Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভয়ঙ্কর ভূতের গল্প – লীলা মজুমদার সম্পাদিত

    লীলা মজুমদার এক পাতা গল্প244 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সত্যি ভূতের মিথ্যে গল্প – বরেন গঙ্গোপাধ্যায়

    সরাইকেলার জঙ্গলে একবার বাঘ শিকার করতে ঢুকেছিলাম। তা বাঘ ফাগ দূরের কথা একটা বেড়াল অবধি চোখে পড়ল না। মাঝখান থেকে কি হল জানিস?

    ন’দাদু আমাদের দিকে একবার রহস্যময় চোখে একবার তাকালেন। তাকিয়ায় হেলান দিয়ে আয়েস করে পা ছড়িয়ে রেখেছিলেন, হাতে একটা গড়গড়ার নল।

    আমরা ছেঁকে ধরলাম, কি, কি হয়েছিল দাদু?

    আমরা বলতে আমি, পিকলু আর বুবু। দিন কয়েক হল আমাদের পরীক্ষা- ফরীক্ষা শেষ হয়েছে। বই খাতা সব শিকেয় তোলা হয়ে গেছে। সারাদিন টো টো কোম্পানি করে কাটে। সন্ধ্যের পর দাদুর কাছে হামলে পড়ি গল্প শুনতে। ন’দাদু আমাদের গল্পের খনি। কত গল্প যে ওঁর ঝুলিতে লুকনো আছে কে জানে।

    —বল না দাদু, কি হয়েছিল?

    আবার একবার গড়গড়ার নলে ধোঁয়া টেনে দাদু বললেন, ভূতের পাল্লায় পড়েছিলাম। সে এক ডেঞ্জারাস ব্যাপার।

    –ভূতের পাল্লায়। মানে তুমি ভূত দেখেছ দাদু? আমরা আরও ঘন হয়ে বসি।

    — দেখেছি কিরে। হা হা করে একগাল হাসলেন দাদু, রেগুলার বুদ্ধি খাটিয়ে ভুতকে কব্জা করে ফেলেছিলাম। বাছারা জীবনে আর আমার পেছনে লাগতে সাহস পাবে না।

    ভূতের গল্প শুনতে কার না ভাল লাগে। আমরা নাছোড়বান্দা হয়ে উঠলাম, বল না দাদু, কি হয়েছিল?

    বুবু কেমন জবুথবু হয়ে এতক্ষণ বসেছিল। আমরা জানতাম, ভূতের ভয়ে ও সন্ধের পরে বাড়ির বাইরে যেতে চায় না। বললাম, তুই বরং মামনির কাছে যা বুবু, আমরা গল্পটা শুনে নিই।

    বুবুর বোধহয় পৌরুষে লাগল। সঙ্গে সঙ্গে বলল, আমি কেন, তোরা যা না, আমি না শুনে যাব না।

    — তুই তো শেষটায় ভয়ে মরবি।

    বুবু কি বলতে যাচ্ছিল, দাদু হাসলেন, ভূতকে কখনও ভয় করতে নেই, ভয় করলেই ভূত আরও পেয়ে বসে। ঠিক আছে শোন, গল্পটা বলি।

    আমরা দাদুকে প্রায় ছুঁয়ে বসলাম।

    আরও একবার গড়গড়ায় তামাক টেনে দাদু শুরু করলেন, তখন আমার কতই বা বয়স। এই তিরিশ বত্রিশ হবে। বুঝলি, ভীষণ ডানপিটে ছিলাম। ঘুষি মেরে নারকেল ফাটাতে পারতাম। দাঁত দিয়ে লোহা চিবোতে পারতাম। তোদের দিদাকে জিজ্ঞেস করিস, জানতে পারবি।

    জিজ্ঞেস করার কিছুই ছিল না, দাদুর এখন আশির মত বয়স, এই বয়সেও দাদু ভোর চারটেয় উঠে রোজ ফাঁকা মাঠে গিয়ে দৌড়াদৌড়ি করেন। দাদুর সাহস আর শক্তি সম্পর্কে কোনদিনই আমাদের সন্দেহ ছিল না।

    পিকলু বলল, ভূতে কি করল বল না দাদু! ভূতের গল্পটা আগে শুনে নিই।

    — বলছি, বলছি অত হুড়োহুড়ি করলে চলে? আবার গড়গড়া টেনে একগাল ধোঁয়া ছেড়ে দাদু শুরু করলেন, তা সে সময় রবার্টসন সাহেবের সঙ্গে আমার খুব বন্ধুত্ব।

    –কে রবার্টসন?

    — এই দেখ, রবার্টসন সাহেবের নাম শুনিসনি। একেবারে কোড়া বিলিতি সাহেব রে। ইংরেজী ছাড়া কিছুই জানে না, কাঁটা চামচ ছাড়া খেতে পারে না। তার চলার ভঙ্গি দেখলে তোদের মাথা ঘুরে যেত। তা, সাহেবটা স্টুয়ার্ট কোম্পানীর চাকরী নিয়ে এদেশে আসে। খুব আমুদে লোক। তেমনি মিশুকে। আমার সঙ্গে বেশ ভাব হয়ে গিয়েছিল। তোর দিদা একবার ওকে লাউ চিংড়ি আর মোচার ঘন্ট খাইয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল। বিলেতে ফিরে গিয়েও সাহেব সে কথা ভুলতে পারেনি।

    তা, সে কথা থাক। সাহেবের খুব শিকারের শখ ছিল। প্রায়ই বলত, কি, যাবে নাকি মুখার্জী?

    — কোথায়?

    –এবার সরাইকেলার জঙ্গলে যাব ঠিক করেছি। চল না, দুজনে একসঙ্গে গিয়ে একটা বাঘ মেরে আনি।

    শিকার টিকারে কোনদিনই আমার তেমন নেশা ছিল না। তাছাড়া জঙ্গলের নিরীহ পশুদের মারা আমি খুব পছন্দ করতাম না। কিন্তু সাহেবের আমন্ত্রণও ফেলতে পারি না। যদি না যাই, সাহেব ভাববে আমি ভীতু। ভয়েই যেতে চাইছি না। বললাম, ঠিক আছে চল।

    তৈরী হয়ে নিতে কয়েক ঘন্টা সময়। পায়ে গামবুট পরলাম, মাথায় সাহেবের মত শোলার হ্যাট। পিঠে ছোট্ট একটা হ্যাভারশ্যাক। তাতে সামান্য কিছু ফার্স্ট এড, ছুরি, ব্লেড, দড়ি, রাত কাটাবার মত দু-একটা জামাকাপড়। তার সঙ্গে একটা দোনলা বন্দুক।

    — তুমি বন্দুক চালাতে পার? বিস্ময় যেন আমাদের কাটতে চায় না।

    দাদু মিটমিট করে একটু হাসলেন, বন্দুক চালান কোন কঠিন কাজ নাকি রে! বন্দুক তো যে কেউ চালাতে পারে। আসলে টারগেটের প্র্যাকটিস কার কত ভাল, তার ওপরেই সব নির্ভর করে। তা, আমার টিপ দেখে সাহেবের চোখও ছানাবড়া হয়ে গিয়েছিল।

    সে কথা থাক, দুর্গ দুর্গা করে তো আমরা বেরিয়ে পড়লাম। সরাইকেলার জঙ্গলে এসে সাহেবের সঙ্গে ঢুকেও পড়লাম।

    তখনকার সেই সরাইকেলার জঙ্গলের তুলনা নেই। কত হাজার হাজার পাখি। জঙ্গলে ঢুকতেই দুটো বুনো শুয়োরকে দৌড়ে যেতে দেখা গেল। বুনো শুয়োরের জন্য গুলি খরচ করা উচিত নয়। আমি সাহেবের দিকে তাকালাম, সাহেব আঙুল নেড়ে বলল, যেতে দাও।

    জঙ্গলের ভেতর কোন রাস্তা নেই। কাঁটা ঝোপঝাড় বাঁচিয়ে কোন রকমে হাঁটতে হচ্ছিল। ওপরে আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখি, আকাশ দেখা যায় না। গাছে গাছে আকাশটা একেবারে ঢাকা পড়ে গেছে। ঘড়িতে তখন মাত্র বেলা বারোটা। কিন্তু সূর্যের আলোর হদিশ নেই। এ জঙ্গলে কোনদিন সূর্যের আলো চোকে বলে মনে হয় না।

    সাহেব বলল, মুখার্জী, চল আমরা আরও একটু এগোই। আরও ভেতরে না ঢুকলে বাঘের হদিশ পাব না।

    জঙ্গল এত ঘন যে একটু গা ছমছম করছিল ঠিকই। কিন্তু সঙ্গে বন্দুক রয়েছে, যে কোন বিপদের জন্য তৈরী হয়েই রইলাম।

    হাঁটতে হাঁটতে আরও গভীর জঙ্গলে ঢুকে পড়লাম আমরা। গলা শুকিয়ে এসেছিল। ওয়াটার বটল খুলে ঢকঢক করে খানিকটা জল খেয়ে নিলাম।

    সাহেব বলল, চল মুখার্জী ওই ঢিবিটার ওপর বসে একটু বিশ্রাম করে নেওয়া যাক।

    —প্রস্তাবটা খারাপ না। ঠিক আছে, চল।

    দুজনে মাটির একটা ঢিবির ওপর হাত পা ছড়িয়ে একটু বসলাম, আর ঠিক সময় হাত পঁচিশেক দূরে সরসর করে কেমন একটা শব্দ

    পিকলু হঠাৎ কথা বলে উঠল, কিসের শব্দ দাদু, ভূতের?

    —ধুর বোকা। দিনের বেলা ভূত থাকে নাকি। দিনের বেলা ভূতেরা সব ঘুমিয়ে থাকে, রাত হলে ওরা জেগে ওঠে। ভূতেদের ব্যাপারটা মানুষদের ঠিক উল্টো।

    তাহলে?

    দাদু গড়গড়া টানতে গিয়ে বুঝলেন, আগুন নিভে গেছে। নলটা একপাশে সরিয়ে রেখে হাসলেন, কি হল তারপরে শোন না। শব্দটা একটু পরেই থেমে গেল।

    আমরা ততক্ষণে বন্দুক তাক করে তৈরী হয়ে পড়েছি। ঝোপের দিক থেকে জন্তুটা বেরোলেই গুলি করব। কিন্তু জন্তুটার আর কোন সাড়া শব্দ নেই। কি জন্তু তাও বোঝার উপায় নেই। সাহেবের মুখের দিকে তাকালাম।

    সাহেবও কিছু বুঝতে পেরেছে বলে মনে হল না।

    ফলে, অপেক্ষা করা ছাড়া আর আমাদের উপায় রইল না। খানিকক্ষণ ওইভাবে কেটে গেল, হঠাৎ আবার শব্দ। ঝোপটা আবার একটু নড়ে উঠল। আবার আমরা সতর্ক হয়ে বন্দুক তুললাম। কিন্তু না, আবার শব্দটা থেমে গেল।

    বুবু একটু একটু করে আমাকে ঠেলে যেন মাঝখানে এসে বসার চেষ্টা করছিল। বললাম, কি রে ভয় লাগছে?

    বুবু ফ্যাকাসে চোখে বলল, তোর ভয় লাগতে পারে, আমার নয়।

    বটে। — পিকলু হেসে উঠল, ভীষণ বীরপুরুষ হয়ে গেলি যে!

    দাদু বললেন, ভয়ের কি আছে। তারপর কি হল শোন। সাহেব এবার ফিসফিস করে আমার কানের কাছে মুখ এনে বলল, মুখার্জী, এখান থেকে জন্তুটাকে ঠিক দেখা যাবে না। আমি ঘুরে ওপাশে যাচ্ছি। তুমি এখানেই পাহারা দাও। এদিক দিয়ে যদি কিছু ছুটে পালায় তুমি গুলি করবে।

    সাহেব অভিজ্ঞ শিকারী। ওর কথা মেনে নেওয়াই ভাল। বললাম, ঠিক আছে। আমি বসছি। তবে বেশী দূরে কিন্তু যেও না সাহেব, জঙ্গলে দুজনে ছাড়াছাড়ি হয়ে গেলে মুস্কিলে পড়তে হবে।

    সাহেব আমাকে ভরসা দিয়ে গুটি গুটি পায় বাঁদিকে খানিকটা এগিয়ে জঙ্গলের মধ্যে মিশে গেল। তারপর আমরা দুজনে ছাড়াছাড়ি হয়ে গেলাম।

    অনেকক্ষণ কেটে গেল। সামনের ঝাপের দিকে বন্দুক তাক করে তৈরী হয়ে একা বসে আছি। আর কোন শব্দই নেই। এপাশ ওপাশ তাকালাম, সাহেবের টিকিটিও আর দেখা যাচ্ছে না।

    হঠাৎ সেই ঝোপের ভেতর থেকে তিড়িং করে লাফ দিয়ে একটা হরিণ বেরিয়ে এসেই সাঁ সাঁ করে ছুটতে শুরু করল।

    আর যায় কোথায়, বন্দুক গর্জে উঠল আমার। কিন্তু আঙুলটা বোধহয় একটু কেঁপে উঠেছিল, হরিণটা প্রাণে বেঁচে পালিয়ে গেল।

    হরিণটা পালাতেই সব রহস্য পরিষ্কার হয়ে গেল। আমি চেঁচিয়ে উঠলাম, রবার্টসন কোথায় তুমি, হরিণ হরিণ।

    কিন্তু সাহেবের কোন সাড়া নেই। যাহ্ বাবা! কোথায় গেল লোকটা। কোন বিপদে পড়ল না তো?

    আমি আবার চেঁচালাম, সাহেব, ও সাহেব। কোথায় তুমি?

    এবারও উত্তর নেই।

    ফলে বুঝতে পারছিল, আমার তখন কি অবস্থা। বিদেশ বিভুঁইয়ে এসে সাহেবের যদি কিছু হয়, লজ্জার আর সীমা থাকবে না। আমি খোঁজাখুঁজি শুরু করলাম সাহেবকে। ঘড়িতে তখন সন্ধে হয় হয়। জঙ্গলের ভেতর তখন বেশ অন্ধকার জমাট বেঁধে উঠেছে।

    আমি আরও কয়েকবার সাহেবের নাম ধরে চেঁচালাম, কিন্তু বৃথাই চেঁচান। বাঘেই ছোঁ মেরে তুলে নিয়ে গেল না তো লোকটাকে? কি যে করি ভেবেই উঠতে পারছিলাম না। অথচ রাত হয়ে গেলে আমারও বিপদ হতে পারে। এখনই জঙ্গল থেকে বেরিয়ে পাহাড়ী বস্তিগুলোতে গিয়ে খবর দেওয়া দরকার। লোকজন সঙ্গে এনে একবার না হয় ভাল করে খুঁজে দেখা যেতে পারে।

    ফলে জঙ্গল থেকে বেরোবার জন্য এগোতে শুরু করলাম। কিন্তু তখন রাত্রির মত অন্ধকার চারপাশে, কিছুই দেখার উপায় নেই। ভেবেছিলাম দিনে দিনেই শিকার করে ফিরে যাব, তাই টর্চও আনিনি। কি ভুলই যে করেছিলাম তা বলার নয়।

    জঙ্গলের মধ্যে পথ হারিয়ে ফেললাম। যেদিকে এগোই জঙ্গল ছাড়া আর কিছুই নেই। মহা দুশ্চিন্তাতেই পড়া গেল। একে এই রাত, তায় গভীর জঙ্গল। বাঘ এসে কখন যে গায়ের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে কে বলবে।

    কিন্তু বিপদে কখনও ভেঙে পড়লে চলে না। মনে সাহস রেখে এগোতে শুরু করলাম। কতক্ষণ যে ওইভাবে কাটল বোঝার উপায় ছিল না। হঠাৎ এক সময় চমকে উঠলাম। জঙ্গলের ভেতরই বেশ দূরে টিমটিম করে আলো জ্বলছে চোখে পড়ল। আলো যখন–নির্ঘাৎ ওখানে লোক আছে। মনে মনে বেশ ভরসা পেলাম। জোরে জোরে পা চালিয়ে দিলাম আলোর দিকে।

    বেশ খানিকটা এগিয়ে বোঝা গেল, জঙ্গলের ধারে একটা পোড়োবাড়ি মতন! ভাঙাচোরা। দেয়াল ফুঁড়ে গাছগাছালি গজিয়েছে। সেই বাড়ির সামনের দিকের একটা ঘরেই টিমটিম করে আলো জ্বলছে।

    আমি প্রায় ছুটতে ছুটতে বাড়িটার কাছে এগিয়ে এলাম। আর বাড়ির চৌহদ্দির মধ্যে ঢুকে আমি অবাক। দেখি রবার্টসন সাহেব।

    —কি ব্যাপার? এখানে? আমি তোমাকে খুঁজে খুঁজে হয়রান।

    সাহেব কেমন অপরাধীর মত তাকাল। আর বলো না মুখার্জী, পথ হারিয়ে ফেলেছিলাম। তারপর হাঁটতে হাঁটতে এই পোড়োবাড়িটা চোখে পড়ে গেল। সঙ্গে একটা মোম ছিল তাই জ্বালিয়ে নিয়েছি। এস, ভেতরে এস। ফাঁকা বাড়ি। রাতটা নিশ্চিন্তে কাটিয়ে দেওয়া যাবে।

    সত্যি ফাঁকা বাড়ি। ঘরের ভেতর প্রচুর ঝুল আর ময়লা জমে আছে। এখানে কেউ যে বাস করে না, তা দেখলেই বোঝা যায়। কিন্তু ঘরের মাঝখানে একটা খাট পাতা রয়েছে। রাতটা ওখানেই শুয়ে বসে কাটিয়ে দেওয়া যাবে। ঘরে ঢুকে বন্দুকটা পাশে রেখে খাটে বসলাম। ঘড়িতে তখন রাত এগারোটা।

    সাহেব বলল, বেশ অভিজ্ঞতা হল, তাই না!

    —হ্যাঁ, তা তো হল সাহেব। কিন্তু এরকম পোড়োবাড়ি হচ্ছে ভূতেদের আস্তানা। রাতে আবার ঝামেলা না করে।

    সাহেব হেসে উঠল, সঙ্গে বন্দুক আছে না। ভূত এগোতে সাহস পাবে না।

    আমি মনে মনে হাসি। ভূত যদি খারাপ ধরণের হয়, তাহলে সাহেবের দৌড় দেখা যাবে।

    যাই হোক, খাবার দাবার সঙ্গে কিছুই ছিল না। কি আর করি, ঢঢক করে একটু জল খেয়ে খাটে গা এলিয়ে দিলাম। সাহেব মোমবাতির সামনে একটা বই নিয়ে পড়তে বসল। ভালোয় ভালোয় রাতটা এখন কাটলে হয়।

    বেশ কিছুক্ষণ কেটে গেলে একটু তন্দ্রা মত এসেছিল, হঠাৎ সাহেবের গোঙানীর শব্দ। কি হল? কি ব্যাপার? মোম নেভালে কেন?

    খাট থেকে তড়াক করে লাফিয়ে উঠলাম। ঘরের দরজা জানালাগুলো হা হা করছে খোলা। ওগুলো তো বন্ধ করেই রাখা হয়েছিল। তবে কি সাহেবই খুলে বাহাদুরি দেখাতে গিয়েছিল।

    —ও সাহেব, কি হল তোমার?

    দরজা জানালাগুলো খোলা বলে অল্প অল্প ভূতুড়ে আলো ছড়িয়ে পড়েছিল ঘরে। সেই আলোতেই দেখা গেল, সাহেব মেঝেতে উবু হয়ে পড়ে গোঁ গোঁ করছে।

    —ও সাহেব। সাহেবকে তুলে ধরার চেষ্টা করলাম। কিন্তু ভারী লাশ কি টেনে তোলা সম্ভব!

    –আহা, কি হয়েছে বলবে তো?

    হঠাৎ মনে হল, পাশ থেকে কে যেন খিলখিল করে হেসে উঠেছে। চমকে উঠলাম।

    –কে? কে হাসে?

    আবার হাসি।

    —বটে। আমি ঘুরে দাঁড়ালাম। যদি সাহস থাকে তো বল, কে তুই?

    আবার হেসে উঠল সে। হাসতে হাসতেই বলল, কেঁ আমি দেখবি? এই দেঁখ।

    নিজের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারছি না। দেখি একটা নরকঙ্কাল হাওয়ায় অল্প অল্প দুলছে।

    সাহেবও হয়ত এই নরকঙ্কাল দেখেই ভিরমি খেয়েছে। কিন্তু আমি অত ঘাবড়ে যাওয়ার লোক নই। বললাম, চালাকি হচ্ছে না? ভূত সেজে আমাকে ভয় দেখাতে এসেছিস?

    —নাঁ গোঁ, আমি সঁত্যিকার ভূত।

    –সত্যিকার ভূত। প্রমাণ দেখাতে পারিস?

    —কি প্ৰমাণ?

    —ঠিক আছে একটা ছোট শিশি নিয়ে আয় দোই। তুই যদি সত্যিকার ভূত হোস, তাহলে আমি যা করতে বলব তাই করে দেখা।

    চোঁ করে একটা শিশি এসে আমার পায়ের কাছে পড়ল। শিশিটা তুলে নিয়ে তার ঢাকনা খুলে বললাম, এর মধ্যে যদি সুক্ষ্ম দেহ হয়ে ঢুকতে পারিস তাহলে বুঝব তুই ভূত।

    —হুঁ, শিশির মধ্যে ঢুকি, আর অমনি তুই মুখ বন্ধ করে আমায় আটকে রাখবি না! তোর চালাকি আমি জানি!

    —ঢুকবি না? দাঁড়া, জোর করে তোকে আমি ঢোকাব।

    যেই আমি শিশি হাতে কঙ্কালটার দিকে এগোলাম, অমনি সেই ভূত মাগো বাঁবাগো বলে দে ছুট। ভূত পালাবার সময় চেঁচাতে লাগল, ঢুঁকব না, ঢুঁকব না-

    তারপর বেশ কিছুক্ষণ কেটে গেল। ভূতের আর সাড়া নেই দেখে আমি মোমটাকে আবার জ্বালিয়ে নিলাম। সাহেবকে মেঝে থেকে টেনে খাটে তুলে শুইয়ে দিলাম। তারপর আবার দরজা জানালা বন্ধ করে সাহেবের পাশে বাকি রাতটা জেগে বসে কাটিয়ে দিলাম।

    দাদু থামলেন।

    বুবু জিজ্ঞেস করল, সত্যি গল্প?

    সত্যি নয় তো মিথ্যে নাকি। দাদু মিষ্টি মিষ্টি করে একটু হাসলেন, ভূতের গল্প কখনও মিথ্যে হয় না রে বোকা। হা হা হা—

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রবন্ধাবলী – রাজশেখর বসু
    Next Article সব ভুতুড়ে – লীলা মজুমদার

    Related Articles

    লীলা মজুমদার

    বদ্যিনাথের বড়ি – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    হলদে পাখির পালক – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    বাঘের চোখ – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    গুপির গুপ্তখাতা – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    পদিপিসীর বর্মিবাক্স – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    টং লিং – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }