Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিদ্যাসাগর ও অন্যেরা – আনিসুজ্জামান

    লেখক এক পাতা গল্প187 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়

    বাংলা ব্যঙ্গরসমূলক রচনায় ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়ের স্থান সমালোচকেরা ও সাহিত্যের ইতিহাসকারেরা এত উঁচুতে নির্দেশ করেছেন যে, কেউ কেউ তাঁকে এক্ষেত্রে অদ্বিতীয় বলতেও কুণ্ঠিত হননি। অথচ এখন তিনি প্রায় বিস্মৃত, তাঁর রচনাও দুর্লভ। এর কারণ এই নয় যে, তিনি পাঠযোগ্যতা হারিয়েছেন। এর কারণ, পূর্বগামী লেখকদের সম্পর্কে আমাদের একধরনের উদাসীনতা।

    নিজের লেখার মতোই ত্রৈলোক্যনাথের জীবনকাহিনি কৌতূহলোদ্দীপক। দারিদ্রের সঙ্গে এত সংগ্রাম, এত রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা, পরিণামে এত প্রতিষ্ঠা ও সম্মান খুব কম মানুষের জীবনেই দেখা যায়। তাঁর জন্ম ১৮৪৭ খ্রিষ্টাব্দে (৬ শ্রাবণ ১২৫৪)। তাঁর পিতা দরিদ্র ব্রাহ্মণ বিশ্বম্ভর মুখোপাধ্যায়, বাস চব্বিশ পরগনা জেলার শ্যামনগরের কাছে রাহুতা গ্রামে। ত্রৈলোক্যনাথ জনক-জননীর দ্বিতীয় পুত্র। তাঁর জ্যেষ্ঠ রঙ্গলাল মুখোপাধ্যায় ছিলেন কয়েকটি গদ্যপদ্য গ্রন্থের রচয়িতা।

    গ্রামের স্কুলে ও পাঠশালায় ত্রৈলোক্যনাথের শিক্ষাজীবন শুরু হয়। বারো বছর বয়সে তিনি হুগলি-চুঁচুড়ার ডফ সাহেবের স্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে (এখনকার চতুর্থ শ্রেণিতে) ভর্তি হন এবং পরের বছর ডবল প্রমোশন পেয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে উন্নীত হন। ১৮৬২ সালে ম্যালেরিয়ার প্রকোপে একে একে তাঁর পিতামহী, মাতা ও পিতার মৃত্যু হয়, তিনি নিজেও প্লীহাজ্বরে আক্রান্ত হন। তখন তিনি তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র, সেখানেই তাঁর আনুষ্ঠানিক পড়াশোনার সমাপ্তি ঘটে।

    ত্রৈলোক্যনাথ শৈশবকালে যেমন দুরন্ত ছিলেন, তেমনি ছিলেন উদ্ভাবনী প্রতিভার অধিকারী। ন বছর বয়সে নতুন এক ভাষাসৃষ্টিতে এবং তার উপযোগী বর্ণমালা উদ্ভাবনে প্রবৃত্ত হন। কাঠের ফলকে ও মাটির চাকতিতে এই বর্ণমালা খোদাই করে তিনি মুদ্রণের আয়োজন করেন। এই পদ্ধতিতে সেই অল্প বয়সেই তিনি হেঁয়ালি, শ্লোক ও গান রচনা করেছিলেন।

    পিতামাতার মৃত্যুর পরে তিনি এক নিকটাত্মীয়ের আশ্রয়ে থাকেন, কিন্তু সেখানেও দারিদ্র প্রবল। ১৮৬৫ সালে তিনি বাড়ি থেকে পালিয়ে মানভূমে এক আত্মীয়ের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেন। যেখানে এসে তাঁর টাকাপয়সা ফুরিয়ে যায়, সেখান থেকে তাঁর গন্তব্য বনজঙ্গল-পর্বতময় এলাকা দিয়ে তিন দিনের হাঁটাপথ। তিনি হাঁটতে থাকলেন। পথে এক কুলি-সরবরাহকারীর পাল্লায় পড়েন। কুলির দল নিয়ে সে-ব্যক্তি যখন যাত্রা করেন, তখন পথের মধ্যে ত্রৈলোক্যনাথ পালিয়ে যান এবং কেবল বন্য কুল খেয়ে পদব্রজে মানভূমে পৌঁছোন।

    তাঁর আত্মীয় তাঁকে স্কুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। ঘটনাক্রমে সে-সময়ে স্কুলের প্রথম শ্রেণির ছাত্রেরা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে রাঁচিতে মেলা দেখতে যায়। ত্রৈলোক্যনাথ তাঁদের সঙ্গ নেন। রাঁচি পাঁচ দিনের পথ। পথে তিনি এতরকম উৎপাত করতে থাকেন যে, দলের অভিভাবকেরা তাঁর ওপরে খুব বিরক্ত হন। রাঁচি পৌঁছে দল ছেড়ে একাই তিনি বনের পথে হাঁটতে থাকেন। পথে তস্করেরা তাঁর পরিধেয় বস্ত্র কেড়ে নেয়। তবু তিনি আবার রাঁচি হয়ে মানভূমে ফিরে আসতে সমর্থ হন। এখানে এক মৌলভির কাছে ভালো করে ফারসি শেখেন।

    এরপর হঠাৎ করে তিনি স্বগ্রামে ফিরে আসেন। তারপর ইছাপুরে, যশোরের কোটচাঁদপুরে, বর্ধমানে, কাটোয়ায়, বীরভূমের কীর্ণাহারে, রামপুরহাটে হয় চাকরি করেন কিংবা চাকরির উমেদারিতে সকল সঞ্চয় ব্যয় করেন। যাত্রাপথে অপরিচিত গৃহস্থের অতিথি হয়ে থাকতেন। কিছুকাল পর তিনি বীরভূমের দ্বারকায় স্কুলশিক্ষক নিযুক্ত হন, সেখান থেকে রানীগঞ্জের উখড়া স্কুলে যান দ্বিতীয় শিক্ষক হয়ে। তখন তাঁর বেতন যৎসামান্য, কিন্তু দুর্ভিক্ষপীড়িত মানুষকে যথাসর্বস্ব দিয়ে সাহায্য করতে তিনি পিছপা হননি। এ-সময়েই তিনি সংকল্প করেন যে, দেশে দুর্ভিক্ষনিবারণের কাজে আত্মনিয়োগ করবেন।

    দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর পাবনার সাহজাদপুরে নিজের জমিদারিতে তাঁকে স্কুলশিক্ষক নিযুক্ত করেন, বেতন পঁচিশ টাকা। একবার ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে তাঁর প্রাণসংশয় হয়েছিল। অজ্ঞান অবস্থায় তাঁকে রক্ষা করে এক চণ্ডাল পরিবার। চৈতন্য ফিরে পেয়ে তিনি নিঃস্ব অবস্থায় পাবনায় ফিরে আসেন। সেখানে নাট্যকার দীনবন্ধু মিত্রের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা হয়। পাবনায় কর্মরত এক ইনজিনিয়ার তাঁকে কাপড়চোপড় কিনে দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেন।

    এবারে কর্মের সন্ধানে কটক-যাত্রা—হেঁটে ও সাঁতরে। পথে নুন ও লঙ্কা দিয়ে চিঁড়ে খেয়ে কাটান। কটকে এসে পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর পদে নিয়োগলাভ করেন। এই পদে থাকতে তিনি নানা জায়গায় ভ্রমণ করেন, ওড়িয়া ভাষা শেখেন এবং ওড়িয়ায় একটি মাসিকপত্র সম্পাদন করেন। কটকে থাকতে বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর পরিচয় ঘটে; কবি ও ডেপুটি কালেকটর রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়, লেখক ও সাব-জজ গঙ্গাচরণ সরকার, বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ ও সরকারি কর্মকর্তা র্সা উইলিয়ম হান্টার। হান্টার কী-এক কাজে কটকে এসেছিলেন, সেখানেই পরিচয়; কলকাতায় ফিরে গিয়ে তিনি নিজের অফিসে ত্রৈলোক্যনাথকে ১২৫ টাকার মাসিক বেতনে চাকরি দেন—সেটা ১৮৭০ সালের কথা। এই কাজে থাকতে তিনি Bengal District Gazetters, Statistical Account of Bengal Ges Bengal Manuscript Records সম্পাদনায় সাহায্য করেন। ১৮৭৫-এ হান্টার বিলেতে গেলে ত্রৈলোক্যনাথকেও সঙ্গে নিতে চান, কিন্তু নিকটজনদের আপত্তির ফলে তিনি সমুদ্রযাত্রা করতে পারেননি।

    ১৮৭৫ থেকে ১৮৮১ পর্যন্ত ত্রৈলোক্যনাথ উত্তর-পশ্চিম প্রদেশ ও অযোধ্যায় কৃষি ও বাণিজ্য বিভাগে প্রথমে হেড ক্লার্ক, পরে হেড সুপারিনটেনডেন্ট এবং শেষে পরিচালক র্সা এডওয়ার্ড বকের ব্যক্তিগত সহকারীরূপে কাজ করেন। এখানে থাকতে তিনি স্থানীয় শিল্পবিস্তারে সাহায্য করেন। বড়ো হোটেলে ও রেলওয়ে স্টেশনে শিল্পদ্রব্য বিক্রি হওয়ার যে-ব্যবস্থা আমরা দেখতে পাই, ত্রৈলোক্যনাথই তার প্রবর্তক। এখানেও দুর্ভিক্ষের সময়ে গাজরের উপকারিতা সম্পর্কে তিনি সরকারকে অবহিত করেন এবং সরকারি প্রয়াসে গাজরের চাষ উদ্বুদ্ধ করে বহু মানুষের প্রাণরক্ষা করা সম্ভবপর হয়।

    ত্রৈলোক্যনাথের পরবর্তী কর্ম ভারত সরকারের রাজস্ব ও কৃষি বিভাগে— এখানেও তিনি যোগ্যতার পরিচয় দিয়ে ক্রমশ পদোন্নতি লাভ করেন। ভারতের শিল্পদ্রব্য সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে তিনি A Rough List of Indian Art Manufactures নামে একটি বর্ণনামূলক পুস্তিকা লিখে (১৮৮১-৮২) সকলকে চমৎকৃত করেন। অনেকে বলেন যে, ইউরোপ ও আমেরিকায় ভারতীয় শিল্পদ্রব্যের চাহিদাসৃষ্টিতে এই পুস্তিকার ভূমিকাই ছিল প্রধান। ১৮৮২-তে আমস্টারডামে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর জন্যে তিনি ভারতীয় উৎপন্নদ্রব্যের একটি বর্ণনামূলক তালিকা তৈরি করেন। এবারেও তাঁর আমন্ত্রণ ছিল হল্যান্ডে যাওয়ার, কিন্তু আত্মীয়স্বজনের প্রতিকূলতায় তাঁর বিদেশ যাওয়া হয়নি। তবে ১৮৮৬ সালে অনুরূপ বাধা অগ্রাহ্য করে তিনি ব্রিটেনে যান এবং সেখান থেকে ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ সফর করেন। কিছুকাল পরে তিনি আবার ইউরোপে যান, কিন্তু ফিরে এসে যথাবিধি প্রায়শ্চিত্ত করেন। কয়েক বৎসরের মধ্যে তাঁর A List of Indian Economic Products (1884), A Descriptive Catalogue of Indian Products (1888), A Handbook of Indian Products (1888) এবং ভ্রমণকাহিনি A Visit to Europe (1888) প্রকাশিত হয়।

    এরপর রাজস্ববিভাগের কর্ম পরিত্যাগ করে তিনি কলকাতায় ইন্ডিয়ান মিউজিয়মের অ্যাসিস্ট্যান্ট কিপারের পদগ্রহণ করেন। এ-সময়েই তাঁর বাংলা সাহিত্যসাধনার সূচনা হয়। স্বশিক্ষিত ত্রৈলোক্যনাথ বাংলা, ওড়িয়া, উর্দু, হিন্দি, সংস্কৃত ও ইংরেজি ভাষায় যেমন পারদর্শিতা অর্জন করেছিলেন, তেমনি ভূতত্ত্ব, রসায়ন, প্রাণিবিদ্যা, নৃতত্ত্ব, উদ্ভিদবিজ্ঞান প্রভৃতি জ্ঞানবিজ্ঞানের নানা শাখায় অধিকার লাভ করেছিলেন। ১৮৯৬ সালে অসুস্থতাবশত তিনি অবসরগ্রহণ করেন। অবসরগ্রহণের পর তিনি সাহিত্যচর্চায় অধিকতর মনোযোগ দিতে সমর্থ হয়েছিলেন। ১৯১৯ সালের ৩ নভেম্বর (১৭ কার্তিক ১৩২৬) পুরীর সমুদ্রতীরে তাঁর মৃত্যু হয়।

    ২

    বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস যাঁরা লিখেছেন, বাংলা উপন্যাস ও ছোটগল্পের বিকাশ যাঁরা বর্ণনা করেছেন কিংবা বাংলায় রঙ্গব্যঙ্গরসের ধারার পরিচয় যাঁরা দিয়েছেন, তাঁরা সকলেই ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়কে অতি উচ্চ আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এর প্রধান কারণ এই যে, তাঁর মৌলিক প্রতিভা আমাদের সাহিত্যে সম্পূর্ণ নতুন পথ তৈরি করে নিয়েছিল। ত্রৈলোক্যনাথ যখন সাহিত্যক্ষেত্রে প্রবেশ করেন, তখনো বাস্তব সমাজজীবনের চেয়ে রোমান্সের কল্পনারঙিন জগৎ বাঙালি লেখক ও পাঠকসমাজের প্রিয় ছিল। বঙ্কিমচন্দ্র-প্রদর্শিত ঐতিহাসিক রোমান্সের পথে তিনি অগ্রসর হননি। আবার বঙ্কিমচন্দ্রের অনুসরণে সামাজিক উপন্যাস লিখতেও প্রবৃত্ত হননি। তিনি বাস্তবকে পর্যবেক্ষণ করেছিলেন ঠিকই, কিন্তু সে-বাস্তবের মধ্যে এমন অপ্রিয় কিছু লক্ষ করেছিলেন যা মানুষের উপযুক্ত বলে মনে করেননি। ফলে ভূতপ্রেত ও কাল্পনিক জীবজন্তুর এমন একটা জগৎ তিনি নির্মাণ করেছিলেন যার অভিনবত্ব বিশ্বাস-অবিশ্বাসের মাঝামাঝি একটা অবস্থায় পাঠককে বন্দি করে রাখে। শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় যথার্থই নির্দেশ করেছেন যে, ‘প্রাকৃতিক ও অপ্রাকৃত ঘটনার মেশামিশিতে তিনি যে বেপরোয়া, অকুতোভয় মনোভাব দেখাইয়াছেন, সেইখানেই তাঁহার বিশেষত্ব নিহিত।’ বস্তুত, যদি বলা যায়, ত্রৈলোক্যনাথের এক পা ছিল বাস্তব জগতে, অন্য পা কল্পলোকে, তাহলে খুব ভুল হবে না। তাঁর প্রথম রচনা কঙ্কাবতী পাঠকসমাজে বিশেষ আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। এই কাহিনির সূচনা বাস্তব জগতে এবং সে-বাস্তবে সংশয়াতীতভাবে অমানবিকতা, ক্রূরতা ও ভণ্ডামির প্রাধান্য। গল্প কিছুদূর অগ্রসর হলে লেখক আমাদের যেখানে নিয়ে যান, তা সম্পূর্ণত রূপকথার জগৎ। আমরা যখন এ-কাহিনিকে বড়দের রূপকথা বলে প্রায় নিশ্চিত হয়ে পড়ি, তখন তিনি আমাদের ফিরিয়ে আনেন পূর্বের বাস্তব পৃথিবীতে এবং আমরা জানতে পারি যে, যাকে আমরা বড়দের রূপকথা বলে এতক্ষণ ঠাহর করেছিলাম, আসলে তা জ্বরবিকারের ঘোরে দেখা একরকম স্বপ্নজগতের ইতিবৃত্ত। ডমরু-চরিতে অনেক উপকরণ আছে যা অবিশ্বাস্য। গল্পের কথকের নির্বিকার মিথ্যা-ভাষণ বলে তার অনেকখানি চিহ্নিত করা যায়, তবে তার পরপরই আমরা উপলব্ধি করি যে, ঘটনা যদিও অবিশ্বাস্য পর্যায়ে চলে যায়, কিন্তু যে-মনোভাব অমন অবিশ্বাস্য ঘটনাকে প্রণোদিত করে, তার বাস্তব ভিত্তি আছে।

    এই বাস্তবতাবোধ এমন পর্যায়ের যে, প্রমথনাথ বিশী বলেছেন, ‘পর্যবেক্ষণশক্তি যেমন ত্রৈলোক্যনাথের প্রচুর পরিমাণে ছিল কল্পনাশক্তি তেমন ছিল না।’ কেউ কেউ হয়তো বলবেন যে, মানবলোকে যা তিনি প্রত্যক্ষ করেছিলেন, তাই আবার স্থাপন করেছেন অতিপ্রাকৃত জগতে। বস্তুত বাস্তব ও অবাস্তবের যে-সংমিশ্রণ তিনি ঘটিয়েছেন, তার মধ্যেই তাঁর কল্পনাশক্তির বিশেষত্বটি পরিস্ফুট হয়। সুকুমার সেনের মতে, কল্পনাশক্তি, সমবেদনা, মাত্রাজ্ঞান ও সরসতা—এইসব দুর্লভ গুণের সমাবেশ তাঁর রচনায় ঘটেছিল। তার ফলে, অদ্ভুত ও কৌতুক রসের মিলনে তাঁর রচনা অভিনব রূপ লাভ করেছিল। সুকুমার সেন অবশ্য মনে করেন যে, ত্রৈলোক্যনাথ কতকটা লুইস ক্যারলের আদর্শ অনুসরণ করেছিলেন। কিন্তু এ-কথা মনে হওয়া আরো সংগত যে, দেশীয় পরিস্থিতি ও আবহ এবং কাহিনিরচনায় দেশীয় ঐতিহ্যকেই তিনি মনে রেখেছিলেন বেশি। ত্রৈলোক্যনাথ কেবল অদ্ভুত ও অসম্ভবকে তুলে ধরেন নি, এসবের পেছনে কেবল কাহিনিকথনের ঝোঁক কার্যকর ছিল না; তিনি সমকালীন সমাজের কপটতা, স্বার্থপরতা ও হৃদয়হীনতাকে উদ্ঘাটন করেছেন, তার তীব্র সমালোচনা করেছেন ব্যঙ্গে ও রঙ্গে।

    ধর্মীয় আচারপরায়ণতা যেখানে আচারসর্বস্বতায় পরিণত হয়, রীতি যখন নীতির চেয়ে বড় হয়ে ওঠে, তখন ব্যক্তিজীবনে ও সমাজে গুরুতর অসংগতি দেখা দিতে বাধ্য। এই অসংগতি ত্রৈলোক্যনাথের লেখার প্রিয় বিষয়। সুশীলকুমার গুপ্ত উল্লেখ করেছেন যে, ‘এমনকি যে স্বদেশী-দ্রব্যের উৎপাদন ও প্রচার সম্বন্ধে তিনি সারাজীবন চেষ্টা করিয়াছিলেন সেই স্বদেশীদ্রব্য প্রস্তুতি-প্রণালী লইয়াও তিনি রসিকতা করিতে ছাড়েন নাই।’ তবে তাঁর গুরুতর ক্রোধ অন্যত্র। তাঁর যে-চরিত্র বলে, ‘লোকে পাছে অলস হইয়া পড়ে, সেই ভয়ে ভিখারীকে কখন মুষ্টিভিক্ষা প্রদান করি না’, কিংবা যে দুআনা বেশি পাওয়ার লোভে জীবন্ত ছাগলের ছাল ছাড়ায়, কিংবা যে-ব্যক্তি মদ্যপানের অগৌরব কপালে ফোঁটা দিয়ে ঢাকতে চায়, কিংবা অখাদ্য-কুখাদ্য খেয়েও যে-ব্যক্তি গোরক্ত দিয়ে তৈরি-করা বরফ খাওয়া সম্পর্কে নিতান্ত কটূক্তি করে, কিংবা যে-নিরামিষাশী ব্রাহ্মণ পাঁঠীর মাংস বিক্রি করতে দ্বিধা করে না—এরাই ত্রৈলোকন্যাথের কথারাজ্যের অধিবাসী। সতীদাহ কি সমুদ্রযাত্রা সম্পর্কেও এমন সব চিত্তাকর্ষক উক্তি আছে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, তিনি টাইপই সৃষ্টি করে গেছেন, ব্যক্তিবৈশিষ্ট্যপূর্ণ মানবচরিত্র তেমন আঁকেননি। চরিত্রাঙ্কনে তিনি বিশেষভাবে দক্ষ।

    ত্রৈলোক্যনাথের আক্রমণের লক্ষ্য কেবল ব্যক্তি নয়, সমষ্টিও। তাই তিনি বলছেন, ‘কিছু একটা হুজুগ লইয়া বাঙ্গালী অধিক দিন থাকিতে পারে না। হুজুগ একটু পুরাতন হইলেই বাঙ্গালী পুনরায় নূতন হুজগের সৃষ্টি করে। অথবা এই বঙ্গভূমির মাটীর গুণে আপনা হইতেই নূতন হুজুগের উৎপত্তি হয়।’ কিন্তু সবার উপরে স্থান পাওয়ার মতো কথা ত্রৈলোক্যনাথের যম বলেছেন চিত্রগুপ্তকে: ‘পৃথিবীতে গিয়া মানুষ কি কাজ করিয়াছে, কি কাজ না করিয়াছে, তাহার আমি বিচার করি না। মানুষ কি খাইয়াছে, কি না খাইয়াছে, তাহার আমি বিচার করি। ব্রহ্মহত্যা, গো-হত্যা, স্ত্রী-হত্যা করিলে এখন মানুষের পাপ হয় না, অশাস্ত্রীয় খাদ্য খাইলে মানুষের পাপ হয়।’ অধিক দৃষ্টান্ত নিষ্প্রয়োজন। এই কারণে অজিত দত্ত বলেছেন, ‘সর্বকালের মানবমনের শ্রেষ্ঠাংশের কাছেই তার [ত্রৈলোক্যনাথের রচনার] আবেদন।’

    ত্রৈলোক্যনাথের রচনারীতির মৌলিকতাও আমাদের মুগ্ধ করে। তিনি কাহিনি বর্ণনা করেন বৈঠকি ঢঙে—যেন শ্রোতাকে সামনে রেখে কথা বলছেন। এই কথকতার ক্ষমতা ছিল তাঁর অসাধারণ। তাঁর ভাষা সরল, সহজ, অনাড়ম্বর। ‘লেখ্য ভাষাকে কথ্যভাষার সঙ্গে এমনভাবে মিলাইয়া দিতে অল্প লেখকই পরিয়াছেন।’ আশা করা যায়, ভাষা ও ভঙ্গির এই অনায়াসস্বাচ্ছন্দ্য, অপ্রাকৃতের মধ্যেও একটা নিয়মের অনুসরণ এবং নিষ্ঠ জীবন-সমালোচনা কালান্তরেও পাঠককে আকর্ষণ করবে।

    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়ের গ্রন্থাবলি

    ক. বাংলা

    ১. কঙ্কাবতী (‘উপকথার উপন্যাস, সচিত্র’)। ১২৯৯/১৮৯২।

    ২. ভূত ও মানুষ (‘গল্প, সচিত্র’)। ১৮৯৬।

    ৩. ফোক্লা দিগম্বর (‘সামাজিক উপন্যাস’)। ১৩০৭/১৯০১।

    ৪. মুক্তা-মালা (‘উপন্যাস’)। ১৯০১ [১৯০২]।

    ৫. ভারতবর্ষীয় বিজ্ঞান সভা। ইহার সংক্ষেপ বৃত্তান্ত ও অভাব। অমৃতলাল সরকার-সহযোগে। ১৯০৩।

    ৬. ময়না কোথায় (‘উপন্যাস’)। ১৩১১/১৯০৪।

    ৭. মজার গল্প (গল্প)। ১৩১২/১৯০৬।

    ৮. পাপের পরিণাম (‘উপন্যাস’)। ১৩১৫/১৯০৮।

    ৯. ডমরু-চরিত (‘গল্প’)। ১৯২৩।

    খ. ইংরেজি

    1. A Descriptive Catalogue of Indian Products (‘Contributed to the Amsterdam Exhibition. 1881’) Calcutta, 1883.

    2. A Hand-book of Indian Products (‘Art Manufactures and Raw Materials’), Calcutta, 1883.

    3. A List of Indian Economic Products (‘Compiled from the Catalogue of Economic Products of India, exhibited in the Economic Court, Calcutta International Exhibution, 1883-84’). Calcutta, 1884.

    4. Art-Manufactures of India (‘Specially compiled from the Glasgow International Exhibition. 1888’). Calcutta, 1888.

    5. A Visit to Europe (‘With a Preface by N.N. Ghose, Bar-at-Law’). Calcutta, 1889.

    ২০০১

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনিঃসঙ্গতার একশ বছর – গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    Next Article বিপুলা পৃথিবী – আনিসুজ্জামান

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }