Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বক্তৃতা শিখবেন কীভাবে – ডেল কার্নেগি

    ডেল কার্নেগি এক পাতা গল্প236 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৮. কীভাবে বক্তৃতা শুরু করবেন

    ০৮. কীভাবে বক্তৃতা শুরু করবেন

    আমি একদা নর্থওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রেসিডেন্টকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, “বক্তা হিসাবে আপনার দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতা আছে। সুতরাং বলুন, বক্তৃতার সফলতা অর্জনের মূল রহস্য কী?” এক মিনিট নীরব থেকে তিনি উত্তর দিলেন, আকর্ষণীয় ভাষায় বক্তৃতা শুরু, যা শ্রোতাদের দৃষ্টি এবং মনকে টেনে আনে। তিনি বক্তৃতা প্রস্তুতিতে বক্তৃতা শুরু এবং শেষের বাক্য ও শব্দ এমনভাবে চয়ন করতেন যা হত অত্যন্ত আকর্ষণীয়। জন ব্রাইট একই পদ্ধতি অনুসরণ করতেন। একই পদ্ধতি অনুসরণ করতেন গ্লাডস্টোন, ওয়েবেস্টার, লিংকন। বস্তুত পক্ষে সকল জ্ঞানী বক্তাই এই পদ্ধতি অনুসরণ করেন।

    কিন্তু নবিশ বক্তারাও কি এই পদ্ধতি অনুসরণ করেন? অবশ্যই না। পরিকল্পনার সময় প্রয়োজন, চিন্তা প্রয়োজন, ইচ্ছা শক্তি প্রয়োজন। মস্তিষ্ক সঞ্চালন একটি বেদনাদায়ক কাজ। এই বিষয়ে টমাস এডিসন তার কারখানার দেয়ালে স্যার জসুয়া রেমন্ডের নিম্নবর্ণিত উদ্ধৃতিটি খোদিত করে রেখেছেন।

    এমন কৌশল নেই যাতে মানুষ শ্ৰম হতে মুক্ত থাকতে পারে এবং চিন্তা করাটা হচ্ছে আরো কঠিন শ্রম।

    চিন্তার শ্রম হচ্ছে মৃত্তিকা গহ্বর,
    চড়াই উতরাই পেরোনো যায় তরতর।

    লর্ড নর্থ ক্লিক, যিনি সংবাদ পত্রের সাপ্তাহিক বেতনভূক্ত কর্মচারী হতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সবচাইতে ধনী ও প্রভাবশালী পত্রিকা মালিক হয়েছিলেন, তিনি বলেছেন যে, মাত্র পাঁচটি শব্দ তার জীবনে প্রভাব বিস্তার করে পরিবর্তন এনেছে সে শব্দগুলো হচ্ছে :

    ভবিষ্যতের কথা আগে হতে জেনে ফেলা। আপনার বক্তৃতা প্রস্তুতিকালে এটিও একটি উল্লেখযোগ্য আদর্শ হতে পারে। আপনি কীভাবে বক্তৃতা শুরু করবেন তা আগে থেকেই কল্পনার মাধ্যমে জেনে নিন। বুঝে নিন সুস্পষ্টভাবে আপনার বক্তৃতার কী ফল হবে অর্থাৎ আপনি কিরূপ প্রভাব বিস্তার করতে পারবেন শ্রোতাদের ওপর।

    অ্যারিস্টটলের যুগ হতেই এই বিষয়ে লিখিত বইতে তিনটি ভাগ আছে, তা হচ্ছে, সূচনা-, মুল বক্তব্য এবং উপসংহার। এখনো এই পদ্ধতি অনুসৃত হচ্ছে। ভূমিকা দিয়ে বক্তা মূল বক্তব্য প্রকাশ করে শ্রোতাদের জানাচ্ছেন তিনি কী বলতে চান, এটা দ্বারা শ্রোতারা বিষয়টি কী উপলব্ধি করেছেন এবং বক্তা এটি দিয়ে তাদের মনে আনন্দও দিচ্ছেন। শত বছর আগে বক্তার দ্বারা যা হত আজ সংবাদপত্র, ম্যাগাজিন; বেতার, টেলিভিশন, টেলিফোন ও মুভিথিয়েটার তাই করছে।

    তবে অবস্থার সাংঘাতিক পরিবর্তন হয়েছে, বিশ্বে বিশেষ অগ্রগতি এসেছে, গত একশত বছরে আবিষ্কারের ফলে। মানুষ জীবন্ত বেলসেজার এবং নেবুসেডনেজার আমল হতে বহুগুণ সুসভ্য হয়ে পড়েছে। এই একশত বছরের মধ্যেই আমরা স্বয়ংক্রিয় গাড়ি, উড়োজাহাজ, বেতার, টেলিভিশন পেয়েছি। সুতরাং আজকের বক্তাকেও সময়ের দ্রুত তালের সাথে পদ্ধতি রক্ষা করে চলতে হচ্ছে। সুতরাং আপনি যদি বক্তৃতার সূচনা বা ভূমিকা রাখতে চান তা হলে তা অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত ভাবে দেয়ার চেষ্টা করুন। এটা হচ্ছে আজকের যুগের সকল শ্রোতার কাম্য। আপনি কি কিছু বলতে চান? ঠিক আছে, সংক্ষিপ্ত ভাবে তা বলুন। দীর্ঘ বক্তৃতার দরকার নেই। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো বলে শেষ করুন।

    ডুবো জাহাজের অংশ গ্রহণ সম্পর্কে কংগ্রেসে বক্তৃতা কালে উড্রো উইলসন মাত্র একুশটি শব্দ প্রয়োগ করে শ্রোতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। তিনি শুরু করেছিলেন, দেশের বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বর্তমানে এমন একটি অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে যার কথা আপনাদের সামনে তুলে ধরা আমার জন্য কর্তব্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    নিউইয়র্কের প্যান সিলভানিয়া সমিতিতে বক্তৃতা কালে চার্লস স্কোয়ার দ্বিতীয় বাক্যেই মূল বিষয়ে প্রবেশ করেন :

    মর্কিন নাগরিকদের আজকের মূল প্রশ্ন হচ্ছে : ব্যবসায়ে বর্তমান মন্দার অর্থ এবং এর ভবিষ্যৎ কী? ব্যক্তিগতভাবে আমি অবশ্য আশাবাদী।

    ন্যাশনাল ক্যাশ রেজিস্টার কোম্পানির সেলসম্যানেজার এভাবেই তার লোকদের সামনে বক্তৃতা শুরু করেছিলেন, মাত্র তিনটি বাক্যে বক্তৃতার ভূমিকা দিয়েছিলেন এবং বাক্যগুলো ছিল অত্যন্ত সহজ, ফলে শ্রোতাদের বোধগম্য হয়েছিল। উৎসাহব্যঞ্জক বাক্যগুলো ছিল :

    আপনারা যারা কোম্পানির পণ্য বিক্রির অর্ডার সংগ্রহ করেন কারখানায় চিমনিতে ধূম্র অব্যাহত রাখা তাদের উপরই নির্ভর করছে। বিগত দুই গ্রীষ্মে অন্ধকারাচ্ছন্ন করে তোলার মতো প্রচুর নয়। এখন দুর্দিন কেটে গেছে এবং ব্যবসা পুনরারম্ভের সময় এসেছে বিধায় আমি আপনাদের জানাচ্ছি, যে, চিমনিতে আমরা অধিক পরিমাণ ধূম্র চাই।

    কিন্তু অনভিজ্ঞ বক্তারা কী শুরুতে এরূপ সাফল্য অর্জন করতে পারেন? প্রশিক্ষণ হীন ও আদর্শ হীন বক্তাদের অধিকাংশই এমনভাবে বক্তৃতা শুরু করেন যে কোনো ক্রমেই ভালো পদ্ধতি বলে বিবেচিত হয় না। এখানে আমরা সে সম্পর্কে আলোচনা করব।

    নবিশদের অনেকেই বক্তা হিসাবে নিজেরা হাস্যাস্পদ হবেন বলে ধারণা করেন, এটা দুঃখজনক। নবিশ একজন জ্ঞানী হলেও এবং তাঁর জ্ঞানের সীমা সশ্রদ্ধ ভয় উৎপাদক হলেও বক্তা হিসাবে নবিশ বিধায় মঞ্চে বক্তৃতা করতে দাঁড়িয়ে মনে করেন, ধরে নেন অথবা তার মনে এরূপ ভাবের উদ্রেক হয় যে, মার্কটোয়েন যেন তার কাঁধে ভর করেছেন। সুতরাং তিনি কৌতুকপূর্ণ গল্প দিয়ে তাঁর বক্তব্য শুরু করেন, ভোজসভা হলে এরূপ গল্প বলা শ্রোতাদের তেমন অভিভূত করে না। অর্থাৎ তাঁর বক্তব্য হয়ে পড়ে শোনা কথা, তাই এই বক্তব্য শ্রোতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে না। ফলপ্রসু হয় না।

    একজন বিনোদনকারী যদি শ্রোতাদের সমক্ষে এরূপ বক্তব্য পেশ করেন, যে বক্তব্য শোনার জন্য শ্রোতারা টিকিট নিয়েছেন, সেরূপ ক্ষেত্রে শ্রোতারা হই চই করেন, শ্লোগান দেন। তবে সাধারণ শ্রোতারা বক্তার প্রতি থাকেন সহনশীল, সহানুভূতিশীল। সুতরাং বক্তার মনেও এরূপ চিন্তা রাখা উচিত, যেভাবেই হোক না কেন, শ্রোতাদের সন্তোষ বিধান করতে হবে। এরূপ চিন্তা মনে থাকলে বক্তা ব্যর্থ হন না। এরূপ চিন্তা মনে থাকলে খারাপ বক্তৃতার জন্যে বক্তা নিজেও অস্বস্তি অনুভব করেন। এরূপ ঘটনা কী আপনি কখানো অবলোকন করেন নি?

    বক্তৃতা প্রদানের সবচাইতে কঠিন বিষয় হচ্ছে শ্রোতাদের হাসানো। কৌতুককর বক্তৃতা দিয়ে কী শ্রোতাদের হাসানো যায়? এটা নির্ভর করে বক্তার নিজস্ব ব্যক্তিত্বের উপর।

    লিংকন ও জব হেজের বক্তৃতা মালা অধ্যয়ন করলে আপনি এটা জেনে আশ্চর্য হবেন যে, কতিপয় ক্ষেত্রে কৌতুকপূর্ণ গল্প দিয়ে শুরু করে সফল হয়ে ছিলেন। এডউইন জেমস ক্যাটল আমাকে বলেছেন যে, শোতাদের হাসানোর উদ্দেশ্যে তিনি কখনো কৌতুকপূর্ণ গল্প বলতেন না। তার গল্প হত বিষয়ের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ এবং কোনো বিশেষ পয়েন্ট সহজ করে বোঝাবার জন্যই তিনি গল্পের অবতারণা করতেন। গল্প বলতেন তিনি কেক তৈরির মশল্লা হিসাবে; অর্থাৎ তার কৌতুক হত কেকের মশল্লা, কেক নয়।

    যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় রসিক বক্তা স্ট্রিকল্যান্ড গিলিল্যান, বক্তৃতার শুরুতে প্রথম তিনি মিষ্টি গল্পের অবতারণা করতেন না। এটা তিনি নিয়ম হিসাবে অনুসরণ করতেন। অতঃপর তিনি যখন উপলব্ধি করতেন গল্প বলা প্রয়োজন তখনই গল্প বলতেন।

    এর ফলে তার বক্তব্য হত গুরুগম্ভীর, অর্থবহ ও উদ্দীপনাময়। যে কোনো বক্তৃতায় স্থানীয় কিছু সমস্যার উদ্ধৃতি দেয়া গেলে, অন্য কোনো বক্তার কোনো বক্তব্যের বিশ্লেষণ করা গেলে তা হয় অধিকতর আকর্ষণীয়। বেমানান কিছুকে অতিরঞ্জিত করবেন না। স্মরণ রাখবেন যে, রসিকতার চাইতে কৌতুক অনেক বেশি মূল্যবান।

    নিজের সম্পর্কে রসিকাতা দিয়ে শুরু করা সবচাইতে সহজ পথ। মনে করুন যে, আপনি একটি অস্বস্তিকর পরিবেশে পড়েছেন তা হলে আপনি কীভাবে কৌতুক করবেন? কেহ পা ভেঙে ফেললে এস্কিমোরা হাসে। ভবনের দ্বিতলের জানালা দিয়ে পড়ে কোনো কুকুর মরলেও চীনারা হাসে, মুখ টিপে হাসে। আমরা কিন্তু অত সহজে হাসি না, কিন্তু বাতাস কারো মাথায় টুপি উড়িয়ে নিলে অথবা কলার চামড়ায় পা পিছলে কেহ পড়ে গেলেও কি আমরা হাসি না।

    যে কোনো বক্তাই অদ্ভুত কথা বলে শ্রোতাদের হাসাতে পারেন। যদি বলা হয়, একজন সংবাদ দাতা, “শিশুদের ঘৃণা করুন, ঘৃণা করেন ডেমোক্রেটদের।” এই বক্তব্য সংগতিহীন বিধায় শ্রোতারা হাসেন।

    রুডিয়ার্ড কিপলিং ইংল্যান্ডে তার প্রথম রাজনৈতিক বক্তৃতা কীভাবে শুরু করেছিলেন তা স্মরণ করুন। তিনি তার শুরুতে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা ঠিক এভাবে বলেছিলেন :

    মাননীয় মহাশয়, ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ। তরুণ বয়সে ভারতে অবস্থান কালে আমি বিভিন্ন সংবাদপত্রে অপরাধ সংক্রান্ত প্রতিবেদন পাঠাতাম। এটা আত্যন্ত আকর্ষণীয় কাজ। কেননা এটা আমাকে প্রতারক ও আত্মসাৎকারী, হত্যাকারী ও লুটেরাদের সাথে পরিচিত করে তুলেছিল, কখনো কখনো সংবাদপত্রে তাদের বিচারের খবর প্রকাশের পর আমি জেলে শাস্তি ভোগরত এসব ব্যক্তিদের সাথে দেখা করতে যেতাম। একজনের কথা আমি বিশেষ ভাবে স্মরণ করি, যাকে হত্যার অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছিল! সে ছিল অত্যন্ত চালাক বিনয়ী ও সুবক্তা। তার জীবন কাহিনী সে আমাকে বলেছে। সে বলেছে, সংসারে চলার পথে মানুষ যখন বক্রপথ দেখে, যখন দেখে বাধা, তখন সে তার নিজ চলার পথকে সুগম করার জন্যে পথের বাধকে বাধ্য হয়ে অপসারিত করে এবং এভাবে বাধা অপসারণ করেই সে তার লক্ষ্য পথে এগিয়ে যায়। আমাদের মন্ত্রীসভার অবস্থাও বর্তমানে ঠিক অনুরূপ। তার এই বক্তব্যে সভায় ছিল হাসির রোল পড়ে।

    মেট্রোপলিটান জীবন বীমা কোম্পানির তত্বাবধায়কদের বার্ষিক ভোজ সভায় উইলিয়াম হারবার্ড টাপ্টও ঠিক এরূপভাবে হাস্য কৌতুক করতেন? একই সময়ে হাস্যকৌতুকের মাধ্যমে তিনি তার শ্রোতাদের কাজে প্রশংসাও করতেন। তিনি বলতেন, “এভাবে,

    মি. প্রেসিডেন্ট এবং মেট্রোপলিটান জীবন বীমা কোম্পানির ভদ্রমহোদয়গণ :

    নয়মাস আগে আমার বাড়িতে জনৈক ভদ্রলোকদের নৈশভোজ-বক্তৃতা শোনার পর আমি বের হয়েছি এবং এখানো বাড়ির বাইরে আছি। ভোজপর্ব শেষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের বক্তৃতার সুবোধ শ্রোতা হচ্ছেন তারাই যারা বুদ্ধিমান এবং সুশিক্ষিত কিন্তু অধোমদোন্মত্ত। (হাসি এবং করতালি) আজ আমি বলছি যে, আজকের শ্রোতারাও ঠিক সেরূপ অর্ধোন্মাদ এবং আমি আর কখনো এরূপ শ্রোতা পাই নি! আমাকে আজ একথা বলতে হচ্ছে যে, (শ্রোতাদের দেখে) মেট্রোপলিটান জীবন বীমা কোম্পানির এই শ্রোতারা আজ এই আসরে তাদের প্রকৃত স্বরূপ (অর্ধোমদোন্মত্ত) নিয়ে উপস্থিত হয়েছেন (হাসি এবং দীর্ঘস্থায়ী করতালি)।

    ক্ষমার মাধ্যমে শুরু করা হচ্ছে মারাত্মক ভুল পদ্ধতি। যদি বক্তা বলেন, আমি বক্তা নই। -বক্তৃতার জন্যে আমার প্রস্তুতি নেই।-আমার কিছু বলবার নেই।–

    এটা ভুল পদ্ধতি। এটা করবেন না। কিপলিং তার একটি কবিতার প্রথম লাইনে লিখেছিলেন, এগিয়ে যাবার আর কোনো অর্থ হয় না। কোনো বক্তা ঠিক এভাবে শুরু করলে শ্রোতারা হয় বিপদগ্রস্ত!

    যাই হোক, আপনার যদি প্রস্তুতি না থাকে, আমাদের মধ্যে কেহ তা বুঝতে পারবে আপনার সাহায্য ছাড়াই। অন্যরা বুঝবে না। যারা বুঝবে না তাদের কেন দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন? কেন প্রস্তুতি গ্রহণ করেন। নি, চিন্তা করেন নি বলে আপনার শ্রোতাদের অপমানিত করবেন? না, না আমরা আপনার ক্ষমা প্রার্থনার কথা শুনতে চাই না। আমরা সমবেত হয়েছি জানতে ও শুনতে। সুতরাং আমাদের জানানো, শোনানো আপনার কর্তব্য একথা স্মরণ রাখবেন।

    যে মুহূর্তেই আপনি মঞ্চে দাঁড়াবেন সেই মুহূর্তেই স্বাভাবিক নিয়মে এবং অবশ্যম্ভাবীরূপে শ্রোতাদের দৃষ্টি আপনার উপর পড়বে। প্রথম পাঁচ সেকেন্ডের মধ্যে দৃষ্টি না পড়লেও মিনিটের মধ্যে পড়তে বাধ্য একবার যদি আপনি এই আকর্ষণ ফিরিয়ে দেন, তবে তা পুনরুদ্ধার করা অত্যন্ত কঠিন। সুতরাং আপনার প্রথম বাক্যটি আকর্ষণীয় কিছু দিয়ে শুরু করুন। দ্বিতীয় বাক্য নয় তৃতীয় বাক্যও নয়। প্রথম। প্রথম এবং প্রথম বাক্য আকর্ষণীয় করুন।

    কীভাবে? আপনি প্রশ্ন করতে পারেন। এর জন্যে কষ্ট করতে হবে, তা আমি স্বীকার করি। এবং বক্তব্যকে যুক্তিপূর্ণ ও অর্থবহ করতে হলে, আপনার বক্তব্যকে সময় উপযোগী করতে হলে, বেছে নেয়া বিষয়টিকে সুললিত ও সাবলীল করতে অবশ্যই পরিশ্রম করতে হবে। পরিশ্রম করলে শ্রোতারা কী চায় তাও স্মরণ রাখতে হবে। পরের দিকের আলোচনা এইরূপ বক্তৃতা প্রস্তুতির সহায়ক হবে বলে আমরা মনে করি।

    কৌতূহল সৃষ্টি করুন :

    ফিলাডেলফিয়ার প্যান আটলান্টিক ক্লাবে মি. হাওয়েল হীলি প্রদত্ত একটি বক্তৃতার ভূমিকার এখানে দেয়া হচ্ছে। দেখুন আপনার এটা পছন্দ হয় কি? এটা আপনার আগ্রহ সৃষ্টি করে কি?

    বিরাশি বছর আগে, বছরের ঠিক এমনি সময়ে লন্ডনে একটি ছোট বই প্রকাশিত হয়, গল্পটি বিশ্বে অমর হয়ে আছে। অনেকে এটাকে বিশ্বের সবচাইতে ক্ষুদ্রতম বই বলে অভিহিত করেন। এটা প্রথম প্রকাশিত হলে রাস্তায় অথবা পলমল-এ এক বন্ধুর সাথে আর বন্ধুর দেখা হলে একে অপরকে প্রশ্ন করতেন, “তুমি এটি পড়েছে কি? প্রায়ই উত্তর আসতো, হাঁ, ভগবান তাকে দীর্ঘজীবী করুন, আমি পড়েছি।“

    প্রকাশের প্রথম দিনেই এই বইটির হাজার কপি বিক্রি হয়। একপক্ষ কালের মধ্যে বিক্রি হয় পনোরো হাজার কপি। অতঃপর বিশ্বের সকল ভাষায় অসংখ্য সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে বইটির। কয়েক বছর আগে মি. জে. পি. মারগান বহুমূল্যে বইটির পাণ্ডুলিপি কিনেছেন এটা এখন তাঁর নিউইয়র্কস্থ আর্টগ্যালারিতে, যাকে তিনি বলেন লাইব্রেরি তাতে আছে অন্যান্য অমূল্য সম্পদের সাথে।

    বিশ্ব বিখ্যাত এই বইটি কী? বইটি হচ্ছে ডিকেন্স এর বড়দিনের ভজন গান। এটাকে কী আপনি সফল শুরু বলে বিবেচনা করেন? এটা কী আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছে, আর আগ্রহ সৃষ্টি করতে সক্ষম? করলে কেন করে? নিলম্বন (সাসপেন্স) হেতু কী আপনার এ আগ্রহ সৃষ্টি হয় নি?

    কৌতূহল! কে এর প্রতি আগ্রহী নয়?

    আমি বনে পাখি উড়তে দেখি। কৌতূহলবশে আমি অনেক সময় ঘণ্টার পর ঘণ্টা তাদের গতিবিধি অবলোকন করি, কিন্তু আমি জানি, যে শিকারী পাখি শিকারের জন্যে আলপস পর্বতে যায় সে পাখির গতিবিধি অবলোকন করতে উৎসুক নয়, সে উৎসুক শিকারে। কুকুর মানুষের মনে কৌতূহল জাগায়। কৌতূহল জাগায় অন্যান্য প্রাণীও, কৌতূহল উদ্রেক করে সকল জীব।

    সুতরাং আপনার প্রথম বাক্য দিয়ে শ্রোতাদের কৌতূহলী করে তুলুন, তারা আপনার প্রতি আগ্রহী হবে।

    লেখক কলেসটমাস লরেন্স এর আরব্য উপন্যাসের গল্পের মতো করে তারা বক্তৃতা শুরু করতেন :

    লয়েড জর্জ বলেছেন, কর্নেল লরেন্স আধুনিক কালে একজন রোমান্টিক ও চিত্রবৎ চরিত্র।

    এভাবে শুরু করার দুটি সুবিধা আছে, প্রথমত: খ্যতনামা কোনো লোকের কোনো বক্তব্য দিয়ে শুরু করা হলে তার প্রতি শ্রোতারা আকর্ষিত হয়। দ্বিতীয়ত এটা কৌতূহল সৃষ্টি করে। কেন, রোমান্টিক? কেন চিত্রবৎ? এই প্রশ্নগুলো মনে জাগে স্বাভাবিক ভাবে। আমি আগে কখনো তার কথা শুনি নি। তিনি কী করতেন?

    লওয়েল টমাস কর্ণেল টমাস লরেন্সের নিম্ন বিবৃতি উদ্ধৃত করে তার বক্তৃতা শুরু করতেন :

    একদা আমি জেরুজালেমের খ্রিস্টান পাড়ায় ঘুরছিলাম। এই সময় আমি মূল্যবান পোশাক ও অলঙ্কার সজ্জিত এক ব্যক্তিকে দেখতে পাই। তার কোমরে ঝুলছিল স্বর্ণনির্মিত তরবারি। এরূপ একমাত্র হজরত মোহাম্মদ (দঃ)-এর অনুসারীরা ব্যবহার করেন। কিন্তু এই লোকটি আরব ছিলেন না। তার চেহারা আরবদের মতো নয়। চোখ নীল, কিন্তু আরবদের চোখ নীল নয়, কালো বা ব্রাউন।

    এই বক্তব্য কী আপনার মনে কৌতূহল জাগায় না? নিশ্চয়ই আপনি লোকটা সম্পর্কে আরো জানাতে চান। সে কে? কেন সে আরবদের মতো চলতো? সে কী করত? তার কী হল?

    যে ছাত্র নিম্ন প্রশ্ন দিয়ে তার বক্তব্য শুরু করে :

    আজকের বিশ্বের সতেরটি দেশে যে দাসত্ব প্রথা প্রচলিত তা কী তোমরা জান?

    এটা শুধু কৌতুক জাগায় না, শ্রোতাদের মনেও আঘাত দেয়। দাসত্ব আজকের দিনে? সতেরটির দেশে? দেশগুলো নাম কী? কোথায় সে-সব দেশ। নানা প্রশ্ন জাগায়।

    বক্তা তার বক্তৃতার মাধ্যমে শুধু কৌতূহল সৃষ্টি নয়, শ্রোতাদের শেষ কালের প্রতি আগ্রহী ও করে তুলতে পারেন। উদাহরণ স্বরূপ, একজন ছাত্র নিম্ন বিবৃতি দিয়ে তার বক্তব্য শুরু করেন :

    আমাদের একটি আইন পরিষদের জনৈক সদস্য তার পরিষদের দাঁড়িয়ে যে কোনো স্কুল ভবনের দু’মাইল এলাকার মধ্যে ব্যাঙাচি হতে ব্যাঙ উৎপাদনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে একটি আইন পাশ করার প্রস্তাব করেন।

    আপনি হাসছেন। বক্তা কী কৌতূহল করছেন। কী অসম্ভব। এটা কি সত্যি করা হয়েছিল? হ্যাঁ, বক্তা ব্যাখ্যা করেন।

    স্যাটারডে ইভিনিং পোষ্ট এ ”দুর্বৃত্তদল” শীর্ষক এক নিবন্ধ ঠিক এভাবে শুরু করা হয়েছে :

    দুর্বৃত্তদল কী সত্যিই সংঘঠিত। নিয়মানুযায়ী তারা সংগঠিত হবার কথা কীভাবে?

    মাত্র দশটি শব্দের লেখক তার বিষয় ঘোষণা করেছেন এবং দুর্বৃত্তদল সংঘঠিত কী না সে সম্পর্কে আপনার মনে কৌতূহল সৃষ্টি করেছেন। এটা প্রশংসাযোগ্য। লেখকেরা যেভাবে পাঠকদের আগ্রহ সৃষ্টি করে বক্তাকেও ঠিক সেভাবে বক্তৃতার প্রতি শ্রোতার আগ্রহ সৃষ্টির চেষ্টা করতে হবে। ছাপানো বক্তৃতার চাইতে বক্তৃতা অভ্যাস করা কালে আপনি বেশি জানতে পারবেন, কীভাবে শুরু করা কল্যাণকর হবে।

    গল্প দিয়ে শুরু করেন না কেন?

    আমরা বক্তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার বর্ণনা শুনতেই সাধারণত অভ্যস্ত। রামেলোই কনওয়েল তাঁর বক্তৃতাকে অলঙ্কার পূর্ণ করে তুলতেন। তিনি ছয় হাজার বারেরও অধিক এরূপ বক্তৃতা করেছেন এবং হাজার-হাজার টাকা রোজগার করেছেন। তিনি কীভাবে তাঁর জনপ্রিয় বক্তৃতা শুরু করতেন?

    ১৮৭০ সালে আমরা টাইগ্রিস নদীতে ভ্রমণ করতে যাই। বাগদাদে আমরা একজন পথ প্রদর্শক ভাড়া করি। তাকে সরাসরি নিযুক্ত করি আমাদের পারমিপোলিশ, নাইনবে ও বেবিলন, দেখিয়ে দেওয়ার জন্য।

    এখানেই তিনি গল্প শেষ করেন। এই গদ্যাংশ সকলের মনে কৌতূহল সৃষ্টি করে। এই ধরনের সূচনা অত্যন্ত ফলপ্রসু হয়। এরূপ সূচনা বা ভূমিকা কখনো ব্যর্থ হয় না। কারণ শ্রোতারা তখন জানতে চায় অতঃপর কী হল? কী ঘটল? অথবা এর পর কী হতে পারে?

    এই বইয়ের তৃতীয় পরিচ্ছেদে গল্প দিয়ে শুরু করার কথা বলা হয়েছে।

    সাটারডে ইভিনিং পোস্টের একটি সংখ্যায় প্রকাশিত দুটি গল্পের সূচনা এখানে উল্লেক করা হচ্ছে :

    (১) রিভলবারের তীব্র শব্দের আঘাতে সবকিছু স্তদ্ধ হয়ে গেল।

    (২) জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে ডেনভারের মন্টভিউ হোটেলে একটি মামুলি ঘটনা ঘটে। ঘটনাটা অত্যন্ত মামুলি বা তুচ্ছ হলেও আবাসিক ম্যানেজার গোয়েবলের কল্যাণে এটি ব্যাপকতা লাভ করে। তিনি হোটেল মালিক স্টেভিফারাডে এবং হোটেলের অন্যান্যদের ঘটনাটি জানান। কর্ণগোচর হওয়ায় স্টেভি সারা গ্রীষ্মকাল নিয়মিতভাবে হোটেল পরিদর্শনে আসতে থাকেন।

    এই ধরনের সূচনা অর্থবহ। কারণ এটা শ্রোতার মনে কৌতূহল সৃষ্টি করে। একথা শোনার পর আপনি আবার জানতে চান, বুঝতে চান অতঃপর কী হল, কী ঘটল।

    একজন অদক্ষ বক্তাও যদি এরূপ দিয়ে বক্তৃতা শুরু করেন তবে তিনি শ্রোতাদের মনে কৌতূহল সৃষ্টি করতে, প্রশ্ন জাগাতে সক্ষম হবেন। বিশেষ চিত্র দিয়ে শুরু করুন : দীর্ঘক্ষণ ধরে শুষ্ক বক্তৃতা শোনা, মন দিয়ে শোনা বা গভীর মনোনিবেশ সহকারে শোনা সাধারণ শ্রোতাদের জন্য অত্যন্ত কঠিন। চিত্র দিয়ে বোঝানো যেমন সহজ, শ্রোতাদের পক্ষে বোঝাও তেমনি সহজ, তা হলে চিত্র দিয়ে শুরু করেন না কেন? এটা বক্তার পক্ষে অত্যন্ত কঠিন। আমি এটা জানি। আমি চেষ্টা করছি। সাধারণ বক্তারা মনে করেন যে, সাধারণ বিবৃতির মধ্যে সেই বক্তৃতা করা উচিত? চিত্র দিয়ে শুরু করে, শ্রোতাদের কৌতূহলী করে, আগ্রহী করে, সাধারণ বিবৃতি দিলে শ্রোতারা মনে দিয়ে শোনে, বুঝবার চেষ্টা করবে। এই প্রসংগে কোনো উদারহণ দিয়ে চাইলে চতুর্থ পরিচ্ছদের কথা স্মরণ করুন।

    এক্ষেত্রে অত্র পরিচ্ছেদ শুরুতে কি কৌশল অবলম্বন করবেন?

    কোনো কিছু প্রদর্শন করা :

    কোনো কিছু দেখিয়ে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা সম্ভবত সারা বিশ্বে প্রচলিত সহজতর পন্থা। বন্য বর্বর জাতি এবং এমনকি বানর অথবা রাস্তার কুকুরও কোনো কিছু দেখলে তার প্রতি দৃষ্টি দেয়। এটা বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ, শ্রোতাদের ক্ষেত্রেও অত্যন্ত ফলপ্রসূ। উদাহরণ স্বরূপ, ফিলাডেলফিয়ার মি. এম. এস. এলিস একবার তার বক্তৃতা শুরু করেছিলেন বুড়ো আঙুল ও তর্জনীর মধ্যে একটি মুদ্রা রেখে। দুটো আঙুলের মাঝে মুদ্রা রাখায় সবাই স্বাভাবিকভাবে তাঁর দিকে তাকিয়ে ছিলেন। তখন তিনি জানাতে চান : ‘ফুটপাত দিয়ে চলার সময় আপনারা কেহ কী কখনো এরূপ মুদ্রা পেয়েছেন? যদি কেহ পেয়ে থাকেন তবে তা নিয়ে এগিয়ে আসুন, তা উন্নয়ন কাজে লাগানো যেতে পারে।–অতঃপর মি. এলিস এভাবে মুদ্রা সংগ্রহের প্রবণতার নিন্দা করেন।

    প্রশ্ন করুন :

    মি. এলিসের সূচনায় আরো একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটা প্রশ্ন দিয়ে শুরু করা হয়েছে, যে প্রশ্ন বক্তার সাথে শ্রোতাকেও ভাবিয়ে তুলেছে, তার সাথে সহযোগিতায় উদ্বুদ্ধ করেছে। উল্লেখ্য যে, সাটারডে ইভিনিং পোস্ট এ দুর্বৃত্তদল সম্পর্কে প্রকাশিত নিবন্ধের প্রথম তিনিট বাক্যে দুটি প্রশ্ন ছিল। দুর্বৃত্তরা কী সত্যিই সংঘটিত? কীভাবে? এই ধরনের প্রশ্ন পদ্ধতি শ্রোতা ও বক্তাকে সহজেই ভাবিয়ে তোলে, অন্য কোনো পদ্ধতি শ্রোতাকে এত সহজে চিন্তান্বিত করে তোলে না।

    খ্যাতনামা কোনো ব্যক্তির প্রশ্ন দিয়ে শুরু করেন না কেন?

    খ্যাতনামা ব্যক্তিদের কথা সাধারণের কাছে সব সময় বিশেষ মূল্য পেয়ে থাকে। সুতরাং আড়ম্বরপূর্ণ বক্তৃতা শুরু করাও সহজতর পন্থা হচ্ছে সঠিক প্রশ্ন উত্থাপন। ব্যবসায়ে সাফল্য লাভ সম্পর্কে নিম্নবর্ণিত আলোচনা পছন্দ হয় কি?

    “বিশ্বে একটি জিনিসের জন্যে অর্থও সম্মান পুরস্কার পাওয়া যায়,“ বলেছেন এলবাট হুয়াট এবং তা হচ্ছে উদ্যোগ। এবং উদ্যোগ কী তা হচ্ছে অন্যে বলে দেয়া ছাড়া সঠিক কাজ করা।

    প্রারম্ভিক বাক্য হিসাবে এর আরো কতিপয় বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এই বাক্য আমাদের মনে উৎসুক্য জাগায়, আমাদের আগ্রহী করে তোলে, আমরা কিছু জানাতে চাই। বক্তা যদি এলবাট হুবাট শব্দের পর দক্ষতার সাথে বিরতি দেন তা হলে তা অধিকতর উৎসুক্য সৃষ্টি করতে পারে ”বিশ্ব কী জিনিসের জন্য শ্রেষ্ঠ পুরস্কার দেয়।“ আমরা জানাতে চাই, তাড়াতাড়ি বলুন। আমরা আপনার সাথে একমত নাও হতে পারি, তবুও আপনি আপনার মতামত দিন। দ্বিতীয় বাক্য আমাদের বিষয়টির অভ্যন্তরে নিয়ে যায়? তৃতীয় বাক্যটি একটি প্রশ্ন। এটা শ্রোতাদের প্রতি আলোচনায় অংশ নিতে আহ্বান জানায়, চিন্তা করতে অনুপ্রাণিতে করে। এবং শ্রোতারাও চিন্তা করতে শুরু করেন। চতুর্থ বাক্যে উদ্যোগ এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?–এই সূচনা বা ভূমিকার পর বক্তা মানবিক স্বার্থ সম্পর্কিত গল্প বলতে পারেন, গল্প বলতে পারেন সুস্পষ্ট বিশেষণসহ।

    এমনভাবে বলুন যাতে শ্রোতার মনে গভীর আগ্রহ সৃষ্টি হয় :

    এমনভাবে শুরু করুন যাতে শ্রোতাদের মনে ব্যক্তিগত আগ্রহ সৃষ্টি হয়। সেটাই হচ্ছে বক্তৃতা শুরু করার সর্বোত্তম পন্থা, এটা নিশ্চিত ভাবেই শ্রোতা মনে আগ্রহ জাগাবে। যা আমাদের হৃদয় আকৃষ্ট করে তা সম্পর্কে আমরা অবশ্যই আগ্রহী হব।

    এটা সাধারণ জ্ঞানের কথা, তা নয় কি? অথচ এর ব্যবহার হচ্ছে অত্যন্ত বিরল? উদাহরণ স্বরূপ আমি একজন বক্তাকে সাময়িক স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করে বক্তৃতা শুরু করতে দেখছি। কীভাবে তিনি শুরু করেছিলেন? তিনি শুরু করেছিলেন জীবন সম্প্রসারণ ইনস্টিটিউটের ইতিহাস দিয়ে কীভাবে এটা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে এবং কীভাবে এর কাজ চলছে তা বলে ছিলেন তবে এটা সত্য যে কোথায় কোনো কোম্পানি কীভাবে গঠন করা হয়েছে এবং কীভাবে কোম্পানির কাজ চলছে সে সম্পর্কে আমাদের শ্রোতারা মোটেই আগ্রহী নয়। তারা নিজেদের স্বার্থ সম্পর্কে আগ্রহী।

    এই সত্যকে স্বীকার করে নেন না কেন? ঐ কোম্পানিকে তাদের স্বার্থের সাথে সংশ্লিষ্ট সেরূপ আগ্রহ তাদের জাগিয়ে তুলছেন না কেন? এরূপ কিছু দিয়ে শুরু করছেন না কেন? আপনি জানেন জীবন বীমার হিসাব অনুযায়ী আপনি কতখানি বেঁচে থাকবেন? জীবন বীমা কোম্পানির সংখ্যাতাত্ত্বিকদের হিসাব অনুযায়ী আপনার বর্তমান বয়সও আশি বছরের তিনভাগের দু’ভাগ সময় আপনি বাঁচবেন। উদাহরণ স্বরূপ, আপনার বয়স যদি বর্তমান পঁয়ত্রিশ বছর হয় আশি বছর হতে বাকি থাকে ৪৫ বছর, আপনি আশা করতে পারেন বাকি ৪৫ বছরের তিন ভাগের দুভাগ সময় অর্থাৎ ৩০ বছর আপনি বাঁচবেন।–এটাই কী যথেষ্ট? না, না, আমরা সকলেই অধিক দিন বেঁচে থাকতে চাই।

    তবে এসব হিসাবে প্রণীত হয়েছে লাখো-লাখো রেকর্ডের ভিত্তিতে, আপনি এবং আমি এই রেকর্ড সময় অতিক্রম করার ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা করতে পারি কি? হ্যাঁ, তবে তা করতে হলে যথাযথ প্রস্তুতি প্রয়োজন এবং এই প্রস্তুতির প্রথম পদক্ষেপ আমাদের শরীর পরীক্ষা করিয়ে নিতে হবে।

    অতঃপর আমরা যদি ব্যাখ্যা করি সময়-সময় শরীর পরীক্ষা করানো প্রয়োজন কেন, তাহলে শ্রোতারা এই কাজের জন্যে গঠিত কোম্পানি সম্পর্কে জানাতে আগ্রহী হয়ে ওঠবেন। তবে প্রথমেই কোম্পানি সম্পর্কে বলতে শুরু করা যথাযথ পদ্ধতি নয়, এটা ফলপ্রসূ হয় না, বরং শ্রোতাদের বিরক্তি উৎপাদন করে।

    আর একটি উদাহরণ শুনুন। আমি একজন বক্তাকে আমাদের বনসম্পদ সংরক্ষণের প্রদান প্রয়োজনীয়তা দিয়ে বক্তৃতা শুরু করতে শুনেছি। তিনি এভাবে শুরু করেন, “আমরা আমেরিকানরা আমাদের প্রাকৃতিকে সম্পদের জন্যে গর্বানুভব করতে পারি।–” অতঃপর তিনি বলতে শুরু করেন, কীভাবে আমরা আমাদের বনজ সম্পদ নির্লজ্জ ভাবে অপচয় করছি। কিন্তু সূচনা ছিল খারাপ, অতি সাধারণ ও অর্থহীন। বক্তা তার বিষয় বস্তুটির প্রতি আমাদের আগ্রহ সৃষ্টি করতে পারেন নি। কারণ তার বক্তব্য ছিল নিজের ব্যবসায়ের প্রতি সংশ্লিষ্ট এবং পরে এর দ্বারা ব্যাংকের ক্ষতি ব্যাখ্যা করেন। কিন্তু যদি তিনি এভাবে বলতেন, “যে বিষয়টি আলোচনা করছি সে বিষয়টি আপনার ব্যবসার ক্ষতি করবে, ক্ষতি করবে মি. আপেল বি-র ব্যবসা, ক্ষতিগ্রস্থ হবে মি. সউল। বস্তুত পক্ষে এই সম্পদ নষ্ট করার ফলে আমাদের অন্য সম্পদের দাম বাড়বে, ভাড়া বাড়াবে। সুতরাং আমাদের সমৃদ্ধি ও কল্যাণ ব্যাহত হবে।“

    এটা কী আমাদের বন সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে কিছু বাড়িয়ে বলা? না, মনে করি না। ”ছবিকে বড় করে আঁকলে তার প্রতি শ্রোতার দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়,“ বলে এলবার্ট হুবাড যে অভিমত ব্যক্ত করেছেন এটা তারই অনুসরণ মাত্র।

    সংক্ষিপ্ত সার :

    (১) বক্তৃতার সূচনা বড় কঠিন। শ্রোতার মনে আকর্ষণ সৃষ্টির জন্যে এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণও। সুতরাং এটা এমন সুচিন্তিতভাবে তৈরি করা প্রয়োজন যাতে শ্রোতাকে আকর্ষণ করা সহজ হয়।

    (২) সূচনা বা ভূমিকা সংক্ষিপ্ত হওয়া প্রয়োজন। এটা এক বা দুটি বাক্যে শেষ করা দরকার। সময় সময় এটাকে সংক্ষিপ্ততম করা প্রয়োজন? স্বল্পতম শব্দ দিয়ে আপনার মূল বিষয়টি প্রকাশ করুন। তাহলে কেহই বিরক্ত হবে না।

    (৩) নবিশেরা মানবিক কাহিনী বলে অথবা ক্ষমা প্রার্থনার মাধ্যমে বক্তৃতা শুরু করতে চান। এই দুটি পদ্ধতিই অস্বাভাবিক ভুল। খুব কম সংখ্যক লোক, নগণ্যতম লোক মানবিক কাহিনী সাফল্যের সাথে ব্যক্ত করতে পারেন। এই ধরনের প্রচেষ্টা শ্রোতাদের প্রমোদ দানের পরিবর্তে বিরক্ত করে। গল্প বলতে হলে তা বিষয়ের সাথে সম্পর্ক যুক্ত হবে, শুধুমাত্র গল্পের জন্য গল্প বলা হয়। কৌতুক হতে হবে কেকের মসল্লা-স্বরূপ, কেক নয়।কখনো ক্ষমা প্রার্থনা নয়। এটা শ্রোতাদের অপমানিত করার সামিল, আপনি যা বলতে চান সরাসরি তাই বলুন এবং সংক্ষিপ্ত ভাবে বলে শেষ করুন।

    (৪) একজন বক্তা সহজেই শ্রোতাদের মন আকর্ষণ করতে পারেন, যদি তিনি :

    (ক) ঔৎসুক্য জাগাতে পারলে (উদাহরণ-ডিকেন্স এর বড়দিনের নীতি)।

    (খ) মানবিক কাহিনী বলতে পারলে (উদাহরণ হীরা জহরতের কাহিনী)।

    (গ) বিশেষ ব্যাখ্যা দিয়ে শুরু করলে (উদাহরণ-এই বইয়ের ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ)।

    (ঘ) কোনো কিছু প্রদর্শন করে (উদাহরণ–মুদ্রা প্রদর্শন);

    (ঙ) প্রশ্ন জিজ্ঞেস করে (উদাহরণ পথ ভ্রমণে কেহ কি এধরণের মুদ্রা পেয়েছেন?

    (চ) আকর্ষণীয় কোটেশন দিয়ে শুরু করে (এলবার্ট হুবার্ড এর উদ্যোগ সংক্রান্ত বক্তব্য)।

    (ছ) বিষয়টি কীভাবে শ্রোতাদের স্বার্থের সাথে সংশ্লিষ্ট তা উদাহরণ দিয়ে দেখিয়ে, (উদাহরণ–আপনার বর্তমান বয়সও ৮০ বছরের মধ্যে যে ব্যবধান রয়েছে তার তিনভাগের দু’ভাগ সময় আপনি বাঁচবেন বলে আশা করতে পারেন। তবে সময়-সময় শরীর পরীক্ষা করে সঠিক ভাবে চলে আপনি এই সময় বাড়াতে পারেন, প্রভৃতি)।

    (জ) অতিখ্যাত তথ্য দিয়ে শুরু করে (উদাহরণ-আমেরিকানরা সভ্য বিশ্বের সবচাইতে জঘন্যতম দুর্বৃত্ত)।

    (৫) সুচনায় কোনো কিছুকে অস্বাভাবিক প্রথাসিদ্ধ করার চেষ্টা করবেন না? সূচনাকে স্বাভাবিক গতিশীল ও অবশ্যম্ভাবীরূপে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করুন। এটা করা যায় কোনো কিছু ঘটেছে বা বলা হয়েছে তার উদাহরণ দিয়ে (উদাহরণ, গত কাল এখান হতে বেশি দূরে নয়, এমন একটি শহরের পাশ দিয়ে যখন ট্রেন চলছিল তখন আমার স্মরণ হয়–)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্ত্রী যখন বান্ধবী – ডেল কার্নেগি
    Next Article প্রতিপত্তি ও বন্ধুলাভ – ডেল কার্নেগি

    Related Articles

    ডেল কার্নেগি

    সুখীজীবন ও কাজের সন্ধানে – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    ব্যক্তিত্ব বিকাশ ও সাফল্যের সহজ পথ – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    বিক্রয় ও জনসংযোগ প্রতিনিধি হবেন কীভাবে – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    প্রতিপত্তি ও বন্ধুলাভ – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    স্ত্রী যখন বান্ধবী – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    বরণীয় যারা স্মরণীয় যারা – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }