Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বাঙালীর ইতিহাস (আদিপর্ব) – নীহাররঞ্জন রায়

    নীহাররঞ্জন রায় এক পাতা গল্প1452 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৮. সংযোজন – শিল্পকলা

    সংযোজন – শিল্পকলা

    গত পঁচিশ ত্ৰিশ বছরের ভিতর প্রাচীন বাঙলার নানা জায়গা থেকে পোড়ামাটির প্রচুর ফলক, পাথর ও মিশ্র ধাতুর তৈরি প্রচুর মূর্তি ও প্রতিমা এবং সংখ্যায় বেশ কিছু নূতন সচিত্ৰ পাণ্ডুলিপি আমাদের গোচরে এসেছে। এ-সব নূতন আবিষ্কার তথ্যের দিক থেকে নিশ্চয়ই মূল্যবান, এবং সেই হেতু আমাদের জ্ঞাতব্য। এই কারণেই গ্ৰন্থ-শেষের চিত্র-সংগ্রহে দেখা যাবে, মাত্র কয়েকটি পুরাতন নিদর্শন ছাড়া আর যত শিল্প-নিদর্শন ছাপা হয়েছে তা সবই প্রায় নূতন আবিষ্কার; শুধু তাই নয়, এ-সব নিদর্শনের অধিকাংশ এখনও সর্বজনের গোচরে আসেনি। কিন্তু কোনও আবিষ্কার, কোনও তথ্যই এমন নয় যে, গ্রন্থের প্রথম সংস্করণে বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-প্রকাশিত History of Bengal, vol. 1-3 real exists firsfrégis &fs2.itis (R-Kists (sett বলেছিলাম , যে-রেখাঙ্কন করেছিলাম, রূপ (form) ও প্রসঙ্গের (content-র) যে-বৰ্ণনা ও ব্যাখ্যা দিয়েছিলাম তাতে কিছু সংশোধন বা পরিবর্তন প্রয়োজন হতে পারে। যা কিছু নূতন তথ্য জানা গেছে তা শুধু আগেকার বক্তব্যের পরিপূরক মাত্র। তবে, তথ্যমাত্র হলেও মৃৎশিল্পে, ধাতব প্রতিমাশিল্পে এবং চিত্রশিল্পে গত পঁচিশ-ত্রিশ বছরে গুণে ও পরিমাণে অর্থবহ এমন নূতন তথ্য আবিষ্কৃত হয়েছে যে, অন্তত এ-তিনটি বিষয় কিছু কিছু সংযোজন প্রয়োজন মনে করছি। স্থাপত্যশিল্প সম্বন্ধেও হয়তো দু-চার কথা বলা প্রয়োজন হতে পারে।

    মৃৎশিল্প

    চন্দ্ৰকেতুগড়ে ও ময়নামতী-লালমাই পাহাড়ে প্রত্নখননের ফলে এবং তাম্রলিপ্তের সুবিস্তীর্ণ সমতলে প্রত্নানুসন্ধানের ফলে অগণিত পোড়ামাটির ছাচে ঢালা ফলক ও হাতে গড়া নানা শিল্পনিদৰ্শন আবিষ্কৃত হয়েছে, তবে হাতে-গড়া নিদর্শন সংখ্যায় বেশি নয়। তাম্রলিপ্ত ও চন্দ্ৰকেতুগড়ে যা পাওয়া গেছে, শিল্পশৈলীর উপর নির্ভর করে সাধারণ ভাবে বলা যায়, তা সবই নির্মিত হয়েছিল খ্ৰীষ্টপূর্ব তৃতীয় শতক থেকে শুরু করে খ্ৰীষ্টীয় পঞ্চম শতকের ভেতর, তবে অধিকাংশই, দশভাগের আট ভাগ, কি তারও বেশি, খ্ৰীষ্টপূর্ব প্রথম থেকে খ্ৰীষ্টীয় তৃতীয় শতাব্দীর ভেতর, অর্থাৎ তথাকথিত শুঙ্গ-শক-কুষাণ আমলে, বিশেষ ভাবে খ্ৰীষ্টীয় দ্বিতীয়-তৃতীয়-চতুর্থ শতকে, যখন এই দুই সামুদ্রিক বন্দরে ভারত-রোম বাণিজ্যের সমৃদ্ধ বিস্তার ও তার আনুষঙ্গিক নাগরিকতার গভীর প্রভাব। ফর্ম বা রূপে হয়তো তেমন নয়, কিন্তু কনটেনট বা বিষয়বস্তুতে এ-দুয়েরই প্রভাব কিছুতেই দৃষ্টি এড়াবার কথা নয়, না চন্দ্ৰকেতুগড়ে, না তাম্রলিপ্ততে। গ্রন্থের শেষে মৃৎশিল্পের যে-সব প্রতিলিপি মুদ্রিত হয়েছে তার ভেতরও অনেক নিদর্শন আছে যাতে এ-প্রভাব সুস্পষ্ট। চিত্র-পরিচিতিতে তার ইঙ্গিত রাখতে চেষ্টা করবো। বেশ কিছু ফলকের শীর্ষদেশে বা পেছনে উপরের দিকে এক বা একাধিক ছিদ্র থেকে অনুমান হয়, ফলকগুলির ব্যবহার হতো ঘরের দেয়াল বা কুলুঙ্গী সাজাবার জন্য, এবং সে সব ঘর তাম্রলিপ্ত ও চন্দ্ৰকেতুগড়ের (Gange বন্দরের?) নাগরিকদের। এ-গ্রন্থের প্রথম সংস্করণেই বলেছিলাম, নূতন আবিষ্কারগুলো দেখে আবার বলছি, এ-যুগের, অর্থাৎ শুঙ্গান্ত শক-কুষাণ আমলের (প্রথম থেকে প্রায় চতুর্থ খ্ৰীষ্টীয় শতকের প্রথমার্ধ পর্যন্ত) মৃৎফলকগুলির বিষয়বস্তুতে, অলংকরণে, কেশবিন্যাসে, পরিধেয়-বিন্যাসে এবং সাধারণ ভাবে ও রূপে যে রুচির পরিচয় স্বপ্ৰকাশ তা স্পষ্টতই নগর রুচি, কৃষিজীবী বা ছোট কারুজীবী গ্রামবাসীর গ্রামীণ রুচি নয়। এই নগর রুচিই গুপ্ত আমলের মৃৎশিল্প পর্যন্ত বিস্তৃত।

    তবে, সপ্তম-অষ্টম শতকের পাহাড়পুরের এবং অষ্টম-নবম দশম শতকের ময়নামতীর মৃৎশিল্প নিদর্শনগুলি সদ্যোক্ত মৃৎশিল্পের সমগোত্রীয় নয়; ভাবে, রূপে ও রীতিতে পাহাড়পুর ও ময়নামতীর মৃৎশিল্পের চরিত্র ভিন্নতর। কী শিল্পীরূপে কী বিষয়বস্তুতে এদের উপর লোকায়ত জীবনের প্রতিফলন সুস্পষ্ট, তা পাহাড়পুরের বর্ণনাত্মক শিল্পেই হোক বা ময়নামতীর স্থাপত্যালংকরণে পশুপক্ষীর বিচিত্ৰ কল্পিত শিল্পীরূপেই হোক। স্মরণ রাখ, ভালো যে, এই শিল্পদ্রব্যগুলি ব্যবহৃত হয়েছিল বাণিজ্য-নগরে গৃহের শোভাবর্ধনের জন্য নয়, দু-টি বৌদ্ধ ধর্মপ্ৰতিষ্ঠানের মন্দির-বিহারের প্রাচীর সজ্জার জন্য।

    মৌর্য-পর্বের মৃৎশিল্প নিদর্শন স্বল্প হলেও কিছু কিছু পাওয়া গেছে তাম্রলিপ্ত ও চন্দ্ৰকেতুগড় উভয় জায়গা থেকেই। আবক্ষ যক্ষিণী মূর্তির মুখাবয়ব ও তার গড়ন, তার মোটা ও ভারী কনের গয়না এবং তার পর্যাপ্ত কেশদামের বিন্যাস অনিবার্য ভাবে প্রাচীন পাটালীপুত্রের ধ্বংসাবশেষ থেকে আহৃত যক্ষিণী মূর্তিগুলির কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। ঠিক শুঙ্গ আমলের নয়। কিন্তু কেশবিন্যাসে, শিরোভূষণে, অলংকরণে শুঙ্গ লক্ষণযুক্ত প্রচুর ব্যক্ষিণী মূর্তি আহৃত ও আবিষ্কৃত হয়েছে। এ দু-জায়গা থেকেই। ভূষণালংকারের প্রাচুর্য, যৌনপ্রতীকের প্রাধান্য ও কোনও কোনও ফলকে শস্য বা মাছের প্রতীকের ব্যবহার থেকে স্বভাবতই মনে হয়,শ্ৰীষ্টীয় দ্বিতীয়-তৃতীয় শতকের এই ফলকগুলি প্রায়শ প্রজনন-শক্তির, প্রাচুর্যের, শ্ৰী বা লক্ষ্মীর প্রতীক বলেই গণ্য করা হতো। কোনও কোনও ফলকে পুরুষ ও নারীর পরিধেয় বিন্যাসের রীতি গন্ধার শিল্পের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়, আবার কোনও কোনও ফুলকে পুরুষের দেহের গড়ন ও দেহভঙ্গি স্মরণ করিয়ে দেয়। কুষাণ-শিল্পের কথা বা উত্তর-পশ্চিম সীমান্তের গ্রেকো-রোমান শিল্পের কথা। তাম্রলিপ্তের অনেক ফলকে গ্রেকো-রোমান শিল্পের প্রভাব অত্যন্ত স্পষ্ট, আর চন্দ্রকেতুগড়ে পদযুগল-সহ যে-পাদুকা জোড়ার মৃৎপ্রতিলিপিটি পাওয়া গেছে তা যে গ্রেকো-রোমান তাতে সন্দেহ করবার কোনও কারণ নেই, পদযুগলটি যারই হোক। বস্তুত, এ-দুই বন্দরের ধ্বংসাবশেষের ভেতর কুষাণ-আমলের, অর্থাৎ দ্বিতীয়-তৃতীয় শতকের অসংখ্য মৃৎফলকে মথুরা অঞ্চলের শিল্পীরূপের প্রভাবের চেয়েও গন্ধার অঞ্চলের শিল্পের প্রভাব যেন বেশি সক্রিয় বলে মনে হয়। তাম্রলিপ্তে কয়েকটি ফলক পাওয়া গেছে যার বিষয়বস্তু বৌদ্ধ জাতকের গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে, এবং একটি মৃৎভাণ্ড পাওয়া গেছে যার স্কন্ধগাত্র ঘিরে ধারাবাহিকতায় রামায়ণের একটি কাহিনী বর্ণনা করা হয়েছে। জাতক-ফলকগুলি নিঃসন্দেহে খ্ৰীষ্টীয় প্রথম-দ্বিতীয় শতকের, কিন্তু মৃৎভাণ্ডের নিচু রিলিফটির শিল্পীরীতি দেখে মনে হয়, ভাণ্ডটি একাদশ-দ্বাদশ শতকের আগে তৈরি হয়নি, যখন বন্দর হিসেবে তাম্রলিপ্তের অস্তিত্ব আর কিছু ছিল না। অষ্টম-নবম-দশম শতকীয় ময়নামতীর মৃৎশিল্প সম্বন্ধে নূতন করে বলবার কিছু নেই; এ-শিল্প মোটামুটি ভাবে পাহাড়পুরের সমসাময়িক মৃৎশিল্পেরই অনুরূপ। তবে, একটি নিদর্শনের প্রতি পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যেতে পারে; এই ফলকটি পাওয়া গেছে ময়নামতীর শালবন-বিহারের ধ্বংসাবশেষের ভেতর থেকে, এবং এতে রূপায়িত হয়েছেন হয় কোনও বোধিসত্ত্ব অথবা কোনও রাজকুমার। প্রচুর অলঙ্কারশোভিত, কুঞ্চিত ও দুল্যমান কেশদামযুক্ত, মুকুটপরিহিত, সুঠাম ও সুমণ্ডিতদেহ এই নরমূর্তিটি নবম শতকীয় প্রস্তর-ভাস্কর্যেরই মৃৎশিল্পানুবাদ বা প্রতিরূপ ՀԱՀ।।

    পাঠ-পঞ্জি

    তাম্রলিপ্তে মৃৎশিল্প-নিদর্শন পাওয়া গেছে। প্রচুর। এই নিদর্শনগুলি প্রধানত আশুতোষ মুজিয়ুম, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব দপ্তরের সংগ্রহশালা এবং তাম্রলিপ্ত সংগ্রহশালায় রক্ষিত আছে। তাম্রলিপ্তের মৃৎশিল্প নিয়ে ছোট ছোট ইংরেজি ও বাঙলা নিবন্ধ এদিক-সেদিক কিছু কিছু প্রকাশিত হয়েছে, তাম্রলিপ্ত সংগ্রহশালা থেকে একটি প্রচার-পুস্তিকাও প্রকাশ করা হয়েছে, কিন্তু এই অতি মূল্যবান আবিষ্কার নিয়ে বিশদ আলোচনা আজও কিছু হয়নি, প্রামাণিক গ্ৰন্থও লেখা হয়নি। চন্দ্ৰকেতুগড়ের নিদর্শনও কিছু কম সুপ্রচুর নয়; সেগুলি রক্ষিত আছে প্রধানত আশুতোষ মুজিয়ুমে এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব-দপ্তরের সংগ্রহশালায়। এগুলো নিয়ে কিছু কিছু ইংরেজি বাঙলা নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে; তার ভেতর থেকে দু-তিনটি উল্লেখ করা যেতে পারে,

    *RM, Dasgupta, P.C., “Early Terracottas from Chandraketugarh” in Lalit Kala (Historical), no. 6. October, 1959; Chakravorty, D. K. “Some inscribed Terracotta Sealings from Chandraketugarh” in Journal of the Numismatic Society of India, XXXIX, Parts।-l, 1977; Ray, Niharranjan, “Chandraketugarh, a Port-city of Bengal; its Art and Archaeology”, in Pushpanjali, an annual volume on Indian art and culture, Bombay, 1980.

    ধাতব প্রতিমা-শিল্প

    প্রস্তর-ভাস্কর্যের প্রচুর নিদর্শন ইতিমধ্যে প্রাচীন বাঙলার নানা স্থান থেকে আবিষ্কৃত হয়েছে, এখনও হচ্ছে। কিন্তু আগেই বলেছি, এ-সম্বন্ধে শিল্পরূপ ও রীতির দিক থেকে নূতন কিছু বলবার নেই। গ্ৰন্থশেষের চিত্ৰ-সংগ্রহে এই সব নূতন আবিষ্কারের অনেকগুলি নিদর্শনের ফটো-প্রতিলিপি মুদ্রিত হয়েছে এবং চিত্র-পরিচিতিতে সংক্ষিপ্ত পরিচয়ও দেওয়া হয়েছে। ধাতব মূর্তিশিল্প সম্বন্ধেও প্রায় একই উক্তি করা যেতে পারে।

    তবে, ইতিমধ্যে ময়নামতীর ধ্বংসাবশেষ থেকে, চট্টগ্রাম জেলার ঝেওয়ারী গ্রাম থেকে এবং পশ্চিমবঙ্গের দু-একটি জায়গা থেকে বেশ কিছু ধাতব প্রতিমা-শিল্পের উল্লেখযোগ্য নিদর্শন আবিষ্কৃত হয়েছে। এই নিদর্শনগুলির কথা কিছু বলতেই হয়।

    ঝেওয়ারীর আবিষ্কার এ—গ্রন্থের প্রথম সংস্করণ প্রকাশের অনেক আগেই হয়েছিল; সে-সংস্করণের একাধিক জায়গায় তার উল্লেখও ছিল, কিন্তু ধাতব প্রতিমাগুলি সম্বন্ধে শিল্পকলা অধ্যায়ে বিশেষভাবে কিছু বলিনি। এখন দু-চার কথা বলা প্রয়োজন মনে করছি এবং সে-উদ্দেশে বর্তমান সংস্করণের চিত্ৰ-সংগ্রহে তিনটি নিদর্শনের প্রতিলিপি মুদ্রিত হচ্ছে। এই নিদর্শন তিনটিকে ঝেওগারীর শ্ৰেষ্ঠ তিনটি প্রতিনিধি বলে মনে করা যেতে পারে। এদের একটি সমপদস্থানে দণ্ডায়মান, অভয়মুদ্রালাঞ্ছিত বুদ্ধমূর্তি; দ্বিতীয়টি, লীলাসনোপবিষ্টা, মুকুট ও বিচিত্রীলংকারশোভিত, প্রসারিত দক্ষিণকরকমলে ধনভাণ্ড ও বামহস্তে শস্যশীর্ষধুতা মহাযান বৌদ্ধদেবী বসুধারা; এবং তৃতীয়টি ধ্যানাসনোপবিষ্ট, ভূমিস্পর্শমুদ্রালাঞ্ছিত বুদ্ধ। প্রথম ও দ্বিতীয়টি স্পষ্টতই দশম শতকীয় পূর্ব-ভারতীয় প্রস্তর-ভাস্কর্য শিল্পীরূপের ধাতব অনুবাদ। তৃতীয়টি একাদশ শতকে নির্মিত হয়েছিল বলে আমার অনুমান, কিন্তু সমকালীন পূর্বভারতীয় প্রস্তর বা ধাতব শিল্পের রূপের সঙ্গে এই মূক, আড়ষ্ট বুদ্ধ প্রতিমাটির সমগোত্রীয়তা ততটা আছে বলে যেন আমার মনে হয় না। যতটা আছে সমসাময়িক আরাকানী বৌদ্ধ প্রতিমাশিল্পের সঙ্গে। ঝেওয়ারীর প্রায় সব নিদর্শনই বৌদ্ধধর্মীয়, এবং অধিকাংশই একাদশ-দ্বাদশ শতকীয়; সন্দেহ নেই, সবই ছিল স্থানীয় কোনও বৌদ্ধ মন্দির-বিহারের সম্পত্তি। অনুমান হয়, এই মন্দির-বিহারের সঙ্গে সমসাময়িক আরাকানের বৌদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলির একটা যোগাযোগ ছিল এবং সেই যোগাযোগের ফলেই একাদশ-দ্বাদশ শতকীয় ঝেওয়ারীর ধাতব শিল্পের সঙ্গে আরাকানী প্রতিমা শিল্পের কিছুটা আত্মীয়তা ঘটে থাকবে।

    ময়নামতীর ধ্বংসাবশেষ থেকে বেশ কিছু ধাতব প্রতিমাশিল্প-নিদর্শন আবিষ্কৃত হয়েছে, তার ভেতর থেকে যে কয়েকটি নিদর্শনের প্রতিলিপি বর্তমান সংস্করণে ছাপা হচ্ছে সেগুলিকে ময়নামতীর ধাতব প্রতিমা শিল্পের প্রতিনিধি বলে মনে করা যেতে পারে। চিত্র-পরিচিতিতে নিদর্শনগুলির প্রতিমা-পরিচয় পাওয়া যাব; এখানে সংক্ষেপে শিল্পীরূপের কথা বলাই প্রাসঙ্গিক হবে। নিদর্শন ক’টি সবই নবম-দশকীয় পূর্বভারতীয় প্রস্তরশিল্পের প্রায় ধাতব অনুবাদ। শুধু তা-ই নয়, এ-গুলির সঙ্গে সমসাময়িক বিহারের, অর্থাৎ কুর্কিহার ও নালন্দার, বিশেষ ভাবে নালন্দার, ধাতব প্রতিমা শিল্পের সাদৃশ্য এত গভীর ও সর্বতোভদ্ৰ যে, কেউ যদি বলে এ-গুলি রচিত ও নির্মিত হয়েছিল নালন্দারই কর্মশালায় তা হলে তাকে খুব ভ্রান্ত বলা হয়ত যায় না। প্রমাণ কিছু দেওয়া কঠিন, প্রায় অসম্ভব বললেই চলে, তবু, আমার অনুমান, এই ছোট ছোট নিদর্শনগুলি নালন্দার কর্মশালায়ই নির্মিত হয়েছিল এবং সেখান থেকে ভক্ত বৌদ্ধ তীর্থযাত্রীরা এগুলি বহন করে নিয়ে গিয়েছিলেন ভবদেবী-মহাবিহারের মন্দিরে নিবেদন করুবার জন্য।

    ধৰ্মকৰ্ম-অধ্যায়ের সংযোজনে বলেছি, নবম-দশম-একাদশ-দ্বাদশ শতকে উত্তর বর্ধমান, বীরভূম, বিশেষ ভাবে বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া অঞ্চলে জৈনধর্মের বেশ প্রসারলাভ ঘটেছিল। গত পঁচিশ-ত্রিশ বছরের ভেতর এ-ব্যাপারে প্রচুর প্রত্ন-প্রমাণ পাওয়া গেছে; তার ভেতর মন্দির ও প্রতিমা-প্রমাণও আছে, এমন কি ধাতব প্রতিমারও। তেমন একটি সুন্দর ধাতব প্রতিমাশিল্প-নিদর্শন বর্তমান সংস্করণের চিত্র-সংগ্রহে প্রকাশিত হচ্ছে। কায়োৎসর্গ ভঙ্গিতে দণ্ডায়মান, পাদপীঠে ঋষভলাঞ্ছিত, নগ্ন, জৈন তীর্থঙ্কর ঋষভনাথের এই প্রতিমাটি স্পষ্টতই নবম শতকীয় পূর্ব-ভারতীয় প্রতিমাশিল্পের একটি উজ্জ্বল নিদর্শন।

    পূর্ব-ভারতীয় ধাতব শিল্পের ইতিহাস, রূপ, রীতি ও আঙ্গিক সম্বন্ধে কালানুক্রমিক, ধারাবাহিক বিশ্লেষণ ও আলোচনা পাওয়া যাবে বর্তমান গ্রন্থকারের প্রকাশেমুখ সুবৃহৎ একটি গ্রন্থ (Eastern Indian Bronzes, Lalit Kalia Akademi, New Delhi)।

    চিত্রশিল্প

    এ—গ্রন্থের প্রথম সংস্করণের শিল্পকলা-অধ্যায়ে যখন লিখেছিলাম তখন মাত্র ২১টি চিত্রিত পাণ্ডুলিপি আমার জানা ছিল এবং তার উপর নির্ভর করেই চিত্রশিল্প সম্বন্ধে আমার যা বক্তব্য তা বলেছিলাম। সে-বক্তব্যে নূতন কিছু সংযোজনের প্রয়োজন আমি বোধ করছিনে, অর্থাৎ শিল্পরূপ ও রীতি সম্বন্ধে নূতন কথা বলবার মতো অর্থগৰ্ভ নূতন আবিষ্কার ইতিমধ্যে বিশেষ কিছু হয়নি। তবে, কিছুদিন আগে অধ্যাপক শ্ৰীসরাসীকুমার সরস্বতী প্রাচীন বাঙলার চিত্ৰকলা সম্বন্ধে একটি অতি মূল্যবান গ্রন্থ রচনা ও প্রকাশ করছেন (“পালযুগের চিত্রকলা”, আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, কলিকাতা, ১৯৭৮ : পূ: ১৮৮, ৪৫ রঙীন ও ১০ সাদাকালো চিত্র)। এ-গ্রন্থে গ্রন্থকার এই শিল্পের ইতিহাসের সুশৃঙ্খল একটি ধারাবাহিক বিস্তৃত বিবরণ দিয়েছেন, কালক্ৰম অনুসরণ করে; শিল্পীরীতি ও প্রতিমালক্ষ্মণও আলোচনা করেছেন, কিন্তু সবচেয়ে যা মূল্যবান তা হচ্ছে, প্রচুর নুতন তথ্যের সংবাদ তিনি বহন করে এনেছেন, এবং তার ভেতর অনেক তথ্য তার নিজেরই আবিষ্কার। র্যারা এ-বিষয়ে বিশেষভাবে উৎসাহী তারা তো গ্ৰন্থখানা পড়বেনই, কিন্তু সাধারণ ইতিহাস-পাঠকেরও গ্রন্থোক্ত নূতন তথ্যগুলো জানা উচিত।

    গ্ৰন্থকার সর্বসুদ্ধ অনুনি ৬০ খানা চিত্রিত পুঁথির সংবাদ দিচ্ছেন এবং বলছেন, “এ ছাড়াও আছে কিছু সংখ্যক তারিখ-বিহীন চিত্র-সংযুক্ত নেপালী পুঁথি।” যাই হোক, সদ্যোক্ত এই ৬০ খানা চিত্ৰিত পুঁথিতে তিনি তিন ভাগে ভাগ করেছেন; ভাগ তিনটি এই:

    ১. তারিখ-সহ চিত্র সংযুক্ত পূর্ব-ভারতীয় পুঁথি (২৮)। তালিকাশেষে প্রত্যেকটি পুঁথির তারিখ সম্বন্ধে বিস্তৃত আলোচনা আছে।

    ২. তারিখ-বিহীন, চিত্র-সংযুক্ত পূর্ব-ভারতীয় পুঁথি (১৪)।

    ৩. তারিখ-সহ চিত্র-সংযুক্ত নেপালী পুঁথি (১৮)। এ-পুঁথিগুলি লিখিত ও চিত্রিত হয়েছিল নেপালে, কিন্তু সমসাময়িক নেপালে যে পুঁথিচিত্রশৈলী প্রচলিত ছিল তা স্পষ্টতই পূর্ব-ভারতীয়, এবং সেই হেতু পর্তমান প্রসঙ্গের অন্তর্ভুক্ত। এ-ক্ষেত্রেও তালিকা শেষে তারিখ সম্বন্ধে প্রয়োজনানুরূপ আলোচনা আছে।

    চিত্রাঙ্কনের রীতিপদ্ধতি সম্বন্ধে গ্রন্থকার যে আলোচনা করেছেন এবং সে-প্রসঙ্গে যে-সব নিদর্শন উদ্ধার করেছেন তা পূর্ণাঙ্গ ও যথাযথ তাতেও কিছু নূতন তথ্যের পরিচয় পাওয়া যায়।

    স্থাপত্যশিল্প

    ধর্মকর্ম অধ্যায়ের সংযোজনে বর্ধমান জেলায় পানাগড়ের কাছে ভরতপুর গ্রামে যে বৌদ্ধ স্তূপটির ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কৃত হয়েছে, তার কথা ইতিপূর্বেই বলেছি। এযাবৎ আমরা যতদূর জানি, এই স্তূপটিই প্রাচীন বাঙলার আদিতম স্তূপ। স্তূপটির পাটাতনটিই শুধু অবশিষ্ট আছে, উপরিভাগের আর যা কিছু সবই মাটির ধূলায় মিশে গেছে। সুতরাং কী ছিল অণ্ডের, হর্মিকের ও ছত্রাবলীর আকৃতি-প্রকৃতি কিছুই আজ আর বলবার উপায় নেই। গোলাকৃতি পাটাতনটি দাড়িয়ে আছে একটি সমাচতুষ্কোণ ভিতের উপর; ভিতটির প্রত্যেকটি দিকে পাঁচটি করে রথ বা Projection, অর্থাৎ এটি একটি পঞ্চরথভৃপ যার সঙ্গে আমাদের পরিচয় ঘটেছে ওড়িশার রত্নগিরির ধ্বংসাবশেষের ভেতর। ভিত ও পাটাতন তৈরি হয়েছিল ইটের উপর ইট সাজিয়ে, গেঁথে গেঁথে; বোধ হয় সমস্ত স্তূপটিই ছিল ইটের তৈরি। পাটাতন-কুলুঙ্গির প্রস্তর বুদ্ধ-প্রতিমাগুলির শিল্পশৈলী ও স্তূপটির গঠনরীতি ও রূপ দেখে মনে হয়, স্তূপটি নির্মিত হয়েছিল নবম শতকের কোনও is GTI (Excavations at Bharatpur, by S. N. Samanta in Burdwan University Souvenir, 1980)।

    ইতিমধ্যে বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া জেলায় যে বেশ কয়েকটি রেখবর্গীয় দেবায়তনের খবর জানা গেছে, তার কথা ইতিপূর্বেই বলেছি। অধিকাংশ মন্দির ইটের তৈরি, কিন্তু দু’একটি পাথরের মন্দিরও আছে। এ-গুলি সম্বন্ধে স্থাপত্যশিল্পের দিক থেকে নূতন কিছু বলবার নেই; সবই রেখবর্গীয় মন্দির-শিল্পের স্থানীয় ক্ষুদ্রতর সংস্করণ। তবু, এ-সমস্তই তথ্য হিসেবে জ্ঞাতব্য। এমন কয়েকটি মন্দিরের প্রতিলিপি চিত্ৰ-সংগ্রহে মুদ্রিত হ’লো। মন্দিরগুলি সবই দশম-একাদশ-দ্বাদশ শতকীয় বলে অনুমান হয়।

    এ-গ্রন্থের দ্বিতীয় সংস্করণ যখন প্রকাশিত হয় তখন সুবিস্তৃত তেলকুপীগ্রামের অবস্থিতি ছিল বিহারন্তর্গত মানভূম জেলার রঘুনাথপুর থানার অধীনে। ১৯৫৬ খ্ৰীষ্টাব্দে রঘুনাথপুর থানা তেলকুপীসহ চলে এলো পশ্চিমবঙ্গে, পুরুলিয়া জেলায়। পাল-সম্রাট রামপাল (আ, ১০৬৯-১১২২) যখন কৈবৰ্তরাজ ভীমের হাত থেকে বরেন্দ্ৰ পুনরুদ্ধার করেন তখন তাঁর অনেক ‘সামন্ত-মহাসামন্ত তাকে সাহায্য করেছিলেন; এঁদের মধ্যে একজন ছিলেন তৈলকল্পীর রুদ্রশিখর। বর্তমান তেলকুপী প্রাচীন তৈলকল্পীর ভ্ৰষ্টরূপ এ-সম্বন্ধে সন্দেহের অবকাশ নেই; তেলকুপী-পাঞ্চের্ট (পঞ্চকোট) অঞ্চল এখনও শিখরভূম, অর্থাৎ শিখর রাজবংশের অঞ্চল বলেই পরিচিত। দশম থেকে ত্ৰয়োদশ শতক পর্যন্ত এই শিখরভূমের রাজধানী তেলকুপী স্মার্ত-পৌরাণিক ব্রাহ্মণ্য পঞ্চদেবতা পূজার এবং আঞ্চলিক ভাস্কর্য ও স্থাপত্য শিল্পের, বিশেষভাবে স্থাপত্য শিল্পের একটি জনপ্রিয় প্রসিদ্ধ কেন্দ্র ছিল। এ-গ্ৰন্থ যখন রচিত হচ্ছিল, তখন আমি সে-সব প্রত্নসাক্ষ্য প্রত্যক্ষ করেছিলাম। আজ এ—গ্রন্থের বর্তমান সংস্করণ যখন প্রকাশিত হচ্ছে তখন সে-সব প্রত্নসাক্ষ্যের কিছুই আর লোকচক্ষুর গোচরে নেই। প্রায় ২৫/২৬টি মন্দির তাদের ধ্বংসাবশেষের বিভিন্ন অবস্থায় তখনও ইতস্তত দাড়িয়েছিল, প্রাচীন ঐশ্চর্য ও গৌরবের মূক সাক্ষী হিসেবে। আজ পাঞ্চেটি বা পঞ্চকোটে দামোদর নদের যে বিরাট বাঁধ তৈরি হয়েছে তার ফলে সমস্তই ডুবে গিয়েছে দামোদরের গভীর জলের নীচে। একটি মন্দিরের চূড়াও আজ আর দেখা যায় না; কিছু যে এখানে কখনও ছিল এমনও মনে হয় না। ভারতীয় প্রত্নতত্ত্বানুসন্ধান বিভাগ যখন জানলেন, তেলকুপীর সলিল-সমাধি রচিত হচ্ছে তখন আর এই বিপুল প্রত্নসাক্ষ্যকে রক্ষা করবার কোনও উপায়ই অবশিষ্ট ছিল না।

    আর একবার প্রমাণিত হ’লো যে, বর্তমান জীবিত মানুষের দাবি-দাওয়া অতীত ও মৃত্যু মানুষের প্রত্নসাক্ষ্যের দাবি-দাওয়ার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিমান! এ নিয়ে দুঃখ করে লাভ নেই; ভাব-বিলাসেরও কোনও স্থান এ-ক্ষেত্রে নেই।

    যাই হোক, আমার একমাত্ৰ সাস্তুনা এই যে, যার উপর ভার পড়েছিল তেলকুপীর এই প্রত্নসাক্ষ্য যতটা পারা যায় ততটা অন্তত উদ্ধার করা এবং তার বিবরণ লিপিবদ্ধ করা, তিনি আমার অন্যতম প্রাক্তন-ছাত্রী, ডাকটর শ্ৰীমতী দেবালা মিত্র, যিনি বর্তমানে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সৰ্ব্বেক্ষণের এডিশনাল ডিরেকটার-জেনারেল। প্রাচীন দলিলপত্র ঘেঁটে, একাধিকবারু মজমান তেলকুপী পরিদর্শন করে তেলকুপীর প্রত্নসাক্ষ্য সম্বন্ধে যা কিছু “জ্ঞাতব্য তথ্য প্রভূত পরিশ্রমে তিনি তা উদ্ধার করছেন। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ Telkupi-a submerged temple site in West Bengal (Memoirs of the Archaeological Sorvey of India, no. 76) থেকে আহরণ করে তেলকুপীর তদানীন্তন ধর্ম ও স্থাপত্য শিল্প সম্বন্ধে দু’চার কথা এখানে সংযোজন করছি, ইতিহাস নির্মাণের পথে কত বাধা বিষ্ম তার একটু আভাস দেবার জন্য।

    প্রাচীন তৈলকল্পী যে একটি সমৃদ্ধ মন্দির-নগরী ছিল, ইতস্তত বিক্ষিপ্ত মন্দিরগুলির ধ্বংসাবশেষ থেকেই তা অনুমান করা যায়। তা ছাড়া ১৯৫৬-৫৭ সালে দামোদরের জলের নীচে একেবারে তলিয়ে যাবার আগেও যে এই নগরী ও তার উপকণ্ঠে অন্তত ২৫/২৬টি মন্দির ধ্বংসের নানা অবস্থায় দাঁড়িয়েছিল তা শ্ৰীমতী দেবালা মিত্রের আহৃত প্রত্নসাক্ষ্য থেকেই জানা যায়। এই মন্দির-নগরীর কেন্দ্র ছিল যাকে সেদিন পর্যন্তও লোকেরা জানতো ভৈরবথান বা ভৈরবস্থান বলে; এই ভৈরব থানেই ছিল অন্তত ১৩টি মন্দির। ছোট ছোট আরও কত মন্দির যে ছিল তার কোনও হিসেবই নেই। তা ছাড়া, ইতস্তত দাড়িয়েছিল আরও ১৩টি। যে-কোনও দেবস্থানই সাধারণ লোকের কাছে পরিচিত ছিল “থান’ বা স্থান বলে; এই নগরীতে এমন ‘থান’ ছিল অনেক, যেমন, নিরনীথিান, দূৰ্গাথান, চরকাথান, শিবথান, কালীথান, জামকুকড়াথান ইত্যাদি।

    তৈলকল্পী এই অঞ্চলে প্রধানত স্মার্ত-পৌরাণিক ব্ৰাহ্মণ্যধর্মের অন্যতম কেন্দ্র ছিল। মন্দিরগুলিতে যে-সব দেবদেবীদের পূজাৰ্চনা হতো প্রত্নসাক্ষ্য থেকে জানা যাচ্ছে, তাদের মধ্যে ছিলেন উমা-মহেশ্বর, বিষ্ণু, নরসিংহাবতার, মহিষমৰ্দিনী দুর্গ, মাতৃকাদেবী, লিঙ্গরূপী শিব, অন্ধকাসুরবধরত। শিব, লিকুলীশ শিব, সূর্য গণেশ ইত্যাদি। সংখ্যা থেকে অনুমান হয়, শৈব ধর্মেরই প্রাধান্য ছিল বেশি। অন্তত একটি জৈন মন্দিরও বোধ হয় ছিল; একটি মন্দিরের জগমোহন অংশে জৈন নেমিনাথের শাসন-দেবী অম্বিকার একটি বৃহদাকৃতি প্রতিমা পাওয়া গেছে!

    স্থাপত্যশিল্পের দিক থেকে তেলকুপীর মন্দিরগুলিকে উত্তর-ভারতীয় রেখবর্গীয় মন্দিরের আঞ্চলিক একটি রূপ বললে ভুল কিছু বলা হয় না। স্থানীয় বেলে পাথরে তৈরি এই মন্দিরগুলি সবই আয়তনে ছোট, দৈর্ঘ্য ও পরিসরে আপেক্ষিকভাবে ক্ষুদ্রাকৃতি। পুরুলিয়ার অন্যত্র রেখবর্গীয় সে-সব মন্দির ধ্বংসের বিভিন্ন দশায় আজও দাড়িয়ে আছে (চিত্ৰ-সংগ্রহে এমন ২/৩টি মন্দিরের ছবি প্রকাশিত হয়েছে), এ-মন্দিরগুলি তাদেরই সমগোত্রীয়, আকৃতিতে এবং প্রকৃতিতেও। এই ধরনের মন্দির শুধু পুরুলিয়াতেই নয়, বাঁকুড়া ও বর্ধমানেও আছে, ওড়িশাতেও আছে। পঞ্চদশ শতকীয় (১৪৬১ খ্ৰীষ্ট শতক) বরাকারের মন্দির তিনটিও একই পরিবারভুক্ত বলা যেতে পারে। তেলকুপীর কোনও মন্দিরেই কোনও লিপিসাক্ষ্য নেই; সুতরাং মন্দিরগুলির নির্মাণ কাল সম্বন্ধে সুনিশ্চিত ভাবে কিছু বলবার উপায় নেই। তবে স্থাপত্য রীতি থেকে মনে হয়, এ-অঞ্চলের এই রেখবর্গীয় মন্দির-নির্মাণ শুরু হয়েছিল নবম-দশম শতকে এবং একটানা অন্তত ত্ৰয়োদশ শতকের শেষ পর্যন্ত চলেছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135 136 137 138
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাঙালী হিন্দুর বর্ণভেদ – নীহাররঞ্জন রায়
    Next Article পুরাণী – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন রায়

    বাঙালী হিন্দুর বর্ণভেদ – নীহাররঞ্জন রায়

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026
    Our Picks

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }