Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 14, 2026

    বৃশ্চিক – পিয়া সরকার

    May 14, 2026

    সংস্কৃতির ভাঙা সেতু – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

    May 14, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    সরদার ফজলুল করিম এক পাতা গল্প669 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৭. ‘দার্শনিক শাসক’ কেবল কল্পনা নয়

    অধ্যায় : ১৭ [৪৯৭–৫০২]

    ‘দার্শনিক শাসক’ কেবল কল্পনা নয়

    কিন্তু বাস্তবজীবনে দার্শনিক যদি অপদার্থ বলে পরিচিত হয় এবং দর্শনের শিক্ষা যদি অযোগ্য শিক্ষকের হাতেই ন্যস্ত থাকে তা হলে বাস্তব রাষ্ট্রে ‘দার্শনিক-শাসক’ কি একেবারে দুষ্প্রাপ্য থেকে যাবে? দার্শনিক-শাসক কি কেবলই কল্পনা? প্লেটো শুধুমাত্র কল্পনা বিলাসী? প্লেটো কল্পনাবিলাসী ছিলেন না। তাঁর রাষ্ট্রীয় দর্শন যতই কাল্পনিক বলে বোধ হোক-না কেন, আসলে এ কেবল বাস্তব রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার সমালোচনা নয়। এ-দর্শনকে প্লেটো বাস্তব রাষ্ট্রীয় জীবনে নিজের সাধ্যমতো প্রয়োগ করার চেষ্টা করেছেন। এথেন্স তাঁর দর্শনপ্রয়োগের উপযুক্ত নগরী ছিল না বটে, কিন্তু প্লেটোর সমসাময়িককালে এথেন্সই একমাত্র উল্লেখযোগ্য রাষ্ট্র ছিল না। এথেন্স অবশ্য সেকালের জ্ঞানালোচনার কেন্দ্রস্থল ছিল। ক্রিট, কার্থেজ, সাইরাক্যুজ—বিভিন্ন রাষ্ট্র থেকে শিক্ষার্থী এবং রাজনীতিজ্ঞ এথেন্স আসত জ্ঞান অর্জনের জন্য। এবং জ্ঞানচর্চা-শেষে তারা ফিরে যেত নিজ নিজ রাষ্ট্রে অর্জিত জ্ঞানের প্রয়োগের জন্য। প্লেটো তাঁর একাডেমিকে তেমনি জ্ঞানদানের প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছিলেন। তিনি প্রত্যক্ষভাবে এথেন্সের শাসনব্যবস্থাকে তাঁর আদর্শ অনুসারে পরিবর্তিত করতে সক্ষম না হলেও তাঁর আশা ছিল, তাঁর একাডেমির জ্ঞানচর্চা মানুষের চরিত্র-পরিবর্তনে কার্যকর প্রভাব বিস্তার করবে। কেবল একাডেমির শিক্ষাদানেই প্লেটো নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি, সাইরাকজের শাসকদের সঙ্গে ব্যক্তিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে প্লেটো প্রত্যক্ষভাবে চেষ্টা করেছিলেন সাইরাক্যুজের শাসককে ‘দার্শনিকে’ পরিবর্তিত করতে (৩৮৮ খ্রিঃ পূঃ)। সে-চেষ্টার বাস্তব ব্যর্থতা বড় কথা নয়। বড় কথা হচ্ছে প্লেটোর বিশ্বাস যে, সমসাময়িক রাষ্ট্রীয় জীবনেও তাঁর পরিকল্পনা প্রয়োগ করা সম্ভব। তাই ‘দার্শনিকের শাসক হওয়ার অবাস্তবতার অভিযোগের জবাবে সক্রেটিস বলছেন : দার্শনিককে বাঁচিয়ে রাখা যে সহজ নয়, তা আমরাও অস্বীকার করিনে। কিন্তু কোনোকালেই এদের মধ্যে একটি ব্যক্তির পক্ষেও কলুষমুক্ত থাকা সম্ভব হবে না—এমন কথা কে বলতে পারে!

    না, তা কেউ বলতে পারে না।

    আমি বললাম : বেশ। একটি বেঁচে থাকলেই আমাদের পক্ষে যথেষ্ট। একজন দার্শনিক-শাসকেরও যদি এমন একটি নগর থাকে, যে-নগর তার ইচ্ছার বাধ্য, তা হলে যে-আদর্শ রাষ্ট্র সম্পর্কে সাধারণ পৃথিবী এত অবিশ্বাসী সে-আদর্শ রাষ্ট্র বাস্তবায়িত হয়ে উঠবে [৫০২]।

    *

    আলোচনার কী অবশিষ্ট রয়েছে, সক্রেটিস?

    প্রশ্ন হচ্ছে : রাষ্ট্র নিজের ধ্বংসের কারণ না হয়ে দর্শনচর্চাকে কেমন করে সংগঠিত করতে পারে, তা নির্ধারণ করা। কাজটি অবশ্যই কঠিন। কারণ সমস্ত বৃহৎ কাজই কঠিন। প্রবাদের কথাই সত্য, যা মূল্যবান তা কখনো সহজ নয়।

    এ্যাডিম্যান্টাস বললেন : তবু প্রশ্নটির মীমাংসা আবশ্যক। তা হলেই আমাদের আলোচনাটি সম্পূর্ণ হবে।

    আমি বললাম : আমার শক্তিতে কুলালে আলোচনার জন্য আমার ইচ্ছার অভাব হবে না। আলোচনায় আমার উৎসাহ তুমি এখনই দেখতে পাবে। সে যাক, তুমি খেয়াল করো এ্যাডিম্যান্টাস। আমি সাহস করে একথাই বলতে চাই যে, দর্শনচর্চার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের নীতি বর্তমানের চেয়ে ভিন্নতর হওয়া আবশ্যক।

    কী প্রকারে সক্রেটিস?

    আমি বললাম : বর্তমানে দর্শনের যারা ছাত্র তারা বয়সে খুবই তরুণ। শৈশব পার না হতেই তারা সংসারের আর্থিক এবং অপর কাজে ব্যয়িত সময় থেকে রক্ষিত সময়টুকু দর্শনচর্চার ন্যায় জ্ঞানচর্চায় ব্যবহার করে। এবং এদের মধ্যে যারা দর্শনভাবাপন্ন বলে প্রশংসিত হয় তারাও যখন এর কঠিন স্থানটি অর্থাৎ দ্বান্দ্বিকতার তত্ত্বে আসে তখন আর টিকে থাকে না। দর্শনচর্চা ছেড়ে দেয়। পরবর্তী জীবনে কোনো দর্শন আলোচনায় আমন্ত্রিত হয়ে এরা দুএকটি বক্তৃতা শ্রবণ করে এবং একেই বাহাদুরির সঙ্গে প্রচার করে। কারণ দর্শনকে এরা নিজেদের জীবনের কোনো গুরুতর বিষয় বলে মনে করে না। পরিশেষে বৃদ্ধ হয়ে তারা হিরাক্লিটাসের সূর্যের ন্যায়* চিরদিনের জন্য অস্তমিত হয়ে যায়। কারণ দ্বিতীয়বার তাদের উদয় ঘটে না।

    [হিরাক্লিটাস বলতেন কোনোদিনই পুরনো সূর্যের উদয় ঘটে না। প্রতি সন্ধ্যায় দিনের সূর্য নিভে যায়। প্রতি সকালে নূতন সূর্যের দীপকে জালানো হয়। কথাটির দার্শনিক তাৎপর্য আছে। হিরাক্লিটাস মনে করতেন নিত্য পরিবর্তন হচ্ছে বিশ্বজগতের মূল সত্য। একটি নদীতে কেউ দ্বিতীয়বার নামতে পারে না। কারণ প্রতি মুহূর্তের নদীই নূতন নদী—একথাও হিরাক্লিটাসের। হিরাক্লিটাস প্রাচীন গ্রীসের অন্যতম বিখ্যাত দার্শনিক। তাঁর জীবনকাল ছিল : খ্রিঃ পূর্ব ৫৩৫ থেকে ৪৭৫।]

    তা হলে তাদের অধ্যয়ন পদ্ধতি কী হওয়া সঙ্গত?

    এর বিপরীতটিই হওয়া সঙ্গত। শৈশবে এবং কৈশোরে যে-দর্শন তারা শিক্ষালাভ করবে, সে-দর্শন তাদের কাঁচা বয়সের উপযোগী হতে হবে। এটি শিশুদের বৃদ্ধির বয়স। তারা বৃদ্ধি পেয়ে বয়স্ক মানুষে পরিণত হবে। এ-বয়সে আমাদের বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে তাদের দেহের গঠনের প্রতি যেন পরবর্তীকালে দর্শনের সেবায় তাদের শরীরকে তারা নিয়োজিত করতে পারে। তাই বয়স যত তাদের বৃদ্ধি পেতে থাকবে এবং বুদ্ধি তাদের পরিপক্ক হতে থাকবে তত আত্মার চর্চা তাদের অধ্যয়নের লক্ষ্য হয়ে দাঁড়াবে। পরে যখন তারা বৃদ্ধ হবে, বেসামরিক এবং সামরিক দায়িত্ব থেকে অবসর গ্রহণের সময় যখন এসে যাবে, যখন তারা শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়বে তখন আর তাদের জন্য কোনো গুরুভার পরিশ্রমের কাজ আমরা নির্দিষ্ট করব না। তারা এবার শান্তিতে জীবন কাটাক এবং মৃত্যুপরবর্তী জীবনে অনুরূপ শান্তির কল্পনা করুক।

    তুমি বেশ সাহসের সঙ্গে কথাটি বলেছ, সক্রেটিস। তোমার এ-অভিমত সম্পর্কে আমার কোনো সন্দেহ নেই। তবু আমার ধারণা তোমার শ্রোতাদের অধিকাংশই, অধিকতর সাহসের সঙ্গে তোমার বিরোধিতা করবে। তারা, এবং বিশেষ করে থ্র্যাসিমেকাস, তোমার এ-অভিমতে আস্থা স্থাপন করবে না।

    কিন্তু এ্যাডিম্যান্টাস, তুমি এ্যাসিমেকাসের সঙ্গে আমার ঝগড়া বাধিয়ে দিও না। খুবই সম্প্রতি আমরা একটা মিটমাট করেছি এবং সুহৃদে পরিণত হয়েছি। অবশ্য আমি বলব না আমরা কখনো শত্রু ছিলাম। আমার চেষ্টাটি আমি শক্তিমতো চালিয়ে যাব যতক্ষণ-না আমি তাদের মনে প্রত্যয় সৃষ্টি করতে পারি কিংবা এমন কিছু তাদের জন্য করতে পারি যা তাদের পরবর্তী জীবনে, তাদের অস্তিত্বের অপর কোনো পর্যায়ে, এরূপ আলোচনায় তাদের সাহায্য করতে পারবে।

    তাদের অস্তিত্বের সে-পর্যায়টি আসতে বেশ বিলম্ব আছে, সক্রেটিস।

    সত্য, এ্যাডিম্যান্টাস। কিন্তু অনন্তকালের তুলনায় সে বিলম্বের দৈর্ঘ্য কতটুকু? তা হলেও এটা আমার জন্য বিস্ময়ের ব্যাপার কিছু নয় যে, তারা আমাকে বিশ্বাস করতে অস্বীকার করছে। কারণ যার সম্পর্কে আমরা বর্তমানে আলোচনা করছি তাকে বাস্তবায়িত হতে তারা কখনো দেখেনি। তারা শব্দের কৃত্রিম যোজনার ভিত্তিতে দর্শনের প্রচলিত অনুকরণকেই মাত্র দেখেছে*—তারা আমাদের আলোচিত বিষয় অর্থাৎ শব্দের যথার্থ ঐক্যকে প্রত্যক্ষ করেনি। কিংবা তারা তেমন মানুষকে দেখেনি, যে আমাদের আদর্শ অনুসরণ করে জীবনযাপন করেছে এবং যার কথায় ও কাজে পূর্ণ সঙ্গতি ঘটেছে। এরূপ সঙ্গতিময় মানুষ তারই মতো সঙ্গতিপূর্ণ একটি নগরকে শাসন করছে—এ-দৃশ্য তাদের কেউ কখনো দেখেনি। তুমি কী বল এ্যাডিম্যান্টাস?

    [* এ-সমালোচনার লক্ষ্য আইসোক্রাটিসের একাডেমিতে অনুসৃত শিক্ষাপদ্ধতি হতে পারে। আইসোক্রাটিস (৪৩৬–৩৩৮ খ্রিঃ পূঃ) প্লেটোর সমকালীন প্রখ্যাত শিক্ষক।]

    না, এ-দৃশ্য তারা কখনো দেখেনি।

    না, এরূপ তারা দেখেনি। এবং মুক্ত এবং মহৎ চিন্তার আলোচনা—যে-আলোচনার উৎস জ্ঞানের আকাঙ্ক্ষা এবং সত্য আবিষ্কার, যে-আলোচনায় মানুষের সকল ইন্দ্রিয়কে কেন্দ্রীভূত হতে হয়, সে-আলোচনাও তারা খুব কমই শুনেছে। যে-আলোচনার সঙ্গে আদালত কিংবা বক্তৃতামঞ্চের বক্তৃতার কলাকৌশলের কোনো সম্পর্ক নেই সে-আলোচনাও তারা খুব কমই শ্রবণ করেছে। তাদের পরিচয় আদালত এবং জনসম্মেলনের বক্তৃতার সঙ্গে যার একমাত্র উদ্দেশ্য হচ্ছে কূটকৌশলে জনমতকে প্রভাবান্বিত করা এবং নিজের পক্ষকে জয়যুক্ত করা।

    তোমার একথা সত্য, সক্রেটিস।

    এ-সমস্ত কারণের জন্য এবং এই পরিস্থিতি স্মরণ রেখে, ভীত হলেও সততার স্বার্থে আমাকে বলতে হয়েছে যে, যাদের আমরা সংখ্যালঘু বলছি কলুষতামুক্ত সেই কতিপয় দার্শনিক, যাদের এখন অপদার্থ বলা হচ্ছে, তারা যতক্ষণ শাসন করতে বাধ্য না হবে, যতক্ষণ তারা রাজনীতিতে অংশগ্রহণ না করবে, এবং সমাজকে তাদের কথা শুনতে বাধ্য না করবে কিংবা যতক্ষণ বিধাতা আমাদের বর্তমান শাসকদের মনে কিংবা তাদের সন্তানদের মনে যথার্থ দর্শনের প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টি না করবে ততক্ষণ সকল ত্রুটিশূন্য সর্বোত্তম রাষ্ট্র কিংবা সমাজ বা ব্যক্তি কখনো জগতে বাস্তব রূপ লাভ করতে পারবে না। এ কথা মনে করার কোনো কারণ নেই যে, এদের কোনোটাই সম্ভব হবে না। তাদের কোনোটিই যদি সম্ভব না হয় তা হলে অবশ্য দিবাস্বপ্নের জন্য পরিহাস এবং বিদ্রূপই আমাদের যুক্তিসঙ্গত প্রাপ্য হবে। তুমি কী বল?

    হ্যাঁ, তা-ই আমাদের প্রাপ্য হবে।

    আমরা বরঞ্চ বলব যে, সেই অনন্ত অতীতে কিংবা ভবিষ্যতে কিংবা বর্তমানে কোথাও, হোক না সে আমাদের পরিচিত দিগন্তের বাইরে অপর কোনো দেশে, যথার্থ দার্শনিক যদি রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করে থাকে তা হলে যে-রাষ্ট্রের বর্ণনা আমরা করেছি সে-রাষ্ট্র অবশ্যই বাস্তবায়িত হয়েছে কিংবা সে অবশ্যই বাস্তবায়িত হবে। তখন দর্শনই রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রক হয়ে দাঁড়াবে। এর মধ্যে কোনো অসম্ভবতা নেই। যা আমরা বলেছি তা অবশ্যই কঠিন, কিন্তু অসম্ভব নয়।

    আমি তোমার সাথে একমত, সক্রেটিস।

    হ্যাঁ, কিন্তু মনে কোরো না যে জনতা আমাদের সঙ্গে একমত হবে?

    সম্ভবত তারা আমাদের সঙ্গে একমত হবে না।

    কিন্তু এ্যাডিম্যান্টাস, জনতার বিরুদ্ধে এরূপ অভিযোগ উত্থাপন করা আমাদের সঙ্গত নয়। কেননা জনতার উপর জবরদস্তি না করে, তাদের সঙ্গে নম্র ব্যবহার করলে তারা সহজেই তাদের মত পরিবর্তন করে। তুমি যদি তাদের বুঝিয়ে বল যে, দার্শনিক বলতে তারা যা বুঝেছিল তা ঠিক নয়, তুমি যদি দার্শনিকদের চরিত্র এবং আচরণকে একটু পূর্বে যেরূপ ব্যাখ্যা করেছ অনুরূপভাবে জনতার নিকট ব্যাখ্যা কর তা হলে জনতা দার্শনিক সম্পর্কে তাদের মত পরিবর্তন করবে। অথবা তুমি কি মনে কর, তুমি যদি অভদ্র আচরণ না কর তা হলে নম্রস্বভাবের লোকও তোমার প্রতি অভদ্র আচরণ করবে? আমি কিন্তু মনে করি না যে, অধিকসংখ্যক মানুষই এরূপ বিকৃতমনা। এই বিকার অধিকসংখ্যকের নয়; এরূপ বিকৃতি তুলনামূলকভাবে অল্পসংখ্যকেরই বৈশিষ্ট্য।

    এক্ষেত্রেও আমি তোমার সঙ্গে একমত, সক্রেটিস।

    তা হলে এ-বিষয়েও নিশ্চয়ই তুমি একমত হবে যে, অধিকসংখ্যক মানুষের দর্শনের প্রতি এই যে বিরাগ এবং বিরূপ ধারণা তার মূল রয়েছে সেই উচ্ছৃঙ্খল অনধিকার-প্রবেশকারীদের পারস্পরিক দ্বন্দ্ব, ঈর্ষা এবং আদর্শ পরিত্যাগ করে ব্যক্তিকে সকল চিন্তার কেন্দ্রে পরিণত করার প্রবণতা। ঠিক নয় কি?

    খুব ঠিক কথা।

    কারণ, এ্যাডিম্যান্টাস, যে যথার্থ দার্শনিক তার মন সাধারণ মানুষের চেয়ে উঁচুস্তরে বিচরণ করে। সাধারণ মানুষের ঈর্ষা, দ্বন্দ্ব, কলহপূর্ণ জীবন নিয়ে ব্যতিব্যস্ত হওয়ার সময় দার্শনিকের থাকতে পারে না। দার্শনিকের দৃষ্টি শাশ্বত অপরিবর্তনীয় সত্যের প্রতি নিবদ্ধ। তার লক্ষ্যের সেই রাজ্যে অন্যায়ের কোনো অস্তিত্ব নেই। সে-রাজ্যের সবকিছু যুক্তি এবং সঙ্গতির সূত্রে বাঁধা। আর এই যুক্তি এবং সঙ্গতির আদর্শ হচ্ছে দার্শনিকের আরাধ্য। একেই সে নিজের চরিত্রে বাস্তবায়িত করে তোলে। কারণ, যে-মানুষ যাকে ভালোবাসে তার অনুকরণে কোনোকিছুই প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়াতে পারে না। এ-কাজে কেউ কি তাকে বাধা দিতে পারে?

    না, এরূপ বাধাদান অসম্ভব।

    আর ঐশ্বরিক সেই সঙ্গতির একাত্মতায় দার্শনিক নিজেও সঙ্গতি এবং শৃঙ্খলার আকর হয়ে ওঠে। নানা আকর্ষণ থাকা সত্ত্বেও একজন মানুষের পক্ষে যতখানি সম্ভব, আমাদের দার্শনিক ততখানি ঐশ্বরিক চরিত্রে চরিত্রবান হয়ে উঠবে। ঠিক নয় কি?

    অবশ্যই।

    এখন তার উপর যদি দায়িত্ব পড়ে, শুধু নিজের চরিত্র গড়ার নয়, রাষ্ট্র এবং মানুষের চরিত্র পরিবর্তন করার, তা হলে এ্যাডিম্যান্টাস, তুমি কি মনে কর সে ন্যায়, সংযম এবং অপর সব গুণের অদক্ষ কারিগর বলে প্রমাণিত হবে?

    না, সে অদক্ষ কেন হবে?

    আর পৃথিবীর মানুষ যখন দেখবে, দার্শনিক সম্পর্কে আমরা যা বলছি তা যথার্থ, তখন কি জনতা দর্শনের উপর ক্রোধান্বিত হয়ে উঠবে? আমরা যদি তাদের বলি, যে নগরের নকশা ঐশ্বরিক পরিকল্পনার জ্ঞানে জ্ঞানী শিল্পী অঙ্কন করে না, সে-নগরী কখনো সুখী হতে পারে না, তা হলে কি তারা আমাদের অবিশ্বাস করবে? কিংবা আমাদের উপর ক্রোধান্বিত হবে?

    না, তারা বুঝতে পারলে আমাদের উপর অবশ্যই ক্রোধান্বিত হবে না। কিন্তু রাষ্ট্রের যে-রূপরেখার কথা তুমি বলছ, তা কেমন করে তারা অঙ্কিত করবে?

    আমি বলব তাদের করণীয় হবে রাষ্ট্র এবং তার মানুষকে ধুয়েমুছে তাকে নিষ্কলঙ্ক বা নি-দাগ এক-একটি প্লেটে পরিণত করা। কাজটি অবশ্যই সহজ নয়। কিন্তু কঠিন কিংবা সহজ যা-ই হোক, তাদের সঙ্গে অন্য বিধানকারীর এই হবে পার্থক্য। আমাদের রাষ্ট্রের দার্শনিক শিল্পীরা যতক্ষণ তাদের ছবি আঁকার পটকে পূর্ণরূপে নিষ্কলঙ্ক করতে না পারছে ততক্ষণ ব্যক্তি কিংবা রাষ্ট্র কারোর জন্যই তারা কিছু করবে না কিংবা কোনো বিধানও তারা প্রণয়ন করতে সম্মত হবে না।

    এক্ষেত্রে তাদের সিদ্ধান্ত সঠিক

    এই কাজ সম্পন্ন হলে তারা রাষ্ট্রের সংবিধান বা সংগঠনের রূপরেখাটি তৈরি করবে।

    হ্যাঁ, এবার তা-ই তাদের করণীয়।

    আর এই কাজটি যখন তারা সম্পূর্ণ করতে থাকবে তখন তাদের দৃষ্টিকে নিয়ত ঊর্ধ্বে এবং নিম্নে চালনা করতে হবে। অর্থাৎ এ-কাজের জন্য যেমন প্রথমে তাদের পরম ন্যায়, সুন্দর এবং সংযমের প্রতি দৃষ্টি নিবদ্ধ করতে হবে, তেমনি আবার এই পরম সত্তার সঙ্গে তাদের মানবিক প্রতিরূপকে তুলনা করতে হবে। বিভিন্ন উপাদান তাদের গ্রহণ করতে হবে। সকল উপাদানকে সঙ্গতির সূত্রে মিশ্রিত করে তারা পরম ন্যায়ের মূর্ত রূপের আদর্শে এমন মানুষ তৈরি করবে যাকে আমরা হোমারের ভাষায় বলতে পারব : ‘এ হচ্ছে মানুষের মধ্যে ঈশ্বরের প্রতিমূর্তি।’

    তোমার কথাটি খুবই ঠিক ।

    তাদের এই শিল্পকর্মে কখনো তারা একটি বৈশিষ্ট্যকে মুছে অপর একটি বৈশিষ্ট্যকে স্থাপন করবে। যতক্ষণ তাদের সাধ্যমতো তাকে ঈশ্বরের সকল বৈশিষ্ট্যে বিশিষ্ট করে তুলতে তারা সক্ষম না হচ্ছে ততক্ষণ এই প্রচেষ্টায় তারা নিরত থাকবে, ঠিক নয় কি।

    অবশ্যই ঠিক। অপর কোনো উপায়ে তাদের পক্ষে সুন্দরের কোনো ছবি অঙ্কন করা সম্ভব হবে না।

    এ্যাডিম্যান্টাস, তোমার কী মনে হয়? এবার কি সেই বিক্ষুব্ধ প্রতিপক্ষ একটু শান্ত মূর্তি ধারণ করবে? আমাদের প্রশংসিত শিল্পীর হাতে রাষ্ট্রের সংবিধানের ছবি-অঙ্কনের দায়িত্ব অর্পণ করায় তারা ক্রোধান্বিত হয়েছিল। শিল্পীর এই সুসম্পন্ন কর্ম দেখে এবার কি একটু শান্ত ভাব তারা ধারণ করবে?

    হ্যাঁ সক্রেটিস, তাদের মধ্যে কোনো জ্ঞান থাকলে অবশ্যই তারা অনেকটা শান্ত হয়ে আসবে।

    ‘অনেকটা’ কেন? তাদের কি এখনও আপত্তির কোনো কারণ আছে বলে তুমি মনে কর? দার্শনিক জ্ঞান এবং সত্যের প্রেমিক, এ-বিষয়ে কি তারা এখনও সন্দেহ পোষণ করবে?

    না, তারা এতটা যুক্তিহীন হবে, এরূপ আমি মনে করিনে।

    আমরা কি বরঞ্চ বলতে পারিনে যে, আমরা যেরূপ বর্ণনা করেছি তাতে দার্শনিকের চরিত্র পরম উত্তমেরই সদৃশ হবে?

    এ-বিষয়েও তারা আর সন্দেহ পোষণ করতে পারে না।

    কিংবা তারা একথাও কি অস্বীকার করতে পারবে, উপযুক্ত পরিবেশে এই দার্শনিক সর্বোত্তম দার্শনিকে পরিণত হবে? এর বদলে যাদের আমরা নাকচ করেছি তাদেরকেই কি তারা অধিক পছন্দ করবে?

    না, তা হতে পারে না।

    তা হলে আমরা যদি আবার বলি : দার্শনিকরা যতক্ষণ শাসক না হবে ততক্ষণ রাষ্ট্র কিংবা ব্যক্তি কারোরই অমঙ্গল থেকে মুক্তি নেই কিংবা আমাদের কল্পিত আদর্শ রাষ্ট্রেরও বাস্তবায়িত হওয়ার সম্ভাবনা নেই, তবে আমাদের প্রতিপক্ষ কি এখনও আমাদের প্রতি বিরাগ পোষণ করব?

    না, আমার তো মনে হয় তাদের বিরাগ অনেকটা প্রশমিত হবে।

    বরঞ্চ, আমরা কি বলতে পারিনে, তাদের বিরাগ কেবল যে অনেকটা প্রশমিত হবে তা-ই নয়, তারা বেশ পরিমাণে সুজন হয়ে উঠবে? আমরা বলব, তাদের আস্থা সৃষ্টিতে আমরা সক্ষম হয়েছি। এবার অপর কোনো কারণ না থাকলে কেবল লজ্জার কারণে তারা আমাদের সঙ্গে সমঝোতা স্থাপন করতে অস্বীকার করতে পারে না। তুমি কী বল?

    অবশ্যই।

    ঠিক আছে। ধরা যাক, আমাদের মধ্যে সমঝোতা স্থাপিত হয়ে গেছে। এবার আমাদের অন্য কথাটিতে আসা যাক। রাজকুমার অর্থাৎ শাসকের সন্তানরাও যে স্বভাবগতভাবে দার্শনিক হতে পারে—একথাটিতে কি কারোর আপত্তি হতে পারে?

    না, কারোরই এতে আপত্তি হতে পারে না।

    আমরা ধরে নিলাম, এই দার্শনিক-শাসকরা জন্মগ্রহণ করেছে। তারা অস্তিত্বময় হয়েছে। এবার কি কেউ বলবে, এদের বেঁচে থাকা সম্ভব নয়? অনিবার্যভাবে এরা কলুষিত এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে? তাদের বাঁচিয়ে রাখা যে সহজ নয়, তা আমরাও অস্বীকার করিনে। কিন্তু কোনোকালেই এদের মধ্যে কোনো একটি ব্যক্তির পক্ষেও কলুষমুক্ত থাকা সম্ভব হবে না—এমন কথা কে বলতে পারে?

    না, তা কেউ বলতে পারে না।

    আমি বললাম : বেশ! একটি বেঁচে থাকলেই আমাদের পক্ষে যথেষ্ট। একজন দার্শনিক-শাসকেরও যদি এমন একটি নগর থাকে যে-নগর তার ইচ্ছার বাধ্য, তা হলে যে-আদর্শ রাষ্ট্র সম্পর্কে সাধারণ পৃথিবী এত অবিশ্বাসী সে-আদর্শ রাষ্ট্র বাস্তবায়িত হয়ে উঠবে।

    হ্যাঁ সক্রেটিস, এরূপ একটি লোকই যথেষ্ট।

    আমরা যে-সমস্ত বিধান এবং সংগঠনের কথা আলোচনা করেছি আমাদের এই শাসক তাদের প্রবর্তন করবে। নাগরিকগণ এই সমস্ত বিধানকে স্বেচ্ছায় মেনে চলবে। ঠিক নয় কি?

    অবশ্যই, সক্রেটিস।

    আর আমরা যা বলছি তাতে অপরের সম্মত হওয়ার মধ্যে বিস্ময়ের কিছু কি আছে?

    আমার তো মনে হয়, না। এতে বিস্ময়ের কিছু নেই।

    যাহোক, আমরা উপযুক্তভাবেই দেখিয়েছি যে, আমাদের পরিকল্পনা যদি বাস্তবায়িত হয়, তা হলে সে অবশ্যই সর্বোত্তম হবে।

    হ্যাঁ, আমরা উপযুক্তভাবেই দেখিয়েছি।

    আমরা তা হলে বলব, যেসব বিধানের কথা আমরা বলেছি তাদের যদি প্রবর্তন করা যায় তা হলে তারা যে কেবল সর্বোত্তম হবে তা-ই নয়, তাদের প্রবর্তন কঠিন হলেও অসম্ভব হবে না।

    উত্তম কথা।

    তা হলে এ্যাডিম্যান্টাস, বহু কষ্ট এবং শ্রমের মধ্য দিয়ে একটি বিষয়ের উপান্তে এসে আমরা উপস্থিত হয়েছি একথা আমরা বলতে পারি। কিন্তু আলোচনার বিষয় আরও রয়েছে : আমাদের রাষ্ট্রের এই যে পরিত্রাতা, মুক্তিদাতা—কোন্ অধ্যয়ন এবং পরিচর্যার মাধ্যমে তাদের আমরা গঠিত করে তুলব? তাদের কোন্ বয়সের অধ্যয়নের বিষয় কী হবে?

    হ্যাঁ, এ-প্রশ্ন তো রয়েছেই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবৃশ্চিক – পিয়া সরকার

    Related Articles

    সরদার ফজলুল করিম

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 9, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 14, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 14, 2026
    Our Picks

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 14, 2026

    বৃশ্চিক – পিয়া সরকার

    May 14, 2026

    সংস্কৃতির ভাঙা সেতু – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

    May 14, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }