Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পুরাণী – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী এক পাতা গল্প516 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রাচীনকালের আধুনিকা

    প্রাচীনকালের আধুনিকা

    কালিদাসের কালের সেই নিপুণিকা, চতুরিকা।—যাদের সঙ্গে মিলন হয়নি বলে অন্যমনা হয়েছেন কবি—তাদের বিচ্ছেদের দুঃখ কিছুটা ভুলিয়ে দিয়েছে তাঁর নিজেরই কালের ‘বিদুষী’ ‘বিনোদিনী’রা। কালিদাসের সময়-তারিখ মিলছে না—তাতে দুঃখ নেই কোনো, কিন্তু—

    হায়রে গেল সঙ্গে তারি,
    সেদিনের সেই পৌরনারী,
    নিপুণিকা, চতুরিকা,
    মালবিকার দল।

    আদি সাহিত্যের যত কবি-সাহিত্যিক আছেন, তাঁরাও সবাই আকুল হয়েছেন এই বরাঙ্গনাদের নিয়ে। গাঁয়ের বধূর সরল, শান্ত মুখচ্ছবি নিয়ে ‘ভ্রুবিলাস শেখে নাই কারা সেই নারী’—এমনতর কবিত্ব হয়েছে অনেক; কিন্তু তাদের নিয়ে কখনো চিন্তাকুল দৃষ্টিতে বসে থাকতে হয়নি কবিদের। সহজ কথাটি, সহজ ভাবটি সহজেই সেখানে ধরা পড়েছে। অথচ যাদের দৃষ্টির বিভ্রম নিয়ে ঝড় উঠেছে কবিকুলে? যার গ্রীবাভঙ্গে কত শত নবকুমারের হৃদয়তন্ত্রী বেজে ওঠে, যে একবার কথা বললে, মনে হয় কেন বলল, কিংবা, না বললে মনে হয় কেন বলল না—তারাই হলেন নাগরিকা বা পৌরনারী।

    নাগরিকার সংজ্ঞা করা যায় না। শব্দের অন্তরে যদিও নগর কথাটি আছে তবু তাকে যে নগর-বাসিনী বা পুর-বাসিনী হতেই হবে এমন কোনও মাথার দিব্য নেই। আমরা জানি ‘নাগর’ কথাটি এখন আর স্বমহিমায় প্রতিষ্ঠিত নয়, কিন্তু সেকালে নাগর, নাগরক কিংবা নাগরিক বলতে যা বোঝাত, তাতে তার নগরবাসের ঠিকানাটি যথেষ্ট নয় মোটেই; বরঞ্চ একটি বৃত্তি, যে বৃত্তিতে মার্জিত রুচি, সৌন্দর্যবোধ, বাক-বৈদগ্ধী—এ সব কিছুই প্রতিবিম্বিত হত,—সেই বৃত্তিই ছিল নাগরিকত্বের সবচেয়ে বড় প্রমাণ। সেক্ষেত্রে নাগরিকা মানে শুধুমাত্র শহুরে মেয়ে নয়, সে হবে বুদ্ধিমতী, সুরসিকা, ইংরেজিতে যাকে বলে ‘সফিসটিকেটেড’ এক অর্থে আধুনিকাও বটে।

    দুঃখের বিষয়, বাৎসায়ন তাঁর কামসূত্রে সম্পূর্ণ চতুর্থ অধ্যায়টি কাটিয়ে দিয়েছেন নাগরিকদের ব্যবহার নিয়ে, কিন্তু নাগরিকারা সেখানে একেবারেই উপেক্ষিতা। তবে টীকাকার এটুকু স্বীকার করেছেন যে, নাগরিক মানে বিদগ্ধ-জন এবং বিদগ্ধ বলেই তার স্থানটি নির্দেশ করা হয়েছে সেইখানেই, যেখানে বিদগ্ধজনেরা বাস করেন বেশি,—’মহতি বা সজ্জনাশ্রয়ে’, অর্থাৎ সেই নগরেই, কিংবা রাজধানীতে অথবা কোনো বর্ধিষ্ণু জায়গায়।

    শহরের মেয়ে অর্থাৎ নাগরিকার সঙ্গে গ্রামবাসিনীর যদি কোনো প্রতিযোগিতা হয় তাহলে কে জিতবেন, প্রাচীনকালের নিরিখে সেকথা বলা বড়ই শক্ত, কেননা কাব্যপ্রকাশের একটি শ্লোকে দেখি, এক গ্রামবাসিনী মহিলা অত্যন্ত পরুষ ভাষায় গালাগালি দিচ্ছেন নাগরিকাদের। ধরে নেওয়া যায়, কোনো নাগরিকার কঠিন পরিহাসের প্রত্যুক্তি হিসেবেই সরলা নায়িকার এই গর্বোক্তি। সে বলছে—গ্রামেই আমার জন্ম, থাকিও গ্রামে, নগরের কায়দা-কানুনও জানি না তত। তবে এটুকু ঠিক যে, নগরবাসিনী চতুরা নাগরিকদের সামনে বসিয়ে তাদের প্রিয় পুরুষটিকে বশ করার ক্ষমতা রাখি আমি—অতএব আমি যা আছি, তাই আছি,—ণ্যআরিআশং পইণো হরেমি জা হোমি সা হোমি।

    এই প্রস্তাবনা থেকে এটুকু পরিষ্কার যে নাগরিকাদের গর্ব খর্ব করা অনেক সুমহিলা থাকতে পারেন গ্রামেও, কিন্তু এই যে বাচনভঙ্গি, এইটেই ঠিক নাগরিকার মত নয়। কিন্তু সহজ না হলেও বিদগ্ধ বাচনভঙ্গি যেহেতু আয়ত্ত করা যায়, শিখে নেওয়া যায় সেই ভাবটুকু, ভঙ্গিটুকু—যা ঠিক নাগরিকার মত—তাই নাগরিকার ঠিকানা নিয়ে আমরা তর্ক করব না, বরঞ্চ আমাদের উপজীব্য হবে সেই জিনিসই, যাতে করে বুঝতে পারি নাগরিক কারা?

    বাস্তবিক পক্ষে পরবর্তী কালে নাগরিকা বলতে যে ধারণা গড়ে উঠেছে আমাদের মনে, একেবারে আদ্যিকালের সাহিত্যে সে রকমটি দেখতে পাই না। নাগরিকারা সেখানে রূপবতীই শুধু; তবে একথা এখনই স্বীকার করে রাখা ভালো যে, একটু ছলা-কলা, একটু পরচিত্তাকর্ষক, কিংবা আহ্বানমূলক ভাবভঙ্গি—যাতে করে পুরুষের মনে হবে—’আহা কি দেখিলাম’—সেটি কিন্তু আদ্যিকালের সাহিত্যেও ছিল। যেমন ধরি বেদের মধ্যে ঊষার কথা। নিসর্গ সংসারে এই ঊষা যেন মোহময়ী নাগরিকা। কবির কল্পনার মতোই সে সুন্দর—নর্তকীর মত সে তার রূপ প্রকাশ করে—দীপ্তিময়ী, অবগুন্ঠিতা। সূর্যকে সে রাঙিয়ে দেয় আপন ভালোবাসার রঙে—কেননা তার যাতায়াত অভিসারিকার মতো। অন্যদিকে অগ্নি—তাকেও সে অবহেলা করতে পারে না। ঋষিগৃহে, আশ্রম-কাননে অগ্নি সমিধ্যমান হলেই না ঊষা তার দীপ্তি প্রকাশ করতে পারে। মর্ত্যলোকে, অগ্নির সঙ্গেও তাই তার নান্দনিক সম্পর্ক—কিন্তু এতো পুরো সমর্পণ নয়, এ যেন অল্প অল্প রস-নিষেক করে গৌরবকারী, পুরুষটিকে চেতিয়ে রাখা, অবশেষে আকাশের সঙ্গী সূর্যের কাছেই ফিরে চলে যায় ঊষা। ম্যাকডোনেল সাহেব পর্যন্ত ঊষার এই ‘দোলাচল-চিত্তবৃত্তি’ লক্ষ করে ছিলেন, নাহলে এমন কথা বলবেন কেন—Agni is naturally often associated with Usas in this connection, sometimes not without a side-glance at the Sun. তাহলে কি নাগরিকার চরিত্র হল প্রিয়তম পুরুষটি থাকতেও অন্যদিকে অভিরাম গ্রীবাভঙ্গি? ঠিক তা নয়, তবে তাও খানিকটা। মনে আছে সেই কবির স্ত্রীর কথা, যে কবিকে প্রায় রাজবেশে সাজিয়ে দিয়ে সামনে একখানি আরশি রেখে বলেছিল—’পুরনারীদের পরাণ হানিয়া ফিরিয়া আসিবে আজি’।

    নির্মল-হৃদয় এই নারীর অন্তরে নিশ্চয়ই কোনো ঈর্ষা ছিল পুরনারীদের ওপর। যেহেতু স্বভাবগতভাবেই নাগরিকদের কিছু হৃদয় বিদ্ধ করার ক্ষমতা থাকে, তাই তাদের অহংকারে আঘাত করতে পারলেই যেন সরলা বধূর আত্মতৃপ্তি হয়। শুধু কবির স্ত্রী কেন, পুরুষ কবিরা—কালিদাস থেকে বাণভট্ট সবাই তাঁদের উদাত্ত গম্ভীর নায়কটিকে অনেক সময় হাঁটিয়ে নিয়ে গেছেন রাজপথ দিয়ে, আর দলে দলে পুরবালাদের হাজির করেছেন গবাক্ষপথে তারা নিতম্বের মেখলা গলায় পরে, চোখের কাজল ঠোঁটে মেখে, একে অন্যের জন্য অপেক্ষা না করে লালায়িত চোখে চোখ রেখেছে, যাতে অভিমত পুরুষের চাহনিটি তার দিকেই পড়ে। কিন্তু তা হয়নি, নায়কে ‘হাথথি চলে বাজারমে’ এই ভঙ্গিতে অবহেলে, পুরনারীদের মনে অসংখ্য দাগা দিয়ে, উপস্থিত হয়েছে কোন এক বনজ্যোৎস্নার মতো শান্ত বালিকার কাছে। এসব লেখা খুব ভালো, খুব-ইচ্ছাপূরক কিন্তু কবির পক্ষে এটা আত্মবঞ্চনা নয়তো? ‘পুরস্কার’ কবিতায় কবির স্ত্রী এবং সংস্কৃতের পুরুষকবিরা বিলক্ষণ মনে মনে জানতেন, যে পুরনারীদের চোখে পড়েও যদি আবার ঘরে ফিরতে হয় তাহলে আয়োজনে প্রত্যয় তার ওপরেই যে হৃদয় বাঁধতে পারে আরও গভীরতরভাবে।

    কালিদাসের যক্ষ যখন মেঘকে দূত করে পাঠিয়েছিল, তখন তাকে কিছু ঠিকানা দিয়েছিল আমোদ-প্রমোদের জন্যে। অর্থাৎ পরের কাজে শুষ্ক পথটি যেন নারীসঙ্গহীন অবস্থায় না যায় সেই ব্যবস্থা। জড় প্রকৃতিকে চেতনার রঙে সাজিয়ে নায়িকার কাজ চলেছে অনেক জায়গায়, কোথাও বা কালিদাস সশরীরেই উপস্থিত করেছেন কাউকে, কিন্তু একটি জায়গায় তিনি মেঘকে প্রায় জোর করে ধরে নিয়ে গেছেন, সেটি তাঁর নিজের বসতি উজ্জয়িনী। অলকাপুরীর সোজা রাস্তা বাতলে দিয়ে যক্ষ বলল—ভাই মেঘ, উত্তরদিকের পথিক তুমি, পথ যদিও বাঁকা হবে তবু উজ্জয়িনীর বিরাট বিরাট বাড়িগুলো না দেখে চলে যেয়ো না। তবে হ্যাঁ, এই পাষাণকায়া রাজধানীটি দেখানোর জন্যই তোমায় এই বাঁকাপথে নিয়ে এসেছি তা মনে কর না। আমার জন্য সুদূর অলকা যাবার পরিশ্রম স্বীকার করেছ তুমি, তোমাকে তাই দর্শনীয় বস্তু থেকে বঞ্চিত করব না। উজ্জয়িনীতে গেলে দেখতে পাবে, সেখানে আছে পৌরাঙ্গনারা। তাদের বিদ্যুৎ-চোখের চাহনি যদি একটু পরখ করে না যাও—তাহলে চোখ থাকতেও তুমি অন্ধ—”লোলাপাঙ্গৈ যদি ন রমসে লোচনৈ বঞ্চিতোহসি।” যদি বল, কাজল-চোখের চাহনি তো অনেক দেখেছি, এই তো যখন তোমার কথামতো মালক্ষেত্রের কাছাকাছি এসে পড়েছিলাম, তখন জনপদবধূরা আমার দিকে একদৃষ্টে তাকিয়েছিল—তাহলে বলি, ওরা গাঁয়ের বধূ—ওরা জানে বৃষ্টি হলেই শস্য হবে, তাই তাকিয়েছিল তোমার দিকে, এ কেবল অন্য উদ্দেশ্যে ‘প্রীতিস্নিগ্ধ’, শীতলচোখের ছায়াপাত। কিন্তু উজ্জয়িনীতে যদি যাও, তাহলে দেখবে বিনা কারণেই পূর্ববালারা অপাঙ্গ সন্ধান করবে তোমার দিকে। তোমার মতো ভোগী মানুষ উজ্জয়িনীতে গেলে ভোগবাসনা চরিতার্থ হবে—ফলম অধিকলং কামুকত্বসা লবধবা।

    মেঘদূতের এই এতটুকু বর্ণনা থেকে এটা মনে করা কিন্তু ঠিক হবে না যে, কটাক্ষই নাগরিকাদের একমাত্র সম্বল। আগেই বলেছিলাম নাগরিকার সংজ্ঞা করা যায় না, এখানে ওখানে নাগরিকাদের ওপর কবির পক্ষপাতদুষ্ট কথা থেকে, আলঙ্কারিকদের স্বতঃস্ফূর্ত উচ্ছ্বাস থেকে নাগরিকাদের চেহারা কিম্বা চরিত্রটি পুনর্গঠন করে নিতে হবে। অমরু কবি—যাঁর এক একটি শ্লোককে আলঙ্কারিকেরা বহু যত্ন করে উল্লেখ করেছেন—তাঁর মতে নাগরিকাদের আচার-ব্যবহার মোটেই সাধারণ মহিলাদের মতো নয়। প্রসঙ্গ এলে অন্য নারী যেখানে ক্রুদ্ধ হবেন সেখানে সামান্য ভ্রুকুটি দিয়েই কাজ সেরে নেবেন নাগরিকা, কথা কাটাকাটির প্রশ্ন এলে, তিনি থাকবেন প্রায় নিরুত্তর—’কোপো যত্র ভ্রুকুটি-রচনা বিগ্রহো যত্র মৌনম।’ বিদগ্ধা নাগরিকার অনুনয়বচন হল তাঁর স্মিত হাসিটি, আর প্রসন্নতা বোঝা যাবে তাঁর উদার আয়ত দৃষ্টি থেকে। একই কথা একটু অন্যরকমভাবে উপস্থাপন করেছেন মহাকবি হাল। তাঁর মতে—সুমহিলাদের রীতিই নাকি হাসি দিয়ে তিরস্কার করা, বেশি আদর করে ক্ষোভ জানানো আর চোখের জলে নিজেকে আরও বেশি আকর্ষণীয় করে তোলা।

    এ তো গেল নাগরিকাদের স্বভাব, তবে সব নাগরিকাদেরই স্বভাব একরকম নয়—’সময় বুঝে মানুষ দেখে’ কেউ বা একটু ধীরা কেউ বা কিছু প্রগলভা। আমরা উজ্জয়িনীতে যে নাগরিকাদের দেখেছি তারা দ্বিতীয় দলের; আর অমরু, হাল যাঁদের কথা লিখেছেন তাঁরা প্রথম দলের—বিদগ্ধা নাগরিকা। বড়মাপের চরিত্র সৃষ্টি করার সময় কিন্তু মহাকবিরা বেছে নিয়েছেন বিদগ্ধা নাগরিকাকে। কেননা মহাকবিদের আপন অন্তরে যে বাছাই করা শব্দচিত্র আছে তা প্রকাশ করতে হলে বিদগ্ধা নাগরিকার মুখেই তা বসাতে হবে। নৈষধকার তো এতদূর বলেছেন যে, ”বাঁকা কথার বাঁধুনী—সে তো তোমার মুখেই মানায়, বুঝতেই পারি না তুমি ‘হ্যাঁ’ বলছ, নাকি ‘না’ বলছ, এখন বুঝি আলঙ্কারিকেরা যে কবিতার মধ্যে ব্যঞ্জনা খুঁজে বেড়ান, বিদগ্ধা মহিলার কথাই তো সেই ব্যঞ্জনাবৃত্তির আকর—বিদগ্ধনারী-বচনং তদ আকরঃ।” কাজেই বিদগ্ধা নাগরিকাকে কথা জানতে হবে এবং সেই শব্দমন্ত্রে তিনি সংসার জয় করবেন। শেষ প্রশ্নের কমলকে মনে আছে তো, বিদগ্ধা নাগরিকা প্রায় তাই। তবে যখন তখন রাস্তাঘাটে এঁদের পাওয়া যায় না। যাদের আমরা উজ্জয়িনীতে দেখেছি তারা সাধারণ শহুরে মেয়ে, চটুল পরিধান, মনোহর ভঙ্গি অল্প পরিচয়েও কিছু প্রশ্ন থাকে যেন! কি জানি কেন, নানা গ্রন্থে, মহাকবি কালিদাসের পক্ষপাত বারবারই তাদের ওপরে গিয়ে পড়েছে। এদের চটক যেহেতু বেশি, সাহসও বা—তাই বিদ্যুৎ ঝলকের মতো এরা কবিদের আকৃষ্ট করেছে বারবার। সেই মেঘদূতেই উজ্জয়িনীর তিমির রজনীতে ‘ক্বচিৎ বিদ্যুতালোকে’ এদের পথ দেখিয়ে নিয়ে গেছেন কালিদাস। বলেছেন, রাজপথে রুদ্ধালোক রাত্রিতে, শঙ্কিত হৃদয়ে যে রমণীরা প্রিয়-মিলনের জন্য বর্ষাভিসার করতে বেরিয়েছে, তাদের পায়ের কাছে, নিকষে কনকরেখার মতো, একটুখানি বিদ্যুতের ঝিলিক দিয়ো তুমি। অতীতের মাঝে ডুব দিয়ে রবীন্দ্রনাথ এদেরই ডেকেছেন ‘সাহসিকা’ বলে—দেখিছ না ওগো সাহসিকা, ঝিকিমিকি বিদ্যুতের শিখা/মনে ভেবে দেখ তবে, এ ঝড়ে কি বাঁধা রবে/করবীর শেফালিমালিকা।

    কালিদাসের বর্ণনা থেকে পাঠককুল সন্দেহ করবেন আমরা নাগরিকার চরিত্রের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেছি অভিসারিকাকে। মনে রাখা দরকার, অভিসারিকা মাত্রেই নাগরিকা নয়, কিন্তু নাগরিকা হলেই মাঝেমধ্যে একটু আধটু অভিসারের ঝোঁক থাকবেই। তা যেমন কখনও একা একা, কখনও বা বহু সঙ্গে। আসলে নাগরিকা যে শহুরে মেয়ে, স্বভাবসিদ্ধভাবেই সে কিছু সাহসিনী হবে, হবে কিছু সপ্রতিভ। মাঝেমধ্যে তাদের প্রশ্রয় এমন মানুষদের ওপরেও পড়ে যে তাদের রুচি সম্বন্ধে সন্দেহ জাগে, কখনও বা ভয়ও। এই নিরিখেই বাণভট্ট স্থাঙ্গীশ্বর (থানেশ্বর) রাজধানীতে যে শহুরে মেয়েদের দেখতে চেয়েছিলেন, শ্লেষভরা ভাষায় তাদের বলেছেন—’মাতঙ্গ গামিন্যঃ শীলবত্যশ্চ’—তারা যেমন গজগামিনী তেমনি শীলবতী, চরিত্রবতী। মহারাজ পুষ্পভূতির রাজধানীর মেয়ে, কাজেই মাতঙ্গগামিনী শব্দের ওপরের অর্থ গজগামিনীই বটে; কিন্তু শ্লেষ ভাঙলে মানে দাঁড়াবে চণ্ডালগামিনী, কারণ মাতঙ্গ শব্দের অর্থ হল চণ্ডাল। এই শ্লেষের মধ্যেই বাণভট্ট তাদের নিশ্বাসে মদের গন্ধ পেয়েছেন, বুঝেছেন টাকা-পয়সার দিকে এদের একটু নজর বেশি কিংবা লক্ষ করেছেন তাদের উজ্জ্বল উচ্ছ্বল চেহারা, এমনকী তাদের ঊর্ধ্ববাসের সংকীর্ণতাও কবির নজর এড়ায়নি।

    আমরা কালিদাস বাণভট্টের কথা বারবার বলছি তার কারণ এঁরা রাজধানীর কবি, শহুরে মেয়েদের এঁরা চেনেন ভালো করে। উৎসবমুখর দিনে সবার সঙ্গে সপ্রগলভ মেলামেশা, নাগরিক পুরুষদের সমানে সমানে চলা—এটি পাওয়া যাবে শহুরে মেয়ের চরিত্রেই। আমাদের কথা যে মিথ্যে নয় তার প্রমাণ দিয়েছেন একাধারে রাজা এবং কবি হর্ষবর্ধন শিলাদিত্য, তাঁর স্বরচিত ‘রত্নাবলী’ নাটিকায়। বসন্তোৎসব চলছে—বৎসরাজের রাজধানী কোশাম্বীতে। পুরজনের প্রমোদ দেখবার জন্য স্বয়ং রাজাও উঠে এসেছেন রাজপ্রাসাদের ছাদে। রাস্তায় দেখা যাচ্ছে পুরকামিনীদের। ঈষৎ মধুপানের রঙ ফুটে উঠেছে তাদের চেহারায়, পিচকারি আর আবির-গোলালে তারা বাতিব্যস্ত করে তুলেছে নাগরক পুরুষদের। মৃদুমন্দ মৃদঙ্গের তালে তালে নাচতে নাচতে সেই নাগরকদের কৌতূহল বাড়িয়ে দিচ্ছে আরও।

    যদি বলেন, এরা যে গণিকা নয়, তার প্রমাণ? প্রমাণ হর্ষদেব পৃথকভাবে বারবিলাসিনীদের কথাও উল্লেখ করেছেন—ঐ একই রাজপথে, একই প্রমোদ উৎসবে, এবং তা ঠিক পুরকামিনীদের পরেই। কামসূত্রকার বাৎস্যায়ন তাঁর চতুর্থ অধ্যায়ে সুরুচিসম্পন্ন নাগরক পুরুষটির যে ছবি এঁকেছেন তাকে স্ত্রী-বেশে সাজিয়ে নিলেই তো ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধা নাগরিকার প্রতিচ্ছবি পাওয়া যেতে পারে। তা থেকে ছেঁটে দিতে হবে সেইটুকুই যা নাকি স্ত্রী-সুলভ নয়। বাৎস্যায়নের মতে একজন শহুরে পুরুষ সকাল থেকে সন্ধে পর্যন্ত অনেক কিছু করেন। তার মধ্যে বেশবাস, ঠোঁট রাঙানো কাজল পরা, পোষা পাখির সঙ্গে কথা বলা কিংবা দুপুরবেলায় ‘বিউটি স্লিপ’—এসব তো মেয়েদের মতোই, কাজেই শহুরে মেয়েদের সঙ্গে এসব দিব্যি মিলে যায়। মুশকিলটা হয় সন্ধ্যাবেলায়। এই সময়ে মোহন সাজে সেজে নাগরক পুরুষ বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে আড্ডা দিতে বেরোন। আজকাল যাকে ‘পার্টি’ বলি, তার আসর বসত কখনও পানাগারে, কখনও সামাজিক উৎসবে, কখনও সেই সব মহিলাদের বাড়িতেই, যাদের বাৎস্যায়ন বলেছেন ‘গণিকা’, ড. দাশগুপ্ত বলেছেন ‘demi-monde’ আমরা বলি এরা নাগরিকা নয়তো! ‘গণিকা’ কথাটি শুনলেই মনের মধ্যে যে ভাবটি আসে প্রাচীনকালের নিরিখে তার কিছু সংশোধন দরকার। বিদ্যা, বুদ্ধি, কলা, রূপ, শীল, গুণ সব কিছুরই চরম ফলশ্রুতি হল গণিকা অন্তত বাৎস্যায়নের মতে তাই।

    রাজারা নাকি এঁদের মাথায় করে রাখেন, জ্ঞানীগুণীরা এঁদের স্তুতিবাদে মুখর—পূজিতা চ সদা রাজ্ঞা গুণবদ্ভিশ্ব সংস্তুতা। সবার প্রার্থনীয়া, সবার লক্ষ্যের বিষয়—এত প্রশংসার মধ্যে বাৎস্যায়নের একটি কথাই মুশকিল করেছে—তা হল ‘অভিগম্যা চ’। বুঝতে পারি গণিকা কথাটির তাৎপর্য যেখানে শারীরিক বৃত্তিতে, বাৎস্যায়নকে তাই একথা লিখতেই হয়েছে, কিন্তু তাঁর গুণমান কখনওই সাধারণ বারবিলাসিনীর সঙ্গে মেলে না, মৃচ্ছকটিকের বসন্তসেনাই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ। তাঁর রুচি, লাজ-লজ্জা কোনোটাই তো গণিকার মতো নয়। অথচ বসন্তসেনার পরিচয় তিনি গণিকা। ধনীমানী অনেক ব্যক্তিরই তিনি প্রার্থনীয়া বটে, কিন্তু অভিগম্যা তো নন। নাট্যশাস্ত্রকার ভরত যে গণিকার সংজ্ঞা দিয়েছেন তাতে ‘অভিগম্যা’ কথাটি কোথাও নেই, বরঞ্চ গণিকার গুণবর্ণনায় ভরত যতদূর গেছেন যে তাকে নম্র, গুরুজনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল পর্যন্ত করে তোলা হয়েছে। আবার সাধারণ রমণীদের মধ্যে যে সব দোষ আছে তাও নাকি তার থাকবে না। আরও বড় কথা, বেঁকিয়ে কথা বলতে তার জুড়ি নেই, ভাষায় নেই কোনো জড়তা। ভেবে দেখুন তো সাধারণ অর্থে এঁকে গণিকার সঙ্গে কতটা মেলানো যায়? বিশেষ করে সুরুচিসম্পন্ন যে নাগরিক পুরুষটি কাব্য-সাহিত্য কিংবা রসালাপের জন্য (কামসূত্রে তাই আছে) যে মহিলার বাড়ি যাবেন, সে গণিকা হতে যাবে কেন, সে নাগরিকা। সুরুচিসম্পন্না এই মহিলা সপ্রতিভভাবে বহু পুরুষের সঙ্গে মিশতে পারেন বলেই তিনি গণিকা হয়ে যাননি তো? স্মরণ করা যেতে পারে ফ্রান্সের সালোঁগুলির (Salon) কথা। সুন্দরী, শিক্ষিতা, অভিজাত এবং সুরুচিশালিনী মহিলাদের বাড়ির আড্ডাকেই বলা যায় সালোঁ। এসব জায়গায় নিয়মিত আসতেন জ্ঞানীগুণী ব্যক্তিরা—জন স্টুয়ার্ট মিল থেকে গুস্তাভ ফ্লবেয়ার। শেষোক্ত ব্যক্তির আড্ডাখানা ছিল মারী আঁতোনায়েতের সালোঁ, মাদাম রোভারীর উৎসর্গপত্রে মারী আঁতোনায়েতের সম্বন্ধে উচ্ছ্বাসটিও লক্ষণীয়। মারী আঁতোনায়েতকে কি তাহলে গণিকা বলব? অবশ্য বহু পুরুষের সঙ্গে মেলামেশা, বহুজনের মনোরঞ্জন করা—এই যদি গণিকার একমাত্র লক্ষণ হয় তবে সব নাগরিকাই গণিকা, সর্বকালে সর্বদেশে, মারী আঁতোনায়েত থেকে আরম্ভ করে সবাই। আসলে সেকালের নাগরিকা, মানে, শহুরে মেয়েরা অনেকটা রবীন্দ্রনাথের উর্বশী কবিতার মতো। না সাধারণ লজ্জাবতী নারী, না অভিসারিকা, না গণিকা—অথচ তারা একটু আলাদা। আজকালকার কথা বলছি না তবে, সেকালের শহুরে মেয়ে মাত্রই তার ধরন-ধারণ, ভাবভঙ্গি, বেশবাস, কথাবার্তা এবং রুচি—এসব কিছুই কালানুযায়ী নিশ্চয়ই, ততটাই আধুনিক এবং তাৎপর্যপূর্ণ ছিল যা শেষ পর্যন্ত, আপাত কুৎসিত একটি শব্দের জন্ম দিয়েছে—নাগরী। আমরা একটি করুণ কাহিনি দিয়ে নাগরিকা বৃত্তান্ত শেষ করব।

    শ্রীকৃষ্ণ ব্রজের গ্রাম্য পরিবেশ ছেড়ে, চূড়া-বাঁশি আর পীতধড়া বিসর্জন দিয়ে শহরে গেছেন মথুরায়। যেখানে যৌবনমদে মত্তা নটীদের জ্বালায় প্রাচীরের তলায় পর্যন্ত নিশ্চিন্তে থাকা যায় না, সেখানে কৃষ্ণের মতো প্রেমিক পুরুষের অবস্থা কি হতে পারে, তা সহজেই অনুমেয়। যা হোক মথুরায় কংস-ধ্বংস ইত্যাদি কর্তব্য সেরে বহুদিন কোনো সময়ই পাননি সরলা ব্রজবধূদের খবর করার। বিবেকের দংশনে শেষ পর্যন্ত উদ্ধবকে পাঠালেন দূত করে। উদ্ধব আস্তে-ব্যস্তে নন্দ-যশোদা প্রভৃতি গুরুজনদের সঙ্গে দেখা করে যখন ব্রজবালাদের সঙ্গে আলাপ করতে আরম্ভ করেছেন তখন দেখা গেল তাঁরা ভীষণ ক্রুদ্ধ। বললেন, আবার আমাদের কাছে কেন, কৃষ্ণের মা-বাবার কাছে যাও, অনেক খবর পাবে। পুরুষের সঙ্গে স্ত্রীলোকের বন্ধুত্ব! যেন মধুকরের সঙ্গে ফুলের। এরকম আরও কিছুক্ষণ চলার পর বোঝা গেল, আসলে তাঁদের রাগটা কাদের ওপর। চৈতন্যপন্থীরা মনে করেন এই কথাগুলি স্বয়ং রাধিকার, কাজেই তাঁর জবানিতেই বলি। রাধা বললেন—তোমার সখা যদিও গোপজাতি, তবুও আপাতত তিনি মধুপুরীর মানিনীদের মান প্রশমনে ব্যস্ত থাকুন, কারণ তিনি তো আর এখন ব্রজের রাখাল নয়, মধুপতি বটে। তাছাড়া কংস হত হয়েছেন, বড়ই ভালো খবর, কিন্তু এখন তিনি নিশ্চয় মথুরার পুর-ললনাদের স্নিগ্ধ সলজ্জ হাসিতে অভিবাদিত হচ্ছেন, আমাদের কথা তিনি মনে রাখবেন কেন? কৃষ্ণ নিজের রতিকলায় কুশল, তাতে মিলেছেন মথুরা-নারীদের সঙ্গে। অবশ্য কৃষ্ণের মোহিত হবার কারণও আছে যথেষ্ট—তাঁদের বক্রোক্তিমাখা বাচনভঙ্গি যেমন, তেমনি তাঁদের বিলাস-বিভ্রম, কটাক্ষ—কথং…নানুবধ্যেত তদবাকৈর্বিভ্রমৈ শ্চানুভাজিতঃ। হে উদ্ধব, কৃষ্ণ আমাদের সঙ্গে আর নাই বা মিশলেন, নাই বা ভালোবাসলেন আমাদের, কিন্তু মথুরার পুর-ললনাদের সভায় স্বচ্ছন্দ কথা-প্রসঙ্গে এই গ্রাম্য গোপবালাদের কখনও স্মরণ করেন কি?—গোষ্ঠী মধ্যে পুরস্ত্রীণাং গ্রাম্যাঃ স্বৈর-কথান্তরে।

    শ্রীমদভাগবতের কবি সরল সাদাসিধে গোপবালাদের জবানবন্দিতে মথুরার নাগরিকদের চটকদার স্বভাব-চরিত্র দারুণ ফুটিয়ে তুলেছেন। পদকর্তা বিদ্যাপতি সখীর আবেশে রাধাকে বারবার সান্ত্বনা দিয়েছেন—’ধৈরজ ধনি, মিলব তুরিতহি কান’ কিংবা ‘সো ব্রজনন্দন—ঝটিতি মিলব তুঅ পাশ।’ কিন্তু রাধা—তিনি তো জানেন কৃষ্ণের কি হয়েছে—

    হমারি নাগর তন্ময় বিভোর
    কেহেন নাগরী মিলল রে।
    নাগরী পাত্র নাগর সুখী তেল
    হমারি হিয়া দয় সেল রে।।

    রাধার মনের ব্যথা প্রাণে-প্রাণে জানতে পেরে বিদ্যাপতিও রাধাকে আর মিথ্যে স্তোক দেননি, ঈর্ষাবশত বলেই ফেলেছেন—

    শুন বরনারী
    পুর-রমণীগণ রাখল বারি।

    চৈতন্য-সম্প্রদায়ের দার্শনিকেরা বারবার খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখবার চেষ্টা করেছেন—কৃষ্ণ আর কখনও, অন্তত একবারের জন্যেও বৃন্দাবনে ফিরে এসেছিলেন কিনা, কিন্তু আমরা জানি মথুরার, আরও পরে দ্বারকার নাগরিকাদের মোহিনী মায়া এড়িয়ে কৃষ্ণের পক্ষে বৃন্দাবনের কুঞ্জভবনে আর ফেরা সম্ভব হয়নি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাঙালীর ইতিহাস (আদিপর্ব) – নীহাররঞ্জন রায়
    Next Article মহাভারতের ছয় প্রবীণ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    Related Articles

    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    কথা অমৃতসমান – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    মহাভারতের ভারতযুদ্ধ এবং কৃষ্ণ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    কলিযুগ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    মহাভারতের অষ্টাদশী – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    চৈতন্যদেব – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    দেবতার মানবায়ন : শাস্ত্রে সাহিত্যে ও কৌতুকে – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }