Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বাঙালীর ইতিহাস (আদিপর্ব) – নীহাররঞ্জন রায়

    নীহাররঞ্জন রায় এক পাতা গল্প1452 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. গ্রাম ও গ্রামের সংস্থান

    গ্রাম ও গ্রামের সংস্থান

    বাঙলার লিপিগুলিতে রাজসরকার হইতে বিক্ৰীত বা দত্ত ভূমিগুলির বিবরণ ও তৎসংলগ্ন গ্রামগুলির বিবরণ যে-ভাবে পাইতেছি তাহা হইতে বাঙলার গ্রামের সংস্থান ও সংগঠন সম্বন্ধে কতকগুলি সুস্পষ্ট ধারণা করিতে পারা যায়। মহাস্থান লিপি (খৃষ্টপূর্ব তৃতীয়-দ্বিতীয় শতক, আনুমানিক) এবং চন্দ্ৰবৰ্মার শুশুনিয়া লিপির (খ্ৰীষ্টাত্তর চতুর্থ শতক) কথা ছাড়িয়া দিয়া পঞ্চম শতক হইতেই আলোচনা আরম্ভ করা যাইতে পারে। এই শতকের সাত-আটখানা লিপির প্রত্যেকটিতেই দেখিতেছি, বাস্তুভূমির চেয়ে খিলভূমির চাহিদা অনেক বেশি, এবং খিলভূমি যে চাষের জন্যই দান-বিক্রয় হইতেছে। এ-সম্বন্ধেও সন্দেহ নাই; পরবর্তী লিপিগুলিরও সাক্ষ্যও তাহাই।। বস্তুত, আদিপর্বের শেষ পর্যন্ত সমস্ত সাক্ষ্যেই দেখিতেছি, কৃষিযোগ্য এবং কৃষিভূমির উপরই গ্রাম্য সমাজের নির্ভর এবং তাহার চাহিদাই উত্তরোত্তর বাড়িয়া চলিয়াছে। এমন-কি। খ্ৰীষ্টপূর্ব তৃতীয়-দ্বিতীয় শতকের মহাস্থান-লিপিতে যে-ধান্যকে দেখিতেছি লোকের প্রাণধারণের প্রধান উপায় সেই ধান্যও তো স্থানীয় অর্থাৎ এই দেশেরই কৃষিক্ষেত্ৰলব্ধ সম্পদ বলিয়া মনে না। করিবার কোনও কারণ নাই। লিপিগুলির বিশ্লেষণে স্পষ্টতই দেখা যাইতেছে, এই সব খণ্ড খণ্ড কৃষিক্ষেত্র সমস্তই একে অন্যের সঙ্গে সংলগ্ন, এক খিলক্ষেত্রের সীমা আর-এক ক্ষেত্রের সীমার একেবারে গাত্রলগ্ন; বিচ্ছিন্ন ক্ষেত্রভূমি প্রায় নাই বললেই চলে। অনেক দৃষ্টান্ত এমনও আহরণ করা যায়, যেখানে একই ব্যক্তি যো-পরিমাণ ক্ষেত্রভূমি চাহিতেছেন তাহা এক গ্রামে পাওয়া যাইতেছে না, বিভিন্ন গ্রাম হইতে সংগ্ৰহ করিতে হইতেছে। আবার নূতন গ্রামের পত্তন যেখানে হইতেছে। সেখানে সমস্ত বাস্তু ও ক্ষেত্রভূমি একত্র নেওয়া হইতেছে, বিচ্ছিন্নভাবে নয়।

    কয়েকটি দৃষ্টান্ত আহরণ করা যাইতে পারে। পঞ্চম শতকের পাহাড়পুর পট্টোলীতে দেখিতেছি, এক ব্রাহ্মণদম্পতি ১ কুল্যবাপ ২ ১/২ (আড়াই), দ্রোণবাপ ক্ষেত্ৰভূমি ক্রয় করিতেছেন তিনটি বিভিন্ন গ্রাম হইতে। এই শতকেই বৈগ্রাম লিপিতে দেখা যাইতেছে, ভোয়িল নামে জনৈক গৃহস্থ বায়িগ্রামের ত্ৰিবৃত নামক পাড়ায় (?); ৩ কুল্যবাপ খিলক্ষেত্র এবং এক দ্রোণবাপ বাস্তুভূমি কিনিয়াছিলেন শ্ৰীগোহালী পাড়ায় (?); ভোয়িলের সহোদর ভ্রাতা ভাস্করও একই সঙ্গে কিছু বাস্তুভূমি কিনিয়াছিলেন শেষোক্ত গ্রামে। স্পষ্টতই বোঝা যাইতেছে শ্রীগোহালীতে খিলভূমি সহজলভ্য আর ছিল না। ত্ৰিবৃত-পাড়ায় যে ভূমিখণ্ড কিনিয়াছিলেন তাহার সম্বন্ধে স্পষ্ট বলা হইয়াছে যে, ঐ ভূমি হইতে রাজার কোনও আয় এ-যাবৎ হইতেছিল না, অর্থাৎ ভূমিখণ্ডটি পতিত পড়িয়াছিল। ষষ্ঠ শতকের গুণাইঘর পট্টোলীতে একসঙ্গে অনেকগুলি খবর পাওয়া যাইতেছে। মহারাজ রুদ্রদত্তের অনুরোধে শ্ৰীমহারাজ বৈন্যগুপ্ত উত্তরমণ্ডলের অন্তর্গত কন্তেড়দক গ্রামে মহাযানিক অবৈবর্তিক ভিক্ষুসংঘকে পাচটি পৃথক ভূখণ্ডে ১১ পাটক কর্ষণযোগ্য অথচ অকৃষ্ট ভূমিদান করিয়াছিলেন। প্রথম ভূখণ্ডের সীমার পূর্বদিকে গুণিকাগ্রহার গ্রাম এবং বিষ্ণুবৰ্ধকর (?) ক্ষেত্র, দক্ষিণে মৃদুবিলাল (?) নামক জনৈক গৃহস্থের ক্ষেত্র এবং রাজবিহারের ক্ষেত্র, পশ্চিমে সূরীনশীর-পূৰ্গকের ক্ষেত্র; উত্তরে দোষীভোগ পুষ্করিণী— এবং বম্পিয়ক ও আদিত্যবন্ধুর ক্ষেত্ৰসীমা। দ্বিতীয় ভূখণ্ডের সীমায় পূর্বদিকে গুণিকাগ্রহার গ্রাম, দক্ষিণে পঙ্কবিললের ক্ষেত্র, পশ্চিমে রাজবিহার, উত্তরে বৈদ্যনাম গৃহস্থের ক্ষেত্র। তৃতীয় ভূখণ্ডের সীমায় পূর্বদিকে জনৈক গৃহস্থের ক্ষেত্রভূমি, দক্ষিণে আর একজন গৃহস্থের ক্ষেত্ৰসীমা,; পশ্চিমে জোলারির ক্ষেত্ৰসীমা; উত্তরে নগিজোদকের ক্ষেত্ৰসীমা। চতুর্থ ভূমিখণ্ডের সীমায়, পূর্বে বুদুকের ক্ষেত্ৰসীমা, দক্ষিণে কলকের ক্ষেত্ৰসীমা; পশ্চিমে সূর্যের ক্ষেত্ৰসীমা, উত্তরে মহীপালের ক্ষেত্ৰসীমা। পঞ্চম ভূমিখণ্ডের পূর্বসীমায় খন্দবিন্দুগগুরিকের ক্ষেত্র, দক্ষিণে মণিভদ্রের ক্ষেত্র, পশ্চিমে যজ্ঞরাতের ক্ষেত্র, উত্তরে নাদভদক গ্রাম। সপ্তম শতকে জয়নাগের বপ্যঘোষবাট পট্টোলী দ্বারা বপ্যঘোষবাট গ্রামখানা ব্ৰাহ্মণ ভট্ট বীরস্বামীকে দান করা হইয়াছিল। এই গ্রামের পশ্চিম সীমায় কুকুট গ্রামের ব্ৰাহ্মণদিগকে প্রদত্ত ক্ষেত্ৰভূমির সীমা; উত্তরে নদীর খাত; পূর্বে একই নদীর খাত্ এবং এই খাত হইতে আরম্ভ করিয়া আমলপস্তিক গ্রামের পশ্চিম সীমা স্পর্শ করিয়া যে সর্ষপযানিক একেবারে চলিয়া গিয়াছে ভট্ট উন্মীলনস্বামীর ক্ষেত্ৰভূমি পর্যন্ত; সেইখান হইতে আরম্ভ করিয়া দক্ষিণে সোজা ভরাণিস্বামীর ক্ষেত্র পর্যন্ত এবং সেখান হইতে সোজা লম্ববান হইয়া ভট্ট উন্মীলনস্বামীর ক্ষেত্ৰসীমায় অবস্থিত বখটস্মালিকার পুষ্করিণী ভেদ করিয়া কুকুট গ্রামের ব্ৰাহ্মণদিগকে প্রদত্ত ভূমিসীমা পর্যন্ত বিলম্বিত। এই শতকেরই ত্রিপুরার লোকনাথ পট্টোলীতে দেখিতেছি, জনৈক ব্ৰাহ্মণ মহাসামন্ত প্রদোষশৰ্মা দুই শতাধিক ব্ৰাহ্মণের বসবাসের জন্য সুব্ববুঙ্গ বিষয়ের অরণ্যময় প্রদেশে বাস্তু ও ক্ষেত্রভূমি রাজার নিকট হইতে দানস্বরূপ গ্রহণ করিতেছেন। এক্ষেত্রে স্পষ্টতই বনভূমি পরিষ্কার করিয়া নূতন গ্রামের পত্তন হইতেছে, এ-সম্বন্ধে সন্দেহ থাকিতে পারে না। অষ্টম হইতে ত্ৰয়োদশ শতকের শেষাশেষি পর্যন্ত লিপি প্রমাণ অপর্যাপ্ত এবং সমগ্র বাঙলাদেশ জুড়িয়া, শ্ৰীহট্ট হইতে মেদিনীপুর, এবং বরেন্দ্ৰ হইতে খাড়ীমণ্ডল এই সব লিপির ব্যাপ্তি। যে সব ক্ষেত্রভূমি, বাস্তুভূমি এবং গ্রামের বর্ণনা এই লিপিগুলিতে পাওয়া যায় তাহাতে দেখা যাইতেছে, ক্ষেত্রভূমি ক্ষেত্রভূমির সঙ্গে, এবং বাস্তুভূমি বাস্তুভূমির সঙ্গে একেবারে সংলগ্ন, এবং কোথাও কোথাও গ্রামও গ্রামের সংলগ্ন।

    কিন্তু দৃষ্টান্ত উল্লেখের আর প্রয়োজন নাই। উদ্ধৃত দৃষ্টান্ত হইতে দুইটি তথ্য পরিষ্কার। প্রথম, জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বাস্তু ও কৃষিক্ষেত্র বিস্তৃত হইয়াছে, সর্বপ্রকার ভূমির চাহিদা বাড়িয়াছে, বন-অরণ্যভূমি পরিষ্কার করিয়া নূতন গ্রামের পত্তন হইয়াছে, পতিত অথচ কর্ষণযোগ্য ভূমি কর্ষণাধীন করা হইয়াছে। দ্বিতীয়ত, বাস্তু ও ক্ষেত্রভূমি লইয়া প্রত্যেকটি গ্রাম পৃথক অথচ ঘনসন্নিবিষ্ট, দৃঢ়সংবদ্ধ অর্থাৎ গ্রামান্তর্গত গৃহস্থবাড়িগুলি এবং কৃষিক্ষেত্রখণ্ডগুলি ইতস্তত বিক্ষিপ্ত নয়। তাহা না হইবার কারণও আছে। যে ভূমি-নির্ভর সমাজের জীবিকা প্রধানত শুধু পশুপালন এবং পশুচারণ, সেখানে চারণভূমি যেমন দেখা যায় দূরে দূরে বিক্ষিপ্ত তেমনই বাস্তুও থাকে পরস্পর বিচ্ছিন্ন। কিন্তু একান্তভাবে কৃষিনির্ভর গ্রামে তাহা হইতে পারে না, বরং প্রবণতা দেখা যায় ঠিক তাহার বিপরীত দিকে। তাহা ছাড়া, কৃষিজীবী সমাজে নূতন গ্রামের যখন পত্তন হয়, তখন প্রথমেই বৃহৎ বসতি ও ক্ষেত্রভূমির বিস্তার দেখা যায় না। কয়েকটি গৃহস্থ বাড়ি ও তাহাদের প্রয়োজন মতো ক্ষেত্রভূমি লইয়া গ্রামের পত্তন হয়; তাহার পর গ্রামের লোকবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সেই কয়েকটি বাড়ি ও ক্ষেত্রভূমিকে কেন্দ্ৰ করিয়া দুয়েরই ক্রমবিস্তার ঘটিতে থাকে। লিপিসংবদ্ধ সংবাদ একটু সূক্ষ্মভাবে বিশ্লেষণ করিলে প্রাচীন বাঙলার গ্রামগুলির এই গঠন-প্রকৃতি ধরিতে পারা কঠিন নয়। তাহা ছাড়া, গ্রামগুলি ঘনসন্নিবিষ্ট ও দৃঢ়সংবদ্ধ হইবার অন্য কারণও আছে। ভয়-ভীতি, নানাপ্রকারের বিপদ-উৎপাত প্রভৃতি হইতে আত্মরক্ষার উদ্দেশ্যেও গ্রামবাসীরা ঘনসন্নিবিষ্ট হইয়া বাস করিত এবং সাধারণত এক এক বৃত্তি আশ্রয় করিয়া সমশ্রেণীর লোকেদের লইয়া এক-একটি পাড়া গড়িয়া উঠিত। এই ধরনের পাড়া ও গ্রামের গঠন প্রাচীন কৌমসমাজেরই দান।

    প্রাচীন লিপিমালায় অসংখ্য গ্রামের উল্লেখ পাওয়া যাইতেছে। সব গ্রামের আয়তন ও লোকসংখ্যা সমান ছিল না, ইহা তো সহজেই অনুমেয়; প্রকৃতিও একপ্রকার ছিল না, এরূপ অনুমানেও বাধা নাই। ছোট ছোট গ্রাম বা গ্রামাংশের নাম ছিল পাটক (বা পাড়া)। বৈগ্রাম পট্টোলীতে তো স্পষ্টই দেখিতেছি, বায়িগ্রামের অন্তত দুইটি ভাগ ছিল, ত্রিবৃতা ও শ্ৰীগোহলী, যদিও ইহাদের পাটক বলা হইতেছে না। কিন্তু ষষ্ঠ শতকের ৫ নং দামোদরপুর পট্টোলীতে পরিষ্কার স্বচ্ছন্দ পাটক এবং পুরাণ-বৃন্দিকহরি অন্তর্গত। আর-একটি পাটকের উল্লেখ দেখিতেছি। মল্লসরুল লিপিতে বাটক নামে একটি জনপদ বিভাগের নাম পাওয়া যাইতেছে, যেমন নিৰ্ব্বত-বািটক, কপিস্থ-বািটক, শাল্মলী-বািটক, মধু-বাটক ইত্যাদি। এই বাটক ও পাটক সমার্থক, এবং একই শব্দ বলিয়া মনে হইতেছে। এই লিপিরই খণ্ডজ্যোটিকা বোধ হয় কোনও জোটিকা বা খাড়ীকা-তীরবর্তী গ্ৰাম। যাহা হউক, এই সময় হইতে আরম্ভ করিয়া আদিপর্বের শেষ পর্যন্ত এই পাটক বিভাগ বিদ্যমান। যে-সব গ্রামের অবস্থিতি প্রশস্ত জল ও স্থলপথের উপর, বাস্তুক্ষেত্র ও কৃষিক্ষেত্র যেখানে সুলভ ও সুপ্রচুর, যে-সব গ্রামে শিল্প-বাণিজ্যের সুযোগ ও প্রচলন বেশি কিংবা যে-সব গ্রামে শাসনকার্য পরিচালনার কোনও কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত থাকিত, শিক্ষা, সংস্কৃতি বা ধর্মকর্মের কেন্দ্ৰ বলিয়া পরিগণিত হইত, সেই সব গ্রাম সদ্যোক্ত এক বা একাধিক কারণে আয়তনে, লোকসংখ্যায় এবং মর্যাদায় অন্যান্য গ্রামাপেক্ষা অধিকতর গুরুত্বলাভ করিত, সন্দেহ নাই। এই রকম দুই-চারিটি বৃহৎ এবং মর্যাদাসম্পন্ন গ্রামের খবর লিপিমালা ও সমসাময়িক সাহিত্যে পাওয়া যায়; পরে তাহাদের কথা বলিতেছি। আকৃতি ও প্রকৃতির এই পার্থক্য সত্ত্বেও প্রত্যেক গ্রামই কতকগুলি সাধারণ বৈশিষ্ট্যে একপ্রকার; যেমন, প্রত্যেক গ্রামই কয়েকটি সুনির্দিষ্ট অঙ্গপ্রত্যঙ্গে বিভক্ত। বাস্তুভূমি ও ক্ষেত্রভূমি দুই প্রধান অঙ্গ; ইহা ছাড়া প্রায় প্রত্যেক গ্রামেই উষরভূমি, মালভূমি, গর্তভূমি, তলভূমি, গোচরীভূমি, বাটক-বাট, গোপথ-গোবাট-গোমার্গভূমি ইত্যাদির উল্লেখ পাইতেছি, একেবারে পঞ্চম হইতে আরম্ভ করিয়া ত্ৰয়োদশ শতক পর্যন্ত। তাহা ছাড়া, খাল, বিল, খাটিকা, খাটা, পুষ্করিণী, নদী, নদীর খাত, গঙ্গিনিকা ইত্যাদির উল্লেখ তো আছেই। গোচর বা গোচারণভূমি সর্বদাই গ্রামের ক্ষেত্রভূমির প্রান্তসীমানায় অথবা একেবারে এক পাশে এবং সেইখান হইতে গ্রামের সীমা ঘেষিয়া গ্রামের ভিতর পর্যন্ত গোবাট-গোমার্গ-গোপথ। কোনও কোনও গ্রামে হট্ট, হট্টীয় গৃহ, আপণ ইত্যাদির উল্লেখ পাইতেছি; নানা দেবতার মন্দির, দেবকুল, জৈন ও বৌদ্ধ বিহার ইত্যাদির উল্লেখও আছে। সব গ্রামে হাট, বাজার, মন্দির ইত্যাদি থাকিত না; লিপিতেও তেমন উল্লেখ নাই; যে-সব গ্রামে ছিল সে-সব ক্ষেত্রেই উল্লেখ পাইতেছি মাত্র। কোনও কোনও গ্রামে বনজঙ্গল, ঝাড়, বড় বড় গাছ ইত্যাদিও ছিল (সবন, সব্বােটবিটপ ইত্যাদি); লিপিতে তাহাও উল্লিখিত হইয়াছে। এই সব বনজঙ্গল হইতে লোক জ্বালানি কাঠ, ঘর-বাড়ি প্রস্তুত করিবার জন্য বাঁশ, খুঁটি ইত্যাদি সংগ্ৰহ করিত। বিক্ৰীত ও দত্তভূমির শ্রেণীবিভাগের যে পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ লিপিগুলিতে পাওয়া যায় তাহাতে এ-তথ্য সুস্পষ্ট যে, পঞ্চম শতকের আগেই বাঙলার গ্রাম কৃষিনির্ভর সমাজ সুশৃঙ্খল সুবিন্যস্ত ভাবে সমস্ত অধিগম্য ও প্রয়োজনীয় ভূমিকে সামাজিক স্বার্থসাধনের বিষয়ীভূত করিয়াছিল।

    গ্রামগুলির আপেক্ষিক আয়তন সম্বন্ধে কিছু ইঙ্গিত সেন-আমলের লিপিগুলিতে পাওয়া যায়। বল্লালসেনের নৈহাটি লিপিতে দেখি, বাল্লহিটুঠ গ্রামের আয়তন ৭ ভূপাটক ৭ দ্রাণ ১ আঢ়ক ৩৪ উন্মান এবং ৩। কাক (বাস্তু, ক্ষেত্র, পতিত ভূমি এবং খাল সহ), এবং বার্ষিক উৎপত্তিক ৫০০ কপর্দক পুরাণ। এই গ্রাম ছিল বর্ধমানভুক্তির উত্তররাঢ় মণ্ডলের স্বল্পদক্ষিণবীথীর অন্তর্গত। লক্ষ্মণসেনের গোবিন্দপুর লিপিতে দেখিতেছি, একই বর্ধমানভুক্তির পশ্চিম খাটিকার অন্তর্ভুক্ত বেতডডচতুরকের অন্তর্গত বিডডােরশাসন গ্রামের আয়তন (অরণ্য, জল, স্থল, গর্তভূমি, উষরভূমি, ইত্যাদি সহ) ৬০ ভূদ্রোণ ১৭ উন্মান; দ্রোণ প্রতি ১৫ পুরাণ হিসাবে বার্ষিক উৎপত্তিক ৯০০ পুরাণ। এই রাজারই তৰ্পণদীঘি লিপিতে দেখিতেছি, বিক্রমপুরের অন্তর্গত বেলহিষ্ঠী গ্রামের আয়তন মাত্র ১২০ আঢ়াবাপ (আঢক) ৫ উন্মান; বার্ষিক উৎপতি মাত্র ১৫০ কপর্দক পুরাণ। স্পষ্টতই দেখা যাইতেছে, তিনটি ভিন্ন ভিন্ন গ্রাম তিন বিভিন্ন আয়তনের , পাল ও সেন আমলের, এমন-কি আগেকার পর্বের লিপিগুলি বিশ্লেষণ করিলেও দেখা যাইবে, অধিকাংশ গ্রামই কোনও নদনদী, খাল, বিল, খাটিকা, খাড়ীক প্রভৃতির তীরে অবস্থিত। অধিকাংশ গ্রামে ঘাট (সঘট্ট), পুষ্করিণী ইত্যাদিও দেখা যায়। কোটালিপাড়ার একটি পট্টোলীতে গ্রামের প্রান্তে বলদের গাড়ির রাস্তাও একটি ভূমির সীমারূপে উল্লিখিত হইয়াছে। গ্রাম্যসমাজ যে কৃষিপ্রধান সমাজ তাহা তো বারবারই বলিয়াছি। কিন্তু ইহার অর্থ এই নয় যে, গ্রামে শিল্পীদের বাস ছিল না। বাঁশ ও বেতের শিল্প, কাষ্ঠশিল্প, মৃৎশিল্প, কার্পাস ও অন্যান্য বস্ত্ৰশিল্প, লৌহশিল্প ইত্যাদির কেন্দ্ৰ তো গ্রামেই ছিল, এরূপ অনুমান সহজেই করা যায়। কৃষিকর্মের প্রয়োজনীয় বাঁশ ও বেতের নানাপ্রকার পাত্র ও ভাণ্ড, ঘরবাড়ি ও নৌকা, মাটির হাঁড়িভাণ্ড প্রভৃতি দা’-কুড়াল-কোদাল, লাঙ্গলের ফলা, খন্ত ইত্যাদি নিত্য ব্যবহার্য কৃষি যন্ত্রাদি ইত্যাদির প্রয়োজন তো গ্রামেই ছিল বেশি। কার্পাস ফুল ও বীচি, তাত, তুলা, তুলাধূনা ইত্যাদির সঙ্গে পরিচয় যে গ্রামের লোকদেরই বেশি তাহার ইঙ্গিত পাইতেছি বিজয়সেনের দেওপাড়া লিপিতে, চর্যাগীতিগুলিতে এবং সদুক্তিকর্ণামৃত গ্রন্থের দু-একটি শ্লোকে। শেষোক্ত গ্রন্থের একটি শ্লোকে কবি শুভাঙ্ক বলিতেছেন, নির্ধন শ্রোত্রিয়গণের ঝটিকাবাহিত কুটীর প্রাঙ্গণ কার্পাস বীজ দ্বারা আকীর্ণ থাকিত। সূতাকটা দরিদ্র ব্রাহ্মণ-গৃহস্থবাড়ির মেয়েদেরও দৈনন্দিন কর্ম ছিল; কাপড় বুনিতেন তন্তুবায়-কুবিন্দকেরা, যুঙ্গি বা যুগীরা। কিন্তু এই সব শিল্প ছাড়া কোনও কোনও গ্রামে দুই-একটি সমৃদ্ধতির শিল্পও প্রচলিত ছিল। শ্ৰীহট্ট জেলার ভাটেরা গ্রামে প্রাপ্ত গোবিন্দকেশবের লিপিতে দেখিতেছি, এক কাংসকার (বা কঁসারী) গোবিন্দ, এক নাবিক দ্যোজে এবং এক দন্তকার (হাতির দাতের শিল্পী) রাজবিগ নিজ নিজ গ্রামে বসিয়াই তাঁহাদের স্বীয় বৃত্তি অভ্যাস করিতেন • কাংসকার গোবিন্দ বেশ সম্পন্ন গৃহস্থ ছিলেন বলিয়া মনে হয়; তাহার বাড়িতে পাঁচখানা ঘর ছিল। নাবিক দ্যোজেরও ছিল দুইখানা ঘর। অথচ অন্যান্য সকলেরই প্রায় দেখিতেছি এক একখানা ঘর। দুই চারিজন ছোটখাট ব্যবসায়ী যে গ্রামে বাস করিতেন না তাহা নয়; পাল-সম্রাট মহারাজাধিরাজ মহীপালের রাজত্বের তৃতীয়-চতুর্থ বৎসরে যে দুই বণিক যথাক্রমে একটি নারায়ণ ও একটি গণেশ মূর্তি প্রতিষ্ঠা করিয়াছিলেন, সেই দুইজনই ছিলেন ত্রিপুরা জেলার বিলকীন্দক গ্রামবাসী। ষষ্ঠ শতকের কোটালিপাড়ার দুইটি পট্টোলীতে উল্লিখিত ভূমিসীমা প্রসঙ্গে যে “নৌদণ্ডক”, “ঘাট” এবং “নাবাতাক্ষেণী”র উল্লেখ পাইতেছি তাহাতে মনে হয়, কোনও কোনও গ্রাম সমৃদ্ধ নৌবাণিজ্যের কেন্দ্রও ছিল।

    গ্রামে কাহারা প্রধানত বাস করিতেন তাহাও অনুমান করা কঠিন নয়; লিপিগুলিতে তাহার ইঙ্গিতও পাওয়া যায়, একেবারে পঞ্চম শতক হইতে আরম্ভ করিয়া ত্রয়োদশ শতক পর্যন্ত। তাহা ছাড়া, বৃহদ্ধর্ম ও ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণেও তাহার কিছু কিছু ইঙ্গিতও পাওয়া যায়। গ্রামবাসী ছিলেন সাধারণত ব্ৰাহ্মণেরা, ভূমিবান মহামহত্তর, মহত্তর, কুটুম্বারা; ক্ষেত্ৰকরেরা, বারজীবীরা, ভূমিহীন কৃষি-শ্রমিকেরা; তন্তুবায়-কুবিন্দক, কর্মকার, কুম্ভকার, কংসকার, মালাকার, চিত্রকার, তৈলকার, সূত্ৰধার প্রভৃতি শিল্পীরা; তীেলিক, মোদক, তাম্বুলী, শৌণ্ডিক, ধীবর-জালিক প্রভৃতি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা; গোপ, নাপিত, রাজক, আভীর, নট-নৰ্তক প্রভৃতি সমাজ-সেবকরা; বরুড় (বাউড়ী), চর্মকার, ঘট্টজীবী (পাটনী), ডোলবাহী (ডুলে, ডুলিয়া), ব্যাধ, হাড়ডি (হাড়ি), ডোম, জোলা, বাগাতীত (বাগদী?), বেদিয়া (বেদে), মাংসচ্ছেদ, চর্মকার, চণ্ডাল, কোল, ভীল্ল, শবর, পুলিন্দ, মেদ, পৌণ্ডক (পোদ ঃ) প্রভৃতি অন্ত্যজ ও আদিবাসী পর্যায়ের লোকেরা। শেষোক্ত পর্যায়ের লোকেরা সাধারণত বাস করিতেন গ্রামের এক প্রান্তে, আজও যেমন করিয়া থাকেন। ভাটেরা গ্রামের পূর্বোক্ত লিপিটিতে গ্রামবাসীদের মধ্যে পাইতেছি। কয়েকজন গোপ, অন্তত একজন রাজক এবং একজন নাপিতকে। কোনো কোনো গ্রামে সমৃদ্ধ শ্রেষ্ঠীরাও বাস করিতেন বলিয়া মনে হইতেছে, যেমন দক্ষিণরাঢ় দেশের ভূরিসৃষ্টি বা বর্তমান ভুরসুন্টু গ্রামে। এই গ্রামটি ব্ৰাহ্মণদের একটি বড় কেন্দ্ৰস্থল তো ছিলই, তাহা ছাড়া বহু সংখ্যক শ্রেষ্ঠীজনের আশ্রয়ও ছিল। শ্ৰীধরাচার্যের ন্যায়কন্দলী গ্রন্থে (৯৯১-৯২) আছে,

    আসীদ্দক্ষিণরাঢ়ায়াং দ্বিজানাং ভুরিকর্মণাম।
    ভূরিসৃষ্টিরিতি গ্রামো ভূরিশ্রেষ্ঠিজনাশ্রয়ঃ ॥

    লিপিগুলিতে অসংখ্য গ্রামের উল্লেখ পাইতেছি, একথা আগেই বলা হইয়াছে। ইহাদের মধ্যে আয়তনে ও মর্যাদায় গুরুত্বসম্পন্ন কয়েকটি গ্রামের লিপি-প্রদত্ত বিবরণ উল্লেখ করিলে প্রাচীন বাঙলার গ্রামগুলি সংস্থান ও বিন্যাস সম্বন্ধে ধারণা একটু পরিষ্কার হইতে পারে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135 136 137 138
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাঙালী হিন্দুর বর্ণভেদ – নীহাররঞ্জন রায়
    Next Article পুরাণী – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন রায়

    বাঙালী হিন্দুর বর্ণভেদ – নীহাররঞ্জন রায়

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026
    Our Picks

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }