Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    April 24, 2026

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026

    নিশিডাকিনী – তৌফির হাসান উর রাকিব সম্পাদিত

    April 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    আশাপূর্ণা দেবী এক পাতা গল্প80 Mins Read0
    ⤷

    সমুদ্র কন্যা – ১

    এক

    ‘এই আমার পরিকল্পনা শঙ্খ! সোনা দৃঢ়গলায় কথায় সমাপ্তির রেখা টানে, অনেক কিছু ভেবেছি, এছাড়া আর উপায় দেখছি না।’

    শঙ্খ এতক্ষণ ভুরু-কপাল কুঁচকে বসে সোমার অপরূপ পরিকল্পনার খসড়া শুনছিল। কারণ সোমা বলেছিল, ‘আগে আমাকে সবটা বলতে দাও শঙ্খ, তারপর তুমি কথা বলো।’ অতএব সবটা শুনে তবে কথা বলল শঙ্খ, ‘এ ছাড়া আর কোনো উপায় দেখতে পেলে না তুমি?’

    শঙ্খের এই প্রশ্নের মধ্যে ক্ষোভ ছিল, হতাশা ছিল, ব্যঙ্গ ছিল, বেদনা ছিল। কিন্তু সোমা তো জানতই এসব থাকবে, তাই সোনা বিচলিত হল না। সোমা আবারও দৃঢ় হল, আমি তো দেখতে পাচ্ছি না, তুমিই তবে বলো আর কী উপায় আছে?’

    শঙ্খ ক্ষুব্ধ গলায় বলে, ‘বলেছি অনেকবার।

    ‘ওঃ, সেই বিয়ের পরও চাকরি-বাকরি করে বাবার দেনা শোধ করা? কিন্তু ক্ষিধে যেখানে কুম্ভকর্ণের, সেখানে একমুঠো খুদ কোন কাজ দেবে শঙ্খ? তেষ্টা যেখানে মরুভূমির সেখানে ফোঁটা ফোঁটা জল ছিটিয়ে কী করব আমি? তিন মাসের মধ্যে হাজার দশেক টাকা যোগাড় করতে না পারলে সমস্ত পরিবারকে রাস্তায় দাঁড়াতে হত সে কথা কি তোমার অজানা?’

    দুই

    তা অজানা অবশ্য নয়, কারণ শঙ্খ আর সোমারা তিন পুরুষে গায়ে গায়ে প্রতিবেশী। আর সেই প্রতিবেশীত্ব শুধু কুশল প্রশ্ন বিনিময়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। তারা একে অপরের সুখ-দুঃখের অংশীদার। এদের বাড়িতে কুটুমবাড়ির তত্ত্ব এলে যেমন ওরা খেতো, তেমনি এদের বাড়িতে কারো অসুখ হলে ওরা এসে রাত জাগতো।

    আবার ওদের বাড়িতে কুটুম এলে এরা সৌষ্ঠব রক্ষা সম্পর্কে সচেতন থাকতো— ওদের বাড়িতে যজ্ঞি হলে এরা তিন দিন হাঁড়ি চড়াতো না।

    কিন্তু এসব কি অতীত হয়ে গেছে?

    এসব কি আর হয় না?

    হয়, আজও সম্পর্ক অটুট আছে, তবে একপক্ষের জীবনতরণীটি একেবারে টুটা ফুটা ঝাঁজরা হয়ে গেছে, তাই সেই স্বচ্ছন্দ ভাবটা যেন ব্যাহত হয়ে গেছে।

    সোমার বাবা যখন চাকরি করতেন, তখন ক্ষীণ হলেও প্রবাহটা ছিল, কাজেই সেই প্রবাহের সঙ্গে শঙ্খদের জীবনপ্রবাহ মিলতে পারতো, মিলতো।

    দুই গিন্নিতে পরামর্শ করে—দু-দিনের বাজার খরচ বাঁচিয়ে একদিন দুপুরের শো-এ সিনেমা দেখে আসতো, আবার একদিন হয়তো দুই কর্তাই মাসের প্রথম দিকে হঠাৎ দুঃসাহসে ভর করে একজোড়া ইলিশ কিনে বসতেন, যার দাম তিন দিনের বাজার খরচার সমান।

    কিন্তু বিপর্যয় ঘটেছে দু-দিকেই। শঙ্খর বাবা মারা গেছেন, আর সোমার বাবা? তিনি নিজেকে জীবস্মৃত বলে ঘোষণা করেন। একের হাঁড়ির খবর অপরের নখদর্পণে। তবু কেউ কাউকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে ভরাডুবি থেকে ভাসিয়ে তুলবে, এ ক্ষমতা নেই।

    অথচ সোমাদের সংসারে হয়েছে সেই ভরাডুবি। সোমার বাবা চাকরিতে অবসর গ্রহণের পর এক দুঃসাহসিক পরিকল্পনা নিয়ে প্রভিডেন্ট ফান্ডের সমস্ত টাকাগুলো দিয়ে এক ব্যাবসা ফেঁদে বসেছিলেন, কারণ পরপর দুটো মেয়ের বিয়ে দিয়ে আর একটা ছেলেকে ডাক্তারি পড়িয়ে সোমার বাবা আকণ্ঠ ঋণে ডুবে পড়েছিলেন তখন

    কিন্তু সোমার বাবার সেই ব্যাবসা সোনার হরিণের ছলনা নিয়ে দিগন্তে মিলিয়ে গেল, ঋণের বোঝার উপর আরো একরাশ ঋণ চাপিয়ে। মরীয়া ভদ্রলোক অতঃপর ডুবো জীবনতরীখানাকে টেনে তুলতে বসতবাড়িখানাকে বন্ধক দিয়েছিলেন, এবং শেষ অবধি শেষ কপর্দকটি পর্যন্ত জলাঞ্জলি দিয়ে রক্তচাপ বৃদ্ধি ঘটিয়ে বিছানা নিয়েছেন।

    বাঁধা দেওয়া বাড়িটাকে আবারও বাঁধা দিয়ে সংসারটাকে চালানো হচ্ছিল—মানে সোমা, সোমার মা-বাবা, আর ছোট দুটো ভাই, সর্বসাকুল্যে এই পাঁচজন সদস্যে গঠিত সংসারটাকে। তারই ফাঁকে পার্ট-ওয়ান-পাস করা সোমা একটা সাবান কোম্পানির প্রচার বিভাগে ঢুকে পড়ে চলার পথটা কিছু সুগম করে আনছিল, কিন্তু ঘাড়ের উঁচোনো খাঁড়া এবার ঘাড়ে এসে কোপ দিয়েছে।

    পরোয়ানা এসে গেছে বাড়ি ছেড়ে দিতে হবে। সুদে-আসলে যা দাঁড়িয়েছে, তাতে নাকি বাড়ির দাম অনেকদিন আগেই উঠে গেছে। নেহাত ভদ্রতার দায়েই এতদিন, ইত্যাদি ইত্যাদি…

    দাম উঠে গেছে, সেটা এদেরও জানা ছিল বই-কি। প্রাসাদ নয়, অট্টালিকা নয়, নিতান্তই একটু মাথা গোঁজার আশ্রয়, ওকে বিকোতে আর কতই লেগেছে? সামান্য মূল্যেই বিকিয়ে বসে আছে সে, যে ‘সামান্য’টা অবশ্য সোমাদের কাছে অসামান্য।

    আর সোমার চাকরি? সে তো সোমার ভাষায় মরুভূমিতে জলবিন্দু, কুম্ভকর্ণের গহ্বরে ক্ষুদ্ৰ মুষ্টি!

    তিন

    শঙ্খর যদি সামর্থ্য থাকত, শঙ্খ কি দিত না সোমার বাবার ওই বোঝা হালকা করে? সামর্থ্য থাকলে অবশ্যই দিত। আর সেই বীরত্বের মহিমায় সোমার বাবার সামনে গিয়ে দাঁড়াতে পারত সোমার জন্যে হাত পেতে

    সেই হাত পাতার মধ্যে দীনতা থাকত না, থাকত মহিমা, থাকত গৌরব!

    কিন্তু সে গৌরব শঙ্খদের জন্য থাকে না।

    সে মহিমার চন্দন-তিলক শঙ্খদের ললাটে আঁকা হয় না।

    শঙ্খও তো স্রেফ শুধু কেরানীর ছেলে, শুধু কেরানী। ওদেরও কোনোখানে নেই তালুক-মুলুকের বনেদ, কোথাও নেই নিত্য প্রয়োজনীয়ের অতিরিক্ত কোনও সম্বল।

    তাও বাপ যতদিন বেঁচেছিল শঙ্খর, একটু গায়ে হাওয়া দিয়ে বেড়িয়েছে সে। লেখাপড়ার অবকাশে ‘পাশের বাড়ির মেয়ের’ সঙ্গে হৃদয়-চর্চা করেছে, খেলাধুলো করেছে, গান-বাজনাও কিছু করেছে। মানে ওদের মতো মধ্যবিত্ত ঘরের দৌড়ের সীমানা যতটুকু, তার মধ্যেই দৌড়াদৌড়ি করে নিয়েছে। কিন্তু সে দিন গত। বাপ মারা গিয়ে বড়ছেলের ঘাড়ে জাঁতা চাপিয়ে গেছে।

    সোমাকে বিয়ে করে ফেলতে পারলে এ অবস্থার অবসান হতে পারত শঙ্খর। কারণ সোমার মাইনে শঙ্খর মাইনেরই প্রায় সমান সমান। এই দুটো সমানের ‘টানা’য় অসমানের ‘পোড়েন’গুলো খাপ খাইয়ে বুনে নেওয়া যেত, কিন্তু সে আর হচ্ছে কোথা থেকে? সোমা বলেছে, ‘এখন যদি বিয়ে করে চলে যাই, নিজেকে জানোয়ার ছাড়া আর কিছু ভাবতে পারব না আমি।’

    তিনপুরুষে বন্ধুত্ব, তবু এমন অবস্থাটা ঘটেনি এর আগে। বন্ধুত্ব হয়েছে মেয়েয় মেয়েয়, পুরুষে পুরুষে, মেয়ে আর ছেলের এই চিরন্তন হৃদয়ঘটিত বন্ধন প্রথম ঘটেছে এই তৃতীয় পুরুষে। আর ঘটেছে সেই শৈশবকাল থেকে। কাজেই অজানা ছিল না কারো।

    ওদের যে বিয়ে হবে, এটা দুটো পরিবারই মেনে নিয়েছিল, কিন্তু সেই মেনে নেওয়ায় চিড় ধরাল শরদিন্দুর ভাগ্য-বিপর্যয়। বড়মেয়ে দুটো বিয়ে হয়ে দূরে চলে গেছে, কৃতী ছেলেটি বিয়ে করে আর চাকরি নিয়ে দূরে চলে গেছে, কদাচিৎ খোঁজ নেয় তারা, অথবা নেয়ও না। কোলের এই মেয়েটাকে অতএব আঁকড়ে ধরেছিলেন শরদিন্দু। আরো আঁকড়ালেন মেয়ের চাকরি হওয়া ইস্তক। ধরেই নিলেন, এ খুঁটি আর ছাড়া চলবে না। ওকে ধরেই এই লাটখাওয়া সংসারকে খাড়া করে তুলতে হবে।

    মমতা? মানবিকতা?

    পেটের কাছে কে?

    অতএব সোমার যে বিয়ে-থাওয়া করে ঘর-সংসার করা চলবে না, এটা ওঁরা ধরেই রেখেছেন।

    চার

    কিন্তু হঠাৎ এল এক নতুন পরিস্থিতি, নতুন ঘটনা, কিংবা নতুন কিছুই নয়, সেই আদ্যিকালের কোন এক কাহিনিরই পুনরাবৃত্তি। যা নাকি এক অতি কাঁচা লেখকের এক অতি কাঁচা উপন্যাসের মত। টেকনিকটা বাজে, প্লটটা ছাঁচে ঢালাই।

    সত্যি, বিধাতাপুরুষের মতো এমন কাঁচা লেখক আর কোথায় দেখা যায়? লোকটার রচনায় না আছে প্লটের নতুনত্ব, না আছে চরিত্রের নতুনত্ব। সেই আদি অন্তকালের উপকরণ—রোগ, শোক, মৃত্যু, অভাব! সেই মানুষের নিষ্ঠুরতা, নির্লজ্জতা, ক্রূরতা, বিশ্বাসঘাতকতা! কাহিনি ঘোরালো করবার জন্যে এছাড়া আর কিছু পায় না ও। তাই তার রচনা শুধু একই কাহিনির পুনরাবৃত্তি। তার সৃষ্ট ‘চরিত্রগুলো’ কালে কালে বেশবাস বদলালেও চরিত্র বদলায় না।

    একের দুর্বলতার মধ্যে অপরের সুযোগ গ্রহণের চেষ্টা, একের লোভের মধ্যে অপরের লোভের পরিপূর্তি, চিরন্তন এই কাঁচা একটা গল্পকেই অতএব আবার দেখা যাচ্ছে, সোমাদের কাছাকাছি। যদিও ওরা ভাবছে কী নতুন, কী আশ্চর্য। আশ্চর্য! দুর্ভাগ্য আর দুর্ভাগ্য-দূরের দাওয়াই একই সঙ্গে দেখা দিয়েছে। বাড়ি ছাড়ার নোটিসের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ি উদ্ধারের আশা উঁকি মেরেছে এক অভাবিত কোণ থেকে।

    ঘটনাটা এই—

    হঠাৎ একদিন শরদিন্দুর একদার ‘বস্’ মিস্টার সিংহ মস্ত এক গাড়ি চড়ে এসে হাজির দীনহীন শরদিন্দু সরকারের কুটিরে তত্ত্ববার্তা নিতে।

    শরদিন্দুও আর চাকরিতে নেই, মিস্টার সিংহও আর চাকরিতে নেই, দুজনেই অবসরে অ-পদস্থ, তবু শরদিন্দু দিশেহারা বশংবদের মূর্তিতে প্রাক্তন ‘বস’ কে আপ্যায়িত করলেন, এবং তাঁর কাছে নিজের এই দৈন্যদশার কারণ উদ্ঘাটিত করে ফেলতে দ্বিধা করলেন না। বাড়ি ছেড়ে পথে দাঁড়াতে হবে এবার, সে সত্যও প্রকাশ করলেন।

    এই ‘বস’টি কি শরদিন্দুকে খুব মমতা করতেন? বয়সের কাছাকাছির সূত্রে কি বিশেষ হৃদ্যতা ছিল? না কি লোকটা স্বভাবতই দয়ালু আর পরোপকারী? তাই তার কাছে দুঃখের গাথা গেরে বুকের বোঝা কিঞ্চিৎ হালকা করতে চাইলেন শরদিন্দু?

    তাই তো করে থাকে মানুষ!

    বলে কী লাভ হবে ভেবে দেখে না। প্রতিকারের আশাও রাখে না। শুধু কোনো একটি দরদী হৃদয়ের কাছে আপন দুঃখ নিবেদন করতে পাওয়াই তার সুখ।

    তেমন সুযোগ পেলে মানুষ ছাড়ে না। শরদিন্দুও ছাড়লেন না। বিশদ করে বোঝাতে বসলেন তাঁর প্রাক্তন উপরওয়ালা সিংহসাহেবকে, কী মারাত্মক অবস্থায় রয়েছেন তিনি।

    তা সুযোগ পেলেন সিংহসাহেবও, তাকমাফিক বলে ফেললেন, ‘আপাতত এক-তৃতীয়াংশ শোধ দিতে পারলেই বসতবাড়িটা রক্ষা পায় আপনার? তাই না কি? জানতাম না তো? কত সেটা? হাজার দশেক? বেশ তো, নিন না আমার কাছে। ঈশ্বরের অনুগ্রহে আমার যখন রয়েছে।’

    ‘রয়েছে’ অবশ্য ঠিকই, তবে ঈশ্বরের অনুগ্রহে কি শয়তানের অনুগ্রহে, সেটা ঈশ্বরই জানেন। সরকারি এক শাঁসালো ডিপার্টমেন্টের উচ্চপদস্থ কর্মচারী ছিলেন তো সিংহসাহেব। আর অবসর গ্রহণের আগে একবার নাকি খবরের কাগজে কোন এক ‘কেলেঙ্কারী’র সূত্রে নামও বেরিয়েছিল তাঁর। কিন্তু সে সব যথারীতি যথাকালে ধামা চাপাও পড়ে ছিল। এখন যেটা চাপা নেই সেটা হচ্ছে ‘অনেক আছে’ তাঁর।

    একটি সুন্দরী মেয়ের জন্য দাদন হিসেবে হাজার দশেক টাকা তিনি অনায়াসেই খরচা করতে পারেন।

    অবশ্য ওই ‘দাদন’ কথাটা শঙ্খর সৃষ্টি, গায়ের জ্বালাতেই বলেছে ওকথা। বলেছে, ‘ঘুষ খেয়ে খেয়ে পিপে হয়ে যাওয়া পেট থেকে হাজার দশেক বার করে দেওয়া আর শক্ত কি? একটা সুন্দরী মেয়ের জন্যে ওটুকু ‘দাদন’ দেওয়া তো কিছুই নয়।’

    সোমা বলেছিল, ‘শঙ্খ, তুমি বোধ হয় খেয়াল করছো না এটা সিংহ সাহেবকে অপমান করা হল না, অপমান করা হল আমাকে।

    শঙ্খ বলেছিল, ‘অপমান আমি কাউকেই করছি না। শুধু যা ফ্যাক্ট তাই বলছি।’

    ‘তুমি তাহলে ধরেই নিচ্ছ, এই দাদনটি দিয়ে তিনি শেষ পর্যন্ত আমার বাবার সুন্দরী কন্যাটিকে লুঠে নেবেন?’

    ‘নেবেন কিনা জানি না, তবে নেবার বাসনাতেই এই মবলগ খরচ।’

    ‘সাহায্যও তো হতে পারে?’

    বলেছিল সোমা। কারণ সোমা তখনও জানতো আসলে এটা ভাবী শ্বশুরকেই ‘অসময়ে’ সাহায্য সিংহসাহেবের।

    হ্যাঁ, সিংহসাহেব সেই প্রস্তাবই করতে এসেছিলেন। অকৃতদার সিংহসাহেব। সারাটা জীবন স্বর্ণ নেশায় ছুটে ছুটে এখন জীবনের অপরাহ্ণে হঠাৎ খেয়াল হয়েছে তাঁর, একটি গৃহিণী ব্যতীত ‘সব ঝুটা হ্যায়’।

    বিয়ের অনীহা ছিল এমন নয়, বিয়ের অবসর জোটেনি। এখন অবসরের জীবনে সমস্ত প্রাণটা ‘হায় হায়’ করে উঠেছে।

    কী করলাম এতদিন! জীবনটা যে একেবারে শুকদেবের মতো কেটেছে তা হয়তো নয়, কিন্তু সে জীবনে আর খুব একটা রুচি নেই সিংহসাহেবের।

    তিনি তাঁর অনবধানতায় হাত ফস্কে পালিয়ে যাওয়া জীবনকে আবার আহরণ করে আস্বাদ করতে চান বটে, কিন্তু তার সঙ্গে বজায় রাখতে চান মান-সম্ভ্রম, সামাজিক প্রতিষ্ঠা, পারিবারিক পবিত্রতা।

    অতএব বিয়ে।

    আর নয়ই বা কেন?

    শরদিন্দুর মতন অকালবৃদ্ধ কি তিনি?

    এখনো স্বাস্থ্য অটুট, গড়ন মজবুত, জীবনের আস্বাদ নেবার ক্ষমতা রয়েছে দেহে মনে দু-দিকেই! তাঁর একক জীবনের ঘর-সংসার দেখলে তাক লেগে যাবে লোকের, তাঁর রুচি পছন্দ শখ-শৌখিনতা তাজা তরুণদেরও লজ্জা দিতে পারে।

    ‘সিলভার টনিক’টা যে সত্যিই শক্তিশালী টনিক, সেটা যেন নতুন করে অনুধাবন করা যায় সিংহসাহেবকে দেখে।

    অতএব বিয়ে তিনি বিয়ের মতোই করবেন।

    নিজে প্রৌঢ়ত্বের সীমায় এসে পৌঁছেছেন বলেই যে একটি প্রৌঢ়া কুমারী অথবা আধবুড়ি বিধবাকে বিয়ে করবেন, তা নয়। সুন্দরী সদ্বংশজাতা তরুণীই তাঁর আকাঙ্ক্ষিত। আর সেই আকাঙ্ক্ষার বস্তু রয়েছে তাঁরই একদার অধস্তনের ঘরে। যে লোকটা নাকি এখন অধস্তন না হয়েও অধমাধমের ভূমিকায় অভিনয় করে মরছে।

    ‘টাকা আমি আপনাকে এমনিই দেব শরদিন্দুবাবু’, পূর্ব অভ্যাসমতো উচ্চপদস্থ অফিসারজনোচিত অতি অমায়িক ভঙ্গীতেই বলেন সিংহসাহেব, ‘মনে করবেন না, কোনোরকম বাধ্য-বাধকতায় ফেলছি আপনাকে, এটা সম্পূর্ণ আলাদা ব্যাপার। তবে ওই কথাটা আপনি একটু বিবেচনা করে দেখবেন। তাড়াতাড়ি নেই। দু-চার দিন পরে বললেও চলবে, প্রধানত আপনার মেয়ের মত নেওয়া দরকার।’

    বিগলিত শরদিন্দু ওজন হারান, বলে বসেন, ‘তার আবার মতো! কী বিবেচনা বুদ্ধি হয়েছে তার? ওই দেখতেই বড় হয়েছে—’। চাকরির কথাটা চেপেই ছিলেন, চেপেই রইলেন। বললেন, ‘এখনো কোথাও যেতে মাকে জিজ্ঞাসা করে কী শাড়ি পরবে। তাছাড়া মেয়ে আমার—বলব কি, আমার ছেলের মতো আত্মসুখী স্বার্থপর নয়।’

    ‘সুন্দর কথা, মহৎ কথা,’ সিংহসাহেব তাঁর দীর্ঘ উন্নত দেহ নিয়ে উঠে দাঁড়ান, “তা বলে আমরা যেন ওঁর সেই মহত্ত্বের সুযোগ নিয়ে স্বার্থপর না হই। কথা হচ্ছে, ঠিক বিয়ের বয়সটা তো নেই আমার!’

    হাসলেন একটু সিংহসাহেব।

    যেন খানিকটা মিথ্যা বিনয় প্রকাশ করলেন।

    যেমন প্রাসাদের অধিকারী বলে, ‘এই গরীবের কুঁড়ে—’

    বিপদ শরদিন্দুর।

    ‘বয়েস নেই’, একথায় সায় দেওয়া অধস্তনের পক্ষে কঠিন। অথচ ‘বয়েস আছে-এটা বলতে গেলে চোখের চামড়াটা ফেলতে হয়।

    তাই শরদিন্দু একটু হেঁ হেঁ করেন।

    যাতে না, হ্যাঁ দুই-ই বোঝায়।

    অথবা কিছুই বোঝায় না।

    সিংহসাহেব আবার উদাত্ত হন, ‘সেন্স বলে একটা বস্তু তো আছে মশাই! জানি বয়েস নেই, তবে এও জানি এদেশে একটা পয়সাওলা বুড়ো বিয়ে করতে চাইলে পাত্রীর অভাব হয় না। আর শুধু এদেশকেই বা দোষ দিচ্ছি কেন, এ-দেশ ও-দেশ, পৃথিবীর কোন দেশেই বা নয়? পাত্রী এখুনি জুটবে ডজন ডজন। কিন্তু কথাটা তো তা নয়। বিয়ের সময় প্রথমেই দেখতে হবে বংশ। না, পাত্রীর রূপ নয়, বিদ্যে নয়, ওই কুলশীল বংশ ভালো কি না? এখানে আমাকে সে প্রশ্নের সামনে দাঁড়াতে হচ্ছে না। শুধু পরবর্তী প্রশ্ন—’

    সিংহসাহেব সময় নেন।

    আর শরদিন্দু সরকার বিহ্বল দৃষ্টিতে তাকিয়ে ভাবেন, অনেকদিন লোকটার তাঁবে কাজ করেছি বটে, জেনেছি তাঁবেদারের সম্পর্কে ব্যবহারে রীতিমতো ওয়াকিবহাল ও।

    কিন্তু ও যে তার ফাঁকে শরদিন্দু সরকারের কুলশীলের ‘মান’ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল হয়ে বসেছিল, তা তো কই কোনোদিন টের পাননি।

    ⤷
    1 2 3 4 5
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনিশিডাকিনী – তৌফির হাসান উর রাকিব সম্পাদিত
    Next Article ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    বিবাগী পাখি – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    কুমিরের হাঁ – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    ঠিকানা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    ততোধিক – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    ১. খবরটা এনেছিল মাধব

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    নতুন প্রহসন – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    April 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    April 24, 2026
    Our Picks

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    April 24, 2026

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026

    নিশিডাকিনী – তৌফির হাসান উর রাকিব সম্পাদিত

    April 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }