Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বাঙালীর ইতিহাস (আদিপর্ব) – নীহাররঞ্জন রায়

    নীহাররঞ্জন রায় এক পাতা গল্প1452 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩. আঃ খ্রীস্টপূর্ব ৩৫০-৩০০

    আঃ খ্রীস্টপূর্ব ৩৫০-৩০০

    প্রাচীন গ্ৰীক ও লাতিন লেখকদের কৃপায় খ্ৰীষ্টপূর্ব শতকের তৃতীয় পাদে বাঙলার রাজবৃত্ত-কথা অনেকটা স্পষ্ট। এই গ্ৰীক ও লাতিন লেখকেরা আলেকজান্দারের ভারত-অভিযান সম্পর্কে এক সুবিস্তৃত সাহিত্য রচনা করিয়া গিয়াছেন; সে-সাহিত্য বর্তমান ঐতিহাসিকদের নিকট সুবিদিত, সুআলোচিত। কাজেই তাহার বিস্তৃত উল্লেখের প্রয়োজন নাই। এই প্রসঙ্গেই প্রথম শোনা যাইতেছে যে, বিপাশা নদীর পূর্বতীরে দুইটি পরাক্রান্ত রাষ্ট্র বিস্তৃত ছিল, একটি Prasioi বা প্রাচ্য এবং আর একটি Gangarida (পাঠান্তরে Gandaridal) বা গঙ্গারাষ্ট্র (?)। প্রাচ্য রাষ্ট্রের রাজধানী ছিল Paliborthra বা পাটলীপুত্র, এবং গঙ্গারাষ্ট্রের Gange বা গঙ্গা (-নগর)। পেরিপ্লাস-গ্রন্থ ও টলেমীর বিবরণ হইতে জানা যায়, গঙ্গ-নগর সামুদ্রিক বাণিজ্যের বৃহৎ বন্দর ছিল; টলেমি আরও বলিতেছেন, এই গঙ্গা বন্দরের অবস্থিতি ছিল গাঙ্গেয় Kamberikhon-নদীর মোহনায়। Kamberikhon এবং কুমার নদী যে অভিন্ন তাহা আগেই এক অধ্যায়ের নদনদী-প্রসঙ্গে বলা হইয়াছে! Gangarida-রা যে গাঙ্গেয় প্রদেশের লোক এ-সম্বন্ধে সন্দেহ নাই, কারণ গ্ৰীক ও লাতিন লেখকরা এ সম্বন্ধে এক মত। দিয়োদোরািস-কাটিয়াস-প্লতার্ক-সলিন্যাস -প্লিনি-টলেমি-স্ট্র্যাবো প্রভৃতি লেখকদের প্রাসঙ্গিক মতামতের তুলনামূলক বিস্তৃত আলোচনা করিয়া হেমচন্দ্র রায়চৌধুরী মহাশয় দেখাইয়াছেন যে, Gangaridai বা গঙ্গারাষ্ট্র গঙ্গা-ভাগীরথীর পূর্বতীরে অবস্থিত ও বিস্তৃত ছিল এবং প্রাচ্যরাষ্ট্র গঙ্গা-ভাগীরথী হইতে আরম্ভ করিয়া পশ্চিমদিকে সমস্ত গাঙ্গেয় উপত্যকায় বিস্তৃত ছিল। তাম্রলিপ্তি যে প্রাচ্য রাষ্ট্রের অন্তর্গত ছিল, ইহাও তাঁহারই অনুমান। রায়চৌধুরী মহাশয়ের এই অনুমান যুক্তিসম্মত ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত বলিয়া মনে করা যাইতে পারে। যাহা হউক, এই দুই রাষ্ট্রে পারস্পরিক সম্বন্ধ প্রসঙ্গে পূর্বোক্ত বিদেশী লেখকরা কী বলিতেছেন তাহা সংক্ষেপে উল্লেখ করা যাইতে পারে। কাটিয়াসের বিবরণী পড়িলে মনে হয়, প্রাচ্য ও গঙ্গারাষ্ট্র দুই স্বতন্ত্র রাজ্য, কিন্তু খ্ৰীষ্টর জন্মের চতুর্থ শতকের তৃতীয় পাদে একই রাজার অধীন এবং একই রাষ্ট্রে সংবদ্ধ। দিয়োদোরসও বলিতেছেন, প্রাচ্য ও গঙ্গা একই রাষ্ট্র, একই রাজার অধীন। প্লুতার্ক এক জায়গায় বলিতেছেন, “the kings of the Gangaridai and the Prasioi”; অথচ আর এক জায়গার ইঙ্গিত যেন একটি রাজা এবং একটি রাষ্ট্রের দিকে। যাহাই হউক, এই সব উক্তি হইতে যেlঅনুমান সহজেই বুদ্ধিতে স্বীকৃতি লাভ করে তাহা এই যে, প্রাচ্য ও গঙ্গা দুইটি স্বতন্ত্র জনপদ-রাষ্ট্র হিসাবেই বিদ্যমান ছিল; দুই স্বতন্ত্র নামই তাহার প্রমাণ। কিন্তু চতুর্থ শতকের তৃতীয় পাদে কিংবা তাহার আগে কোনও সময় দুই জনপদ-রাষ্ট্র এক রাজার অধীনস্থ হয় এবং একটি যুক্তরাষ্ট্র গঠিত হয়, যদিও তাহার পরে খুব সম্ভব দুই জনপদের সৈন্যসামন্ত প্রভৃতির স্বতন্ত্র অস্তিত্ব ছিল। একদিকে কাটিয়াস-দিয়োদোরস এবং অন্যদিকে প্লুতার্কের সাক্ষ্য তুলনা করিয়া দেখিলে এ-অনুমান একেবারে অসঙ্গত বলিয়া মনে হয় না।

    নন্দ বংশাধিকার

    এই যুক্তরাষ্ট্রের রাজা ছিলেন Agrammes বা Xandrammes =ঔগ্রসৈনা=উগ্রসেনের পুত্র। পুরাণে যাহাকে বলা হইয়াছে মহাপদ্মনন্দ তাহাকেই বোধ হয় মহাবোধিবংশ-গ্রন্থে উগ্ৰসেন বলা হইয়াছে। Agrammes নীচকুলোদ্ভব” নাপিতের পুত্র ছিলেন, এ-সাক্ষ্য পূর্বোক্ত লেখকেরাই দিতেছেন; হেমচন্দ্রের পরিশিষ্টপর্ব নামক জৈন গ্রন্থেও মহাপদ্মানন্দকে বলা হইয়াছে নাপিত-কুমার। পুরাণে কিন্তু মহাপদ্মনন্দকে, শূদ্রোগর্ভোদ্ভব বলা হইয়াছে। মহাপদ্মকে আরও বলা হইয়াছে, “সর্বক্ষত্রাস্তুক নৃপঃ” এবং “একরাট্‌”। যিনি কাশী, মিথিলা, বীতিহোত্ৰ, ইক্ষবাকু, কুরু, পঞ্চাল, হৈহয় ও কলিঙ্গদের পরাভূত করিয়াছিলেন তাহার পক্ষে গঙ্গারাষ্ট্র স্বীয় প্রাচ্য রাজ্যের অন্তর্গত করা কিছু অসম্ভব নয়। যাহাই হউক, আজ এ-তথ্য সুবিদিত যে, ঔগ্রসৈন্যের সমবেত প্রাচ্য-গঙ্গারাষ্ট্রের সুবৃহৎ সৈন্য এবং তঁহার প্রভূত ধনরত্ন পরিপূর্ণ রাজকোষের সংবাদ আলেকজান্দারের শিবিরে পৌছিয়ছিল এবং তিনি যে বিপাশা পার হইয়া পূর্বদিকে আর অগ্রসর না হইয়া ব্যাবিলনে ফিরিয়া যাইবার সিদ্ধান্ত করিলেন, তাহার মূলে অন্যান্য কারণের সঙ্গে এই সংবাদগত কারণটিও অগ্রাহ্য করিবার মতন নয়।

    মৌর্যাধিকার

    মৌর্য-সম্রাট চন্দ্ৰগুপ্ত নন্দবংশ ধ্বংস করিয়া সুবিস্তৃত নন্দ-সাম্রাজ্য, নন্দ-সৈন্যসামন্ত এবং প্রভূত ধনরত্নপূর্ণ নন্দ-রাজকোষের উত্তরাধিকারী হইয়াছিলেন। মহাপদ্মনন্দ ও তাহার পুত্রদের গঙ্গারাষ্ট্রও মৌর্য সাম্রাজ্যের করতলগত হইয়াছিল, এ-সম্বন্ধে সন্দেহের অবকাশ কম। প্রাচীন জৈন এবং বৌদ্ধগ্রন্থ, মহাস্থানে প্রাপ্ত শিলাখণ্ডলিপি এবং যুয়ান-চোয়াঙের সাক্ষ্য প্রামাণিক বলিয়া মানিলে স্বীকার করিতে হয়, পুণ্ড্রবর্ধন বা উত্তরবঙ্গ নিঃসন্দেহে মৌর্য-সাম্রাজ্যভুক্ত ছিল। য়ুয়ান-চোয়াঙ তো পুণ্ড্রবর্ধন ছাড়া প্রাচীন বাঙলার অন্যান্য জনপদেও (যথা কর্ণসুবর্ণ, তাম্রলিপ্তি, সমতট) মৌর্য-সম্রাট অশোক-নির্মিত বৌদ্ধস্তুপ ও বিহার দেখিয়াছিলেন বা তাহাদের বিবরণ শুনিয়াছিলেন বলিয়া বলিতেছেন। যদি তাহাই হয় তবে প্রাচীন বাঙলায় মৌর্য-রাষ্ট্রব্যবস্থাও প্রচলিত ছিল বলিয়া স্বীকার করিতে হয়। মহাস্থানের ব্রাহ্মী-লিপিতে দেখিতেছি, রাজধানী পুন্দনগলে (পুঞ্জনগরে) একজন মহামাত্র নিযুক্ত ছিলেন এবং স্থানীয় রাজকোষ ও রাষ্ট্রশস্যভাণ্ডার গণ্ডক ও কাকনিক মুদ্রায় এবং ধান্যশস্যে পরিপূর্ণ ছিল। দুর্ভিক্ষের সময় প্রজাদের বীজ এবং খাদ্যদানের নির্দেশ কৌটিল্য দিতেছেন; তাহার পরিবর্তে প্রজাদের দুর্গ অথবা সেতু নিৰ্মাণ কার্যে নিযুক্ত করা হইত, অথবা রাজা ইচ্ছা করিলে কোনও শ্রম গ্ৰহণ না করিয়াও দান করিতে পারিতেন (দুর্ভিক্ষে রাজা বীজ-ভক্তোপগ্ৰহম কৃত্বানুগ্রহম কুৰ্য্যাৎ। দুর্গসেতুকর্ম বা ভক্তগনুগ্ৰহেণ ভকতসংবিভাগং বা ৷ অৰ্থশাস্ত্ৰ, ৪।৩৭৮)। মহাস্থান-লিপিতেও দেখিতেছি, কোনও এক অত্যায়িত কালে রাজা পুন্দনগলের মাহামাত্রকে নির্দেশ দিতেছেন, প্রজাদের ধান্য এবং গণ্ডক ও কাকনিক মুদ্রা দিয়া সাহায্য করিবার জন্য, কিন্তু সুদিন ফিরিয়া আসিলে ধান্য ও মুদ্রা উভয়ই রাজভাণ্ডারে প্রত্যাৰ্পণ করিতে হইবে, তাহাও বলিয়া দিতেছেন। বিনা শ্রমবিনিময়ে দান বা দুর্গ অথবা সেতু নির্মাণে শ্রম কোনও কিছুরই উল্লেখ এক্ষেত্রে করা হইতেছে না। লিপি-কথিত অত্যায়িক যে কী জাতীয় তাহাও বলা হয় নাই।

    শুঙ্গ রাজাদের আমলেও বোধ হয় বাঙলাদেশ পাটলিপুত্ৰ-রাজ্যের অন্তর্গত ছিল, কিন্তু এ-সম্বন্ধে কোনও নিঃসন্দিগ্ধ প্রমাণ নাই। তবে শুঙ্গ শিল্পশৈলী এবং সংস্কৃতি বাঙলাদেশে প্রচলিত হইয়াছিল, এমন প্রমাণ কিছু কিছু পাওয়া গিয়াছে।

    প্রথম ও দ্বিতীয় শতকে গঙ্গাবন্দর

    বাঙলাদেশে কিছু কিছু নানা চিহ্নাঙ্কিত (punch-marked) মুদ্রা পাওয়া গিয়াছে; এই সব মুদ্রা মৌর্য ও শুঙ্গ আমলের হইলেও হইতে পারে; নিশ্চয় করিয়া বলিবার উপায় নাই। তবে, খ্ৰীষ্টীয় প্রথম শতকে পেরিপ্লাস-গ্রন্থে নিম্নগাঙ্গেয় ভূমিতে “ক্যালটিস” নামক এক প্রকার সুবর্ণমুদ্রা প্রচলনের খবর পাওয়া যাইতেছে। প্রথম ও দ্বিতীয় শতকের বাঙলাদেশ সম্বন্ধে পেরিপ্লাস-গ্রন্থ ও টলেমির বিবরণে আরও কিছু খবর পাওয়া যাইতেছে। যে-গঙ্গারাষ্ট্রের কথা গ্ৰীক ও লাতিন লেখকদের রচনায় পাওয়া গিয়াছে, সেই গঙ্গারাষ্ট্র একই রূপে ও শাসন-প্রকৃতিতে এই যুগেই ছিল কিনা বলা যায় না; তবে, গঙ্গারাষ্ট্রের রাজধানী গঙ্গাবিন্দর নগর তখনও বিদ্যমান। এই গঙ্গাবিন্দরে অতি সূক্ষ্ম কার্পােস বস্ত্ৰ উৎপন্ন হইত এবং ইহার সন্নিকটেই কোথাও সোনার খনি ছিল। গঙ্গা-বন্দরের অবস্থিতি যে কুমার-নদীর মোহনায়, অর্থাৎ প্রাচীন কুমারতালিক-মণ্ডলে, এই ইঙ্গিত আগেই করা হইয়াছে। ফরিদপুর জেলার কোটালিপাড়া অঞ্চলে প্রাপ্ত ষষ্ঠ শতকের একটি লিপিতে সুবর্ণবীথীর উল্লেখ্য, ঢাকা জেলার নারায়ণগঞ্জ মহকুমায় সুবর্ণগ্রাম, মুন্সীগঞ্জ মহকুমার সোনারঙ্গ, সোনাকান্দি, বর্তমান বাঙলার পশ্চিম প্রান্তে সুবর্ণরেখা নদী, ইত্যাদি সমস্তই সুবৰ্ণ-স্মৃতিবহ। টলেমি নিম্ন-মধ্যবঙ্গে যে সোনার খনির কথা বলিতেছেন তাহা একান্ত কাল্পনিক না-ও হইতে পারে।

    কুষাণ মুদ্রা, মুরাণ্ড

    কুষাণ-আমলের কিছু কিছু সুবর্ণ ও অন্য ধাতব মুদ্রা বাঙলাদেশে পাওয়া গিয়াছে। মহাস্থানের ধ্বংসস্তুপেও কনিষ্কের (?) মূর্তি-চিহ্নিত একটি সুবর্ণমুদ্রা আবিষ্কৃত হইয়াছে। বাঙলাদেশের কুষাণাধিপত্যের কোনও অকাট্য প্রমাণ নাই; এই সব মুদ্রা হয়তো বাণিজ্যসূত্রে এখানে আসিয়া থাকিবে। তবে, টলেমি গঙ্গার পূর্বদিকে (India Extra-Gangem-Si) কোনও স্থানে Murandooi নামে এক কৌমজনপদের উল্লেখ করিয়াছেন। এই মুরগুরা পঞ্জাব অঞ্চলের সুপরিচিত মুরুগুদের সঙ্গে সম্পূক্ত হইলেও হইতে পারেন। সমুদ্রগুপ্তের এলাহাবাদািস্তম্ভলিপিতে কুষাণ রাজবংশ এবং শাক-মুরুগুদের উল্লেখ আছে। শাক-মুরুগু বলিতে কেহ বুঝেন, “শক-প্রধান’, কেহ-প্ৰা মনে করেন। শাক এবং মুরগু দুইটি পৃথক কাম। টলেমির উল্লেখ হইতে মনে হয়, মুরগু বা মুরুগু এক স্বতন্তু কোম। ইহারা যদি কখনো বাঙলাদেশের অধিবাসী হইয়া থাকেন, তাহা হইলে শক এবং কুষাণ জনগোষ্ঠী সম্পূক্ত মুরুদণ্ডরা হয়তো প্রথম বা দ্বিতীয় শতকে কখনো বাঙলাদেশে আধিপত্য বিস্তার করিয়া থাকিবেন এবং কুষাণ মুদ্রার প্রচলন তাহারাই করিয়া থাকিবেন। তবে, এ সম্বন্ধে নিশ্চয় করিয়া কিছুই বলিবার উপায় নাই।

    সামাজিক ইঙ্গিত, আর্থিক ও বাণিজ্যিক সমৃদ্ধি

    বস্তুত, গ্ৰীক-লাতিন লেখকবৰ্গ-কথিত গঙ্গারাষ্ট্র এবং মৌর্য-আমলের পর হইতে আরম্ভ করিয়া খ্ৰীষ্টোত্তর চতুর্থ শতকের প্রারম্ভে গুপ্তরাজবংশ প্রতিষ্ঠা পর্যন্ত প্রাচীন বাঙলার রাজবৃত্তকাহিনী সম্বন্ধে স্বল্প তথ্যই আমরা জানি। দুই চারিটি বিচ্ছিন্ন সংবাদ ছাড়া রাজা, রাজবংশ বা রাষ্ট্র সম্বন্ধে কিছুই নিশ্চয় করিয়া বলিবার উপায় নাই। অথচ, পেরিপ্লাস ও টলেমির বিবরণ, মিলিন্দপঞহ, জাতকের গল্প, কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্র প্রভৃতি গ্রন্থে দেখিতেছি, এই সময়ে বাঙলাদেশে সমৃদ্ধ ও বিস্তৃত ব্যাবসা-বাণিজ্যের সুস্পষ্ট ইঙ্গিত; বাণিজ্যসূত্রে ভারতবর্ষের অন্যান্য দেশ এবং ভারতের বাহিরে বিদেশের সঙ্গে—একদিকে মিশর ও রোম সাম্রাজ্য, অন্যদিকে পূর্ব-দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ও দ্বীপপুঞ্জ এবং চীন-তাহার যোগাযোেগ। বৌদ্ধধর্ম প্রচার সূত্রে সিংহল ও পূর্ব-দক্ষিণ ভারতের সঙ্গে যোগাযোগেরও কিছু কিছু পরিচয় পাওয়া যাইতেছে। রাষ্ট্র ও সমাজগত শাসন শৃঙ্খলা বর্তমান না থাকিলে এই ধরনের বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগ, বিশেষভাবে সুসমৃদ্ধ, সুদূরপ্রসারী অন্তঃ ও বহির্বাণিজ্য কিছুতেই সম্ভব হইতে না। সুবর্ণমুদ্রার প্রচলনও এই অনুমানের অন্যতম ইঙ্গিত। এই যুগের বিভিন্ন বাণিজ্যিক দ্রব্বাসম্ভারের কথা পেরিপ্লাস ও টলেমির বিবরণে সবিশেষ উল্লিখিত আছে; ধনসম্বল ও ব্যাবসা-বাণিজ্য প্রসঙ্গে তাহা আলোচনাও করিয়াছি। সোনা, মনি-মুক্তা, বিচিত্ৰ সূক্ষ্ম রেশম ও কার্পাস বস্ত্ৰ, নানাপ্রকার মসলা ও গন্ধদ্রব্য ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে দেশ-বিদেশে রপ্তানী হইত এবং তাহার ফলে দেশে প্রচুর অর্থাগম হইত। তাহা ছাড়া, যুদ্ধের ও যানবাহনের একটি মস্ত বড় উপকরণ-হস্তী-প্রাচীন বাঙলা ও কামরূপ হইতে ভারতের ভিন্ন ভিন্ন প্রদেশে যাইত, তাহার প্রমাণ তো বারবার পাওয়া যায়। দিয়োদোরস ও পুতার্ক ঔগ্রসৈন্যের সৈন্যবাহিনীর যে বিবরণ দিতেছেন তাহার তুলনামূলক আলোচনা হইতে মনে হয়, প্রাচ্য বাহিনীতে যেমন গঙ্গারাষ্ট্র বাহিনীতেও তেমনই যথেষ্ট সংখ্যক হস্তী ছিল। মহাভারত ও অর্থশাস্ত্রের সাক্ষ্য পুনরুল্লেখ করিয়া লাভ নাই। যাহাঁই হউক, এই আমলে বাঙলাদেশ নানা ধনরত্নে ও উৎপন্ন দ্রব্যাদিতে খুবই সমৃদ্ধ ছিল, সন্দেহ নাই; এবং এই সমৃদ্ধির আকর্ষণেই মহাপদ্মনন্দ হইতে আরম্ভ করিয়া গুপ্তদের আমল পর্যন্ত ভারতের বিভিন্ন রাজবংশ একের পর এক বাঙলাদেশে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করিয়াছেন এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে সফলকামও হইয়াছেন। আর, বাণিজ্য-বিস্তারের চেষ্টা তো মিশর দেশ হইতে আরম্ভ করিয়া চীন পর্যন্ত সকলেই করিয়াছে। মহাবোধিবংশ-গ্রন্থে মহাপদ্মনদের কনিষ্ঠতম পুত্রের নাম পাইতেছি। ধন (নন্দ); এই ধননন্দ সম্বন্ধে সিংহলী মহাবংশ-গ্রন্থে বলা হইয়াছে, এই রাজা প্রভূত ধন সংগ্ৰহ করিয়াছিলেন নানা ন্যায় ও অন্যায় উপায়ে; ধনের পরিমাণ দেওয়া হইয়াছে আশি কোটি; বোধ হয়। সুবর্ণমুদ্রাই হইবে; এই ধন তিনি গঙ্গার নীচে এক সুড়ঙ্গের ভিতর লুকাইয়া রাখিতেন। য়ুয়ান-চোয়াঙও এ-বিষয়ে সাক্ষ্য দিতেছেন। কথাসরিৎসাগরের এক গল্পেও আছে যে, নন্দরাজের ধনের পরিমাণ ছিল নিরানব্বই কোটি সুবর্ণখণ্ড (মুদ্রা?)। নন্দদের এই বিপুল অর্থ ও সম্পদের কতকটা অংশ যে গঙ্গারাষ্ট্র হইতে সংগৃহীত হইত এ-সম্বন্ধে তো কোনও সন্দেহ থাকিতে পারে না। মৌর্যরাও নিশ্চয়ই এই বিপুল ধনের অধিকারী হইয়াছিলেন; বিশেষত কৌটিল্য অর্থনৈতিক শাসনব্যবস্থার যে-ইঙ্গিত দিতেছেন তাহাতে তো রাজকোষে প্রচুর অর্থগম হওয়ার কথা। এ-বিষয়ে কিছু পরোক্ষ প্রমাণও মহাস্থান শিলাখণ্ডলিপিতে সুবর্ণমুদ্রার প্রচলন ইত্যাদি সাক্ষ্যে পাওয়া যাইতেছে।

    আর্যীকরণ ও পরাভাবের হেতু

    মধ্য ও উত্তর-ভারত হইতে যে-সব রাজবংশ, যে-সব বণিক ও ব্যবসায়ী যুদ্ধ, রাষ্ট্রকর্ম ও ব্যাবসা-বাণিজ্য উপলক্ষে বাঙলাদেশে আসিয়াছেন, তাহারাই সঙ্গে সঙ্গে মধ্য ও উত্তর-ভারতের আর্য-ভাষা, আর্য-ধর্ম এবং আর্য-সংস্কৃতিও বহন করিয়া আনিয়াছেন। তাহারাই পথ ও ক্ষেত্র রচনা করিয়াছেন এবং সেই পথ বাহিয়া সেই সব ক্ষেত্রে আসিয়া আর্য অনুষ্ঠান-প্রতিষ্ঠান গড়িয়া তুলিয়াছেন আর্য-ধর্ম ও শিক্ষার প্রচারকেরা। প্রথমে জৈন-ধর্ম ও সংস্কৃতি, পরে বৌদ্ধ-ধর্ম ও সংস্কৃতি এবং আরও পরে, বিশেষ ভাবে গুপ্ত আমলে পৌরাণিক ব্রাহ্মণ্য-ধর্ম ও সংস্কৃতি ক্রমশ বাঙলাদেশে বিস্তার লাভ করিয়াছে। যে-আমলের কথা বলিতেছি, সেই আমলে বিশেষভাবে অগ্নি জৈন ও বৌদ্ধধর্মের প্রভাব, এবং দুই ধর্মকে আশ্ৰয় করিয়া আৰ্য ভাষা, শিক্ষা ও সংস্কৃতি।

    বাধা ও বিরোধ গড়িয়া তোলা সত্ত্বেও সমসাময়িক বাঙলার প্রাচীন কোমগুলি এই প্রভাব ঠেকাইতে পারে নাই। রাষ্ট্ৰক্ষেত্রে পরাভব স্বীকারের প্রধান সামাজিক কারণ, এই সব প্রাচীন কোমগুলি তাহদের কৌম-সামাজিক মন পরিত্যাগ করিয়া কোমসীমা অতিক্রম করিয়া রাজতন্ত্রের বৃহত্তর সামাজিক ও রাষ্ট্ৰীয় পরিধির মধ্যে স্থায়ীভাবে ঐক্যবদ্ধ হইতে পারে নাই; নিজ নিজ কৌম স্বাৰ্থ বুদ্ধিই বোধ হয় এই পরাভাবের কারণ। রাষ্ট্র ও অর্থনীতির ক্ষেত্রে বাহিরের বিজেতা রাষ্ট্রগুলির উন্নততর উৎপাদন ব্যবস্থা এবং উন্নততর শস্ত্র ও যুদ্ধপ্রণালী নিঃসন্দেহে যেমন পরাভাবের অন্যতম কারণ, তেমনই উহাদের উন্নততর সামাজিক ব্যবস্থাও ধর্ম ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে পরাভাবের হেতু, এ-সম্বন্ধে সন্দেহের অবকাশ স্বল্প। আর, অর্থ ও রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে পরাভব ঘটিলে ধর্ম ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও অল্পবিস্তুর পরাভব ঘটা যে অনিবার্য তাহা তো আধুনিক পৃথিবীর ইতিহাসে বারবারই দেখা গিয়াছে, এমন কি সুপ্রাচীন সংস্কৃতি-সম্পন্ন চীন ও ভারতবর্ষের মতন দেশেও।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135 136 137 138
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাঙালী হিন্দুর বর্ণভেদ – নীহাররঞ্জন রায়
    Next Article পুরাণী – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন রায়

    বাঙালী হিন্দুর বর্ণভেদ – নীহাররঞ্জন রায়

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }