Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পুরাণী – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী এক পাতা গল্প516 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উত্তর ভারতের চোখে সেকালের বাঙালি

    বাংলার মানুষ মনে করে, বাংলার অভিমান-অহঙ্কার, দুঃখ-সুখ, চলা-বলা—সবই একটু আলাদা। কথাটা বলেই অবশ্য ভয় করছে। এই সেদিন, যখন জাতীয় সংহতি কথাটি একটু একটু কানে আসছে, তখন শব্দ-দুটি ছিল উদারতায় আর বৈরাগ্যে বৃহত্তরের স্বপ্নমাখা। কিন্তু আজ যদি বলি ‘বাংলার বায়ু বাংলার জল’, কিংবা আরও প্রবলতর উচ্ছ্বাসে ‘বঙ্গ আমার জননী আমার’—তখন ভয় করে—কথাটা জাতীয় সংহতির পরিপন্থী নয় তো? বাংলার অভিমান, সে মুগ্ধা জননীর মতো সন্তানকে অসীম ক্ষমায় শুধুই বাঙালি করে রেখেছে। বাংলার দুঃখ, তার সন্তানদের তাদের মতো করে, তাদের অনুকূলে বোঝাবার চেষ্টা করেনি অন্যতর প্রদেশের লোকেরা। ‘প্রদেশ’ বললাম এই কারণে যে, আজকাল ভারতবর্ষ বলতে দিল্লি বোঝায়; কিন্তু ইতিহাস জানে ভারতবর্ষ কিংবা দিল্লি কোনোকালে বাংলাদেশের মাতাও নয়, বিমাতাও নয়। বর্তমান লেখকের ক্ষুদ্র দৃষ্টিতে ভারতবর্ষের অবস্থা প্রায় আলেকজান্ডারের আক্রমণের সমসাময়িক অবস্থার মতোই লাগে, কাজেই ‘প্রদেশ’ কথাটির ব্যবহার করা এমন কিছু দুঃসাহসী নয় নিশ্চয়ই, যেমন দুঃসাহসী নয় ‘বিকেন্দ্রিক’ কথাটির ব্যবহারও।

    বাংলাদেশের ভৌগোলিক আকৃতিটাই এমন যে, সে চিরকালই ভারতবর্ষের এককোণে আপন সুখের নীড় বেঁধে নিয়েছিল। যাঁরা দূরে ছিলেন এবং যাঁরা দয়া করে এদেশে এসে আমাদের মাথার ওপর ইতিহাস তৈরি করেছেন, তাঁদের কেউই প্রায় আমাদের ভালোবাসেননি, এমনকি যাঁদের আমরা একান্ত আপন বলে মনে করি, তাঁরাও নন। ভাবুন তো সেই কোনকালে, যখন পূর্বভারতে আর্যরা মোটেই ছড়িয়ে পড়েননি, তখনই আর্যরা ঐতরেয় আরণ্যকে লিখে ফেলেছিলেন, বাংলাদেশের লোকেরা নাকি পাখির মতো, খেচরমাত্র। কথাটা একেবারে মিথ্যে নয়, জৈন-বৌদ্ধ আর চিরকালের অনার্য সভ্যতার খড়-কুটো দিয়ে যে বাসাখানি আমরা নিভৃতে তৈরি করছিলাম, সেখানে লাগল উত্তুরে হাওয়া। আর্যরা বিধান দিলেন—তীর্থযাত্রার উদ্দেশ্য ছাড়া, অন্য যে-কোনো কারণে বঙ্গদেশের মাটিতে পা দিলেই প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে। অনার্যের স্পর্শকাতর আর্যরা প্রায়শ্চিত্তের পরিধি বাড়িয়ে দিলেন অঙ্গ, কলিঙ্গ এবং মগধ পর্যন্ত। সৌভাগ্যক্রমে নদী-নায়িকা জাহ্নবী সমুদ্রকে স্বয়ংই আলিঙ্গন করেছেন সাগরসঙ্গমে; কাজেই সেই তীর্থবারির স্পর্শলোভে যাও বা পরদেশী এসেছিল, তাকে হয়তো আবার শুদ্ধ হতে হয়েছে জাহ্নবীর অপর প্রান্তে স্নান করে। বঙ্গের বিড়ম্বনা এমনই।

    লোকমুখে শুনি, বাঙালি নাকি বাঙালির ক্ষতি করে। তা সত্যি, দুশো বছর ইংরেজ শাসনের ফলে, কি তারও আগে কয়েকশো বছর মুসলমান শাসনের ফলে বাঙালির যা ক্ষতি হয়েছে, তার থেকেও বেশি ক্ষতি হয়েছে স্বয়ং হিন্দুদের দ্বারাই। না হলে মহারাজ লক্ষ্মণসেনের মহামন্ত্রী, সেকালের বিখ্যাত পণ্ডিত হলায়ুধ মিশ্র দ্বাদশ শতাব্দীতে বাংলার বুকে বসে বাঙালির আদ্যশ্রাদ্ধ করেছেন। বাঙালিরা নাকি চতুর্বেদ অধ্যয়নের যোগ্য নয় একেবারেই। ব্রাহ্মণদের কেউ কেউ নাকি শুধু দুলে দুলে বেদ মুখস্থ করেন। কেউ কেউ আবার বেদপাঠের এতটুকু তোয়াক্কা না করে যজ্ঞকর্মে যতটুকু প্রয়োজন ঠিক ততটুকু জ্ঞান নিয়েই বৈদিক ক্রিয়াকলাপ চালিয়ে যাচ্ছেন।

    হলায়ুধের কথাগুলি হয়তো মিথ্যে নয়, কিন্তু বাঙালির প্রাণের সঙ্গে তাঁর যে কোনো যোগ ছিল না—তা বোঝা যাবে তাঁর আপন পক্ষপাতেই। তাঁর মতে উৎকল আর পাশ্চাত্য প্রদেশগুলিই হল বেদ-জ্ঞানের পীঠস্থান। পাশ্চাত্য বলতে হলায়ুধ অবশ্যই উত্তর ভারতের দিকে অঙ্গুলি সঙ্কেত করেছেন; কিন্তু আমাদের কথা হল, হলায়ুধের এই পাশ্চাত্য প্রীতিতে বোঝা যায়—বহুকাল ধরে বাংলাদেশের জল হাওয়ায় বৃদ্ধ, বাঙালি কায়দায় বেদ রপ্ত-করা ব্রাহ্মণদের হলায়ুধ পছন্দ করেননি। তার কারণও আছে। লক্ষ্মণ সেন, কী তাঁর পিতা বল্লাল সেন, যাঁরা নাকি এপার বাংলার সমাজের প্রধান প্রতিভূ, তাঁদের বংশমূল কিন্তু দক্ষিণে। আবার ওপার বাংলার হরিবর্মা, শ্যামলবর্মা, যাঁরা বেদ আর ব্রাহ্মণ্য ছড়িয়ে দিয়েছিলেন পূর্ববঙ্গে, তাঁরাও এসেছিলেন কলিঙ্গ থেকে।

    লিপিসাক্ষ্যে নিঃসংশয়ে প্রমাণ করা যায় যে উত্তর ভারত এবং মধ্যদেশের অসংখ্য ব্রাহ্মণ বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় এসে বসতি করেছেন পঞ্চম-ষষ্ঠ শতাব্দীর মধ্যেই এবং অতি অল্প সময়েই তাঁদের প্রভাব এত বেড়ে গিয়েছিল যে বৌদ্ধ পাল রাজারাও ব্রাহ্মণ-মন্ত্রী ছাড়া রাজ্য চালাতে পারেননি। এককালে যাঁরা ‘ম্লেচ্ছ’ ‘দস্যু’ বলে আমাদের তিরস্কার করেছেন, তাঁদেরই সুযোগ্য প্রতিনিধি অনিরুদ্ধ ভট্ট, ভবদেব ভট্ট আর হলায়ুধ মিশ্রদের মাথায় করে নিলেন বাংলাদেশের শিকড়হীন সেনবর্মণ রাজারা। স্বাভাবিক কারণেই অনিরুদ্ধ ভট্ট তাঁর পিতৃদয়িতা গ্রন্থে বাংলার বেদ-জ্ঞানে আহত, আর হলায়ুধ তো পরিষ্কার বলেই দিলেন যে, এ বিষয়ে উত্তর ভারতের দিকে চেয়ে থাকাই ভালো। বাংলার বুকে বসে বাঙালির নিন্দা যেদিন এইভাবে শুরু হয়েছিল, সেদিনই জানি, উত্তর ভারতের সংস্কৃতি আমাদের ওপর চেপে বসেছে। যাঁরা এককালে বাংলায় এলে প্রায়শ্চিত্ত করে শুদ্ধ হতেন, তাঁরাই যখন আর্যায়নের বা অন্নের তাগিদে ভিড় করে এলেন এদেশে, আমরা কিন্তু বাধা দিইনি। নিন্দা না প্রশংসা কে জানে, আকবর-পিতামহ বাবর বলেছিলেন—বাংলাদেশের লোকেরা নাকি কাউকে বাধা দেয় না, যে-কোনো পরিবর্তিত সুলতানের রাজত্বই তারা নাকি হাসিমুখে মেনে নেয়। একই কারণে আর্যদেরও আমরা বাধা দিইনি। শ্রদ্ধায়, অবনতিতে তাঁদের শাসন বঙ্গসন্তানেরা প্রসাদী পুষ্পের মতো মস্তকে ধারণ করেছে। পরিবর্তে, তাঁরা আমাদের বেদপাঠ শেখাননি, শেখাননি সামগানের আরোহণ-অবরোহণ। বাংলার আদিবাসী যাঁরা, যাঁরা ব্রাহ্মণদের সঙ্গে মেলামেশা না করায় মনুর কলমের খোঁচা খেয়ে ‘শূদ্র’ বনে গিয়েছিলেন, বৌদ্ধ এবং সম্ভবত বাঙালি পাল রাজারা যে চণ্ডাল, কৃষক, ক্ষেত্রকরদের সামাজিক অস্তিত্ব স্বীকার করে নিচ্ছিলেন—তারা সবাই হারিয়ে গেল উত্তর ভারতীয় সংস্কৃতির চাপে। ভট্ট আর মিশ্র মহাশয়েরা সামাজিক বর্ণবিন্যাস করলেন একান্তই কাশী-কাঞ্চী আর কোশল-অবন্তীর অনুকরণে। নইলে আমাদের দেশে, হয় বাইরে থেকে আসা ব্রাহ্মণ, নয়তো শূদ্র—এই তো বিভাগ। যাদের দিয়ে সুবিধে হবে তাদের কখনও ক্ষত্রিয়, কখনও বৈশ্য কখনও বা সৎশূদ্র, সদগোপ এই সব জাতিবিভাগ তৈরি করে নিলেন। আর কতকাল আগে যে উত্তর ভারতীয়রা ‘শূদ্র’ নামটি আমাদের দিয়েছিলেন, কারণে অকারণে অনাদরে-অবহেলায় সেই উপাধি আমরা আজও বহন করে চলেছি; কাজেই কেন্দ্রের চক্রান্ত শুধু আজকের নয়, চক্রান্ত ছিল সেদিনও।

    বলতে পারেন বেদের অজ্ঞতা নিয়ে এত কথা কেন? আমরা বলি, বেদই হল বিকেন্দ্রিক আর্যসভ্যতার কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি। বেদ-জ্ঞানের ওপরেই নির্ভর করত সভ্যতা কিংবা অসভ্যতা। এই যে আমাদের পাশের দেশ মিথিলা, সেখান থেকেও কটাক্ষ করা হয়েছে আমাদের বেদ-জ্ঞানের বহর নিয়ে। একাদশ শতাব্দীর উদয়নাচার্য বলেছেন—বাংলাদেশের পণ্ডিতেরা বেদের বচনে আর মনুর বচনে তফাত বোঝে না; ভবতি হি বেদানুকারেষু পঠ্যমানেষু মন্বাদিবাক্যেষু পৌরুষেয়ত্বাভিমানিনো গৌড়-মীমাংসকস্য অর্থনিশ্চয়ঃ। বরদরাজ আবার টীকা করে বুঝিয়ে দিয়ে কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে দিলেন—বাঙালিরা নাকি বেদ পড়ে না, তাই কোনটা বেদ নয় তাও বুঝতে পারে না। উদয়নের পংক্তিতে যে গৌড়-মীমাংসকের কথা বলা হয়েছে, তিনি নাকি শালিকনাথ, যিনি বাঙালির ভাগ্যে ‘প্রকরণ পঞ্চিকা’ লিখেছিলেন। হায় বাঙালি শালিকনাথ, এত লিখেও শেষরক্ষা হল না। ভাগ্যিস উদয়ন জানতেন না যে আমরা ঘরের চৌকাঠে বসলে পর্যন্ত আমাদের ঠাকুমা-দিদিমারা ‘বেদে আছে’ বলে মাটিতে বসিয়ে দিতেন। ভাগ্যিস উদয়ন জানতেন না আমাদের পূজাচার থেকে স্ত্রী-আচার, সবই বেদমার্গ অনুসরণ করে। দুঃখ বা লজ্জার কোনো কারণই নেই, কেননা বাঙালি জনসাধারণের কাছে বেদও যা মনুও তাই—সবই সমান ভারী। এটিও উত্তর ভারতের, ওটিও উত্তর ভারতের—কোনোটারই চাপ কম নয়।

    কুলজি গ্রন্থগুলিতে উত্তর ভারত থেকে ব্রাহ্মণ আমদানির গল্প বারবার শুনতে পাই। কখনও আদিশূরের যজ্ঞাগ্নি সমিন্ধনের জন্য কান্বকুব্জ কিংবা বারাণসী থেকে ব্রাহ্মণ এসেছে, কখনও শশাঙ্কের ব্যাধিমুক্তির জন্য সরযূ নদীর তীর থেকে ব্রাহ্মণ আনতে হয়েছে, আবার কখনও বা শ্যামলবর্মা ব্রাহ্মণ নিয়ে এসেছেন ব্যক্তিগত প্রয়োজনে—কারণ একটাই বাংলাদেশে ভালো দরের ব্রাহ্মণ ছিল না। ঐতিহাসিকেরা এই গল্পগুলিকে কাজে লাগান স্বমত প্রতিষ্ঠায় সুবিধে হলে। আমরা বলি এগুলি গল্প হওয়াই ভালো, না হলে অশ্বত্থামার পিটুলি গোলা সেবনের কাহিনিটি বারবার স্মরণে আসে। কেননা, কুলজি গ্রন্থগুলিতে ব্রাহ্মণ আমদানির কথা আছে বটে, কিন্তু তাঁদের সঙ্গে ব্রাহ্মণীরাও এসেছিলেন কিনা সেটা তত পরিষ্কার নয়। যদি বা এসেও থাকেন, তাতেই বা কদিন? বংশরক্ষার জন্য অগত্যা তাঁদের কী করতে হয়েছে, তা আমাদের অজানা থাকার কথা নয়, কেননা ভগবদগীতা বলেছেন, সমাজে পুরুষ মানুষ কমে গেলে যুবতী নারীরা নাকি বড় দুষ্টু হয়ে ওঠে এবং ”স্ত্রীষু দুষ্টাসু বার্ষ্ণেয় জায়তে বর্ণসংকরঃ”। কাজেই প্রচুর ব্রাহ্মণ্য আচার সহযোগে কে যে কত অশ্বত্থামা-মার্কা পিটুলি গোলা খাচ্ছেন কে জানে!

    কাশী কাঞ্চীর সংস্কৃতি বাংলাদেশে চালানোর জন্য রাজা মহারাজারা পয়সাও ছড়িয়েছেন অনেক। উত্তর ভারত থেকে কষ্ট করে আসা আর্যদের প্রবাস বিনোদনের জন্য রাজারা দান-ধ্যান করেছেন নিরন্তর। ব্রাহ্মণ সমাজের চূড়ামণি বল্লাল সেনের বাবা বিজয় সেন বেদজ্ঞ ব্রাহ্মণদের এত ধন দিয়েছিলেন যে তাঁদের স্ত্রীদের সোনা আর কুমড়ো ফুলে, মুক্তো আর কার্পাস বীজে তফাত বুঝিয়ে দিতে হত। কিন্তু বিজয়-মহিষী বিলাসদেবী যখন চন্দ্রগ্রহণের সময় কনকতুলাপুরুষ অনুষ্ঠানের দক্ষিণা দিচ্ছিলেন, তখন সেই দক্ষিণাদানের যোগ্যপাত্রটি কিন্তু এই ভাগ্যহত বাংলাদেশে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাঁর ভূমিদানের দাক্ষিণ্য বর্ষিত হয়েছে মধ্যদেশাগত উদয়কর দেবশর্মার ওপর। এইভাবেই, অন্তত অনেক ক্ষেত্রে এইভাবে কাশী কাঞ্চীর সংস্কৃতি চালানোর চেষ্টা হয়েছে বাংলাদেশের ঘাড়ে। রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন ”এসো ব্রাহ্মণ শুচি করি মন ধর হাত সবাকার।” সবটা সবাই না হলেও, মন শুচি করে কেউ কেউ এসেছিলেন বইকি। অর্থসংগ্রহের জন্যই হোক কিংবা সামাজিক চেতনায়, কেউ কেউ তো আমাদের হাত ধরে আমাদের দেবকার্য সম্পাদন করছিলেন। কিন্তু হায় ভট্ট-মিশ্র রঘুনন্দনেরা গর্জে উঠেছেন তাঁদের বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণ সমাজে তাঁরা পতিত হয়ে গেছেন ‘শূদ্র-যাজী’ বলে, ‘অগ্রদানী’ বলে। তবু বাংলাদেশি ভদ্রতায় কিংবা অন্যদেশী সঙ্কীর্ণতায় আমরা একবারও বলতে পারিনি—দেখ বাপু, বেদ-ব্রাহ্মণ্য আমাদের জল-হাওয়ার জিনিস নয়, ও আমাদের সইছে না। আমরা কেবলই চেষ্টা করেছি মানিয়ে নিতে। অন্য কোথাও শক-হূন-পাঠান-মোগল এক দেহে লীন হয়েছে কি না জানি না কিন্তু বাংলাদেশে আর্য-অনার্য, শক-হূন, পাঠান-মোগল সবাই মিলে যে উদার আকাশ তৈরি করেছে তাতেই আমরা ভেসে বেড়াই, কেননা আর্যরা আমাদের চিনেছিলেন ঠিকই, আমরা যে পাখির জাত।

    অভিযোগ কি শুধু বেদ আর ব্রাহ্মণ্য নিয়েই, অভিযোগ ভাষা নিয়েও। মঞ্জুশ্রীমূলকল্পের লেখক আমাদের আঞ্চলিক ভাষাকে বলেছে আসুর ভাষা। তা বেশ, কিন্তু যে ভাষায় মেয়েরা আর সাধারণ লোকেরা কথা বলত, যে অর্ধমাগধী প্রাকৃত, ‘আ মরি বাংলাভাষার’ জননী সে ভাষাও নাকি আমরা ভালো করে বলতে পারি না। সখীর গলা ধরে, বেণী দুলিয়ে যারা ‘হলা পিয়সহি’ বলত সে প্রাকৃত কিন্তু আমাদের নয়, সেও উত্তরভারতের। বাংলা-জননীর মুখের ভাষাকে কালিদাস বিখ্যাত করে দিয়েছেন জেলের মুখে বসিয়ে, কিন্তু সেই জেলের উচ্চারণটিও নাকি আমাদের ভালো করে রপ্ত হয়নি। দশম শতাব্দীতে মধ্যদেশের রাজশেখর বলেছেন, সংস্কৃত নাকি আমরা ভালোই বলি (বলব না কেন, ততদিনে আর্যে-আর্যে বাংলাদেশ ছেয়ে গেছে) কিন্তু প্রাকৃত বলতে নাকি থতমত খাই। প্রাকৃত নাকি আমরা এতই খারাপ বলি যে, সরস্বতী আমাদের উচ্চারণে অতিষ্ঠ হয়ে পিতা ব্রহ্মার কাছে নিবেদন করলেন, ‘ব্রহ্মণ আমি আমার সারস্বত অধিকার ছেড়ে দিতে রাজি আছি। হয় গৌড়বাসীরা প্রাকৃত কথা ছাড়ুক, নয়তো আপনি নতুন এবং আলাদা এক সরস্বতী তৈরি করুন শুধু বাংলাদেশের জন্যই—গৌড়স্তজতু বা গাথাম অন্যা বাস্তু সরস্বতী।’ ব্রহ্মা সরস্বতীর প্রার্থনায় সাড়া দিয়েছেন কিনা জানি না, তবে বাংলা ভাষার পৃথক এই সরস্বতীকে নিয়ে যে গর্ব করার কিছু আছে, তা বোধকরি আজ উত্তরবাসীরাও বুঝতে পারছেন। হয়তো বা এই পৃথক সরস্বতীর জন্যই বাংলার সামাজিক, রাজনৈতিক চিন্তাধারা, দুঃখ-সুখ, বুদ্ধি-ভাবনা—সবই একটু আলাদা, যা আমি মুখবন্ধেই বলেছি।

    ভাবা যায় কি যখন উত্তরবাসীরা তাঁদের রাজাদের কপালে শিবের তৃতীয় নয়ন দেখতে পেতেন, তাঁর আজ্ঞাকে বর-প্রদান বলে মনে করতেন, সেই সময়, মানে সেই অষ্টম শতাব্দীতে আমরা ইলেকশন করে পালবংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপালকে সিংহাসনে বসিয়েছি। ঐতিহাসিকেরা অবাক হয়ে ভেবেছেন, ভারতবর্ষের তদানীন্তন রাজনৈতিক পটভূমিকায় এও কি সম্ভব? হয়তো বা সমাজের চূড়ামণিরা গোপালকে মনোনীত করেছেন, আর জনগণ তা মেনে নিয়েছেন কিন্তু খলিমপুর তাম্রশাসনে ধর্মপাল যে গর্ব করে বলেছেন—আমি হলাম ক্ষিতিপতি-চূড়ামণি সেই গোপালের ছেলে, যে গোপাল রাজলক্ষ্মীর পাণিগ্রহণ করেছিলেন জনগণের রায়ে—প্রকৃতিভিঃ লক্ষ্ম্যাঃ করঃ গ্রাহিতঃ শ্রীগোপালঃ। প্রজা-রাজার এমন গণতান্ত্রিক চেতনা বাংলাদেশেই সম্ভব। একাদশ-দ্বাদশ শতাব্দীতে উত্তরাপথের সংস্কৃতি যখন পাকাপাকিভাবে বাংলার ঘাড়ে চেপে বসে, তখন এই গোপালের কথা ব্রাহ্মণদের মনে ছিল, মনে ছিল কৈবর্তরাজ দিব্যর কথা, যিনি ব্রাহ্মণপোষ্টা বর্মন রাজাদের কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন। ফল, চূড়ান্ত ব্যবস্থা। জীমূতবাহন ব্যবহার মাতৃকায় বললেন, রাজকার্যে ‘শূদ্রং যত্নেন বর্জয়েৎ’। আর রঘুনন্দন আরও কড়া করে বললেন—দুশ্চরিত্র হলেও ব্রাহ্মণকে রাজকার্যে নিযুক্ত করবেন। কিন্তু হাজার জিতেন্দ্রিয় হলেও—দুঃশীলো’পি দ্বিজঃ কার্যো ন শূদ্রো বিজিতেন্দ্রিয়ঃ।

    এইভাবে তাঁরাও আমাদের আলাদা করে দিয়েছেন, আমরাও আলাদা হয়ে গেছি, আর এই পার্থক্যই আমাদের দিয়েছে আরও স্পষ্ট এক অহঙ্কার, যা আমরা সযত্নে মনে মনে লালন করি। সেই যখন মহাভারতের সূত্রধার সমস্ত উত্তর ভারতের মুকুটহীন রাজা, তখনও মগধরাজ জরাসন্ধ, প্রাগজ্যোতিষপুরের নরকাসুর (এঁকে অসুর ভাবার কারণ নেই; আর্যরা আমাদের যেমন ‘পাখি’ ‘ম্লেচ্ছ’ ‘দস্যু’ এইসব বলেছেন তেমনি প্রাগজ্যোতিষপুরের লোকদের বলেছেন ‘অসুর’)। এঁরা কেউই কৃষ্ণের বশ্যতা স্বীকার করেননি। বলে, কৌশলে জরাসন্ধ এবং নরকাসুর নিহত হলে বন্ধুকৃত্য করার জন্য পুণ্ড্রবর্ধনের রাজা লাখো সৈন্য নিয়ে সুদূর দ্বারকাপুরী অভিযান করলেন। রাজার নাম কী বলব, নাম তিনি নিজেই বলেছেন—তাঁর নামও নাকি বাসুদেব। এগারো অধ্যায় জুড়ে হরিবংশের বর্ণনা পড়ে বারবার মনে হয়েছে ‘বাসুদেব’ নামটি ছিল সেকালের এক অতি সম্মানীয় উপাধি। বহুযুদ্ধ এবং বহুবুদ্ধির নায়ক কৃষ্ণ যেমন এই উপাধি গ্রহণ করেছিলেন, তেমনি তিনি বেঁচে থাকতে নগণ্য বাংলার পুণ্ড্ররাজা এই ‘বাসুদেব’ উপাধিতেই ভূষিত হবেন, এ তাঁর সহ্য হয়নি। অন্যদিকে দ্বারকার সেই মদমত্তগোপাল ‘বাসুদেব’ নাম ধারণ ধরায় কৃষ্ণের সমতুল্য শঙ্খ-চক্র-ধনু-গদা সবই তিনি তৈরি করেছিলেন। প্রতিশোধ স্পৃহায় রাতের অন্ধকারে যখন তিনি দ্বারকা আক্রমণ করলেন কৃষ্ণ তখন সেখানে ছিলেন না। দিশেহারা দ্বারকাবাসীদের সঙ্গে যদুকুল চূড়ামণি সাত্যকি যখন প্রায় মরতে বসেছেন, তখন কৃষ্ণ এসে পৌঁছোলেন পেছন থেকে। হরিবংশ যতই বলুন কৃষ্ণ গরুড় বাহনে ‘এয়ার-ড্রপট’ হয়েছিলেন, আমরা জানি আক্রমণ হয়েছিল সাঁড়াশির মতো। হরিবংশে কৃষ্ণই যেহেতু শেষ কথা, অতএব পৌণ্ড্রক বধ। কিন্তু এই পৌণ্ড্রক বাসুদেবই বোধহয় একমাত্র ব্যক্তি, যাঁকে কৃষ্ণ মনে মনে পুজো করেছেন—মনসা সম্পূজ্য যদুনন্দনঃ। তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যাঁকে কৃষ্ণ সামনাসামনি প্রশংসা করে বলেছেন—’অহো বীর্যম অহো ধৈর্যমস্য পৌণ্ড্রস্য দুঃসহম।’ পৌণ্ড্রের মৃত্যুর পর পৃথিবীতে বাসুদেব থাকলেন একজনই—তিনি উত্তর ভারতের সেই কৃষ্ণ বাসুদেব, চৈতন্যদেবের কৃপায় যাঁকে আমরা নতুন করে পেয়েছি।

    বাঙালির স্বভাবের কথা বলতে গিয়ে কৃষ্ণকথা এসে গেল। বন্ধুর জন্যই হোক কিংবা সাময়িক ক্রোধে, বাঙালির এই স্বভাব চিরকালের। রাজতরঙ্গিনীতে কলহনের ভাষা মনে আছে তো? কলহন স্বদেশের রাজা ললিতাদিত্য মুক্তাপীড়ের দোষ স্বীকার করে নিতে একটুও লজ্জিত হননি, কেননা তিনি অন্যায়ভাবে আততায়ীদের দিয়ে গৌড়ের রাজাকে হত্যা করিয়েছিলেন। প্রিয় প্রভুর মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে সেই সুদূর কাশ্মীরে গিয়েছিলেন জনাকতক গৌড়বাসী শারদার মন্দির দর্শনের ছল করে। তাঁরা যখন একযোগে কাশ্মীর বিষ্ণু পরিহাসকেশবের মন্দিরে ঢুকতে যাবেন তখন মন্দিরের দ্বার রুদ্ধ হল। চরম আক্রোশে যে মূর্তিটি তাঁরা ভেঙে গুঁড়িয়ে দিলেন ভ্রমক্রমে, সেটি পরিহাসকেশবের নয়, রামস্বামীর। বিগ্রহের ভগ্নাংশগুলি যখন তাঁরা নির্ভয়ে ছড়িয়ে দিচ্ছিলেন পথে পথে তখনই তাঁদের মৃত্যুবরণ করতে হল। কলহন কতবার করে যে এই কৃষ্ণকায় গৌড়বাসীদের প্রশংসা করেছেন তা ভাষায় প্রকাশ্য নয়। স্বয়ং বিধাতাও নাকি সাহস, পরাক্রম আর প্রভুভক্তির এই নজির সৃষ্টি করতে পারবেন না, যা গৌড়জনেরা করেছেন।

    তবে এই সাহস, এই অহঙ্কার সবার ভালো লাগে না, ফলে আবার সেই নিন্দা। কাশ্মীরের আরেক কবি ক্ষেমেন্দ্র তাঁর ‘দেশোপদেশের’ নিবেদনে বাঙালি ছাত্রদের কি গালাগালই না দিয়েছেন। কাল-কঙ্কালের মতো চেহারা, ব্রাহ্মণ্য আচারের বিন্দুবিসর্গ জানে না। কোঁচার খুঁটটি বগলে দিয়ে বাঙালি ছাত্ররা নাকি একপাশে একটু হেলে হেলে হাঁটে। বাড়ির চাকরটির ওপর সব সময়ই চটা, শুধু সেই চাকরটিকেই সহ্য করে, যার বাড়িতে নাকি তরুণী স্ত্রী আছে। ক্ষীণকটিতে লাল কটিবন্ধ, ময়ূরপঙ্খী জুতোয় শব্দ তুলে বেড়াতে যায় বেশ্যা, বিধবা কিংবা পরবধূর গৃহে। দোকানে মাল নিয়ে, দাম দেয় অল্প। কালমুখে সাদা দাঁত বের করে হাসে—ঠিক বাঁদরের মতো। রাগ হলেই আবাসিক ছাত্রের পেটে মারে ছুরি আর ”স্নানে দানে ব্রতে শ্রাদ্ধে” যে গালাগালটি গৌড়দেশী ছাত্রেরা ব্যবহার করে তা অনুবাদের যোগ্য নয়, তবে সেটি এখনও চলে।

    এক অধ্যায় ধরে ক্ষেমেন্দ্র যা বলেছেন, তাও অনুবাদের যোগ্য নয়। ভাবে বুঝি পরিহাসকেশবের অবমাননা তাঁর মনে ছিল, কিংবা বিদেশে গিয়ে বাঙালি ছাত্ররা লেখাপড়ায় ভালো ফল করত। অন্তত অন্যান্য প্রমাণ তাই বলে। আর বিদেশে গেলে বাবুগিরি একটু-আধটু সবাই করে। সেটা বাঙালির স্বভাব, যেমন এটাও বাঙালির স্বভাব—ভিনদেশী ভারতীয়রা এলে একটু-আধটু পেছনে লাগা। কিন্তু ছেলেছোকরার সেই দৌরাত্ম্যের জন্য কি কম কটূক্তি শুনতে হয়েছে। মনে পড়ে খ্রিস্ট জন্মাবার আগে মহাবীর জৈন সশিষ্য এসেছিলেন আমাদের দেশে। তাঁর মতে রাঢ়দেশের লোকেরা তো আচার-বিচার কিছুই জানে না, আর বঙ্গদেশের মানুষ অখাদ্য-কুখাদ্য যা-তা খেত (নিশ্চয় মাছের কথা)। এখানকার লোকেরাও নাকি ভীষণ নিষ্ঠুর, তারা মহাবীর আর তাঁর শিষ্যদের পেছনে ছু-ছু করে কুকুর লেলিয়ে দিয়েছিল।

    এই বর্ণনায় হয়তো কিছু বাড়াবাড়ি আছে আবার অন্যদিকে আছে বাঙালির মাত্রাছাড়া কৌতুকপ্রিয়তা। কুকুর লেলিয়ে দেওয়ার পর অতগুলি জৈন সাধুর ত্রিভঙ্গিম নৃত্য যদি বা আমাদের পূর্বপুরুষদের কৌতুক দিয়ে থাকে, তবু তাঁরা জানতেন না যে সেগুলি একদিন ছাপার অক্ষরে লেখা থাকবে। এত কটূক্তি, এত অজ্ঞানতা, ‘অসুর’, ‘দস্যু’, ‘পাপ’, ‘ম্লেচ্ছ’ কিংবা ‘সংকীর্ণযোনয়ঃ’ এই সব ভিনপ্রদেশের সাধু শব্দ আমরা ভাগ করে নিয়েছিলাম রাঢ়, বঙ্গ, সুহ্ম, গৌড়, হরিকেল আর পুণ্ড্রবর্ধনের লোকেরা। কিন্তু এত দস্যু এত পাপ হওয়া সত্ত্বেও যা আমাদের উত্তর ভারতীয় প্রভুদের ভালো লেগেছিল, তা হল বাংলাদেশের রমণী। আমাদের প্রাকৃতভাষা রাজশেখরের এত খারাপ কেন লেগেছিল জানি না, তবে তাঁর কিন্তু হরিকেল মানে ময়মনসিংহী কিংবা সিলেট্যা রমণী ভারি পছন্দ। কর্পূরমঞ্জরীতে নায়কের অনেক সম্বোধনের মধ্যে অন্যতম হল ‘হরিকেল কেলি কারক’। সবাই যত নিন্দে করুন বাংলার রমণীভাগ্যে কাশী কোশল থেকেও নায়কেরা এসেছেন খোদ রামায়ণের মধ্যেই। আর বাংলাদেশে যে হাজারো সংকরবর্ণের উদ্ভব ঘটেছে তার কারণও কি রমণীরাই নয়। কারণ নিশ্চয় বলে দিতে হবে না, কেননা বাংলার মেয়েরা কীরকম, তা গোধূলি আলোকে দেখিয়ে দিয়েছেন স্বয়ং বাৎস্যায়ন। কোমল অঙ্গে, মৃদু ভাষে, অনুরাগে আর মৃদু হাসে, যে বঙ্গরমণীর চিত্র বাৎস্যায়ন এঁকেছেন, তাতে বহিরঙ্গে যদি বা তাকে দেখায় নায়িকার মতো, অন্তরঙ্গে কিন্তু দেখায় একেবারেই বঙ্গজননীর মতো। তবে বঙ্গজননীর মৃদুতা আর শ্যামলিমা মাখা সেই অভাগা রমণী কিন্তু তার প্রাপ্য মর্যাদাটুকু পায়নি কোনোদিন, কেননা আর্যরা ধর্মবশত একটি ব্রাহ্মণী সংগ্রহ করে তবেই না শূদ্রকন্যার পাণিপীড়ন করতেন কামবশত। এই কামনার ধন কিন্তু কেবলই কামনাপূর্তির উপায়মাত্র, সম্মানের বিস্তীর্ণক্ষেত্রে তার ডাক পড়ে না। কিংবা তার সন্তানেরা পায় না পিতার সম্পত্তির লভ্যাংশটুকু। এই বঞ্চনা, এই বিড়ম্বনা বাংলাদেশ আর বাংলার মানুষ চিরকালই পেয়েছে। বিভিন্ন আকারে, আর বিচিত্র প্রকারে। কিন্তু তবুও উত্তর ভারতের আর্যসভ্যতা আমাদের দেশে ম্লান হয়নি; সে চক্রান্তের মতো আমাদের ঘাড়ে চেপে বসেছে, আমরা বাধা দিতে পারিনি—সে কি ঋজুতার অভাব, না ভদ্রতা!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাঙালীর ইতিহাস (আদিপর্ব) – নীহাররঞ্জন রায়
    Next Article মহাভারতের ছয় প্রবীণ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    Related Articles

    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    কথা অমৃতসমান – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    মহাভারতের ভারতযুদ্ধ এবং কৃষ্ণ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    কলিযুগ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    মহাভারতের অষ্টাদশী – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    চৈতন্যদেব – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    দেবতার মানবায়ন : শাস্ত্রে সাহিত্যে ও কৌতুকে – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }