Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পুরাণী – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী এক পাতা গল্প516 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দাম্পত্য-কলহে চৈব

    দুজন দেবতা প্রাচীন দাম্পত্য-জীবনের অধিকর্তারূপে স্বীকৃত—এঁদের মধ্যে একজন অশরীরী অবস্থায় তিন-ভুবনের যুবক-যুবতীকে ক্রমাগত ফুলের ঘায়ে জর্জরিত করে তুলতেন। এই অবস্থায় অপরজনের কর্তব্য ছিল সেই আহত তরুণ-তরুণীর ক্ষতস্থানে নির্মল প্রলেপ দিয়ে পরিণয়-সূত্রে আবদ্ধ করার, কিন্তু তা তিনি প্রায়ই করেননি। প্রসিদ্ধি অনুযায়ী প্রজাপতি—মানে বিবাহের দেবতাটি যেহেতু বৃদ্ধ, তাই বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের মতানুসারেই চলা তাঁর অভ্যাস। বিবাহের মঙ্গল-গ্রন্থিটি সেই দুটি হাতেই তিনি বেঁধে দেন, যেখানে অনুমতি আছে বৃদ্ধদের। এই দুই দেবতার মধ্যে পারস্পরিক কোনো বোঝাপড়া না থাকার ফলে, একের অনুগৃহীত যুগলের প্রতি আরেকজনের অভিশাপ থাকায় নর-নারীর দাম্পত্য-জীবনের পূর্বাভাসটাই নানান সমস্যাকীর্ণ হয়ে ওঠে। প্রাক-বিবাহ পর্বে পূর্বরাগের আশীর্বাদটুকু আর বিবাহ-মুহূর্তে প্রজাপতির আশীর্বাদটুকু—এই দুয়ের একটিকে অবলম্বন করে দাম্পত্য-জীবন শুরু হয়ে যায় বটে। কিন্তু তারপর? তারপর তেত্রিশ কোটি দেবদেবীর মধ্যে এমন একজনকেও খুঁজে পাওয়া যায়নি, যিনি চিহ্নিত হয়েছেন দাম্পত্য কলহ উপশম কিংবা নিবারণের জন্য। অথচ দাম্পত্য কলহ এতই সার্বিক যে, এর জন্য দেবলোকে একজন উপযুক্ত বিভাগীয় আধিকারিকের বিশেষ প্রয়োজন ছিল। কিন্তু তা হয়নি, কেননা কোনো দেবতাই একা একা এই কঠিন দায়িত্ব নিতে সাহস করেননি। বিশেষত দেবদেবীরা নিজেরাই যেখানে এই আপদ থেকে ততখানি মুক্ত নন সেখানে তাঁদের করুণা-বারি বর্ষণে গৃহস্থের এই রৌদ্ররস নির্বাপিত হয়নি।

    সৃষ্টির প্রথমদিন থেকে পিতৃ-পিতামহক্রমে অভ্যস্ত হওয়ার ফলে দাম্পত্যকলহ জীবনের একটি আঙ্গিকে পরিণত হয়েছে। একেবারেই সৃষ্টির প্রসঙ্গে এসে পড়ায় খটকা লাগতে পারে, তার ওপরে আমাদের সৃষ্টিতত্ত্ব বড়ই জটিল—সেখানে সগুণ ব্রহ্ম, হিরণ্যগর্ভ, সাংখ্যের প্রকৃতি—এরা সবাই একে অন্যের গলা টিপে ধরেছে। তবু বলব দাম্পত্য-জীবনে বিষময় কলহের এই বীজ প্রোথিত করেছেন স্বয়ং ঈশ্বর। সাংখ্য-দর্শন বলে—সৃষ্টির পূর্বাবস্থায় প্রকৃতি নাকি বিকারহীন, শান্ত অবস্থায় থাকে। আর ভাগবত-পুরাণ বলেছে—প্রকৃতির এই নিশ্চল অবস্থায় কারণার্ণবশায়ী পুরুষ নাকি প্রকৃতির দিকে গোল গোল চোখ করে তাকান। ব্যস, প্রকৃতি বিক্ষুব্ধা হয়ে ওঠেন, সমস্ত সাম্যাবস্থা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সত্ত্ব, রজঃ তমঃ—সব তেড়েফুঁড়ে ওঠে। ঠিক এই অবস্থায় জীব সৃষ্টি হয়। নারীরূপিণী প্রকৃতির বিক্ষুব্ধ অবস্থায় যে জীবের সৃষ্টি, তাদের দাম্পত্য-জীবনে বিক্ষোভ তো কিছু থাকবেই। প্রাচ্যদর্শনের জটিলতা বাদ দিয়ে কেউ যদি বা সাহেবিমতে বাইবেলের জেনেসিস পর্বটি অনুধাবন করেন, তাহলে দেখা যাবে আদিম জনক-জননীর মধ্যেই দাম্পত্য-কলহের বীজ ছিল। নিষিদ্ধ ফল খাওয়ার সমস্ত দোষ সঙ্গিনীর ওপর চাপিয়ে দিয়ে, অ্যাডাম ঈশ্বরকে দায়ী করেছে—ওই ইভ, যাকে আপনি আমার জীবনসঙ্গী করে দিয়েছিলেন—The Woman thou gavest to be with me—ওই তো ইনিয়ে বিনিয়ে আমাকে এই ফল খাওয়াল, নইলে…। ভগবানের মনের সৃষ্টি আদিম এই জনক-জননীর মধ্যে প্রথম কলহের এই বীজ জন্ম জন্ম ধরে সন্তানদের মধ্যে সংক্রামিত হয়েছে—আর তারই ফল দাম্পত্য-কলহ।

    দাম্পত্য-কলহ হয়েছে দুভাবে—গলার স্বরে এবং ঠান্ডা মাথায়। গলার স্বর যেহেতু স্বভাবতই স্থূল এবং কলহকালে বড়ই কর্কশ, তাই আজকের ঠান্ডা লড়াইয়ের দিনে, ঠান্ডা মাথায় ঝগড়ার কথাই আগে আসবে। এখনকার কালে নানান জটিলতা, রুচির পার্থক্য, বিভিন্ন সামাজিক প্রতিযোগিতা এবং সর্বোপরি সূক্ষ্ম মানসিক চাপ (চাপ না থাকলেও চাপবোধ)—এ-সবই যেমন দাম্পত্য-কলহের কারণ, তেমনি সেকালেও এবং এই পরিপ্রেক্ষিতে মহাভারতের কুন্তী বোধহয় সব চেয়ে বড় উদাহরণ।

    পাণ্ডুর কুলবধূ হিসেবে কুন্তীর জীবন ছিল প্রায় নিস্তরঙ্গ। কুমারী অবস্থাতেই সন্তান-ধারণের যন্ত্রণাটুকু যেমন ছিল, সেই সঙ্গে অর্ধেক মাতৃত্বের অর্ধেক স্বাদ তাঁর মনে জাগিয়ে রেখেছিল এক বুভুক্ষা—সে বুভুক্ষা পূর্ণ মাতৃত্বের। অথচ এ ব্যাপারে পাণ্ডুর কিছুই করণীয় ছিল না—অক্ষম পুরুষ তিনি। মহাভারতে পাণ্ডুর ওপর কিমিন্দম ঋষির অভিশাপ, পুরুষের অক্ষমতাকে উপায়হীনতার গল্পে পরিণত করেছে। অন্যদিকে দুর্বাসার বরে মাতৃত্বের উপায়টুকু যেহেতু কুন্তীর নিজের অধীনেই ছিল তাই অভিশাপ শুনে একবারও হাহাকার করেননি তিনি, বরঞ্চ জানতেন পাণ্ডুর অক্ষমতাই তাঁকে আরও বলিষ্ঠ মাতৃত্বের সুযোগ এনে দেবে। সুযোগ এলও, যুধিষ্ঠির, ভীম, অর্জুন—তারই পরিণতি। আজকের দিনে ফ্রয়েড সাহেব যদি পাণ্ডুর কীর্তির কথা জানতেন তাহলে তাঁর রুচি এবং লিবিডো নিয়ে মনস্তত্ত্বের নতুন সূত্র বার করতেন। চোখের সামনে বিভিন্ন দেবতাপুরুষের মিলনে পর পর তিনটি পুত্র জন্মানোর পরেও পাণ্ডু বললেন—আরও পুত্র চাই। কুন্তী তেড়ে উঠলেন—মহারাজ আপনি না বিদ্বান, আপনি না ধর্মজ্ঞ, প্রমাদবশত আপনি যে চতুর্থ পুত্রের কথা বলছেন, লোকে যে আমাকে স্বৈরিণী বলবে অর্থাৎ লোকে ভাববে—স্বামীর উপায়হীনতার সুযোগ নিয়ে পুত্রোৎপত্তির অছিলায় আমি আমার কামনা চরিতার্থ করছি। পাণ্ডু থামলেন কিন্তু এবারে খুঁটি ধরলেন মাদ্রীকে। কুন্তীর করুণা হল বটে কিন্তু তিনি স্বপ্নেও ভাবেননি যে মাদ্রী এক সংকল্পে দুই ছেলের মা হবেন। মনের কথা মনেই রইল; সুযোগ এল, যখন পাণ্ডু আবার লজ্জা ত্যাগ করে মাদ্রীর জন্য মন্ত্র প্রার্থনা করলেন কুন্তীর কাছে। কুন্তী এবার সোজাসুজি স্বামীকে গালাগালি না দিয়ে বললেন—মাদ্রী আমাকে বঞ্চনা করেছে, খারাপ মেয়েদের ব্যাপার স্যাপারই এইরকম—কুস্ত্রীনাং গতিরীদৃশী।

    আসলে কুন্তী সারাজীবনই কোনো শান্তি পাননি। তাঁর নিজের পিতা তাঁকে দত্তক দিয়েছিলেন কুন্তিভোজের কাছে; কুমারী অবস্থায় মাতৃত্বের মন্ত্র পরীক্ষা করতে গিয়ে পুত্রস্নেহের অধিকার হারাতে হল যেমন, তেমনি একটি সূক্ষ্ম অপরাধবোধ থাকার ফলে পাণ্ডুকে যেখানে ‘পূর্ণপ্রাণে চাবার’ কথা সেখানে তাঁকে ‘রিক্ত হাতে’ চাইতে হয়েছে। অন্যদিকে পাণ্ডুর বিকৃত রুচি, মাদ্রীর ওপরে তাঁর ঈষৎ দুর্বলতা—এ সবকিছুই কুন্তীর ওপরে একেবারে আধুনিক পর্যায়ের মানসিক চাপ সৃষ্টি করেছে। রাগের চোটে কৃষ্ণকে তিনি বলেছেন—আমি আমার পিতার দ্বারা যেমন বঞ্চিত, তেমনি বঞ্চিত হয়েছি শ্বশুরকুলের কাছে—সাহং পিত্রা চ নিকৃতা শ্বশুরৈশ্চ পরন্তপ।

    এক একজন আছেন যাঁরা জীবনে একবার মাত্র স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া করে চিরকালের ঝগড়াটে হিসেবে নাম কিনেছেন। পণ্ডিতেরা বলেন, দশরথ নাকি কৈকেয়ীর বাবাকে কথা দিয়েছিলেন—কৈকেয়ীর ছেলেকেই রাজ্য দেবেন বলে। তার ওপরে জবর জবর দুটি বর জমা হয়েছিল, অথচ দুর্নাম হল কৈকেয়ীর। নিজের প্যাঁচে নিজেই পড়ে ঝগড়া আরম্ভ করলেন দশরথ। মজার কথা হল—অনেক স্বামীর মতো দশরথের ক্রোধাগ্নি থেকেও কৈকেয়ীর পিতৃকুল পর্যন্ত রক্ষা পায়নি সেখানে। দশরথ বললেন—তুমি তীক্ষ্নবিষ সর্পের মত, আমি না বুঝে রাজনন্দিনী-বোধে তোমায় ঘরে এনেছি। অনেকক্ষণ শুনে কৈকেয়ী বললেন—বুদ্ধির মাথা খেয়েছ তুমি, আসল কথা এখন আমার চেয়ে ঐ কৌশল্যাটাকেই মনে ধরেছে বেশি—সহ কৌশল্যায়াঃ নিত্যং রন্তুমিচ্ছসি দুর্মতে। দশরথ বললেন—কৌশল্যা আমার অনেক করেছে, সময় বুঝে মায়ের মতো, বোনের মতো, স্ত্রী, সখী এমনকী দাসীর মতো সেবা করেছে। কিন্তু তোমার মোহে আমি তাকে আমল দিইনি, তুমি নৃশংস, পাপী, ছোটোমন। আমি মরি তারপর বিধবা হয়ে মায়ে-পোয়ে রাজ্যশাসন করো—সেদানীং বিধবা রাজ্যং সপুত্রা কারয়িষ্যসি। কৈকেয়ী বললেন—কথা দিয়ে কথা রাখতে পারে না, আবার ধার্মিক বলে জগতে ঢাক পেটাচ্ছে। দশরথ তখন একেবারে গেঁয়ো মানুষের মতো বলে উঠলেন—আজকে আমার বিপদ বুঝে প্যাঁচে ফেলে মারছো, কিন্তু আশ্চর্য তবু তোমার দাঁতগুলো খসে খসে পড়ছে না—বিশীর্য্যামান্য দশনাঃ সহস্রাধার্য কেকয়রাজার কুলের কালি, চিরকালের মিথ্যেবাদী—তুমি মর।

    অযোধ্যাকাণ্ডের দ্বাদশ অধ্যায়টি ছেঁকে নিলে ঝগড়াটা এইরকমই দাঁড়ায়; সংলাপ আছে আরও অনেক, যুক্তি আরও বহুতর, আছে অনুরোধ উপরোধ কিন্তু তার মধ্যে বিশ্রী কথাগুলোও এইভাবে ঢুকে পড়েছে। যেমনটি আজও পড়ে। আবার যেমন ‘তুমি চিরকেলে মিথ্যেবাদী, ভদ্র ভাষায় কথা কইতে জান না,’—একথা কিন্তু ঝগড়ার চরম মুহূর্তেই সত্যি, অন্য সময় সত্যি নয়, কেননা এই দশরথই ঝগড়ার উপক্রমে কৈকেয়ীকে বলেছেন—তুমি তো কোনোদিন আমাকে অপ্রিয় কথা বলনি, অযোগ্য কাজ কোনোদিনও তো করনি—’ন হি কঞ্চিদযুক্তং বা বিপ্রিয়ং বা পুরা মম’। কাজেই ঝগড়ার সময়ের সব কথাই সত্যি নয়, তবু আঁতে ঘা দেবার জন্যই অবধারিতভাবে অন্যায়-অসত্য কথাগুলো এসে পড়েছে।

    ‘দাম্পত্য-কলহের প্রেক্ষাপটে সীতার কথাও কিন্তু বলা দরকার, কেননা সতী-সাধ্বী হিসেবে তাঁর নাম জগৎজোড়া। আমরা তাঁর সুনামে আঘাত দিতে চাই না, তবে দোষে-গুণে মিলিয়ে মানুষ; ঝগড়া তিনিও কম জানতেন না। বনবাসের আগে পর্যন্ত রাম-সীতার জীবন কেটেছে বেশ আমি-তুমি করেই, কিন্তু বনযাত্রার প্রথম কল্পে রামচন্দ্র যখন সীতাকে বারণ করলেন বনে যেতে, তখন পাতিব্রত্য-রক্ষার জন্য দাম্পত্য-কলহে অবতীর্ণ হলেন সীতা। অতিরিক্ত প্রণয় থাকার জন্যেই যে দাম্পত্য-কলহের সম্ভাবনা, তাও লক্ষ করেছেন বৃদ্ধ বাল্মীকি। তাঁর মতে সীতা নাকি ‘প্রণয়াদেব সংক্রুদ্ধা’। সীতা বললেন, ‘তোমার কথা শুনে আমার হাসি পাচ্ছে, আমাকে ছোট ভেবে এ কি কথা বলছ, বীর রাজপুত্রের মুখে কি এসব কথা মানায়? স্বামীর সঙ্গে কীভাবে চলতে হবে, মা-বাবার কাছে তা অনেক শিখেছি, তোমায় আর উপদেশ দিতে হবে না—মাস্মি সম্প্রতিবক্তব্যা বর্ত্তিতব্যং যথা ময়া। অতঃপর রামচন্দ্র ‘নরব্যাঘ্র’ ইত্যাদি বহু-সম্বোধনেও কাতর না হয়ে সীতাকে প্রচুর ভয় দেখালেন—সিংহ-ব্যাঘ্র থেকে আরম্ভ করে মশা-ডাঁশও বাদ গেল না। সীতা তবু দমলেন না, বরং আরও রেগে গিয়ে বললেন—বাবা জনক যদি জানতেন যে তাঁর জামাই পুরুষের চেহারায় একটি মেয়েছেলে—স্ত্রিয়ং পুরুষবিগ্রহম, তাহলে তিনি তোমার সঙ্গে আমার বিয়ে দিতেন না। তুমি অভিনেতাদের মতো কুমারী অবস্থায় পরিণীতা এবং চিরকালের সহবাসিনী বধূকে অন্যের কাছে দিয়ে যাওয়ার কথা ভেবেছো। আমাকে না নিয়ে গেলে আমি বিষ খেয়ে মরব।

    আমরা জানি, সীতার এই ঝগড়ার ফলেই রামায়ণ সপ্তকাণ্ড হয়েছে, তিনি বনে না গেলে রামায়ণ অযোধ্যাকাণ্ডেই শেষ হয়ে যেত—যা আমাদের পক্ষে হত মর্মান্তিক।

    প্রাচীন ইতিহাস-পুরাণের পটভূমিকায় সবচেয়ে ঝাঁঝালো এবং জাহাঁবাজ মহিলা বোধহয় দ্রৌপদী। স্বয়ংবর সভাতে বিবাহের মঙ্গলসূত্র পরিহিত অবস্থায় লজ্জাবস্ত্রের আড়াল থেকে সূতপুত্রের উদ্দেশে যে আদেশগম্ভীর শব্দটুকু ধ্বনিত হয়েছিল তাতে বাপ-ভাইয়ের মান রক্ষা হয়নি মোটেই—কারণ তাঁদের প্রতিজ্ঞার মূল্য থাকেনি একটুও। ঋষি বঙ্কিম থেকে আরম্ভ করে অনেক পণ্ডিত বৃদ্ধ ব্যাসের মনস্তত্ত্ব বিচার করে দ্রৌপদীর পঞ্চস্বামীর উপযোগিতা খুঁজে বার করার চেষ্টা করেছেন। আমাদের কিন্তু মনে হয় দ্রৌপদীর মতো স্ত্রীকে সামাল দেবার জন্যই অন্তত পাঁচ পাঁচটা স্বামীর দরকার। বাৎসল্যরসাভিষিক্ত বালখিল্য নকুল-সহদেবকে না হয় বাদই দিলাম, সর্বজ্যেষ্ঠ ধর্ম-ধুরন্ধর যুধিষ্ঠির যদি দ্রৌপদীর একক স্বামী হতেন তাহলে বিবাহের তৃতীয়বারেই তিনি স্বেচ্ছায় অজ্ঞাতবাস গ্রহণ করতেন। ভীমকে দিয়ে আত্মরক্ষা, অর্জুনকে আড়াল থেকে ভালোবাসা, নকুল-সহদেবকে নিয়ে খেলা করা এবং যুধিষ্ঠিরকে মুখ করা—এই কটিই পঞ্চস্বামীর উপযোগিতা। পণ্ডিতদের মুখে প্রচারিত একটি উদ্ভট শ্লোকে জানা যায়—দুর্যোধনের স্ত্রী ভানুমতী নাকি দ্রৌপদীকে পরিহাস করে বলেছিলেন—তোমার তো আবার পাঁচ-পাঁচটা স্বামী ছাড়া পোষায় না। দ্রৌপদী ততোধিক পরিহাসে নিজের সঙ্গে শ্বশুরকুলের মূল ধরে টান দিয়েছিলেন। তিনি বললেন—পতিবৃদ্ধিঃ কুলে মম—এটা আমার শাশুড়িকুলের রেওয়াজ। বাস্তবিকই কুন্তী থেকে আরম্ভ করে সত্যবতী, পর্যন্ত সবারই একাধিক স্বামী ছিল—তাও আবার পুত্রার্থে। শুধু কুন্তীর কথা বললে যদি নিজের গায়ে লাগে তাই দিদিশাশুড়ি এবং তস্য শাশুড়ি প্রসঙ্গে ভানুমতীও জড়িয়ে গেলেন।

    শ্লোকটির মধ্যে গভীর কথা নাই বা পেলাম, কিন্তু এটুকু পরিষ্কার যে দ্রৌপদীকে খোঁচা দিলে তার রক্ষা নেই। পঞ্চস্বামীর মধ্যে নিরীহ যুধিষ্ঠিরই একমাত্র ব্যক্তি যিনি দ্রৌপদীর রোষাগ্নিতে অর্ধদগ্ধ হয়ে পুনর্জীবিত হয়েছেন বারবার। দ্রৌপদীর রূপে-প্রতিরূপে জ্যেষ্ঠ-স্বামীর সঙ্গে মতান্তর এতই সত্য যে মহাভারতের উত্তরসূরিদের মনে প্রধানত ওই ধারণাই দাগ কেটেছে বেশি। মহাকবি ভারবি তো তাঁর কাব্যের প্রথম সর্গটাই উৎসর্গ করেছেন এই দাম্পত্য-কলহের উদ্দেশে। কবির কল্পনাতে দ্রৌপদীর যুক্তি হয়ে উঠেছে অকাট্য, কথার ধার তীক্ষ্নতর। যুধিষ্ঠির তখন বনবাসের ধাক্কায় দ্বৈতবনে এসে পড়েছেন, আবার খবর পেয়েছেন দুর্যোধন বেশ ভালোই রাজ্য চালাচ্ছেন। রাগে, অপমানে দ্রৌপদী জ্যেষ্ঠ স্বামীকে বললেন—মহারাজ স্ত্রীলোক হয়েও তোমায় যে উপদেশ দিচ্ছি—সেটাই তিরস্কারের মতো। বংশের মর্যাদাবোধ যার আছে, এরকম তুমি ছাড়া আর কোন রাজা নিজের স্ত্রীর মতো রাজলক্ষ্মীকে অন্যের কাছে বিকিয়ে দিতে পারে। সময় ছিল—যখন বৈতালিকের মঙ্গলগানে তোমার ঘুম ভাঙত—আর এখন? জাগরণধ্বনি এখনও আছে, তবে তা বন্দির বন্দনা নয়, শেয়ালের ডাক। সময় ছিল—যখন দ্বিজোচ্ছিষ্ট অন্নের দ্বারা ভোজন সমাধা করতে তুমি—এখনও তাই কর, তবে সেটি দ্বিজোচ্ছিষ্ট (পাখিরা ডিমের সূত্রে দুবার জন্মায়, তাই দ্বিজ) বন্য ফল। মণিময় পাদপীঠে শত-সহস্র রাজার মুকুট-মণিতে রঞ্জিত হত তোমার চরণ, এখনও সেই রকমই রঞ্জিত হয়, তবে সেটি ছিন্ন কুশাঙ্কুরে ক্ষতবিক্ষত হয়ে। মহারাজ, এখনও বলি শত্রুদের হত্যা করার জন্য তোমার তেজ উদ্বুদ্ধ হয়ে উঠুক, আর শেষ পর্যন্ত মেয়েদের কথাতেও যদি তোমার ক্ষাত্রবীর্য টগবগ করে ফুটে না ওঠে, তবে রাজচিহ্ন ধনুকবাণ ছেড়ে দিয়ে জটাজুট লাগিয়ে বনের মধ্যে হোম কর—’জটাধরঃ সন জহুধীহ পাবকম।’ দ্রৌপদীর সমস্ত কথা অনুমোদন করলেন মধ্যম পাণ্ডব ভীম।

    মহাভারতের কবির স্ত্রী ঝগড়াটে ছিলেন কিনা জানি না, তবে ঝগড়াটে মেয়েদের সঙ্গে কবির যোগ ছিল নিশ্চয়। অতিসংবেদনশীল মন নিয়ে কালিদাস তাঁর শকুন্তলার মুখে যে ভাষা বসিয়েছেন, তাতে হৃদয়ের গভীর তন্ত্রী বেজে উঠবে সন্দেহ নেই, কিন্তু এই নাট্যকাহিনির জন্মদাতা ব্যাসদেব কিন্তু শকুন্তলাকে মিলিয়ে দিয়েছেন বাস্তবের সঙ্গে। মহাভারতে দুর্বাসার শাপ নেই, বিলাসী দুষ্মন্ত সমাজের ভয়ে বেমালুম চেপে গেছেন তাঁর গান্ধর্বলীলার কথা। পতিগৃহে যাত্রাকালে শকুন্তলা এখানে গর্ভিণী নয়, তাঁর কোলে তখন ছ’ বছরের ছেলে। শকুন্তলা বললেন—মহারাজ, এই নাও, তোমার ছেলে, পূর্বপ্রতিজ্ঞামতো একে যৌবরাজ্যে অভিষিক্ত করো। হঠাৎ করে একেবারে ছ’ বছরের একটি ছেলের সম্বন্ধে এমন প্রস্তাব? রাজা বললেন—দুষ্ট তাপসী, তোমায় কি আমি চিনি, কোনোদিন কি তোমায় দেখেছি? শকুন্তলা চোখ গরম করে বললেন—সব কিছু জেনেশুনে ‘কিছুই জানি না’ বলা—এ তো চোরের মতো কথা। নরমে গরমে অনেক কথা বললেন শকুন্তলা। রাজা বললেন—দ্যাখ, মেয়েরা ভীষণ মিথ্যে কথা বলে—অসত্যবচনাঃ নার্য্যঃ; তার ওপর তুমি নিজেই বলছ—তোমার মা হল মেনকা আর বাবা বিশ্বামিত্র, মানে একজন গণিকা, অন্যজন নীচাশয় কামী। কাজেই তোমার মতো পুংশ্চলীর কথা কে বিশ্বাস করবে? হঠাৎ করে ‘অতিকায়’ একটি ছেলে আমার ঘাড়ে চাপাতে চাইছ, তুমি মানে মানে সরে পড়। একেবারে বাবা-মা তুলে গালাগাল শুনে শকুন্তলা বললেন—তোমার জন্মের থেকে আমার জন্ম অনেক ভালো। আসলে, কুশ্রী মানুষ যতক্ষণ নিজের আয়নায় মুখ না দেখে ততক্ষণই নিজেকে খুব রূপবান মনে করে। শুভাশুভ অনেক কথা তোমায় বলেছি, কিন্তু শুয়োর যেমন মিষ্টান্ন ত্যাগ করে পুরীষমাত্র গ্রহণ করে, তেমনি তুমিও ভালোটা ছেড়ে খারাপ কথাটা ধরেছ।

    এই হল ব্যাসদেবের শকুন্তলা, যার গালাগালির চোটে শেষপর্যন্ত দৈববাণী হয়েছে এবং দুষ্মন্তও নিজের দোষ স্বীকার করেছেন। দেবকল্প মনুষ্যের এসব কাহিনি বাদ দিয়ে আমরা শিব-দুর্গা-কৃষ্ণ-সত্যভামা—এঁদের অন্তঃকলহ দেখাতে পারতাম। কিন্তু তার থেকে ঋষিদের দাম্পত্য-কলহ আরও উপাদেয়, তাই আমরা ব্রহ্মবৈবর্ত-পুরাণের উত্তরভাগে দৃষ্টি নিবদ্ধ করব। বলিপুত্রের সঙ্গে তিলোত্তমার কামক্রীড়া দেখে খ্যাপা-মুনি দুর্বাসার বিয়ে করার সাধ জাগল। পাত্রী জুটে গেল ঔর্ব-মুনির কন্যা কন্দলী, সে নাকি দুর্বাসার রূপ এবং গুণের কথা শুনে মন দিয়েছে তাঁকে। ঔর্ব বললেন—আমার কন্যা বয়সে প্রৌঢ়া বটে তবে যথেষ্ট মনোহারিণী। দোষের মধ্যে একটিই—ঝগড়া পেলে থামতে চায় না। কন্যার অনেক গুণের মধ্যে ওটি নিতান্তই অকিঞ্চিৎকর। হরিষে-বিষাদে চিন্তারত, দুর্বাসা কন্দলীর দিকে তাকাতেই দেখেন—সে মেয়ে ট্যারছা চোখে তাঁর দিকেই তাকিয়ে আছে। উচাটন মনে দুর্বাসা শ্বশুরকে বললেন—আপনার মেয়ের একশটি কটুকথা আমি ক্ষমা করব। কিন্তু তারপর আর ছাড়ব না। মহর্ষি ঔর্ব অশেষে বিশেষে কন্যাকে ঝগড়া না করার উপদেশ দিয়ে চলে গেলেন। তৃষিত দুর্বাসা নবসঙ্গমেই গৃহাসক্ত হলেন। কিন্তু এর পরেই লাগল ঝগড়া—কারণে, অকারণে, প্রতিদিন। পুরাণ বলেছে, ”যাঁহার প্রভাবে জগৎ কম্পিত হয় সেই মুনিবর কন্দলীর কটুবাক্যে ক্রোধে কম্পিত হইয়া কেবল তাঁহার কটূক্তির সংখ্যা করিতে লাগিলেন।” এইভাবে শত কটূক্তি সম্পূর্ণ হল, দুর্বাসা আরও দু-একবার সুযোগ দিলেন এবং শেষে ধৈর্যের শেষ সীমায় পৌঁছে গেলে স্ত্রী কন্দলীকে ভস্মীভূত করে ফেললেন।

    আধুনিকেরা বলবেন—এই পরিণতির থেকে বিবাহ-বিচ্ছেদ ছিল অনেক ভালো। কিন্তু আধুনিকেরা যা আশা করতে পারেন না তা হল—এই কন্দলীর জীবাত্মা ‘আকাশ নিরালম্ব’ অবস্থায় দুর্বাসাকে বলে—”ওগো, এই পৃথিবীতে কে কার শত্রু, কে বা কার মিত্র, তমোগুণ থেকে কোপ, কোপ থেকে কলহ, কলহ থেকে অপ্রিয়তা, কিন্তু তবু স্বামী স্ত্রীলোকের প্রাণাধিক প্রিয়, স্ত্রীও স্বামীর কাছে তাই এবং আমিও ত্রিজগতে তুমি ছাড়া আর কারও স্ত্রী হব না।” শুষ্ক রুক্ষ মুনির মনে আমাদের থেকেও প্রেম ছিল বেশি। এই করুণ বিলাপে তিনি হতচেতন হলেন। অবধারিতভাবে ভগবান দেখা দিলেন এবং আশীর্বাদ করলেন—কন্দলী কল্পান্তরে আবার দুর্বাসার পত্নী হবেন। আপাতত সেই ঝগড়াটে কন্দলী নাকি ভারতবর্ষে কন্দলী-জাতিরূপে বিরাজ করছেন। ভুঁইচাঁপা ফুল, সে ফুল নাকি খায়। রাজশেখর বলেছেন—কলার মোচা, ব্যাঙের ছাতা। দুটিই যেহেতু মানুষের খাদ্য, তাই অনুমান করা যায়, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে ঝগড়ার বীজ সবার মধ্যেই সংক্রামিত—দাম্পত্য কলহও তাই অবশ্যম্ভাবী। শাস্ত্রকার বলেছেন দাম্পত্য-কলহের সুর সব সময়ই চড়া, কিন্তু ফল লঘু—বহ্বারম্ভে লঘুক্রিয়া। আমরা বলি—চড়া হোক কিংবা লঘু—”কতকটা যে স্বভাব তাদের, কতকটা বা তোমারো ভাই/কতকটা এ ভবের গতিক, সবার তরে নহে সবাই।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাঙালীর ইতিহাস (আদিপর্ব) – নীহাররঞ্জন রায়
    Next Article মহাভারতের ছয় প্রবীণ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    Related Articles

    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    কথা অমৃতসমান – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    মহাভারতের ভারতযুদ্ধ এবং কৃষ্ণ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    কলিযুগ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    মহাভারতের অষ্টাদশী – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    চৈতন্যদেব – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    দেবতার মানবায়ন : শাস্ত্রে সাহিত্যে ও কৌতুকে – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }