Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পুর্ব্ববঙ্গ গীতিকা (চতুর্থ খণ্ড, দ্বিতীয় সংখ্যা) – দীনেশচন্দ্র সেন সম্পাদিত

    দীনেশচন্দ্র সেন এক পাতা গল্প385 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পরীবানুর হাঁহলা – অজ্ঞাত লেখক

    পরীবানুর হাঁহলা

    এই পরীবানুর পালা-সম্বন্ধে ইহার সংগ্রাহক শ্রীযুক্ত আশুতোষ চৌধুরী মহাশয় বিগত ২৪শে জুলাই চট্টগ্রাম হইতে আমাকে যাহা লিখিয়া পঠাইয়াছেন তাহা নিম্নে উদ্ধৃত করিতেছি:—

    “পরীবানুর পালাটি ‘সুজাতনয়ার বিলাপেরই’ অনুরূপ; কিন্তু ইহার মধ্যে অন্য বৈশিষ্ট্যও আছে। বহু পূর্ব্ব হইতেই আমি আপনাকে ‘হাল্‌দা-ফাটা’ নামক পল্লীগীতির কথা লিখিয়া আসিতেছি। এই পালাটিও সেই জাতীয় গান। সাধারণতঃ সমুদ্রোপকূলবর্ত্তী স্থানগুলিতেই ‘হাল্‌দা-ফাটা’ গানের প্রচলন দেখা যায়। এই পালাগায়ক সারেঙ্গ, তানপুরা, খঞ্জরি কি অন্য প্রকারের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে না। প্রকৃতির সাধারণ সুর ও সমুদ্রের সোঁ সোঁ শব্দসংযোগে তাহারা যেন এই গানের তালমান রক্ষা করিয়া থাকে। গায়ক পদপূরণ করিবার সময় অতি সুন্দর ও স্বাভাবিক নিয়মে ‘রে’ শব্দটির দ্বারা সুর যোজনা করিয়া লয়। ইহার কৌশলও অভিনব এবং মৌলিক। বঙ্গদেশে সঙ্গীতশাস্ত্রের যদি কোন মৌলিক গবেষণা হয়, তবে হাল্‌দা-ফাটা গান হইতে অনেক সুরের উপকরণ সংগৃহীত হইবে। গান করিবার সময় তাল যন্ত্র ছাড়া সুরের সামঞ্জস্য রক্ষা করিতে হয় বলিয়া এই পালারচকেরা শব্দবিন্যাস ও ছন্দের প্রতি সর্ব্বদা সতর্ক দৃষ্টি রাখিয়া থাকে। অধিকাংশ হাল্‌দা-ফাটা গানে উপান্ত্য স্বরের মিল আছে।

    এই পরীবানুর পালার ঐতিহাসিকত্ব প্রমাণ করিতে কোন বেগ পাইতে হয় না। সুজাতনয়ার বিলাপের ভূমিকাখানি ইহার সহিত জুড়িয়া দেওয়া যায়। মােটের উপর এই পালাগানটিকে মোগল ইতিহাসের কয়েক পৃষ্ঠা বলা যাইতে পারে। চারিবৎসর পূর্ব্ব হইতে আমি আপনাকে এই পালার বিবরণ জানাইয়াছি। আপনিও অনেক জায়গায় তাহার উল্লেখ করিয়াছেন। ‘ডবলমুরিং’ থানার অন্তর্গত ‘আনরাবাদ’ গ্রামনিবাসী খলিলুর রহমান নামক এক গায়ক এই পালাটির সামান্য কতকটুক তখন আবৃত্তি করিয়াছিল। মোটের উপর বলিতে কি এই পালা যে সংগৃহীত হইবে এমন ভরসা আমার ছিল না। গত কয়েক মাস এই পালাটি উদ্ধারের জন্য আমি প্রাণান্ত পরিশ্রম করিয়াছি।

    গত ফেব্রুয়ারী মাসে মহিষখালী দ্বীপে শ্রীধনঞ্জয় বড়ুয়া নামে একজন জরীপের ডেপুটির সঙ্গে আমি এ পালার বিষয় আলোচনা করিয়াছিলাম। তিনি আমাকে সাতকানিয়া থানার অন্তঃপাতী ‘গোরস্তান’ নামক গ্রামে যাইতে বলিয়াছিলেন, কেননা অল্পদিন পূর্ব্বে তিনি জরীপের কাজে যাইয়া সেখানে এই পরীবানুর পালা শুনিয়াছিলেন। কিন্তু আমি গোরস্থানে অনেক খোঁজ করিয়াও সেই পালাগায়কের সন্ধান পাই নাই। আরাকানের অন্তৰ্গত মংভু সাবডিভিশনের মৌলবী আবুল হালিম নামক একজন সঙ্গতিপন্ন ব্যক্তি আমাকে এ পালার কিছু বিবরণ জানাইয়াছিলেন। আরাকানের সেই সুধর্ম্ম নরপতির যে রাজধানী ছিল তাহার বর্ত্তমান নাম মেয়ং (Myohong), সেখানে এখনও সুজার মসজীদ এবং সুজার দীঘি আছে। এই পালা সংগ্রহের ব্যপদেশে আমি ছোট-বড় অনেকের নিকট গমন করিয়াছি; কেহ হয়ত আমায় কিছু সাহায্য করিয়াছেন, আবার হয়ত কাহারও নিকট হইতে হতাশ হইয়া ফিরিয়া আসিয়াছি। সেই হিন্দুবৰ্জিত মুসলমান পল্লীগুলিতে কখনও ভাত জুটিয়াছে কখনো বা উপবাসী ফিরিয়া আসিয়াছি।

    তাহার পর আমি অনেক সন্ধান করিয়া পেরুয়া দ্বীপে উপস্থিত হই। সিরাজ মিঞা সেইখানের জমিদার। তিনি বড়ই রসগ্রাহী এবং সৌখীন লোক। আমি তাহার নিকট যখন পূর্ব্ববঙ্গ গীতিকার ৩য় খণ্ড হইতে কাফন চােরার পালাটি আবৃত্তি করিয়াছিলাম তখন তিনি আমাকে আনন্দে জড়াইয়া ধরিয়াছিলেন। আমি পেরুয়া দ্বীপে সাত দিন তাঁহার বাড়ীতেই ছিলাম। তিনি ১৫৷১৬ মাইল দূরবর্ত্তী স্থান হইতেও আমার নিকট গায়কদের উপস্থিত করাইয়াছিলেন। তন্মধ্যে উজান টেঁইয়া গ্রামনিবাসী মনসুর আলীর নিকট হইতে এই পালার অধিকাংশ সংগৃহীত হইয়াছে। সেই অঞ্চলে এই গানটি ‘পরীবানুর হাঁহলা’ নামে পরিচিত।

    আমরা এক বৎসর পূর্ব্বেই পরীবানুর একটা গান প্রকাশিত করিয়াছি; সেই গানের সঙ্গে এই পালাটি পাঠক মিলাইয়া পড়িবেন। এই গানে দৃষ্ট হয়, সুজা ও তাঁহার পত্নী আরাকান রাজ-কর্তৃক সমুদ্র-গর্ভে নিক্ষিপ্ত হইয়া প্রাণ ত্যাগ করেন নাই। যখন সুজা বুঝিলেন, আরাকান-রাজ তাঁহার পত্নীকে ছলে-বলে লইয়া যাইবেন এবং এ বিষয়ে তাঁহার বাধা দেওয়ার কোন সামর্থ্য নাই, তখন রাত্রিকালে কন্যা দুটিকে রাখিয়া রাজদম্পতী সমুদ্রের তীরাভিমুখে ছুটিলেন। সম্মুখে আকূল অতল জলরাশি, একখানি মাছের নৌকা সংগ্রহ করিয়া রাজা তাঁহার প্রাণপ্রিয়া পত্নীর সঙ্গে সমুদ্র বাহিয়া চলিলেন। বঙ্গোপসাগরের উত্তাল তরঙ্গ-মালা, সুজা বাদসা নিজে কাণ্ডারী,—কি ভয়ানক কষ্ট সহিয়া যে সুজা পত্নীসহ সারারাত্রি কাটাইলেন, তাহা অনুভব করা যায়, বর্ণনা করা যায় না। ক্রমে ক্রমে হস্ত শিথিল হইল, সমুদ্রপথ অনেকটা বাহিয়া আসিয়াছেন—আর তো শক্তি নাই। এদিকে কালাপানির ভীষণ আবর্ত্তে নৌকা চক্রাকারে ঘুরিয়া পাতালের দিকে চলিল। বাদসাহ ও বেগম দুইজনে প্রেমালিঙ্গনে বদ্ধ হইয়া মৃত্যুর আলয়ে চলিলেন, এক সঙ্গে জলে ঝাঁপাইয়া পড়িয়া আরাকানরাজের হস্ত হইতে নিষ্কৃতি লাভ করিলেন।

    এই পালাগানটিতে অতি সংক্ষেপে করুণরসের ধারা অব্যাহত রাখিয়া সুজা বাদাসাহের শেষ কয়েকটা দিনের কাহিনী বর্ণিত হইয়াছে; ঘটনাগুলি সম্পূর্ণ ঐতিহাসিক কিনা বলা যায় না—কিন্তু পরীবানুর অনুপম সৌন্দর্য্যই যে সুজার জীবনের এই বিসদৃশ পরিণতি ঘটাইয়া ছিল, তাহাতে সংশয় নাই।

    এই গানটিতে “বারবাঙ্গালা” শব্দটির প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করিতেছি। “বারবাঙ্গালা” এক প্রকার গৃহের নাম, বাঙ্গালা দেশেই এইরূপ গৃহের সর্বপ্রথম পরিকল্পনা হইয়াছিল। ফার্গুসন সাহেব বলেন, দোচালা ঘরের মত ইহার ছাদ ছিল, এবং এইরূপ গৃহ বাঙ্গালা দেশের আদর্শে পৃথিবীর বহু স্থানে নির্ম্মিত হইয়াছিল। অনেকে মনে করেন বাঙ্গালা দেশের রাজধানীর নাম পূর্বকালে “বাঙ্গলা” ছিল—এই বাঙ্গলা নগরের নাম বিদেশী পর্য্যটকদের প্রাচীন গ্রন্থে দৃষ্ট হয়। এখন ইহার অস্তিত্ব নাই, কিন্তু সম্ভবতঃ ঢাকা নগরই এই প্রাচীন রাজধানী; ঢাকার সুপ্রসিদ্ধ “বাঙ্গলাবাজার” এই নগরের পূর্ব্বতন নামের স্মৃতি বহন করিতেছে। এখনও যে “বাঙ্গালো” বা “বাঙ্গলা” ঘর আমরা এদেশে সর্ব্বত্র দেখিতে পাই, তাহারও উৎপত্তি স্থান সেই প্রাচীন রাজধানীতে।

    কিন্তু এখানে “বারবাঙ্গালা” বলিতে ঘর বোঝায় নাই। বাঙ্গালাদেশ দ্বাদশ খণ্ডে বিভক্ত ছিল এবং এক সময়ে এই “দ্বাদশ” স্থানের অধিপতি দ্বাদশটি ক্ষুদ্র রাজা ছিলেন, ইঁহাদের উপাধি ছিল “বারভুঞা”—এইরূপ দ্বাদশ ভাগে একটা প্রধান দেশকে বিভক্ত করার রীতি প্রাচীন কালে আর্য্যগণঅধুষিত বহু প্রদেশে প্রচলিত ছিল। গ্রীক্‌দিগের “ডডনপ্‌লাস” বারভুঞারই নামান্তর। রাজপুতনার কোন কোন স্থানে এখনও রাজার অধীনে দ্বাদশ মণ্ডল বা দ্বাদশ প্রধান নায়ক থাকার রীতি বিদ্যমান। ত্রিপুরার রাজা স্বীয় অভিষেকের সময় দ্বাদশটি সামন্ত রাজা নিযুক্ত করিতেন। এই রীতি আর্য্যগণশাসিত রাজ্যসমূহের একটি অতি পুরাতন প্রথা। ‘বারভূঞা’র উল্লেখ আমরা ধর্ম্মমঙ্গল এবং বহুবিধ বাঙ্গালা প্রাচীন কাব্যে পাই। ধর্ম্মমঙ্গলে লিখিত আছে যে কোন রাজচক্রবর্ত্তীর অভিষেকের সময় বারভুঞা বা বার জন “ভুঞা রাজা” তাঁহার মস্তকে অভিষেকের বারি বর্ষণ করিতেন। সুতরাং ইহা মনে করিতে হইবে না যে প্রতাপাদিত্য-ইশা খাঁ-প্রমুখ বারভুঞারাই মাত্র বাঙ্গালার ‘বারভুঞা’-পদবাচ্য। ইঁহাদের পূর্ব্ববর্ত্তী বহু “বারভুঞা” এ দেশ শাসন করিয়া গিয়াছেন। “ভূঞা” শব্দ ভৌমিক শব্দের অপভ্রংশ, সুতরাং ইহা খাঁটি হিন্দুরাজ্যের সময়কার নিদর্শন, মুসলমান-অধিকারে এই উপাধির সৃষ্টি হয় নাই।

    এখানে “বারবাঙ্গালা” বলিতে দ্বাদশ ভৌমিক-শাসিত সমস্ত রাজ্যটি বুঝাইতেছে। কিন্তু এই পালাগানটিতে কথাটির কোন ঐতিহাসিক সার্থকতা, নাই। সুজার সময় এই প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখযােগ্যভাবে আর বাঙ্গালায় বিদ্যমান ছিল না। কথাটা বহু প্রাচীন সংস্কারাগত এবং এক সময়ে বঙ্গদেশে যে দ্বাদশ জন পরাক্রান্ত দেশনায়ক ছিলেন—তাহারই ক্ষীণ স্মৃতির পরিচায়ক।

    ২রা সেপ্টেম্বর, ১৯৩১

    শ্রীদীনেশচন্দ্র সেন

    .

    পরীবানুর হাঁহলা

    (১)

    ধুয়া—সাইগরে ডুপালি[১] পরীরে
    হায়! হায়! দুখ্‌খে মরি রে।
    কি ভাবে গাহিব ওই দুখ্‌খের বিবরণ।
    যে হালে হইল সেই পরীর মরণ॥
    কেমনে দুখের কথা বয়ান করি রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    ভোজের বাজি দুনিয়া যে কেবল বেড়া জাল।
    কাডাকাডি[২] মারামারি আর যত জঞ্জাল॥
    মিছা রাজ্য মিছা ধন মিছা টাকা কড়ি রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    বার বাঙ্গলার[৩] বাদ্‌সা সুজা রাজ্যর ওর নাই।
    বাপর দিন্যা[৪] তক্তর লাগি করিল লড়াই॥
    মার পেডর[৫] ভাই যে হৈল কাল পরাণ বৈরীরে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    ভাইয়ে চাইলো ভাইয়ের লোউ[৬] মিছা রাজ্যের লাগি।
    গরীব গুইন্যা বেশী ভাল্যা যারা খায় মাগি[৭]॥
    কিসের রাজ্য কিসের ধন কিসের টাকা কড়িরে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    লড়াইতে হটিয়া সুজা হইল পেরেসানি।
    পরিবার লইয়া সঙ্গে করিলা মেলানি॥
    ধন দৌলত কিছু কিছু নিলা সঙ্গে করিরে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    সুজা বাদসার আওরাত পরীবানু নাম।
    চাডিগাঁতে আসি তারা বদরের[৮] মোকাম॥
    বহুত খরাত দিলা সোণা ভরী ভরী রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    পাইক পহল[৯] ভাল থাকে গাছৎ[১০] বাসা বাঁধি।
    বাদসার পোলা দেশে দেশে ঘুরে কাঁদি কাঁদি।
    সুগ[১১] নাই কন কাইত[১২] পদে পদে অরি রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—(১—৩০)

    (২)

    নসীবের লেখা কভু না যায় খণ্ডন।
    চাডিগাঁ ছাড়িতে বাদসা করিল মনন॥
    দহিন মিক্যা[১৩] আইল তারা হাতীর উয়র[১৪] চড়িরে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    মধ্যে বইস্যে সুজা বাদসা বামে পরীজান।
    জেনে[১৫] বইস্যে দোন কইন্যা পুন্নমাসীর চান॥
    ধীরে ধীরে যায় তারা মুড়ায় পন্থ ধরি রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    মুড়ায় পন্থ ধরি তারা দহিন মিক্যা যায়।
    পিন্ পিন্ পিন্ সাড়ী পরীর বয়ারে[১৬] উড়ায়॥
    চুনকি বাদলা কত পড়ে ঝরি ঝরি রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    পরীর হাতৎ লাল বাখরি[১৭] মাঝে মাঝে লেখা।
    ঝুম্‌কামালা কানৎ[১৮] পরীর চান বোলাকটা[১৯] বেঁকা॥
    পাড়াল্যা মা ভৈনে আসি চাইলো নয়ন ভরি রে[২০]।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    হাতীর উয়র হাওদা যে সোণাতে তৈয়ার।
    পরীর ছুরত চোগে ধাঁধা লাগাই যার॥
    কোন হুরিপরী[২১] এই পন্থে গড়াগড়ি রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    কোন্ দিগদি কণ্ডে[২২] যাইব নাইরে ঠিকানা।
    কেহ দিল পন্থ দেখাই কেহ করে মানা॥
    ধীরে ধীরে যায় তারা মুড়ায় পন্থ ধরি রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    কেহ বলে আমার বাড়ীৎ আইস পরীজান।
    তুলসীমালার[২৩] ভাত দিয়ম ছালৈন[২৪] নানান॥
    সাঁচি বরর পান আর দিয়ম বাট্টা ভরি রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    কেহ বলে দহিন মিক্যা না যাইও আর।
    চালার[২৫] মুয়ৎ[২৬] চাইন্য বাইঘ্যা[২৭] লেজরি ঘুরার॥
    সেই পন্থে গেলে বাইঘ্যা খাইব ধরি ধরি রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    বড় বড় দইরন্যা[২৮] পাইবা গেলে তার পর।
    ডাঙ্গর[২৯] ডাঙ্গর আছে কুম্ভীর হাঙ্গর॥
    কনে দিব তোমরারে দইরন্যা পার করি রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    পেরাবন[৩০] আছে সেথায় নানান সাপর বাসা।
    একবার ডংশিলে আর প্রাণের নাই আশা॥
    ফায়দা[৩১] কি পাইবা তোমরা হুদাহুদি[৩২] মরি রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    ন যাইও ন যাইও পরী রোসাঙ্গ্যার[৩৩] দেশে।
    ধন দৌলত হারাইবা জান দিবা শেষে॥
    সে মিক্যা[৩৪] না যাইও পরী মুড়ার পন্থ ধরি রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    ন যাইও ন যাইও পরী মুরঙ্গ্যার[৩৫] ঠাঁই।
    মাইন্‌সর গোস্ত খায় তারা হিঁজাই[৩৬] হিঁজাই
    এক পাও যাইতে আর আমি মানা করি রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    পছিম মিক্যা ন যাইও সাইগরের পারে।
    আমার কথা মনত রাইখ্যো কই বারে বারে॥
    হার্ম্মাদ্যারা লৈয়া যাইব গলাৎ বাঁধি দড়ি রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—(১—৫২)

    (৩)

    ন শুনিল কথা বাদসা ন মানিল মানা।
    নাহি চিনে পন্থ তারা বেগর ঠিকানা॥
    ধীরে ধীরে যারগই[৩৭] তবু হাতীর উপর চড়িরে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    তের দিন তের রাইত ভরমণা করিয়া।
    ছাম্নে পাইল সুজা বাদসা বেমান[৩৮] দরিয়া॥
    কুলেতে পড়িয়া ঢেউ করে গড়াগড়ি রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    আকাশ পাতাল বাদসা ভাবে বারে বার।
    এমন দরিয়া আমায় কে করিবে পার॥
    সঙ্কটে পড়িলাম এখন উপায় কি করি রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    এইরূপে তিন দিন গুজারিয়া[৩৯] যায়।
    চারিদিনে রোসাঙ্গ্যা এক আসিল তথায়॥
    বাদসার আবস্থা সেই জাইন্‌ল ভালা করি রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    এর সঙ্গে বাদসাজাদা কি কাম করিল।
    রোসাং সহরে আসি দাখিল হইল॥
    সংবাদ পাইয়া রাজা কহে তড়াতড়ি রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    বার বাঙ্গলার বাদসা সুজা আইলো আমার ঠাঁই।
    তান সঙ্গে হইব এখন বিষম লড়াই॥
    চট্ করি সাজি লও রোসাং নগরী রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    পরেতে জানিলা রাজা সুজা বাদসার হাল।
    দেশ ছাড়ি রাজ্য ছাড়ি পন্থের কাঙ্গাল॥
    নছিবের দোষে তান ভাই হৈয়ে বৈরী রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    রাজার সঙ্গেতে তান দুস্তি[৪০] তৈল শেষে।
    ঘর বাড়ী ছাড়ি সুজা রৈল রোসাং দেশে॥
    তারপরে কি হইল কেম্নে বয়ান করি রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—(১—৩২)

    (8)

    দুনিয়াতে জাইন্য ভাইরে লালছে[৪১] পড়িয়া।
    মানুষে মানুষর বুকে বিঁধে ছুরি দিয়া॥
    দুদিন্যা[৪২] দুনিয়া খোদা দিয়ে দুখ্যে ভরি রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    একদিন পরীবানু দোমাহালার ঘরে।
    খসমের কাছে বসি রং তামাসা করে॥
    শত দুখ্‌খ বাদসা তখন গেলা যে পাসরি রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    রোসঙ্গ্যার রাজা তখন সেই পন্থ দিয়া।
    হাবা[৪৩] খাইত যাইত আছিল হাতীতে চড়িয়া॥
    আতাইক্যা[৪৪] দেখিল এই অপরূপ সোন্দরীরে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    সোন্দরী পরীর তখন দোলে নাগর[৪৫] নথ।
    মন মনুরা[৪৬] দিল উড়া দেখিয়া ছুরত॥
    হাতীর উপরে রাজা যায় গড়াগড়ি রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    ভোগালুয়ে[৪৭] ভাত চায় তিয়াসীয়ে[৪৮] পানি।
    পানিরে পাইলে নন্দী[৪৯] বুকে লয় টানি॥
    আসকে ভাবে যে কেম্নে বাঞ্ছা পুর্ণ করি রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    আসকের মন জাইন্য বারিষার ঢল[৫০]।
    পরীর লাগিয়া রাজা হইল পাকল[৫১]॥
    নছিবের দোষে সুজার দোস্ত হইল অরি রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—(১—২৪)

    (৫)

    আদিগুড়ি[৫২] কথা সুজা যখনে শুনিল।
    কাঁদিয়া পরীর কাছে কহিতে লাগিল॥
    দোন চোখে পানি তান পড়ে ঝরি ঝরি রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    দেশ নাই রাজ্য নাই না আছিল দুখ।
    ভরা রাইখ্য তুমি আমার এই যে খাইল্যা[৫৩] বুক॥
    তোমারে ছাড়িয়া আমি কেম্নে পরাণ ধরি রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    সুজার কাঁদনে পরীর বুগ ফাড়ি যায়।
    দুখ্‌খের উপরে দুখ্‌খ দিল যে আল্লায়॥
    রোসাঙ্গ্যার রাজা হইল কাল পরাণর বৈরী রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    কাঁদিয়া কাটিয়া পরে মন করি থির।
    পোঁহাইত্যা[৫৪] রাতুয়া তারা হইল বাহির॥
    পিছে ফিরি নাহি চায় চলে তড়াতড়ি রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    সাইগরের পারে আইলো বাদসা পরীজান।
    দোন[৫৫] কন্যার লাগি তারার ঝরিল নয়ান॥
    দুনিয়ার দুখ্‌খ আর ন সৈল[৫৬] শরীরে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    মাছ ধরে রোসাঙ্গ্যা ভাই ছোড একখান নাও।
    বাদসা বলে তোমার নুকা মোরে আজি দাও॥
    সঙ্গে লইয়া যাইয়ম[৫৭] আমি তোমার এই তরী রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    রোসাঙ্গ্যার হাতে পরী দিল সোণার হার।
    লুজা বাদসা মাঝি হৈয়া সে নৌকা বাহার[৫৮]॥
    পরথম জোয়ারের পানি আইয়ের[৫৯] হু হু করি রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    বেমান দরিয়ার মাঝে নয়া এক মাঝি।
    আওরতে[৬০] লইয়া সঙ্গে পাড়ি দিয়ে আজি॥
    ঢেউএ যেন ডাকে তানে গুজরি গুজরি[৬১] রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    বাদসার মুখের পানে পরী রইলো চাহি।
    মাঝ দরিয়ায় চলে সুজা নৌকা বাহি বাহি॥
    হাত নাহি চলে অঙ্গ কাঁপে থরথরি রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    পোহাইয়া গেল রাইত হইল বেয়ান[৬২]।
    কণ্ডে যারগই[৬৩] নয়া মাঝি নাইরে গেয়ান[৬৪]॥
    প্রাণ উড়িছে তান শিহরি শিহরি রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    মনে মনে পড়ি লৈল ফজরের[৬৫] নমাজ।
    বাদসা বলে শুন পরী শেষ দেখা আজ॥
    ঢেউএর বাড়ি খাই লৈল গড়াগড়ি রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    আছমানে উডিল সুরুজ—বরণ তার লাল।
    পরীর মুখ চাহি সুজা দিল এক ফাল[৬৬]॥
    ওরে দেখা নাইসে গেল আর সেই ছোট তরী রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—

    ডুপিল ডুপিল নুকা—সুজা পরীজান।
    দরিয়ার মাঝে হায় দিল রে পরাণ॥
    মরণেও রৈল তারা বুক জড়াজড়ি রে।
    সাইগরে ডুপালি পরীরে—
    হায় হায় দুখ্‌খে মরি রে!(১—৫৩)

    .

    টীকা

    1.  ডুপালি=ডুবাইলি।
    2.  কাডাকাডি=কাটাকাটি।
    3.  বার বাঙ্গলা=পূর্ব্ববঙ্গদেশ বারটি সামন্ত রাজ্যে বিভক্ত ছিল বলিয়া মনে হয়। এই “বার বাঙ্গলা” কথাটিতে একটা চিরাগত সংস্কারের আভাস আছে। “বার ভূঞা” কথাটাও একই অর্থবাচক। অনেকে ভ্রমবশতঃ এই বার ভূঞাকে কোন বিশেষ শতাব্দীর বারটি জমিদার বলিয়া মনে করিয়া থাকেন।
    4.  বাপর দিন্যা=পৈতৃক, পিতার দেওয়া।
    5.  পেডর=পেটের।
    6.  লোউ=রক্ত।
    7.  গরীব…..মাগি=যাহারা ভিক্ষা করিয়া (মাগিয়া) খায়, সেই সকল গরীবদিগকেও ইহাদের অপেক্ষা অনেক ভাল বলিয়া গণ্য করি।
    8.  বদর=পীর বদর। চট্টগ্রাম সহরে পীর বদরের সমাধি আছে।
    9.  পাইক পহল=পক্ষী ইত্যাদি।
    10.  গাছৎ=গাছে।
    11.  সুগ=সুখ।
    12.  কন কাইত=কোন দিকে।
    13.  দহিন মিক্যা=দক্ষিণ দিকে। মিক্যা=মুখী।
    14.  উয়র=উপরে।
    15.  জেনে=দক্ষিণ দিকে।
    16.  বয়ারে=বাতাসে।
    17.  বাখরি=এক প্রকার অলঙ্কার।
    18.  ঝুম্‌কামালা কানৎ=কর্ণে ঝুম্‌কার মালা।
    19.  চান বোলাক=চন্দ্রের মত বেসর (?)
    20.  পাড়াল্যা······ভরি রে=পাড়ার মা-বহিনেরা আসিয়া চক্ষু ভরিয়া তাহাদিগকে দেখিতে লাগিল।
    21.  হুরিপরী=হুরি, অপ্সরা।
    22.  কোন্ দিগদি কণ্ডে=কোন্ দিক্ দিয়া কোন্ খানে।
    23.  তুলসীমালা=এক রকমের সুগন্ধ সরু চাল।
    24.  ছালৈন=ব্যঞ্জন।
    25.  চালা=গিরিবর্ত্ম।
    26.  মুয়ৎ=মুখে।
    27.  বাইঘ্যা=বাঘ।
    28.  দইরন্যা=দরিয়া।
    29.  ডাঙ্গর=বড়।
    30.  পেরাবন=সমুদ্রের তীরবর্তী জল-জঙ্গলময় স্থান।
    31.  ফায়দা=উপকার।
    32.  হুদাহুদি=শুধু শুধু!
    33.  রোসাঙ্গ্যা=আরাকানবাসী। আরাকানদের আর এক নাম রোসাঙ্গ।
    34.  মিক্যা=দিকে।
    35.  মুরঙ্গ্যা=অসভ্য পার্ব্বত্য জাতি
    36.  হিঁজাই=সিদ্ধ করিয়া।
    37.  যারগই=যাইতেছে।
    38.  বেমান=সুবিশাল, সীমাহীন।
    39.  গুজারিয়া=কাটিয়া।
    40.  দুস্তি=বন্ধুত্ব।
    41.  লালছে=লালসায়।
    42.  দুদিন্যা=দুই দিনের।
    43.  হাবা=হাওয়া।
    44.  আতাইক্যা=অকস্মাৎ
    45.  নাগর=নাকের।
    46.  মন মনুরা=মন, চিত্ত; হৃদয় অর্থে “মন মনুরায়” অনেক প্রাচীন পুঁথিতে ব্যবহৃত দেখা যায়।
    47.  ভোগালুয়ে=ক্ষুধার্ত্ত।
    48.  তিয়াসীয়ে=তৃষ্ণার্ত্ত।
    49.  নন্দী=নদী।
    50.  বারিষার ঢল=বর্ষার প্লাবন।
    51.  পাকল=পাগল।
    52.  আদিগুড়ি=গোড়াকার।
    53.  খাইল্যা=খালি।
    54.  পোঁহাইত্যা=শেষ রাত্রিতে।
    55.  দোন=দুই।
    56.  সৈল=সহিল।
    57.  যাইয়ম=যাইব।
    58.  বাহার=বাহে, বাহিতে লাগিল।
    59.  আইয়ের=আসে।
    60.  আওয়তে=স্ত্রীকে।
    61.  গুজরি, গুজরি=গর্জ্জন করিতে করিতে। এই শব্দ ‘হাতী খেদার’ গানে এবং অন্যত্র অনেক বার পাওয়া গিয়াছে।
    62.  বেয়ান=সকাল।
    63.  কণ্ডে যারগই=কোথায় যাইতেছে।
    64.  গেয়ান=জ্ঞান।
    65.  ফজরের=সকালের।
    66.  ফাল=লম্ফ।
    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমৈমনসিংহ-গীতিকা – দীনেশচন্দ্র সেন সম্পাদিত
    Next Article পূর্ব্ববঙ্গ-গীতিকা (দ্বিতীয় খণ্ড, দ্বিতীয় সংখ্যা) – দীনেশচন্দ্র সেন সম্পাদিত

    Related Articles

    দীনেশচন্দ্র সেন

    পদাবলী মাধুর্য্য – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    মৈমনসিংহ গীতিকা – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    বৈদিক ভারত – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    বঙ্গভাষা ও সাহিত্য -১ম খণ্ড – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    বৃহৎ বঙ্গ – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    সতী – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }