Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পুরাণী – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী এক পাতা গল্প516 Mins Read0
    ⤶

    পৌরাণিক আড্ডাখানা

    প্রাচীনকালের রীতিনীতির সঙ্গে যাঁদের কিঞ্চিৎ পরিচয় আছে তাঁরা মনু-মহারাজকে চেনেন না—এ হতে পারে না। মানবজীবনের সম্ভাব্য-অসম্ভাব্য সমস্ত বিষয়েই নির্দিষ্ট বচন দেওয়া মনু-মহারাজের ব্যক্তিগত অভ্যাস, যদিও তিনি নিজে কোনও বচন সহ্য করতে পারেন না। তাঁর মতে বৃদ্ধেরা ধর্মকথা বলতে পারেন, ব্রাহ্মণেরা উপদেশ দিতে পারেন, কিন্তু উলটে ঐ ধর্মকথাই যদি কোনও শূদ্র ব্রাহ্মণকে বলে তবে সেটি হবে ঔদ্ধত্য এবং তার কানে-মুখে গরম তেল ঢালার ব্যবস্থা। মেয়েদের বাপ-ভাই, স্বামী এবং ছেলে ছাড়া অন্য পুরুষের সঙ্গে কথা বলা মানেই ঘৃতাগ্নি সমিন্ধনের ব্যবস্থা করা। আবার ধরুন, কোনো ব্রহ্মচারী যুবক প্রচুর সাবিত্রীমন্ত্র জপ করে ক্লান্ত হয়ে কিঞ্চিৎ গুষ্টিসুখ অনুভব করার আয়োজন করছে, ব্যাস, মনু একটি জব্বর বচন দিয়ে তাকে একেবারে প্রাচীন বংশমণ্ডপের আড়ালে সাবিত্রীগৃহে পাঠিয়ে দেবেন। ক্ষেত্রবিশেষে যুবকদের মনে মনে কথা বলাতেও মনুর বারণ আছে। যেমন ধরুন, গুরুগৃহে কোনো বিংশতি বর্ষীয় যুবক মনুরই বচন অনুসারে যুবতী গুরুপত্নীর চরণ-বন্দনা করতে গেছেন। নিরীহ শিষ্য কোনো কথাও বলেনি, ভাবখানা শুধু—’ও দুটি চরণ শীতল’ জানিয়া শরণ লইনু আমি।’ কিন্তু হায়, এই মনে মনে এতটুকু কথাও নিষ্ঠুর মনু সহ্য করেননি; তিনি নিজেরই বচন নিজে অ্যামেন্ড করে বললেন—গুরুপত্নী যুবতী হলে চরণ বন্দনার কোনো প্রয়োজন নেই, কারণ এই পাদস্পর্শের গুণ এবং দোষ কি তা নাকি ঐ শিষ্য জানে। মনুর অজস্র কড়া কড়া বচনের ভাবে বুঝি বৃদ্ধ ব্রাহ্মণদের ধর্মকথা এবং সদ্যোজাত শিশুর কান্না ছাড়া অনর্থক কথা বলা মানেই মনুর কুনজরে পড়া, যা আমরা সকলেই পড়ে গেছি।

    কিন্তু এ যুগের কবি রবি ঠাকুর ‘মনুর শাস্ত্র শুধরে দিয়ে নতুন বিধান’ জারি করেছেন। কবির দুঃখ—”উপদেশের কথা যে রাস্তা দিয়া চলে মনুর আমল হইতে তাহা বাঁধা” এবং তাঁর মতে বাজে কথাতেই যেহেতু ”মানুষ আপনাকে ধরা দেয়”, তাই আমরা মনুকে মাথায় রেখে শিবঠাকুরের আপন দেশেই যে কত রকম সর্বনাশা আড্ডাখানা ছিল তার খোঁজেই বেরিয়ে পড়েছি।

    মনুকে আমরা যতই উড়িয়ে দিই না কেন, আদিমানব মনুর কাছে আমাদের ঋণের অন্ত নেই। কেননা আমরা যাকে আড্ডা বলি সে কথাটি প্রায় তাঁরই সৃষ্টি। আড্ডা কথাটি যদি সংস্কৃত অট্যা>অট্টা—এর থেকে এসে থাকে তবে বলব মনু ব্যবহার করেছেন ‘বৃথাট্যা’ শব্দটি, যার মানে বৃথা ঘোরাঘুরি। আমরা জানি, অনর্থক ঘুরে বেড়াতে বেড়াতে অবশ্যই আড্ডার প্রবৃত্তি আসে। অবশ্য আরও মজার কথা হল সংস্কৃতে ‘অডড’ বলেও একটি ক্রিয়া আছে যার অর্থ অভিযোগ, তর্ক, ঘোঁট পাকানো। পণ্ডিতেরা বলেন বেদে ব্যবহৃত অত ধাতু অট ধাতুর (যার থেকে অট্যা) পূর্বসূরি, ঠিক সেইভাবে অড্ডা ধাতু, অট ধাতুর উত্তরসূরি নয়তো?

    ভাষাতত্ত্বের কচকচি থাক, আসল কথা আজকের দিনের আড্ডার মধ্যে যে আমেজটুকু আছে তা যেমন শুধু খোশগল্পই নয়, আবার শুধু চরে বেড়ানোও নয়, শুধু তক্কাতক্কিই নয়, আবার শুধু ঘোঁট পাকানোও নয়—অথচ সত্যিকথা, এ সব কিছুই, তাই আডডা হল অত অট, অডড—এসব কিছুর যোগফল। একটা ঠিক, সুপ্রাচীন বৈদিকযুগে আডডার আজকের রূপটি মোটেই ধরা পড়বে না, তবে সেকালের গণ্ডিতে তাঁদের নিজেদের মতো করে এক ধরনের আড্ডা বৈদিক মানুষেরাও দিতেন। কেউ যদি বলেন বৈদিকযুগে আবার আড্ডা—এতো বড় অশাস্ত্রীয় কথা, তবে আমরা বলব, জীবন মনুর মতে চলে না, শত শত মন্ত্রোচ্চারণের মাঝে যখন যজ্ঞধূমে ঋষিদের দৃষ্টি হত অকূল, তখন মন্ত্রের সুর হয়ে যেত হালকা, আর মেজাজটাও হত কিঞ্চিৎ লঘু। ভাবুন তো এক বছর ধরে যে সত্রযাগ চলবে, তার এক ফাঁকে যদি ঋষিরা বৃষকপি সূক্তের যৌন কথাবার্তাগুলি উচ্চৈঃস্বরে পড়তে থাকেন তাহলে দোষ দেব কি! দোষ দেব না তবুও যদি কুন্তাপ সূক্তের নরনারী সম্পর্কিত অশ্লীল কথাগুলি সত্রযাগেই চলে। অশ্বমেধের এলাহি কাণ্ডকারাখানার মধ্যে পাটরানী যদি যজ্ঞীয় অশ্বের সঙ্গে মিলনরূপকে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন তবে ঋষিরাই লঘু ছন্দে নিন্দা-প্রতিনিন্দায় অংশ নেন পাটরানীর সঙ্গে। বলতে পারি এতো আড্ডা নয়, এ শুধু হালকা সুরে কথা কওয়া, তাহলে সত্রযাগের মহাব্রত অংশে যেখানে মেয়েরা মাথায় কলসি নিয়ে নাচছে, সঙ্গে চলছে গান-বাজনা, এক ব্রাহ্মণ সামনে বসে থাকা এক শূদ্রকে যথেচ্ছ গালাগালি দিচ্ছে, সেই শূদ্র আবার ব্রাহ্মণের চরিত্র তুলে তাকে নাস্তানাবুদ করছে—এ সব কিছুই কিন্তু ঋষিদের সামনেই হত এবং আমরা কি বিশ্বাস করব যে তাঁরা এই অনর্থক কথালাপে অংশগ্রহণ করতেন না; আমাদের বিশ্বাস, অবশ্যই করতেন কেননা তাহলে মহাব্রত অংশে এমন নিয়ম কেন যে, এগুলো করতেই হবে। আসলে ঋষিরাও তো মানুষ, গভীর মন্ত্রোচ্চারণের মধ্যে রসালাপের এই লঘু ছন্দ তাই স্বাভাবিক। এমনকী এ যুগের বন্ধুবান্ধবদের আড্ডাখানায় যেমন ধাঁধা চালাচালি হয়, তেমনি যজ্ঞশেষে এক ঋষি বলছেন—বলতো, কে একাকী চলে, আর কেই বা পুনরায় জন্মায়? অন্যজন বললেন, ”সূর্য একাকী চরতি, চন্দ্রমা জায়তে পুনঃ।” বেশ বুঝি, এসব ধাঁধা নিতান্তই নিরীহ, কিন্তু তবুও এগুলাকে আড্ডার আঙ্গিকের মধ্যে ধরতে হবে বইকি! তবে একথাও ঠিক, মুনিঋষিরা খাপছাড়াভাবে যতই আড্ডার মেজাজে থাকুন না কেন, আড্ডার একটা নির্দিষ্ট চেহারা এযুগে খুঁজে পাওয়া মুশকিল, যদিও হাইনরিখ জিমারের মতো পণ্ডিত দেখিয়েছেন যে, বৈদিকযুগের ‘সভা’ শব্দটির মধ্যেই এ যুগের আড্ডাখানা তথা ক্লাব-হাউসের মূল লুকিয়ে আছে। জিমারের ধারণা সরকারি কথাবার্তা শেষ হলেই আড্ডার একটা মেজাজ চলে আসত। সভায় যে আড্ডা জমত তার আরও একটা প্রমাণ হল, পরবর্তীকালে বাৎসায়ন বলেছেন সমাজের ভালো মেয়েরা আড্ডা দিতে গেলে সেটা সমাজের চোখে পছন্দসই ছিল না। ঠিক এই কথার একইরকম প্রতিধ্বনি শুনতে পাই একটা বৈদিক বাক্যে—তস্মাৎ পুমাংসঃ সভাং যান্তি, ন স্ত্রিয়ঃ। ‘সভা’ শব্দের এই প্রয়োগে বুঝি আড্ডা ছিল, আড্ডা আছে—সে সভাতেই হোক কিংবা সমাজে, বেশ্যাগৃহেই হোক কিংবা বিদগ্ধ নাগরকের আপন গৃহে, কেননা বাৎস্যায়ন এই সব জায়গাতেই আড্ডার বন্দোবস্ত করেছেন ভালোভাবে। বৈদিক যুগের ঠিক পরেই কিন্তু একটি সার্থক প্রতিশব্দ পাই, যার নাম গোষ্ঠী। গেলডনার কিংবা হুইটনী এই শব্দের জের টেনেছেন ‘গোষ্ঠ’ থেকে আর সর্বশেষে সৈয়দ মুজতবা আলি সাহেব গুষ্টিসুখের রস—কীর্তন করে বুঝিয়ে দিয়েছেন—আড্ডার সঙ্গে গোষ্ঠীর তফাত নেই কোনো। গোষ্ঠী অর্থে সমাজ কথাটি অবশ্য আরও পুরানো, কেননা পালিগ্রন্থ ছুল্লবগ্গ কিংবা সিগালবাদ সূত্ততে দেখা যাবে যে, যাকে আমরা সমাজ (পালি সমাজ) বলি তাতে নাচ-গানের ব্যবস্থা ছাড়াও গল্প করা (অকখান) ম্যাজিক দেখানো—এ সব ব্যবস্থাই আছে। খোশগল্পের এই সমাজটি আসলে যে আড্ডাখানা তার প্রমাণ হল, মহাভারতের কুরুবৃদ্ধ পিতামহ রাজনীতির উপদেশে বলেছেন—বহিঃশত্রুর চরদের খুঁজে বার করতে হলে ঢুঁড়তে হবে এই সমাজগুলোতে, কেননা বুদ্ধিমান চরেরা মিলে মিশে থাকে এই সব আড্ডাখানায়। সমাজ আর গোষ্ঠী যে একই কথা সে বিষয়ে আরেক প্রমাণ হল—অমরকোষ এই শব্দ দুটিকে একই পর্যায়ে ফেলেছে, কথাটি অবশ্য সমাজ নয়, সমজ্যা। সভা, সমাজ, গোষ্ঠী—শব্দ পেলাম অনেক; মজায় মেজাজে আজকের আড্ডাখানার সঙ্গে গোষ্ঠীর যে কোনো বেমিল নেই তা বলে দিয়েছেন হর্ষচরিতের টীকাকার শংকর। সমান বিদ্যা, সমান বিত্ত, সমান চরিত্র, সমান বুদ্ধি এবং সমান বয়সি লোকেদের, এক জায়গায় বসে আলাপই হল গোষ্ঠী—আড্ডাও কি তাই নয়।

    মানুষ যেমন হরেকরকম, তাদের আড্ডাও তেমনি হরেকরকম। ঋষিরা যেখানে শাস্ত্রগোষ্ঠী করবেন সেখানে কথাগোষ্ঠী হবে না, আবার যেখানে নৃত্যগোষ্ঠী হবে সেখানে অস্ত্রশস্ত্রের কসরৎ দেখিয়ে বীরপুরুষেরা বীরগোষ্ঠী করতে পারবেন কি? পুরাকালে মুনি ঋষিদের যে শাস্ত্রগোষ্ঠী ছিল তাতে যদিও ধর্মকথাই প্রধান ছিল তবুও ঠাট্টা-ইয়ার্কি যে একেবারেই চলত না তা মোটেই নয়। রাজর্ষি জনক যখন ব্রহ্মজ্ঞদের শাস্ত্রসভায় ঘোষণা করেছিলেন শ্রেষ্ঠ ব্রহ্মবিৎ দান পাবেন শতসহস্র গোরু, মহর্ষি যাজ্ঞবল্ক্য তখন বিনা বাক্যে শিষ্যকে বললেন গোরুগুলি সংগ্রহ করতে। সমবেত ব্রাহ্মণেরা হইহই করে বললেন, ”কে হে তুমি নিজেকে শ্রেষ্ঠ ব্রহ্মবিৎ বলে জাহির করছ।” যাজ্ঞবল্ক্য লঘু সুরে বললেন, ”ঠাকুর তোমার পায়ে নমো নমঃ, আমার আসলে গোরুগুলোই দরকার—নমো বরং ব্রহ্মিষ্ঠায় কুর্ম্মো গোকামা এব বয়ং স্ম।” এই লঘু কথার শেষ কিন্তু কট্টর শাস্ত্রালোচনাতে—যার পরিণতি বৃহদারণ্যকের একাংশ।

    শাস্ত্রগোষ্ঠীর গাম্ভীর্য আর কাব্যগোষ্ঠীর মাধুর্য নিয়েই গড়ে উঠেছিল বিদ্যাগোষ্ঠী কিংবা বিদগ্ধগোষ্ঠী। মহাকবি বাণভট্ট রাজা হর্ষের সঙ্গে পরিচয়ের আগে রাজভ্রাতা কৃষ্ণের কাছ থেকে আমন্ত্রণ পেলেন, রাজসভায় যাবার জন্য। কৃষ্ণ ছিলেন বাণের গুণমুগ্ধ, কাজেই মেখলকের মাধ্যমে যখন আমন্ত্রণ এল তখন বাণ ভাবলেন—এখন কি করি, একদিকে নিষ্কারণ বন্ধু কৃষ্ণের আমন্ত্রণ অন্যদিকে রাজকুল—সে বড় কঠিন জায়গা। রাজা-মহারাজের অনুবর্তিতা—সেও বড়ই কষ্টের। না আছে বংশগৌরব, না আছে পূর্বপুরুষের জমিয়ে রাখা রাজ্যপ্রীতি। না আছে বিদ্যা, না জানা আছে বিদ্বদগোষ্ঠীতে কাব্য বাঁধার কৌশল—ন বিদ্বদগোষ্ঠী-বন্ধবৈদগ্ধ্যম! বাণভট্টের এই অভিমানের মধ্যে সেকালের বিদ্যাগোষ্ঠীর ক্রিয়াকলাপ খানিকটা বোঝা যায় বইকি। একালের দিনে কবিসম্মেলন হয় জানি, সেকালের কবিদের কাব্যগুলি সহৃদয় বিদ্যাগোষ্ঠীর বৈদগ্ধ্যের নিকষে বিচার করা হত। কিছু উদ্ভাবনীশক্তি কিংবা কাব্য আলোচনার ক্ষমতা না থাকলে বিদগ্ধগোষ্ঠীতে আমল পাওয়া যেত না, কেননা মহাকবি দণ্ডী লিখেছেন কবিত্বশক্তি যাঁদের অল্প তাঁরাও যদি অনলস যত্ন করেন কবিতা-সরস্বতীর আরাধনায়, তাহলে তাঁরাও বিদগ্ধগোষ্ঠীতে বিহার করতে পারেন। এই সব বিদগ্ধগোষ্ঠীর পৃষ্ঠপোষকতা করতেন রাজা-মহারাজারা, কখনও বা বিশিষ্ট নাগরিক, এমনকি—রুচিশীলা বিদগ্ধা মহিলারাও। অবন্তীসুন্দরী কথায় দেখেছি এক উৎসবের দিনে এমনই এক বিদগ্ধগোষ্ঠীতে কাব্যচাতুর্যের পরিচয় মিলছে অনুচ্চার্য শব্দের মেলবন্ধনে, যাকে পরিভাষায় বলে, দুর্বাচক যোগ, আরও ছিল ম্লেচ্ছাক্ষরে তৈরি কবিতা, প্রহেলিকা, কাব্যবন্ধের আরও নানা কৌশল।

    দশকুমারচরিতের রাজপুত্রেরা এক বছর পরে নিজেরা এক জায়গায় বসে নিজেদের যাবতীয় পুরানো অভিজ্ঞতার কথা, ঘটনা-দুর্ঘটনার কথা যেভাবে বলেছিল তাকে কথাগোষ্ঠী বলতে অসুবিধে নেই। কথাগোষ্ঠীতে শুধুই গল্প আর গল্প। কাল্পনিক, ঐতিহাসিক, ব্যবহারিক কোনো গল্পই বাদ যায় না। পাঠক যদি দণ্ডীর অবন্তীসুন্দরী কথার নাম শুনে থাকেন, তবে বলব এটি কথাগোষ্ঠীরই ফল।

    গোষ্ঠী আছে আরও, তাতে যাত্রী আছে নানা—কারও গান ভালো লাগে, কারও নাচ, কারও বা কিঞ্চিৎ পান-ভোজন। মনে আছে মৃচ্ছকটিকের সেই নায়কটির কথা যে রাত্রিশেষে ফিরছিল গান শুনে আর গাইয়ের নাম ধরে বাহবা দিচ্ছিল বন্ধু মৈত্রেয়র কাছে—বেড়ে গেয়েছে ভাই রেভিল ঠাকুর। মৈত্রেয় ঠাট্টা করে বলল—আমার বাপু দুটো জিনিসে হাসি পায়। মেয়েমানুষ যখন সংস্কৃত পড়ে আর পুরুষমানুষে যখন গান গায়। মেয়েমানুষ যখন সংস্কৃত পড়ে তখন নতুন-দড়ি-পরানো নতুন বিয়োনো গাইটার মতো সু-সু শব্দ করে আর পুরুষমানুষ যখন গান গায় তখন মাথায় শুকনো জুঁই ফুলের মালা-জড়ানো বুড়ো পুরুতের মন্তর পড়ার মতো শোনায়। এই ঠাট্টায় উত্তেজিত হবার লোক নন চারুদত্ত, কাজেই সংগীতগোষ্ঠীর শেষ রাগিণীর রেশটুকু ধরে বলেই চললেন চারুদত্ত, বলেই চললেন।

    গানের জলসা যেমন, তেমনি ছিল নাচের আসর এবং এতে নাচ-গান দুই চলত। দশকুমারের অপহারবর্মা যেখানে হাজারো নাগরিকের মধ্যে রাগমঞ্জরীর নাচ দেখতে গিয়েছিল, দণ্ডী সেই জায়গার নাম বলেছেন পঞ্চবীরগোষ্ঠী, যার অর্থ সর্বসাধারণের আড্ডাখানা—তৎপঞ্চবীরগোষ্ঠন্তু যত্তু জানপদংসদঃ—রামায়ণে একেই বলেছে জনপদসমাজ। এখানে ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শূদ্র এবং নিষাদ—কেউ কারও জাতের জন্য উৎকর্ষ কিংবা অপকর্ষবোধ করত না; এ ছাড়া শুধুই নাচের জন্য নৃত্যগোষ্ঠীর উল্লেখ পাই বাণের হর্ষচরিত। আজকের দিনে নাচ, গান এবং গান যেহেতু অনেকক্ষেত্রেই অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত, তাই এই উত্তরাধিকারের কারণ জানতে হলে আমাদের সাক্ষী মানতে হবে সদা সত্যাশ্রয়ী বুদ্ধদেবকে। এই মহাপুরুষ নাকি এক সোনার সকালে শ্রাবস্তীতে প্রবেশ করে দেখেন গোষ্ঠীপ্রেমিক পুরুষেরা মদের নেশায় প্রায় বেহুঁশ হয়ে বীণা আর মৃদঙ্গের লহরা বাজাচ্ছে, আর তাদের গায়ে-কাপড়ে চেপটে রয়েছে কমলকলির দল—নেশায় উত্থান-পতনের ফল আর কি। অবদানশতকে ভগবান বুদ্ধের সামনে এ ঘটনা না ঘটলেই ভালো হত কিন্তু সত্যি কথা বলতে কি মদের আড্ডার গুণ অনেক। বন্ধু হয় তাড়াতাড়ি—মজামৌজ নির্ভেজাল। একথা কালিদাস পর্যন্ত বুঝেছিলেন না হলে অমন যে স্ট্যাটাসওয়ালা রাজার শালা, সেও জেলের সঙ্গে বন্ধুত্ব-পাতানোর জন্য মদের দোকানে ঢুকেছে। বেমালুম ভুলে গেল একটু আগে এই জেলেকেই সে চরম অপমান করেছে রাজার আংটি নিয়ে, আর এখন বলে নাকি—আজ থেকে তুমিই ভাই আমার বন্ধু, আর আমাদের প্রথমসখ্যের সাক্ষী হবে মদ। এই একই কালিদাসের প্রশ্রয়ে রঘু সৈনিকেরা কলিঙ্গ জয় করে রাস্তার মধ্যেই মদের আড্ডা জমিয়েছে, এমনকী উপযুক্ত পানপাত্রের অভাব থাকায় কালিদাস স্বয়ং তাম্বুল দলে পানপাত্র তৈরি করে হাতে তুলে দিয়েছেন নারিকেলের আসব। এ যুগের মদের আড্ডায় মদের গেলাসে প্রিয়তমার মুখচ্ছবি দেখতে পাওয়া যায়, কিন্তু শিবের বিয়ের আগে হিমালয়ের রাজধানী ওষধিগ্রন্থের পানগোষ্ঠীতে নিরীহ কালিদাস পানপাত্রে প্রতিফলিত দেখেছেন আকাশের তারা। রাজসভার কবি। ভাবে বুঝি পানগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতা থাকা অসম্ভব নয়।

    একটু ভিন্নরুচির আড্ডায় যখন চলেই এলাম তবে এই সঙ্গে তাস-পাশার আড্ডাও সেরে নেওয়া যাক। তাসপাশার আড্ডা বড় সর্বনেশে আড্ডা। বৈদিক অক্ষসূক্তের বিখ্যাত সেই পাশারুর কথা ছেড়েই দিলাম, আমরা হলফ করে বলতে পারি স্বয়ং ধর্মরাজ যুধিষ্ঠির নিয়মিত পাশার আড্ডায় যেতেন, কেননা শকুনির কাছে ভাই-বউ-রাজ্য-সম্পদ খুইয়ে তাঁর কোনো লজ্জাই হয়নি। গালাগালিও খেয়েছেন যথেষ্ট, কিন্তু বিরাট রাজার সভায় অজ্ঞাতবাসের কথা যখন উঠল, পাশা-না-খেলার দুঃখে ধর্মরাজ বললেন, ”আমার নাম হবে বেশ কঙ্ক, আমি বেশ পাশা খেলব বিরাট রাজার সঙ্গে।” নেশাটি ঝালিয়ে নেবার এই অসামান্য সুযোগ যুধিষ্ঠির ছাড়েননি এবং বারো বচ্ছর পরেও কৃষ্ণ এবং লোহিতবর্ণের অক্ষগুটিকা যথাস্থানে সন্নিবেশ করার জন্য তাঁর মন আঁকুপাঁকু করছে। নিজেকে দ্যূতপ্রিয় ব্রাহ্মণ সাজাতে বউ-ভাইয়ের সামনে একটুও লজ্জা হয়নি। তবে যুধিষ্ঠিরকে দোষ দিয়ে লাভ নেই, পাশার আড্ডার নেশা পুরোপুরি বৈদিক, কেননা স্বয়ং পুরোহিত-যজমানের সঙ্গে পাশাখেলায় মেতে উঠতেন এবং তাও একটি গোরু বাজি রেখে। আবার এই আড্ডা নাকি সভ্যাগ্নি স্থাপনের একটি অঙ্গ। বৈদিক সভাশব্দের মানেই অনেকে করেছেন পাশাখেলার আড্ডা আর এ আড্ডা এমনই জমপেশ ছিল যে এই আড্ডাখানা চালানোর জন্য নির্দিষ্ট মালিক থাকতেন, সায়নাচার্য যার নাম খুঁজে বার করেছেন ‘সভাবিন’ বলে। পরবর্তীকালের আড্ডাখানার মালিক সভিকের সঙ্গে এই শব্দের কোনো মিল আছে কিনা ভাষাতাত্ত্বিকরা তা খুঁজে বার করুন, কিন্তু তাকে ধাওয়া করতে দেখব মৃচ্ছকটিকের এক পাকা জুয়াড়ি সংবাহকের পেছনে। পাশাখেলাকে কেন্দ্র করে যেহেতু জুয়োর আড্ডা চলে এবং উড়ো টাকার লেনদেন হয় তাই সেকালের রাজারাও সুযোগ বুঝে কামিয়ে নিলেন কিছু এবং সেই হিস্যা আদায়ের জন্যই রাখা হত সভিককে। মৃচ্ছকটিকের দুর্দান্ত সেই পাশার আড্ডার স্বাদ যাঁরা পাননি, তাঁদেরকে প্রাথমিক শিক্ষার জন্য অনুরোধ করব দণ্ডীবর্ণিত চম্পানগরীর সেই দূতসভায় যেতে, যেখানে অক্ষধূর্তেরা পঁচিশ কিসিমে পাশা খেলে। তা ছাড়া শেখা যাবে দান ফেলার কায়দা, প্রতারণা, অশ্লীল কথা, সগর্ব আস্ফালন, রাগ দেখানো। অক্ষনিপুণরা এখানে ভালো দানে বাহবা দেবে, নিজের দলে টানবে। এখানেই অপহারবর্মা একজনের ভুল দান ফেলা দেখে হেসেছিল আর-সঙ্গে সঙ্গে প্রতিপক্ষ বলল—’হেসে দান শেখানো হচ্ছে, তবে এই আনাড়ীকে বাদ দিয়ে তোর সঙ্গেই খেলব।’ এই পাশায় অপহারবর্মা জিতেছিল ষাট হাজার দিনার, সেই সঙ্গে ভালো খেলার জন্য স্বয়ং সভিকের বাড়িতে ‘লাঞ্চ’ খাওয়ার নিমন্ত্রণ।

    অপকর্মের আরেক আড্ডাখানা হল বিটগোষ্ঠী। বিট হল সেই, যে শৌখিনতার দরুন টাকাপয়সা খুইয়েছে, কিন্তু মানুষটি গুণী, অনেক কলায় অভিজ্ঞ এবং আড্ডাখানায় কথা কইতে পারে অপূর্ব। বিট কথাটি পূর্বে খারাপ অর্থে ব্যবহৃত হত না কেননা বাণের মতে হর্ষের রাজধানীকে বিদগ্ধ পুরুষেরা নাকি বিটগোষ্ঠীর সবচেয়ে উপযুক্ত জায়গা বলে মনে করতেন। পরবর্তী সময়ে এই বিটেরাই কিন্তু সংযোগ ঘটাতে আরম্ভ করে নাগরিকের সঙ্গে গণিকার। বাংলাভাষায় বিটলে, বিটলেমি—এই শব্দগুলি বিটদের দয়ায় তৈরি কিনা জানি না, তবে মহাকবি ভাস তাঁর নায়ক অবিমারককে রাত্রির রাজপথে বার করে আমাদের হদিশ দিয়েছেন শৃঙ্গাটকস্থ সেই বিটসভার। শৃঙ্গাটক মানে চৌরাস্তার মোড়, যেখানে বাস বিটগোষ্ঠীর রসিক পুরুষেরা মনের মানুষের খবর দিতেন।

    হরেকমানুষের হরেক রকম আড্ডাখানা পেলাম কিন্তু এর কোনোটাতেই আমাদের মতো মানুষের রসদ মেলা ভার। আমরা যারা অনর্থক রসালাপে গুষ্টিসুখ অনুভব করতে চাই তাদের ফিরে তাকাতে হবে চতুষ্পদের সেই সব সন্ধিস্থলে যেখানে সমান বয়সি, সমান বিত্তবুদ্ধির বন্ধুবান্ধবেরা একসঙ্গে আড্ডা জমিয়েছে। বাৎস্যায়ন বলে দিয়েছেন কারও বিদ্যেবুদ্ধি বেশি থাকলেও এখানে সংস্কৃত ভাষা খেলিয়ে আঁতলামির চেষ্টা করা চলবে না, আবার চলবে না একেবারে দেশিভাষাও যাতে আড্ডার সমতা নষ্ট হয়। বিকেলবেলা একটু সেজেগুজে বেরিয়ে পড়লেই হল—গৃহীত-প্রসাধনস্যাপরাহ্নে গোষ্ঠীবিহারাঃ। এ এমনই এক নির্ভেজাল আড্ডা যেখানে মূল্য দিতে হবে শুধু মধুর হাসিটি, কেননা ভাস বলেছেন গোষ্ঠীষু হাস্যম। গোষ্ঠীর মূল উদ্দেশ্য যদিও মজামৌজ আর হাসাহাসি তবু হাসার জন্যই শুধু গোষ্ঠী নয়, গোষ্ঠীর বন্ধুবান্ধবদের সমব্যথা এমনই যে, রামায়ণে ভরত যখন পিতার মৃত্যুস্বপ্ন দেখে বিহ্বল হয়েছিলেন, তখন আড্ডার বন্ধুরাই প্রথম চেষ্টা করেছে নানা প্রসঙ্গ তুলে তাকে ভুলিয়ে দেবার। গানবাজনাও বাদ যায়নি, বাদ যায়নি বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গিতে প্রহসনের চেষ্টা, কিন্তু গোষ্ঠীহাস্যানি কুর্বদ্ভির্ন প্রাহৃষ্যত রাঘবঃ—ভরতের মন শান্ত হয় না। তখন আড্ডার মধ্যেও পরমপ্রিয় প্রাণের বন্ধুটি জিজ্ঞাসা করে—কী হয়েছে রে তোর, এত হাসাচ্ছি তবুও হাসছিস না যে—সুহৃদ্ভিঃ পর্যুপাসীনঃ কিং সখে নানুমোদসে। আড্ডাখানার অনেক বন্ধুর মাঝে একদম প্রাণের বন্ধুও তৈরি হয়ে যায় দু/একটি। বাৎস্যায়ন পুরুষমানুষের বেশি আড্ডাবাজি পছন্দ করেননি কারণ বৌরা নাকি তাতে ক্ষেপে যায়, কিন্তু এরকম বন্ধু যদি দু-একটি থাকে, তক্কাতক্কি, চুলোচুলি যাই হোক না, সহস্রবার বিদায় নিয়ে আবার তার কাছেই ফিরে যেতে হয়। মনে পড়ে, রাজশেখরের কর্পূরমঞ্জরীতে মধুর এক বসন্তদিনে কপিঞ্জল ব্রাহ্মণ ভারি রাগ করেছিল রাজার ওপরে; রাজার নাকি মদ আর পঞ্চগব্যে এক দৃষ্টি, কাঁচ আর মাণিক্যে এক আদর। চেঁচিয়ে বলল—”অমন রাজকুল দূরে থাকুক, রাজা বন্ধু খুঁজে নিন আরও, আমি আপন ব্রাহ্মণীর পদসেবা করে ঘরেই দিন কাটাব।” এত চেঁচামেচিতে স্বয়ং রাজার পাটরানী টিপ্পনী কেটে বললেন—অজ্জউও, কপিঞ্জল ছাড়া আবার আড্ডা, কাজলকটাক্ষ ছাড়াই কি প্রসাধন সম্ভব—কীদৃশী কপিঞ্জলেরন বিনা গোষ্ঠী? কীদৃশী নয়নাঞ্জনেন বিনা প্রসাধন লক্ষ্মী : অর্থাৎ যথেষ্ট হয়েছে, কালকেই তো আবার দুজনে আড্ডা দিতে বসবে। আর আমি বসে থাকব চাঁদের পানে চাওয়া চকোরীর মতো।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাঙালীর ইতিহাস (আদিপর্ব) – নীহাররঞ্জন রায়
    Next Article মহাভারতের ছয় প্রবীণ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    Related Articles

    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    কথা অমৃতসমান – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    মহাভারতের ভারতযুদ্ধ এবং কৃষ্ণ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    কলিযুগ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    মহাভারতের অষ্টাদশী – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    চৈতন্যদেব – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    দেবতার মানবায়ন : শাস্ত্রে সাহিত্যে ও কৌতুকে – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }