Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পুরাণী – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী এক পাতা গল্প516 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    তোমার কালের স্বাদগন্ধ

    আমি ভাবতাম—আমি এরকম বলব না কখনও। কখনও এই বুড়ো পিসেমশায়ের মতো বলব না যে, আমাদের কালে যা ছিল, তার বিন্দু-বিসর্গ নেই এখন। বিভিন্ন পুকুরের তাজা মাছ নিয়ে গর্বোক্তি, কিংবা আম-লিচুর ফলন, এমনকী শীত-গ্রীষ্মের সঠিক যাওয়া-আসাও যে তাঁদের কালের শৃঙ্খলার ওপর নির্ভর করেই চলত, এই অতীত-প্রজন্ম-নির্ভর গর্বোক্তিগুলি আমি করব না বলেই ঠিক করেছিলাম এই সেদিন পর্যন্তও। বিশেষত মূল্যবোধের যে ব্যাপারটা সব সময়ই প্রায় ঊর্ধ্বতন তৃতীয় প্রজন্মকে আহত করে, আমি সেখানেও ভেবেছিলাম যে, মূল্যবোধ তখন একভাবে ছিল এখন আর একভাবে রয়েছে, তাহলে মূল্যবোধ নেই বলছি কেন? এই রকম শতেক মহাকালের উপাদান যা আমাকে না আমারই মতো প্রায় বর্তমান-সহগামী মানুষকে এটাই ভাবতে সাহায্য করত যে, প্রজন্মের বিষমতাকে আমি কিছুতেই মনোমাঝে স্থান দেব না, সে আমারও যেন বর্তমান থেকে পতন ঘটছে—অনেক খারাপ যেমন আরও উদগ্র হয়ে উঠছে, তেমনই অনেক ভালোর প্রতিও আমি কি খানিক ঈর্ষ্যালু হয়ে উঠছি?

    এই প্রজন্ম ভেদে কালপ্রাপ্তির কথাটা মহাভারতের মতো মহাকাব্যে এত দার্শনিকভাবে উঠেছে এবং দার্শনিকতাও এত কাব্যিক যে আজকেও সেটা সবচেয়ে আধুনিক কল্পনা। মহাভারতে সত্যবতীর কথা মনে থাকবে আপনাদের। তাঁর মতো এত ব্যর্থ এক জননী অন্যদিকে ততটাই অব্যর্থ এক জননী দ্বিতীয় নেই। তাঁর সবচেয়ে বড়ো পরিচয়—তিনি স্বয়ং মহাভারতের কবি দ্বৈপায়ন ব্যাসের জননী। সেই কালে, যখন তিনি কৈশোরগন্ধী যৌবনা, সেই তখন যমুনায় নৌকো বেয়ে পরাশর মুনিকে পার করছিলেন। মাঝ-যমুনায় এসেই মুনি পরাশরের মধ্যে সেই বিস্ফোরণ ঘটল এবং ঘটল সেই পরম অভ্যুদয়। জন্ম হল দ্বৈপায়ন ব্যাসের—জয়তি পরাশরসূনুঃ সত্যবতী হৃদয় নন্দনো ব্যাসঃ।

    কন্যা-অবস্থায় এককালীন পুত্রের জন্ম দেওয়া সত্ত্বেও সত্যবতীর শরীর এবং মন এতটাই সরস এবং আধুনিক ছিল যে, হস্তিনাপুরের রাজা শান্তনু তাঁর প্রেমে পাগল হলেন, তাঁদের শর্তাধীন একটা বিয়ে হল এমনই যাতে যুবরাজ-প্রায় দেবব্রত ভীষ্মের প্রজন্মটাই স্তব্ধ হয়ে গেল, তিনি প্রজন্মের পর প্রজন্ম দেখার দীর্ঘতম আয়ু পেলেন—আমৃত্যু কর্মকর এক সাক্ষীর মতো। ওদিকে আশ্চর্যলক্ষণা সত্যবতী ভীষ্মের অনুরোধেই এবার কানীন পুত্র ব্যাসের কথা প্রকাশ করলেন এবং তাঁরই কাছে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বলেই ভীষ্ম যেহেতু বিচিত্রবীর্যের দুই রানীর গর্ভে পুত্র উৎপাদন করতে চাইলেন না, অতএব ভীষ্মের ইচ্ছা মেনেই তিনি পুত্র ব্যাসকে দিয়ে কুরুবংশের তন্তু বিস্তার করলেন। জন্ম হল ধৃতরাষ্ট্র, পাণ্ডু, এবং বিদুরের। অতঃপর যুধিষ্ঠিরাদি পাণ্ডবদের এবং দুর্যোধনাদি কৌরবদের।

    বয়সে ছোট বলেই পুত্রসমান ভাই সত্যবতীর পুত্র চিত্রাঙ্গদ এবং বিচিত্রবীর্যকেও যেমন ভীষ্মই মানুষ করেছিলেন, তেমনই পৌত্র-সমান ধৃতরাষ্ট্র-পাণ্ডু-বিদুরকেও তিনিই মানুষ করেছিলেন। অবশেষে তারও পরের প্রজন্ম দুর্যোধন-যুধিষ্ঠিরদের জীবনও তিনি পূর্ণমাত্রায় দেখে গেলেন সাক্ষী চৈতন্যের মতো। পর পর একাধিক প্রজন্ম দেখার ধৈর্য লাভ করলেও প্রজন্ম-ভেদের রহস্যটা কিন্তু ব্যাসই প্রকট করে দিয়েছিলেন সত্যবতীর কাছে এবং সত্যি বলছি—এত ভালো করে বলাটা মহাকাব্যের এই বিশালবুদ্ধি কবির পক্ষেই সম্ভব।

    ঋষি পরাশরের সঙ্গে মিলিত হয়ে কন্যাবস্থায় এক আর্ষ পুত্রের জন্ম দিয়েও সত্যবতী কিন্তু আর্ষ জীবন বেছে নেননি। তিনি ঋষির কাছে অক্ষত কুমারীত্বের বর চেয়েছিলেন। কৈবর্তের ঘর ছেড়ে তিনি রাজরানী হলেন, শান্তনুর পুত্রের জন্ম দিলেন আপন গর্ভে, কিন্তু অদ্ভুত তাঁর জীবনের পরিণতি। যে ভোগ বাসনা নিয়ে তিনি শান্তনুর ঘরে এসেছিলেন, যেভাবে স্বামী শান্তনুর মৃত্যুর পর নিজের হাতে তিনি নিয়ে এসেছিলেন হস্তিনাপুরের রাজনীতি, তাতে আরও বহুদূর তাঁর সিদ্ধহস্ত প্রসারিত হতে পারত। কিন্তু তাঁর গর্ভজাত সন্তান দুজনেই মারা গেলেন। সত্যবতী কি তাতে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলেন? হননি; তারপরেও বিচিত্রবীর্যের দুই রানীর গর্ভে যাতে সন্তান আসে সেই চেষ্টায় ব্রতী হয়েছেন তিনি। রাজনীতি এবং সূক্ষ্ম রাজনীতির বোধ এতটাই তাঁর করায়ত্ত ছিল যে, ভীষ্মের মতো এক ‘মেন্টর’-ও কিন্তু সত্যবতীর মত মেনে চলতেন সব সময়—সত্যবত্যা মতে স্থিতঃ।

    আপন তপস্বী পুত্র ব্যাসের প্রেরণায় সত্যবতীর ইচ্ছাপূরণ করে ধৃতরাষ্ট্র-পাণ্ডুর জন্ম হল বটে, কিন্তু পাণ্ডুও তো রাজ্য ত্যাগ করে চলে গেলেন শতশৃঙ্গ পর্বতে এবং সেটা যতখানি অন্তর্গত বৈরাগ্যবশত, তার চেয়ে অনেক বেশি জ্যেষ্ঠ এবং অন্ধ ধৃতরাষ্ট্রের রাজ্যলোভ পুষ্ট করার জন্য। শেষে পাঁচ ক্ষেত্রজ পুত্রের জন্ম দিয়ে পাণ্ডু তো মারাই গেলেন তাঁর অস্থায়ী পার্বত্য আবাসে। ধৃতরাষ্ট্র এবার পুরোপুরি রাজ্যে স্থলাভিষিক্ত। কেউ তাঁর রাজ্যাভিষেক করল না, কিন্তু তবু তিনি রাজা। ধৃতরাষ্ট্রের রাজ্যলোভ তাঁর পুত্র দুর্যোধনের মধ্যে সংক্রমিত হয়ে গেছে। তাঁর দুর্বিনীত আচরণের খবর তাঁর কানে এসে পৌঁছোচ্ছে। তবু সত্যবতী এই রাজসংসার চক্রে নাভিস্থানে বসে আছেন। এখন কেউ আর তাঁর অভিমত প্রার্থনা করে না। পিতামহ ভীষ্ম খানিক নির্দ্বন্দ্ব ভূমিকায়। তবু সত্যবতী মুখ ফুটে বলছেন না—তিনি বিরক্ত, তিনি রিক্ত।

    ঠিক এই রকম একটি দিনে—যখন পাণ্ডুর শ্রাদ্ধক্রিয়া শেষ হয়ে গেল, সত্যবতী বসে আছেন শোকমূর্ছিত হয়ে, সেই সময় ব্যাস এলেন জননী সত্যবতীর কাছে। বড়ো আকস্মিকভাবেই তিনি বললেন—মা! তোমার সুখের দিন শেষ হয়ে গেছে মা। সামনে যে দিন আসছে, সে একেবারে ভয়ংকর সব দিন, মা! তুমি সেদিন সইতে পারবে না—অতিক্রান্তসুখাঃ কালাঃ পর্য্যুপস্থিতদারুণাঃ। সামনে যেদিন আসছে, তাতে পাপের ওপরে পাপ জমতে থাকবে এই পৃথিবীতে। তোমার দেখা সেই পৃথিবীর যৌবন হারিয়ে গেছে, মা। এবার তুমি আমার সঙ্গে সেই বৈরাগ্য জগতে চলো, আর এখানে থাকা নয়—শ্বঃ শ্বঃ পাপিষ্ঠদিবসাঃ পৃথিবী গতযৌবনা।

    ‘পৃথিবী গতযৌবনা’—পৃথিবী তাঁর যৌবন হারিয়েছে, ঠিক এইখানেই প্রজন্মবৃদ্ধের সমস্ত আর্তি, সমস্ত রহস্য দার্শনিক সরসতায় ধরা পড়ে। আসলে বিরাট, বিশদ কালাশ্রিতা পৃথিবী কী কখনও তার যৌবন হারায়? কখনও না, পৃথিবী তাঁর যৌবন না, আমরাই পৃথিবীকে হারাই, আমার যৌবন সন্নদ্ধা পৃথিবী আমার প্রৌঢ়তা, আমার বৃদ্ধতা, আমার জরা-ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে আমার কাছ থেকে হারিয়ে যায়। তখনই আমরা বলতে থাকি—আমার কালে যা ছিল কত ভালো সব মানুষ কত ভালো সব স্বাদিষ্ট খাদ্য, কত ভালো সেই সব পরিবেশ! এখন যা চলছে, ঘোর কলি।

    প্রজন্মগত বৃদ্ধ এই কথাটা বুঝতে পারে না যে, পৃথিবী কখনো তার যৌবন হারায় না। যারা এখনকার কালের যুবক-যুবতী, তাদের কাছে পৃথিবী তাদের মতোই যৌবনবতী, সর্বতোসাহিনী শৃঙ্গারিণীর মতো। কিন্তু প্রজন্ম-বৃদ্ধের যৌবন যেদিন অতিক্রান্ত হয়, সেদিন তার পৃথিবীও যৌবন হারায়। আমার জোশ জৌলুশ ভাস্করতার অবক্ষয়ের সঙ্গে সঙ্গে আমার পৃথিবীর দীপ্তি-কান্তি-সৌন্দর্যও ম্লান হতে থাকে ধীরে ধীরে। সন্তানের সঙ্গে পিতার বয়সের যে পার্থক্যটুকু থাকে, কালের এই অন্তরটুকুই একজনের কাছে বিবর্ণ জড়তা বয়ে আনে, অথচ অন্যতরের কাছে সেই কালই আশা, অভিসন্ধি আর আস্বাদনের চর্বণা সৃষ্টি করে।

    এক প্রজন্মের পর অন্যতর প্রজন্মের সঙ্গে যে মতের মিল হয় না, সেখানে এই জগতের সতত প্রবহমানতাই সবচেয়ে বেশি দায়ী। বয়স্ক পিতা-মাতা এবং বৃদ্ধতর পিতামহ-পিতামহীরা যদি এই প্রবহমান কালের মধ্যে ভেসে থাকতে না পারেন, তাহলে পূর্বোত্তর প্রজন্মের মধ্যে বিবাদ অবশ্যম্ভাবী। মহাভারতে পিতামহ ভীষ্ম ইচ্ছামৃত্যু ছিলেন বলে প্রজন্মের পর প্রজন্ম তিনি দেখেছেন, কিন্তু একটা সময়ের পর থেকে তাঁকে আমরা অনেক উদাসীন দেখেছি। বিশেষত অন্ধ ধৃতরাষ্ট্র এবং দুর্যোধনের বাড়বাড়ন্তের সময় থেকে। রাজসভায় দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ-কালে পিতামহ ভীষ্ম বিদুরের অপমানটুকু বসে বসে দেখেছিলেন। দেখেছিলেন, পরবর্তী প্রজন্ম দুর্যোধন পূর্বতন বিদুরকে বলছেন—নিজের সম্মানটা নিজে বাঁচান, কাকা! আমাদের ব্যাপারে বেশি মাথা না ঘামালেই ভালো থাকবেন—যশো রক্ষস্ব বিদুর সম্প্রণীতং/মা ব্যাপৃতঃ পরকার্যেষু ভূস্ত্বম।

    ঠিক এই কথাটাই তো বৃদ্ধতর প্রজন্মের প্রতি পূর্বতনের শেষ কথা। দুর্যোধন বিদুরকে আরও বলেছিলেন—তুমি চিরকাল আমাদের উলটো কথা বলেছো, আমরা যেন সব বাচ্চা ছেলে, এইভাবে অপমান করো আমাদের। তাতে আমরা এটাই বুঝেছি যে, এতদিন আমরা একটা হিংস্র পশু কোলে নিয়ে বসে আছি। তোমার ব্যবহার ঠিক বেড়ালের মতো; যে বেড়াল পুষেছে, তার ঘরেই সে হিংসার কাজটা করে—মার্জারবৎ পোষকঞ্চেপহংসি। অতএব তুমি কথা বন্ধ করো, আমাকে কোনো শিক্ষে দিতে এসো না আর নিজেকেও কোনো আহা মরি ‘কর্তা’ বলে ভেবো না, আর কর্তা ভেবে আমাকে এসব খারাপ কথা বলারও চেষ্টা কোরো না—অহং কর্তেতি বিদুর মাবমংস্থা/ মা নো নিত্যং পরুযাণীহ বোচঃ।

    ভীষ্ম পিতামহ বিদুরের এই অপমানটা দেখেছেন এবং বুঝেছেন—এক প্রজন্ম থেকে আর এক প্রজন্মের আন্তরিক তফাত থাকলেও দুর্যোধনের মতো এতটা দুর্বিনীত প্রজন্ম ভীষ্ম দেখেননি। ফলত তিনি কিন্তু বিদুরের মতো উলটো কথায় তাঁর অপছন্দের কথাটা বলেননি। অনেক ক্ষেত্রেই তিনি বুঝিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন, অনেক ক্ষেত্রে মানিয়ে নিয়েছেন দুর্যোধনের সঙ্গে, আর ওই বস্ত্রহরণের সময় অধিকতর অপমানের ভয়ে দ্রৌপদীর উপযুক্ত প্রশ্নের উপযুক্ত জবাবটা তিনি এড়িয়ে গেছেন। ভীষ্মের মতো দীর্ঘায়ু হওয়ার সুবিধে এই যে, তিনি প্রজন্মের পর প্রজন্ম দেখতে পেয়েছেন এবং দেখতে পেয়েছেন যে দুর্যোধন যেমন একটা প্রজন্ম তেমনই যুধিষ্ঠিরও একটা প্রজন্ম। কালের গতিতে ভালোমন্দের চেহারা পালটায়।

    সবচেয়ে জব্বর কথাটা বলেছেন কবি ভর্তৃহরি এবং পিতা-পুত্র-পিতামহের প্রজন্ম পরিবর্তনের সঙ্গে সেই কথাটার সম্পর্ক এতটাই তটস্থ দার্শনিকের মতো যে, উত্তরোত্তর প্রজন্মের আচার-ব্যবহার এবং কথা অনেক সযৌক্তিক হয়ে ওঠে। ভর্তৃহরি বলেছেন—আমরা যা কিছু ভোগ করেছি বলে ভাবছি, সেটাকে এমনও ভাবা যায় যে, আমাকে বা আমাদেরই ভোগ করে নেওয়া হয়েছে—ভোগা ন ভুক্তা বয়মেব ভুক্তাঃ। আর এই যে ভাবছি, সময় চলে গেল খারাপ সময় আসছে, সেটা এক্কেবারে ভুল। আসলে কাল হল সেই নিত্য পদার্থ যার আসা-যাওয়া নেই কোনো, ফলে সময় চলে গেল বলে যে হা-হুতাশ করি আমরা, ঘটনা ঠিক তার উলটো—সময় চলে না, আমরাই চলি। কাল যায় না, আমরাই যাই—কালো না যাতো বয়মেব যাতাঃ। তাই আমরা যে বলছি—আমাদের প্রজন্মে সব ভালো ছিল, এই প্রজন্মে সব খারাপ—সেটা দার্শনিক ভাবেই অসিদ্ধ। আসলে আমার ভালো পৃথিবী নিয়ে আমি চলে গেছি। তোমার ভালো পৃথিবী এসেছে তোমারই সঙ্গে যৌবনসরসা হয়ে।

    আমি যে ভেবেছিলাম, চশমা নিয়েও আমি পা মেলাবো এই চলমান নতুন জীবনের সঙ্গে, অন্তত মনে মনে থাকব নতুন, মেনে নেব নতুনের ইস্তেহার। কিন্তু দেখলাম, সেটা হয় না। পা তো মেলাতে পারিই না, কেননা নব্য যুবকের দ্রুতপদী চরণ-চারণার তুলনায় আমার পদ-চারণা ধীর, অচঞ্চল এবং শারীরিক ব্যতিপাত যাতে না ঘটে, সেই কারণেই দৃঢ়। যদি বলি—ঠিক আছে শরীর চলুক তার আপন চালে, আমার মন চলুক এই শত শত তরুণ-তরুণীর মনোবাক্য-বুদ্ধি-অহংকারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে। দেখলাম, সে চলার মধ্যেও একটা ভালোর সঙ্গে আরেকটা ভালো মেলে না, প্রাচীন পঁচিশ বছর আগের ভালোর সঙ্গে এখনকার চলমান ভালোটা মিলছে না। আসলে ভালো-র সংজ্ঞাটা নির্ধারণ করার অধিকার আমাদের কারও হাতে নেই, সময় বা কালই বোধহয় সেই দার্শনিক অধিকারী যে সময় এবং সময়ান্তরের ভালোটাকে পর্যায়ক্রমে নির্ধারণ করে চলে। কিন্তু সে নির্ধারণ আমাদেরই চলার নির্ধারণ, আমাদেরই পর্যায়-কালের নির্ধারণ—সময় দাঁড়িয়ে আছে স্থির এক সাক্ষী-চৈতন্যেরা মতো—আখির ইয়ে ওয়ক্ত, কেয়া হ্যায়? কাঁহা সে আয়া, কিধার গয়া হ্যায়, ইয়ে কবসে কবতককা সিলসিলা হ্যায়? ইয়ে ওয়ক্ত কেয়া হ্যায় আখির?

    তার মানে, এই বুড়ো বয়সে বড়ো আধুনিকমনা হয়েও আমি কিন্তু সমস্যার কোনো সুমীমাংসা করতে পারি না। কেননা মহাকাশ কতগুলি চিরসত্য কোলে নিয়ে একই জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকে, মাঝখান দিয়ে আমার চোখে চশমা এসে জানান দেয়—সত্য বস্তুটাকে তুমি কিন্তু তোমার কালের চলমানতা দিয়ে বিচার করছো, অথচ তোমার কালের চলমানতা তোমার কালেই স্থির হয়ে গেছে। সেখানে জায়গা গিয়েছে অন্য এক চলমান স্থির। সেই কবি খুব ভালো লিখেছিলেন কথাটা। বলেছিলেন—

    একটা চলতি গাড়ি থেকে আমি দেখছিলাম—অনন্ত বৃক্ষরাজি পাশ দিয়ে সরে সরে যাচ্ছে, অথচ সব চেয়ে বড়ো সত্য তো এই যে সমস্ত গাছই এক জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে, আমিই চলছি শুধু, চলতে চলতে ফুরোচ্ছি—

    মগর হকিকতমে পেড় অপনি জগহ খড়ে হ্যায়,
    সারি সদিয়াঁ কতার অন্দর কতার অপনি জগহ খড়ি হো,
    ইসে ওয়ক্ত সাকিত হো ঔর হম হি গুজর রহে হো,…
    …সফরমেঁ হম হ্যায় গুজরতে হাম হ্যায়।
    জিসে সমঝতে হ্যায় হম গুজরতা হ্যায়, উয়ো থমা হুয়া হ্যায়,
    আখির ইয়ে ওয়ক্ত কেয়া হ্যায়, কেয়া হ্যায় আখির।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাঙালীর ইতিহাস (আদিপর্ব) – নীহাররঞ্জন রায়
    Next Article মহাভারতের ছয় প্রবীণ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    Related Articles

    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    কথা অমৃতসমান – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    মহাভারতের ভারতযুদ্ধ এবং কৃষ্ণ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    কলিযুগ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    মহাভারতের অষ্টাদশী – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    চৈতন্যদেব – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    দেবতার মানবায়ন : শাস্ত্রে সাহিত্যে ও কৌতুকে – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }