Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পুর্ব্ববঙ্গ গীতিকা (চতুর্থ খণ্ড, দ্বিতীয় সংখ্যা) – দীনেশচন্দ্র সেন সম্পাদিত

    দীনেশচন্দ্র সেন এক পাতা গল্প385 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মুকুট রায় – অজ্ঞাত লেখক

    মুকুটরায়

    মুকুটরায়ের পালাটিও মৈমনসিং হইতে সংগৃহীত। ইহাকে ঠিক পালাগান বলা যায় না। ইহা গীতি কথার লক্ষণাক্রান্ত। গীতিকথা ও পালাগানে কতকটা গুরুতর পার্থক্য আছে। গীতিকথার অনেক অংশ গদ্যে রচিত এবং তাহার মধ্যে মধ্যে কথকেরা পয়ার গাহিয়া যায়। সুতরাং গীতিকথার অর্দ্ধেক গদ্য এবং অর্দ্ধেক পদ্য। সময়ে সময়ে পদ্যের ভাগ বেশী থাকে। কিন্তু পালাগানের অনেকগুলিই সমস্তই পদ্যে লেখা। দ্বিতীয়তঃ গীতিকথায় অনেক আজগুবি বিষয়ের অবতারণা আছে। বিশেষতঃ তান্ত্রিকদিগের মন্ত্রতন্ত্রের অসাধারণ গুণে নানারূপ অলৌকিক ঘটনার সংঘটন গীতিকথার একটা প্রধান বৈশিষ্ট্য। যাঁহারা দক্ষিণারঞ্জন বাবুর ঠাকুর দাদার ঝুলির মালঞ্চ মালা ও কাঞ্চন মালা এই দুইটি গীতিকথা পড়িয়াছেন তাঁহারা এই বৈশিষ্ট্য সম্বন্ধে অভিজ্ঞ। আমাদের সংগৃহীত এই পালাগানগুলির মধ্যেও কতকগুলি গীতিকথা আছে। যথা ‘কাজল রেখা’, ‘কাঞ্চন মালা’, ‘ভারৈ রাজা’, প্রভৃতি। এই মুকুটরায়ের পালায় তন্ত্রমন্ত্রের প্রভাবে অসাধ্য সাধনের অনেক কথা আছে। যে আকারে মুকুটরায়ের পালাটি প্রথম বিরচিত হইয়াছিল সে আকারটি পাইবার উপায় নাই। ইহার প্রথমভাগ ঠিক রাখিয়া মুসলমান লেখক একটা হিন্দুকাহিনীকে শেষভাগে রূপান্তরিত করিয়া ফেলিয়াছেন। ইহাতে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষের কোন চিহ্ন নাই, কিন্তু মুসলমান ধর্ম্মের মহিমা ঘোষণা করার চেষ্টা আছে। সম্ভবতঃ এই গীতিকথাটির দ্বিতীয় লেখক এইরূপ আরো তিন চারটি গীতিকথা রচনা করিয়াছিলেন। তাহাদের প্রত্যেকটিতে একটি হিন্দুকাহিনীর অবতারণা হইয়া শেষে তাহাতে ইসলামের জয় প্রচারিত হইয়াছিল। এই গীতিকথাটির শেষের ছত্রটি হইতে আমরা এই অনুমান করিয়াছি।

    প্রথমতঃ রাজকুমার যখন নির্জ্জন গভীর অরণ্য-প্রদেশে তাঁহার প্রেমিকাকে দেখিতে পান সে এক অপূর্ব দৃশ্য। আমরা একাকী মিরাণ্ডাকে সামুদ্রিক দ্বীপে দর্শন করিয়া যেরূপ বিস্মিত হইয়াছিলাম, এই কুমারীর সন্দর্শনেও আমাদের তদ্রূপই বিস্ময় হইয়াছিল। নির্জ্জনে ঋষির আশ্রমে শকুন্তলা, সমুদ্রের উপকূলে কপালকুণ্ডলা এবং এই গভীর অরণ্যে পার্ব্বত্য কুমারী যেন এক হাতের আঁকা ছবি। কুমারী বিন্দুমাত্র পারিবারিক জীবনে অভ্যস্ত ছিল না। বন্য হরিণীর ন্যায় সে অরণ্যে ছুটিয়া বেড়াইত, ধনুর্ব্বাণহস্তে সে পুরুষবেশে শিকার করিত এবং তাহার স্বভাবজাত সৌন্দর্য্য আরণ্য সরলতার সহিত মিশ্রিত হইয়া তাহাকে এক বনদেবতার মত সুন্দরী করিয়া তুলিয়াছিল। ইহা একটি রাজকুমারের সঙ্গে রাজকুমারীর পরিণয়ের কাহিনী নয়। এখানে রাজকুমারী সম্পূর্ণ অসংস্কৃত, সামাজিকতার অতীত এক অপূর্ব্ব ললনা। কানন-কুসুমকে রাজকুমার রাজবাটীকার উদ্যানে লইয়া আনিয়াছিলেন। সে বেশভূষা জানিত না, কাহাকে কি বলিয়া সম্বোধন করিতে হয় তাহা জানিত না। অতি তেজস্বিনী হইয়াও সে একটি ননীর পুতুলের ন্যায় কোমলপ্রাণ। যেমনি তাহার অবয়বে তেমনি তাহার কথাবার্ত্তায় নিত্যনিত্য রাজকুমার নব সৌন্দর্য্য এবং অপূর্ব্বত্ব আবিষ্কার করিতেন। এ যেন পৃথিবী এবং স্বর্গের মিলন। কিন্তু এই পর্ব্বতীয়―নিতান্ত বন্য রমণীর হৃদয়ে যে প্রেম ছিল, তাহা অতীব একনিষ্ঠ; তাহাতে পাতিব্রত্যের ও শাস্ত্রীয় সংস্কারের কোন চিহ্ন নাই; কিন্তু তথাপি তাহা এত ঐকান্তিক ও একনিষ্ঠ, যে সেই প্রেম সর্ব্বশাস্ত্রকে অতিক্রম করিয়া উঠিয়াছে। গীতিকথাটি সমাপ্ত করিয়া আমাদের মনে সেই নিষ্কলঙ্ক অপাপবিদ্ধ ও সরল ধনুর্দ্ধারিণীর চিত্রটি মনে থাকিবে। সে রাজকুমারকে পাইয়া যেরূপ আনন্দিত হইয়াছিল এবং সেই আনন্দের কথা যেরূপ আবেগে প্রকাশ করিয়াছিল বোধহয় পৃথিবীর কোন নায়িকা তাহা করে নাই। অসভ্য দুর্বৃত্তদিগের হাত হইতে কুমারকে সে কিভাবে রক্ষা করিবে এই ছিল তাহার প্রধান ভাবনা। একদিন গাছের উপর পত্রান্তরালে, অন্যদিন বৃক্ষের কোটরে, অন্যদিন তাহার কুটিরের পার্শ্বে সে কুমারকে লুকাইয়া রাখিল―যেন সে হারানো মাণিক―কত দুর্লভ ধন। গীতিরচয়িতা বলিতেছেন সে ত শাস্ত্রও পড়ে নাই, সামাজিকতাও জানিত না, কেহ গল্প করিয়াও তাঁহাকে প্রেমের কাহিনী শোনায় নাই। তবে সে এতটা প্রেম শিখিল কোথায়? “কেমনে পিরীতের জ্বালা বুঝিল বনেলা?” এই বন্য রমণী এত প্রেম কি করিয়া শিখিল?

    এই গীতিকথাটিতে রাজাদিগের স্বেচ্ছাচারিতা এবং তাঁহাদের পার্শ্বচরদের রাজার অভিপ্রায়-অনুসারে সম্মতিসূচক ঘাড়নাড়া প্রভৃতির বৃত্তান্ত পাঠ করিয়া মনে হয় যে দেশে পূর্ণ মাত্রায় অরাজকতা বিদ্যমান ছিল। প্রত্যেক দেশেরই সন্নিকটে বন্য বর্ব্বর জাতিরা ঘুরিত এবং উৎপাত করিত। আমাদের ‘সুজলা সুফলা’ বঙ্গভূমি তখনও খুব নিরাপদ ছিল এমন বোধ হয় না।

    আর একটি বিষয় প্রণিধানযোগ্য। বঙ্গদেশে ছবি আঁকার প্রথা এত বেশী প্রচলিত ছিল যে ঘটকেরা সর্বদাই নানা দেশের রাজকুমার ও রাজকুমারীদের ছবি লইয়া দেশ-বিদেশে ঘুরিত, এবং অনেক সময় সেই ছবি দেখিয়াই উভয় পক্ষ বিবাহের সম্বন্ধ প্রায় ঠিক করিয়া ফেলিত। শুধু এই গীতিকথায় নয়, অনেক প্রাচীন পালাগানে ও বাঙ্গালা পুস্তকে ইহার ইঙ্গিত আছে। হরিবংশ পুরাণে দৃষ্ট হয় যে বাণের কন্যা ঊষা যখন অনিরুদ্ধকে স্বপ্নে দেখেন―অথচ এই তরুণ যুবক কে, তাহা নির্ণয় করিতে সমর্থ না হইয়া একান্ত ব্যাকুল হইয়া পড়েন, তখন ঊষার সখী চিত্রলেখা ভারতবর্ষের যাবতীয় তরুণ রাজকুমারের ছবি আঁকিয়া তাঁহাকে দেখান। এই ছবিগুলির মধ্যে ঊষা তাঁহার স্বপ্নদৃষ্ট কুমার অনিরুদ্ধের মূর্ত্তি সহজেই চিনিতে পারিয়াছিলেন। এই সকল উপাখ্যান হইতে বেশ বুঝা যায় চিত্রবিদ্যা এদেশে কতটা ব্যাপকতা ও উৎকর্ষ লাভ করিয়াছিল। সাধারণতঃ স্ত্রীলোকেরাই এই চিত্র ও অপরাপর কোমল শিল্পের চর্চা করিতেন। এই বিদ্যার অধিষ্ঠাত্রী দেবী ভারতী।

    শ্রীদীনেশচন্দ্র সেন।

    .

    মুকুট রায়

    (১)

    শিলুই রাজা আছিল ভাইরে ও ভাই দক্ষিণ মুল্‌কে ঘর।
    হাইকো হাজারী পাইকো পাছারী পুরান্ধর[১]॥২
    লোক লস্কর আরে ভাই খেজমতকার না যায় গণন।
    হাতী ঘোড়া লাখ বিলাখ শুন সভাজন॥৪
    এই মতে রাজত্বি তাইন[২] করে শুন দিয়া মন।
    আচম্বিতে হইল রাজার গো একটি নন্দন॥৬
    (খেউরাল ভাই) ভালা দিশা টান রে ভাই মনেত ধরিয়া।
    শিলুই রাজার কথা শুনু মন না দিয়া॥৮

    এক পুত্রু শিলুই রাজার পছন্তে সুন্দর।
    এমুন ছুরৎ নাই রে ভালা দক্ষিণার স’র[৩]॥১০
    বেহেস্ত পরীর রাজা যেমন অগ্নির সমান জ্বলে।
    চান্দ জম্মিল যেমুন জমিনের কোলে॥১২
    যা’র দিকে চায় পুত্রু দুই আঁখি মেলে।
    সেই ত আসিয়া তা’রে তুল্লিহা লহে কোলে॥১৪

    (আহারে ভাই) এক দুই তিন করি বরষ গুজরে।
    দেখিতে দেখিতে কুমার কুড়ি বছর ধরে॥১৬
    বাছার যৈবন অইল চন্দ্রের সমান।
    সানন্দিত অইল রাজা দেখিয়া বয়ান॥১৮

    তবে ত শিলুই রাজা যুক্তি যে করিল।
    পুত্রের বিবাহ দিতে মনে থির কইল॥২০
    উজির নাজিরে ডাক্যা কয় ভালা তোমরা সবে শুন।
    কেথায় আছে শুন্দর কন্যা চেরাবন্দি[৪] আন॥২২
    যেমুন আমার পুত্রধন মুকুট কুমার।
    সেই মত কন্যা আন ভালা পছন্দ বাহার॥২৪
    যেমুন আমার পুত্র চান্দের সমান।
    সেই মতে হবে কন্যা ভালা তিল নয় সে আন[৫]॥২৬

    যে বাগে[৬] গোলাপ গুল গো দেখিতে সুন্দর।
    এক লস্করে রাজা পাঠাইল উত্তর॥২৮
    আর ত লস্কর রাজার পূবে মেলা নাই সে দিল।
    আর ত লস্কর রাজার পশ্চিম মেলা করল॥৩০
    আর ত লস্কর ভাইরে দক্ষিণ বুল্যা যায়।
    চাইর দিকে লোক তবে পাঠাইল রায়॥৩২

    কতদিনে উত্তর‍্যা ফিরিয়া আইল ঘর।
    উত্তর রাজার কন্যা দেখিতে সুন্দর॥৩৪
    সন্ধ্যা কালের তারা যেমুন আসমানেতে জ্বলে।
    হাট্যা যাইতে কেশ কন্যার দাসীরা লয় কোলে॥৩৬
    চাম্পা না ফুলের মতন কন্যার অঙ্গের বরণ রে।
    আষাঢ়িয়া নদীর পানি কন্যার প্রথম যৈবন রে॥৩৮
    এও কন্যা মুকুট কুমার পছন্দ না করে।
    চেরাবন্দি পট কুমার ফেলাইল দূর ক’রে॥৪০

    তবে দক্ষিণা কন্যার চেরাবন্দি আনে।
    এমন সুন্দর কন্যা নাই সে তিরভুবনে॥৪২
    সোণার বরণ কন্যার জমিনে পড়ে কেশ।
    সন্ধ্যাকালের তারা রে ভাই দুই নয়ানে জ্বলে।
    এও পট মুকুট রায় ফালাইল দূরে॥৪৫

    পূবের দেশের কন্যা ভাই রে ভবে মিলা ভার।
    তাহার রূপের কথা কইতে চমৎকার॥৪৭
    হীরামন পালে কন্যা খাট পালঙ্গে বইসারে।
    জমিনে পড়িলে ছায়া জমিন উজল করে॥৪৯
    জলেতে পড়িলে ছায়া জল ত উজালা।
    সোণার পালঙ্কে কন্যা ভালা শুইয়া নিদ্রা যায় রে।
    সোণার মন্দির দেখে কন্যার রূপে যুড়ে॥৫২
    এও কন্যা মুকুট রায় পছন্ত না করিল।
    পচ্চিম মুল্লুক হইতে লস্কর ফিরিয়া আইল রে॥৫৪

    আরে ভাই ভাই রে পচ্চিম রাজার বেটি বেহেস্তের পরী।
    সংসারেতে নাই ভাই এই মত সুন্দরী॥৫৬
    যেমুন কেশ তেমুন বেশ তেমুন সুসুরা[৭]।
    দুই আঁখিতে ভইরা থুইছে কন্যায় জ্বলন্ত আঙ্গেরা॥৫৮
    এক খাটে ঘুমায় কন্যা আর খাটে ত চুল।
    মুখে ত ফুটিয়া কন্যার শতেক চাম্পা ফুল॥৬০
    হাট্যা যাইতে কন্যার মাইঝা ভাইঙ্গা পড়ে।
    এক শত ধাই দাসী কন্যার সঙ্গে ত ফিরে॥৬২
    এও কন্যা মুকুট রায় ভালা পছন্ত না করিল।
    চেরাবন্দি পট রায় দূরত ফালাইল রে॥৬৪

    (হারে ভাই রে ভাই)
    এরে শুন্যা শিলুই রায় ভালা গোস্বায় না জ্বলিল।
    কটুয়াল জল্লাদে পুত্রে হাওলা[৮] সে করিল॥৬৬
    আরে র দুর্জ্জন পুত্র অইল কুলাঙ্গারা।
    আমারে অপমান কল্লে কি কহিবাম তোরে॥৬৮
    পাত্র মিত্র জনে তবে বুঝাইল রাজারে।
    তবে রাজা মুকুট রায় ভালা হুকুম যে দিলা রে।
    শুন পুত্র শুন বাপধন বলি যে তোমারে॥৭১
    (আরে পুত্রু) একশত ঘোড়া লওরে বাছাই করিয়া।
    একশত হাতী লওরে বাছাই করিয়া॥৭৩
    যারে মনে ধরে পুত্র লও রে লস্কর।
    এহি সব লইয়া তুমি যাহ নিরান্তর॥৭৫
    দিনদুইনারে যত আছে রাজার কুমারী।
    তার মধ্যে দেখ্যা আইস পছন্ত সুন্দরী॥৭৭
    তার মধ্যে দেখ্যা কুমার আরে যেবা লহে মনে।
    তাহারে করাইবাম বিয়া তোমার কারণে॥৭৯
    ধুবা নাপিতের কন্যা খেউরের ভাণ্ডারী।
    যা’রে পছন্তিবে তা’রে আন বিভা করি’॥৮১

    এরে শুন্যা মুকুট রায় তবে কোন্ কাম করিল।
    লোক লস্করা লইয়া মেলা যে করিল॥৮৩
    মায় কান্দে ভাই সে কান্দে কাইন্দা জারে জার[৯]।
    আইজ হইতে দক্ষিণা মুলুক হইল অন্ধকার॥৮৫

    (২)

    আরে ভাই রে—
    সাত জঙ্গল তের নদী দুরন্ত হাওর[১০] রে।
    পার হইয়া যায় কুমার নেয়াজা সহরে॥২
    নেয়াজা হইয়া পার রে পূবমুখী চলে।
    বেইল ভাটি[১১] দাখিল হইল বেহুরা জঙ্গলে॥৪
    ভাই রে ভাই—
    বেহুরা জঙ্গলার কথা শুন দিয়া মন।
    শতেক যোজন ভইরা বেড়া সেই বন॥৬
    আরে ভাই রে ভাই—
    বেহুরা জঙ্গলা কি রে বাঘ ভালুক হায় রে।
    বড় বড় অজাগর হরিণা ধইরা খায় রে॥৮
    সেই বনে প্রবেশত কুমার রে।
    শুন শুন লোকজন রে বলি যে তোমরার কাছে রে।
    তোমরা সবে যাহ ত মুল্লুকে রে॥১১
    মায়ের ধন মায়ের কোলে
    তোমরা যাহ ত চইলে রে।
    আমি ত হইলাম বনবাসী রে॥১৩
    ও লোক লস্কর খাড়া হইয়া শুন রে।
    যদি সে জিগায়[১২] মায় পন্নাম তাহান পায় রে।
    কইয়ো মায় খাইছে জংলার বাঘে রে॥১৬
    আরে লোক জন—
    বাপে যদি ফুইদ[১৩] করে।
    আমার পন্নাম জানাইয়ো তারে রে॥১৮

    কইয়ো তা’রে আমার দুক্ষের বাণী—
    বনেলা সে অজাগর আমারে না ধইরা খায় রে।
    কইয়ো দেশে আর না ফিরমু আমি রে॥২১
    এই মতে কাইন্দা কুমার আরে কোন্ কাম করিল।
    দৌড়ের ঘোড়ার পিষ্ঠে ভালা শোয়ার যে অইল॥২৩

    রক্ত করম্‌জা গোটা ভাইরে ঘোড়ার বরণ।
    কাম সিন্দুর দেখি তাহার বদন॥২৫
    চলিবারে পক্ষীরার দুই কন্ন খাড়া।
    জিহ্বা গোটা দেখি ঘোড়ার জ্বলন্ত আঙ্গেরা।
    চারিখানি পাও তার শোভে সুধন[১৪] ক্ষুরা॥২৮
    সেহি ত ঘোড়ার পিষ্ঠে কুমার যখনি বসিল।
    জঙ্গলা ভাঙ্গিয়া ঘোড়া শূন্যে উড়া দিল॥৩০

    (হায়) লোক জন কোথায় রইল কেবা কারে জানে।
    সন্ধ্যা বেলায় দাখিল[১৫] গিয়া কাঠুরিয়া ভবনে॥৩২
    (হায়) কাঠ কাট কাঠুরী ভাইরে মিন্নতি আমার।
    আজি নিশি মোরে দেহ একটুকু ঠাঁই॥৩৪
    কাঠুরীর ভবনে কুমার আরে রাত্রি পোষাইল।
    এক দুই তিন কইরা সাত দিন গেল রে॥৩৬
    সাত দিন পরে কুমার কিবা ন কৈল মনে।
    শিকার করিতে কুমার চলে বেউর বনে॥৩৮
    ভাই রে ভাই—
    হাতে লইল ধনু ছিলা পিষ্ঠে লইল তীর।
    ঘোড়ার পিষ্ঠেতে তবে হইলা শুয়ার॥৪০

    (হায়) বেউর জঙ্গলা পথে ঘোড়া চলিতে না পারে।
    হাটিয়া চলিল কুমার ছাড়িয়া ঘোড়ারে॥৪২
    কতখানি দূর গিয়া নজর কর‍্যা চায়।
    হীরামন তোতা এক গাছের ডালে দেখা যায়॥৪৪
    মাথায় সোণার ছিট সোণার বরণ পাখী।
    এমন সুন্দর রূপ নয়ানে না দেখি॥৪৬

    জীবন্ত ধরিতে কুমার মনে যে করিল।
    হেনকালে হীরামন শূন্যেতে উড়িল॥৪৮
    পাছে পাছে চলে কুমার উর্দ্ধপানে চাইয়া।
    মেহনত[১৬] অইল বড় জঙ্গলা ঘুরিয়া॥৫০
    কতখানি দূর গিয়া কুমার সামনেতে চায়।
    একটি সুন্দর কন্যা সামনে দেখতে পায়॥৫২

    পিন্ধনে গাছের পাতা গাছের বাকলা।
    কন্যার গায়ের রঙ্গে বেউর উজালা॥৫৪
    ভাই রে ভাই—
    মুখের বরণ কন্যার সোণা চাম্পা কলি।
    দুই হস্ত তুল্‌ছে কন্যার বেলাইনতে বেলি’[১৭]॥৫৬
    পিষ্ঠেতে বাহিয়া পড়ে উদাম[১৮] দীঘল চুল।
    দুই ত কন্নেতে শোভে ধামনার[১৯] ফুল॥৫৮
    এক হাতে শোভে ধনু আর হাতে তীর।

    আগে আগে চলে কন্যা উন্নমুখী[২০] হইয়া।
    পাছে ত চলিল কুমার পাগল হইয়া॥৬১
    কতকখানি দূর গিয়া কন্যা কোন্ বা দেখিল।
    দুই হাঁটু পাতিয়া কন্যা ভূমে ত বসিল॥৬৩
    ডানি হাতে ধরে ধনু বাঁও হাতে ছিলা।
    হেনকালে ত কুমার কোন্ কাম করিলা॥৬৫

    ভাই রে ভাই—
    দারাকের[২১] ডালে বসিয়া হীরামন তোতা।
    তাহার চৌদিকে বেড়ে গাছের নয়া পাতা॥৬৭
    জল্‌দি করিয়া কুমার ধনু হাতে লইল।
    এক তীরে কুমার যে পঙ্খিরে মারিল॥৬৯
    ডাইল ছাইড়া হীরামন জমিনে লুটায়।
    এতেক দেখিয়া কন্যা পিছু পানে চায়॥৭১

    শুন শুন বনেলা কন্যা কহি যে তোমারে।
    আমি মারছি তোমার পঙ্খি লো কন্যা,
    তুমি বধ মোরে॥৭৩
    আঁখি নাই সে ফিরে, কন্যা চমকি চাহিল।
    আচানক পুরুষ হেথা কোন খান থাক্যা আইল॥৭৫

    শুন রে ভিন্ন দেশী কুমার শুন দিয়া মন।
    বেউর জঙ্গলায় দেখি কিসের কারণ॥৭৭
    কে বা তোমার মাও বাপ রে কে বা তোমার ভাই।
    কুয়াবে[২২] এমুন রূপ কভু দেখি নাই॥৭৯

    বনুয়ার নারী আমি জঙ্গলায় বসতি।
    শিকার করিয়া ফিরি অন্য কার্য্য নাই॥৮১
    বনেলা বিয়াধের মাইয়া মুঞ[২৩] আকপালী[২৪]।
    পশুপঙ্খী মাইরা আমরা করি উদ্দর-পালি[২৫]॥৮৩
    আমার পঙ্খীরে তুমি মারলা কি কারণ।
    কুমার কহিলা শুন মোর ত বিবারণ॥৮৫

    দক্ষিণ মুলুক কন্যা আমার বসতি।
    শুইয়া আছিলাম কন্যা জোড়-মন্দির ঘরে॥৮৭
    কুয়াব দেখিলাম কন্যা রাত্তর নিশাকালে।
    কুয়াবে দেখিলাম কন্যা লো কন্যা তোর চান্দ বয়ান
    ঘুরিয়া তামাম দেশ হইলাম হয়রান॥৯০

    কত কত রাজার মাইয়া নয়ানেতে দেখি।
    এক এক কন্যা যেমুন বেহস্তের পঙ্খী॥৯২
    এ সব রাজার বেটী মনে না ধরিল।
    এ মতি পাগল মন বৈদেশী করিল॥৯৪
    নানান দেশ ঘুর‍্যা কন্যা লো বেউরে আসিনু।
    সপ্পনের ধন মোর সাক্ষাতে মিলিল॥৯৬

    কুমারের কথা শুন্যা কন্যার দুই আঁখি ঝুরে।
    দুই ত নয়ানের পানি ঝরঝরি পড়ে॥৯৮
    কি করিলে সুন্দর কুমার কি করিলে হায়।
    আর না দেখিবা কুমার তোমার বাপ মায়॥১০০

    আর না পাইবা রাজ্জতি কুমার রাজার ছাওয়াল
    বনেলা বিয়াধের দেশ জঙ্গলায় কাল॥১০২
    যারে দেখে তারে মারে মায়া বাস্‌না নাই।
    বুকে ত মারিব তীর পন্থে লাগাল পাই॥১০৪
    বাঘ ভালুক হইতে কুমার আরে বেশী ডর দেখি।
    অল্প ত মাথার কেশ, কোথায় ছাপাইয়া রাখি রে[২৬]॥১০৬

    কলিজার লৌহ যদি বুকে দিতাম থান[২৭]।
    দেহাতে ভরিয়া রাখতাম হইলে পরাণ॥১০৮
    নয়ানে রাখতাম ভইরা না হইতাম পাশুরা।
    দিশালে হইতে যদি দুই নয়ানের তারা॥১১০
    এ সবার বেশী তুমি পরাণের পরাণ।
    কোন্‌খানে লুকাইয়া রাখি এই পুন্নুর[২৮] চরণ॥১১২

    কান্দিয়া কাটিয়া কন্যা ফালায় ধলুক ছিলা।
    কেমুনে পিরীতের জ্বালা বুঝিল বনেলা॥১১৪
    মাস নহে বচ্ছর নহে দণ্ড দুই চারি।
    পিরীতের দুঃখু কেমনে বুঝে বনের নারী॥১১৬
    পাইলে মাণিক যেমুন সাত রাজার ধন।
    উপায় ভাবিতে কন্যা চিন্তে মনে মন॥১১৮
    আরে ভাইরে এক নিশি লুকাইয়া রাখে দাড়াকের ডালে।
    আর দিন লুকাইয়া রাখে বিক্কের[২৯] কুটলে[৩০]॥১২০

    আর ভাই,
    আর দিন ঢাকে কন্যা গাছের পাতা দিয়া।
    সাত রোজ রাখে কন্যা আড়ালি করিয়া॥১২২
    রাইতে আসে দিনে যায় বিয়াধের দল।
    গামরা[৩১] হইয়া কন্যা না ঢুঁড়ে জঙ্গল॥১২৪
    মাথায় দারুণ বিষ সকলে ভাড়ায়।
    পলাইবার পথ নাই কি মতে পলায়॥১২৬

    শুন শুন কন্যা লো বলি তোমার ঠাই।
    বেউর ছাড়িয়া চল মুল্লুকেতে যাই॥১২৮
    শুনিয়া বনের নারী চমকিরা উঠিল।
    কুমারের সঙ্গে যাইতে মনে স্থির কৈল॥১৩০
    একদিন বনুয়ার দল শিকারেতে যায়।
    সময় বুঝিয়া দূরে পলাইয়া যায়॥১৩২

    (৩)

    আর ভাই রে—
    দক্ষিণা মুল্লুকখানি করে তোলপার।
    বিভা[৩২] করিয়া দেশে আইসাছে কুমার॥২
    বাপে ত বান্ধিয়া দিল জলটুঙ্গি ঘর।
    কন্যারে লইয়া কুমার থাকে নিরন্তর॥৪
    সোণার খাট সোণার পালঙ্ক যোড়মন্দির ঘরে।
    আবের[৩৩] পাঙ্খায় ধাই[৩৪] বাতাস না করে॥৬
    কইন্যারে পরায় কুমার নানান রত্ন অলঙ্কার।
    পায়ে ত পঞ্চম আর গলায় রত্নহার॥৮

    সিঁথিতে সিঁথানি কন্যা তারা যেন জ্বলে।
    বাহার করিয়া সাড়ী তুলিল কাঁকালে॥১০
    আর যতেক অলঙ্কার কহিতে না পারি।
    এহিমতে সাজন করিল বনেলা সুন্দরী॥১২
    চৈত না ফাল্গুন মাস যায় এই মতে।
    ফুলের মধু খাইয়া দেখ গুঞ্জরে ভমরা।
    কন্যার দেখিয়া রূপ কুমার বেহুরা[৩৫]॥১৫
    দিনে দিনে বাড়ে রূপ তিল নাই সে কমে।
    হেনকালে শুন কিবা করিল দুষ্‌মনে॥১৭

    আরে, ভালা কইরা গাইও দিশা তালে রাইখ পাও।
    এই না দিশা রাখ্যা তোমরা আরেক দিশা গাও॥১৯
    পুষ্পমধু খাইয়া যেমন ভমরা পাগল।
    কন্যারে লইয়া কুমার থাকে নিরন্তর॥২১
    একদিন বইসা কুমার যোড়মন্দির ঘর।
    পান গুয়া খায় কুমার হরষিত অন্তর॥২৩
    (ভাই রে ভাই) কৈতরা-কৈতরী[৩৬] যেমুন মুখে মুখ দিয়া।
    মধু পান করে দুহে আসক[৩৭] হইয়া॥২৫

    গৈরব না কর বান্দারে আরে বন্দা দৈব কাছে কাছে।
    আজ ত আইসাছে সুখ, দুঃখু তাহার পাছে॥২৭
    আজ যে হাসিছ বান্দা না রাখ খবর।
    কালুকা কান্দিয়া মরবা বেইলের[৩৮] আড়াই প’র[৩৯]॥২৯
    আজত সুখের গুজরান করছ গুণাগার।
    কাইল ত চাহিয়া দেখ্‌বা দুইনারি[৪০] আন্ধার॥৩১

    কোদালে কাটিয়া মাটি উপরে দিবে চাপা।
    চারিদিকে চাহিয়া দেখ্‌বে কোথারে মা বাপা॥৩৩
    কিড়ায়[৪১] কাটিয়া মাংস সুখেতে ভুঞ্জিবে।
    দিন-দুইনারির[৪২] সুখ কৈবা পইড়া রবে॥৩৫
    আর ভাই মারফতি[৪৩] কথা এখন নিরবধি থুইয়া।
    দিশা গাও খেরুয়াল ভাইরে সভার হুকুম লইয়া॥৩৭

    তার পরে হইল কিবা শুন বিবারণ।
    দুয়ে মিলি রসকলা করয়ে ভুঞ্জন॥৩৯
    একদিন সন্ধ্যা বেলা জল-টুঙ্গি ঘরে।
    দুইজনে বস্যা তারা আলাপন করে॥৪১
    হেনকালে সন্ধ্যা দেখ গুজরিয়া যায়।
    দুরান্ত দুষ্মন বনুয়া[৪৪] কিবান[৪৫] করে হায়॥৪৩

    মারিল বিষের তীর কুমারের বুকে।
    জমিনে পড়িল কুমার—লহু[৪৬] ছুটে মুখে॥৪৫
    কলিজা ভেদিয়া তীর পিষ্ঠেতে বাইরল।
    দেখিয়া বনেলা কন্যা কোলে তুইল্যা লইল॥৪৭

    আহা আহা পরাণের পতি এমুন হইল।
    কেমুন দুষ্মনে জানি এমুন করিল॥৪৯
    আঁখি মেইলা চাও বান্ধুই আঁখি মেইলা চাও।
    আমারে একেলা থুইয়া কইবা[৪৭] চল্যা যাও॥৫১

    মাও নাই বাপ নাই মোর গর্ভ-সোদর ভাই।
    দুইনায়ে আপনা বল্‌তে কেউ মোর যে নাই॥৫৩
    আছিলাম বনের পঙ্খী জঙ্গলায় বসতি।
    পিঞ্জরে ভরিয়া বন্ধু শিখাইলে পিরীতি॥৫৫
    আমার পরাণ, বন্ধু, তোরে দিয়া যাই।
    তোমার নিছুনি[৪৮] লইয়া আমি মইরা যাই॥৫৭

    মুখে মুখ দিয়া কন্যা করয়ে চুম্বন।
    দুই নয়ানের পানি কন্যার মেঘের বরিষণ॥৫৯

    না জানি না চিনি দেশ কেবা তার কেমুন।
    তোমার লাগিয়া চিনা হইল এমুন॥৬১
    কালুকা বিয়ানে মায় পুছিবে যখনি।
    কি বাৎ কহিমু তাঁরে পাগল জননী॥৬৩
    কালুকা বিয়ানে রাজা পুছিবে যখন।
    কি বাৎ কহিয়া তাঁর প্রবোধিব মন॥৬৫
    রাজ্যের যতেক লোক পুছিবে আমারে।
    পুছিলে উত্তর কিবা দিমু তা’ সবারে॥৬৭
    যতেক নাগরিয়া লোকে দিবে বেড়াবাড়ি[৪৯]।
    মুখেত পাড়িবে গালি পুরুষ-বধী নারী॥৬৯

    এহি মতে কান্দ্যা কন্যা কোন্ কাম করে।
    মড়া লইয়া যায় কন্যা জোড়মন্দির ঘরে॥৭১
    কান্দিয়া কাটিয়া কন্যায় রাত্রি পোষাইল।
    যতেক নাগরিয়া লোকে পরভাতে জানিল॥৭৩
    রাজা কান্দে রাণী কান্দে মরা পুত্র লইয়া।
    ধাই দাসী সবে কান্দে জমিনে পড়িয়া॥৭৫

    পাত্রমিত্র জনে কান্দে নগরের লোকে।
    হায়রে দারুণ বিধি ফালাইল বিপাকে॥৭৭

    তবে রাজা বনেলারে[৫০] করে জিজ্ঞাসন।
    কি মতে হইল মোর পুত্রের মরণ॥৭৯
    কন্যার যতেক কথা বিশ্বাস না করে।
    পাত্রমিত্র কহে, রাজা, বান্ধহ ইহারে॥৮১
    বনুয়া[৫১] রাক্ষুসী এই মোর লয় মন।
    খাইতে মড়ার মাংস বইধাছে জীবন॥৮৩

    পাত্রমিত্র সহ রাজা যুক্তি সে করিল।
    দোছালে[৫২] সিন্ধুক এক কামেলা বানাইল॥৮৫
    সিন্ধুকে ভরিয়া পুত্র মরার সঙ্গেতে।
    জীবন্ত বনেলা কথা দিল তার সাথে॥৮৭

    আরে ভাই রে—
    কুলুপ করি সিন্ধুক জলে ভাসাইল।
    জলের উপরে সিন্ধুক ভাসিয়া চলিল॥৮৯

    হায় ভালা—
    তারপরে হইল কিবা শুন বিবারণ।
    জাল বায় জালুয়া দেখ ভাই দুইজন॥৯১
    দৈব যোগ সিন্ধুক যে জালেতে ঠেকিল।
    টানিয়া টুনিয়া তারা উপরে আনিল॥৯৩
    কুলুপ ভাঙ্গিয়া তারা দেখে আচরিত।
    মড়ার সঙ্গেতে জেতা, কেমুন পিরীত॥৯৫

    ভয় পাইয়া জালুয়ারা পলাইয়া গেল।
    মরা পতি লইয়া কন্যা বাহির হইল॥৯৭

    মরা কান্ধে লইয়া কন্যা জঙ্গলা বেড়ায়।
    দুই আঁখির জল পইরা কন্যার গহিন[৫৩] ভাস্যা যায়॥৯৯
    “জাগ জাগ পতি আরে চক্ষু মেলি চাও।
    অভাগ্যা বনেলা কন্যায় কেন বা ভাঁরাও[৫৪]॥১০১
    মাও বাপ নাহি ছিল গর্ভ-সোদর ভাই।
    অভাগ্যা বনেলা জাতি কোনু দুঃখু নাই॥০৩
    স্বপনে রাজার রাণী, স্বপনে কাঙালী।
    স্বপনে করিলে মোরে দুঃখের কপালী॥০৫
    রাজত্বি ঠাকুরালী কিছুই না চাই।
    বনে ত বসতি করি তোমায় যদি পাই॥১০৭
    হায় কোথায় রহিলে প্রভু তুমি নিরঞ্জন।
    অভাগ্যা বনেলা কন্যা করিছে কান্দন॥১০৯
    প্রভুরে বাঁচাও আল্লা আর নাই সে চাই।
    তোমার জনাবে আল্ল। সেলাম জানাই॥১১১

    সপ্ততালা বেহেস্ত পুরী সোণার ভুবন।
    তাহার উপরে আছুন আল্লা নিরঞ্জন॥১১৩
    বনেলার কান্দনেতে আসন নড়িল।
    বত্রিশ পেগাম্বরে ডাক্যা কহিতে লাগিল॥১১৫
    শুন শুন পেগাম্বর কহি যে তোমারে।
    জল্‌দি করিয়া যাও জঙ্গলার ভিতরে॥১১৭
    নোয়াজার কন্যা কান্দে পতি হারাইয়া।
    তাহার পরাণ রাখ পতি দান দিয়া॥১১৯

    এই দিকে হইল কিবা শুন বিবারণ।
    মড়ার গায়েত করে কীড়ার দংশন॥১২১
    কান্দে বনেলা কন্যা হরদিশ[৫৫] বেহুরা[৫৬]।
    দুই হাতে বাছ্যা ফেলে মড়ার শরীলের কীড়া॥১২৩
    মাংস খসিয়া পড়ে, হাড় রইল খালি।
    কান্দে বনেলা কন্যা পতি পতি বলি॥১২৫
    হেনকালে বত্রিশ পেগাম্বর।
    জল্‌দি চলিয়া আইল জঙ্গলা ভিতর॥১২৭

    নেয়াজার সরের রাজা তোমার যে বাপ।
    জঙ্গল ঢুঁড়িয়া কন্যা পাইলে বড় তাপ॥১২৯
    প্রভুর কেরামতে[৫৭] আমি এহারে জিয়াই।
    তুরন্ত[৫৮] চলিয়া যাও তুমি নেয়াজার সরে॥১৩১
    আমি যে জিয়াইব পতি না দেখিবা তুমি।
    মনিষ্যি দেখিলে করা হইবে হয়রানি[৫৯]॥১৩৩
    জিয়ন মরণ দশা মুরশীদের হাতে।
    মরায় না আসে পরাণ মানুষ থাকিতে॥১৩৫
    বিখালী[৬০] বনের মাধ্যে জিউদান দিব।
    পউখ পাখালী কারে সামনে না থাকিব॥১৩৭

    এই কথা শুনিয়া কন্যা জমিনে ঢলিল।
    কেমুনে জানিমু পতি পরাণে বাঁচিল॥১৩৯
    এই কথা শুন্যা তবে রসুল পেগাম্বর।
    একে একে জোরা দিল বত্রিশ পঞ্জর॥১৪১

    কালাম ঝাড়িয়া তবে মন্তর পড়িল।
    হাড়ের উপরি মাংস জুরা ত লাগিল॥১৪৩
    আর মন্তর পড়ে মুর্‌শীদ গো
    আরে মুর্‌শীদ মড়ার পানে চাইয়া।
    জিয়ন চর্ম্মেত দেহা লইল ঢাকিয়া॥১৪৬

    বনেলা ক্যারে মুর্‌শীদ কহিল বচন।
    বে-পত্যয়[৬১] না হও কন্যা শুন দিয়া মন॥১৪৮
    এহিবার পতিরে তোমার দিনু জিউ দান।
    জল্‌দি করি যাও তুমি নেয়াজার সর”॥১৫০

    হুর নবী বৈল্লা মুর্‌শীদ তিন ডাক মাইল।
    নেয়াজার সরে কন্যায় উড়াইয়া নিল॥১৫২

    আর ভাইরে—
    তবে ত শিলুই রাজা আনন্দ অপার।
    মরা পুত্রু জিয়া আইসে এমুন ভাগ্যি কার॥১৫৪
    জলটুঙ্গি ঘরে কুমার দাখিল হইল।
    তথায় কন্যার দেখা খুঁজিয়া না পাইল॥১৫৬
    মায়ে পুছে বাপে পুছে রে কুমার পুছে বান্ধই জনে।
    এই যে আছিল কন্যা গেল কেথাকারে॥১৫৮
    জানের জান কন্যায় আমার কেমুন জনে বধিল।
    দানাপানি ছাইরা কুমার পাগল হইয়া গেল॥১৬০
    পশর রাজার পুরী আবেতে ঘিরিল।
    পুন্নিমার চান কেন মেঘে আবুরিল।
    সহর বাজারে ঢোল মারিতে লাগিল॥১৬৩

    যেই জনে পুত্রে মোর ভালা কইরা দিবে।
    সুমানে করিয়া ভাগ অর্দ্ধরাজ্য নিবে॥১৬৫

    ভাই রে ভাই—
    উত্তর দক্ষিণ ভাইরে পূব দেশ চাইয়া।
    গিরদে গিরদে[৬২] ঢোল রাজা দিল পাঠাইয়া॥১৬৭

    এই দিকে হইল কিবা শুন দিয়া মন।
    নেওয়াজের রাজা কন্যায় পাইল যখন॥১৬৯
    কন্যার রূপেত রাজার রাজ্যখানি জুরে।
    সেহি ঘর পশর কন্যা থাকে যেই ঘরে॥১৭১

    ভাই রে ভাই—
    যুব্বমানা দেখ্যা রাজা কন্যা বিয়া দিতে।
    লস্কর পাঠাইল রাজা নানান দেশেতে॥১৭৩
    হেন কালে শিলুই রাজার যতেক লস্কর।
    ঢোল লইয়া মারে নেয়াজার সর॥১৭৫

    হেনকালে মুর্‌শীদ গো কোন্ কাম করিল।
    ভালা কইরা দিব পুত্রে ঢোল যে ছুঁইল॥১৭৭
    লোক লস্কর তবে কোন্ কাম করে।
    মুর্‌শীদে ধরিয়া লইল শিলুই রাজার কাছে১৭৯

    মুর্‌শীদ ডাকিয়া কয় শিলুই রাজারে।
    নেয়াজার কন্যা তুমি বিয়া করাও তারে॥১৮১
    তবে ত চলিল লোক নেয়াজার সরে।
    চেরাবন্দী পট আন্যা দেখাইল কুমারে॥১৮৩

    চেরাবন্দী পট গো কুমার আহা ভালা যইখানে[৬৩] দেখিল।
    বুকেত লইয়া পটগে। কাঁদিতে লাগিল॥১৮৫

    আহারে দারুণা বিধি কোন্ কাম করিল।
    আমার জানের জান কি লাগি বধিল॥১৮৭
    বাপ দুষ্মন, মাও দুষ্মন, সুহৃদ বলি কারে।
    আমার পরাণের কন্যা ভাসাইল সায়রে॥১৮৯
    আমার জানের জান জলে ডুব্যা মরে।
    আর না থাকিবাম আমি শিলুই রাজার ঘরে॥১৯১

    দিশা—কান্দে মুকুট কুমার মাথা থাপাইয়া—

    আর ভাইরে ভাই—
    এই দিকে নেয়াজার কন্যা পাগল হইল।
    দুইনারির[৬৪] চিজবস্তু সকলে ছাড়িল॥১৯৪
    ভালা ভালা সাড়ী আর রত্ন অলঙ্কার।
    দাঁতে ত ছিঁড়িয়া করে পার পার॥১৯৬
    কেশ নাহি বান্ধে কন্যা না পিন্ধে বসন।
    প্রাণপতি বল্যা কন্যা কাঁদে ঘন ঘন॥১৯৮
    তবে ত নেয়াজার রাজা দুঃখিত হইল।
    সহর বাজার জুরা ঢোল যে মারিল॥২০০
    যেহি জনে আমার কন্যা ভাল করিয়া দিবে।
    সুমানে অর্দ্ধেক কইরা রাজত্বি না লইবে॥২০২
    এও ঢোল মুর্‌শীদ যে আগুরি[৬৫] ধরিল।
    নেয়াজার কন্যা আনি দাখিল করিল॥২০৪

    হীরামনে পাইল শাড়ী চান্দে যেমুন তারা।
    অজগারে পাইল মণি, অন্ধে নয়ন তারা॥২০৬

    রাজা কয় মুর্‌শীদ গো ধরি তোমার চরণ!
    পুত্রুদান পাইলাম তোমার কারণ॥২০৮
    কোন্ রাজ্য কত ধন চাহত কি দিম[৬৬]।
    মুরশীদ কহিছে আমি মুইটের ফকির॥২১০

    হায় মুরশীদের কেরামত রাজা যখনি জানিল।
    নবীর কলেমা পইরা মুছুলমান হইল॥২১২
    তবে ত নেয়াজার রাজা বিসমেল্লা বলিয়া।
    কাফের আছিল রাজা বেদীন হইয়া॥২১৪
    মুছলমান হইল রাজা সানন্দিত মন।
    পূব পশ্চিম দিক্ করিয়া বন্দন।
    যতেক কাফের লোক মুছুল্লি হইল॥২১৭

    আল্লা আল্লা বল ভাইরে নবী কর সার।
    নবীর কলেমা পড় বন্দা গুণাগার॥২১৯
    গৈরব করিছ বান্দা এ দেহের মিছা।
    মিছা কথা এ দুনিয়া আল্লা নবী সাঁচা॥২২১
    আইজ হাসিছ বান্দা না রাখ খবর।
    কালুকা কান্দিয়া মরবা বেইলের আড়াই পর॥২২৩
    আইজত সুখের গুজরান করছ গুনাগার।
    কাইল ত চাহিয়া দেখ্‌বা দুইনাই আঁধার॥২২৫
    কোদালে কাটিয়া মাটি উপুরেতে চাপা।
    চারিদিকে চাইয়া দেখ্‌বে কোথাও মাও বাপা॥২২৭

    কিড়ায় কাটিয়া মাংস সুখেতে ভুঞ্জিবে।
    দিন দুইনারীরি সুখ কোথায় পইরা রইবে॥২২৯

    আল্লা আমিন বল মমিন বল মমিনা ভাই।
    সার কেবল আল্লাজীর নামটি অসার দুইনাই[৬৭]॥২৩১
    দুই দিনের হাসি কান্দন বেইল গেলে ফুরায়।
    কার লাগ্যা কেবা কান্দে বুঝন হইল দায়॥২৩৩
    দিন থাকিতে ধর ভাইরে মুর্‌শীদের চরণ।
    দিন থাকিতে ভজ ভাইরে আল্লা নিরাঞ্জন॥২৩৫
    দক্ষিণ মুল্লকের কথা এইখানে থুইয়া।
    পূবেত কাফেরের দেশ শুন মন দিয়া॥২৩৭

    (বাকীটা পাওয়া যায় নাই।)

    .

    টীকা

    1.  পুরান্ধর=(?)
    2.  তাইন=তিনি।
    3.  স’র=সহর।
    4.  চেরাবন্দি=চেহারাবন্দি অর্থাৎ ছবি তুলিয়া।
    5.  তিল ময় সে আন=এক তিল অন্যরূপ হইবে না।
    6.  বাগে=বাগানে।
    7.  সুসুরা=সুশ্রী।
    8.  হাওলা=দাখিল (সমর্পণ করিয়া দিল)
    9.  জারে জার=অতিশয় বিহ্বল হইল।
    10.  হাওর=জলাভূমি।
    11.  বেইল ভাটি=বেলার ভাটার অর্থাৎ সন্ধ্যাকালে।
    12.  জিগায়=জিজ্ঞাসা করে।
    13.  ফুইদ=খোঁজ।
    14.  সুধন=সুবর্ণ, সোনার।
    15.  দাখিল=উপস্থিত।
    16.  মেহনত=পরিশ্রম।
    17.  দুই হস্ত…বেলি’=দুইটি হাত এমন সুগোল, যেন বেলুন দিয়া বেলিয়া সৌষ্ঠবসম্পন্ন করা হইয়াছে।
    18.  উদাম=খোলা।
    19.  ধামনার=(?)
    20.  উন্নমুখী=উর্দ্ধমুখী।
    21.  দারাকের=একরূপ বৃহৎ বন্য বৃক্ষ।
    22.  কুয়াবে=খোয়াবে, স্বপ্নে।
    23.  মুঞ=আমি।
    24.  আকপালী=ভাগ্যহীনা।
    25.  উদ্দর-পালি=উদর-পালন।
    26.  অল্প……রাখি রে=আমার মাথার চুল এত বেশী নহে যে তোমাকে তাহার মধ্যে লুকাইয়া রাখিতে পারি।
    27.  থান=স্থান
    28.  পুন্নুর=পুণ্যের।
    29.  বিক্কের=বৃক্ষের।
    30.  কুটলে=কোটরে।
    31.  গামরা=(?)
    32.  বিভা=বিবাহ।
    33.  আবের=অভ্রের।
    34.  ধাই=পরিচারিকা।
    35.  বেহুরা=পাগল।
    36.  কৈতরা-কৈতরী=কপোত-কপোতী।
    37.  আসক=প্রণয়াসক্ত।
    38.  বেইলের=বেলায়।
    39.  আড়াই প’র=আড়াই প্রহর।
    40.  দুইনারি—দুনিয়া, পৃথিবী।
    41.  কিড়ায়=কীটে, পোকায়।
    42.  দিন-দুইনারির=দিন-দুনিয়ার, পৃথিবীর।
    43.  মারফতি=ফরমাইসি, শ্রোতৃবর্গের ইচ্ছায় অবান্তর কথা।
    44.  বনুয়া=শ্যালক, গালাগালি দিয়া সম্বোধন।
    45.  কিবান=কি।
    46.  লহু=রক্ত।
    47.  কইবা=কোথায়।
    48.  নিছুনি=যত আপদ-বালাই।
    49.  বেড়াবাড়ি-গালি।
    50.  বনেলারে=জঙ্গলী মেয়েরে।
    51.  বনুয়া=বনের
    52.  দোছালে=(?)
    53.  গহিন=ঘন বন।
    54.  ভাঁরাও=ঠকাও।
    55.  হরদিশ=হারা উদ্দেশে, লক্ষ্যশূন্য ভাবে।
    56.  বেহুরা=পাগলা, বাউরিয়া, বাউলিয়া ইত্যাদি শব্দ পাগল অর্থে ব্যবহৃত হইত।
    57.  কেরামতে=মাহাত্ম্যে।
    58.  তুরন্ত=ত্বরিত।
    59.  হয়রানি=বিপন্ন।
    60.  বিখালী=বৃক্ষসমন্বিত।
    61.  বে-পত্যয়=বিশ্বাসহারা।
    62.  গরদে গিরদে=রাজ্যে রাজ্যে, দেশে দেশে।
    63.  যইখানে=যখন।
    64.  দুইনারির=দুনিয়ার জগতের।
    65.  আগুরি=আগুলিয়া, আটকাইয়া।
    66.  কি দিম=কি দিব।
    67.  দুইনাই=দুনিয়া।
    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমৈমনসিংহ-গীতিকা – দীনেশচন্দ্র সেন সম্পাদিত
    Next Article পূর্ব্ববঙ্গ-গীতিকা (দ্বিতীয় খণ্ড, দ্বিতীয় সংখ্যা) – দীনেশচন্দ্র সেন সম্পাদিত

    Related Articles

    দীনেশচন্দ্র সেন

    পদাবলী মাধুর্য্য – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    মৈমনসিংহ গীতিকা – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    বৈদিক ভারত – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    বঙ্গভাষা ও সাহিত্য -১ম খণ্ড – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    বৃহৎ বঙ্গ – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    সতী – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }