Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বাঙালীর ইতিহাস (আদিপর্ব) – নীহাররঞ্জন রায়

    নীহাররঞ্জন রায় এক পাতা গল্প1452 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৫. রাষ্ট্রীয় সত্তার স্বাতন্ত্র্য

    রাষ্ট্রীয় সত্তার স্বাতন্ত্র্য

    প্রাচীন বাঙলার রাজবৃত্ত ও রাষ্ট্র জীবনের ধারার কথা এই গ্রন্থের দুটি অধ্যায়ে বিশ্লেষণ করিতে চেষ্টা করিয়াছি। সেই সুবিস্তৃত বিশ্লেষণ হইতে কয়েকটি ইঙ্গিত সুস্পষ্ট ধরা পড়ে।

    সমাজ, ধর্ম ও সাংস্কৃতিক জীবনে যেমন, পূর্ব প্রত্যন্ত দেশ হওয়া সত্ত্বেও রাষ্ট্রীয় জীবনেও তেমনই সমগ্র ভারতবর্ষের সঙ্গে বাঙলাদেশের একটা যোগাযোগ সর্বদা ছিল এবং ভারতীয় রাষ্ট্ৰীয় জীবনে তাহার বড় একটা অংশও ছিল। মৌর্য সম্রাটদের কাল হইতে আরম্ভ করিয়া একেবারে আদিপর্বের শেষ পর্যন্ত সে-সম্বন্ধ কখনও ক্ষুন্ন হয় নাই; বস্তুত, প্রাচীন ভারতবর্ষের ইতিহাস শুধু অবাঙালীর ইতিহাস নয়। পঞ্চম-ষষ্ঠ শতক পর্যন্ত বাঙলার রাষ্ট্ৰীয় ইতিহাস মধ্য-ভারতের বাম বাহু প্রসারণের ইতিহাস এবং তাহার ফল বাঙলার কৌম রাষ্ট্রীয় জীবনে কি পরিবর্তন-বিবর্তন হইতেছে তাহারই ইতিহাস। এই পরিবর্তন-বিবর্তনের কোনও বিবরণ আমাদের সম্মুখে উপস্থিত নাই, তবে প্রান্তের বাহির হইতে কোনও ক্ষমতাবান রাজশক্তি যখন অপরিণত কৌমকেন্দ্ৰিক খণ্ড খণ্ড সংস্থার দিকে হাত বাড়াইয়া বৃহত্তর পরিধির ভিতর সেগুলিকে টানিয়া লইতে চায় তখন স্বাভাবিক কারণেই কী পরিবর্তন-বিবর্তন ঘটিতে পারে তাহা অনুমান করা কঠিন নয়। যাহাই হউক, ষষ্ঠ শতকের শেষ ও সপ্তম শতকের গোড়া হইতেই বাঙলাদেশ দুই বাহু বাড়াইয়া উত্তর-ভারতের বৃহত্তর রাষ্ট্ৰীয় জীবনের উন্মুখর স্রোতে ঝাপাইয়া পড়ে এবং ক্ৰমে ক্ৰমে উত্তর ও দক্ষিণ-ভারতের সাধারণ রাজনৈতিক জীবনে নিজের একটি বিশিষ্ট স্থান করিয়া লয়। অষ্টম ও নবম শতকের বহুলাংশ জুড়িয়া যে তিনটি প্রধান রাষ্ট্রশক্তি সর্বভারতীয় প্ৰভুত্ব ও প্রাধান্যের জন্য লড়িয়াছিল। তাহার মধ্যে একটির কেন্দ্র ছিল বাঙলাদেশে ও আশ্রয় ছিল পাল-রাজবংশ। খুব সম্ভব, এই সময় কিংবা ইহার কিছু আগে, মাৎস্যন্যায়ের কালে বাঙলাদেশ নিজের সস্তানদের ক্রোড়বিচুর্থাৎ করিয়া পঠাইয়াছিল পঞ্জাবের পার্বত্য অঞ্চলে নূতন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করিবার জন্য। দশম শতকে বরেন্দ্ৰভূমির গদাধর রাষ্ট্রকূটরাজ তৃতীয়-কৃষ্ণের সার্বভৌমত্ব স্বীকার করিয়া দক্ষিণ-ভারতে বেলারি জেলায় একটি ক্ষুদ্র সমস্তরাজ্য প্রতিষ্ঠা করিয়াছিলেন। এই শতকে প্রথম-মহীপালের রাজ্য ও রাষ্ট্ৰশক্তি উত্তর-ভারতের অন্যতম শক্তি বলিয়া পরিগণিত হইত। একাদশ শতক হইতে দক্ষিণ-ভারতের সঙ্গে বাঙলার রাজনৈতিক সম্বন্ধ বাড়িয়া যায় এবং ক্রমশ বাঙলাদেশ দক্ষিণী রাষ্ট্ৰীয় প্রভাবের কবলে জড়াইয়া পড়ে। তাহারই ফলে সেনা-বংশের প্রতিষ্ঠা। যাহাই হউক, একদিকে বাঙলার সীমা ডিঙ্গাইয়া সাম্রাজ্য বিস্তার করা এবং তাঁহাকে সৃষ্টি ও শক্তি সম্ভাবনায় পূর্ণ করিয়া তোলা যেমন বার বার বাঙালীর পক্ষে সম্ভব হইয়াছিল, তেমনই জয়-পরাজয়ের ভিতর দিয়া বাঙলাদেশ ভারতের অন্যান্য অংশের সঙ্গে যোগরক্ষা করিতেও পশ্চাদপদ হয় নাই। শুধু রাষ্ট্রীয় সম্বন্ধ আশ্রয় করিয়াই নয়, ব্যাবসা-বাণিজ্য এবং ধর্ম ও সংস্কৃতিগত সম্বন্ধ আশ্রয় করিয়াও বাঙলাদেশ নিখিল ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রক্ষা করিয়া চলিত, কাশ্মীর হইতে সিংহল এবং গুজরাট হইতে কামরূপ পর্যন্ত। ভারতবর্ষের বাহিরে— তিব্বতে, ব্ৰহ্মদেশে, সুবর্ণদ্বীপে, পূর্ব-দক্ষিণ সমুদ্রশায়ী অন্যান্য দেশ ও দ্বীপগুলিতেও— তাহার যোগাযোগ নানা সূত্রে বিস্তার লাভ করিয়াছিল। কাজেই, প্রান্তীয় দেশ বলিয়া প্রাচীন বাঙলাদেশ শুধু তাহার পুকুর পাড়ে, বটের ছায়ে ঘরের দাওয়ায় বসিয়া নিজের ক্ষুদ্র সুখ-দুঃখ লইয়া একান্ত আত্মকেন্দ্ৰিক জীবন যাপন করিত, এমন মনে করিবার কোনও কারণ নাই।

    রাষ্ট্রীয় সত্তার স্বাতন্ত্র্য

    খ্রীষ্টোত্তর তৃতীয়-চতুর্থ শতক হইতে আরম্ভ করিয়া বাঙলার রাষ্ট্ৰীয় ইতিহাসে ওঠা-পড়া ভাঙা-গড়ার শেষ নাই। কিন্তু ভাঙাগড়ার ভিতর দিয়া বাঙলাদেশ একটি রাষ্ট্রীয় আদর্শ সম্বন্ধে সর্বদা সজাগ ছিল— সে তাহার রাষ্ট্রীয় সত্তার স্বীকৃতি। গুপ্ত-পর্বে যখন এই দেশ উত্তরভারতীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত তখনও এই আদর্শ একেবারে বিস্মৃত নয়। কিন্তু শশাঙ্কের সময় হইতেই এ-সম্বন্ধে সচেতনতা বাড়িয়া যায়। আর্যমঞ্জুশ্ৰীমূলকল্প-গ্রন্থে যখন গৌড়তন্ত্রের কথা পড়িতেছি তখন তাহার মধ্যেও এই সচেতনতার সুপরিস্ফুট। পরবর্তীকালে তো স্বাধীন স্বতন্ত্র সত্তার আদর্শ ক্রমশ আরও পরিষ্কার হইয়া উঠিয়াছে, বিশেষত পাল-আমলে। এই স্বাধীন স্বতন্ত্র সন্তার চেতনাই বাঙলার রাষ্ট্রীয় চেতনা। নানা অন্তৰ্দ্ধন্দ্ব, নানা রাষ্ট্ৰীয় কলকোলাহল এই চেতনাকে বার বার বিপর্যস্ত করিয়াছে, কিন্তু বার বারই বাঙলাদেশ সেই আদর্শকে ফিরিয়া পাইতে চেষ্টাও করিয়াছে। প্রাচীন বাঙালীর এই আদর্শের তথা রাষ্ট্ৰীয় সচেতনতার শ্রেষ্ঠ উদাহরণ মাৎস্যন্যায়োৎপীড়িত বাঙালীর গোপালদেবকে রাজপদে নির্বাচন। এই ধরনের সচেতনতা এবং রাষ্ট্রীয় শুভবুদ্ধির দৃষ্টান্ত ভারতবর্ষের ইতিহাসে বিরল।

    অথচ এই আদর্শ খণ্ডিতও হইয়াছে বার বার নানা আঞ্চলিক চেতনাসঞ্জাত অনৈক্য ও অন্তৰ্দ্ধান্দ্বের ফলে এবং তাহার ফলে বার বার জাতীয় জীবন বিপন্নও হইয়াছে। এই অনৈক্য ও অন্তৰ্দ্ধান্দ্বের মূলে যে শক্তি ছিল সক্রিয়, তাহা সামন্তন্ত্রের; বস্তুত আঞ্চলিক সামন্তরাই নেতৃত্ব ও সংঘশক্তিতে স্থায়ীভাবে কখনও সবল ও সমৃদ্ধ হইতে দেন নাই, দীর্ঘস্থায়ী অখণ্ড রাজ্য এবং রাষ্ট্রও গড়িতে দেন নাই।

    যাহাঁই হউক, প্রাচীন বাঙালীর স্বতন্ত্র রাষ্ট্ৰীয় সত্তার চেতনা যত প্ৰবলই হউক না কেন, সে চেতনা তাহার সর্বভারতীয় চেতনাকে নিরস্তু করিয়া রাখে নাই; অন্তত শশাঙ্ক হইতে আরম্ভ করিয়া ধর্মপাল-দেবপাল পর্যন্ত ভারতবৃদ্ধি অক্ষুন্ন। প্রান্তীয় স্বাতন্ত্রা সত্ত্বেও রাজনৈতিক দৃষ্টিটি ভারতব্যাপী। কিন্তু, পাল-পর্বের দ্বিতীয় পর্যায় হইতেই যেন রাষ্ট্ৰীয় দৃষ্টি সংকীর্ণ হইয়া আসিতেছে, নিজের প্রান্তীয় স্বতন্ত্র সত্তা এবং প্রান্তীয় লাভক্ষতিটাই যেন বড় হইয়া দেখা দিতেছে। বৈদেশিক মুসলিম অভিযাত্রীরা যখন সীমান্ত প্রদেশ, সিন্ধু ও পঞ্জাব অধিকার করিয়া ফেলিয়াছে, উত্তর-ভারতের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিচ্ছিন্ন হিন্দুরাজশক্তি যখন মুসলিম অভিযাত্রীদের ঠেকাইয়া রাখিবার প্রাণান্তকর সংগ্রামে রত তখন মহীপালের আচরণ, অথবা পরে গাহিড়বাল রাজশক্তিকে দুর্বল করিবার মধ্যে লক্ষ্মণসেনের যে-আচরণ তাহাতে তো মনে হয়। ভারতবুদ্ধি অপেক্ষা প্রান্তীয় সচেতনতাটাই ছিল প্রবলতর, অন্তত এই পর্বে।

    ধর্ম ও রাষ্ট্র

    প্রাক-আর্য নানা কৌম ধর্মবিশ্বাস ও অনুষ্ঠান ব্রাহ্মণ্য ধর্মের নানা মত, পথ ও অনুষ্ঠান, বৌদ্ধধর্ম, জৈনধর্ম প্রভৃতির নানা আদর্শ ও আচার উচ্চকোটি ও লোকায়াত স্তরের বাঙালী জীবনে প্রচলিত ছিল। ধর্মমত ও পথ লইয়া বাদ-বিসংবাদ কলহ-কোলাহল ছিল না। এমন বলা যায় না; ধর্মমত বা বিশ্বাস বা বিশেষ কোনও সম্প্রদায়গত আচারানুষ্ঠানের জন্য কেহ কখনো হয়তো রাজার বা রাষ্ট্রের রোষাকর্ষণও করিয়া থাকিবেন, যদিও প্রাচীনতর কালে তেমন প্রমাণ কিছু জানা নাই। রাজা এবং রাজবংশের লোকেরা যে যাহার ইচ্ছা ও বিশ্বাসানুযায়ী এক এক ধর্মের অনুসরণ করিতেন, পোষকতাও করিতেন; হয়তো কখনো কখনো অন্য ধর্মের প্রতি বিদ্বিষ্ট হইয়া অনিষ্ট সাধনের চেষ্টা ও কপিয়া থাকিবেন। সব সময়ই যে পরধর্মবিদ্বেষ হেতুই তাহা হইত, এমনও বলা যায় না; কখনো কখনো তাহার পশ্চাতে অনুক্ত রাষ্ট্রীয় বা সামাজিক কারণও সক্রিয় থাকিত, সন্দেহ নাই। তৎসত্ত্বেও সাধারণভাবে এ-কথা বলা চলে যে, রাজা বা রাজবংশের ব্যক্তিগত ধর্ম যাহাই হউক না কেন, তাহাতে রাষ্ট্র বা রাষ্ট্রের নীতি, আদর্শ ও সংস্থার কোনও পরিবর্তন ঘটে নাই; জনসাধারণের দৈনন্দিন জীবনযাত্ৰাও রাজার বা রাজবংশের ধর্ম দ্বারা প্রভাবিত হয় নাই। অন্তত পাল-পর্ব পর্যন্ত এই আদর্শ অক্ষুঃ। সেনা-বর্মণ পর্বে খুব সম্ভব এই আদর্শের ব্যত্যয় কিছু ঘটিয়াছিল; এই পর্বের একাধিক রাষ্ট্রনায়ক পরধর্ম সম্বন্ধে যে-ভাষা ব্যবহার ও যে মনোবৃত্তি প্রকাশ করিয়াছেন তাহাতে এই সন্দেহ জাগা কিছু বিচিত্র নয় এবং হয়তো তাহার ফলে রাষ্ট্রে ও রাজনৈতিক ক্রিয়াকর্মে ধৰ্মগত সংকীর্ণতার কিছুটা স্পর্শ লাগিয়া থাকিবে। তাহার প্রমাণ যে একেবারে নাই, এমন নয়!

    পতন ও অবসানের হেতু

    বাঙলাদেশে, তথা সমগ্র উত্তর-ভারতে হিন্দুরাষ্ট্র ও রাজত্বের পতন ও অবসানের প্রধান কারণ ব্যক্তিগত সাহস বা শৌর্যবীর্যের অভাব নয়; সে-কারণ রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব এবং সঙ্ঘশক্তির অভাব, এবং তাহার হেতু একাধিক। কৌমচেতনা, আঞ্চলিক চেতনা, সামন্ততন্ত্র, বর্ণবিন্যাসের অসংখ্য স্তরভেদ, সংকীর্ণ স্থানীয় রাষ্ট্রবুদ্ধি প্রভৃতি সমািপ্তই তাহার মূলে; এ সব কথা বিস্তুত র্যাখ্যার কোনও অপেক্ষা রাখে না। দ্বিতীয়ত, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরিয়া প্রাচীন বঙ্গদেশে, তথা ভারতবর্ষে চিরাচরিত চতুরঙ্গব্বল-রণপদ্ধতির কোনও পরিবর্তন ঘটে নাই। খ্ৰীষ্টপর্ব চতুর্থ শতকে আলেকজান্দারের অভিযান ও রণপদ্ধতি হইতে যে উন্নত ওর শিক্ষা গ্ৰহণ করা উচিত ছিল, ভারতবর্ষ তাহা করে নাই। প্ৰায় দেড় হাজার বৎসর ধরিয়া সৈন্যচালনা এবং চতুরঙ্গবলসজ্জা ও ব্যবহারের পদ্ধতি মোটামুটি একই থাকিয়া গিয়াছে। তাহার ফলে দুর্ধর্ষ মুসলিম অভিযাত্রীরা যখন বিদ্যুৎগামী অশ্বপষ্ঠে চড়িয়া বর্শা ও তরবারি হতে শ্লথগতি হস্তাশ্বরথাপদাতিক বাহিনীর বৃহের উপর ঝাপাইয়া পড়িত তখন সৈন্যাধ্যক্ষ বা সেনাবাহিনীর ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগত শৌর্যবীর্য বিশেষ কোনও কাজে লাগিতা না, বিপর্যয় ঘটিত অতি সহজেই; তৃতীয়ত, বহুদিন একটি সুপ্রাচীন সমৃদ্ধ সভ্যতা ও সংস্কৃতির এবং সুপ্রতিষ্ঠিত, সুবিন্যস্ত সমাজ ও রাষ্ট্রবিন্যাসের মধ্যে জীবনযাপনের ফলে ভারতবাসীর দহমানে এক ধরনের সনাতনী নিশ্চিস্ততা ও ভাগনির্ভরতার ধূসর আকাশ বিস্তুতি লাভ করিয়ছিল। অন্যদিকে, যে সব মুসলিম অভিযাত্রীর দল তরঙ্গের পর তরঙ্গে ভারতবর্ষের বুকের উপর ঝাপাইয়া পড়িতেছিল। তাহারা বয়সে নবীন; মারু ও পাহাড়ের প্রাকৃত্তিক ও সামাজিক আবেষ্টনে তাহাদের দেহমান দৃঢ় ও কঠোর; খাদ্য ও ধনলুণ্ঠন তাঁহাদের অন্যতম জীবনোপায়; নূতন জীবনভূমি আবিষ্কারে তাহারা বদ্ধপরিকর।; পরধর্মের প্রতি তাহাদের অপরিমেয় বিদ্বেষ এবং সর্বোপরি তাহারা সংগ্রামোন্মত্ত। দশম হইতে দ্বাদশ শতকে উত্তর-ভারতে যে নিরবসর সংগ্রাম তাহা দুই ভিন্নমুখী, বিপরীত চরিত্রের জীবনপ্রবাহের সংগ্রাম। ভারতবর্ষের জীবনপ্রবাহ অন্যতর প্রবাহকে ঠেকাইতে পারিত যদি তাহার নেতৃত্ব থাকিত, সংঘশক্তি থাকিত, রণপদ্ধতি উন্নততর হইত, রাষ্ট্ৰীয় দৃষ্টি দূরপ্রসারী হইত, জাতীয় চরিত্র আত্মশক্তিনির্ভর হইত, সমাজবিন্যাসে ভেদবুদ্ধি না থাকিত এবং দেহগত বিলাসব্যসনে সমাজ নিরক্ত, নিবীৰ্য না হইত। এ-সব কথার সবিস্তারে আলোচনা রাজবৃত্ত, ও অন্যান্য প্রসঙ্গে করিয়াছি; এখানে আর পুনরুক্তি করিয়া লাভ নাই। দ্বাদশ শতকের বাঙলাদেশে কোনও প্রকার প্রতিরোধের মনোবৃত্তি যে ছিল না। তাহা সুস্পষ্ট + বিজয়ী যবনবীরের প্রশস্তি গাহিয়া উমাপতিধর যে শ্লোক রচনা করিয়াছিলেন, তাহাঁই তাহার একমাত্র প্রমাণ নয়। রামাই পণ্ডিতের শূন্যপুরাণ এখন যে-রূপে পাইতেছি। তাহা খুব প্রাচীন না হইলেও তাহাতে, তুর্কী-বিজয়ের অব্যবহিত পরে বাঙালী হিন্দুর মনোভাবের একটু পরিচয় পাওয়া যায়।

    ধর্ম হৈলা যাবনরূপী শিরে পরে কাল টুপী
    হাতে ধরে ত্রিকচ কামান
    ব্ৰহ্ম হৈলা মহম্মদ বিষ্ণু হৈলা পেগম্বর
    মহেশ হইল বাবা আদিম
    দেখিয়া চণ্ডিকা দেবী তেঁত তুইল হায়া বিবি।

    স্পষ্টই বুঝা যাইতেছে, জাতির মানসক্ষেত্ৰ নানাভাবে আগে হইতেই এই বিপর্যয়ের জন্য প্রস্তুত হইতেছিল। মুসলিম অভিযাত্রীরাই তো কল্কি-অবতার এবং অশ্বারূঢ় এই অবতারের আগমনের জন্য দূরদৃষ্টিহীন সংকীর্ণবুদ্ধি ভাগ্যনির্ভর ধর্মোপদেষ্টারা আগে হইতেই দেশের লোকের চিত্তভূমি তৈরি করিতেছিলেন। মুসলমানেরা যখন আসিয়া পড়িলেন তখন বিহ্বল বিক্ষিপ্ত জনচিত্তকে বুঝাইতে কষ্ট হইল না যে, ইহাই বিধাতার অমোঘ বিধান, কল্কি-অবতার তো আসিবেনই! দেশের ভিতরে এই অবস্থা; আর, বাহির হইতে অভিযানের পর অভিযানে যাঁহারা আসিতেছিলেন তাহদের কাছেও যে এই অবস্থা একেবারে অজ্ঞাত ছিল, এমন মনে হয় না। সোমনাথ-মন্দির হইতে আরম্ভ করিয়া প্রাচ্য-ভারতের বিহার ধ্বংস ও লুণ্ঠন যে শুধু রক্তের নেশায় এবং ধনরত্নের লোভেই, হয়তো তাহা নয়; অন্য উদ্দেশ্যও হয়তো ছিল এবং সে-উদ্দেশ্য জাতির নিগূঢ় চেতলার গভীর স্থানটিতে আঘাত হানিয়া তাহাকে নিরাশ, বিহ্বল ও বিপর্যস্ত করিয়া দেওয়া। সজ্ঞান সচেতন উদ্দেশ্য যে তাহাঁই ছিল এমন কোনও প্রমাণ নাই; কিন্তু ফলত যে তাহাই হইয়াছিল। তাহাতে আর সন্দেহ কী?

    সমাজদূষ্টির সংকীর্ণতা

    শেষ পর্যায়ের সামাজিক দৃষ্টি যে সংকীর্ণ হইয়া আসিতেছিল তাহার প্রমাণ তো ইতস্তত বিক্ষিপ্ত; নানাপ্রসঙ্গে তাহা উল্লেখও করিয়াছি। পাল-পর্বের মাঝামাঝি পর্যন্তও দেখিতেছি, বাঙলাদেশ আন্তর্দেশিক বৌদ্ধধর্মকে আশ্রয় করিয়া এবং কিছুটা ব্যাবসা-বাণিজ্যকে আশ্রয় করিয়া দেশবিদেশের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করিয়াছিল। তাহার ফলে রাষ্ট্রের দৃষ্টি কখনো একান্তভাবে প্রান্তীয় স্থানীয় সীমার মধ্যে আবদ্ধ হইয়া পড়িতে পারে নাই, গ্রামের ও নগরের সমাজও একান্তভাবে কুপমণ্ডুকতাকে এবং ঐকান্তিক ভাগ্যনির্ভরতাকে প্রশ্রয় দিতে পারে নাই। তাহা ছাড়া, বর্ণ-বিন্যাস ও ধর্মকর্ম-অধ্যায়ে সবিস্তারে দেখাইতে চেষ্টা করিয়াছি, পাল-পর্বের শেষ পর্যায়ে, বিশেষভাবে সেন-বৰ্মণ পর্যয়ে মধ্যভারতীয় স্মৃতিশাসন এবং দক্ষিণী-রক্ষণশীল মনোবৃত্তি ক্রমশ বাঙলাদেশে বিস্তার লাভ করিয়া বাঙালীর সমাজকে স্তরে উপস্তরে ভাগ করিয়া এবং সমাজে পুরোহিত-প্রাধান্যের প্রতিষ্ঠা করিয়া সমাজের ও রাষ্ট্রের সামগ্রিক দৃষ্টিকে আচ্ছন্ন করিয়া দিয়াছিল। তাহার ফলে সমাজ ও রাষ্ট্রজীবন উত্তরোত্তর প্রান্তীয় সীমার মধ্যেই নিজের সার্থকতা লাভের চেষ্টায় আত্মনিয়োগ করিল। নানাদিক হইতে ব্যাহত হইয়া জীবনযুদ্ধে পর্যুদস্ত হইয়া ভাগ্যনির্ভরতা অর্থাৎ জ্যোতিষ এবং নানাপ্রকারের বিধিনিষেধই তাহার প্রধান আশ্রয় হইয়া দাঁড়াইল! দিগ্নিদিকে বিছুরিত হইবার, নানা কর্মে লিপ্ত হইবার সুযোগ যেখানে নাই সেখানে জীবন আত্মকেন্দ্ৰিক হইবে, ভাগ্যনির্ভর হইবে, রক্ষণশীল হইবে, ইহা কিছু বিচিত্র নয়! বিচিত্র সংগ্রাম, বিচিত্র প্রচেষ্টা, ব্যাবসা-বাণিজ্য, দুঃসাহসিক আবিষ্কার-অভিযান, ধান-মনন, অপরিমেয় শক্তি, উদ্যম, বিশ্বাস প্রভৃতি যেখানে নিরস্ত ও নিঃসুযোগ, জীবন যেখানে বিধিবদ্ধ ও গতানুগতিক সেখানে ভাগ্য এবং পরাজয়ী মনোবৃত্তি রাষ্ট্র এবং সমাজের দৃষ্টিকে গ্রাস করিবে, ইহাই তো স্বভাবের নিয়ম। এই ভাগ্যনির্ভরতা এবং জীবনের স্তিমিত গতি প্রধানতম সমর্থন পাইয়াছিল সমসাময়িক সমাজের ঐকান্তিক ভূমি ও কৃষিনির্ভরতা হইতে। দিনের পর দিন রৌদ্র-বৃষ্টি-কড়ি, প্রকৃতির নানা ভুকুটি প্রভৃতির সঙ্গে লড়িয়া যে-কৃষক মাঠে সোনার শস্য ফলায় এবং হঠাৎ যখন একদিন দুই দণ্ডের শিলাবৃষ্টির ফলে সেই সোনার ধান ঝরিয়া যায় মাটিতে মিশিয়া, অথবা অনাবৃষ্টি বা অতিবৃষ্টিতে যায় ধ্বংস হইয়া এবং তখন যাহার আশ্রয় করিবার মতো অন্য জীবনোপায় কিছু নাই, প্ৰতিকারের শক্তিও যাহার নাই সে তো ভাগ্যনির্ভর হইবেই, আত্মশক্তিতে বিশ্বাস হারাইবেই। তাহা ছাড়া, কৃষিনির্ভর জীবন তো স্বাভাবিক কারণেই আঞ্চলিক ও রক্ষণশীল এবং পরিবার-গোষ্ঠী-গ্রাম-প্ৰান্ত লইয়াই সে-জীবন স্বয়ংসম্পূৰ্ণ; বৃহত্তর, পরিব্যাপ্ত এবং বৈচিত্ৰ্যময় উন্মুখর জীবনের প্রয়োজনও তাহার কাছে স্বল্প। এই ধরনের জীবনের শান্ত, স্নিগ্ধ, স্তিমিত সৌন্দৰ্য-মাধুর্য নিশ্চয়ই আছে এবং বাহির হইতে শক্তিমান, প্রখর ও প্রবল জীবনস্রোতের আঘাত কিছু না লাগিলে এই জীবনের আয়ু অর্থাৎ স্থায়িত্ব এবং শক্তিও কিছু কম নয়, কিন্তু তেমন আঘাত যখন লাগে তখন বিপর্যয় অবশ্যম্ভাবী; এবং বিপর্যয়ের ফলে রাষ্ট্রশক্তি ও সমাজশক্তি দুয়েরই ভিতর ফাটলও অনিবার্য। এয়োদশ শতকে বাঙালী-জীবনের বিপর্যয় এই কারণেই। কিন্তু বিপর্যয় যাহারা ঘটাইল সেই মুসলিম অভিযাত্রীরা সামরিক শক্তিতেই শুধু দুর্ধর্ষ ছিলেন; তাহারা যখন শাসক অর্থাৎ রাষ্ট্রের কর্ণধার হইয়া বসিলেন তখন কিন্তু গ্রামকেন্দ্ৰিক কৃষিনির্ভর জীবনে কোনও পরিবর্তন দেখা দিল না, জীবনের নূতন কোনও বিস্তারও ঘটিল না, না। শিল্প-ব্যাবসা-বাণিজ্যে, না দুঃসাহসী কোনও আবিষ্কার-অভিযানে, না ধ্যানে, না মননে। কাজেই মধ্য-পর্বের সুদীর্ঘ শতাব্দীর পর শতাব্দী জুড়িয়া বাঙালীর ভাগ্য বা দৈবনির্ভরতাও ঘুচিল না, আত্মশক্তিতে বিশ্বাসও ফিরিয়া আসিল না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135 136 137 138
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাঙালী হিন্দুর বর্ণভেদ – নীহাররঞ্জন রায়
    Next Article পুরাণী – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন রায়

    বাঙালী হিন্দুর বর্ণভেদ – নীহাররঞ্জন রায়

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }