Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভয়ঙ্কর ভূতের গল্প – লীলা মজুমদার সম্পাদিত

    লীলা মজুমদার এক পাতা গল্প244 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শব্দের রহস্য – বিমল কর

    মানুষকে চমকে দিতে বনবিহারীর জুড়ি নেই। বনবিহারী আমাদের বন্ধু। সে পেশায় আর্কিটেক্ট। মানে নকশা করে ঘরবাড়ির। গণেশ অ্যাভিনিউতে তাদের একটা ফার্মও আছে, তবে বনবিহারী মাসের মধ্যে ক’দিন যে অফিসে গিয়ে বসে বলতে পারব না। বড়লোকের ছেলে, তিন পুরুষ ধরে টাকার গায়ে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বলে পেটের চিন্তা নেই। নিজের শখ আর নেশা নিয়ে তার ব্যস্ততা বেশি। বনবিহারী ফটো তোলায় ওস্তাদ, দু চারবার প্রাইজও পেয়েছে এখান ওখান থেকে। সে ড্রয়িংরুম ম্যাজিসিয়ান মানে ছোটখাট আড্ডায় আসরে মজার মজার ম্যাজিক দেখাতে পারে। মাছ ধরার প্রচন্ড নেশা তার। তবে আমরা তার প্রতিভা দেখেছি গল্প বলায়। এমনটি আর দেখা যায় না। এমন গল্প বলবে যে চমকে যেতে হয়। তার গল্প বলার দোষ অনেক, গল্পের চেয়ে লেজুড় বেশি, এমন তরতরিয়ে গল্পের গরুকে গাছে উঠিয়ে দেবে যে কিছুই আর বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় না, তবু সব মিলিয়ে মিশিয়ে শেষ পর্যন্ত একটা চমক সে দিতে পারে।

    এই বনবিহারী সেদিন আমাদের আড্ডায় এল মুখে পাইপ গুঁজে। মাথায় দেখি নেপালী টুপি, বাঁ হাতে ক্রেপ ব্যান্ডেজ বাঁধা।

    বনবিহারী মাস খানেক অদৃশ্য হয়েছিল। কলকাতার বাইরে যাবার কথা বলেছিল, কোথায় তা বলেনি।

    বনবিহারীকে দেখে আমরা সবাই একসঙ্গে কী হয়েছে কী হয়েছে করছি তখন বনবিহারী মাথার টুপি খুলে দেখাল তিন তিনটে জায়গায় চুল নেই বললেই চলে। মানে জখমের ব্যাপার কিছু হয়েছিল। জায়গাগুলো কামিয়ে সেলাই পড়েছিল। এখন আবার খোঁচা খোঁচা চুল গজাচ্ছে।

    “তোর কী হয়েছিল?”

    বনবিহারী বলল, “বলছি। তার আগে চা খাওয়া। গলা শুকিয়ে যাচ্ছে।”

    নিখিল গিয়ে চায়ের কথা বলে এল বাড়ির মধ্যে।

    “তোর হাতে কী হয়েছে?” ফণী জিজ্ঞেস করল।

    “হাত মাথা সব একই ব্যাপার। অ্যায়সা অ্যাকসিডেন্টে পড়েছিলাম ভাই, জীবনটাই চলে যেত। কী করে যে বেঁচে গেলাম – আজও বুঝতে পারি না।”

    “অ্যাকসিডেন্ট?”

    “হ্যাঁ। সাঙ্ঘাতিক অ্যাকসিডেন্ট। দাঁড়া বলছি”

    পাইপের পোড়া ছা‍ই পরিষ্কার করতে করতে বনবিহারী বলল, “একটু দাঁড়া, গলাটা ভিজিয়ে নিতে দে।”

    চা এল খানিকটা পরে। যে যার মনের মতন চায়ের কাপ তুলে নিলাম। আমরা পাঁচ জন বনবিহারী, নিখিল, ফণী, যতীন আর আমি।

    চা খেতে খেতে বনবিহারী বলল, “তোদের তো বলে গেলাম ক’দিনের জন্য কলকাতার বাইরে যাচ্ছি। আমার যাবার কথা ছিল ওয়ালটেয়ার। ছোট পিসেমশাই একটা পুরনো বাড়ি কিনবেন। বলেছিলেন সঙ্গে নিয়ে গিয়ে বাড়িটা দেখাবেন। তা কিসের এক ফ্যাচাংয়ে পিসেমশাইয়ের ওয়ালটেয়ারে যাওয়া হল না, তার বদলে আমার এক ভগ্নীপতি, মাসতুতো বোনের স্বামী, পল্লব আমায় ধরল, বলল – চলুন চলুন, নাগাল্যান্ডে ঘুরে আসবেন। হপ্তাখানেকের ব্যাপার।

    পল্লব এমন একটা বিদঘুটে কাজ করে যার মাথা মুণ্ডু আমি বুঝি না। তার কাজের বারো আনাই মিলিটারি সিক্রেটের মতন ব্যাপার। যেন যা কিছু হবে সবই গোপনে, বাকি চার আনা থেকে যা জানতে পারলাম তাতে মনে হল, পল্লবকে একটা বাজে কাজেই পাঠানো হয়েছে।

    এই কাজটা কী তা বলার আগে সামান্য ভূমিকা দরকার। ভূমিকা হিসেবে এইমাত্র বলতে পারি, আজকের দুনিয়ায় অনেক আজগুবি কান্ড ঘটছে। কারা ঘটাচ্ছে সে প্রশ্ন তুলে লাভ নেই। যাদের টাকা আছে রাশি রাশি তাদের আর যাদের মাথায় গ্রহান্তরের বুদ্ধিমান জীব সম্পর্কে একটা বিশ্বাস জন্মে গেছে ওরা না করছে এমন কিছু নেই। সোজা কথা, টাকাঅলা এবং মাথাওয়ালা কিছু লোকের একটা ক্লাব আছে যার নাম এখানে বলা যাবে না। এই সংস্থা কিন্তু আন্তর্জাতিক। দেদার টাকা। খয়রাতির টাকাতেই ধনী। হেড অফিস—মানে সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডে। এই ক্লাবের কাজ হল আমাদের জগতের বাইরে থেকে ভেসে আসা সাঙ্কেতিক শব্দকে ধরবার চেষ্টা করা এবং তার অর্থ উদ্ধার করা। কথা হল, কেউ যদি মনে করে আমাদের জগতে এমন শব্দ নিয়মিত আসছে তবেই না সে চৌকিদারী করতে লোক বসাবে। ওরা তা মনে করে। পল্লব এই ক্লাবের একজন কর্মচারী। ভারতের পূর্বাঞ্চলে তার কাজ। কাজকর্মের হুকুমটা আসে দেরাদুনের কাছাকাছি তাদের ভারতীয় দপ্তর থেকে। পল্লব একজন রেডিও কমিউনিকেশনের এক্সপার্ট, চাকরিটা একরকম নতুনই।

    আমরা যে নাগাল্যান্ডের এক সর্বনেশে এলাকায় গিয়ে পড়লাম তার কারণটা হল ওই সাঙ্কেতিক যোগাযোগ উদ্ধারের আশায়। পল্লবদের সদর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছিল, অমুক জায়গায় অমুক তারিখ থেকে অমুক তারিখ পর্যন্ত কোনো সাঙ্কেতিক শব্দ শোনা যেতে পারে। পল্লব যেন হাজির থাকে সেখানে।

    পল্লব আমায় টেনে নিয়ে গেল কেন আমি জানি না। আমার মনে হয়, একা একা জঙ্গলের মধ্যে পড়ে থাকতে আর পোকার কামড় খেতে তার ভাল লাগবে না বলেই সঙ্গী হিসেবে সে আমায় ধরে নিয়ে গেল। তা ছাড়া দাবা। পল্লব দাবা খেলায় পাকা। আমারও ও ব্যাপারে নেশা আছে। দাবা খেলে সময় কাটানোর মতলবও পল্লবের ছিল।

    .

    আমরা যে জায়গায় ছিলাম তার নাম বলা নিষেধ। ধরো জায়গাটার নাম আকলা। পাহাড়ের এক বিশাল ঢাল নেমেছে পুবের দিকে, তারই গা ধরে ঘন বনজঙ্গল, পাহাড়ী এক নদী। ওই নির্জনে থাকার ব্যবস্থা কিন্তু ভালোই। একটা ডাকবাংলো ধরণের বাড়ি, কাঠের। বাড়ির আধখানা থাকা টাকার জন্য, বাকিটা অফিস। ওখানে যারা ছিল তাদের মধ্যে একজোড়া চাপরাশি কাম ড্রাইভারের কথা বলতে হয়। জিপ ছিল একটা। আর ছিল ছোকরা নেপালী এক রেডিও এঞ্জিনীয়ার। সে সাধারণ কাজকর্ম বেশ চালাতে পারত। ডাকবাংলো থেকে গজ পঞ্চাশ দূরে ছিল এক টাওয়ার, রেডিও কমিউনিকেশনের জন্যে।

    আমরা ওই জায়গায় পৌঁছেছিলাম এক বুধবার। বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত দিব্যি কেটেছে। মানে ভাত, মুরগির ঝোল, আলুর দম, সেঁকা রুটি, জেলি এইসব খেয়ে। কফি আর চা খেয়েছি ঘন্টায় ঘন্টায়। জিপে চড়ে ঘুরে বেড়িয়েছি বলব না কারণ ওই জিনিসটি করার উপায় ছিল না। পল্লবকে অনবরত নজর রাখতে হচ্ছিল কোনো সাড়াশব্দ এসে পৌঁছোয় কি না!

    তোমরা হয়তো বলবে, সাড়া শব্দ পাওয়া যেতে পারে এই খবরটা কে দেয়? আগেই বলেছি খবরটা মূল অফিস থেকে বিভিন্ন এলাকায় ঘাঁটি অফিসে যায়, সেখান থেকে আসে জোনাল অফিসে। যেমন পল্লবের কাছে খবর এসেছিল দেরাদুনের অফিস মারফত।

    আমার কাছে সমস্ত ব্যাপারটাই মানে, টাকার শ্রাদ্ধ বলে মনে হচ্ছিল। নিতান্ত পাগলামী। কোথাও কিছু নেই কোথাকার এক আকলার অফিসের রেডিও ঘরে অন্য জগতের খবর এসে পৌঁছবে। সাঙ্কেতিক শব্দে। গ্রহান্তরে কেউ আছে কি না— তারই যখন ঠিক নেই তখন শব্দটা পাঠাবে কে? কেনই বা পাঠাবে।

    .

    আমাদের সাত দিন থাকার কথা। বুধ থেকে শুক্রবার দিব্যি কাটিয়ে শনিবার বিকেলের দিকে বসে চা খাচ্ছি হঠাৎ নেপালী ছোকরা পল্লবকে ডাকল, স্যার —শিঘ্রী আসুন।

    ডাক পেয়ে পল্লব চলে গেল রেডিও ঘরে। আমি বসে থাকলাম। চা শেষ হল, দু দুটো কড়া সিগারেট শেষ হল পল্লব আর আসে না। তোমাদের বলতে ভুলে গিয়েছি–ওদের রেডিও ঘরে আমার যাওয়া বারণ ছিল। জোর করলে যেতে পারতুম, কিন্তু আমার জোর করতে ইচ্ছে করেনি।

    এক ঘন্টারও পরে পল্লব ফিরে এল। বলল, “একটা গোলমালে পড়ে গেলাম বনবিহারী দা। একটা শব্দ তো ধরা যাচ্ছে। যাকে বলে বিপ বিপ শব্দ। বড় ছোট ছোট বড় আবার বড়। এই শব্দটা কিসের তা তো বুঝতে পারছি না।’

    আমি বললাম, “কোন প্লেনের আওয়াজ হবে।”

    পল্লব মাথা নাড়ল, না।

    ঘন্টা খানেক পরে আবার উঠল পল্লব। আমি ঘরে চলে গেলাম।

    সন্ধে হয়ে গেল। রাত হল। পল্লব আর আসে না। প্রায় ঘন্টা তিনেক পর পল্লব এল। এসে বলল, “বনবিহারী দা আমি কিছু বুঝতে পারছি না। সেই শব্দটা আরও স্পষ্ট আরও জোরে হয়েছে। পাক্কা পনেরো মিনিট অন্তর আট মিনিট করে সিগন্যাল দিচ্ছে। শর্ট লং আর মানছে না। কিন্তু কে দিচ্ছে তা তো ধরতে পারছি না।”

    পল্লব এক মগ কফি, এক প্যাকেট সিগারেট নিয়ে আবার চলে গেল অফিসে। আমি একা। ঘন্টার পর ঘন্টা কেটে যায় পল্লব আর আসে না। আচ্ছা ফ্যাসাদে পড়া গেল তো। আমারই বা একা একা ভাল লাগবে কেন!

    পল্লব ফিরে এল বেশ রাত করে। বলল, “বনবিহারী দা কোনো একটা ব্যাপার হয়েছে। কী হয়েছে আমি বলতে পারব না, তবে সেই সিগন্যালিং আরও তাড়াতাড়ি হচ্ছে। পাঁচ মিনিট অন্তর-অন্তর’। মনে হচ্ছে যেন, কোনো অপারেটর কিছু বলার চেষ্টা করছে। বিপদে পড়ল নাকি তাই বা কে জানে। তাছাড়া বিপদে পড়ার মতন জিনিসটাই বা কী? কোনো ফ্লায়িং অবজেক্ট না, এই শব্দ অন্য কিছুর। যাই হোক, তুমি খেয়েদেয়ে শুয়ে পড়ো, আমার কপালে রাত জাগা রয়েছে। হয় শব্দটা থামা পর্যন্ত আমায় অপেক্ষা করতে হবে, না হয় ওর যতক্ষণ বিপ বিপ আমারও ততক্ষণ রেকর্ডিং চলবে।”

    আমি বললাম, “ওই একই শব্দ রেকর্ড করে কী হবে?” পল্লব বলল, “তা জানি না। আমরা রেকর্ডিংয়ের টেপ সদর দপ্তরে জমা দি। সেখানে ওরা অর্থ পরীক্ষা করে। একবার এক ফ্লায়িং অবজেক্টের সিগন্যাল ধরা পড়েছিল। আমি অবশ্য শুনেছি।”

    পল্লব চলে গেল তার দপ্তরে। সেই নেপালী ছোকরাটি তখন থেকে এক ঠায় বসে আছে সেখানে। আমি খাওয়া দাওয়া সেরে শুয়ে পড়লাম।

    তোমরা বিশ্বাস করবে না ভাই, এরপর সেই অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটল। তখন কত রাত তা আমি জানি না

    অঘোর ঘুমে তখন, আচমকা ঘুম ভেঙে গেল। ঘুম ভেঙে মনে হল যেন এক অন্ধকার গুহার মধ্যে পড়ে আছি। চোখ চেয়েও কোনো কিছু বুঝতে পারছি না, দেখতে পারছি না। অন্ধ হলে হয়ত এই রকমই দেখায় সব। কোনো শব্দও পাচ্ছিলাম না।

    ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখছি, বা কিছু একটা ঘটে গেছে ভেবে যেন বেশ কিছুক্ষণ শুয়ে থাকলাম। তারপর যখন ধীরে ধীরে নিজের চেতনাকে ফিরে পেলাম, মনে হল- আমি বিছানায় শুয়ে নেই, মাটিতে পড়ে আছি। কোথাও কোনো আলো জ্বলছে না, শব্দ নেই। হুঁশ হবার সঙ্গে সঙ্গে চমকে উঠলাম। এরকম তো হবার কথা নয়। ডাক বাংলোর বাইরে বাতি জ্বলে। সাধারণ বাতি। রেডিও ঘরের জন্যে ওদের ব্যাটারি আর কী যেন সব আছে। এমন নিকষ কালো অন্ধকার তো ছবার কথা নয়।

    সঙ্গে আমার টর্চ ছিল। কিন্তু ওই অন্ধকারে কোথা থেকে টর্চ খুঁজে নেব? কোথায় আমার বিছানা? পড়ে আছি মাটিতে। পল্লবের কী হল? কী হল নেপালী ছেলেটির? দুই চৌকিদারের?

    অন্ধকার হাতড়েও না খুঁজে পাই নিজের খাট, না দরজা। অন্ধের মতন হাতড়ে বেড়াচ্ছি – হঠাৎ শুনি অদ্ভুত এক শব্দ বিপ্ বিপ্ বিপ্ বিপ্। কোনো শব্দই নিজের কানে না শুনলে তা অনুভব করা যায় না, বিশেষ শব্দটা যখন অপরিচিত। তোমরা ইংরেজী সিনেমায় এই ধরণের একটা শব্দ শুনেছ হয়তো। কিন্তু আমি যে শব্দের কথা বলছি তার কাছাকাছি কোনো শব্দ আমি অন্তত জীবনে শুনিনি। অদ্ভুত এক শব্দ–বিপ্ বিপ্ বিপ্.বিপ্ একটানা। কোথাও ছেদ নেই। বিরতি নেই। মনে হল শব্দটা খানিকটা তফাৎ থেকে আসছে।

    আমি অবাক হয়ে যাচ্ছিলাম। এই শব্দটা এতক্ষণ কোথায় ছিল? শুনতে পাইনি কেন? নাকি যে সময়টুকুতে আমার হুঁশ ছিল না সেই সময়টুকু আমি নিজেই শুনতে পাইনি।

    হঠাৎ শব্দটা থেমে গেল। একেবারে আচমকা। কেন থামল বুঝলাম না। পল্লবদের জন্যে আমার তখন ভীষণ ভয় হচ্ছে। কোথায় তারা?

    কোনরকমে হাতড়ে হাতড়ে, গুঁতো খেতে খেতে ঘরের বাইরে এলাম। সেই নিকষ কালো অন্ধকার, আকাশের তারার আলোও যেন মেঘে আড়াল পড়ে আছে, ঝোড়ো বাতাস দিচ্ছিল, শন শন বাতাসের শব্দের সঙ্গে কেমন এক ভয়ও যেন ভেসে আসছে চতুর্দিক থেকে।

    আমি চিৎকার করে পল্লবের নাম ধরে ডাকলুম, ডাকলুম নেপালী ছেলেটিকে, চৌকিদারদের। কোন সাড়া শব্দ নেই। আতঙ্কে উদ্বেগে পাগল হয়ে গলা ফাটিয়ে ডাকতে লাগলাম ওদের। না, কোন সাড়া নেই।

    ঠিক এই সময় হঠাৎ আবার সেই শব্দ–বিপ বিপ বিপ বিপ্। এবার আর অত ধীরে নয়। জোরে। শব্দটা একই রকম, তবে তার জোর বাড়ছে। মনে হল, আগে যা তফাতে ছিল, এখন তা কাছে এসে গেছে অনেকটা।

    কোন শব্দ তা যেমনই হোক, যদি একই নাগাড়ে একইভাবে তোমার কানের কাছে বাজে কেমন হয় শুনেছ কখনো? আমিও আগে শুনিনি। গান বলো, বাজনা বলো, বৃষ্টির শব্দ বলো, রেলগাড়ির শব্দ–বলো সব শব্দেরই উঁচু নিচু পরদা আছে। কখনও জোরে কখনও ধীরে হয়, ছন্দে ভাঙচুর আছে, ওঠা নামার খেলা আছে। কিন্তু একইভাবে, সমানে একই ধরণের কোন শব্দ বাজতে থাকলে যে কী ভয়ঙ্কর লাগে তোমরা বুঝবে না। একদিন পরীক্ষা করে দেখ। পাগল হয়ে যাবে।

    আমি পাগল হয়ে যাচ্ছিলাম। শব্দটা আর থামছে না, থামছে না। সেই একইভাবে বিপ্‌ বিপ্‌ বিপ্‌ বিপ্। আর প্রতি মুহূর্তে তার জোর বাড়ছে।

    কী হয়েছে তাহলে? রেডিও ঘরের দরজা জানলা কী ভেঙে গেছে, না খোলা? পল্লবরা কী অজ্ঞান হয়ে আছে? নয়তো এই শব্দ কেমন করে আসবে!

    আমি কিছুই না বুঝে ঠাওর করতে না পেরে শুধু শব্দটার দিকে কান রেখে অন্ধকারে এগিয়ে চললাম পা পা করে।

    যেতে যেতে মনে হল শব্দটাই আমাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। আমি যেন অদ্ভুত এক নেশার আকর্ষনে ওই শব্দের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। শব্দটা ক্রমশ জোর হচ্ছিল। কিন্তু তার সুর বা ছন্দ পাল্টাচ্ছিল না। বিপ বিপ বিপ

    শেষ পর্যন্ত আমি এমন জায়গায় গিয়ে দাঁড়ালাম যেখান থেকে আর পিছিয়ে আসা যায় না, এগিয়ে যাওয়াও নয। সেই জগতটা শুধু ওই শব্দের। একই রকম শব্দের। আর কী প্রচন্ডভাবে সেই শব্দ আমার কানের ওপর বাজতে লাগল, আমাকে পাগল, বেহুঁশ করে তুলল তোমাদের বলতে পারব না।

    হ্যাঁ, আমি অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেলাম।

    যখন জ্ঞান ফিরল তখন সকাল।

    আমরা সকলেই বেঁচে, তবে জখম হয়েছি কম বেশি। আমার মাথার তিন চারটে জায়গায় কাঁচ বা কাঠ লেগে কেটে গেছে। রক্তপাত হয়েছে প্রচুর। পল্লবের ডান হাত ভেঙেছে, নেপালী ছেলেটির পা জখম। চৌকিদারদের চোট জখম কম।

    হয়েছিল কী?

    রাত দুটো নাগাদ এক ভূমিকম্প হয়। ভূমিকম্পই বলতে হবে–কেননা তামাম জায়গাটা দুলতে শুরু করে, কাঠের বাড়ির দরজা জানলা ভেঙে পড়ে। পল্লবেরা তখনই চোট পায়। তারা রেডিও ঘর থেকে বেরিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে দরজা-টরজা ভেঙে পড়ে। ওরা চোট পেয়ে অজ্ঞান হয়ে যায়। আর শব্দটাও তখন বেশ জোর হয়ে উঠেছিল।

    সকালে পল্লব আর নেপালী ছেলেটি মিলে যেটুকু দেখল বুঝল তাতে–মনে হল, রেডিও ঘরের যন্ত্রপাতি ভেঙেচুরে নষ্ট হয়ে গেছে। শুধু ওই বিপ্ বি শব্দটাই তখনও বেজে চলেছে। তবে তার সেই শব্দ ক্ষীণ হয়ে এসেছে। মনে হচ্ছিল যেন– মিলিয়ে আসছে।

    বনবিহারী থামল। পাইপে তামাক ঠাসন। ধরালো ধীরে সুস্থে। তারপর বলল “এই শব্দটাকে কী মনে হয় তোমাদের?”

    আমরা চুপ করে থাকলাম।

    যতীন বলল, “ভুতুড়ে।”

    “হতে পারে,” বনবিহারী বলল, “তবে আমার মনে হয়, এটা কোন বাইরের ব্যাপার নয়, মানে কোন গ্রহান্তরের জীব এ শব্দ পাঠাচ্ছে না। কেন পাঠাচ্ছে না তার যুক্তি হল মানুষ তার জ্ঞানবুদ্ধি অভ্যেস মতন এক ধরণের সাঙ্কেতিক শব্দ কমিউনিকেশনের জন্যে মানে খবরাখবর দেওয়া নেওয়ার জন্যে ঠিক করে নিয়েছে। তার মূল ধরণটা এক। অন্য গ্রহের জীব আমাদের শব্দ নকল করবে কেন? তারা তাদের মতন শব্দই পাঠাবে। সেটা কেমন হবে আমরা জানি না। হয়ত মেঘের ডাকের মতন, হয়ত নাচার শব্দের মতন, হয়ত বৃষ্টির মতন। আমরা জানি না। কাজেই ওই শব্দটা এই জগতের। তবে হ্যাঁ, যেভাবে শব্দটা

    সেদিন ব্যবহার করা হয়েছে তাতে আমার মনে হয়, ওটি ভাই শব্দভেদী বাণ।”

    “শব্দভেদী বাণ?”

    “রামায়ণ পড়নি। রাজা দশরথ অন্ধমুনির ছেলেকে ভুল করে মেরেছিল, ভেবেছিল হরিণ জল খাচ্ছে।”

    “তার সঙ্গে এর সম্পর্ক কী?”

    “সম্পর্ক সরাসরি কিছু নেই। তুলনাটাও ঠিক নয়। তবু আমি বলব, আজকাল পৃথিবীতে মানুষ মারার যে মহড়া চলছে লুকিয়ে লুকিয়ে, নানারকম গোপন ও ভয়াবহ অস্ত্র আবিষ্কার হচ্ছে, কাগজে প্রায়ই দেখো, এই অস্ত্রটি তার অন্যতম। শব্দ দিয়ে মানুষ মারার ফন্দি। … আমার মনে হয় পল্লবদের ক্লাব সন্দেহ করেছিল কেউ এ রকম কিছু একটা করতে পারে। নজর রাখতে বলেছিল। দুঃখের বিষয় নজর রাখতে গিয়ে আমরাই ঘায়েল হয়ে গেলাম।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রবন্ধাবলী – রাজশেখর বসু
    Next Article সব ভুতুড়ে – লীলা মজুমদার

    Related Articles

    লীলা মজুমদার

    বদ্যিনাথের বড়ি – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    হলদে পাখির পালক – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    বাঘের চোখ – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    গুপির গুপ্তখাতা – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    পদিপিসীর বর্মিবাক্স – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    টং লিং – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }