Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পুর্ব্ববঙ্গ গীতিকা (চতুর্থ খণ্ড, দ্বিতীয় সংখ্যা) – দীনেশচন্দ্র সেন সম্পাদিত

    দীনেশচন্দ্র সেন এক পাতা গল্প385 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রতন ঠাকুরের পালা – অজ্ঞাত লেখক

    রতন ঠাকুর

    রতন ঠাকুরের পালাটি শ্রীযুক্ত চন্দ্রকুমার দে প্রায় এক বৎসর পূর্ব্বে মৈমনসিংহ জেলার কাঠঘর নিবাসী গাছিম সেখ ও অপর এক গ্রামের রামচরণ বৈরাগী নামক দুই ব্যক্তির নিকট হইতে সংগ্রহ করেন।

    এই পালাটির মাঝে মাঝে গদ্য রচনা; কিন্তু তাহা খুব বেশী নয়। পালাটি ২৬২ ছত্রে সম্পূর্ণ।

    পালাটিতে গীতিরসের প্রাচুর্য্য আছে। কাহিনীটি বেশ স্পষ্ট এবং ঘটনাগুলি সুকৌশলে গ্রথিত। কিন্তু নাট্যরস হইতে গীতিরসই ইহাতে সমধিক।

    আমরা অনেকগুলি পালায় (বিশেষতঃ যেগুলি চতুর্দ্দশ ও পঞ্চদশ শতাব্দীতে রচিত) সহজিয়া-ভাবের প্রেম বিশেষভাবে দেখিতে পাই। বর্ত্তমান পালাটি কতকটা পূর্ব্ব-প্রকাশিত “ধোপার পাটে”র (দ্বিতীয় খণ্ড—দ্বিতীয় ভাগ) অনুরূপ। সেখানে এক রাজকুমার এক রাজক-কন্যার প্রেমে পড়িয়া শেষে তাহাকে পরিত্যাগ করেন। এই পালাটিতেও রাজকুমার এক মালাকর-দুহিতার প্রেমে পড়েন এবং শেষে রাজপুত্রের বিশ্বাসঘাতকতায় মেয়েটির মৃত্যু হয়। ধোপার পাটের নায়ক রাজপুত্র অতি নির্ম্মম ও কৃতঘ্ন কিন্তু বর্ত্তমান পালাটিতে নায়ক কিছুদিনের জন্য এক পতিত নারীর মোহে আত্মবিস্মৃত হইলেও শেষে অনুতাপে দগ্ধ হইয়া জীবনের সমস্ত সুখ-সম্ভোগ বিসর্জন দিয়াছিলেন। সুতরাং তাঁহার চরিত্রের নষ্ট মহিমার কতকটা পুনরুদ্ধার হইয়াছিল।

    নায়িকার সম্বন্ধে বেশী কিছু বলিবার নাই। ইনি প্রেমে আত্মবিস্মৃত, একান্ত নির্ভরশীল ও অনন্যমনা-যেমন বহু পালাগানে পাইয়াছি, ইনিও সেই সকল রূপগুণের মাধুরী দিয়া আমাদের মনোহরণ করিয়াছেন। ইঁহাদের কোমলতা ও তেজস্বিতা উভয়ই অপূর্ব্ব। যিনি ‘ফুলসম সুকুমারী’ও লতিকার ন্যায় পরমুখাপেক্ষী—প্রয়োজন হইলে তিনি বর্ম্মাবৃত-দেহ, কঠোর বীরপুরুষের মত প্রতিকূলতার অগ্নিবাণ উপেক্ষা করিয়া তাহা তাঁহার কোমল হৃদয়ের অশেষ সহিষ্ণুতা দিয়া সংবরণ করিয়া লইতে পারেন। চণ্ডীদাসের কথায় ইঁহাদের সম্বন্ধে বলা যায়—“এতেক সহিল অবলা ব’লে। ফাটিয়া যাইত পাষাণ হ’লে॥”

    শ্রী দীনেশচন্দ্র সেন

    .

    রতন ঠাকুরের পালা

    (১)

    “চান্দের বাগের ফুল নারে সূরজে দিলাইন দড়ি[১]।
    এই না ফুল দিয়া আমি মালা খানি গাঁথি॥২
    গাঁথিতে গাঁথিতে রে মালা, মালা আরে মালঞ্চ উজার[২]।
    এই না মালার নাম আমার ‘বসন্ত-বাহার’॥৪
    শতেক না চাম্পা ফুলে আরে গাঁথলাম মালা।
    মাধ্যে মাধ্যে দিছি ফুল কালা না রে ধলা[৩]॥৬

    শুন শুন বিরধবিরধ=বৃদ্ধ। বাপ শুন বলিরে তোমারে।
    এই মালা লইয়া যাহ রে তুমি তিরপুরার হাটে।৮
    তিরপুরার হাটখানি বইসে বিয়ান বেলা[৪]।
    সেই না হাটে বিকাইয়া আইস চিকণ ফুলের মালা॥১০
    শুন শুন বাপ আরে কহি যে তোমার আগে।
    এই মালা বিকাইয়া আইস কাহনার দরে[৫]॥”১২

    মালা লইয়া বিরধ মালী হাটে চল্যা যায়।
    একেলা ঘরেত কন্যা শুইয়া নিদ্রা যায়॥১৪

    তিরপুরার স’রে[৬] নাইরে এমুন গাঁথুনী।
    যারা গাঁথে ফুলের মালা বেবাক্[৭] আমি চিনি॥১৬

    (২)

    “শুন শুন মালী আরে কহি যে তোমারে।
    কোন বা জনে গাঁথিল মালা কহ না সত্য ক’রে॥২
    কেওয় না কেতকীর গন্ধ বাতাসে মিলায়।
    কেমুন জনে গাঁথে মালা দেহ পরিচয়॥”৪

    “ঘরে আছে এক কন্যা দুই নয়নের তারা।
    তুলিয়া মালঞ্চের ফুল সে গাঁথিল মালা॥৬
    পূবের বাতাস পাইচ[৮] মাইল[৯] বয়ারে[১০] নদী বাড়ে ঢেউ।
    এহি কন্যা ছাড়া আমার দুইনায় নাইরে কেউ॥৮
    চালে আমার নাইরে ছানি, কুলায় নাই সে ধান।
    এই মালা বেচিয়া খাই তবে বাঁচে পরাণ॥”১০

    “শুন শুন বুড়া মালী আরে কহি যে তোমারে।
    কি মত বয়স কন্যা আছে তোমার ঘরে॥১২
    দিছ কি না দিছ বিয়া কহ পরিচয়।
    বড় ঘরে দিত বিয়া তবে উচিত হয়॥”১৪

    “আ-বিয়াত[১১] কন্যা আমার ফুলের কুমারী।
    একেলার কন্যা মোর শিয়রের পরী॥১৬

    ভাত রান্ধে কন্যা আমার পান্থে[১২] যোগায় পানি।
    পরের হাতে সঁপ্যা কেমনে বাঁচাবো পরাণী॥”১৮
    (হায়!) হাস্যা কয়রে রতন ঠাকুর শুন বিরধ[১৩] মালী।
    “কি দরে বিকাবে মালা কহ মোরে শুনি॥”২০
    “বুড়ীতে বুড়ীতে পনরে পনে কাহন মিলে।
    এক কাহন কড়ি দিলে মালা দিয়াম তারে॥২২
    হাসি হাসি রতন ঠাকুর মালা দিল গলে।
    গণ্যা বাছ্যা কাউন কড়ি তুল্যা দিল হাতে॥২৪

    (৩)

    একেলা সুন্দর কন্যা গাঙ্গের ঘাটে খাড়া।
    মধু ভরা ফুলের খবর না পাইছে ভমরা॥২

    “যৈবনে যৈবতী লো কন্যা একলা থাক ঘরে।
    কতখানি বয়স হইল না জান আপনে॥৪
    টলমল অঙ্গলো কন্যা যৈবন বাইয়া পরে।
    নিজে নাই জান খবর না দিয়াছে পরে[১৪]॥৬
    আঁখি মেল্যা দেখে কন্যা সুন্দর নাগর।
    কেওয়া কেতকী পুষ্পে উইড়াছে ভ্রমর॥৮

    “দিনের আলো নিমি ঝিমি[১৫] রে কুমার রাইতের আলো ভালা।
    একেত অবুলা নারী তা হতে একলা॥১০
    দিনের আলো নিমিরে ঝিমিরে কুমার ঘিরিল আন্ধারে।
    পন্থ ছাড়রে কুমার যাইব নিজ ঘরে॥”১২

    “কেবা তোর বাপ মাও লো কন্যা কহ পরিচয়।
    একেলা আইসাছ ঘাটে তাতে নাইলো ভয়॥১৪
    ভারি যদি কলসী কন্যা ভইরা দিবাম আমি।
    আগুয়াইয়া দিবাম তোরে গায়ের[১৬] পন্থ[১৭] খানি॥১৬
    চিন বা নাচিন পন্থ তাতে ক্ষতি নাই।
    যথায় যাইবা কন্যা তথা আমি যাই॥”১৮

    “আমার না বাপ রে কুমার,
    কুমার আরে, তোমার বাগের[১৮] মালী।
    জলেত খাড়ইয়া রে কুমার পরিচয় করি॥২০
    জল লড়ে স্থলরে লড়ে জলে না পাই ভর।
    আন্ধাইরে ডড়িনা কেবুল কলঙ্কের ডড়[১৯]॥২২
    বাঘ ভালুকেরে কুমার,
    কুমার আরে, যত না ডরাই।
    অবুলা কুলের নারী কুলের ভয় সে পাই॥২৪
    আসমানেতে ফুটে তারা, জমিন আন্ধারে।
    পন্থ ছাড় রে কুমার যাইব নিজ ঘরে॥”২৬
    “বায়ে[২০] লড়ে[২১] বন বাহুরা[২২] জলে উঠে ডেউ।
    মনের কথা কইব কন্যা এইখানে নাইরে কেউ॥”২৮

    “আজুকার নিশি রে কুমার, কুমার আরে,
    চিত্তে দেও রে ক্ষেমা।
    ফুল বাগানে অইব দেখা কালুকা বিয়ানে॥”৩০

    (৪)

    “ডাল ভাঙ্গ, ফুল তুললো, উগ্‌রাইয়া[২৩] নেও চারা।
    হাতে হাতে আইজ কন্যা পইরা গেছ ধরা॥২
    আজুকা বাগানে মোর নিছাদি[২৪] পাহারা।

    (কন্যালো) নিত্তি নিত্তি লৈয়া যাহলো কন্যা
    পুষ্পনা কইরা চুরি।
    ভালা শাস্তি দিবাম লো আজি শুনলো সুন্দরী॥৫

    কাটিয়া চামর কেশ লো কন্যা আলো গলায় বাঁধিম।
    তোর যৈবন পুষ্প তুল্যা লো কন্যা মালা সে গাঁথিম॥৭
    দুই আখ্‌খি অপরাজিতা, বদন চাম্পা ফুল—
    এই না ফুলে গাঁথিয়া মালা পড়িবাম গলায়।
    চোরের ধন চুরি কর্‌লে নাই সে বড় দায়॥”১০

    “কি কথা কইলা রে কুমার বড় দুঃখু পাই।
    অবিচার‍্যা দেশে কুমার বিচার না সে পাই॥১২
    কোটালিয়া দেশের রাজা রাজা দেয় রে পারা[২৫]।
    যার লাগ্যা করিলাম চুরি সেই সে বলে চোরা॥১৪
    এই দেশ ছাড়িয়া যাইম বৈদেশী হইয়া।
    পুষ্পে মোর কাজ্জ[২৬] নাই হস্ত দেওরে ছাইরা॥”১৬

    “না ছার্‌বো, ছার্‌বো হাত লো, কন্যা আলো,
    রৈয়া শুন্‌লো কথা।
    যৈবন করলো দান রাখলো মোর কথা”১৮

    “এই ত বিয়ান বেলারে বন্ধরে পুষ্প ফুটে ডালে।
    হাটের সময় বৈয়া যায় বন্ধু! ছাইরা দেওরে মােরে॥”২০

    “সত্য কর সুন্দর কন্যা লো সত্য কর তুমি রৈয়া।
    গোপন কালে করবানি লো দেখা, মোরে
    যাওলো কৈয়া॥”২২
    “নিশিকালে যাইও বন্ধুরে আমার ওই না বাড়ী।
    চারি না দিকে বেউর[২৭] কলা রূইছি সারি সারি।
    কলাবনে আইব দেখা গেলাম সত্য করি॥”২৫

    (৫)

    “পৈথান[২৮] দিয়া আইস বন্ধুরে শিথান দিয়া[২৯] বইও[৩০]।
    বাটায় আছে পান শুপারী, বন্ধু চুণ দেখিয়া খাইও রে॥২
    পরাণ পাগেলা বন্ধুরে—

    হাম আবুল নারীরে বন্ধু পরথম যৈবন।
    পরথম পিরীত বন্ধু, বন্ধুরে পরথম মিলন রে॥৪
    পরাণ পাগেলা বন্ধুরে—

    থর থরিয়া কঁপে অঙ্গরে বন্ধু মুখে দিল সে ঘাম।
    পাড়ার দুষ্মন্ লোকে বন্ধু রটাইব বদনাম রে॥৬
    পরাণ পাগেলা বন্ধুরে—

    পরথমে যখনি বন্ধুরে গলায় হাত দিল।
    অঝুরে[৩১] অবশা অঙ্গ কাঁপ্যা না উঠিল রে॥৮
    পরাণ পাগেলা বন্ধুরে—

    পরথমে যখন বন্ধুরে মুখে দিল মুখ।
    অঝুরে অবশা অঙ্গ আমার কাঁপ্যা উঠে বুকরে॥১০
    পরাণ পাগেলা বন্ধুরে—

    চান্দ সাক্ষী সূরুজ সাক্ষীরে সাক্ষী তারাগণ।
    এই মতে সঁপ্যা দিলাম জীবন যৈবন রে॥১২
    পরাণ পাগেলা বন্ধুরে—

    জীবন দিলাম যৈবন দিলাম, আর সে কিছু নাই।
    ঘুম থাক্যা জাগিয়া দেখি বন্ধু কাছে নাই ওরে॥১৪
    পরাণ পাগেলা বন্ধুরে—”

    (৬)

    পরভাত কালে উঠে কন্যা সামনে পুষ্পডালা।
    চক্ষে লাগ্‌ল কাল ঘুমরে কেম্‌নে গাঁথি মালা॥২

    কালী হইল সোণার অঙ্গরে লোকে কাণাকানি।
    দিবসে না হইব দেখারে হইলাম পাগলিনী॥৪

    দিবসে মোর কাজ্জ[৩২] নাইরে রাত্রি মোর ভালা।
    সংসারে মোর কাজ্জ নাইরে ঝইড়া পড়ে মালা॥৬
    হাটে মোর কাজ্জ নাইরে কিসের বিকি-কিনি-
    ছানে[৩৩] মোর কাজ্জ নাইরে কিসের খাউনী জিউনী[৩৪] রে॥৮

    ঘুমে মোর কাজ্জ নাইরে এ সবে না চাই।
    পন্থ পানে চাইয়া থাকিরে কেবল একটু দেখা পাই—
    রে বন্ধু একটু দেখা পাই॥১০

    বাপ বাদী হইল কুমাররে মাও সে বাদী হইল।
    জলেত যাইতে তারা মানা মোরে করে রে॥১২

    বাপ সে বাদী হইল কুমার রে মাও সে হইল বাদী।
    পুষ্প তুলিতে গেলে তারা পরতিবাদী রে—
    কাল কালিন্দী বিষ রে॥১৪

    রাধন না সয় বন্ধুরে বাড়ন[৩৫] না সয়।
    ঘর গরল জ্বালা রে বিষে তনু দয়[৩৬] রে—
    কাল কালিন্দী বিষ রে॥১৬

    বাউরা[৩৭] পাগল মন রে ঘরে নাই সে টিকে।
    শিকল কাটা টিয়া যেমুন বনে বনে উড়ে রে—
    কাল কালিন্দী বিষ রে॥১৮

    দুষ্‌মন পাড়ার লোকরে, দেশে নাই সে ঠাঁই।
    বৈদেশী হইয়া চল বন্ধু অন্য দেশে যাই রে—
    কাল কালিন্দী বিষ রে॥২০

    (৭)

    রতন ঠাকুর ছান করতো যায় গাম্‌ছা কান্ধে দিয়া।
    মালীর ছেড়ী[৩৮] চাইয়া থাকে ভাঙ্গা বেড়া দিয়া রে—
    আর, কান্দে নদীর কূলে বৈয়া[৩৯]॥২
    রতন ঠাকুর পন্থে বাইর হইল হাতে লৈয়া বাঁশী।
    মালীর ছেড়ী ঘাটে যায় রে ভালা কাঙ্কেতে কলসী রে—
    আর, কান্দে পন্থ পানে চাইয়া॥৪

    গাঙ্গের ঘাটে রতন ঠাকুর রে করে আনিগুনি।
    মালীর ছেড়ী ঢাইল্যা দিল ভরা কলসীর পানি রে—
    আর, কান্দে নদীর কূলে যাইয়া॥৬
    পন্থে বাইরইল রতন ঠাকুর নব রঙ্গের বেশ।
    এরে দেখ্যা মালীর ছেড়ী ঝাইরা বান্ধে কেশ রে—
    আর, কান্দে আরশীর দিকে চাইয়া॥৮
    ঘাটে বাটে যায় রতন রে সকাল সৈন্ধ্যা বেলা।
    মালীর ছেড়ী ফুল তুল্‌ত যায় হাতে লৈয়া ডালা রে—
    আর, কান্দে ফুলের পানে চাইয়া॥১০
    রতন ঠাকুর হাটে যায় রে বেইল[৪০] ফুরাইয়া গেল।
    আমার লাগিল্[৪১] আইন্য কিন্যা সাঁচি গন্ধের তেল রে—

    * * * * *১২

    (৮)

    পলায়ন

    দেওয়ায়[৪২] ডাকে গুরু গুরু রে
    ঘাটে নাইরে খেয়া॥
    ঢেউয়ের উপর ভাইঙ্গা পড়েরে
    ঝাউ হিজলের ছায়া রে—
    আরে কান্দে রতন ঠাকুর বুইলা॥২
    চিলিক চিলিক বিজ্ঞলী ঠাডারে[৪৩] পবনের বাও।
    আজুকা রাত্রিতে বান্ধা সাধু মাল্লার নাও রে
    আরে কান্দে রতন ঠাকুর বুইলা॥৪

    “ঘরের বাইরি[৪৪] অইলাম কন্যালো
    আর না যাইম[৪৫] ঘরে।
    তোমারে লৈয়া কন্যা লো ভাসিম[৪৬] সায়রে॥৬
    রাজ্য থাকুক ধন থাকুক, থাকুক বাপ মাও।
    তোরে লইয়া ছারম[৪৭] দেশ লো, কপালে থাকে যাও[৪৮]॥”
    আরে কান্দে রতন ঠাকুর বুইলা॥৮

    “পইরা[৪৯] রইল কাক কোইলা দেশের বাড়ী ঘর।
    বৈদেশ করিলাম দেশ রে আপন কৈলাম পর রে[৫০]॥১০
    বাপ মাও ছাড়লাম বন্ধুরে ছাড়লাম নিজ ঘরে।
    কালুকা[৫১] বিয়ানে[৫২] লোকে কি বলিবে মোরে॥১২
    ছয় মাসের বান্ধা ঘর লহমাতে[৫৩] ভাঙ্গে রে—”
    আর কান্দে রতন ঠাকুর বুইলা॥১৪

    সজিন্তার দেশ খানি দেখিতে সুন্দর।
    মালী আর মাল্যানী তথা বান্ধে বাড়ী ঘর॥১৬
    চিরল কুটি[৫৪] দিয়া তারা ঘর যে বান্ধিল।

    * * * ॥১৮

    খাগরের ছানি দিল ইকরের[৫৫] বেড়া।
    রাজার হুকুম লৈয়া বান্ধিল বাসুরা[৫৬]॥২০

    পুষ্প তোলে মালা গাঁথে এহি[৫৭] মাত্র কাম।
    রাজার আন্দরে হইল মালীর খোস্‌নাম[৫৮]॥২২

    [এদিকে দেশ জুড়িয়া রতন ঠাকুরের খোঁজ পড়িল। খুঁজিতে খুঁজিতে লোকজন জানিয়া গেল যে এই সজিন্তার দেশের মালী-মালিনীই রতন ঠাকুর ও তা’র প্রণয়িণী—সেই বৃদ্ধ মালীর কন্যা।]

    (৯)

    গাও না গেরাম লৈয়া ভালা যুক্তি যে করিল।
    রঙ্গিলা বেশ্যারে কৈয়া সজিন্তা পাঠাইল॥২
    “শুন শুন রঙ্গিলা বেশ্যা বলি যে তোমারে।
    আমার পুত্র পাগল হইয়া গিয়াছে বৈদেশে॥৪
    অৰ্দ্ধেক রাজত্বি দিবাম আর সে দিবাম তার।
    সোণাতে বান্ধিয়া দিবাম তোমার গলার হার॥”৬
    পান খাইয়া রঙ্গিলা বেশ্যা আরে ঠোঁট কইরাছে লাল।
    হাল আবেস্থা[৫৯] তার শুন দিয়া মন।
    যাদুমন্ত্র জানে কন্যা পরথম যৌবন॥৯

    দুষ্‌মনে সুহৃদ্ করে পান পড়া দিয়া।
    সতী নারীর পতি সে যে নেয় ত ভুলাইয়া॥১১
    এক ফোটা জল পইরা[৬০] গায়ে ছিটা দিলে।
    পাগলিনী হইয়া সতী আপন পতি ভুলে॥”১৩

    (হায় ভালা) তবে ত রঙ্গিলা বেশ্যা আরে গমন না করিল।
    সজিন্তার দেশে গিয়া দাখিল হইল॥১৫

    বাজারে মারিয়া ঢোল বান্ধিলেক ঘর।
    বড় বড় লোক রাখে বানাইয়া নফর[৬১]॥১৭

    একদিন সজিন্তার রাজা খবর পাইল।
    রঙ্গিলার কাছে আইসা হাজির হইল॥১৯
    মুখ দেখিয়া রাজা পাগল হইয়া গেল।
    আর পাগল হইল রাজা পান যখন খাইল॥২১

    হায়! মালীর না গাঁথা মালা ভালা রাজা রঙ্গিলারে দিল।
    খুশী হইয়। রঙ্গিলা যে তারিফ করিল॥২৩
    “এমন সুন্দর মালা গাঁথে কোন্ জন।
    যে জনে গাঁথিল মালা সে জানি কেমুন॥”২৫

    রাজা বলে “আমার মালী মালা সে গাঁথিল।”
    “কেমুন তোমার মালী” রঙ্গিলা কহিল॥২৭
    “আর দিন তারে তুমি সঙ্গেতে আনিও।
    আর গাছি ফুলের মালা গাথিয়া সে দিও॥”২৯


    রতন ঠাকুর ও বৃদ্ধ মালীর কন্যা

    কন্যা। আজুকার নিশিরে বন্ধু স্বপন দেখলাম ভারী।
    দুস্কিনীর[৬২] কপালের কথা কইতে নাই সে পারি॥৩১
    মরা বির্‌খে[৬৩] ডাকে কাউয়া[৬৪] পেঁচা ডাকে ঘরে।
    কি জানি বিধাতা বন্ধু ফেলায় কোন্ ফেরে॥৩৩
    মাও বাপে মনে উঠেরে বন্ধু দিবানিশি কাল।
    কি জানি দারুণা বিধি ঘটাইল জঞ্জাল॥৩৫

    চক্ষে চক্ষে থাকরে বন্ধু ফুলে কাজ্জ নাই।
    তোমার বদলে আমি পুষ্প তোলা[৬৫] যাই॥৩৭
    বুকে বুকে থাকরে বন্ধু, বন্ধু আরে না হইও অদেখা।
    কি জানি বা এহি দেখা জনমের দেখা॥৩৯
    মুখে মুখে থাকরে বন্ধু হেন মনে লয়।
    তিলেক হইলে ছাড়া পরাণে না সয়॥৪১
    আইঞ্চলে[৬৬] বান্ধিয়া রাখি হেন মনে লয়।
    আঁখি কাঁপে ঘন ঘন রে বন্ধু কহিতে ডরাই।
    কি জানি আঞ্চলের নিধি বান্ধিতে হারাই॥৪৪
    ছয় মাস আছিরে বন্ধু সব্জিন্তার ঘরে।
    কাল নিশায় স্বপ্ন দেখি বন্ধু, তুমি গেছ চোরে[৬৭]॥৪৬

    রতন ঠাকুর। না কাইন্দ না কাইন্দ লো কন্যা নাই সে কাইন্দ তুমি।
    যেখানে থাকিবা তুমি সেইখানে আমি॥৪৮
    হিয়াতে লাগিল হিয়া পরাণে পরাণ।
    তোমার মরণে কইন্যা আমার মরণ॥৫০

    [রতন ঠাকুর যে দিন রঙ্গিলাকে মালা দিতে গেল, সে দিন সে আর বাড়ী ফিরিল না। লোকজন খোঁজ করিতে গিয়া দেখিল যে রঙ্গিলা ও রতন ঠাকুর উভয়েই উধাও হইয়াছে। রাজা এ সংবাদে ভীষণ ক্রুদ্ধ হইয়া রতন ঠাকুরের ঘর পুড়াইয়া দিতে হুকুম দিলেন। তাঁহার অনুচরেরা ফিরিয়া আসিয়া জানাইল যে রতন ঠাকুরের ঘরে একজন সুন্দরী স্ত্রীলোক আছে। রাজা তাহাকে ধরিয়া অন্দরে আনিতে বলিলেন।]

    (১০)

    আর ত সময় নাইরে বন্ধু, আর সময় নাই!
    চক্ষের দেখা দেখা দেওরে, আমি দেইখ্যা প্রাণ জুড়াই
    রে বন্ধু—আর ত সময় নাই!৩
    দারুণ গরল রে বিষে বন্ধুরে অঙ্গ হইল কালী।
    আমার বন্ধু একবার আইস, অন্তিম দেখা দেখিরে বন্ধু—
    আর ত সময় নাই!৬
    তুমি ত তুলিতে ফুল রে আমি গাঁথতাম মালা,
    অবিচারে গেলে রে বন্ধু মোরে ফেলি’ একেলা রে বন্ধু—
    আর ত সময় নাই!৯
    মাও বাপে পর করিলাম বন্ধুরে ছাড়লাম বাড়ীঘর,
    দেশ ছাইরা বৈদেশী হইলাম রে বন্ধু আপন হইল পর রে বন্ধু—
    আর ত সময় নাই!১২
    আর না দেখবাম চান্দরে সুখ-নিশিতে জাগিয়া
    আর না কহিব রে কথা হাসিয়া হাসিয়া রে বন্ধু—
    আর ত সময় নাই!১৫
    পরাণের বন্ধুরে আমার, দুষ্‌মনী করিলা
    অবলার মজাইয়া কুল রে বন্ধু, ফাঁকি দিয়া গেলা রে বন্ধু—
    আর ত সময় নাই!১৮
    পরে রে না দিবরে দোষ, দিব সে আপনে
    কোন্ জনে পাইয়া এমুন, হারায় বা কোন্ জনে রে বন্ধু—
    আর ত সময় নাই!২১
    বন্ধেরে[৬৮] না দিবরে দোষ নিজে কর্ম্ম দোষী,


    আর ত সময় নাই!২৪

    মরিবার কালেরে বন্ধু না পাইলাম দেখা
    এই সে ছিল অভাগিনীর সাত করমের লেখা রে বন্ধু—
    আর ত সময় নাই!২৭
    তোমরা যদি কেউ বুঝগো আমার মনের দাগা
    বন্ধু আইলে কইও নাগো আমার মরণ কথা রে বন্ধু—
    আর ত সময় নাই!৩০
    আর ত সময় নাইরে বন্ধু আর ত সময় নাই—৩১

    [রঙ্গিলার মোহ কাটাইয়া যেদিন রতন ঠাকুর আবার সজিন্তার দেশে ফিরিল সে দিন সে আর তার প্রিয়তমাকে পাইল না। সজিন্তার দীর্ঘশ্বাসের মত বাতাস আর বন-সোহাগী পাখীরা কাঁদিয়া কাঁদিয়া তাহাকে কন্যার মরণের খবর দিল।]

    এই কথা শুনিয়া রতন ঠাকুর পাগল হইল—
    মাও বাপ বাড়ী ঘর সকল ভুল্যা গেল রে!
    রতন ঠাকুর! ঠাকুর আরে!
    মাও কান্দে পন্থ পানে চাইয়া!৩৫
    দেশে নাই সে গেল রে ঠাকুর না ফিরিল ঘরে
    দেশে দেশে রতন ঠাকুর পাগল হইয়া ফিরে রে—
    রতন ঠাকুর! ঠাকুর আরে!
    মাও সে কান্দে পন্থ পানে চাইয়া!৩৯

    সমাপ্ত

    .

    টীকা

    1.  চান্দের…..দড়ি=চন্দ্রের বাগানের ফুলের মধ্যে সূর্য্য-কিরণের সুতা দিয়া নায়িকা মালা গাঁথিয়াছেন। দড়ি=সূত্র, এখানে কিরণ।
    2.  উজার=উজোড়।
    3.  ধলা=সাদা।
    4.  বিয়ান বেলা=প্রাতঃকালে।
    5.  কাহনার দরে=এক একটি ফুলের মালার দর এক কাহন,—এক টাকা।
    6.  স’রে=সহরে।
    7.  বেবাক্=সমস্ত।
    8.  পাইচ=পাক দিল, চক্রাকারে ঘুরিল।
    9.  মাইল=মারিল।
    10.  বয়ারে=হাওয়ার।
    11.  আ-বিয়াত=অবিবাহিতা।
    12.  পান্থে=পথে যাইতে তৃষ্ণা পাইলে।
    13.  বিরধ=বৃদ্ধ।
    14.  নিজে……পরে=তোমার শরীরে যে যৌবন আসিয়াছে সে খবর তুমি নিজেও জান না এবং অপরকেও জানিতে দাও নাই।
    15.  নিমি ঝিমি=মৃদু মৃদু।
    16.  গায়ের=গাঁয়ের, গ্রামের, আমি গাঁয়ের পথ ধরিয়া তোমাকে অগ্রসর করিয়া দিব, তোমার অনুবর্ত্তী হইয়া পথ চিনাইয়া লইয়া যাইব।
    17.  পন্থ=পথ।
    18.  বাগের=বাগানের।
    19.  ডড়=ভর, ভয়।
    20.  বায়ে=বাতাসে।
    21.  পড়ে=নড়ে।
    22.  বন বাহুরা=একরূপ বন্যতরু।
    23.  উগ্‌রাইয়া=উপ্‌ড়াইয়া।
    24.  নিছাদি=(?)
    25.  কোটালিয়া……পারা=কোটালই দেশের রাজা এবং রাজা কোটালের মত পাহারা দেন।
    26.  কাজ্জ=কার্য্য, কাজ (প্রাকৃতে ‘কজ্জ’)।
    27.  বেউর=বেউড়, একপ্রকার বাঁশ।
    28.  পৈথান=পায়ের তলা।
    29.  শিথান দিয়া=শিয়রে।
    30.  বইও=বসিয়ো।
    31.  অঝুরে=অজ্ঞাতসারে।
    32.  কাজ্জ=কজ্জ (প্রাকৃত), কাজ।
    33.  ছানে=স্নানে।
    34.  খাউনী জিউনী=খাওয়া এবং বিশ্রাম (জিউনী)।
    35.  রাধন…..বাড়ন=রাঁধা বাড়া।
    36.  দয়=দহে, পুড়িয়া যায়।
    37.  বাউরা=পাগল, উদাসী
    38.  ছেড়ী=কন্যা।
    39.  বৈয়া=বসিয়া।
    40.  বেইল=বেলা।
    41.  লাগিল্=জন্য।
    42.  দেওয়ায়=মেঘে।
    43.  ঠাডারে=বজ্রে
    44.  বাইরি=বাহির।
    45.  যাইম=যাইব।
    46.  ভাসিম=ভাসিব।
    47.  ছারম=ছাড়িব।
    48.  যাও=যাহা; কপালে যাহাই থাকুক।
    49.  পইরা=পড়িয়া।
    50.  ‘আপন কৈলাম পর’—চণ্ডীদাসের পদ দ্রষ্টব্য।
    51.  কালুকা=কাল।
    52.  বিয়ানে=প্রাতে।
    53.  লহমাতে=নিমেষে।
    54.  চিরল কুটি=চিরল—সরু, কুটি—খুটি
    55.  ইকরের=একরূপ লতা।
    56.  বাসুরা=বাসর ঘর।
    57.  এহি=এই।
    58.  খোস্‌নাম=প্রশংসা।
    59.  অবেস্থা=অবস্থা।
    60.  জল পইরা=জলপড়া দিয়া। জলে মন্ত্র পড়িয়া, সেই জল ছিটাইয়া নানারূপ যাদু করা, রোগ ভাল করা প্রভৃতির প্রচলন এখনও দূর পল্লীগ্রামে দেখিতে পাওয়া যায়।
    61.  নফর=চাকর; বড় বড় লোককে বশীভূত করিয়া ভৃত্য বানাইয়া রাখিল।
    62.  দুস্কিনীর=দুঃখিনীর।
    63.  বির্‌খে=বৃক্ষে।
    64.  কাউয়া=কাক।
    65.  পুষ্প তোলা=ফুল তুলিতে।
    66.  আইঞ্চল=অঞ্চল
    67.  চোরে=চলিয়া।
    68.  বন্ধেরে=বন্ধুকে।
    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমৈমনসিংহ-গীতিকা – দীনেশচন্দ্র সেন সম্পাদিত
    Next Article পূর্ব্ববঙ্গ-গীতিকা (দ্বিতীয় খণ্ড, দ্বিতীয় সংখ্যা) – দীনেশচন্দ্র সেন সম্পাদিত

    Related Articles

    দীনেশচন্দ্র সেন

    পদাবলী মাধুর্য্য – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    মৈমনসিংহ গীতিকা – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    বৈদিক ভারত – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    বঙ্গভাষা ও সাহিত্য -১ম খণ্ড – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    বৃহৎ বঙ্গ – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    সতী – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }