Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বক্তৃতা শিখবেন কীভাবে – ডেল কার্নেগি

    ডেল কার্নেগি এক পাতা গল্প236 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৫. সকল বক্তৃতার প্রয়োজনীয় উপাদান

    ০৫. সকল বক্তৃতার প্রয়োজনীয় উপাদান

    অধ্যবসায়ের প্রয়োজনীয়তা :

    যখন আমরা ফরাসি ভাষা অথবা গল্প অথবা জনসভায় বক্তৃতা করণ শেখার মতো নতুন কিছু শিখতে শুরু করি, আমরা কখনো একরূপ ভাবে এগুতে পারি না। আমাদের উন্নতিও ক্রমান্বয়ে হয় না। হঠাৎ কোনো ধাক্কায় আমরা এগিয়ে যাই। অতঃপর আমরা স্থির হয়ে বসি অথবা আমরা পিছিয়ে পড়ি এবং কখনো বা শেষ কোনো কিছু ভুলে যাই, বিস্মৃত হই। এই স্থির অথবা প্রত্যাগতিকাল সম্পর্কে সকল মনোবিজ্ঞানীই ওয়াকেবহাল এবং সচেতন এবং তাঁরা এই জন্যেই এই সময়টাকে ‘শিক্ষার বক্র অধিত্যকা’ বলে অভিহিত করেছেন। ভাষণ কোর্সের শিক্ষার্থীরাও কখনো-কখনো এই অধিত্যকায় আটকা পড়েন। কঠোর পরিশ্রম করেও তাদের পক্ষে এটা অতিক্রম করা সম্ভব হয় না। এই সময়েই দুর্বল ব্যক্তি হতাশ হয়ে পাঠ ছেড়ে দেন। কিন্তু যারা অধ্যবসায়ী, ধৈর্যশীর, তারা দেখতে পান যে, হঠাৎ রাতারাতি তাঁদের অগ্রগতি হয়ে গেছে অকল্পনীয় ভাবে। তারা নিজেরাও বুঝতে পারে না কীভাবে এটা সম্ভব হল। তারা অধিত্যকা হতে বেরিয়ে আসেন বিমানের গতিতে হঠাৎ তারা বক্তৃতা করার এমন শক্তিলাভ করে বসে যা তারা নিজেরাও কখনো কল্পনা করেন নি। হঠাৎ তারা অনেক কিছু শিখে ফেলেন।

    আমরা সর্বত্রই একটা কথা বলেছি যে, শ্রোতাদের সামনে বক্তৃতা করতে দাঁড়ালে প্রথম কয়েক মিনিট প্রত্যেকের মনেই ভীতে জাগে, স্নায়বিক দুর্বলতা জাগে, হৃৎকম্প উপস্থিত হতে পারে। কিন্তু আপনি যদি ধৈর্যশীল হন তাহলে ভীতি ছাড়া সব কিছুই আপনার মন হতে সহসা বিদূরিত হবে। কয়েকটি বাক্য বলার পরে আপনি নিজেই আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হবেন। তখন আপনি আপনার বক্তব্য আনন্দ ও দৃঢ়তার সথে পেশ করতে পারবেন।

    সবসময় অটুট থাকা অনড় থাকা :

    আইন অধ্যয়নেচ্ছ একজন তরুণ লিংকনের উপদেশ প্রার্থনা করলে লিংকন লিখেন, আপনি যদি নিজেকে একজন আইনজীবী রূপে গড়ে তোলা দৃঢ় ইচ্ছা পোষণ করে থাকেন তা হলে কাজটি অর্ধেকের বেশি ইতোমধ্যে হয়ে গেছে। সবসময় স্মরণ রাখবেন নিজের ইচ্ছাই সাফল্যের পথে অন্য যে কোনো কিছু হতে গুরুত্বপূর্ণ।

    লিংকন জানতেন। ভালো ভাবেই জানতেন। তিনি তার সারা জীবনে এক বছরের বেশি সময় স্কুলে যাবার সুযোগ পান নি। আর বই? লিংকন একবার বলেছেন, তিনি যে কোনো বই ধার করার জন্যে তার বাড়ি হতে পঞ্চাশ মাইল পর্যন্ত হেঁটে যেতেন। তাঁর ঘরে যারা রাতে কাঠ জ্বালাত এবং এই কঠের আলোতে তিনি পড়তেন। কখনো-কখনো পড়তে-পড়তে ঘুমিয়ে পড়তেন, ঘুম থেকে জেগে, চোখ রগড়ে আবার বইটি টেনে নিয়ে পড়তেন, পড়তেন গভীর মনোযোগ দিয়ে।

    কোনো বক্তার বক্তৃতা শোনার জন্যে তিনি বিশ ত্রিশ মাইল দূরে চলে যেতেন। বক্তৃতা শুনে ঘরে ফিরে যত্রতত্র-মাঠে, বনে, জেন্ট্রি বিলের মুদি দোকানে বক্তৃতা অভ্যাস করতেন। তিনি নিউসালেম ও স্প্রিংফিল্ডএর সাহিত্য ও বিতর্ক ক্লাবের সদস্য হয়েছিলেন। এবং এখন আমরা যেমন যে কোনো বিষয় নিয়ে কথা বলি আলোচনা করি, তিনি ঠিক সেভাবে সকল বিষয় নিয়ে বক্তৃতা করতেন।

    তবে তার মধ্যে সব সময় হীনম্মন্যতা বিরাজ করত। এটা তাকে পীড়া দিত। মহিলাদের উপস্থিতিতে তিনি লজ্জা পেতেন বোবা হয়ে যেতেন। মেরি টটের সাথে প্রণয় কালেও তিনি লাজ নম্রভাবে একান্তে বসে নীরবে তার কথা শুনতেন, কোনো কথা বলতেন না। কিন্তু এই লাজুক নম্র ব্যক্তিই অভ্যাস এবং ঘরে লেখা পড়া করে নিজেকে এরূপ বক্তা হিসাবে গড়ে তুলেছিলেন, যিনি সাফল্যের সাথে প্রতিযোগিতা করেছেন, তকালের মার্জিতরুচি বক্তা সিনেটর ডগলাসের সাথে। তিনিই সেই ব্যক্তি যার গ্যাটিসবার্গের ভাষণ এবং হোয়াইট হাউসের দ্বিতীয় উদ্বোধনী ভাষণ মানবেতিহাসে অলংকারপূর্ণ বাকপটুতার উজ্জ্বল নজির হয়ে রয়েছে।

    এটা অত্যন্ত আশ্চর্যের বিষয় যে, যার মন ছিল এরূপ ভারাক্রান্ত, লজ্জাপূর্ণ তিনি লিখেন, “আপনি যদি নিজেকে একজন আইনজীবী রূপে গড়ে তোলার দৃঢ় ইচ্ছা গ্রহণ করে থাকেন, তাহলে কাজটির অর্ধেকের বেশি ইতোমধ্যে হয়ে গেছে।”

    প্রেসিডেন্টের দপ্তরে আব্রাহাম লিংকনের একটি সুন্দর ছবি ছিল। ”যখন আমাকে কোনো শক্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হয়” বলেছেন থিওডর রুজভেল্ট ”যে বিষয়টি কঠিন, যাতে অধিকারও স্বার্থের সংঘাত আছে, আমি লিংকনের দিকে তাকাই, তাঁকে আমার স্থানে কল্পনা করার চেষ্ট করি, ইে অবস্থায় তিনি কী করতেন তা বের করার চেষ্টা করি। এটা আপনার কাছে শুনতে খারাপ লাগতে পারে, কিন্তু একথা সত্য যে, এটা আমাকে বিপদ হতে উদ্ধার করে এবং আমি সঠিক সমাধানে উপনীত হতে সক্ষম হই।”

    রুজভেল্টের পরিকল্পনা কেন পরীক্ষা করব না? আপনি যদি ভালো বক্তা হতে চান তাহলে কেন আপনি জানতে চেষ্টা করবেন না আপনার অবস্থায় পড়লে লিংকন কী করতেন? আপনি জানেন তিনি কী করতেন! সিনেটের নির্বাচনে সংস্কৃতিবান, মার্জিতরুচি স্টেপেন এ ডগলাসের কাছে পরাজিত হবার পর তিনি তাঁর অনুগামীদের উপদেশ দিয়েছিলেন, “একবার নয়, শতবার পরাজয়েও হতাশার কিছু নেই।”

    আমি কী আশা করতে পারি যে, হারবার্ডের খ্যাতনামা মনস্তত্ববিদ অধ্যাপক উইরিয়াম জেমস এর নিম্নবর্ণিত কথাগুলো মুখস্থ করা পর্যন্ত এই বইটি প্রতিদিন আপনার প্রাতরাশের টেবিলে খোলা থাকবে।

    কোনো তরুণের মনেই সে যে বিষয়েরই ছাত্র হোক না কেন, তার শিক্ষা সম্পর্কে কোনোরূপ দুশ্চিন্তা থাকা উচিৎ নয়। সে যদি তার লেখাপড়া নিয়ে প্রতিটি কাজের দিনে মনে প্রাণে ব্যস্ত থাকে সাফল্য তার নিশ্চিত। সে এ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারে যে, তার জীবনে ব্যর্থতা আসবে না এবং সে হবে না কলঙ্কিত। মনে এরূপ দৃঢ় আস্থার জন্যে অবশ্যই তাকে কাজের দিনের প্রতিটি ঘণ্টা মনে প্রাণে কাজ করতে হবে।

    অধ্যাপক জেমস এর এই বক্তব্য ব্যাখ্যা করে আমি এখন বলতে পারি যে, বক্তৃতা শেখায় আপনি যদি এই অভ্যাস দৃঢ়তা ও বিশ্বস্ততার সাথে অব্যাহত রাখেন, বুদ্ধিমত্তার সাথে বক্তৃতা চর্চা করেন, আপনি নিজ মনে দৃঢ় বিশ্বাস রাখতে পারেন যে, আপনি একদিন আপনার শহর অথবা সমাজের যোগ্য বক্তা হতে পারবেন।

    আপনার কাছে শুনতে যেরূপ লাগুক না কেন, সাধারণ নীতি হিসাবে এটা সত্য অবশ্য এতে ব্যতিক্রমও আছে। নিম্নমানের মানসিকতা ও ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন একজন লোক, যার কোনো বিষয়েই তেমন জ্ঞান নেই, যে ডানিয়েল ওয়েব্রেস্টারের মতো বক্তা হবেন, না হতে পারবেন? এ প্রসঙ্গে আমি বাস্তব উদাহরণ দিচ্ছি :

    নিউজার্সির প্রাক্তন গভর্নর স্টোককে ট্রেনটনে আয়োজিত একটি বক্তৃতা শিক্ষা কোর্সের সমাপ্তি ভোজে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেছিলেন যে, ঐ সন্ধ্যায় শিক্ষানবিশ ছাত্ররা যে বক্তৃতা করেছিলেন সে ধরনের বক্তৃতা তিনি ওয়াশিংটনে প্রতিনিধি সভা এবং সিনেটেই শুনছেন। কয়েক মাস আগে যে-সব ব্যবসায়ী শ্রোতা-ভীতিতে বোবা হয়ে যেতেন তারাই সেদিন বক্তৃতা করেছিলেন ট্রেনটনের ভোজে। তাদের মতো একই ধরনের ব্যবসায়ী আমেরিকার সকল শহরেই ছড়িয়ে রয়েছে। ব্যবসা জানলেও বক্তৃতা করা তাদের পক্ষে ছিল অকল্পনীয়, কিন্তু বক্তৃতা কোর্সে অংশ নিয়ে একদিন তাঁরা তাঁদের শহরে সক্ষম বক্তায় পরিণত হন।

    বক্তা হিসাবে আপনার সাফল্য অর্জন দুটি জিনিসের ওপর নির্ভর করছে। তা হচ্ছে আপনার ব্যক্তিগত যোগ্যতা এবং বক্তৃতা শেখায় আপনার আগ্রহ ও সে আগ্রহের গভীরতা। প্রায় সকল বিষয়ে বলেছেন অধ্যাপক জেমস, “আপনার আগ্রহ আপনাকে জয়ী করবে। সুফল লাভ আপনার লক্ষ্য হলে আপনি নিশ্চিত ভাবেই তা লাভ করবেন। আপনি ধনী হতে চাইলে ধনী হবেন। জ্ঞানী হতে চাইলে জ্ঞানী হবেন, ভালো হতে চাইলে ভালো হবেন। তবে আপনাকে অবশ্যই তা হতে চাইতে হবে এবং হবার ইচ্ছানুযায়ী কাজ করতে হবে, সাথে অন্য কোনো আকাক্ষা রেখে কাজ করলে চলবে না।” এবং অধ্যাপক জেমস সম গুরুত্বের সাথে সম্ভবত এটাও যোগ করতে পারেন, “আপনি যদি আত্মপ্রত্যয়ী সুবক্তা হতে চান তাহলে তা’হতে পারবেন,তবে আপনাকে অবশ্যই সে ইচ্ছা পোষণ করতে হবে।”

    আমি এরূপ হাজার-হাজার পুরুষ ও মহিলাকে জানি যারা সত্যিই আত্মবিশ্বাস অর্জন ও সুবক্তা হবার জন্য চেষ্টা করছেন। এদের মধ্যে সামান্য সংখ্যকই অত্যন্ত মেধাবী। অন্যান্যরা আপনার শহরের সাধারণ মানুষের মতো। তাদের মধ্যে যারা বেশি চটপটে তাদেরই আমি ব্যর্থ হতে দেখেছি বেশি। কারণ তারা টাকা বানানোর কথা বেশি চিন্তা করে? বক্তৃতা শেখায় অখণ্ড মনোযোগ দেয় না। কিন্তু সাধারণদের মধ্যে যারা অখণ্ড মনোযোগ দিয়ে চেষ্টা করে তারাই সাফল্য লাভ করে এবং তাদের স্থান হয় সকলের শীর্ষে।

    তাই প্রকৃতগত এবং মানবিক, বাণিজ্য ও পেশার ক্ষেত্রেও কী আপনি সব সময় একই রূপ ঘটনা ঘটতে দেখেন না। রকফেলার বলেছিলেন যে, ব্যবসায়ে সাফল্য লাভের চাবিকাঠি হচ্ছে ধৈর্য। বক্তৃতা শেখার বেলাও এটি প্রথম প্রয়োজন।

    মার্শাল ভচ বিশ্বের সর্ববৃহত্তম বাহিনীর বিরুদ্ধে জয়লাভ করে বলেছিলেন, এই সাফল্যের কারণ হচ্ছে হতাশ না হওয়া।

    ১৯২৪ সালে ফ্রান্স যখন মার্নিতে পশ্চাদপসরণে বাধ্য হয় তখন দু’লক্ষ সৈন্যের অধিনায়ক জেনারেল জোফরি তার অধীন জেনারেলদের প্রতি পশ্চাদপসরণ বন্ধ করে তীব্র আক্রমণ শুরু করার নির্দেশ দেন। এর পর দুদিন স্থায়ী যে যুদ্ধ হয় তা বিশ্ব ইতিহাসে একটি স্মরণীয় ঘটনা। এই নির্দেশের পর জেনারেল ফচ জেনারেল জোফরিকে একটি বাণীতে জানান, “আমার কেন্দ্রের সৈনিকেরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমার ভাগে শত্রু নেই। অবস্থা অত্যন্ত অনুকুল। সুতরাং আমি আক্রমণ পরিচালনা করছি।”

    এই আক্রমণের ফলেই ফ্রান্স রক্ষা পায়।

    সুতরাং যুদ্ধ তখন তীব্র আকার ধারণ করে, পরাজয় যখন প্রায় নিশ্চিত হয়ে উঠে তখন নিজেকে বাঁচাতে হলে শত্রুতে তীব্রতর বেগে আক্রমণ-করতে হবে। প্রতিরোধ নয়, আক্রমণাত্মক যুদ্ধ করতে হবে তাহলে নিজেকে রক্ষা করা, জয়লাভ করা সম্ভব।

    ওয়াইলড কায়জার শৃঙ্গে আরোহণ :

    কয়েক বৎসর আগের কথা, আমি অস্ট্রিস আল্পস পর্বতের ওয়াইল্ড কায়জার শৃঙ্গে আরোহণের চেষ্টা করি? বেডেকার বলেন যে, এটাতে আরোহণ অত্যন্ত কষ্টসাধ্য এবং শৌখিন আরোহণকারীর জন্য পথপ্রদর্শক প্রয়োজন। আমি ও আমার বন্ধু, আমার দুজন নিশ্চিতভাবেই শৌখিন আরোহণকারী এবং আমাদের কোনো পথপ্রদর্শকও ছিল না। তাই তৃতীয় দল আমাদের প্রশ্ন করে, আমরা সাফল্যলাভ করব বলে চিন্তা করি কী না।

    ‘নিশ্চয়ই’ আমরা উত্তর দেই।

    “কী কারণে আপনারা এরূপ চিন্তা করেন?” তিনি জানতে চান। ”অন্যেরা কোনোরূপ পথ প্রদর্শক ছাড়া সফল হয়েছেন? আমি বলি, সুতরাং আমাদের সফল না হবার কোনো কারণ নেই এবং আমি কখনো পরাজিত হবার কথা চিন্তা করি না।”

    আলফাইনা আরোহী হিসাবে আমি সম্পূর্ণ নবিশ কিন্তু আমার ছিল মানসিক প্রস্তুতি। আমি নিশ্চিত ছিলাম সাফল্য সম্পর্কে। সুতরাং বক্তৃতা শেখার সাফল্য অর্জনে এরূপ মানসিক প্রস্তুতি এবং মনোবল থাকলে এভারেস্ট আরোহণে সাফল্য অর্জনের মতো এ ও সহজ সাধ্য।

    সাফল্যের কথা চিন্তা করুন। যথাযথ আত্মনিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে আপনি জনসভায় বক্তৃতা করছেন বলে চিন্তা করুন।

    এটা সম্পূর্ণরূপে আপনার শক্তির মধ্যে। সাফল্য সম্পর্কে মনে-মনে বিশ্বাস বা আত্মবিশ্বাস পোষণ করুন। এটা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে বিজয়লাভের জন্যে বা প্রয়োজনে ঠিক সেভাবে কাজ করুন।

    এডমিরাল ডুপান্ট কেন তাঁর গানবোর্ট চার্লেনটন পোতাশ্রয়ে ভেড়ান নি তার পক্ষে আধাডজন গুরুত্বপূর্ণ যুক্তি দেখিয়েছেন। এডমিরাল ফারাগুট গভীর মনোযোগ দিযে তা শোনেন। কিন্তু আরো একটি কারণ ছিল, তা আপনি উল্লেখ করেন নি? শোনার পর তিনি উত্তর দেন।

    ‘ওটা কি?’ এডমিরাল ডুপান্ট প্রশ্ন করেন। উত্তর আসে, আপনি তা করতে পারতেন সে বিশ্বাস আপনার ছিল না।

    সাধারণ ভাষণ কোর্সে অংশ গ্রহণকারীরা সবাই যে মূল্যবান জিনিসটি প্রশিক্ষণকালে লাভ করেন তা হচ্ছে নিজেদের উপর আস্থা বৃদ্ধি, আত্মবিশ্বাস অর্জন। এবং যে কোনো ভাষায় যে কোনো ক্ষেত্রে সাফল্যের জন্য এটি বিশেষ প্রয়োজন।

    বিজয় লাভের ইচ্ছা :

    এ ক্ষেত্রে আমি প্রয়াত এলবার্ট এর একটি বিজ্ঞ উপদেশ উল্লেখ করার লোভ সংবরণ করতে পারছি না। সাধারণ মানুষ, নারী বা পুরুষ যদি তাদের নিজস্ব জ্ঞান সঠিকভাবে কাজে লাগান তা হলে সুখ ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত।

    যখনি আপনি ঘর হতে বের হবেন তখন মনে-মনে গ্লানি রাখবেন না, দৃঢ় পদক্ষেপে চলবেন, বুক ফুলিয়ে হাঁটবেন, কোনো বন্ধুর দেখা পেলে তার সাথে হাসিমুখে কথা বলবেন। কোথাও কোনো কারণে ভীত হবেন না, কাকেও শত্রু মনে করে চিন্তায় সময় নষ্ট করবেন না। আপনি কী করতে চান তা মনে মনে ঠিক করে নেবার চেষ্টা করুন এবং অতঃপর সেই স্থির লক্ষ্য সামনে রেখে এগিয়ে চলুন। যে কাজটি আপনি চান তার উপর আপনার মন স্থির রাখুন, তাহলে আপনি দেখতে পাবেন যে, আপনি নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে গেছেন, আপনি সাফল্য লাভ করেছেন। সময় ও স্রোত আপনার লক্ষ্য অর্জনে বাধা হয় নি, আপনি যা হতে চান তা কল্পনা করুন, কোনো একজনকে তা হবার আদর্শ হিসাবে কল্পনা করুন, মনে মনে তার ছবি এঁকে নিন। অতঃপর সফলতার লক্ষ্য সামনে রেখে কাজ করুন, সাফল্য আসবে। চিন্তা হচ্ছে বড় শক্তি। দৃঢ় মনোবল নিয়ে অটুট বিশ্বাস নিয়ে আপনার বিষয়টি চিন্তা করুন। এই চিন্তা আপনার মনকে করে তুলবে সৃজনশীল। ইচ্ছানুযায়ী কর্ম হয় এবং সব কর্মেরই ফলোদয় হয়। আমাদের মন যেরূপ আমরাও হই ঠিক সেরূপ। নিজের চিন্তা নিয়ে লক্ষ্য স্থির করে মাথা উঁচু করে চলুন। সাফল্য আসবেই।

    নেপোলিয়ন, ওয়েলিংটন, রী, গ্রান্ট, ফোচ–সকল বিখ্যাত সামরিক নেতা স্বীকার করেছেন যে একটি সামরিক বাহিনীর বিজয় অর্জনের ইচ্ছা এবং বিজয় অর্জনের যোগ্যতা সম্পর্কে তার আস্থা বিজয় নিশ্চিত করে।

    “নব্বই হাজার বিজিত ব্যক্তি” বলেছেন মার্শাল ফোচ, “নব্বই হাজার বিজয়ী ব্যক্তির আগেই ঝিমিয়ে পড়েন। কেননা, তারা বিজয় লাভ সম্পর্কে হতাশ হন। এই হতাশা তাদের নৈতিক অথঃপতন ঘটায় এবং পরিশেষে তারা পরাজয় বরণ করতে বাধ্য হয়। প্রতিরোধ করতে পারে না ঠেকাতে পারে না।”

    অন্যথায়, পরাজিত নব্বই হাজার লোকের সকলেই বেত্রাঘাত প্রাপ্ত নয়। কিন্তু তারা মানসিক ভাবে বেত্রাঘাত প্রাপ্ত, তারা আত্মবিশ্বাস ও সাহস হারা, তাই হয় তারা পরাজিত। আত্মবিশ্বাস ও সাহস হারা বাহিনীর বিজয়ের কোনো পথ নেই। এ ধরনের কোনো মানুষেরও সাফল্যের কোনো আশা নেই।

    মার্কিন নৌবাহিনীর প্রাক্তন যাজক ফোজিয়ার প্রথম মহাযুদ্ধ কালে নৌবাহিনীতে যাজক হতে ইচ্ছুক বহু বক্তির সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছিলেন। নৌ-বাহিনীর যাজকের সাফল্যের জন্যে কী কী গুণ থাকা প্রয়োজন মর্মে প্রশ্ন করা হলে তিনি উত্তর দেন –চারটা জি। সেগুলো হচ্ছে গ্রেস, গ্রুমসান, গ্লিট ও গুর্টস অর্থাৎ দয়া, সাধারণ বুদ্ধি, চরিত্রের দৃঢ়তা ও সহন শক্তি।

    বক্তৃতায় সাফল্যের জন্যেও এগুলো প্রয়োজন। এগুলোকে আপনার আদর্শ হিসাবে গ্রহণ করুন। রবার্টের নিম্নপদ্যটিকে আপনারা সমর-সঙ্গীত রূপে গ্রহণ করুন।

    আপনি যখন হারিয়ে যাবেন বনে
    হবেন ভয়ে শিশুর মতো শংকিত–
    চোখে মৃত্যুর ছায়া দেখে হবেন আতঙ্কিত
    হবেন মর্ম যাতনায় দগ্ধ, নয় বা আকাঙ্ক্ষিত।
    হতাশ হৃদয়ে বেষ্টিত হবেন আত্মহত্যায় —
    কিন্তু মানব জীবনের নিয়ম–সগ্রাম সর্ব অবস্থায়;
    আত্মবিশ্বাস নিষিদ্ধ, বেআইনী কাজ হয়ে —
    ক্ষুধা এবং যন্ত্রণা, অবশ্যই সহ্য করা যায়,
    প্রাতভোজে শক্ত রুটি। কী নিরূপায়। অসহায়,
    খেলায় আপনি অনাসক্ত। কী লজ্জার বিষয়–
    তরুণ, সাহসী উজ্জ্বলের তরে এমন হবার নয়।
    আপনার মনোভাবে স্থিতি নেই এটা প্রকাশ না হয়,
    উঠুন, আগুন, লড়ে যান সদা। অনন্ত হৃদয়–
    অতঃপর হবে আপনার বিজয়।
    হবেন না যন্ত্র হবেন না পশু, কোনোভাবে।
    নিজের পায়ে দাঁড়ান, জয় আপনারই হবে।
    মার খেয়ে কাদা, মৃত্যু, সে তো সহজ কাজ বড়–
    বাগদা চিংড়ির মতো হামা দেয়া, জড় সড়।
    কিন্তু হৃদয়ে হতাশা নয়, সংগ্রাম আর সংগ্রাম
    বিজয়ের তরে চালাতেই হবে এই প্রোগ্রাম।
    সকল ক্ষেত্রেই হবে তবে জয়–
    ঝড় ঝঞ্ঝার নিশ্চিত হবে লয়।
    মৃত্যুর আগে মরা সে তো অনেক সহজ কাজ–
    বাঁচার মতো বেঁচে থাকাই তো ফরজ আজ।

    সংক্ষিপ্ত সার :

    (১) আস্তে-আস্তে বা ধাপে-ধাপে আমরা কোনো কিছু শিখি না, তা যে গলফ খেলা, ফরাসি ভাষা শেখা, বক্তৃতা শেখা যাই হোক। হঠাৎ শুরু করে এক ধাক্কায় আমরা এগিয়ে যাই। অতঃপর আমরা স্থির হয়ে বসি অথবা পিছিয়ে পড়ি এবং কখনো বা শেখা কোনো কিছু ভুলে যাই, বিস্মৃত হই। মনোবিজ্ঞানীরা এই স্থিতিকালকে বলেন, শিক্ষার বক্র অধিত্যকা। আমরা কঠোর পরিশ্রম করেও এই ‘অধিত্যকা’ হতে বের হয়ে আসতে পারি না, কখনো বা এগুতে পারলেও আবার পিছিয়ে পড়ি। কিছু লোক, আমাদের অগ্রগতির পদ্ধতি বুঝতে না পেরে অধিত্যকায় পড়ে হতাশ হয়ে চেষ্টা ছেড়ে দেন। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক, তারা যদি চেষ্টা অব্যাহত রাখতেন, অভ্যাস করতেন সতত, তা হলে তারা একদিন দেখতে পেতেন, হঠাৎ তারা বিমানের চাইতেও দ্রুত গতিতে বেরিয়ে আসছেন, রাতারাতি অকল্পনীয় অগ্রগতি ও সাফল্য লাভ করেছেন।

    (২) বক্তৃতা শুরু করার প্রারম্ভে আপনি কখনো স্নায়বিক দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে পারেন না। কিন্তু আপনি যদি ধৈর্যশীল হন তাহলে শীঘ্রই আপনি প্রাথমিক ভয় ছাড়া সবকিছু কাটিয়ে উঠতে পারবেন এবং কয়েক মিনিট বক্তৃতা করার পর আপনার ভয় দূরীভূত হবে।

    (৩) অধ্যাকি জেনম বলেছেন যে, কারো তার শিক্ষা সম্পর্কে কোনোরূপ উৎকণ্ঠা রাখা উচিৎ নয় এবং সত্যি যদি যে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করে একদিন যে তার সামসাময়িকদের মধ্যে দক্ষ ব্যক্তি হয়ে উঠবে, ক্ষেত্র বা বিষয় তার যাই হোক না কেন। এর মনস্তাত্ত্বিক সত্য আপনার ওপর এবং আপনার বক্তৃতা শেখার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করুন। আপনার সাফল্য আসবে প্রশ্নাতীত ভাবে। এভাবে যে লোক সফল হয় সে মাত্রাতিরিক্ত মেধার অধিকারী নয়, সাধারণ ধিশক্তিসম্পন্ন। ধৈর্যও দৃঢ় প্রত্যয়ই জয়ের কারণ দৃঢ়তার সাথে চেষ্টা করে সফল হন।

    (৪) জনসভায় বক্তৃতা করে সাফল্যলাভের চিন্তা করুন। এই চিন্তা মনে থাকলে সাফল্য অর্জনের জন্যে যা করা প্রয়োজন তা আপনি করতে পারবেন।

    (৫) আপনি যদি হতাশ হয়ে পড়েন তাহলে টেডি রুজভেল্টের পরিকল্পনা অনুসরণে লিংকনের ছবির দিকে তাকান এবং নিজেকে প্রশ্ন করুন, আপনার মতো অবস্থায় পড়লে তিনি কী করতেন।

    (৬) প্রথম বিশ্বযুদ্ধকালে মার্কিন নৌবাহিনীর জনৈক পদস্থ যাজক, যাজকের সাফল্যের কথায় বলেছেন চারটি শব্দ, চারটি জি, সেগুলো কী?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্ত্রী যখন বান্ধবী – ডেল কার্নেগি
    Next Article প্রতিপত্তি ও বন্ধুলাভ – ডেল কার্নেগি

    Related Articles

    ডেল কার্নেগি

    সুখীজীবন ও কাজের সন্ধানে – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    ব্যক্তিত্ব বিকাশ ও সাফল্যের সহজ পথ – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    বিক্রয় ও জনসংযোগ প্রতিনিধি হবেন কীভাবে – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    প্রতিপত্তি ও বন্ধুলাভ – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    স্ত্রী যখন বান্ধবী – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    বরণীয় যারা স্মরণীয় যারা – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }