Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পুরাণী – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী এক পাতা গল্প516 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঘোর-কলি

    পরাশর উবাচ—কলিকালে অষ্টম, নবম এবং দশম বর্ষ বয়স্ক পুরুষের সহবাসেই পঞ্চম, ষষ্ঠ এবং সপ্তম বর্ষীয়া বালিকারাই সন্তানবতী হইবে।

    প্রথম শ্রেণিতে পড়া একটি মেয়ে এবং তৃতীয় শ্রেণিতে পড়া একটি ছেলের মধ্যে মহর্ষি পরাশর যে সম্ভাবনা দেখতে পেরেছেন তা সফল করতে হল প্রচণ্ড বৈজ্ঞানিক উন্নতি প্রয়োজন যা একেবারে ঘোরতম কলিতে, ভারতবর্ষে না হলেও, কলির নিজের রাজ্য আমেরিকাতে সম্ভব হতে পারে।

    পরাশর মুনির মতো আরও অনেকেই কলিযুগের সম্বন্ধে এরকম অনেক ভবিষ্যৎবাণী করেছেন, তবে প্রাচীনত্বের বিচারে পরাশর মুনির মতের মূল্য অন্যরকম নিশ্চয়ই। উল্লিখিত শ্লোকটি দেখে অনেকেই হয়তো মনে করবেন—ঋষিরা এইরকম উদ্ভট কথাই বলেছেন বেশি। আসলে কিন্তু তাঁদের অনেক কথা খেটেও গেছে। তবে যেগুলো খেটেছে সেগুলো বেশিরভাগই নদী-নালা কিংবা জীবজন্তু বিষয়ক। নদীনালা শুকিয়ে যাওয়া, কিংবা গোরুর পক্ষে ছাগলের মতো অল্প দুধ দেওয়া, প্রজানুরঞ্জনের নামে তথাকথিত রাজাদের প্রজা শোষণ কিংবা সাধুসন্তের ভণ্ডামি—এগুলোর মধ্যে কালের প্রভাব পড়েছে সন্দেহ নেই, কিন্তু নদী আর গোরুর দৃষ্টান্তে উৎসাহিত হয়ে আমাদের গুরুস্থানীয় ব্যক্তিরা মনে করেন—মানুষের ব্যাপারটাও মিলে গেছে, অন্তত সেই রকমই বিশ্বাস করতে ভালোবাসেন। ঋষিদের সম্বন্ধে আমাদের গুরুস্থানীয়দের যত শ্রদ্ধাই থাক না কেন, এমনকী আমাদেরও যে শ্রদ্ধা নেই তাও নয়, কিন্তু কলিকালের চিত্রটি তাঁদের ত্রিকালদর্শিতায় এমনই নিষ্ঠুর, এমনই নির্মম হয়ে উঠেছে যে পাঁচ বছরের মেয়েকে পর্যন্ত গর্ভধারণ করতে হয়েছে। পরাশর-মুনির সূত্র ধরে আমাদের মনু-মহারাজ আবার আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন। তিনি বললেন—চব্বিশ বছরের একটি নায়ক ছেলে বিয়ে করবে একটি আট বছরের মেয়েকে। অভিমত পাত্র পেলে ছ বছরের মেয়েকেও বিয়ে দেওয়া যায়। মুকুলিকা, মানে দেহ-মনে সব অর্থেই মুকুলিকা বালিকা বধূর মধ্যে একটি চব্বিশ বছরের যুবক যে কি আবেদন খুঁজে পাবেন, তা ভাবতে ভয় হয়। সেকালে শাস্ত্রকর্তা তথা কলিযুগের ভাগ্যবিধাতা ঋষিদের কিন্তু সোনার দিন ছিল—সোনার দিন মানে সুখের দিন। প্রেমে পড়ে বা না পড়ে একশো বছর যার সঙ্গে কাটাতে হবে—জীবৈমঃ শরদঃ শতম—তাকে বেশ উচ্চাবচ দৃষ্টিতে চোখ বুলিয়ে নিয়েছেন তাঁরা। অর্থাৎ মনু-মহারাজের বিধানমতো তাঁরা নিজেরা যে কচি-খুকিদের বিয়ে করে ঘরে তুলতেন—তা মোটেই নয়। শতপথ ব্রাহ্মণ তো একেবারেই ইতস্তত না করে সোজাসুজি বলে ফেলল—মেয়েদের প্রশংসা করার মতো চেহারা হল—পৃথুশ্রোণি, ক্ষীণমধ্যা এবং উত্তমাঙ্গ পীনোন্নত। এ চেহারা আমাদের চেনা। প্রত্যঙ্গ-বন্ধুর এই বিবরণ আমাদের মনেও আছে, কিন্তু বিসংবাদ তো তাই নিয়ে নয়, বিসংবাদ আচরণ নিয়ে। ত্রিকালজ্ঞ ঋষির দৃষ্টিতে কলিকালে মেয়েমাত্রই স্বেচ্ছাচারিণী, দুঃশীলা—”স্ত্রীগণ সাধারণতঃ স্বেচ্ছাচারিণী হইবে” এবং ”ধর্মানুরূপ-বিবাহ থাকিবে না—বিবাহা ন কলৌ ধর্ম্যাঃ।” অর্থাৎ আবার সেই অসবর্ণ বিয়ে—আমরা অসবর্ণ বিয়ে নিয়ে কোনো কথাই বলতে চাই না কারণ এর ঐতিহ্য এত পুরোনো এবং উদাহরণ এতই বেশি যে ঋষিরা নিজেদের মধ্যে একটু আত্মস্থ হলেই আমাদের এই কলি-কলুষ দৃষ্টিপাতের প্রয়োজন থাকবে না মোটেই। কিন্তু স্বেচ্ছাচারিতা—স্বেচ্ছাচারিতার ফলে অসবর্ণ বিয়ে হত—একথা বললে মানা যেত তবু, কিন্তু তা নয়, মেয়েরা নাকি স্বভাবতই স্বেচ্ছাচারিণী। আজকের দিনে যে সব মেয়েরা একটু অনিয়ন্ত্রিতভাবে ঘোরাফেরা করে কিংবা যাদের মনে একটু কোমল-মধুর আবেশ হয়েছে—সন্দেহ নেই, মহর্ষি পরাশরের ‘ক্রোধ গিয়ে পড়েছে তাদের ওপরেই। অবশ্য ভাগ্যিস পরাশর মুনি আমাদের এই কলিকালে জন্মাননি। সেই দ্বাপরযুগে যমুনা পার হবার সময় নৌকার ওপর সত্যবতীর অতুল রূপ দেখে তাঁর যে অবস্থা হয়েছিল, মহাভারত তার বর্ণনা দিতে গিয়ে যে সব শব্দ ব্যবহার করেছে—সেগুলোর সোজাসুজি অর্থ করলে দেখা যাবে যে মহর্ষির মাথা একেবারে ঘুরে গিয়েছিল। না জানি আজকের এই নরম কলিতে মহর্ষিকে যদি সন্ধ্যাবেলায় গড়িয়াহাটের মোর পার হতে হত, তাহলে আধুনিক সাজে সজ্জিতা, ত্বরিতগতি কোনো পৌরললনার অপাঙ্গ-ইঙ্গিতে, প্রথম দফায় তিনি খড়ম পিছলে পড়ে যেতেন, দ্বিতীয় দফায় বিষ্ণুপুরাণের ‘কলি-ধর্ম-নিরূপণ’—অধ্যায়টি ছিঁড়ে নিয়ে কালিদাসের শিবের মতো বলতেন—অবনতাঙ্গি, তবাস্মি দাসঃ। অবশ্য আধুনিক স্বেচ্ছাচারিণীরা মহর্ষিকে কতদূর সহ্য করতেন তাই নিয়ে একটা সন্দেহ করা চলে, কারণ এরা তো তপস্যার প্রভাব জানে না, আর অভিশাপের ভয়ও নেই। মহাভারতে দেখেছি—সত্যবতী নাকি মুনির বাচিক তাড়নায় পিতার অনুমতি নেবার সময় পর্যন্ত পাননি। শেষ পর্যন্ত মৎস্য-গন্ধের খোলস ছেড়ে যোজন-গন্ধা সত্যবতী মুনির প্রভাবে তাৎক্ষণিক গর্ভমোচন করে মুক্তি পেলেন বটে, কিন্তু আমাদের সর্বকালের অভিভাবক মনু মহারাজ পড়লেন মহাফাঁপরে। তিনি বলেছিলেন—”যে ব্রাহ্মণ শূদ্রার অধর-রস পান করিয়াছে এবং শয্যায় তাহার নিঃশ্বাস গায়ে লইয়াছে এবং তাহাতে সন্তান উৎপাদন করিয়াছে, তাহার ঐ কর্মের নিষ্কৃতি, অর্থাৎ প্রায়শ্চিত্তেরও বিধান নাই।” অর্থাৎ তার হয়ে গেল। মনু অবশ্য মুনি-ঋষিদের চির-তৃষ্ণার্ত অবস্থা বুঝে সমগ্র ব্রাহ্মণ-জাতিকেই কিছু সুবিধে দিয়ে বলেছেন যে, ব্রাহ্মণেরা প্রথমে একটি সবর্ণা ব্রাহ্মণী কন্যা বিয়ে করে নেবেন,’ পরে কামবশত যদি আবার বিয়ে করার ইচ্ছে হয় তবে ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শূদ্র সবই চলবে। ব্যাস-পিতামহ পরাশর মুনিকে কোনো ব্রাহ্মণীর কাছে পূর্বাহ্নেই পাত্রীস্থ করেছিলেন কিনা জানি না। তবে কলস্বনা যমুনার ওপর কুজঝটিকার মধ্যে নৌকাবিলাসের সময় মৎস্যগন্ধার আতপ্ত-নিঃশ্বাস যদি মহামুনির গায়ে লেগে থাকে, তথাচ ব্যাসদেবের জন্ম প্রমাণে তিনি কি এখন স্বর্গে নৌকাবিহার করছেন?

    আমাদের মতো কলির জীবদের কিন্তু মনুর শেষোক্ত বিধানটি বেশ পছন্দ হয়েছিল, কিন্তু মুশকিল হল আমরা যদি ব্রাহ্মণী বর্তমানেও ‘আবার মোরে পাগল করে দিবে কে’?—এইরকম একটা শুভ-সূচনা করি তাহলে আদালত আর বন্দিশালা তো আছেই, নিদেনপক্ষে সেই পুরোনো ব্রাহ্মণীর কাছেও কি ফেরা যাবে আবার? ভাবতে পারেন, আমরা নিজেদের স্বেচ্ছাচারিতা সমর্থনের জন্য ঋষিদের স্বৈরবিহার স্মরণ করছি, কিন্তু তাঁদের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য তাঁরা নিজেরাই আছেন। ভাগবত পুরাণ বললেন—দেখ বাবা পরীক্ষিৎ, তোমরা নিজেরা এসব করতে যেও না। শিব ছাড়া কেউ বিষপান করলে তার যা হাল হবে, এই সব স্বৈরবিহার করতে গেলে সাধারণ মানুষেরও সেই হাল হবে। তা ছাড়া তেজীয়ান পুরুষেরা আগুনের মতো সব কিছুই হজম করে ফেলেন—কাজেই তাঁদের চারিত্রিক ত্রুটিগুলো ধরা চলবে না—তেজীয়সাং ন দোষায়। আমরাও ভাবলাম তাই হবে, না হলে জেলের মেয়ের জালে ধরা পড়লেন পরাশর মুনি, নিয়োগ প্রথায় পরক্ষেত্রে দু-চারটি সন্তান উৎপাদন করলেন পরাশর-পুত্র ব্যাস, আর তস্য পুত্র শুকদেব তাদের সমর্থন করে বললেন—তেজীয়সাং ন দোষায়—এখন বিবাহ-ধর্মে আমরা যাই কোথায়?

    এতো গেল বিয়ে-থার কথা আর স্বেচ্ছাচারিতা—সেও তো পুরুষের চিরায়ত। পরাশর মুনি নিজের দৃষ্টাতে পুরুষদের ক্ষমা করে দিয়ে স্বেচ্ছাচারিতার সমস্ত দায় চাপিয়ে গেছেন কলিযুগের মেয়েদের ওপর। কিন্তু সরল, সাদাসিধে বৈদিক-ঋষিরা, যাঁরা পরাশর-মনু, এঁদেরও অনেক আগের যুগের লোক—তাঁরা নির্মল হাস্যে মেয়েদের মৃদুল-গমনের ছন্দটি করে বলত দরদিয়ার মতো ধরে রেখেছেন বৈদিক ছন্দে।

    ‘যুবতী মেয়ের পেছন পেছন যেমন যুবকেরা ঘোরাফেরা করে’—এই ধরনের উপমা যে ঋগবেদে কতবার আছে তার ঠিক নেই। আর সেই অনুসৃতা যুবতীর মনে রাগ হতে পারে, অপমানও হতে পারে, কিন্তু আত্মতৃপ্তি—সেও কি কিছুই নেই? যে সমাজের যুবকদের মনে এত গান, সেখানে যুবতীদের মনেও কি গুনগুন ছিল না কোনো—সমান্তরাল? দশাঙ্গুলির নিষ্পেষণে সংশোধিত হচ্ছে সোমরস—সেখানে উপমাটি হল—দশটি যুবতী একই সঙ্গে যেমন একটি যুবককে আহ্বান করে। বিশ্বামিত্রের দিকে ধাবিত হচ্ছে নদীগুলো, মেয়েরা যেমন পুরুষদের দিকে প্রচলিত হয়—আসঙ্গলিপ্সায়। এই ঋক মন্ত্রে আমরা কি মেয়েদের স্বেচ্ছাচারিণী বলব, না স্বাভাবিক দুই হাতে তালির প্রবাদটি মেনে নেব। আর একটি শব্দ আছে ‘সমন।’ শব্দটি নিয়ে পণ্ডিতদের মধ্যে বিবাদ আছে প্রচুর, তবু সাধারণ অর্থে এটি এক ধরনের উৎসব—যে উৎসবে মেয়েদের আশাপূরণের ইঙ্গিত আছেই। মহামতি পিশেলের মতে ‘সমন’ একটি জনপ্রিয়, সার্বজনীন উৎসব যেখানে মেয়েরা আসত মনের মানুষ খুঁজতে, কবিরা যেত স্বরচিত কবিতা পাঠ করে যশ কুড়োতে। আর ধনুর্বেদীরা আসত লক্ষ্যভেধ করে পুরস্কার জিততে। এই উৎসবের মেয়াদ থাকত সারারাত। বায়ুর গতির দ্রুততা বোঝাতে ঋষি উপমা দিলেন ‘সমনং ন ঘোষাঃ অর্থাৎ যে দ্রুততায় মেয়েরা সমনে যোগ দিতে আসে। মেয়েদের এইসব অভিসারে তাদের মায়েদের মদতও কম ছিল না—তাঁরা মোহন সাজে সাজিয়ে দিতেন অভিসারিকাদের। যাতে তারা অভিমত যুবককে আকর্ষণ করতে পারে।

    আহা আমাদের যুগে যদি এমন একটি উৎসব থাকত, তাহলে আমাদের মেয়েরা রীতিমতো গান করে বলত—

    তুমি উৎসব কর সারারাত

    তব বিজয়শঙ্খ বাজিয়ে

    মোরে কেড়ে লও তুমি ধরি

    হাত নব রক্তবসনে সাজায়ে।

    অবশ্য দুঃখ করে লাভ নেই—সত্যযুগের ঐতিহ্য—ছিটেফোঁটা এখনও যেটুকু পড়ে আছে—আমরা তাই সামলাতে পারছি না, তবে তোমার বসন্ত দিন এবং আমার বসন্ত দিনে ভেদ নেই কিছু—তাই একে আমরা স্বেচ্ছাচারিতা বলি না, বলি না দুঃশীলতাও।

    যত যাই রসিকতা করি না কেন, ভারী বদরাগী মানুষ ছিলেন এই পরাশর মুনি। কিচ্ছু ভাবলেন না, বুঝলেন না এখনকার কোনও সমস্যা, সোজা রায় দিয়ে দিলেন—কলিকালে নাকি ”স্ত্রীগণ উভয়-হস্ত মস্তক চুলকাইতে চুলকাইতে অনায়াসে স্বামীর বাক্য অবহেলা করিবে।” একথার অর্থ নিশ্চয়ই স্ত্রীরা স্বামীর মাথায় চড়ে বসে এবং উলটোদিক দিয়ে বউ-এর কথায় স্বামীরা কান ধরে ওঠবোস করে। ব্যক্তিগত বিচারে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে এইরকম একটি অসুস্থ সম্পর্ক আমরা কখনও কামনা করি না, কিন্তু এই ধরনের দুঃখজনক ঘটনা যদি কোথায় বটে থাকে তার জন্যও প্রথমে দোষ দিতে হবে প্রজাপতি ঋষিকে, যিনি সম্রাজ্ঞী শ্বশুরে ভব, সম্রাজ্ঞী শ্বশ্রাং ভব—ইত্যাদি ‘বিবাহমন্ত্রে নববধূকে সবার মাথায় চড়িয়ে দিয়েছেন। দ্বিতীয়ত সত্য-ত্রেতা-দ্বাপর যুগে অনেক রথী-মহারথী আছেন, যাঁরা স্ত্রীর অত্যন্ত বশীভূত। ভাবুন তো দশ হাজার বছরের বুড়ো রাজা দশরথ যখন রামচন্দ্রের অভিষেক নিয়ে বারংবার অনুরোধ করছেন মেজোরানী কৈকেয়ীকে, তখন তাঁকে দু-হাতে মাথা চুলকাতেও হয়নি, সোজা ঘরের দরজা বন্ধ করে রাগ দেখাতেই সুফল ফলেছে। আমরা স্থানবিশেষে ভীম, অর্জুন এমনকী যুধিষ্ঠিরের পর্যন্ত সাময়িক দুর্বলতার কথা জানি কিন্তু বলব না। বরঞ্চ বলব পরাশর মুনি এ ব্যাপারে আমাদের কাছে হেরে গেছেন। তাঁর অবশ্য লজ্জা পাওয়া উচিত ছিল, কিন্তু তিনি বিনা দ্বিধায় বললেন—”এ বিষয়ে চিরকালের একটি গান আছে। গানটি হল—জগতে স্ত্রীর বশীভূত হইয়া যাহারা মৃত হইয়াছে বা উৎপন্ন হইবে তাহাদিগের মধ্যে শৈব্যাপতি জ্যামঘই শ্রেষ্ঠ।” জ্যামঘ কিন্তু যে সে লোক নন। যদুবংশীয় কৃষ্ণের ঊর্ধ্বতন পুরুষ, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তিনি অপুত্রক। এ সত্ত্বেও তৎকালীন রীতি অনুসারে পুত্র কামনায় দ্বিতীয়বার বিয়ে করতে সাহসী হলেন না—কারণ অনতিক্রমণীয়া শৈব্যা। একদিন হল কি, এক যুদ্ধজয়ের শেষে সবাই যখন পালিয়ে গেছে, তখন জ্যামঘ দেখতে পেলেন এক সুন্দরী রমণীকে। তাকে বিয়ে করার জন্য রথে চাপিয়ে নিয়ে এলেন বটে রাজধানীতে, কিন্তু শৈব্যার অনুমতি ছাড়া বিয়ে করবেন কী করে? এদিকে শৈব্যা রাজার বামপার্শ্ববর্তিনী নবীনাকে দেখে রেগে বললেন—ব্যাপার কী? পাশে এটি কে? ভয়ের চোটে রাজা বললেন—এ আমার পুত্রবধূ হবে। শৈব্যা বললেন—আমার তো ছেলে নেই। তোমারও অন্য কোনো স্ত্রী নেই, তবে তোমার কোন ধরনের ছেলের সঙ্গে এর বিয়ে হবে? রাজা শেষপর্যন্ত অবস্থা সামাল দেবার জন্য বললেন—ভবিষ্যতে তোমার যে পুত্র হবে তার জন্যই এই বধূ নির্বাচন। এত বুদ্ধিহীন কথা শুনে শৈব্যার মতো সাংঘাতিক মহিলাও হেসে ফেললেন। যা হোক অনুকূল গ্রহলগ্নে শৈব্যার বিদর্ভ নামে এক পুত্র হল। এবং মজার ব্যাপার, সেই পুত্রের সঙ্গে তার দ্বিগুণ-বয়সি সেই মেয়ের বিয়েও হল। তার মানে পরাশর মুনির কালে এসবও চলত, মানে মেয়ের বয়স বেশি হলেও বিয়ের অসুবিধে ছিল না। মুনি অবশ্য বয়সের ব্যাপারটা পুরো চেপে গেছেন; নিছক কলিযুগের অনুসন্ধিৎসায় সে ব্যাপারটি ধরে ফেলেছি আমরা। বেশি বয়সের মেয়ের সঙ্গে বিয়ের রেওয়াজ তখন যে ভালোই ছিল তার প্রমাণ মিলবে কৃষ্ণপুত্র প্রদ্যুম্নের সঙ্গে মায়াবতীর বিবাহে। মায়াবতী তো রীতিমতো তার স্বামীকে সূতিকা পর্যায় থেকে মানুষই করেছিলেন। পরে তার সঙ্গেই প্রদ্যুম্নের বিয়ে হল।

    আগেই বলেছি জ্যামঘ যদু-বংশীয়, কাজেই তাঁর অধস্তন চরম এবং পরম পুরুষ কৃষ্ণের কথাই বা বাদ যায় কেন। কৃষ্ণ স্বভাবতই একটু ললিত গুণের মানুষ বলে বৃন্দাবন অঞ্চলে পরিচিত, কিন্তু দ্বারকায় নাকি তিনি একটু স্বামী-সুলভ মেজাজেই থাকতেন, এমনকি কিঞ্চিৎ পরিহাস করলেও নাকি রুক্মিণী ইত্যাদি স্ত্রীদের মনে ভয় ধরে যেত। ভাগবত পুরাণের প্রমাণে এ কথা আমাদের জানিয়েছে চৈতন্য চরিতামৃত—”কৃষ্ণ যবে রুক্মিণীকে কৈল পরিহাস। কৃষ্ণ ছাড়িবেন জানি রুক্মিণীর হৈল ত্রাস।।” এ হেন কৃষ্ণ নন্দন-কাননে সত্যভামার সঙ্গে বেড়াতে বেড়াতে দেখতে পেলেন পারিজাত-পুষ্প। সত্যভামা বললেন—কৃষ্ণ, তুমিই না বল রুক্মিণী, জাম্ববতী—এদের কেউই আমার তেমন প্রেয়সী নয়, যেমনটি তুমি। এ কথা যদি নিছক চাটুবাক্য না হয় তাহলে এই পারিজাত বৃক্ষ তুলে নিয়ে যেতেই হবে দ্বারকায়, আর সেই ফুল খোঁপায় গুঁজে আমি সতীনদের মনে জ্বালা ধরিয়ে দেব। শেষপর্যন্ত সত্যভামার কথা ফেলতে না পেরে দেবরাজের সঙ্গে এক বিরাট যুদ্ধ লাগিয়ে দিলেন কৃষ্ণ। অন্যদিকে ইন্দ্রেরও বলিহারি যাই। তিনিও শচীর কথায় ওঠ-বোস করেন, ক্রোধান্বিত হয়ে চলে গেলেন যুদ্ধক্ষেত্রে। অলঙ্ঘ্য নিয়মে যুদ্ধের ফল কৃষ্ণের স্বপক্ষে গেল। অবশেষে দেবরাজ ইন্দ্রের সঙ্গে রসরাজ কৃষ্ণের যখন বোঝাপড়া হয়ে গেল তখন কিন্তু বিগলিত হয়ে আসল কথাটি স্বমুখেই ফাঁস করেছেন কৃষ্ণ, বলেছেন এত সব যুদ্ধ-বিগ্রহ—তার কারণ স্ত্রীর বচন—সত্যা-বচন-কারণাৎ। সত্যভামার আদরের নাম—সত্যা।

    স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ মনুষ্যলীলার স্বাদ গন্ধে স্ত্রীর চুলে ফুল গোঁজার জন্য যে লীলা করেছেন সেই লীলায় আমরা লীলায়িত হলেই পরাশর মুনির মুখ ভারী হয়ে যায়, বাস্তবিক সত্যভামার মতো মানিনী স্ত্রী থাকলে আমাদের অনেকেই ‘মিটে যাবে এক প্রেমে জীবনের সর্বপ্রেম-তৃষা।’ আমাদের কালের স্ত্রীরা না হয় ‘মস্তক চুলকাইতে চুলকাইতে’ অনেক কিছু করেন, সে কালে যে স্বামীর মাথাই চুলকে দিয়েছে স্ত্রীরা। আমাদের মনে হয় মহর্ষি বোধহয় বুঝতে পেরেছিলেন যে আমরা এইসব যুক্তিজাল বিস্তার করতে পারি, বিশেষত উপদেশ অপেক্ষা উদাহরণের জোর বেশি, কাজেই মুনি এবার তাঁর শেষ অস্ত্র ছেড়ে আমাদের সম্মানে আঘাত দিলেন, ‘মৈত্রেয়, কলিকালে শ্বশুর ও শাশুড়িই মনুষ্যগণের প্রধান গুরু হইবে এবং শ্যালক ও যাহাদের স্ত্রী অতিশয় সুন্দরী, তাহারাই বন্ধু হইবে।”

    নব বিবাহিত যুবকদের পিতা-মাতারা এই ঋষিবাক্যের খবর রাখেন কিনা জানি না, তবে এ কথাগুলো তাঁরা ঋষির মতো করেই বলেন। আর সত্যি এইসব উপসর্গ আজকাল বড় বেশি দেখা যাচ্ছে, বিশেষত যে-কোনো ছেলেই এখন ছেলে হিসেবে যতটা ভালো, জামাই হিসেবে তার থেকে অনেক বেশি ভালো। তবে এও ঐতিহ্য। ঐতিহ্য বলে দেবে এর বীজ ছিল সে কালেই। দর্শনের সার গীতার মধ্যে কৌরব পাণ্ডবদের সৈন্যবাহিনীর মাঝখানে দাঁড়িয়ে যেখানে অর্জুনের হাত থেকে গাণ্ডীব খসে পড়ে যাচ্ছে, মুখ শুকিয়ে আসছে, যাদের দেখে অর্জুনের মনে হচ্ছে—আমি মরে গেলেও এদের মারতে পারব না, সেখানে আচার্য, পিতৃস্থানীয় এবং পুত্রদের সঙ্গে গদগদভাবে শ্বশুর এবং শালাদের নামও উচ্চারণ করেছেন অর্জুন—মাতুলাঃ শ্বশুরাঃ পৌত্রাঃ শ্যালাঃ সম্বন্ধিনস্তথা। তবে এ ব্যাপারে অর্জুনকে খুব দোষী করে লাভ নেই কেননা পাণ্ডব এবং কৌরবদের প্রপিতামহ থেকে আরম্ভ করে অনেকের মধ্যেই শ্বশুর-শ্যালক সম্বন্ধে বেশ দুর্বলতা দেখা যাবে। প্রপিতামহ শান্তনুর কথাই বলি। নায়িকা ঘুরে ফিরে আবার সেই সত্যবতী। স্থান আবার সেই যমুনা, তবে এবার নদীবক্ষে নয়, নদীতীরে। ভোজরাজ তাঁর ‘শৃঙ্গারপ্রকাশে’ সত্যবতীকে ফেলেছেন ‘পুনর্ভূ’ নায়িকাশ্রেণির মধ্যে। ‘পুনর্ভূ’ মানে যার দুবার বিয়ে হয়েছে। ভোজরাজের মতে সত্যবতী পুনর্ভূ বটে তবে অক্ষতা অর্থাৎ পরাশর মুনির ব্যাপারটা তিনি ইচ্ছে করেই ভুলে গেছেন। যাক সে কথা। এই সত্যবতী তাঁর পূর্ব-নায়কের প্রসাদী গন্ধে মাতিয়ে রেখেছিলেন যমুনার তীর। মোহিত হলেন শান্তনু। ভীষ্মের মতো দেবকল্প পুত্র থাকতেও বিয়ের কথা বলার জন্য চলে গেলেন কন্যার পিতার কাছে। দাসরাজার শর্ত ছিল সত্যবতীর পুত্রই হবে ভবিষ্যতের রাজা—ভীষ্ম নয়। মহা ফাঁপরে পড়লেন শান্তনু। কিন্তু ভীষ্ম? তিনি তো কম পুরুষ নন, যৌবন বয়সে যাকে পিতার বিবাহ দেখতে হয় তাকে তৈরি হতে হয় শিশুকাল থেকেই। শান্তনুর মলিন মুখখানি দেখে ঠিক ধরে ফেললেন তাঁর মানসিক অবস্থা। শান্তনু তখন তো-তো করে যা বললেন তার অভিনব শৈলীটি জানা থাকলে আজকের দিনের অনেকের পক্ষে দ্বিতীয়বার বিয়ে করা সম্ভব।

    শ্বশুরের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর অর্ধাঙ্গিনীর নাম না করলে তিনি দুঃখিত হবেন, তাই শাশুড়ির কথাও কিছু বলতে হয়। তবে তাঁর নিয়ন্ত্রণক্ষমতা নিয়ে গল্প ফেঁদে বসলে অন্যায় হবে, কেননা স্বয়ং মনু মহারাজ তাঁকে গুরুপত্নীর মতো সম্মান করতে বলেছেন। কতকগুলো পুরাণেও আছে সেকথা। তা ছাড়া শ্বশুরের মতো শাশুড়ির নিয়ন্ত্রণ তত সোজাসুজি নয়, তার উপদেশ আসে তাঁর কন্যার সূত্র ধরে, এবং তা কাজ করে নরম বিষের মতো। তারপর যা হয়—রাজা করিতেছে রাজ্যশাসন, তাহারে শাসিছে রানী। পরাশর মুনি যা-ই বলুন, অন্তত রানীর উপরেও নির্ভর না করলে যুগধর্মে তথা ঐতিহ্যে পতিত হবে কলির জীবেরা। সেইজন্যেই এত কথা। নইলে আমরা তো তাঁরাই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাঙালীর ইতিহাস (আদিপর্ব) – নীহাররঞ্জন রায়
    Next Article মহাভারতের ছয় প্রবীণ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    Related Articles

    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    কথা অমৃতসমান – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    মহাভারতের ভারতযুদ্ধ এবং কৃষ্ণ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    কলিযুগ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    মহাভারতের অষ্টাদশী – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    চৈতন্যদেব – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    দেবতার মানবায়ন : শাস্ত্রে সাহিত্যে ও কৌতুকে – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }