বিয়ের কথাটি এখানে কুত্রাপি বলা নেই। তবুও অন্যান্য পুরাণ কবিদের আমরা ধন্যবাদ দিই, কেননা নিজের রুদ্রতেজে অসামান্য দেবী-রমণীর যে মুখমণ্ডলটি তৈরি করেছিলেন শংকর, পুরাণ-কবিরা সেই মুখখানির অধিকার দিয়েছেন তাঁকেই। শিবের ঘরণী হয়ে তিনি শিবানী হলেন। কিন্তু মার্কণ্ডেয় চণ্ডীতে এই পরমা দেবী ধূর্জটির মুখের পানে চেয়ে হিমালয়ের তুষার-ধবল হাসিটি হাসতে পারেননি। সেখানে তিনি সমস্ত দেবতার তেজের ভাগ নিয়েই জন্মেছেন। হিমালয় বা শিব, কেউ তাঁর জন্মদাতাও নন, স্বামীও নন। বরঞ্চ মার্কণ্ডেয় চণ্ডীতে এই কাত্যায়নী দুর্গার বিভিন্ন রূপান্তর—কালী, চামুণ্ডা, কৌশিকী, বিন্ধ্যবাসিনী অথবা ভীমা, ভ্রামরী, শাকম্ভরী অথবা রক্তদন্তিকার পরিচয় অনেক বেশি, শিব-শিবানীর অমর প্রেমকথা সত্যিই এখানে অনুপস্থিত। সেটি চাইলে চণ্ডীপাঠ বাদ দিতে হবে।

    (৩)

    এবারে আসি অকাল-বোধনের কথায়। মার্কণ্ডেয় চণ্ডীর শেষপর্যায়ে আমরা সুরথ রাজা আর সমাধি বৈশ্যকে দেখেছি—দেবীর এই পূজা-তপস্যার ফল কী—তা দেবীর মুখেই আমরা শুনতে পেয়েছি। কোন কোন তিথিতে দেবীপূজার কত মহাত্ম্য, সেই প্রসঙ্গে শরৎকালের বার্ষিক পূজা-মহোৎসবের কথাও এসেছে। সেখানে চণ্ডীপাঠের ফলের কথা বলতে গিয়ে দেবী এমনভাবে সেটা বর্ণনা করেছেন, যাতে বোঝা যায়—প্রতি বৎসরের শরৎকালেই দুর্গাপূজা হয়ে থাকে—শরৎকালে মহাপূজা ক্রিয়তে যা চ বার্ষিকী।

    কিন্তু চিরকালীন এই শারদোৎসবের মধ্যেও যে একটা অকালবোধনের সংবাদ চলে এল—তার জন্য দায়ী আমাদের কৃত্তিবাস। কৃত্তিবাস কীর্তিবাস কবি। কৃত্তিবাস যে বাঙালির হৃদয় কতটা অধিকার করেছেন তা এই ঘটনায় প্রমাণ হয়। কবি ঠিক রাবণ-বধের আগে রামচন্দ্রকে দিয়ে একটা দুর্গাপূজা করিয়ে নিলেন এবং বললেন—এখন দুর্গাপূজার সময় নয়, কিন্তু বিপন্ন হয়ে রাবণবধের জন্য রামচন্দ্র দেবী দুর্গার অকাল-বোধন করেছেন। অতএব শরৎকালের এই দুর্গাপূজা রামচন্দ্রের স্মৃতি মাখানো। কৃত্তিবাসের কবিত্বশক্তি এমনই, তাঁর ছন্দোবদ্ধ শব্দমন্ত্রে এমনই জাদু আছে যে, বাঙালি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করছে—এ পুজো শরৎকালে হতই না এবং রামচন্দ্রের কৃপায় তাঁরই হাতছোঁয়া পুজো আমরা বছর বছর করে যাচ্ছি।

    বাস্তবিক রামচন্দ্র এই পুজো করে থাকুন আর না-ই করে থাকুন, তাতে বাঙালির কিছু আসে যায় না। করে থাকলে খুব ভাল। কারণ, রামচন্দ্রকে আমরা খুবই পছন্দ করি এবং জগদজননী দুর্গাকেও আমরা খুবই ভালবাসি। কিন্তু সত্যিই শরৎকালে রামচন্দ্র দেবীর অকালবোধন করেছিলেন কিনা সেই বাস্তবটা জানতে হলে আমদের কৃত্তিবাসেরও আগে বিভিন্ন পুরাণ এবং বিশেষত বাল্মীকি রামায়ণটি মিলিয়ে দেখে নিতে হবে।

    কৃত্তিবাসে দেখা যাচ্ছে—লঙ্কাকাণ্ডের শেষ পর্যায়ে রাবণ যুদ্ধে এসেছেন, কিন্তু অসংখ্য পুত্র-মিত্র হারিয়ে হীনবল রাবণ আর যুদ্ধে পেরে উঠছেন না রামচন্দ্রের সঙ্গে। এই অবস্থায় রাবণ জগদজননী কালী-ভবানীকে স্মরণ করলেন। রাবণের স্তবে তুষ্ট হয়ে মা ভবানী একেবারে রাবণকে কোলে করে রাবণের রথে বসলেন—অসিতবরণা কালী কোলে দশানন। এটা কিছুই আশ্চর্য নয়—কৃত্তিবাসের লেখনীতে ডাকাত কিংবা অন্যান্য দস্যুজাতিরা যে কালীপুজো করত, তারই প্রতিরূপ ধরা পড়েছে। রাবণ প্রধানত শিবের উপাসক ছিলেন, কিন্তু এই অসীম বিপন্নতার মধ্যে শিবানীও তাঁর কাছে রীতিমতো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছেন। যাই হোক, রাবণের রথে ‘জলদবরণী’ শ্যামাকে দেখে রামচন্দ্র ধনুক-বাণ ফেলে বসে পড়লেন।

    রামচন্দ্রের অবস্থা দেখে স্বর্গের দেবতারা মহাচিন্তায় পড়ে গেলেন। কারণ, রাবণবধে তাঁদেরও স্বার্থ আছে। দেবতাদের রাজা ইন্দ্র স্বয়ং ব্রহ্মাকে অনুরোধ করলেন—কোনো উপায় চিন্তা করার জন্য। ব্রহ্মা বললেন—দুর্গাপূজা করতে হবে, কিন্তু দুর্গাপূজার এখন সময় নয়, তাঁকে অকালে বোধন করতে হবে—

    বিধি কন বিধি আছে চণ্ডী আরাধনে।

    হইবে রাবণ-বধ অকালবোধনে।।

    রামচন্দ্রের সুবিধের জন্য ব্রহ্মা তখন স্বর্গরাজ্যেই—অকালে শরতে কৈল চণ্ডীর বোধন। এখানে দুটি কথা আছে।

    কৃত্তিবাস যে বলেছিলেন—

    রাবণ-বধের জন্য বিধাতা তখন।

    আর শ্রীরামেরে অনুগ্রহের কারণ।।

    ব্রহ্মার এই দুটি কাজের জন্যই যে অকালবোধন—এই কথাটা কৃত্তিবাস সরাসরি প্রায় অনুবাদ করে দিয়েছেন কালিকাপুরাণ থেকে। এই পুরাণে বলা হয়েছে—রামের প্রতি অনুগ্রহ এবং রাবণ-বধের জন্য ব্রহ্মা রাত্রিতেই দেবীর বোধন করেছিলেন—

    রামস্যানুগ্রহার্থায় রাবণস্য বধায় চ।

    রাত্রাবেব মহাদেবী ব্রহ্মণা বোধিতা পুরা।

    আসলে এই রাতের বেলায় দেবীর বোধনই কৃত্তিবাসকে মহা ফাঁপরে ফেলে দিয়েছে। কেননা, রাত্রির এই আকালিক বোধনই কৃত্তিবাসে শরৎকালের আকালিকতায় পরিণত। এমনিতে শরৎকালের দুর্গাপূজা যে মোটেই আকালিক নয়, সেকথা ওই কালিকাপুরাণ থেকে আরম্ভ করে সব পুরাণেই খুব স্পষ্ট। কিন্তু ব্রহ্মার এই রাত্রিপূজা যেহেতু স্বাভাবিক নয়, অতএব কৃত্তিবাসে শরৎকালের সম্পূর্ণ দুর্গাপূজাটাই অকালবোধন হয়ে গেল।

    ব্রহ্মার এই রাত্রিকালীন অকালবোধনের সূত্র ধরেই যে একটা ভুল বোঝবার সম্ভাবনা রয়ে গেছে, সেকথা বিধানদাতা স্মার্ত পণ্ডিতরাও বুঝেছিলেন। বুঝেছিলেন বলেই রঘুনন্দনের মতো স্মার্ত ধুরন্ধর তাঁর দুর্গাপূজার তিথি-তত্ত্বে এই রাত্রির আকালিকতার প্রশ্ন তুলে বলেছেন—বাপু! ওটা দেবতাদের রাত্রি বটে, কিন্তু মানুষের গড়া জগতে ওটা রাত্রি নয়, দিনই। রঘুনন্দনের মতে, সূর্যের সমস্ত দক্ষিণায়নের সময়-কালটাই দেবতাদের রাত্রি। কাজেই মানুষের পূজায় শারদোৎসব কোনো অকালবোধন নয়। বরঞ্চ ব্রহ্মা যে দেবলোকের রাত্রিতে দেবীকে পূজার মন্ত্রে প্রবুদ্ধ করলেন, সেটা অকাল বটে—অকাল ইতি তু রাত্রিত্বেন দক্ষিণায়নস্য অথৈতদ দক্ষিণায়নং দেবানাং রাত্রিঃ ইতি। অতএব মানুষের বেলায় কন্যারাশির শুক্লপক্ষের নবমী তিথিতে দিনের বেলাতেই দেবীর বোধন চলবে—এই হল রঘুনন্দনের মত।

    স্মৃতিশাস্ত্রের এই ব্যাপারগুলো, দুর্গাপূজার তিথিতত্ত্ব কৃত্তিবাস যে কিছুই জানতেন না—তা নয়। কারণ, ব্রহ্মা যখন রামচন্দ্রকে নিজ পূজার অনুকরণে অকালবোধন করতে বললেন, তখন রামচন্দ্র তিথির প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেছেন—দুর্গাপূজার পক্ষে বসন্তকালই ‘শুদ্ধ সময়।’ অর্থাৎ বঙ্গদেশে যে বাসন্তী পূজা চালু আছে সেটাই যে দুর্গাপূজার পক্ষে প্রশস্ত সময়—সেটা রামচন্দ্র কৃত্তিবাসের কল্যাণে জানেন। তিনি আরও জানেন যে,

    বিধি আছে নিরূপণ নিদ্রা ভাঙ্গিতে বোধন

    কৃষ্ণা নবমীর দিনে তার!

    কিন্তু কৃষ্ণা নবমী পার হয়ে গেছে। দুর্গাপূজার আরও বিকল্প তারিখ ছিল। কারণ মার্কণ্ডেয় চণ্ডীতে সুরথ রাজা শুক্লা প্রতিপদে দেবীপূজার কল্পারম্ভ করেছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত রামচন্দ্র এমন একটা সময়ে দেবীপূজার কথা ভাবছেন—যখন আগামী কাল হল শুক্লা ষষ্ঠী—

    শুক্লা ষষ্ঠী মিলিবে প্রভাতে।

    কন্যারাশি মাস বটে কিন্তু পূজা নাহি ঘটে

    অত্র যোগ, সব হৈল যাতে।

    অর্থাৎ সবগুলি তিথিযোগই যখন চলে গেছে, তখন ব্রহ্মার মতে শুক্লা ষষ্ঠীতেই রামচন্দ্রের পক্ষে বোধন করা ভাল। কারণ, সুরথ রাজা যদি নিয়ম ভেঙে প্রতিপদে কল্পারম্ভ করে থাকেন, তাহলে রামচন্দ্রের মতো বিশাল ব্যক্তিত্বই বা তা পারবেন না কেন—

    কর ষষ্ঠী-কল্পেতে বোধন।

    ব্যাঘাত না হবে তায় বিধি খণ্ডি পুনরায়—

    কল্প খণ্ডে সুরথ রাজন।

    লক্ষণীয় বিষয় হল, ব্রহ্মা অকালে বোধন করা জন্য যে সময় নির্দেশ করলেন, সেই দুর্গাপূজা বাঙালির ঘরে ঘরে আপনিই হয়। মার্কণ্ডেয় চণ্ডীতে এই পূজারই বিধান—শরৎকালে মহাপূজা ক্রিয়তে যা চ বার্ষিকী। এই শ্লোকের টীকায় নাগোজীভট্ট পরিষ্কার জানিয়েছেন—’শরৎকালে’ মানে হল, আশ্বিনমাসের শুক্ল প্রতিপদ থেকে দুর্গাপূজার যে কল্পারম্ভ হয়। সেই পূজা শরৎকাল আশ্বিন প্রতিপদমারভ্য দুর্গোৎসবরূপা। অন্যদিকে, স্মার্তরঘুনন্দনের সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন। তিনি বলেছেন কন্যারাশি মানে, ওই আশ্বিন মাসের নবমী তিথিতেই দেবী প্রবুদ্ধা হবেন।

    আসলে কালিকাপুরাণে দেখা যাবে—নবমীর বোধনের পরেই দেবী প্রবোধিতা হয়ে নিজের মায়ায় রামচন্দ্র এবং রাবণকে যুদ্ধে প্রবৃত্ত করেন। কিন্তু এখানে বোধন ছিল ব্রহ্মার এবং কাল ছিল রাত্রি, স্থান দেবলোক। দেবী ব্রহ্মার বোধনে তুষ্ট হয়ে নিজের ঘুম নষ্ট করে, সাত দিন লঙ্কায় বাঁদর আর রাক্ষসদের রক্তমাংস খেয়ে দিন কাটালেন—রক্ষসাং বানরানাঞ্চ জগধ্বা সা মাংসশোণিতে। তারপর কৃপা করে রামের মাধ্যমে যেন দেবীই মারলেন রাবণকে—রামেণ ঘাতয়ামাস। সংস্কৃতটা এমন আছে, যাতে দেবীই এখানে প্রধান এবং Rama was only instrumental in killing Ravana. এখানে এই খবর ছাড়া আরও একটা খবর জরুরি। সেটা হল রাবণ-হত্যার দিনটি ছিল নবমী তিথি—নবম্যাং রাবণং ততঃ।

    কৃত্তিবাস কালিকাপুরাণের সংকেত প্রায় মানলেও ঈশ্বররূপে চিহ্নিত রামচন্দ্রকে তিনি করণ-কারক বানিয়ে রাখেননি। অন্যদিকে, রামচন্দ্রের মনুষ্যায়নের তাগিদে তাঁকে দিয়ে দুর্গাপূজা করালেও রাবণবধের ব্যাপারে কর্তৃত্ব দিয়েছেন। আর তিথির ব্যাপারে কৃত্তিবাস কালিকাপুরাণের মত মেনেওছেন, আবার মানেনওনি। কালিকাপুরাণে নবমীতে রাবণবধ, দশমীতে বিজয়োৎসব এবং দেবীর বিসর্জন। কিন্তু কৃত্তিবাসে নবমীতে দেবী রাতের স্তুতিতেই প্রবুদ্ধা হয়েছেন এবং তাঁকে আর লঙ্কায় বাঁদর-রাক্ষস খেয়ে সময় নষ্ট করতে হয়নি। নবমীতে প্রবুদ্ধা হয়েই তিনি রামকে কৃপা করেন এবং দশমীতেই রাবণবধ। অপিচ সেই রাবণ-বধ রামই করেছেন।

    আসল কথা হল—কৃত্তিবাস বাঙালির দুর্গাপূজা পদ্ধতি এড়াতে পারেননি। কৃত্তিবাসে ঠিক বাঙালি-মতে রামচন্দ্র চণ্ডীপাঠ শুরু করেন, তারপর ষষ্ঠীতে বেলগাছের তলায় দেবীর বোধন-অধিবাস করেন। সপ্তমীতে যেমন পুজো হয় তেমনি পুজো হল। অষ্টমী পুজোর পর—নিশাকালে সন্ধিপূজা কৈল রঘুনাথ। তারপর নবমীতে সেই একশো-আট নীলপদ্ম জোগাড়ের কাহিনি। রাম পদ্মের বদলে নিজের চোখ উপড়ে দিতে যাবেন—

    হেনকালে কাত্যায়নী ধরিলেন হাতে।।

    কি কর কি কর প্রভু জগৎ-গোঁসাই।

    সংকল্প তোমার পূর্ণ চক্ষু নাহি চাই।।

    দেবী নবমীতেই প্রবোধিতা হলেন এবং এখানে রামচন্দ্রের ব্যাপারে দেবীর ‘জগৎ-গোঁসাই’ বোধটিও আছে। রামচন্দ্র দেবীর বরাভয় নিয়ে রাবণের বিরুদ্ধে যুদ্ধযাত্রা করলেন দশমীতে—

    দশমীতে পূজা করি বিসর্জিয়া মহেশ্বরী

    সংগ্রামে চলিলা রঘুপতি।

    দশমী তিথিতে রাবণবধের ফলে রামচন্দ্রের যে মহাবিজয় সূচনা হল, সেইটাই আমাদের বিজয়া দশমী। কৃত্তিবাসের প্রভাব বাঙালির ওপর এতই বেশি যে, শুধুমাত্র রাবণের মতো এক বিশাল ব্যক্তির মৃত্যু বিজয়া দশমীর দিনে হয়েছিল বলে চৈতন্যচরিতকার কৃষ্ণদাস কবিরাজের মতো পণ্ডিত-কবিও স্বীকার করেছেন—বিজয়া দশমী লঙ্কা বিজয়ের দিনে। শুধু তাই নয়, চৈতন্যচরিতামৃতে বিশাল ব্যক্তিত্বের তিরোধান মহোৎসবও চিহ্নিত হয়েছে ‘বিজয়’ শব্দটির মাধ্যমে। যবন হরিদাসের তিরোধান উৎসব—যে উৎসবে মহাপ্রভু সক্রিয় অংশ নিয়েছিলেন, সেই উৎসবও কিন্তু কৃত্তিবাসের প্রভাবে ‘হরিদাসের বিজয়োৎসব।’

    কৃত্তিবাসী রামায়ণে কালিকাপুরাণের অবদানের কথাটা আমরা এতক্ষণে নিশ্চয় বুঝেছি। কিন্তু ভাবতে অবাক লাগে, বাল্মীকি যে মূল রামায়ণ রচনা করেছিলেন, যাঁর নায়ককে কৃত্তিবাস ঈশ্বরপদবীতে উঠিয়ে তাঁর অমর কাব্য রচনা করেছেন, যে বাল্মীকিকে পদে পদে অনুসরণ করে কৃত্তিবাস পয়ার-ত্রিপদী গেঁথেছেন, সেই কৃত্তিবাস রামায়ণ-রচনার এই চরম মুহূর্তে—যখন রাবণ বধ হবে—তখন বাল্মীকিকে মনেই রাখলেন না—এ কেমন কথা! স্বীকার করি, বাংলাদেশে শক্তিপূজার প্রভাব যথেষ্ট ছিল, এও স্বীকার করি গদ্য-পদ্য রচনায় কবির সেই স্বাতন্ত্র্য আছে, যাতে তিনি স্বেচ্ছায় তাঁর আকর-গ্রন্থ ত্যাগ করতে পারেন, কিন্তু তাই বলে রাবণ-বধের আগে মূল রামায়ণে যে দেবীপূজার নাম-গন্ধ নেই, সেই দেবীপূজা নির্দ্বিধায় কৃত্তিবাস আমদানি করেছেন রাবণ-বধের মতো বিপন্ন সময়ে। বেশ বুঝতে পারি—বাঙালির শারদোৎসব এবং তার আড়ম্বর কবির কাছে এতই প্রিয় ছিল যে, একজন সমাজ-সচেতন কবি হিসেবে কৃত্তিবাস সেই উৎসব-চিত্র নিরুচ্চারে ছেড়ে দিতে পারেননি।

    বস্তুত মূল বাল্মীকি রামায়ণে রাবণবধের আগে রামচন্দ্র কোনো দুর্গাপূজা বা দেবীপূজা করেননি। সেখানে যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে রাবণের সঙ্গে লড়াই করতে করতে রামচন্দ্র যখন আর পেরে উঠছেন না, তখন চিন্তাকুল পরিশ্রান্ত—ততো যুদ্ধপরিশ্রান্তং সমরে চিন্তয়া স্থিতম—রামচন্দ্রকে অগস্ত্য মুনি ‘আদিত্য-হৃদয়’ নামে এক মন্ত্র-স্তবক জপ করতে বলেছিলেন। এই মন্ত্রজপে শত্রুবিনাশ হয়। সংগ্রামে বিজয়লাভ হয়। যখন রামায়ণ রচনা হচ্ছে তখন বৈদিক যুগের কল্পান্তর ঘটে থাকলেও সূর্য-মন্ত্র জপের বিধানই বিশেষ সঙ্গত। মহামতি কৃত্তিবাস বাঙালির হৃদয় মন্থন করে আদিত্য-হৃদয়ের পরিবর্তে বাঙালির দুর্গোৎসবের বিধান দিয়েছেন রামচন্দ্রকে। বাঙালি কবির কল্পনা যাই হোক, মহাকবির কল্পনাতেও ছিল না সেই ছবি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাঙালীর ইতিহাস (আদিপর্ব) – নীহাররঞ্জন রায়
    Next Article মহাভারতের ছয় প্রবীণ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    Related Articles

    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    কথা অমৃতসমান – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    মহাভারতের ভারতযুদ্ধ এবং কৃষ্ণ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    কলিযুগ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    মহাভারতের অষ্টাদশী – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    চৈতন্যদেব – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    দেবতার মানবায়ন : শাস্ত্রে সাহিত্যে ও কৌতুকে – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }