Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বাঙালীর ইতিহাস (আদিপর্ব) – নীহাররঞ্জন রায়

    নীহাররঞ্জন রায় এক পাতা গল্প1452 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৫. গুপ্তোত্তর যুগ। আনুমানিক ৫০০-৭৫০ খ্ৰীষ্টীয় শতক

    গুপ্তোত্তর যুগ। আনুমানিক ৫০০-৭৫০ খ্ৰীষ্টীয় শতক

    ষষ্ঠ শতকে বঙ্গ স্বাধীন স্বতন্ত্র রাষ্ট্ররূপে আত্মপ্রতিষ্ঠিত হয় এবং সঙ্গে সঙ্গে নিজস্ব রাষ্ট্রযন্ত্রও গড়িয়া তোলে। তখন উত্তর ও পশ্চিমবঙ্গে গুপ্ত-বংশের আধিপত্য বিলীয়মান; ছোটখাট বংশধরেরা কোনো প্রকারে তঁহাদের স্থানীয় আধিপত্য বজায় রাখিতেছেন মাত্র। স্বাধীন স্বতন্ত্র রাজবংশ প্রতিষ্ঠিত হইবার সঙ্গে সঙ্গে বঙ্গে (অর্থাৎ পূর্ববঙ্গে) নূতন রাষ্ট্রযন্ত্রেরও পত্তন হইল; কিন্তু সে-রাষ্ট্র-বিন্যাস গুপ্ত—আমলের প্রাদেশিক রাষ্ট্ররূপের আদৰ্শই স্বীকার করিয়া লইল। বস্তুত, বঙ্গের স্বাধীন রাজাদের রাষ্ট্রযন্ত্র গুপ্ত-রাষ্ট্রযন্ত্রের অনুকরণ বলিলেই চলে। রাষ্ট্রবিভাগ, শাসন-পদ্ধতি, রাজপাদোপজীবীদের উপাধি, দায় ও অধিকার, শাসনক্রম, ইত্যাদি সমস্তই একপ্রকার। কাজেই এ-পর্বে নূতন কথা বলিবার বিশেষ কিছু নাই।

    রাষ্ট্রযন্ত্রের চূড়ায় বসিয়া আছেন মহারাজাধিরাজ স্বয়ং, তবে এই মহারাজাধিরাজ স্বাধীন স্বতন্ত্র হইলেও স্থানীয় নরপতি মাত্র। ফরিদপুরে কোটালিপাড়ায় প্রাপ্ত পট্টোলীগুলিতে যে কয়জন নরপতির উল্লেখ পাইতেছি। তাহারা সকলেই ঐ উপাধিটি ব্যবহার করিতেছেন। যে-ক্ষেত্রে মহারাজাধিরাজের উল্লেখ নাই, সে-ক্ষেত্রে তিনি শুধু ভট্টারক বলিয়া উল্লিখিত হইয়াছেন। বপ্লঘোষবাট-লিপিতে জয়নাগ এবং শশাঙ্কের একাধিক লিপিতে গৌড়-কর্ণসুবর্ণরাজ শশাঙ্কও মহারাজাধিরাজ উপাধিতেই আখ্যাত হইয়াছেন। খড়গ বংশের প্রতিষ্ঠাতা খড়েগাদ্যম নৃপধিরাজ এবং ত্রিপুরার লোকনাথ-পট্টোলীর সামন্ত শিবনাথের পিতা, লোকনাথের বংশের প্রতিষ্ঠাতা, অধিমহারাজা আখ্যায় পরিচিত হইয়াছেন। ইহারা সকলেই স্বাধীন নরপতি সন্দেহ নাই এবং সেই হিসাবেই মহারাজাধিরাজ, নৃপধিরাজ, অধিমহারাজ প্রভৃতি উপাধি ব্যবহৃত হইয়াছে। বঙ্গ মহারাজাধিরাজদের অধীনে, শশাঙ্কের অধীনে এবং জয়নাগের অধীনে সামন্ত নরপতির অস্তিত্ব ইহার অন্যতম প্ৰধান।

     

    সামন্ততন্ত্র

    গুপ্ত-আমলেই দেখিয়াছি, এই রাজতন্ত্র ছিল সামন্ততন্ত্র-নির্ভর। এই আমলেও দেখিতেছি তাহার ব্যতিক্রম নাই বরং সামন্ততন্ত্রের প্রসােরই দেখা যাইতেছে। সমাজের ভূমিনির্ভরতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এইরূপ হওয়া কিছু বিচিত্র নয়। গোপচন্দ্রের মল্লসরুল-লিপি-কথিত দূতক মহারাজ মহাসামন্ত বিজয়সেনের কথা আগেই বলিয়াছি; অনুমান হয়, ইনি আগে মহারাজাধিরাজ বৈন্যগুপ্তের মহাসামন্ত ছিলেন, তারপর বর্ধমান-ভুক্তি গোপচন্দ্রের করায়ত্ত হইলে তিনি গোপচন্দ্রের মহাসামন্ত হন। বপ্লঘোষবাট-লিপিতে দেখিতেছি, সামন্ত নারায়ণভদ্র ঔদুম্বরিক বিষয়ে মহারাজাধিরাজ জয়নাগের সামন্ত ছিলেন। লোকনাথ-পট্টোলী-কথিত ব্ৰাহ্মণ প্রদোষশৰ্মা মহারাজ লোকনাথের মহাসামন্ত ছিলেন। আস্রফপুর-লিপিতে জনৈক সামন্ত বনটিয়োকের সাক্ষাৎ পাইতেছি। শশাঙ্ক তো তাহার রাষ্ট্ৰীয় জীবন আরম্ভই করিয়াছিলেন মহাসামন্তরূপে; তারপর যখন তিনি স্বাধীন পরাক্রান্ত নরপতিরূপে প্রতিষ্ঠিত হন, তখন তাহার নিজেরও মহাসামন্ত ছিল। বিজিত রাজ্যের রাজারাই বিজেতা মহারাজাধিরাজগণ কর্তৃক মহাসামন্ত রূপে স্বীকৃত হইতেন, এইরূপ অনুমান অসঙ্গত নয়। শৈলোদ্ভববংশীয় কঙ্গোদাধিপতি দ্বিতীয় মাধবরাজ এবং দণ্ডভুক্তির শাসনকর্তা সোমদও এই দুইজনই যথাক্রমে শশাঙ্কের মহারাজা-মহাসামন্ত এবং সামন্ত-মহারাজ ছিলেন। সামন্তরা সকলে যে একই পর্যায় ও মর্যাদাভুক্ত ছিলেন না, তাহা তঁহাদের উপাধি হইতেই সুপ্রমাণিত। কেহ ছিলেন মহাসামন্ত-মহারাজ, কেহ মহাসামন্ত, কেহ বা শুধু সামন্ত। ভূম্যধিপত্যের বিস্তৃতি, রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদা ও অধিকার, রাজসভায় ব্যক্তিগত প্রতিপত্তি প্রভৃতির উপর এই স্তরবিভাগ নির্ভর করিত, সন্দেহ নাই।

     

    ভুক্তি

    বঙ্গরাষ্ট্রের বৃহত্তম রাষ্ট্রবিভাগের নাম এই পর্বে কী ছিল নিশ্চয় করিয়া বলা যায় না। বর্ধমান-ভুক্তি (মল্লসরুল-লিপি) ও নব্যাবকাশিকা (ফরিদপুর-লিপি), এই দুইটি যে বৃহত্তম বিভাগ সমূহের দুইটি বিভাগ, এ-সম্বন্ধে সন্দেহ নাই। বর্ধমান-ভুক্তির উল্লেখ হইতে মনে হয়, নব্যাবকাশিকাও ভুক্তি-পর্যায়েরই রাষ্ট্রবিভাগ। ফরিদপুর-লিপি-কথিত সর্বোচ্চ শাসনকর্তা উপরিক নাগদেব, উপরিক জীবদত্ত প্রভৃতির উপাধি হইতে প্রায় নিঃসংশয়ে অনুমান করা চলে যে, নব্যাবকাশিকা ভুক্তি বলিয়া উল্লখিত না হইলেও ইহার বিভাগীয় রাষ্ট্রমর্যাদা ভুক্তি-পর্যায়ের। ভুক্তির শাসনকর্তারা এ-ক্ষেত্রেও উপরিক উপাধিতেই আখ্যাত হইতেছেন, যদিও স্থানুদত্তকে উপরিক বলা হয় নাই, শুধু মহারাজ বলা হইয়াছে। নাগদেব শুধু উপরিক নহেন, মহাপ্ৰতীহারও বটে; জীবদত্ত উপরিক এবং অন্তরঙ্গ। অন্তরঙ্গ রাজার নিজস্ব চিকিৎসক, রাজবৈদ্য। চক্রদত্তের এক টীকাকার শিবদাস সেনের পিতা অনন্তসেন বরবক শাহের অন্তরঙ্গ ছিলেন; শ্ৰীচৈতন্যের পার্ষদবর্গের অন্যতম শ্ৰীখণ্ডবাসী মুকুন্দ সরকার ছিলেন হোসেন শাহের অন্তরঙ্গ। মনে হয়, উপরিক জীবদত্ত মহারাজাধিরাজ সমাচার দেবের রাজবৈদ্যও ছিলেন। ইহারা নিযুক্ত হইতেন স্বয়ং মহারাজাধিরাজ কর্তৃক (তদনুমোদনলব্ধাস্পদস্য, তৎপ্রসাদলব্ধাস্পদে, চরণকমলযুগলারাধনোপাত্ত, ইত্যাদি পদ দ্রষ্টব্য)। শশাঙ্কের সময় দণ্ডভুক্তি বা দণ্ডভুক্তিদেশও বোধ হয় ছিল একটি ভুক্তি-বিভাগ এবং তাহার শাসনকর্তার পদোপাধি ছিল উপরিক। সোমদত্ত ছিলেন উপরিক এবং সামন্ত-মহারাজ; শুভকীর্তি ছিলেন উপরিক এবং মহাপ্ৰতীহার।

    গুপ্তরাষ্ট্রে যেমন, বঙ্গরাষ্ট্রে এবং শশাঙ্কের গৌড়রাষ্ট্ৰেও তেমনই ভুক্তি-অধিষ্ঠানের একটি অধিকরণ নিশ্চয়ই ছিল। ফরিদপুরের পট্টোলীগুলিতে এই অধিকরণের উল্লেখ পাইতেছি না; কারণ, উল্লেখের প্রয়োজন হয় নাই। কিন্তু শশাঙ্কের মেদিনীপুর-লিপি দুইটিতে যে তাবীর-অধিকরণের উল্লেখ আছে এবং যে অধিকরণ হইতে শাসন দুইটি নির্গত হইয়াছিল। সেই অধিকরণটি তো ভুক্তির অধিকরণ বলিয়াই মনে হইতেছে।

     

    বিষয়

    ভুক্তির নিম্নবর্তী রাষ্ট্রবিভাগ বিষয়ের খবর এই পর্বেও পাওয়া যাইতেছে। বঙ্গের নব্যাককাশিকা (-ভুক্তির?) প্রধান একটি বিষয় ছিল বারকমণ্ডল বিষয়। বারকমণ্ডলের মণ্ডল এখানেও কোনও রাষ্ট্রবিভাগ বলিয়া মনে হইতেছে না; বিষয়টিরই নাম বারকমণ্ডল। বিষয়ের বিষয়পতি কখনও মহারাজাধিরাজ স্বয়ং নিযুক্ত করিতেন, যেমন, বিপ্লঘোষবাট-লিপিতে ঔদুম্বরিক বিষয়ের বিষয়পতিকে বলা হইয়াছে “তৎপাদানুধ্যাত সামন্ত নারায়ণভদ্র বিষয়সম্ভোগকালে”, কিন্তু সাধারণত উপরিকেরাই বিষয়পতি নিযুক্ত করিতেন, যেমন, বারকমণ্ডল বিষয়ে। বিষয়পতি জজাবকে নিযুক্ত করিয়াছিলেন (উপরিক)-মহারাজ স্থাণুদত্ত; গোপালস্বামী এবং বৎসপালকে নিযুক্ত করিয়াছিলেন উপরিক জীবদত্ত। ত্রিপুরার লোকনাথ-পট্টোলীতেও এক সুকবুঙ্গ বিষয়ের উল্লেখ পাইতেছি।

    বিষয়পতিদের অধিকরণের খবর ফরিদপুর-পট্টোলীগুলিতে তো আছেই। লোকনাথের ত্রিপুরা-পট্টোলীতেও “বিষয়াপতীন সাধিকরণানীদের উল্লেখ দেখা যায়। শেষোক্ত লিপিটিতে দেখিতেছি, বিষয়পতি ও তাহার অধিকরণ স্থানীয় শাসনকার্য নির্বাহ করিতেন “সপ্রধান-ব্যবহারি-জনপাদান’দের সাহায্যে। ফরিদপুর-কেটালিপাড়ার লিপিগুলিতে যে অধিকরণের উল্লেখ দেখিতেছি, তাহার গঠন ঠিক গুপ্ত—আমলের পুণ্ড্রবর্ধন-ভুক্তির বিষয়াধিকরণের মতন নয়। ধর্মাদিত্যের দ্বিতীয় পট্টোলীতে বিষয়পতি এবং বিষয়াধিকরণ ছাড়া আরও ষোলো-সতেরো জন বিষয়-মহত্তর, ব্যাপারী-ব্যবসায়ী এবং অনুল্লিখিত-সংখ্যক প্রকৃতিপুঞ্জের খবর পাওয়া যাইতেছে। স্পষ্টতই দেখা যাইতেছে, কোটীবর্ষের বিষয়াধিকরণে নগরশ্ৰেষ্ঠী, প্রথম কুলিক, প্রথম সার্থিবাহের যে স্থান, এখানে তাঁহাদের সেই স্থান নাই; বিষয়-মহত্তরেরাও বারকমণ্ডল বিষয়াধিকরণের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ নহেন বলিয়াই মনে হইতেছে। এতগুলি বিষয়-মহত্তর, ব্যাপারী-ব্যবহারী এবং প্রকৃতিপুঞ্জ লইয়া বিষয়াধিকরণ গঠিত হইত। বলিয়া মনে হয় না; ইহারা সম্ভবত জনসাধারণের প্রতিনিধি হিসাবে অধিকরণের অধিবেশনে উপস্থিত থাকিয়া শাসনকার্যের আলোচনা ও কর্তব্য নির্ধারণে সহায়তা করিতেন। ইহা ছাড়া বারকমণ্ডল বিষয়ের আরও একটু বৈশিষ্ট্য দেখিতেছি। ঘুগ্রহাটি-লিপি এবং অন্য আরও দুইটি কোটালিপাড়া-লিপিতে বিষয়পতির অধিকরণের প্রধান হিসাবে একজন জ্যেষ্ঠ-কায়স্থ বা জ্যেষ্ঠাধিকরণিকের সাক্ষাৎ পাইতেছি। এই তিনটি লিপিতে অধিকরণ-ব্যাপারে বিষয়পতির উল্লেখ নাই; কিন্তু তাই বলিয়া এ অনুমান করা চলে না যে, বিষয়পতির সঙ্গে বিষয়াধিকরণের কোনও সম্বন্ধ ছিল না, বা জ্যেষ্ঠাধিকরণিকই অধিকরণের সভাপতি ছিলেন। বরং এ অনুমানই সঙ্গত যে, বিষয়পতিই ছিলেন সর্বময় কর্তা, অধিকরণের সভাপতি; জ্যেষ্ঠ-কায়স্থ বা জ্যেষ্ঠাধিকরণিক ছিলেন অধিকরণের অন্যান্য সভ্যদের মুখ্যতম প্রতিনিধি। এই অন্যান্য সভ্যরা কাহারা, নিশ্চয় করিয়া বলা কঠিন; অনুমান করিয়াও লাভ নাই। এই অধিকরণেই সহযোগী উপদেষ্ট হিসাবে থাকিতেন বিষয়-মহত্তরেরা (ধর্মাদিত্যের একটি পট্টোলী-কথিত “বিষয়িণঃ” দ্রষ্টব্য), মহত্তরেরা, প্রধান ব্যাপারী বা প্রধান ব্যবহারীরা। মহত্তর ও বিষয়-মহত্তর এই দুয়ের পৃথক উল্লেখ হইতে স্বতঃই মনে হওয়া উচিত যে, ইহারা দুই স্তর বা পর্যায়ের লোক এবং বিষয়-মহত্তরের উচ্চতর পর্যায়ের। মহত্তরেরা তো স্থানীয় সম্রান্ত বিত্তবান ও ভূমিবান লোক বলিয়াই মনে হয়। ব্যাপারী ও ব্যবহারীরা নিঃসন্দেহে শিল্পী-বণিক-ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের লোক।

    ভূমি ক্রয়-দানবিক্রয় ব্যাপারে বঙ্গরাষ্ট্রের বিষয়াধিকরণগত সংবাদ গুপ্তরাষ্ট্রযন্ত্রেরই অনুরূপ; খুঁটিনাটি ব্যাপারে যাহা কিছু পার্থক্য তাহা তেমন উল্লেখযোগ্য নয়। মল্লসরুল-লিপিতে বীথী-অধিকরণ সম্পর্কে কুলবারকৃত আখ্যাত এক শ্রেণীর রাজকর্মচারীর উল্লেখ আগেই করা হইয়াছে; বঙ্গরাষ্ট্রের কোনও কোনও লিপিতেও কুলবোর নামে রাজপুরুষের সাক্ষাৎ পাইতেছি। সমাচার দেবের ঘুগ্রহাটি-লিপিতে দেখিতেছি, বারকমণ্ডল-বিষয়ের অধিকরণ বিক্রিত ভূমি মাপিয়া পৃথক করিয়া দিবার জন্য করণিক নয়নাগ, কেশব এবং আরও কয়েকজনকে কুলবোর নিযুক্ত করিয়াছিলেন। কোটালিপাড়ার একটি লিপিতেও কুলবারের উল্লেখ আছে এবং সেখানেও ইহাদের দায়িত্বের ইঙ্গিত ভূমি ক্ৰয়-বিক্রয়ের শেষ পর্বে। ইহারা বোধহয় স্থায়ী অধিকরণ-কর্মচারী ছিলেন না, সর্বত্রই সকল সময় ইহাদের প্রয়োজনও হইত না; প্রয়োজনানুযায়ী অধিকরণ কর্তৃক ইহারা নিযুক্ত হইতেন; ভূমি-আইন সংক্রান্ত ব্যাপারে বোধ হয় তাহারা দক্ষ ছিলেন। যাহা হউক, দেখা যাইতেছে, গুপ্তরাষ্ট্রের অধিকরণগুলিতে যেমন, বঙ্গরাষ্ট্রের অধিকরণেও জনসাধারণের মতামত ইত্যাদি জ্ঞাপন ও কার্যকরী করিবার সুযোগ ও উপায় ছিল; বিষয়-মহত্তর, মহাওর, ব্যাপারী-ব্যবহারী ও প্রকৃতিপুঞ্জের সম্মিলনই তাহার প্রমাণ। বঙ্গরাষ্ট্রের কোনও বীথী ও বীথী-অধিকরণ বা গ্রামাধিকরণের সংবাদ পাওয়া যাইতেছে না; তবে পূর্ববতী পর্বের এবং মল্লসরুল-লিপি-কথিত বর্ধমান-ভুক্তির বঙ্কট্টক-বীথির অধিকরণের উল্লেখ ও বিবরণ হইতে মনে হয়, পূর্ববঙ্গের রাষ্ট্রবিভাগ ও রাষ্ট্রযন্ত্রে ইহাদের স্থান ছিল; সাক্ষ্য প্রমাণ আমাদের সম্মুখে উপস্থিত নাই মাত্র। বঙ্কট্টক-বীথী ও তাহার অধিকরণের কথা আগেই বলা হইয়াছে; এবং তোহা যে মহারাজাধিরাজ গোপচন্দ্রেরই অধিকারভুক্ত ছিল সে ইঙ্গিতও করা হইয়াছে। মল্লসরুল লিপির সাক্ষ্য এই প্রসঙ্গে অন্যদিক দিয়াও উল্লেখযোগ্য। গুপ্ত আমলের প্রাদেশিক রাষ্ট্রযন্ত্রের এবং স্বাধীন স্বতন্ত্র বঙ্গরাষ্ট্রের কর্মধারা বা আমলাতন্ত্র একই জাতীয় না। হওয়াই স্বাভাবিক। স্বাধীন স্বতন্ত্র রাষ্ট্রের আমলাতন্ত্র বিস্তৃততর হইবে এবং কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রের আমলাতন্ত্রের রূপ লাইবে, ইহা কিছু বিচিত্র নয়। বঙ্গরাষ্ট্রের আমলে তাহাই হইয়াছিল এবং মল্লসরুল লিপিতে সেই বর্ধিত বিস্তৃত আমলাতন্ত্রের প্রতিফলন দেখা যাইতেছে। এই লিপির কর্মচারী-তালিকা আগেই বিবৃত করা হইয়াছে, এখানে পুনরুল্লেখের প্রয়োজন নাই! এই আমলাতন্ত্র এখন হইতে ক্রমশ বিস্তারলাভ করিয়া সেন আমলে অস্বাভাবিক স্ফীতি লাভ করিবে,-ক্ৰমে আমরা তাহা দেখিব। ইতিমধ্যে (সপ্তম শতক) লোকনাথে ত্রিপুরা-পট্টোলীতে সান্ধিবিগ্রহিক ঔপধিক এক কেন্দ্রীয় রাষ্ট্র কর্মচারীর উল্লেখ দেখা যাইতেছে। সান্ধি-বিগ্রহিক পররাষ্ট্র ব্যাপারে যুদ্ধ ও সন্ধি-শান্তিসম্পর্কিত উচ্চতম রাজকর্মচারী, বর্তমান ইংরাজি পরিভাষায় minister of peace and war। প্রাদেশিক রাষ্ট্রযন্ত্রে সান্ধিবিগ্রহিক থাকার কোনো প্রয়োজন হয় নাই; কিন্তু স্বাধীন স্বতন্ত্র কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রযন্ত্রের সে প্রয়োজন হইয়াছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135 136 137 138
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাঙালী হিন্দুর বর্ণভেদ – নীহাররঞ্জন রায়
    Next Article পুরাণী – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন রায়

    বাঙালী হিন্দুর বর্ণভেদ – নীহাররঞ্জন রায়

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026
    Our Picks

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }