Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পুর্ব্ববঙ্গ গীতিকা (চতুর্থ খণ্ড, দ্বিতীয় সংখ্যা) – দীনেশচন্দ্র সেন সম্পাদিত

    দীনেশচন্দ্র সেন এক পাতা গল্প385 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাজা রঘুর পালা – অধরচাঁদ

    রাজা রঘুর পালা

    এই পালা-গানটি মৈমনসিংহের আইথর গ্রামনিবাসী আমাদের অন্যতম পালা-সংগ্রাহক শ্রীযুক্ত নগেন্দ্রচন্দ্র দে কর্ত্তৃক সংগৃহীত।

    দ্বিতীয় খণ্ডে আমরা রাণী কমলার গানটি প্রকাশিত করিয়াছি। এই পালাটিও সেই গানেরই শেষাংশ। প্রথমটিতে রাণী কমলার স্বামিকুলের ইষ্টার্থ প্রাণ-বিসৰ্জ্জন এবং রাজা জানকীনাথের শোকোম্মত্ততা বর্ণিত আছে। ইহার ঐতিহাসিক বিবরণ আমি রাণী কমলার ভূমিকায় দিয়াছি, সুতরাং তাহার পুনরাবৃত্তি নিষ্প্রয়োজন। যে দীঘিতে কমলা প্রাণত্যাগ করিয়াছিলেন তাহার একাংশ এখন সোমেশ্বর নদের গর্ভস্থ। এই দীঘির নাম ‘কমলা সায়র’। রাণী কমলার পালাটিতে ঐতিহাসিক ঘটনা কবি-কল্পনায় জড়িত হইয়া বড়ই চিত্তাকর্ষক হইয়াছে। অধরচন্দ্র নামক জনৈক কবি ঐ গানটি লিখিয়াছিলেন। তাঁহার ঊষার বর্ণনার সারল্য আমাদিগকে ঋগ্বেদের সূক্তগুলি স্মরণ করাইয়া দেয়। রাজার মৃত্যু-কথা টেনিসনের Mort d’Arthur এর মত এক লোকাতীত অপ্রাকৃত রাজ্যে লইয়া যায়। বস্তুতঃ নিম্নশ্রেণীর লোকেরা যে ঐতিহাসিক কাহিনীকে কিরূপ আশ্চর্য্য কবিত্বের আবরণ দিয়া সাজাইতে পারে, সেই পালাটি তাহার নিদর্শন। রাণী কমলার গাম্ভীর্য্য, অটুট সঙ্কল্প এবং বাৎসল্য অতি অপূর্ব্ব। যদিও তিনি একটি প্রাচীন কুসংস্কারের বশবর্ত্তী হইয়া প্রাণদান করিয়াছিলেন, তথাপি কবি তাঁহার যে মূর্ত্তি আঁকিয়াছেন তাহা সম্রাজ্ঞীরই মত; তন্মধ্যে হীনতার দৈন্য কিংবা অজ্ঞতার লেশ নাই। পাঠকের মনে রাণী কমলার মূর্ত্তি চিরতরে অঙ্কিত হইয়া থাকিবে। বিদেহী রাজ্ঞী শিশু রঘুনাথকে স্তন্য দান করিয়া স্বৰ্গপথে যাইতেছিলেন, তখন শোকোন্মত্ত রাজা জানকীনাথ সজোরে তঁহার অঞ্চল ধরিয়া টানিতেছিলেন, কিন্তু তাঁহাকে ধরিয়া রাখিতে পারিলেন না। স্বর্ণবিন্দুযুক্ত চেলাঞ্চলের অংশ তাহার মুষ্টিতে রহিয়া গেল। রাজা উন্মত্তের ন্যায় সেই অমূল্য স্মৃতিচিহ্ন হাতে লইয়া স্বৰ্গগামিনীর পথের দিকে চাহিয়া রহিলেন। এই চিত্রের উপরে কবি পটক্ষেপ করিয়া পাঠকের মনে জানকীনাথের যে মূর্ত্তি আঁকিয়াছেন তাহা কখনই মুছিয়া যাইবার সম্ভাবনা নাই।

    বর্ত্তমান পালাটি সেই পালারই উপসংহার এ কথা আমরা বলিয়াছি। ইহা অধরচন্দ্রের লেখা নহে। অজ্ঞাতনামা কবি এই পালাটিতেও তাঁহার বিলক্ষণ শক্তির প্রমাণ দিয়াছেন। চিরশত্রু জানকীনাথের মৃত্যুসংবাদ শুনিয়া ভুঁইয়াদের নায়ক জঙ্গলবাড়ীর ইশা খাঁ তখনই দুর্গাপুর অধিকার করিতে সসৈন্যে রওনা হইলেন। তখন রঘুনাথ পঞ্চ বৎসর বয়স্ক মাত্র। তঁহার পিতার চিরবিশ্বস্ত মন্ত্রীরা তঁহাকে সিংহাসনে বসাইয়া রাজ্য পরিচালনা করিতেছিলেন। ইশা খাঁর সৈন্যেরা ঐ সময়ে পুরী অবরোধ করিল। বহুদিনের চেষ্টায় ছলে বলে শত্রুরা পুরীতে ঢুকিয়া শিশুরাজাকে বন্দী করিয়া লইয়া গেল।

    এই সংবাদ প্রজাদের মধ্যে রাষ্ট্র হওয়ায় পরে যে শোকোন্মত্ততা দেখা দিল, তাহা করুণ রসের বন্যা; বিশেষতঃ যখন সহস্ৰ সহস্র গারোসৈন্য ভীষণ জলপ্রপাতের ন্যায় পাহাড় হইতে নামিয়া তাহদের শিশু রাজার জন্য উন্মত্তভাবে শোকপ্রকাশ করিয়া প্রতিশোধ লইবার সঙ্কল্প জানাইল তখনকার সে দৃশ্য উত্তেজনাপূর্ণ। হিন্দুরাজ্যে প্রজারা যে কিরূপ রাজভক্ত ছিল, এই পালা-গানটি পড়িলে তাহা বুঝা যায়। গারোরা দোর্দণ্ড প্রতাপে বর্শা ও খড়্গ লইয়া জঙ্গলবাড়ীর দিকে ছুটিল। তাহারা হয় শিশু-রাজাকে উদ্ধার করিয়া আনিবে, নয়। প্রাণ দিবে—এই তাহাদের সঙ্কল্প।

    তখন দুৰ্গাপুরে রাজকুমারকে বন্দী করার আনন্দে ইশা খাঁর প্রজামণ্ডলী নানা প্রকার আমোদ-প্রমোদে ব্যস্ত। জঙ্গলবাড়ীর নিকটে এক দুর্ভেদ্য অরণ্য ছিল। ত্রিশ হাজার গারো তথায় জড় হইয়া একটা খাল কাটিয়া ফেলিল। এই খাল দ্বারা তাহারা রাতারাতি ধনেখালি নদীর সহিত জঙ্গলবাড়ীর পরিখার সংযোগ সাধন করিল। ইশা খাঁর নিযুক্ত রক্ষীদের অজ্ঞাতসারে তাহারা শিশু-রঘুনাথকে উদ্ধার করিয়া ইশা খাঁরই বড় পিনিসে বহু লোকে দাঁড় টানিয়া তাঁহাকে দুৰ্গাপুরে লইয়া আসিল। বহুহস্তচালিত পিনিস নৌকা তীরবৎ বেগে যখন দুর্গাপুর পৌঁছিল, তখন তথাকার প্রজারা যেরূপ আনন্দে তাঁহাকে অভিনন্দন করিয়াছিল তাহা আমরা কল্পনা করিতে পারি।

    পালাটি ক্ষুদ্র হইলেও কবি যুদ্ধকাহিনীর দ্রুত ছন্দে যে বর্ণনা দিয়াছেন তাহা একখানি ছবির ন্যায়। এই পালা বাঙ্গালার ইতিহাসের একটি ক্ষুদ্র পৃষ্ঠা কিন্তু ইহা ক্ষুদ্র হইলেও মূল্যবান্। বাঙ্গালা দেশের প্রাচীন প্রত্যেক রাজা সম্বন্ধেই যে এইরূপ পালা-গান প্রচলিত ছিল তৎসম্বন্ধে আমার সন্দেহ নাই। তাহার অনেকগুলি নষ্ট হইয়া গিয়াছে। চেষ্টা করিলে এখনও কতক কতক উদ্ধার করা যাইতে পারে। কালে হয়ত কোন ঐতিহাসিক এই মুষ্টি মুষ্টি রত্নকণা সংগ্রহ করিয়া আমাদের ইতিহাস-ভাণ্ডারে উপঢৌকন দিবেন, আমরা তাঁহারই প্রতীক্ষায় আছি।

    এই পালা-গানটিতে দুই একটা অসঙ্গতি আছি। সেগুলি প্রাচীন সংস্কারগত। গেঁয়ো কবিরা যদি শিক্ষার ত্রুটির জন্য তদ্রূপ দু’একটা ভুল করেন তবে তাহা মাৰ্জ্জনীয়।শিশু-রঘুনাথকে বন্দী অবস্থায় বাইশ মণ পাথর চাপা দিয়া রাখা হইয়াছিল। বাইশ মণ পাথরের চাপ দেওয়াটা পল্লী-গাথার একটা চিরাগত রীতি। ইশা খাঁ দিল্লীর সম্রাট্‌কে কীটের তুল্যও গণ্য করিতেন না প্রভৃতি কথাও পাড়াগাঁয়ের। এত বড় শক্তিশালী কবিও এই সকল পল্লী-সংস্কারের হাত এড়াইতে পারেন নাই।

    রাজা রঘুনাথ জাহাঙ্গীরের সমকালবর্ত্তী এবং পালা-গানটিও সম্ভবতঃ তাঁহার সময়ে কিংবা অব্যবহিত পরে বিরচিত হইয়া থাকিবে। তবে যে সব কাহিনী গানের আকারে দেশে দেশে প্রচারিত হয় তাহার ভাষা মধ্যে মধ্যে পরিবর্ত্তিত হওয়া অপরিহার্য্য। সুতরাং ঠিক যে আকারে প্রথম ইহা রচিত হইয়াছিল, ঠিক সেই ভাবে যে আমরা ইহা পাই নাই,—একথা বলা বাহুল্য মাত্র।

    শ্রীদীনেশচন্দ্র সেন

    .

    রাজা রঘুর পালা

    (১)

    শুত্যা আছিল ধার্ম্মিক রাজা রে
    আরে রাজা, বা’র-বাংলার[১] ঘরে।
    রাণীর লাগিল্ রাজা রে
    আরে রাজা, উফর ফাফর[২] করে॥২
    “কই গেলা গো কমলা রাণী
    এগো রাণী, ফালাইয়া আমারে।
    আন্ধুয়া তুকি বাইয়া[৩] মরি গো
    এগো রাণী বিছড়াইয়া[৪] তোমারে॥”৪
    সোণার অঙ্গ পুড়্যা যেমুন রে
    আরে রাজার অঙ্গ ছালি[৫] অইছে॥৬
    রাণীর লাগিয়া রাজার রে
    আরে রাজার আধা হাল অইছে॥
    “কাজি-মরা[৬] কর‍্যা মোরে গো রাণী
    আরে রাণী থইয়া গেছে মোরে।
    দুধের বাচ্ছা থইয়া[৭] গেছে গো রাণী
    কি স্তা[৮] পালি তারে॥”৮

    কান্দিতে কান্দিতে রাজারে আরে ভালা,
    উঙ্গাইয়া[৯] পড়ে।
    উঙ্গাইতে উঙ্গাইতে রাজা রে
    আরে রাজা কিবা দেখিল স্বপনে॥১০
    সায়র থাক্যা উঠ্যা রাণীরে
    আরে রাণী কয় রাজার গোচারে।
    মূর্ত্তিমান অইয়া রাণীরে
    আরে রাণী রাজার না ধারে॥১২
    বা’র-বাংলার ঘরের মধ্যে রে
    আরে রাজার শইল্য[১০] হাত বুলাইয়া।
    আস্তে আস্তে কয় কথারে
    আরে রাণী রাজারে বুঝাইয়া॥১৪
    “শুন শুন ধার্মিক রাজা গো
    এগো রাজা, শুন্যা লও কাণে।
    পূব-দুয়ারী ঘর বান্ধ্যা
    দেউখাইন[১১] গো এগো রাজা সায়রের পাড়ে॥১৬
    নিশির কালে দুধের শিশুরে
    আরে রাজা, শুতাইয়া রাখ্য সেই ঘরে।
    একলা ঘর রাখ্য রাজারে
    আরে রাজা, শুতাইয়া কুমারে॥১৮
    রাইতের নিশি উঠা আমি গো
    এগো রাজা, বুনি[১২] দিবাম তারে।
    মায়ের দুগ্ধু খাইয়া কুমার গো
    আরে কুমার বলিব[১৩] দুই গুণি॥”২০

    (২)

    এই কথা বলিয়া রাণী গো
    এগো রাণী, উঠা দিলাইন মেলা।
    ধচ্ মচ্ কইরা উঠে গো রাজা
    আরে রাজা, স্বপনে কি দেখিলা।২

    “স্বপন যে না লয় মনে গো
    আরে রাণী সাচারীর[১৪] যেমুন।
    আমার পাশ বইয়া রাণী গো
    আরে রাণী কর্‌ছে আলাপন॥৪

    দারুণিয়া কাল ঘুম রে
    আরে ঘুম আছিল চউখ্যের আগে।
    সেই কারণ না পাইলাম রে
    আরে রাণী আপন কর্ম্মদোষে॥৬

    শইল্যের মধ্যে পাইতে আছি রে
    আরে রাণীর অঙ্গের পরশন।
    আলা-ঝালা[১৫] দেখলাম যে রে
    আরে ঘুমে হইয়া অছেতন॥৮

    কইছে কথা কাণে কাণে রে
    আরে আমার পষ্ট আছে মনে।
    আপনে রাণী আইছিল যে রে
    আরে সুনাধরি পুতের[১৬] কারণে॥”১০

    স্বপনের কথা রাজারে
    আরে রাজা রাখ্‌ছে গির দিয়া।
    রাণীর আরদাশ[১৭] মতন রে
    আরে রাজা দিল ঘর বান্ধিয়া॥১২

    ঘর না বান্ধিয়া দিল রে
    আরে ঘর সায়ারের কিনারে।
    তার মধ্যে ছাওয়াল পুতের[১৮] রে
    আরে ভালা বিছানা যে করে॥১৪
    সাঞ্জা[১৯] বেলা কুমার না রে
    আরে ভালা ঘুরিয়া ঘাটিয়া[২০]।
    পালঙ্গের উপুরে কুমার রে
    আরে ভালা রাখে শুতাইয়া॥১৬
    পরতি দিন উঠ্যা রাণীরে
    আরে রাণী যায় বুনি দিয়া[২১]।
    নিশি রাইতের মাধ্যে সগল রে
    আরে ভালা নিভুতি[২২] হইলে॥১৮
    কমলা সায়র তনে[২৩] রে
    আরে রাণী আইয়ে ঘরের মাধ্যে।
    ঘরের মাধ্যে আইয়া রাণী রে
    আরে রাণী দুগ্ধ দেয় কুমার রে॥২০

    সেই দুগ্ধু খাইয়া কুমার রে
    আরে কুমার দেবংশী বাড় বাড়ে[২৪]।
    ছয় মাসের বাইর[২৫] কুমার রে
    আরে কুমার এক দিনে বাড়ে॥২২
    এই কারণ সন্দে আইল রে
    আরে ভালা রাজার যে মনে।


    বাডা[২৬] ভইরা রাখে পান রে
    আরে ভালা সেই না ঘরের মাইঝে॥২৪


    আমলধারী[২৭] রাণী নি মোর গো
    আরে রাণী, একটি পান দেয় মুখে।২৬


    না ছয়[২৮] পান না ছয় গুয়া রে
    আরে রাণী, যায় বুনি দিয়া।
    “মঞ্চের[২৯] মাটি ছাড়্যা আইছিরে
    আরে ভালা, তার লাগি কেনে মায়া॥২৮
    বুনি দিতাম আয়ি[৩০] কেবুল[৩১] রে
    আরে ভালা বংশের কারণ।
    এই পুত্র মর‍্যা গেলে রে
    আরে ভালা হয় বংশ-নিবারণ[৩২]॥৩০

    সেই সে কারণে দুগ্ধু রে
    আরে ভালা দিতাছি কুমার রে।
    সগল ত্যজিয়া আইছি রে
    আরে ভালা আর পান খাওন কে রে[৩৩]॥৩২
    পরতি নিশি উঠ্যা রাণীরে
    আরে রাণী বুনি দিয়া যায়।
    নিশি রাইতের কালে আইয়ে রে
    আরে ভালা কেউ না দেখ্‌তে পায়॥৩৪
    পুত্ত্রের না বাইর দেখ্যা রে
    আরে ভালা রাজার হইছে সন্দে’।
    তাকে তাকে থাক্যা[৩৪] দেখবাম রে
    আরে রাণী আইয়ে কোন্ ছন্দে[৩৫]॥৩৬
    বাইর আগেতে[৩৬] বান্ধা আছে রে
    আরে ভালা বারামখানা[৩৭] ঘর।
    সেই ঘরের মাধ্যে বস্যারে
    আরে রাজা ভাবে নিরান্তর॥৩৮
    সারা নিশি পোষাইবাম রে[৩৮]
    আরে ভালা রাণীর লাগিয়া।
    দেখবাম কেমনে রাণী আইয়া রে
    আরে ভালা যায় দুগ্ধু দিয়া॥৪০

    (৩)

    নিরাবিলা বইয়া[৩৯] আছে রে
    আরে রাজা রাণীর বার চাইয়া[৪০]।
    আজুকা নিশি দেখবাম রাণীরে
    আরে ভালা থাক্যা পলাইয়া॥২

    শুত্যা আছুইন ধার্ম্মিক রাজারে
    আরে ভাল্যা ফির‍্যা ফির‍্যা চায়।
    কমলা সায়রের মাধ্যে রে
    আরে ভালা কেউরে নি দেখা যায়[৪১]॥৪
    এক প’র[৪২] রাইত দুই প’র রাইত রে
    আরে ভালা কলরবে গেল।
    আড়াই প’র‍্যা রাইতের নিশি রে
    আরে সকল নিশুতি হইল[৪৩]॥৬
    অন্ধকার‍্যা-জলক্যারা রে[৪৪]
    আরে ভালা নিশি যায় বইয়া।
    এমুন সম[৪৫] ধার্ম্মিক রাজা রে
    আরে রাজা কি দেখুইন চাইয়া॥৮
    কমলা সায়রের মাধ্যেরে
    আরে ভালা জ্বল্যা উঠ্‌ছে আলা।
    সেই আলাতে দেখা যায় রে
    আরে ভালা সায়রের তলা॥১০

    গয়িন[৪৬] সাররের মাধ্যে রে
    আরে ভালা কি দেখুইন রাজা।
    লক্ষ্মীঠাকুরাইণ উঠলাইন যেমুন রে
    আরে ভালা উঠলাইন করি সাজা[৪৭]॥১২
    চৌদিগ বান্ধ্যা[৪৮] আলাও[৪৯] অইল রে[৫০]
    সেই রূপের পশরে[৫১]।
    নিউলিয়া[৫২] দেখুইন রাজা রে
    আরে ভালা অপরূপ কমলা সায়রে॥১৪
    সায়র থাক্যা উঠ্‌ছুইন যেমুন রে
    আরে ভালা লক্ষ্মীঠাকুরাণী।
    ধার্ম্মিক রাজা চিনছুইন বুলে[৫৩] রে
    এই সে তাঁর সাধের কমলা রাণী॥১৬
    রাণীরে দেখিয়া রাজার রে
    জিউ নাই সে ঠারে[৫৪]।
    আইজ রাণীরে ধইরা রাখবাম রে
    যেমনে আর না যাইতে পারে॥১৮
    এই সে না চিন্তিয়া রাজা রে
    আরে ভালা কোন্ কাম করে।
    আস্তে আস্তে যায় রাজা রে
    আরে ভালা কমলা সায়রে॥২০

    সায়র তনে[৫৫] উঠ্যা রাণী রে
    আরে রাণী গেলাইন[৫৬] ঘরের ভিতরে।
    অমির্ত্তির[৫৭] রস খাওয়াইল রে
    আরে ভালা পরাণের কুমারে॥২২
    খাওয়াইয়া লওয়াইয়া পুত্ত্রেরে
    আরে রাণী ঘুম পাতাইয়া।
    পন্থে মেলা দিলাইন রাণী গো
    এগো রাণী সায়র পানে চাইয়া॥২৪
    ঘরের বাইরি না অইতে রে
    আরে রাজা থাক্যা গুপ্তাইয়া[৫৮]।
    যাইবার কালে রাণীর আঞ্চল রে
    আরে রাজা ধরলাইন হাত বাড়াইয়া॥২৬


    জোয়াপ[৫৯] না দিয়া রাণী গো
    আরে রাণী চল্‌লাইন হেছ্‌ড়াইয়া[৬০]॥২৮
    “হাত ধরি পাও ধরি গো
    এগো রাণী চাও আমার পানে।
    আর নাইসে ছাড়্যা যাও গো
    এগো রাণী বাঁচাও পরাণে॥৩০.
    না যাইও না যাইও রাণী গো
    এগো রাণী আমারে ফালাইয়া।
    আর নাই সে বাচবাম রাণী গো
    এগো রাণী তোমারে ছাড়িয়া॥৩২

    তোমার লাগিয়া রাণী গো
    এগো রাণী ছাড়ছি দানা পানি।
    পরাণে মরিয়া রইছি গো
    এগো রাণী কেবুল আছে ধুক্ ধুকানি॥৩২
    কির্‌পা কর পরাণের রাণী গো
    এগো রাণী কির্‌পা কর মোরে।
    আর নাই সে যাও রাণী গো
    এগো রাণী কমলা সায়রে॥৩৬
    এই যে ধইরাছি রাণী গো
    এগো রাণী আর নাই সে ছাড়িবাম তোমারে।
    তুমি যথায় যাও রাণী গো
    এগো রাণী সঙ্গে নেও আমারে॥”৩৮
    আঞ্চলে না ধরিয়া রাণী রে
    আরে রাণী হেছ্‌ড়াইয়া চলে।
    এক চোটে নামিল গিয়ারে
    আরে রাণী সায়রের জলে॥৪০
    আঞ্চলে ধরিয়া রাজা রে
    আরে রাজা গইড়াইয়া পড়ে।
    জোড়াবলি[৬১] করতে করতে রে
    আরে তা’রা দইড় ভাঙ্গ্যা[৬২] জলে পড়ে॥৪২
    পানিতে পড়িয়া রাণী
    আরে রাণী গেল পানিতে মিশাইয়া।
    সাঁতার পাড়িয়া রাজা রে
    আরে রাজা ফিরে হাতড়াইয়া॥৪৪

    সায়র পড়িয়া রাজা রে
    আরে রাজা সাত ঢুক[৬৩] পানি খায়।
    রাণীরে হারাইয়া কেবুল রে
    আরে ভালা কান্দিয়া বিছড়ায়[৬৪]॥৪৬
    বিছড়াইতে বিছড়াইতে রাজা রে
    আরে রাজা হয়রান হইয়া।
    কান্দিতে কান্দিতে রাজা রে
    আরে রাজা পাড় উঠ্‌ল আইয়া॥৪৮
    এই সে দুঃখে ধার্ম্মিক রাজা গো
    আরে রাজা ছাড়ে দানাপানি।
    রাণীর লাগিল্‌ রাজা রে
    আরে রাজা ছাড়িল পরাণি॥৫০

    (8)

    দুধের চাওয়াল শিশু রঘুনাথ নাম।
    বাড়া বয়স[৬৫] ছেউরা[৬৬] কর‍্যা বিধি হইল বাম॥২
    এক না বচ্ছরের শিশু দুই বচ্ছর যায়।
    পাঞ্চ না বচ্ছরের কাল গদিত বুয়ায়॥[৬৭]৪
    পালা-পইরদা[৬৮] করে যত উজির নাজিরগনে।
    রাজ্যতি করে তারা জানিয়া আপনে[৬৯]॥৬
    দুধের ছাওয়াল রঘুনাথ নামে কেবুল রাজা।
    উজির নাজির তারা দেখে শুনে পরজা॥৮

    এই সে না আবেস্থায়[৭০] তারার[৭১] দিন যায়।
    ধার্ম্মিক রাজা মর্‌ছে ইছা খাঁয়ে খবর পায়॥১০
    ইছা খাঁ আর ধার্ম্মিক রাজা কত কর্‌ছে লড়ালড়ি।
    কে লা বড় কে লা ছুডু[৭২] বুঝিবার না পারি॥১২
    গায়-গণ্ডায়[৭৩] ইছা খাঁ পিরবীণ[৭৪] জোয়ান।
    জঙ্গল বাড়ির সরের[৭৫] মধ্যে তার মোকাম॥১৪
    তার সমান্যা জুড়ি নাই পিরথিমিতে[৭৬]।
    চর্‌কির[৭৭] মতন ঘুড়ায়[৭৮] আথি[৭৯] ধরিয়া শুরেতে[৮০]॥১৬
    মিয়ার দাপটে কাপে আসমান জমিন।
    পা’ড়ের[৮১] মতন জোয়ান এমুন পিরবীণ॥১৮
    রাও করিলে মিয়া, দেওয়ায় যেমুন ডাকে[৮২]।
    দইরা[৮৩] পা’ড় ডংশ্যা[৮৪] যায় যখন পন্থে চলে॥২০
    রণেতে তেজ্যুয়ান মিয়া ডাকে ঘন ঘন।
    তার মতন পলুয়ান নাই তিরভুবন॥২২
    এইসা মর্দ্দ ইছা খাঁ, দিল্লীর বাদশারে।
    গণ্য নাই সে করে, যেমুন পিপড়ার মতন টেরে[৮৫]॥২৪

    এই সে মিয়া ইছা খাঁ জঙ্গল বাড়ীর দেওয়ান।
    ধার্ম্মিক রাজা আছিল তার জন্নমের দুষ্‌মান॥২৬
    ধার্ম্মিক রাজা মইরা গেছে এই না খবর পাইয়া।
    সুসুঙ্গের মোকামে[৮৬] মিয়া যায় কেবুল ধাইয়া॥২৮

    (৫)

    সুসুঙ্গের মোকাম মিয়ারে আরে মিয়া
    জুড়্যা বের[৮৭] দিল।
    সিঙ্গির গাথার[৮৮] মাধ্যে যেমুন রে আরে ভালা
    শিরকাল[৮৯] পরবেশিল॥২
    এই মতে তিন মাস রে আরে মিয়া
    বের কইর‍্যা রাখে।
    তিন মাসের বাদে মিয়ারে আরে মিয়া
    দুধের বালক রঘুনাথরে ধরে॥
    রঘুনাথরে ধর‍্যা মিয়ারে আরে মিয়া
    আনে জঙ্গল বাড়ীর সরে।
    হুলুচ্ তুলুচ্[৯০] লাগ্যা গেছে রে আরে ভালা
    সুসুঙ্গের মোকামে॥৬
    মরিয়া গেছে ধার্ম্মিক রাজা রে আরে রাজা
    এক পুত্ত্র থইয়া।
    বংশের ডেডা[৯১] রঘুনাথরে আরে
    ইছা খাঁয়ে নিছে ধইরা॥৮

    রাজারে বান্ধিয়া নিছে রে আরে যত
    পরজা লুডায়[৯২] কাঁদিয়া।


    সুসুঙ্গের যত পরজারে আরে সবে
    পাগল হইয়া ফিরে।
    রাজার রাজ্যি অয়রান পরছে রে
    আরে নছিবের ফেরে॥১২

    (৬)

    থমরম লাগ্যা গেছে সুসুঙ্গ মুলুক জুড়িয়া।
    গারুলীর[৯৩] যত গাড়[৯৪] আইল নামিয়া॥২
    মুল্লুক ভাঙ্গিয়া তারা পাগল হইয়া ফিরে।
    কেমুন হিম্মতি[৯৫] বেটায় রাজারে নিছে ধইরে॥৪
    তার মুণ্ডু কাট্যা ফালা সায়রের মাইঝে।
    আ নইলে[৯৬] পারাপার নাই এই লাজে॥৬
    জঙ্গল বাড়ী স’র ভাঙ্গা কর গুড়া গুড়া।
    এর নাল্লতি[৯৭] দেও আচ্ছা করিয়া॥৮
    সিঙ্গাসন খালি কইরা রাজারে ধইরা নিছে।
    রাজা না হইলে রাজ্যের কি শোভা আছে॥১০
    রাজার লাগিয়া তারা পাগল হইয়া ফিরে।
    কতকে[৯৮] গিয়া দাখিল হইব জঙ্গল বাড়ীর সরে॥১২

    কুচ[৯৯] লইল বল্লম লইল
    আর রাম কাডারি[১০০]।
    মার মার কর‍্যা চলে
    জঙ্গল বাড়ীর স’রে॥১৪
    বাইশ কাহন[১০১] বাছ গাড়
    চলে উফে লাফে[১০২]
    তারার দাপটে ভূমি
    তরাতরি[১০৩] কাঁপে॥১৬
    রাতারাতি বাইশ কাহন
    গাড় চলে ধাইয়া।
    জঙ্গল বাড়ীর সর চল্‌ছে
    পুরী পিরথিমি খাইয়া[১০৪]॥১৮

    (৭)

    জঙ্গল বাড়ী সর নারে ইছা খাঁ দেওয়ান।
    তার মতন ফিকিরি[১০৫] নাই সংসার ভুবন॥২
    চাইর দিকে গাঙ্গনা[১০৬] কাটছে গইন[১০৭] করিয়া।
    জঙ্গল বাড়ী সহর রাখছে তার মাধ্যে বান্ধিয়া॥৪

    দুই পর রাইতের সম[১০৮] তারা করিল গমন।
    গাঙ্গনার পাড় গিয়া হইল উচাটন।৬
    কেমন করিয়া দিব গাঙ্গিনা পাড়ি।
    ঠাওর না করত পারে বহুত চিন্তা করি॥৮
    সেই না রাইত রইল তারা জঙ্গলাত ছাপিয়া[১০৯]।
    যত ইতি[১১০] সা করে পরধানীরা[১১১] মিলিয়া॥১০
    কত সল্লা পরামিশ যাচ্‌কিয়া[১১২] যায়।
    বুড়্যা গাড় তবে মনেতে ঠাউরায়[১১৩]॥১২
    তিন কোশ দূরাত আছে ধনাইয়ের ঢালা[১১৪]।
    গাঙ্গিনাও তার মাধ্যে কাট্যা আন নালা॥১৪

    ৮

    এই সল্লা সকল গাড় মনেতে ধরিয়া।
    সারা দিন জঙ্গলার মাধ্যে রইল ছাপিয়া॥২
    আন্ধাইর হইলে তারা বাহির অইয়া আইলা।
    বাইশ কাহন গাড় মিল্যা কাডে সেই নালা॥৪
    পরেকের[১১৫] মাধ্যে নালা কাট্যা শেষ করিল।


    কুদাল ধুইতে কাডে এত্তক্[১১৬] কুদাল মাটি।
    তাতে সিরজন হইল ‘কুদাল-ধওয়া’ দীঘি॥৮
    রাজার পুতরে ধইরা আন্‌ছে জঙ্গল বাড়ীর সরে।
    আমোদে মাতুয়াল হইছে তিন দিন ধইরে॥১০

    বাইশ কাহন গাড় এই না ছুতা পাইয়া।
    ইছা খাঁর ভাওয়াল্যা[১১৭] যত লইল সাজাইয়া॥১১
    কুঞ্জত খানা[১১৮] ঘর গিয়া দেখিল রাজারে।
    বাইশ-মণী লোয়ার পাত্থর[১১৯] বুকের উপরে॥১৩
    যতেকে ধরিয়া তবে পাত্থর লামাইল।
    রাজারে ঘিরিয়া সবে পন্থে মেলা দিল॥১৫
    ভাওয়াল্যায় উঠিয়া তবে দাড়[১২০] মাইল[১২১] টান।
    শূন্যে উড়া[১২২] করে যেমুন পবন সমান॥১৭
    তিন দিনের পথ যায় পরকেতে[১২৩] বাইয়া।
    ইছা খাঁ লাগাল পায় আর কেমুন[১২৪] করিয়া॥১৯

    .

    টীকা

    1.  বা’র-বাংলার ঘর=বাহির বাড়ীর ঘর।
    2.  উফর-ফাফর=ধড় ফড়।
    3.  আন্ধুয়া তুকি বাইয়া=অন্ধের মত হাত্‌ড়াইরা (তুকি বাইয়া)।
    4.  বিছাড়াইয়া=খুঁজিয়া।
    5.  ছালি=ছাই।
    6.  কাজি-মরা=আধমরা।
    7.  থইয়া=থুইয়া, রাখিয়া।
    8.  স্তা=দিয়া
    9.  উঙ্গাইয়া=তন্দ্রাচ্ছন্ন হইয়া।
    10.  শইল্য=শরীরে।
    11.  দেউখাইন=দেন।
    12.  বুনি=স্তন্য (বুনি দিবাম=স্তন্যদান করিব)।
    13.  বলিব=বলশালী হইবে (বলিব দুই গুণি= দ্বিগুণ বলশালী হইবে)।
    14.  সাচারীর=সত্যের।
    15.  আলা-ঝালা=আব্‌ছা আব্‌ছা (অস্পষ্ট)।
    16.  সুনাধরি পুত=সোণামণি ছেলে, আদরের ছেলে।
    17.  আরদাশ=আদেশ।
    18.  ছাওয়াল পুতের=শিশুপুত্রের।
    19.  সাঞ্জা=সন্ধ্যা।
    20.  ঘুরিয়া ঘাটিয়া=ঘুরিয়া বেড়াইয়া।
    21.  বুনি দিয়া=স্তন্যদান করিয়া।
    22.  নিভুতি=নিশুতি; নিভৃত—নিস্তব্ধ হইলে, সকলে ঘুমাইলে।
    23.  সায়র তনে=সাগর হইতে (এখানে কমলা-দীঘি হইতে)।
    24.  দেবংশী বাড় বাড়ে=দেবতার মত বর্দ্ধিত হয়।
    25.  বাইর=বাড়, বৃদ্ধি।
    26.  বাডা=বাটা।
    27.  আমলধারী=আদরিণী।
    28.  ছয়=ছোঁয় (না ছয়=স্পর্শ করে না, ছোঁয় না।
    29.  মঞ্চের=মর্ত্ত্যের
    30.  আয়ি=আসিয়া।
    31.  কেবুল=কেবল।
    32.  বংশ-নিবারণ=বংশ-লোপ।
    33.  আর পান খাওন কে রে=আর পান কে খাইবে।
    34.  তাকে তাকে থাক্যা=সুযোগের অপেক্ষায় থাকিয়া (তাকে তাকে থাকিয়া)
    35.  ছন্দে=উপায়ে, প্রকারে।
    36.  বাইর আগেতে=বহির্ব্বাটীতে।
    37.  বারামখানা=(বিরাম) বিশ্রাম-খানা।
    38.  পোষাইবাম=পোহাইব।
    39.  বইয়া=বসিয়া আছে।
    40.  বার চাইয়া=পথ চাহিয়া।
    41.  কেউরে নি দেখা যায়=কাহাকেও দেখা যায় না।
    42.  এক প’র=এক প্রহর।
    43.  আড়াই প’র‍্যা …… নিশুতি হইল=আড়াই প্রহর রাত্রিতে সমস্ত নিশুতি (নিস্তব্ধ) হইল।
    44.  অন্ধকার‍্যা-জলক্যারা=মেঘাচ্ছন্ন অন্ধকার।
    45.  সম=সময়।
    46.  গয়িন=গহন, গভীর।
    47.  সাজা=সজ্জা; লক্ষ্মীঠাকরুণ যেন সজ্জা করিয়া উঠিলেন।
    48.  বান্ধ্যা=ঘিরিয়া।
    49.  আলাও=আলো, আলোক।
    50.  অইল রে=হইল রে।
    51.  পশরে=জ্যোতিতে।
    52.  নিউলিয়া=স্থির দৃষ্টিতে।
    53.  বুলে=বলিয়া।
    54.  ঠারে=স্থির থাকে (প্রাণ স্থির থাকে না)।
    55.  সায়র তনে=সাগর হইতে।
    56.  গেলাইন=গেলেন।
    57.  অমির্ত্তির=অমৃতের; (প্রাণের পুত্ত্রকে অমৃত-রসতুল্য স্তন-দুগ্ধ পান করাইলেন)।
    58.  গুপ্তাইয়া=গুপ্ত হইয়া, লুকাইয়া।
    59.  জোয়াপ=জবাব, উত্তর
    60.  হেছ্‌ড়াইয়া=টানিতে টানিতে, জোর করিয়া চলিতে চলিতে।
    61.  জোড়াবলি=ধ্বস্তাধ্বস্তি।
    62.  দইড় ভাঙ্গ্যা=আছাড় খাইয়া।
    63.  ঢুক=ঢোক।
    64.  বিছড়ায়=খোঁজে।
    65.  বাড়া বয়স=বেশী বয়স।
    66.  ছেউরা=ছেলে (বৃদ্ধ বয়সের সন্তান)।
    67.  গদিত বুয়ায়=গদিতে বসার।
    68.  পালা-পইরদা=লালন-পালন।
    69.  রাজ্যতি করে…… জানিয়া আপনে=আপনার মত ভাবিয়া তাহারা রাজত্ব করে।
    70.  আবেস্থার=অবস্থায়।
    71.  তারার=তাহার।
    72.  কে লা বড় কে লা ছুডু=কে যে বড় কে যে ছোট।
    73.  গায়-গণ্ডায়=দৈহিক আয়তনে।
    74.  পিরবীণ=প্রবীণ, মস্ত জোয়ান।
    75.  সরের=সহরের।
    76.  পিরথিমিতে=পৃথিবীতে।
    77.  চর্‌কির=চক্রের।
    78.  ঘুড়ায়=ঘুরায়।
    79.  আথি=হাতী।
    80.  শুরেতে=শুঁড়েতে, শুণ্ডে।
    81.  পা’ড়ের=পাহাড়ের (পা’ড়=পাহাড়)।
    82.  রাও করিলে……ডাকে=শব্দ করিলে মেঘের ডাক মনে হয়।
    83.  দইরা=নদী।
    84.  ডংশ্যা=ধ্বংস করিয়া।
    85.  টেরে=জ্ঞান করে।
    86.  মোকামে=বাড়ীতে (সুসুঙ্গ=রাজা রঘুর রাজধানী)।
    87.  বের=বেড়, অবরোধ।
    88.  গাথার=গর্ত্তের।
    89.  শিরকাল=শৃগাল।
    90.  হুলুচ্ তুলুচ্=হুলুস্থুল।
    91.  ডেডা=ডাঁটা
    92.  লুডায়=লুটায়।
    93.  গারুলীর=গারো প্রদেশের
    94.  গাড়=গারো জাতীয় লোকেরা।
    95.  হিম্মতি=ক্ষমতা।
    96.  আ নইলে=তা’ না হইলে।
    97.  নাল্লতি=শাস্তি।
    98.  কত ক্ষণে।
    99.  কুচ=বাঁশের ডাঁটিযুক্ত দশটি ফলক-বিশিষ্ট বর্শার মত অস্ত্র।
    100.  রাম কাডারি=রাম দা; খাঁড়ার মত এক প্রকার বড় কাটারি।
    101.  বাইশ কাহন=২৮, ১৬০।
    102.  উফে লাফে=লাফাইতে লাফাইতে।
    103.  তরাতরি=থর থর করিয়া
    104.  পুরী…… খাইয়া=যেন পৃথিবী গ্রাস করিয়া চলিয়াছে।
    105.  ফিকিরি=ফন্দীবাজ।
    106.  গাঙ্গনা=পরিখা।
    107.  গইন=গভীর।
    108.  সম=সময়।
    109.  ছাপিয়া=লুকাইয়া।
    110.  যত ইতি=যত রীতি, যত প্রকার।
    111.  পরধানীরা=প্রধানেরা, সর্দ্দারেরা।
    112.  যাচ্‌কিয়া=ব্যর্থ হইয়া।
    113.  ঠাউরায়=স্থির করে।
    114.  ধনাইয়ের ঢালা=ধনাইস্রোত, নদী
    115.  পরেকের=এক প্রহরের।
    116.  এত্তক্=এত।
    117.  ভাওয়াল্যা=পিনিস নৌকা, ঢাকা অঞ্চলে এখনও এইরূপ নৌকার বিশেষ প্রচলন আছে।
    118.  কুঞ্জত-খানা=খুনশালা, এখানে কারাগার।
    119.  লোয়ার পাত্থর=লোহার পাথর, অর্থাৎ লোহার চাঙ্গড়।
    120.  দাড়=দাঁড়ে।
    121.  মাইল=মারিল।
    122.  শূন্যেউড়া………সমান=হাওয়ার মত যেন শূন্যে উড়িয়া চলিল।
    123.  পরকেতে=এক প্রহরে।
    124.  কেমুন=কেমন।
    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমৈমনসিংহ-গীতিকা – দীনেশচন্দ্র সেন সম্পাদিত
    Next Article পূর্ব্ববঙ্গ-গীতিকা (দ্বিতীয় খণ্ড, দ্বিতীয় সংখ্যা) – দীনেশচন্দ্র সেন সম্পাদিত

    Related Articles

    দীনেশচন্দ্র সেন

    পদাবলী মাধুর্য্য – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    মৈমনসিংহ গীতিকা – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    বৈদিক ভারত – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    বঙ্গভাষা ও সাহিত্য -১ম খণ্ড – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    বৃহৎ বঙ্গ – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    সতী – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }