Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বাঙালীর ইতিহাস (আদিপর্ব) – নীহাররঞ্জন রায়

    নীহাররঞ্জন রায় এক পাতা গল্প1452 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. সংগীত ও নৃত্য

    সংগীত ও নৃত্য

    আগেই বলিয়াছি, দশম-একাদশ শতকের আগে নৃত্য ও গীত সম্বন্ধে কিছু বলিবার মতো উপাদান আমাদের নাই। কিন্তু দশম-দ্বাদশ শতকীয় চর্যাগীতিগুলিতে, জয়দেবের গীতগোবিন্দ এবং লোচনা-পণ্ডিতের রাগীতরঙ্গিনী-গ্রন্থে এমন সব রাগের ও তালের নামোল্লেখ পাইতেছি। যাহাতে মনে হয়, এই সময়ের বহু আগে হইতেই প্রাচীন বাঙলাদেশ ভারতীয় সংগীতের ধারাস্রোতের সঙ্গে যুক্ত হইয়া গিয়াছিল এবং সর্বভারতে অভ্যস্ত ও প্রচলিত অনেক রাগ ও তাল বাঙলাদেশেও বিস্তার লাভ করিয়াছিল।

    চর্যাগীতির রাগ

    চর্যাগীতির পদগুলি যে সুরে তালে গাওয়া হইত। তাহা গীতারম্ভে রাগের নামেই প্রমাণ; কিন্তু এ-সব রাগের ঠাট্ট বা কাঠামো যে কী ছিল, এখন আর তাহা বলা যায় না। এ-গুলি প্রায় সমসাময়িক লোচনা-পণ্ডিতের রাগীতরঙ্গিনীর বা কিছু পরবর্তী কালের শার্ঙ্গদেবের সংগীত-রত্নাকরের (১২১০-১২৪৭) পদ্ধতি অনুযায়ী গাওয়া হইত। কিনা, বলা কঠিন। চর্যাগীতির ৫০টি গীত “যে-সব রাগে গাওয়া হইত। তাহদের সংখ্যা ১০টি। ১, ৬-৭, ৯, ১১, ১৭, ২০, ২৯, ৩১, ৩৩, ৩৬ এবং ৪৮ নং গীতের রাগ পটমঞ্জরী এবং বারংবার ব্যবহারে মনে হয়, এই রাগটিই ছিল সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয়; ২-৩ ও ১৮ নং- গবড়া বা গউড়া; ৪— অরু; ৫, ২২, ৪১, ৪৭- গুর্জরী, গুঞ্জরী, কাহ্ন-গুর্জরী; ৮— দেবক্ৰী; ১০, ৩২- দেশাখ; ১৩, ২৭, ৩৭, ৪২— কামোদ; ১৪- ধনসী, ধানশ্ৰী; ১৫, ৫০- রামক্রী ২১, ২৩, ২৮, ৩৪— বলাড্ডী বা বরাড়ী; ২৬, ৪৬- শবরী; ৩০, ৩৫, ৪৪, ৪৫, ৪৯— মল্লারী; ৩৯— মালসী; ৪০ – মালসী-গবুড়া; ৪৩— বঙ্গাল; ১২, ১৬, ১৯, ৩৮– ভৈরবী! গবড়া ও গউড়া একই রাগী সন্দেহ নাই এবং খুব সম্ভব কাবো। যেমন গৌড়ীরীতি রাগের মধ্যেও তেমনই একটি ছিল গউড়া বা গৌড়ী রাগ এবং তাহারই সঙ্গে মালসী বা মালশ্রী (মালব-শ্ৰী?) মিশাইয়া যে মিশ্র রাগ তাহার নাম মালসী-গবুড়া (৪০)। লোচনা-পণ্ডিত কিন্তু এক গৌরী-রাগের নাম করিয়াছেন; গৌরী কি গৌড়ী-রাগ? গুঞ্জরী গুর্জরী-রাগেরই লিপিকর প্রমাদ এবং কাহ্ন-গুর্জরী গুর্জর-রাগেরই বিশেষ এক প্রকার মিশ্রিত রূপ; অসম্ভব নয়, মাৰ্গ গুর্জরীর সঙ্গে দেশী কাহ্ন-রাগের মিশ্রণেই কাহ্ন-গুর্জরীর সৃষ্টি। কাহ্ন বা কৃষ্ণভক্তরা যে ঠাটে গুর্জরী রাগ গাহিতেন তাহাই কি কাহ্নগুর্জরী? বা মথুরা-বৃন্দাবনের কৃষ্ণলীলার প্রচলিত গুর্জরীরাই কাহ্নগুৰ্জরী? রামক্রী-রাগ নিঃসন্দেহে পরবতী কালের রামকেলি, গীতগোবিন্দের রামকিরী, শ্ৰীকৃষ্ণকীর্তনের রামগিরি রাগ। কিন্তু দেবক্রীর পরবর্তী ভগ্নরূপ দেবকিরী-দেবকেলি বা দেবগিরির উল্লেখ আর কোথাও দেখিতেছি না। বস্তুত, পরবর্তী সংগীত-শাস্ত্ৰে বিভিন্ন ঘরানায় দেবক্রীরাগের কোনও স্থান যেন আর নাই। দেশাখ নিঃসন্দেহে গীতগোবিন্দ ও শ্ৰীকৃষ্ণকীর্তনের দেশাখ; কিন্তু দেশাখ কি দেশাখ্য, অর্থাৎ কোনও দেশী রাগের মার্গীকরণ? ধনসী, ধানশ্ৰী। পরবর্তী (শ্ৰীকৃষ্ণকীর্তন) কালের ধানুষী এবং মল্লারী সুপরিচিত মল্লার। কিন্তু সংগীতেতিহাসের দিক হইতে চর্যাগীতির সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য রাগ শবরী ও বঙ্গল-রাগ। শবরী রাগ তো নিঃসন্দেহে শবরদের মধ্যে প্রচলিত রাগ। এই লোকায়ত রাগটির মার্গীকরণ কবে হইয়াছিল, বলা কঠিন, তবে ইহার উল্লেখ শুধু চর্যাগীতিতেই পাইতেছি, আগে বা পরে সে-উল্লেখ আর কোথাও দেখিতেছি না। বঙ্গাল রাগও যে কী ধরনের আজ আর তাহা বুঝিবার উপায় নাই, তবে এই রাগটিও যে এক সময় গুর্জরী, মালবস্ত্রী বা মালসী, শবরী প্রভৃতি রাগের মতো স্থানীয় লোকায়ত রাগ ছিল, সন্দেহ নাই। অথচ ভারতীয় মার্গ-সংগীতে বঙ্গল-রাগ এক সময় সুপরিচিত রাগ ছিল এবং অষ্টাদশ শতকের রাজস্থানী চিত্রনির্দেশে বঙ্গল-রাগের চিত্রও দুর্লভ নয়। পরে কখন কী ভাবে যে এই রাগটি লুপ্ত হইয়া গেল তাহা জানা যাইতেছে না। বস্তুত, চর্যাগীতির দেবক্ৰী, গউড়া বা গবুড়া, মালসী-গবুড়া, শবরী, বঙ্গাল, কাহ্নগুৰ্জরী প্রভৃতি অনেক রাগই আজ বিলুপ্ত। দেশাখ-রাগ তো বোধ হয়। আজিকার দেশ-রাগে বিবর্তিত বা রূপান্তরিত হইয়া গিয়াছে। অরু-রাগ যে কি তাহাও আজ আর বুঝিবার উপায় নাই।

    চর্যাগীতির ধ্রুবপদ

    সমসাময়িক সংগীত-পদ্ধতির একটি সংকেত চর্যাগীতে খুব সুস্পষ্ট। এই গীতগুলির মূল পুঁথিতে এবং শাস্ত্রী-মহাশয়ের সংস্করণেও প্রতি পদের প্রত্যেক দুইলাইনের শেষে “ধু” এই শব্দটির উল্লেখ আছে। “ধু” যে ধ্রুবপদের সংকেত ইহাতে কোনো সন্দেহই থাকিতে পারে না। কয়েকটি পদের সংস্কৃত টীকাতেই ‘ধুবপদেন দৃঢ়ীকুৰ্বন’, ‘ধ্রুবপদেন চতুর্থনন্দমুদ্দীপয়ন্নাহ’ ইত্যাদি ব্যাখ্যা বর্তমান; কিন্তু মূল গীতে দ্বিতীয় পদটিকে বলা হইয়াছে ধ্রুবপদ, অথচ সংস্কৃত টীকায় ধ্রুবপদ বলা হইয়াছে। তৃতীয় পদটিকে এবং তাহাকেই দ্বিতীয় পদ বলিয়া উল্লেখ করা হইয়াছে। বুঝিতে কিছু অসুবিধা নাই যে, প্রথম পদের পর যে পদ তাহাই ধ্রুবপদ বা বাঙলা ধুয়া। তিব্বতী টীকায়ও এই পদটিকে বলা হইয়াছে “ধু পদ”। ইহার অর্থই যে, প্রত্যেকটি পদ গাহিবার পরই ‘ধু বা ধ্রুবপদটি গাহিতে হইত। এই পদটিই বর্তমান উত্তর-ভারতীয় সংগীত-পদ্ধতির ‘স্থায়ী” পদ। চর্যাপদগুলির ভাব-বিশ্লেষণ করিলেও দেখা যায়। এই ধ্রুবপদটিতেই সহজ-সাধনের সূত্রটি ধরিয়া দেওয়া হইয়াছে এবং সাধককে সতর্ক করা হইয়াছে। সেইজনাই প্ৰত্যেক পদ গাহিবার পরে বারবার এই পদই গাহিবার নির্দেশ ছিল, গায়কের এবং শ্রোতার বুদ্ধি ও দৃষ্টিকে বারবার ঐ দিকে আকৃষ্ট করিবার জন্য। উত্তর-ভারতীয় সংগীত-পদ্ধতিতে ‘স্থায়ী’র কাজও একই; স্থায়ীতেই বিশিষ্ট রাগটির প্রধান স্বর-সন্নিবেশ এবং এই সন্নিবেশই রাগটির মানচিত্রের কেন্দ্ৰবিন্দু। কাজেই বারবার স্থায়ীতে ফিরিয়া আসা প্রয়োজন, শ্রোতার মন ও দৃষ্টিকে ঐদিকে আকৃষ্ট করিবার জন্য।

    গীতগোবিন্দের রাগ ও তাল

    জয়দেবের গীতগোবিন্দের পদগুলিও রাগে-তালে গাওয়া হইত, এ-তথ্য সুপরিজ্ঞাত। গ্রন্থটির সমস্ত পাণ্ডুলিপিতেই রাগ ও তালের উল্লেখ আছে। এই গানগুলিতে ব্যবহৃত রাগের ও তালের সংখ্যা যথাক্রমে ১১ ও ৫; মালঞ্চ-রাগা— রূপকতাল, যতিতাল; গুর্জরী-রাগ- নিঃসার তাল, ব্যতিতাল, একতালী; বসন্তু রাগ- যতিতাল; রামকিরী— যতিতাল; কর্ণাট রাগা— যতিতাল; দেশাগ-রাগ (দেশাখ)- একতালী; দেশ-বরাড়ী-রাগ— রূপকতাল, অষ্টতালী; বরাড়ী রাগ- রূপকতাল; গোণ্ডকিরী রাগ- রূপকতাল; ভৈরবী রাগ- যতিতাল; বিভায-রাগ—একতালী। মালব নিঃসন্দেহে মালবশ্রী-মালসী-মোলশ্রী এবং গোড়ায় ছিল স্থানীয় লোকায়ত গানের রাগ, পরবর্তী কালে মার্গ-সংগীতে স্বীকৃত ও গৃহীত হয়। গুর্জরী-রাগের কথা চর্যাগীতি-প্রসঙ্গেই বলিয়াছি। বসন্ত-ভৈরবী-বিভাষ প্রভৃতি রাগ ত আজও সুপ্ৰসিদ্ধ ও সুঅভ্যস্ত। রামকিরী, রামক্ৰী, রামগিরির একই রাগের বিভিন্ন নোমরূপ। বরাড়ী ও দেশাখ (দেশাগ) বা দেশ-রাগের মিশ্রিত রূপ দেশ-বরাড়ী, এরূপ অনুমানে বাধা দেখিতেছি না। রামকিরী রাগের নামানুসরণে গোণ্ডকিরী খুব সম্ভব প্রাচীনতর গোণ্ডক্রী নামের অপভ্রংশ, এবং মনে হয়, আদিম গোন্দ বা গোণ্ডজনদের স্থানীয় লোকায়ত গানের রাগ। বাঙলাদেশে কর্ণাট-রাগের ব্যবহারের ইঙ্গিত। জয়দেবের মতো লোচনা-পণ্ডিতও দিতেছেন; ইহাতে আশ্চর্য হইবার কিছু নাই। জয়দেব ছিলেন, লক্ষ্মণসেনের অন্যতম সভাকবি, আর লোচনা-পণ্ডিতের রাগীতরঙ্গিনী রচিত হইয়াছিল। বল্লালসেনের রাজারম্ভকালে, বোধ হয় সেন-রাজসভার পৃষ্ঠপোষকতায়। আর, সেনা-বংশীয় রাজারা তো আদিতে কর্ণাটদেশবাসীই ছিলেন। দক্ষিণী কর্ণাটী সভ্যতা ও সংস্কৃতির একটি ক্ষীণধারার পরিচয় প্রাচীন বাংলাদেশে আছে, এ-কথা অস্বীকার করা যায় না। গীতগোবিন্দের গানের তালগুলির মধ্যে অন্তত নিঃসারিতালের কথা পরবর্তী কালে কোথাও শুনিতেছি না। ক্ষিতিমোহন সেন মহাশয় বলিতেছেন,

    ‘যে-সব ঘরানাতে জয়দেবের গান সংরক্ষিত আছে, সেখানে গীতগোবিন্দের গান শিখিতে গিয়া বিশ্বভারতীর ভূতপূর্ব সংগীতাধ্যাপক মহারাষ্ট্রদেশীয় পণ্ডিত ভীমরাওশাস্ত্রী তাহার স্বরলিপি ও তলের বাঁট লইয়া আসেন। সেই বাট দেখিয়া আচার্য ভাতখণ্ডে বলেন, “এ কি! এ-সব যে মালাবারের জিনিস!’

    বস্তুত, সমসাময়িক বাঙলার সংগীত-সাধনায় দক্ষিণী প্রভাব অস্বীকার করা যায় না। লোচনের রাগীতরঙ্গিনী-গ্রন্থেও সে-প্রভাব অনস্বীকার্য। সে-কথা পরে বলিতেছি। হয়তো নৃত্যেও সে-প্রভাব ছিল, বিশেষত দেবদাসী নৃত্যে; সমসাময়িক কালে বাঙলাদেশের রাজসভায় ও অভিজাত স্তরে এই নৃত্য, কাররামাদের নৃত্য প্রভৃতি বহুল প্রচলিত ছিল। প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যাইতে পারে, শিখদের শ্ৰীগুরু-গ্রন্থে জয়দেবের যে গান দুইটি উদ্ধার করা আছে সে দুটি যথাক্রমে গুজরী বা গুর্জর বা মারূ (মরুবাসী মাড়বারীদের স্থানীয় লৌকিক) রাগে গাওয়া হইত।

    তক্ষুরুন্নাটক গ্ৰন্থ ও প্রাচ্যরীতি

    চর্যাগীতির রাগিতালিকা এবং গীতগোবিন্দের রাগ ও তাল-তালিকা বিশ্লেষণ করিলে সহজেই মনে হয়, সমসাময়িক বাঙলাদেশে সংগীতচর্চার অপ্রাচুর্য ছিল না এবং সর্বভারতীয় মার্গ সংগীত-প্রবাহের সঙ্গে বাঙলাদেশের যোগও ছিল ঘনিষ্ঠ। সেইজন্যই মনে হয়, সংগীতশাস্ত্ৰ লইয়াও কিছু না কিছু আলোচনা নিশ্চয়ই হইয়া থাকিবে। লোচনা-পণ্ডিত রাগ-তরঙ্গিনী গ্রন্থে প্রাচীনতর তুম্বুরুন্নাটক-গ্রন্থের উল্লেখ করিয়াছেন। এই গ্রন্থের কোনও পাণ্ডুলিপি পাওয়া যায় নাই; তবে মনে হয়, কোনও নাট্যশাস্ত্ৰসম্পর্কিত গ্রন্থ ছিল এই তুম্বুরু নাটক। লোচন এই গ্রন্থ হইতে কিছু মতামত উদ্ধার করিয়াছেন; একটি উদ্ধৃতিতে আছে :

    ইন্দুত্থানং সমারভ্য যাবদ্দুর্গামহোৎসবম
    প্রাতার্গেয়ন্তু দেশাখে ললিতঃ পটমঞ্জরী ॥

    এই যে শুক্লপক্ষের (দেবীপক্ষে) সূচনা হইতে দুর্গামহোৎসব পর্যন্ত প্ৰাতঃকালে দেশাখ, ললিত ও পটমঞ্জরী রাগে গান গাওয়া, এ যেন একান্তই বাঙালীর দুর্গাপূজার আগের কয়েকদিনের আগমনী, গান এবং রাগগুলিও সেই দিক হইতে লক্ষ করিবার মতন। এই ভাবে দুর্গমহোৎসব তো আর কোথাও হয় না, বা হইত না! সেই জন্যই মনে হয়। গ্রন্থকার যিনিই হউন, তিনি প্রাচ্য দেশ, বিশেষভাবে গৌড়-বঙ্গের কথাই যেন বলিতেছেন। সংগীত সম্বন্ধে এই গ্রন্থে বলা হইয়াছে,

    দেশভাষাবিভেদাশ্চ রাগসংখ্যা ন বিদ্যতে।
    ন রাগাণাং ন তালানামান্তঃ কুত্ৰাপি দৃশ্যতে।।

    দেশভাষা যেমন স্বল্প বিভেদে অনন্ত, তেমনই রাগের সংখ্যাও অনন্ত; রাগ ও তালের অন্ত কোথাও দেখা যায় না। ইহাই প্রাচ্যদেশীয় মত। রক্ষণশীল উৎকট মাৰ্গপন্থীরা আজও সে মত স্বীকার করেন না, আগেও করিতেন বলিয়া মনে হয় না। সংগীতের দিক হইতে তম্বুরু নাটক গ্রন্থের মতামত অন্য কারণেও উল্লেখযোগ্য। মার্গ-সংগীতের ধারায় বিশেষ বিশেষ রাগ-রাগিণীর জন্য বিশেষ বিশেষ কাল শাস্ত্রানুসারে নির্দিষ্ট। তুম্বুরুনটকের রচিয়তা কিন্তু এই মত স্বীকার করিতেন না; তাঁহার মতে, রাগের কাল স্থিরীকৃত হয়। স্বরবৈচিত্র্যের রঞ্জকতা অনুযায়ী।

    যথাকলে সমারব্ধং গীতং ভবতি রংজকম।
    অতঃ স্বরস্য নিয়মাদ রাগোহপি নিয়মঃ কৃত।

    নাট্যরঙ্গমঞ্চে বা রাজসভায়ও কালদোষ থাকিতে পারে না (রঙ্গভূমৌ নৃপাতায়াং কালদোষো ন বিদ্যতে), কারণ, রঙ্গভূমিতে গান গাহিতে হয় নাটকের প্রকরণ বা কালানুযায়ী এবং রাজসভায় রাজার আজ্ঞায়।

    বুদ্ধনাটকের নৃত্যগীত

    প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যাইতে পারে চর্যাগীতিতে বুদ্ধনাটকের কথা। কিন্তু এই নাটকের কী ছিল রূপ এবং নৃত্যগীতের কী ছিল স্থান, কী-ই বা ছিল তাহাদের প্রকৃতি, বলিবার কোনও উপায় নাই। কিন্তু প্রাচীনকালে নৃত্য বা নৃত্ত ছাড়া নাটক ছিল না; কাজেই বুদ্ধনাটকই হউক আর তুম্বুরুন্নাটাই হউক, নৃত্য ছিলই, বাদ্যও ছিল এই অনুমানে বাধা নাই। বিশেষত, আলোচ্য চর্যাগীতিটিতেই পাইতেছি, ‘নাচন্তি বাজিল গাঅন্তি দেবী, বৃদ্ধনাটক বিসমা হোই’।

    লোচনের রাগীতরঙ্গিনী

    প্রাচীন বাঙলায় সংগীত-শাস্ত্রোলোচনার একমাত্র নিদর্শন যাহা আমাদের কালে আসিয়া পৌঁছিয়াছে তাহা লোচনা-পণ্ডিতের রাগীতরঙ্গিনী। এই গ্রন্থেই উল্লিখিত আছে, লোচন রাগীতরঙ্গিনী ছাড়া আরও অন্তত একখানা সংগীত-গ্রন্থ রচনা করিয়াছিলেন; তাহার নাম ছিল রাগসংগীতসংগ্রহ, কিন্তু সে-গ্রন্থ এ-পর্যন্ত পাওয়া যায় নাই (এতেষাং প্রপঞ্চস্তু মৎকৃতরাগসংগীতসংগ্রহে অন্বেষ্টব্যঃ)। তাহার কালে অন্য পণ্ডিতদের রচিত আরও অনেক সংগীতশাস্ত্রের কথা লোচন ইঙ্গিত করিয়াছেন, কিন্তু সে-সব গ্রন্থের একটিও আজ পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয় নাই। বস্তুত, লোচনের রাগীতরঙ্গিনী এবং শার্স দেবের সংগীত-রত্নাকরের চেয়ে প্রাচীনতর কোনো সংগীত-গ্রন্থের কথাই আমরা জানি না।

    লোচনের রাগীতরঙ্গিনী-গ্রন্থে দেশী ভাষার গানের নমুনা হিসাবে মৈথিলী অপভ্রংশে রচিত শ্ৰীবিদ্যাপতির মৈথিলগীতি উদ্ধার করা হইয়াছে। তাহা ছাড়া, এই গ্রন্থে আমীর খুসরু (ত্ৰয়োদশ শতকের শেষ, চতুর্দশ শতকের গোড়ায়) বা তাহার কিছু পরে প্রচলিত ইমন, ফিরদৌস্তু প্রভৃতি রাগের নাম আছে। সেই হেতু পণ্ডিতেরা অনেকে মনে করেন, লোচনা চতুর্দশ শতকের আগের লোক হইতে পারেন না। কিন্তু আচার্য ক্ষিতিমোহন সেন মহাশয় প্রমাণ করিয়াছেন, লোচনা-পণ্ডিত বল্লালসেনের আমলের লোক ছিলেন এবং ১০৮২ শকাব্দী = ১১৬০ খ্ৰীষ্ট বৎসরে বল্লালসেনের রাজত্বের প্রথম বৎসরে লোচনা-পণ্ডিত রাগীতরঙ্গিনী-গ্ৰন্থ রচনা করিয়াছিলেন; বিদ্যাপতির গান বা ইমন ও ফিরদোস্ত-রাগের কথা প্রভৃতি পরবর্তী কালে এই গ্রন্থে প্রক্ষিপ্ত হইয়াছে। গ্রন্থের পপিক শ্লোকটি সুস্পষ্ট;

    ভূজবসুদশমিতশাকে শ্ৰীমদ বল্লালসেনারাজাদৌ।
    বর্ষৈকষষ্টিভোগে মুনয়ন্ত্ৰাসন বিশাখায়াম ॥

    এই হিসাবে বল্লালসেনের রাজারম্ভে ১০৮২ শকে এই গ্রন্থ সমাপ্ত হইয়াছিল। ১০৮২ শক= ১১৬০ খ্ৰীষ্টাব্দে যে বল্লালসেনের রাজ্যারম্ভের কাল তাহা অন্য স্বাধীন ও স্বতন্ত্র সাক্ষ্য দ্বারাও সমর্থিত। আচার্য ক্ষিতিমোহন সেই সব সংক্ষোরও বিশ্লেষণ করিয়াছেন।

    স্বর ও স্বরসংস্থান

    গ্রন্থারম্ভেই লোচন স্বরসংস্থান সংজ্ঞার আলোচনা করিয়াছেন। তাহার মতে শুদ্ধ স্বর সাতটি এবং তাহা বাইশটি শ্রীতির মধ্যে যথাস্থনে অধিষ্ঠিত; বিকৃত স্বর হইল শুদ্ধ স্বরের তীব্র বা কোমল রূপ মাত্র; কাজেই শুদ্ধ স্বপ্নেরই দাবি মান্য এবং সাতটি শুদ্ধ স্বরই তিনি ব্যবহার করিয়াছেন। তাহার ব্যবহৃত বিকৃত স্বর হইতেছে কোমল ঋষভ, তীব্রতর গান্ধার, তীব্রতর মধ্যম, কোমল ধৈবত এবং তীব্রতর নিষাধ; বিকৃত স্বরকে তিনি বলিতেছেন কাকলী। পুরবা বা পূরবীতে লোচন নিজে তীব্র ধৈবত ব্যবহার করিয়াছেন। যে সব তালের (চঞ্চৎপুট, চাচপুট ইত্যাদি) কথা তিনি বলিয়াছেন তাহার উল্লেখ বা অভ্যাস পরবর্তীকালে দেখা যাইতেছে না।

    জনক ও জন্য-রাগ

    লোচনের মতে প্রাচ্যদেশে প্রচলিত রাগ বারোটি মাত্র; ইহাদের প্রত্যেকটিরই নাম ও লক্ষণও তিনি রাখিয়া গিয়াছেন। এই বারোটি রাগই (ভৈরবী, গৌরী (গৌড়ী?), কর্ণাট, কেদার, ইমন, সারঙ্গ, মেঘ, ধানশ্ৰী বা ধনশ্ৰী, টোড়ী, পূর্বা, মুখারী ও দীপক ) জনক-রাগ এবং এই জনক-রাগ কয়টি হইতেই অন্যান্য অনেক রাগের উৎপত্তি— সেগুলি হইতেছে। জন্য-রাগ, যেমন ভৈরবী হইতে দুইটি, কর্ণািট হইতে কুড়িটি, গৌবী হইতে সাতাশটি, ইমন হইতে চারিটি, কেদার হইতে তেরোটি, সারঙ্গ হইতে পাচটি, মেঘ হইতে দশটি, ধনশ্ৰী বা ধানশ্ৰী হইত দুইটি এবং টোড়ী, পূর্ব, মুখারী ও দীপক এই চারিটির প্রত্যেকটি হইতে এক একটি, এই মোট ৮৬টি জন্য-রাগ। পূরবা বা পূর্ব-পূরবী, সন্দেহ নাই; কিন্তু মুখারী রাগ আজ অপ্রচলিত। এই জন্য রাগগুলির লক্ষণ অর্থাৎ আরোহ-অবরোহ সম্বন্ধে লোচন কিছু আলোচনা করেন নাই, অন্যত্র দেখিয়া লইতে বলিয়াছেন।

    লোচনের জনক ও জন্য-রাগের প্রকরণটি পড়িলে পরিষ্কার বুঝা যায়, নানা রাগের মিশ্রণে নূতন নূতন রাগ সৃষ্ট হইত; আবার সেই সব মিশ্ররাগের মিশ্রণেও নূতন নূতন সংকর-রাগের উদ্ভব ঘটিত। লোচন তাহা জানিতেন এবং সেই জন্যই তাহার অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রকরণ হইল। সকল দেশে গুণীদের মধ্যে প্রসিদ্ধ যত মিশ্র ও সংকর-রাগ তাহদের নামোল্লেখ এবং তাহাদের জনক-রাগের নির্দেশ।

    লোচনের সময়ই বিভিন্ন রাগের ঠাট-কাঠামো লইয়া কিছু কিছু মতভেদ দেখা দিয়াছিল। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, লোচন মনে করিতেন, ভৈরবীতে শুদ্ধ সপ্তস্বর ব্যবহার করাই সঙ্গত; কিন্তু তখনই কেহ কেহ ভৈরবী-রাগে কোমল ধৈবত ব্যবহার করিতেন। লোচন তাহা পছন্দ করিতেন না, কারণ তাহার মতে তাহা অশুদ্ধ এবং যথেষ্ট চিত্তরঞ্জকও নয়। কোন কোন রাগ কখন গাওয়া হইবে সে-সম্বন্ধেও কিছু কিছু মতভেদ দাঁড়াইয়া গিয়াছিল; লোচন তাহা আলোচনা করিতে গিয়া তুম্বুরু নাটক-গ্রন্থের মতামত উদ্ধার করিয়া তাঁহাই সমর্থনা করিয়াছেন।

    শ্ৰীকৃষ্ণকীর্তনের রাগ ও তাল

    চর্যাগীতি-লোচন-জয়দেবের পর বহুদিন বাঙলাদেশে প্রচলিত মার্গবদ্ধ রাগ-রাগিণীগুলির পরিচয় আর পাইতেছি না। প্রায় আড়াইশ’ তিন-শ বৎসর পর বড়ু চণ্ডীদাস-বিরচিত শ্ৰীকৃষ্ণকীর্তনের পদগুলি যে-সব রাগে ও তালে গাওয়া হইত তাহার সুবিস্তৃত উল্লেখ পাওয়া যাইতেছে গ্রন্থটির পাণ্ডুলিপিতেই। তুলনার সুবিধা হইতে পারে ভাবিয়া রাগগুলির নামোল্লেখ এখানে করিতেছি : কোড়া, কোড়া-দেশাগ, বরাড়ী, দেশ-বরাড়ী, কাকু (কহু)-গুজরী (গুর্জরী) বিভাষ, বিভাষি-কক্‌, বঙ্গাল, বঙ্গাল-বরাড়ী, গুজরী (গুর্জরী), পাহাড়িয়া (নিঃসন্দেহে লোকায়ত রাগ), দেশাগ (দেশাখ), আহের (আহীরী, অর্থাৎ আভীর বা আহীর কোমের লোকায়াত সংগীতের রাগ?) রামগিরি (রামক্রী=রামকেলী), ধানুষী (ধানশ্ৰী), মালব (মালবস্ত্ৰী-মোলশ্রণী—মালসী), বেলাবলী, কেদার, মল্লার, ভাটিয়ালী (নিঃসন্দেহে লোকায়ত সংগীতের রাগ), ললিত, মাহারাঠা (মহারাষ্ট্র-প্রান্তের স্থানীয় লোকায়ত রাগ?), শৌরী (শৌরসেনী, অর্থাৎ শূরসেন অঞ্চলের স্থানীয় লোকায়ত রাগ?) বসন্ত, ভৈরবী, শ্ৰী, সিন্ধোড়া (পরবর্তী হিন্দোলা; গোড়ায় কি সিন্ধু-প্রান্তের স্থানীয় লোকায়ত রাগ?); পঠ (পট) মঞ্জরী। শ্ৰীকৃষ্ণকীর্তনের পদগুলির তাল-মান-লয়ের পরিচয়ও সবিস্তারে পাইতেছি। তালের মধ্যে যতি, একতাল, অষ্টতাল, রূপক, আচুকিক, লঘুশেখর, ক্রীড়া প্রভৃতির সাক্ষাৎ পাওয়া যাইতেছে। রাগের তালিকাটি একটু মনোযোগে বিশ্লেষণ করিলেই দেখা যাইবে, বাঙলাদেশের উচ্চস্তরের গান ভারতের নানা প্রান্তের লোকায়ত সংগীতের সুর ইত্যাদি যেমন স্থান লাভ করিতেছিল, তেমনই ভারতীয় মার্গ সংগীতের সঙ্গেও ক্রমশ লোকয়ত সংগীতে ঘনিষ্ঠতর আত্মীয়তা প্রতিষ্ঠিত হইতেছিল। প্রাচীন বাঙলাদেশেও এই সমন্বয়-ক্রিয়া হইতে বাদ পড়ে নাই, কিংবা উত্তর-ভারতীয় সংগীত-প্রবাহ হইতে কখনও বিচ্ছিন্ন হইয়া থাকে নাই; অন্তত দশম হইতে পঞ্চদশ শতাব্দী পর্যন্ত যে-সব সাক্ষ্য বিদ্যমান তাহাতে এই তথ্য সুস্পষ্ট।

    নৃত্য-গীত-বাদ্য

    বাদ্যযন্ত্রাদির কথা আগে অন্য প্রসঙ্গে বলিয়াছি; এখানে আর তাহার পুনরুল্লেখ করিয়া লাভ নাই। তবে, নৃত্যগীতবাদ্য সম্বন্ধে চর্যাগীতিতে পটমঞ্জরী রাগে গেয় একটি গান আছে; সেটি উদ্ধার করিতেছি :

    সৃজ লাউ সসি লাগেলী তান্তী
    অণহা দান্তী চাকি কিঅত অবধূতী।
    বাজই আলো সহি হেরুআ বীণা
    সূন-তান্তি-ধ্বনি বিলসই রূণা। ধ্রূ।
    আলি কালি বেণি সারি সুনিআ
    গঅবর সমরাস সান্ধি গুণি আ।
    জবে করাহ করাহকলে চাপিউ।।
    নাচন্তি বাজিল গাঅন্তি দেবী
    বুদ্ধনাটক বিসমা হোই।।

    সূর্য লাউ, শশী লাগিল তন্ত্রী, অনাহত দান্তী, অবধূতী হইল চাকী। হে সখি! অনাহত বীণা বাজিতেছে, শূন্য তন্ত্রীর ধ্বনি বিলাসিত হইতেছে ক্ষীণ সুরে। অ-বর্গ ও ক-বৰ্গ দূও শোনা যাইতেছে। সারিকা (বা সপ্তস্বর)। গজবরের সমরাস সন্ধি গোনা হইল। যখন হাতে করভফল চাপা হইল তখন বত্ৰিশ তন্ত্রীর ধ্বনি সকল দিকে বিত হইল। বাজিল (হেবজ্র) নাচিতেছেন, দেবী গাহিতেছেন, বুদ্ধনাটক বিসম হইতেছে।

     

    লাউ-এর খোলের সাহায্যে তারের বাদ্যযন্ত্রের প্রচলন, সপ্তস্বর, সুরের বিলাস, বত্রিশটি তার, সনৃত্য গান সমস্তই এই গীতটিতে সুস্পষ্ট। জয়দেব-পত্নী পদ্মাবতীও তো স্বামীর গীতগোবিন্দ গাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তালে তালে নাচিতেন, এমন জনশ্রুতি বিদ্যমান; সেই জনশ্রুতি ষোড়শ শতকের মধ্যভাগে কোচবিহার-রাজা নরনারায়ণের ভ্রাতা শুক্লধ্বজের সভাকবি রাম-সরস্বতী তাহার জয়দেব-কাব্যে স্বীকার করিয়া লইয়াছিলেন।

    জয়দেব মাধবীর স্তুতিক বৰ্ণাবে,
    পদ্মাবতী আগত নাচন্তু ভঙ্গিভাবে।…
    কৃষ্ণর গীতক জয়দেব নিগদতি,
    রূপক তালির চেবে পদ্মাবতী।

    নৃত্যের নানা লোকায়ত রূপের পরিচয় পাওয়া যায় পাহাড়পুর এবং ময়নামতীতে প্রাপ্ত পোড়ামাটির ফলকগুলিতে; আর উচ্চকোটি-লোকসমাজে যে ধরনের নৃত্য প্রচলিত ছিল তাহার কিছুটা আভাস পাওয়া যায় সমসাময়িক প্রস্তর-ফলকে উৎকীর্ণ নৃত্যপর ও নৃত্যপরা নানা দেবদেবী, অন্সরা গন্ধৰ্ব নারী, মন্দির-নর্তকী প্রভৃতিদের নৃত্যের গতিতে ও ভঙ্গিমায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135 136 137 138
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাঙালী হিন্দুর বর্ণভেদ – নীহাররঞ্জন রায়
    Next Article পুরাণী – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন রায়

    বাঙালী হিন্দুর বর্ণভেদ – নীহাররঞ্জন রায়

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026
    Our Picks

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }