Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বাঙালীর ইতিহাস (আদিপর্ব) – নীহাররঞ্জন রায়

    নীহাররঞ্জন রায় এক পাতা গল্প1452 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. গ্রাম ও নগর সম্বন্ধে দুই একটি সাধারণ মন্তব্য

    গ্রাম ও নগর সম্বন্ধে দুই একটি সাধারণ মন্তব্য

    প্রাচীন বাঙলার গ্রাম ও নণর সম্বন্ধে এইবার দুই একটি সাধারণ মন্তব্য করা যাইতে পারে। আয়তনে বা আকৃতি-প্রকৃতিতে এক গ্রামের সঙ্গে আর এক গ্রামের যত পার্থক্যই থাকুক, ঐতিহাসিক কালে অর্থাৎ চতুর্থ-পঞ্চম শতক হইতে একেবারে আদি-পর্বের শেষ পর্যন্ত সমগ্রভাবে বাঙলার গ্রামের চেহারা ও প্রকৃতি একই থাকিয়া গিয়াছে। বস্তুত, মোটামুটিভাবে অষ্টাদশ শতকের শেষ পর্যন্ত সে-চেহারা ও প্রকৃতির বিশেষ কোনও পরিবর্তন হয় নাই বলিলেই চলে। ইহার কারণ একাধিক। প্রথম ও প্রধান কারণ, এই সুদীর্ঘ শতাব্দী পর শতাব্দীর মধ্যে গ্রাম্য উৎপাদন-ব্যবস্থার, অর্থাৎ কৃষি ও ক্ষুদ্রশিল্পের উৎপাদনোপায়ের কোনও পরিবর্তন হয় নাই। একদিকে গরু ও লাঙ্গল, আখামাড়াই যন্ত্র, অন্যদিকে তকালী ও তোতই প্রধান উৎপাদন-যন্ত্র। দ্বিতীয় কারণ, এই সুদীর্ঘ কালের মধ্যে ভূমি-ব্যবস্থারও কোনও মূলগত পরিবর্তন হয় নাই এবং ভূমি-নির্ভর কৃষক-সমাজের মধ্যে যে শ্রেণীবিভাগ তাহাও মোটামুটি একই থাকিয়া গিয়াছে। কোনও গ্রাম হয়ত কখনো ব্যাবসা-বাণিজ্যের কেন্দ্ৰ হইবার ফলে বা শাসনকার্যের অধিষ্ঠান নির্বাচিত হইবার ফলে বা দুয়েরই ফলে, পৃথক একটা গুরুত্ব ও মর্যাদা লাভ করিয়াছে এবং গ্রাম্য সমাজের আকৃতি-প্রকৃতিতে স্থানীয় একটা পরিবর্তনও ঘটিয়াছে, কিন্তু তাহা সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম। কোনও কোনও গ্রাম শেষোক্ত কারণে গুরুত্বে স্ফীত ও সমৃদ্ধ হইয়া নগর মর্যাদায় উন্নীতও হইয়াছে, কিন্তু তাহাও ব্যতিক্ৰম। ছোট ছোট গ্রামগুলি একাই একক; বড় গ্রামগুলি দেখিতেছি বিভিন্ন পাড়ায় বিভক্ত। আয়তনাযায়ী প্রত্যেক গ্রামে গ্রামীয় মহত্তর, কুটম্ব, গৃহস্থ, ভূমিবান ও ভূমিহীন কৃষক, কয়েকঘর শিল্পী, সমাজ-সেবক রাজক, নাপিত ইত্যাদি এবং সমাজ-শ্রমিক চণ্ডাল, হাড়ি, ডোম ইত্যাদির বিভিন্ন আয়তন ও মর্যাদার বাস্তুগৃহাদি। এইসব বাস্তু পরস্পর দূরবিচ্ছিন্ন নয়; তবে চণ্ডাল প্রভৃতি অন্ত্যজ বর্ণের লোকেরা যে-অংশে বাস করে তাহা প্রধান গ্রামাংশ হইতে একটু বিচ্ছিন্ন। বাস্তুগৃহাদির সংলগ্ন গুবাক, নারিকেল, আম্র, মহুয়া, উচ্চনীচভূমি ইত্যাদি। বাস্তু হইতে অদূরে গ্রামের কৃষিক্ষেত্র; সেই সুবিস্তৃত কৃষিক্ষেত্রে প্রত্যেকের ক্ষেত্রভূমিসীমা আলিদ্বারা সুনির্দিষ্ট; গ্রামে সমগ্র কৃষিভূমি সেই জন্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র খণ্ডে বিভক্ত। ক্ষেত্রভূমির পাশ দিয়া মাঝে মাঝে বৃহৎ খাল নালা ইত্যাদি; এই খাল নালাগুলি শুধু চাষের জল সরবরাহ করে না, পয়ঃপ্রণালীর কাজও করে। ক্ষেত্রভূমির মধ্যে অথবা শেষ সীমায় গোবাট ও তৃণাচ্ছাদিত গোচরীভূমি। গ্রামের পাশ দিয়া নদী বা গঙ্গিনিকা বা খাল বা অন্য কোনও জলপ্রবাহ এবং গ্রাম্য লোকজন চলাচলের পথ। কোনও কোনও গ্রামের বাহিরে গ্রাম্য হাট, হট্টিয়গুহ ইত্যাদি। যে-সব গ্রাম সমুদ্র বা সমুদ্র জোয়ারবাহী নদীর তীরে সেখানে সমুদ্র বা নদীর। তীরে তীরে গ্রামেব লোকদের লবণের গর্ত। যে-সব গ্রাম বর্ষায় জল-প্লাবিত হয় অথবা নদী ও সমুদ্রের জলোচ্ছাসদ্বারা আক্রান্ত হয়, সে-সব গ্রামের নিম্নতর ভূমিতে ক্ষুদ্র বৃহৎ বাধ বা জঙ্গল। নদী বা বৃহৎ খাল পারাপারের জন্য গ্ৰাম্য খেয়াঘাট। প্রত্যেক গ্রামেই ক্ষুদ্র বৃহৎ ২/১টি মন্দির; কোনও কোনও গ্রামে ক্ষুদ্র বৃহৎ বৌদ্ধবিহার; পণ্ডিত ব্ৰাহ্মণদের গৃহে চতুষ্পাঠী! যে-সব গ্রাম ব্যাবসা-বাণিজ্যের যাতায়াত পথের কেন্দ্র বা সীমায় অবস্থিত। সেখানে গঞ্জ, বৃহৎ হাট; জলবাণিজ্যের কেন্দ্ৰ হইলে নদীর ঘাট বা সমুদ্রের খাড়ীতে অসংখ্য নৌকার সমাবেশ, যেমন ফরিদপুর-কোটালিপাড়া অঞ্চলের গ্রামগুলিতে। এই সব গ্রাম অপেক্ষাকৃত সমৃদ্ধ সন্দেহ নাই। এই তো মোটামুটি বাঙলার গ্রামের চিত্র এবং এ-চিত্র সমসাময়িক বাঙলার লিপিগুলিতে সুস্পষ্ট। মোটামুটি এই চিত্র অষ্টাদশ শতকের শেষ, এমন কি উনবিংশ শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত বাঙলার গ্রামগুলিতে দেখা যাইতেছে। সমসাময়িক সাহিত্যে, যেমন রামচরিত এবং সদুক্তিকর্ণামৃতের দুই একটি বিচ্ছিন্ন শ্লোকে প্রাচীন বাঙলার গ্রামগুলির মনোরম কাব্যময় ছবি আঁকা হইয়াছে। রামচরিতে বরেন্দ্রীর গ্রাম বৰ্ণনাপ্রসঙ্গে বলা হইতেছে (৩।৫।২৮);

    ‘বরেন্দ্রীতে জগদ্দল মহাবিহার, এই দেশেই বোধিসত্ত্ব লোকেশ ও তারার মন্দির। ইহার স্কন্দনগর এবং বহুমন্দির শোভিত শোণিতপুর (বাণগড়-কোটীবর্ষ) নগরে অসংখ্য ব্ৰাহ্মণের বাস। এই ভূমির দুই প্রান্তে গঙ্গা ও করতোয়া, আর পুনর্ভবার তীরে প্রসিদ্ধ তীর্থঘাট। বরেন্দ্রীতে প্রচুর বৃহৎ বৃহৎ জলাশয় (বিল?); সেই জলাশয় হইতে বলভী ও ক্ষীণতেীয়া কালিনদীর উদ্ভব। স্থানে স্থানে কোকিল কৃজিত, কন্দ-লকুচ-শ্ৰীফল-লবলী-করুণা-প্রিয়ালা শোভিত উদ্যান; মাঠে মাঠে নানা প্রকারের ধানের ক্ষেত, এলার ক্ষেত, প্রিয়ঙ্গুলতা এবং ইক্ষু ও বাঁশের ঝাড়, অগণিত মহুয়া, সুপারী ও নারিকেল গাছ। জলাশয়ে জলাশয়ে নীল ও লাল পদ্ম, গৃহপ্রাঙ্গণে কনক (চম্পক) ও কেতক ফুলের গাছ; আকাশে বিস্তৃত ও দ্রুতসঞ্চারমান প্রচুর বারিবর্ষ মেঘ।‘

    লক্ষ্মণসেনের আনুলিয়া-লিপিতে শালিধান্যভারাবনত শস্যক্ষেত্র এবং রমণীয় উদ্যান শোভিত। গ্রামের উল্লেখ আছে; অন্যান্য ২/১টি লিপিতেও ধান্যভারাবনত শস্যসমৃদ্ধ গ্রাম্য শোভার ইঙ্গিত আছে। দুই একটি গ্রামে হর্ম্যাবলীর কথাও আছে।

    বর্ষায় ও হেমন্তে বাঙলার গ্রাম-বর্ণনা, গ্রাম্য কৃষকের চিত্র প্রভৃতি সদুক্তিকর্ণামৃত-গ্ৰন্থ হইতে অন্যত্র উদ্ধার করিয়াছি (দেশ-পরিচয় প্রসঙ্গে জলবায়ু-বৰ্ণনা দ্রষ্টব্য)। শালিধান্য ও ইক্ষুশস্য সমৃদ্ধ এবং ইক্ষুযন্ত্রধ্বনিমুখরিত বাঙলার টুকরা টুকরা চিত্র লিপিমালায় এবং সমসাময়িক সাহিত্যে অন্যত্রও পাওয়া যায়।

    গ্রামগুলি মোটামুটি অপরিবর্তিত, কিন্তু প্রাচীন বাঙলার নগরগুলি সম্বন্ধে তাহা বলা চলে না। বলিয়াই মনে হইতেছে। খ্ৰীষ্টপূর্ব শতক হইতে আরম্ভ করিয়া ষষ্ঠ-সপ্তম শতক পর্যন্ত যতগুলি নগরের খবর পাওয়া যাইতেছে, তাহার অধিকাংশই যেন প্রধানত ব্যাবসা-বাণিজ্য নির্ভর। তাম্রলিপ্তিতে তো বটেই, এমন কি পুণ্ড্রনগর, বর্ধমান, গঙ্গাবিন্দর-নগর, নব্যাবকাশিকা-নগর, বারকমণ্ডল-বিষয়ের-নগর প্রভৃতি সমস্ত নগরই সুপ্ৰশস্ত ব্যাবসা-বাণিজ্য পথের উপর অবস্থিত। তাম্রলিপ্ত, গঙ্গাবিন্দর ও পুণ্ড্রনগর সম্বন্ধে যে-সমস্ত বিবরণ প্রাচীন সাহিত্যগ্রন্থ, চীনপরিব্রাজকদের বিবরণ, পাশ্চাত্য বণিক ও ভৌগোলিকদের বিবরণ ইত্যাদির মধ্যে পাইতেছি, তাহাতে এ-সম্বন্ধে কোনও সংশয় থাকে না। নব্যাবকাশিকা-বারকমণ্ডল-পুণ্ড্রভুনগর-বর্ধমানে শাসনকেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত ছিল সন্দেহ নাই; কিন্তু ইহাদের গুরুত্ব ও মর্যাদা যেন বাণিজ্য-সমৃদ্ধির উপরই নির্ভর করিত; পুণ্ড্রনগরের ক্ষেত্রে তীর্থমহিমাও অবশ্যই কার্যকরী ছিল। এই উভয় কারণের জন্যই হয়তো মৌর্য ও গুপ্তরাজারা এইখানেই শাসনকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করিয়াছিলেন। গঙ্গা-বন্দর ও তাম্রলিপ্তির গুরুত্ব নিরঙ্কুশ ব্যাবসা-বাণিজ্যের উপর। কোটীবর্ষ, পঞ্চনগরী, পুষ্করণ, প্রভৃতি নগর প্রধানত রাষ্ট্ৰীয় ও সামরিক প্রয়োজনে হয়তো গড়িয়া উঠিয়াছিল, কিন্তু কোটীবর্ষের অবস্থান এবং প্রাচীন সাহিত্যের উল্লেখ-ইঙ্গিতে মনে হয়, এই নগরের কিছু কিছু বাণিজ্য এবং তীর্থমহিমাও ছিল। বস্তুত, অন্তত ষষ্ঠ-সপ্তম শতক পর্যন্ত প্রাচীন বাঙলার সব কয়টি নগরেরই অবস্থিতি ও বিবরণ যতটুকু জানা যায়, তাহাতে মনে হয়, ব্যাবসা-বাণিজ্য বিবেচনার উপরই ইহাদের অস্তিত্ব ও মর্যাদা প্রধানত নির্ভর করিত। বাৎস্যায়নের কামসূত্রে বাঙলার নগর-সভ্যতার যে সমসাময়িক চিত্র দৃষ্টিগোচর হয়, তাহাতেও সদাগরী ধনতন্ত্রের লক্ষণ সুস্পষ্ট। কিন্তু সপ্তম শতক ও তাহার পর হইতে ব্যাবসা-বাণিজ্য, বিশেষত সামুদ্রিক বহির্বাণিজ্যের অবনতির সঙ্গে সঙ্গে প্রাচীন বাঙলার নগরগুলির আকৃতি ও প্রকৃতি ধীরে ধীরে বদলাইতে আরম্ভ করে। সপ্তম শতকে য়ুয়ান-চোয়াঙ বাঙলার যে-কয়টি নগরের বিবরণ দিতেছেন, তাহাদের মধ্যে এক তাম্রলিপ্তি ছাড়া আর একটিরও বাণিজ্য-প্রাধান্যের ইঙ্গিত নাই, বরং রাষ্ট্ৰীয় প্রয়োজন-প্রেরণার ইঙ্গিত আছে। কর্ণসুবর্ণ, ঔদুম্বর নগর, ক্যঙ্গল-নগর, সমতট-নগর, এমন কি পুণ্ড্রনগর সম্বন্ধেও য়ুয়ান-চোয়াঙের বর্ণনার ইঙ্গিত লক্ষণীয়। অষ্টম-নবম শতক হইতে আরম্ভ করিয়া হিন্দু আমলের শেষ পর্যন্ত যে-কয়টি নগরের বর্ণনা উপরে কবা হইয়াছে, তাহাদের ভৌগোলিক অবস্থিতি, নগর-বিন্যাস এবং সমসাময়িক উল্লেখের ইঙ্গিত একটু সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ করিয়া দেখিলে মনে হওয়া স্বাভাবিক যে, অধিকাংশ নগরের পশ্চাতে রাষ্ট্রীয়, বিশেষভাবে সামরিক প্রয়োজন-বিবেচনা সক্রয় ছিল। মুদগগিরি, বিলাসপুর, হরধাম, রামাবতী, লক্ষ্মণাবতী, বিজয়পুর, সপ্তগ্রাম, বিক্রমপুর, সুবর্ণ গ্রাম, পট্টিকেরা প্রভৃতি সমস্ত নগর সম্বন্ধেই এই উক্তি প্রযোজ্য। দুই একটি নগর, যেমন ত্ৰিবেণী, নবদ্বীপ, সোমপুর এবং অন্যান্য বৌদ্ধ বিহার-নগর প্রভৃতির পশ্চাতে হয়তো ধর্ম, শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রয়োজন-প্রেরণাই প্রধান বিবেচনার বিষয় ছিল। অন্যত্র সর্বত্রই এই প্রয়োজন-বিবেচনা গৌণ।

     

     

    রামাবতী ও বিজয়পুরের যে বর্ণনা যথাক্রমে রামচরিত ও পবনদূতে পাইতেছি, মহাস্থান-বাণগড়-রামপাল-পট্টিকেরা প্রভৃতি নগরের ধ্বংসাবশেষের মধ্যে নগর-বিন্যাসের যে-চিত্র উদঘাটিত হইতেছে তাহা সমস্তই অষ্টম শতক পরবর্তী। বলা বাহুল্য, যে ভাবে নগরগুলি অবস্থিত ও বিন্যস্ত তাহাতে সামরিক ও রাষ্ট্রীয় প্রয়োজন, রাজকীয় প্রয়োজন এবং ধন ও বংশাভিমান-সমৃদ্ধ অভিজাত শ্রেণীসমূহের প্রয়োজনকেই গুরুত্ব দেওয়া হইয়াছে বেশি। রামাবতী-লক্ষ্মণাবতী দুইই গঙ্গা-মহানন্দার সঙ্গমে রাজমহল গিরিবর্ক্সের প্রবেশ মুখের প্রহরী; পুণ্ড্রনগর করতোয়ার উপর; কোটীবর্ষ পূনর্ভবার তীরে; রামপাল ইচ্ছামতী-ব্ৰহ্মপুত্রের সঙ্গমে; পট্টিকেরা গোমতী নদী ও ময়নামতী পাহাড়ের ক্রেগড়ে; বিজয়পুর ভাগীরথী-যমুনা-সরস্বতী এই ত্ৰিবেণী সঙ্গমের অদূরে। মহাস্থান-বাণগড়- রামপালের ধ্বংসাবশেষ বিশ্লেষণে দেখা যাইতেছে, প্রত্যেকটি নগরই প্রাকার-বেষ্টিত এবং প্রাকারের পরেই পরিখা। নগর হইতে, নগরোপকণ্ঠে বা নদীর ঘাটে ঘাইবার জন্য প্রাকারের প্রত্যেক দিকেই এক বা একাধিক নগরদ্বার এবং পরিখার উপর দিয়া সেতু। পরিখার অপর পারে নগরোপকণ্ঠে সমাজ-সেবক, সমাজ-শ্রমিক এবং নগর-নির্ভর কুটুম্ব-গৃহস্থদের বাস; কোথাও কোথাও মন্দির, সংঘ, বিহার প্রভৃতিও আছে। নগরাভ্যন্তরে উচ্চতর ভূমির উপর প্রাচীর-বেষ্টিত রাজপ্রাসাদ। রাজপ্রাসাদের সংলগ্ন রাজকীয় এবং শাসনকাৰ্যসংক্রান্ত অট্টালিকাদি। সোজা সরল রেখায় পূর্ব-পশ্চিম ও উত্তর-দক্ষিণে লম্ববান রাজপথদ্বারা সমস্ত নগরভূমি পৃথক পৃথক চতুর্ভুজে বিভক্ত; রাজপথের দুইধারে সমান্তরালে প্রাসাদোপম আবাস-সৌধশ্রেণী, আপণি-বিপণি প্রভৃতি: তাহা ছাড়া, হাট-বাজার, মন্দির, প্রমোদোদ্যান, দীঘি, পুষ্করিণী, বিহার প্রভৃতি তো ছিলই; য়ুয়ান-চেয়াঙের বর্ণনায়ও তাহার আভাস পাওয়া যাইতেছে। রামাবতী ও বিজয়পুরের কাব্যময় বর্ণনাতেও পাইতেছি, সুপ্ৰশস্ত রাজপথের দুইধারে সমান্তরালবতী সুউচ্চ সুরম্য প্রাসাদোপম অট্টালিকাশ্রেণী, প্রত্যেক অট্টালিকার চূড়ায় সুবৰ্ণকলস; মন্দির, বিহার, প্রমোদোদ্যান; বৃহৎ দীঘির চারিধার তালবৃক্ষ ও সুসজ্জিত প্রস্তরখণ্ডদ্বারা শোভিত ও অলঙ্কত।

    সকল নগরই যে এইরূপ সমৃদ্ধ ও ঐশ্বর্যবান ছিল, এমন বলা যায় না। অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নগরও ছিল যাহাদের সামরিক বা রাষ্ট্রীয় বা অন্য কোনও গুরুত্ব যথেষ্ট ছিল না, প্রধানত স্থানীয় শাসনাধিষ্ঠানের কেন্দ্ররূপেই। যাহাদের পত্তন হইয়াছিল। বিষয়াধিষ্ঠান, মণ্ডল্যাধিষ্ঠান, বীথী-অধিষ্ঠান প্রভৃতি জাতীয় নগর সর্বত্র উপরোক্ত নগরগুলির মতো সমৃদ্ধ নিশ্চয়ই ছিল না। ছোট ছোট তীর্থ বা শিক্ষাকেন্দ্রগুলিও তোহা ছিল না। এগুলি বরং অনেকটা বৃহৎ সমৃদ্ধ গ্রামের মতনই ছিল বলিয়া অনুমান হয়। ছোট ছোট বাণিজ্যকেন্দ্রগুলিও তাঁহাই ছিল। বিষয়, মণ্ডল বা বীথীর অধিষ্ঠানগুলি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রাজস্ব সংগ্রহের, স্থানীয় বিচার-ব্যবস্থর, ভূমি-ব্যবস্থার, শান্তিরক্ষা-ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ-কেন্দ্র। কিছু কিছু স্থানীয় বাণিজ্যকর্যও এই সব কেন্দ্রে নির্বাহিত হইত। এইসব উপলক্ষে কিছু কিছু রাজকর্মচারী, শিল্পী, বণিক প্রভৃতির এ-জাতীয় অধিষ্ঠানগুলিতে বাসও করিতেন; কিন্তু তৎসত্ত্বেও গ্রামের সঙ্গে এই জাতীয় নগরের বিশেষ কিছু পার্থক্য ছিল না। অধিকাংশ লিপির সাক্ষ্যেই দেখা যায়, এই জাতীয় ছোট ছোট নগরের সঙ্গে গ্রামগুলি একেবারে সংলগ্ন; নগরের পথ গ্রামে গিয়া মিশিয়াছে, অথবা গ্রামের পথ নগর পর্যন্ত বিস্তৃত হইয়াছে। নিকটস্থ গ্রামের উৎপাদিত কৃষি ও শিল্পবস্তু লইয়াই এই সব ছোট ছোট নগরের স্থানীয় ব্যাবসা-বাণিজ্য। অবশ্য, কোটীবর্ষ-বিষয়ের অধিষ্ঠান কোটীবর্ষ-নগর সম্বন্ধে একথা বলা চলে না, কারণ এই নগরের গুরুত্ব ও মর্যাদা শুধু বিষয়াধিষ্ঠান বলিয়া নয়, তীর্থ এবং ধর্মকেন্দ্র ও আন্তর্দেশিক ব্যাবসা-বাণিজ্যের অন্যতম কেন্দ্র হিসাবেও ইহার অন্যতর গুরুত্ব এবং মর্যাদা ছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135 136 137 138
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাঙালী হিন্দুর বর্ণভেদ – নীহাররঞ্জন রায়
    Next Article পুরাণী – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন রায়

    বাঙালী হিন্দুর বর্ণভেদ – নীহাররঞ্জন রায়

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026
    Our Picks

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }