Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিজয়নগর – শ্রীপারাবত

    শ্রীপারাবত এক পাতা গল্প182 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিজয়নগর – ৮

    ৮

    অবশেষে একদিন ক্রিয়াশক্তি এত লোক থাকতে রাজার অনুমতিক্রমে সভাকবি অমরুকে নিয়ে মলয়াবন্ত পাহাড়ে গেলেন। বনবাসীরা তাঁদের দুজনকে আশ্রমের দিকে যেতে দেখে কৌতূহলোদ্দীপ্ত হয়। তারা এগিয়ে আসে। আশ্রম কোনদিকে জানতে চাইলে তারা দেখিয়ে দিয়ে বলে, সাধুর অসুবিধা হবে না? উনি একা থাকতে ভালোবাসেন।

    —জানি। আমি সব বললে, উনি রাগ করবেন না।

    একজন বলে–আপনিও তো সাধু। উনি বোধহয় অসন্তুষ্ট হবেন না। ওরা দূর থেকে আশ্রম দেখিয়ে দিয়ে ক্রিয়াশক্তিকে প্রণাম করে।

    ব্রহ্মচারী দেবদত্ত এঁদের আসতে দেখেই তাড়াতাড়ি কুটির ছেড়ে এগিয়ে আসেন। তিনি ক্রিয়াশক্তিকে প্রণাম করতে গেলে তিনি বলেন—আমাকে প্রণাম করছ কেন ব্রহ্মচারী?

    —আপনি প্রবীণ এবং ব্রহ্মচারী বলে। আমি পশুপতি মন্দিরে শৈশবে অনেক বার গিয়েছি। আপনি আমার অপরিচিত নন।

    –তোমার কথা শুনে ভালো লাগল। তোমার গুরুদেব ব্রহ্মানন্দজী হিমালয়ে চলে যাওয়ার আগে আমি দেখা করেছিলাম।

    সেই সময় একটি ময়ূর আঙিনায় উড়ে এসে বসল। অমরু সেটিকে দেখে তপস্বীদের অস্তিত্ব ক্ষণিকের জন্য বিস্মিত হল। সে এগিয়ে গিয়ে তার মাথায় হাত দিল। এই দৃশ্য দেখে দেবদত্ত অবাক হয়ে ক্রিয়াশক্তিকে জিজ্ঞাসা করেন—ইনি কে?

    –ও বিজয়নগরের সভাকবি।

    -উনি আসার পর থেকে আমি ওঁর চোখের দিকেই চাইছি বারবার। স্বর্গীয় ওই চাহনি। আপনি দেখেননি?

    ক্রিয়াশক্তি হেসে বলেন—দেখেছি। ওর বিবাহ দিয়েছি এক দেবদাসীর সঙ্গে। উপযুক্ত পাত্রী।

    —ওই ময়ূর কিন্তু পোষা নয়, বনের ময়ূর। ওভাবে নিশ্চিন্তে ওঁর গায়ের সঙ্গে মাথা ছোয়াচ্ছে। ওঁকে সভাকবি করা হয়েছে। উনি তো বিব্রত হবেন।

    –না, মহারাজ সেই বিষয়ে খুব সচেতন, ওকে খুবই সম্ভ্রমের চোখে দেখেন। ওর স্ত্রী খুব প্রতিভাময়ী আয়ুর্বেদশাস্ত্রজ্ঞ। আমার কাছে হাতেখড়ি। এখন আমি সম্ভবত ওর কাছ থেকে শিক্ষা নিতে পারি।

    দেবদত্ত হাসেন। ক্রিয়াশক্তি বলেন—আমি তোমার কাছে একটা অনুরোধ নিয়ে এসেছি।

    —অনুরোধ? বলুন আদেশ।

    —তুমি যেভাবে চলছ এটি তার বিপরীত। তাই আদেশ বলা সঙ্গত হবে না। শোন, আমি আর বেশিদিন নেই। আমার বাসনা, তুমি আমার সব কাজের ভার নাও। বিজয়নগরে উপযুক্ত আর কাউকে দেখতে পাচ্ছি না আপাতত।

    –এ যে বিপুল কাজ।

    —না। তোমার পক্ষে বিপুল নয়। তুমি ব্রহ্মচারী। পশুপতি মন্দিরের একটি অংশ সম্পূর্ণ পৃথক। একদিকে যেমন দেবদাসীরা থাকে। অন্যদিকে তেমনি আমার নির্দেশে কয়েকজন ব্রহ্মচর্য ব্রত পালন করত এক সময়ে। ব্রহ্মচারী হয়ে তারা কেউ থাকল না। চলে গেল। আমি নিষেধ করিনি। তোমাকে রাজপুরী আর পশুপতি মন্দির দুটিরই ভার নিতে হবে। আমি নিরুপায় হয়ে তোমার কাছে এসেছি। অন্য কাউকে ব্রহ্মচারী করতে পারিনি।

    দেবদত্ত কিছুক্ষণ নীরব থেকে বলে—আমাকে দুদিন সময় দেবেন?

    —নিশ্চয় দেব। দুদিন পরে তবে আসব?

    —আপনি? না, আমিই যাব পশুপতি মন্দিরে। বুধবারে পূর্বাহ্নে। কবিকে সেদিন ওখানে দেখতে পাব?

    ক্রিয়াশক্তি কবিকে ডাকেন। অমরু কাছে এলে দেবদত্তর ইচ্ছার কথা বলতে সে বলে—খুব ভালো হবে।

    —শ্রীমতীকে নিয়ে যেও। ওখানেই প্রসাদ পাবে।

    .

    অতীশ বেশ কিছুদিন শয্যাশায়ী ছিল আহত হয়ে। একদিন মঞ্জরী প্রত্যুষে তার ঘুম ভাঙিয়ে মুখে হাত বুলিয়ে হেসে বলে—এবারে তুমি সম্পূর্ণ সুস্থ বীরপুরুষ।

    —বিদ্রূপ করছ?

    সঙ্গে সঙ্গে মঞ্জরী স্বামীর বুকের উপর ভেঙে পড়ে বলে—বিদ্রূপ? কল্পনা করাও পাপ। শ্রীমতী ঠিকই বলেছিল, তোমার এই আঘাত একটা অন্য ধরনের শ্রী এনেছে মুখে।

    –আমি কাল অমরুর বাড়িতে যাব।

    —কালই?

    —হ্যাঁ। ওদের সংসার কেমন চলছে দেখতে হবে।

    —আমিও যাব।

    –তোমার সখী তো রোজই এসেছেন আমাকে দেখতে। তখন তুমি অনেক গল্প করেছ। এবারে আমি আমার বন্ধুর সঙ্গে গল্প করব। কাল রাজসভা নেই।

    —বেশ যেও। অসুবিধা হলে কিন্তু বেশিক্ষণ থেকো না।

    সাদা রঙের প্রিয় অশ্বটিতে চেপে অতীশ বের হয়। বরাবর প্রত্যুষে ওঠা তার অভ্যাস। সেই অভ্যাস নিজের রাজ্যের চেয়ে রাজধানীতে থেকে আরও নিয়মিত হয়েছে। সে চেষ্টা করে মহারাজা তাঁর শেষ রাত্রের কুস্তী ইত্যাদি শেষ করে যখন অশ্ব নিয়ে বাহিনী পর্যবেক্ষণের উদ্দেশ্যে বিদ্যুৎবেগে ছোটেন, সেই সময় অশ্ব নিয়ে ছুটতে। তবে মহারাজ বিরক্ত যাতে না হন, সেদিকে লক্ষ্য রাখে। কিছুদিন শয্যাশায়ী থেকে তার নিয়মের একটু ব্যতিক্রম হয়েছে। খানিকটা দুর্বলও হয়েছে মনে হচ্ছে, অশ্ব চালনা করতে করতে। তাছাড়া এই ঋতুতে গ্রীষ্ম কেটে গেলেও শীত আসতে অনেকটা বাকি থাকে। কিন্তু তার একটু ঠাণ্ডাই লাগছে। বুঝতে পারে, নিরাময় হলেও সম্পূর্ণ সুস্থ হয়নি। তাই ধীরে ধীরে চলে।

    অমরুর গৃহদ্বারে গিয়ে দেখে রাজপুরীর যে লোকটি প্রতিদিন সকালে আসে, সে বন্ধ দরজার সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে। অতীশকে দেখে সে অভিবাদন করে।

    —সভাকবি?

    —আমি আসার আগেই ওঁরা বাইরে গিয়েছেন। এত তাড়াতাড়ি কখনো যান না।

    -কেউ জানে?

    —হ্যাঁ। প্রতিবেশীদের বলে গিয়েছেন, পশুপতি মন্দিরে রওনা হয়েছেন একটু আগেই।

    অতীশ নিশ্চিন্ত হয়। পথিমধ্যে ওদের ধরে ফেলবে। একটু পরেই দেখা মিলল। অশ্ব থেকে নেমে সেটিকে নিয়ে একসঙ্গে চলতে লাগল। সে বলল—আজ আমার বহুদিন পরে খুব ভালো লাগছে। মঞ্জরী থাকলে আরও ভালো লাগত। বুঝতে পারছি, আমি অপরিণামদর্শী।

    সবাই হেসে ওঠে।

    অমরু বলে, তাদের আসার উদ্দেশ্য। অতীশ কৌতূহলান্বিত হয়। অল্পবয়সী তপস্বীর কথা, সে আগে শুনেছে। কিন্তু গুরুদেব যে তাঁকে এতখানি গুরুত্ব দেবেন কোনোদিন সে কথা ভাবেনি। গুরুদেব নিশ্চয়ই যোগ্য বয়স্ক কোনো ব্রহ্মচারী পাননি

    তারা মন্দিরে প্রবেশের একটু আগে দেখতে পায় একজন ক্ষীণদেহী গৌরবর্ণের তাপস দ্রুতগতিতে এসে মন্দিরে প্রবেশ করলেন।

    অমরু বলে ওঠে—এই তো তিনি।

    শ্রীমতী আর অতীশ তখনো বিহ্বল দৃষ্টিতে চেয়েছিল।

    শ্রীমতী বলে—গুরুদেব এঁর জন্যই অপেক্ষা করছিলেন।

    অতীশ বলে—কত কম বয়স, অথচ দেখলেই মাথা নত হয়ে যায়।

    সবাই গিয়ে গুরুদেবের কাছে আভূমি প্রণাম করে দূরত্ব বজায় রেখে বসে। শ্রীমতী বুঝতে পারে দেবদাসীরা আশেপাশেই রয়েছে, তবে গুরুদেবের আদেশ ছাড়া তারা আসতে পারছে না।

    ক্রিয়াশক্তি সবার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে চান। দেবদত্ত বলেন—আমি কবিকে খুব ভালো চিনেছি।

    ক্রিয়াশক্তি শ্রীমতীকে দেখিয়ে বলে—এ এখানে দেবদাসী ছিল, এখন কবির পত্নী।

    দেবদত্ত বলেন—আয়ুর্বেদজ্ঞ?

    –-হ্যাঁ, সেদিন বলেছিলাম বটে।

    শ্রীমতী অতীশকে দেখিয়ে ক্রিয়াশক্তিকে বলে—গুরুদেব এঁকে বাড়ি পাঠিয়ে দিন। অনেকদিন আহত অবস্থায় শয্যাশায়ী ছিলেন, আজ প্রথম বাইরে বেরিয়েছেন সকালে। ঠাণ্ডা লেগে গিয়েছে। জ্বর আসবে। মঞ্জরীকে ভুগতে হবে।

    অতীশ আপত্তি তুলতে গিয়েছিল। গুরুদেব বলেন—কোনো কথা নয়, তুমি এখনি বাড়ি চলে যাও।

    অতীশ মুখ ভার করে গুরুদেব ও দেবদত্তকে প্রণাম করে বেরিয়ে গেল। যাওয়ার আগে শ্রীমতী অতীশকে বলে—মঞ্জরীর কাছে ওষুধ আছে। শরীরের উত্তাপ তাতেই কমে যাবে। আপনি আর দুদিন বিশ্রাম করুন।

    অমরু শ্রীকে অভিযোগের কণ্ঠে বলে—অতীশকে চলে যেতে বললে কেন? ওর কত কষ্ট হল। অনেকদিন পরে একটু আনন্দ পেয়েছিল।

    শ্রীমতী বলে—আমি তো মাকে নিয়ে তোমার বন্ধুর কাছে যাব, তখন বুঝিয়ে বোলো। বন্ধুর দুঃখ থাকবে না।

    —তা ঠিক। কিন্তু আমার কেমন লাগছে।

    শ্রীমতী বিচলিত হয়।

    সেই সময় বিগ্রহের বেদীর নিকট থেকে দয়াবতীর সংগীত ভেসে আসে। তপস্বী দেবদত্ত উৎকর্ণ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন। ক্রিয়াশক্তি ডাকেন—এসো ব্রহ্মচারী, দেবদাসীর পূজা দেখবে এসো।

    সবাই গিয়ে দেখেন নিমীলিত চক্ষে বিগ্রহের সম্মুখে করজোড়ে বসে দয়াবতী তার সুধাকণ্ঠে গেয়ে চলেছে।

    কিছুক্ষণ শুনে দেবদত্ত বলে ওঠেন—এ যে স্বৰ্গীয়।

    —হ্যাঁ। আমি পূজায় বসার সময় একে ডেকে নিই।

    –এতো সংগীত শুধু নয়, এযে স্তব।

    —হ্যাঁ। আমি জিজ্ঞাসা করিনি এত স্তব কোথায় পায়। তুমি প্রশ্ন করতে পার।

    একটু পরে দয়াবতী আঁখি উন্মীলিত করে সবাইকে দেখে লজ্জিত হয়। সে উঠে দাঁড়ায়।

    ক্রিয়াশক্তি বলেন—ইনি তপস্বী দেবদত্ত।

    দয়াবতী তাঁদের দুজনকে প্রণাম করে। শ্রীমতীকে দেখে হাসে।

    দেবদত্ত বলেন—এইসব স্তব কোথা থেকে পেলে?

    —পাইনি তো প্রভু। নিজেই গাই।

    —কিভাবে গাও মহেশ্বরের এত স্তব।

    —আমি জানি না। আমি কি অন্যায় করেছি?

    ক্রিয়াশক্তি বলেন–কে বলেছে তুমি অন্যায় করেছ?

    দেবদত্ত বলেন—তোমার স্তব নির্ভুল। তোমার স্তব মহাকাল-প্রদত্ত।

    ভোগ গ্রহণের পর ক্রিয়াশক্তি দেবদত্তকে বলেন—তুমি ভেবেছ?

    —হ্যাঁ। আমি সম্মত হলাম এই ভেবে যে নইলে রাজপুরীতে অরাজকতা সৃষ্টির সম্ভাবনা। আমি আশ্রম থেকেই আসব।

    —আমি নিশ্চিন্ত হলাম। অবশিষ্ট দিনগুলি আমি এই মন্দিরেই থাকব। পরশু রাজপুরীতে আসতে পারবে?

    —আমি আগামী কাল আসতে চাই।

    —উত্তম। তবে কয়েকজনকে ব্রহ্মচর্যে দীক্ষাদানের চেষ্টা করো।

    —অবশ্যই।

    —যদি পার, বুঝতে হবে তুমি ভাগ্যবান।

    .

    মন্দির থেকে বাড়িতে আসতে বেলা পড়ে আসে। শ্রীমতী কিছুক্ষণ ঘরের কাজ করে এক সময় দেখে অমরু জানলার পাশে বসে অস্তগামী সূর্যের দিকে একদৃষ্টে চেয়ে বসে রয়েছে। তার জন্য বড় কষ্ট হয় শ্রীমতীর। বন্ধুকে সঙ্গে রাখতে চেয়েছিল। এদিক ওদিক কয়েকবার ঘোরাঘুরি করা সত্ত্বেও অমরুর তন্ময়তা ভাঙল না। তখন ধীরে ধীরে পেছনে বসে স্বামীর মাথাটা বুকে চেপে ধরে। অমরু সামান্য একটু চমকে উঠতে গিয়েও নিশ্চিন্তে স্ত্রীর হাতে নিজেকে ছেড়ে দেয়।

    —খুব কষ্ট হয়েছে?

    – -কেন?

    —বন্ধুকে থাকতে দিইনি বলে?

    অমরু একটু হেসে বলে—ভুলে গিয়েছি। না না ফেরার পথেও দুঃখটা ছিল।

    –জানি। কাল যাবে?

    —তুমিও যাবে?

    —যাব না? তোমার বন্ধুর জ্বর বেড়েছে কিনা দেখতে হবে যে।

    –সত্যিই জ্বর হয়েছে নাকি?

    —আমার তাই ধারণা। বেশ তো দেখতে গেলেই বোঝা যাবে। তাছাড়া মঞ্জরীকে বলতে হবে তোমার বন্ধু-প্রীতির কথা।

    –না না, ওসব বললে আমার কেমন লাগে।

    -তাহলে বলব না। তোমার যাতে একটুও অসুবিধা হয় আমি তা কখনো বলি না, করিও না।

    —আমি জানি শ্রীমতী। তোমার রূপ সরস্বতীর মতো, মনটাও তেমন।

    –আমার রূপ তোমার চোখে পড়ে?

    —পড়ে না?

    -শুনিনি তো বেশি।

    –সত্যি কথা বলব? –তুমি মিথ্যা বল নাকি?

    –না, তা নয়। তবু—

    —বল।

    —তুমি এত সুন্দর। কিন্তু সে কথা বললে, মনে মনে তুমি হাস। আমি বুঝতে পারি।

    শ্রীমতী হেসে ফেলে স্বামীকে জড়িয়ে ধরে।

    —আমি জানতাম। সেই জন্যেই বলি না।

    .

    এক এক সময় মানুষের নিজের জীবন অথবা দেশের জনসাধারণের জীবন-প্রবাহ মসৃণ গতিতে চলতে থাকে, কোনো বৈচিত্র্য থাকে না। আবার কখনো কখনো সেই প্রবাহ বাত্যবিক্ষুব্ধ তরঙ্গ সংকুল হয়ে ওঠে।

    দুই বৎসর অতিবাহিত হয়েছে। অমরু এবং শ্রীমতী উভয়েই ইতিমধ্যে মাতৃহারা। ক্রিয়াশক্তি আরও অশক্ত। সব চেয়ে সর্বনাশ ঘটে গিয়েছে রাজপুরীতে তথা বিজয়নগর সাম্রাজ্যে। ইসমাইল আদিল শাহ আবার বিজয়নগর আক্রমণ করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত তিনি ফিরে গেলেও তুমুল যুদ্ধ হয়েছিল এবং বিজয়নগরের রাজকুমার নিহত হয়েছেন। মহারাজের বজ্রাহত অবস্থা। রাজকুমারের যত দোষই থাকুক, তিনি ভালো যোদ্ধা ছিলেন। প্রাসাদ প্রাঙ্গণের অন্য অট্টালিকা থেকে পুত্রবধূর ক্রন্দন ধ্বনি তাঁর কানে না এলেও তার গর্ভধারিণী গৌরীদেবী বারবার ছুটে ছুটে আসছেন। কোথায় বা সান্ত্বনা খুঁজবেন আর তিনিই বা কি সান্ত্বনা দেবেন। গুরুদেব ক্রিয়াশক্তি এখন আর মন্দিরের বাইরে আসেন না। একটি কোণে বসে কোনোরকমে ধ্যান করেন কিছুক্ষণ। স্বামী দেবদত্ত প্রাসাদে আসেন নিয়মিত, কিন্তু ক্রিয়াশক্তিকে মহারাজ যেমন পিতার মতো ভালোবাসতেন, স্বামীজীর প্রতি আস্থা থাকা সত্ত্বেও সেইভাবে নিজের মনকে উদ্ঘাটিত করে দিতে সংকোচ হয়। বয়স বড়ই কম। তিনি জানেন ব্যক্তিগত শোক তাপ নিয়ে নিজেকে জড়িয়ে রাখলে সাম্রাজ্য চলে না। কিন্তু নিজের দেহে যখন বিপদের সংকেত দেখা দেয় তখন তো স্থির থাকা যায় না। কারণ তাঁকে এখন কয়েক বছর সুস্থ হয়ে বেঁচে থাকতে হবে। তিনি যে পুত্রহারা। এতবড় সাম্রাজ্যের উত্তরাধীকারী যে অষ্টম বর্ষীয় এক বালক। গুরুদেব ক্রিয়াশক্তি এবং স্বামী দেবদত্ত উভয়েই বলেছেন, এই বালক সামান্য নয়। তিনিও বুঝতে পারেন, কিন্তু তাকে তো রক্ষা করতে হবে। যতদিন সে সাবালক না হচ্ছে ততদিন তাঁকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করতে হবে। কিন্তু এক একদিন তাঁর বাঁ হাত কিছুক্ষণের জন্য একটু অসার বলে মনে হয়। কুস্তী তিনি এখনো করেন, কিন্তু আগের মতো কখনই নয়। কুস্তীগীরও যেন বুঝতে পেরেই ঢিলে দেয়। মহারাজ ক্রুদ্ধ হয়ে বলে ওঠেন—তুমি কি আমার জোর কমেছে বলে ভাবছ নাকি?

    সে মহারাজের পা দুহাত দিয়ে ছুঁয়ে মাথায় ঠেকিয়ে বলে—মহারাজ কোনো জন্মেই যেন সে কথা না ভাবি।

    –সব জন্মেই তুমি আমার কুস্তীগীর হবে নাকি?

    —না হলে বাঁচব না।

    মহারাজা হেসে ওঠেন। বলেন—মজার কথা বলেছ তো। এ জন্মে কি কি পাপ-পুণ্য করেছ তার উপর তো সব নির্ভর করে।

    কুস্তীগীর নিশ্চিন্তে বলে—আমি সব জানি মহারাজ।

    মহারাজের ওর সঙ্গে কথা বলতে ভালোই লাগছিল। কোনোদিন দুটো কথাও হয় না, অথচ আজ বলতে ইচ্ছে করছে। বলেন—তুমি হয়তো পাপ তেমন করনি, কিন্তু আমি তো করেছি। কত লোকের প্রাণদণ্ড দিয়েছি, তাছাড়া আরও অনেক ঘটনার কথা তো সাম্রাজ্যের সবাই জানে। আমি আর মহারাজা হব না। নইলে এই জন্মেই শাস্তি শুরু হয়ে যায়? রাজকুমার চলে গেল—

    কুস্তীগীর ছেলেমানুষের মতো কাঁদতে শুরু করল। তার বিরাট দেহটা থরথর করে কেঁপে কেঁপে ওঠে।

    মহারাজ ভাবেন, তিনি খুবই ভুল করে ফেললেন, সাধারণ একজন মানুষের কাছে মন খুলে দিয়ে। তাঁর মনের শক্তি কমে গিয়েছে বাঁ হাতও একদিন কয়েক মুহূর্তের জন্য অসার হয়, আর পৌত্র মাত্র অষ্টম বর্ষীয়। গুরুদেব ক্রিয়াশক্তি যখন আসতে পারেন না তখন স্বামী দেবদত্ত ব্রহ্মচারীর কাছে এই প্রশ্ন তিনি তুলবেন। তিনি কি বলেন শুনতে হবে।

    .

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকসবি – হরিশংকর জলদাস
    Next Article শেষ নমস্কার : শ্রীচরণেষু মা-কে – সন্তোষকুমার ঘোষ

    Related Articles

    শ্রীপারাবত

    আমি সিরাজের বেগম – শ্রীপারাবত

    August 4, 2026
    শ্রীপারাবত

    কিতাগড় – শ্রীপারাবত

    July 31, 2026
    শ্রীপারাবত

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    শ্রীপারাবত

    রাজপুত নন্দিনী – শ্রীপারাবত

    July 27, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Our Picks

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }