Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভয়ঙ্কর ভূতের গল্প – লীলা মজুমদার সম্পাদিত

    লীলা মজুমদার এক পাতা গল্প244 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ভূতুড়ে রসিকতা – আনন্দ বাগচী

    কতকাল আগের ঘটনা, তবু চোখ বুজলে সেদিনের কথা বলে মনে হয় আমার কাছে। কিছুতেই ভুলতে পারি না। এতকাল পরে এই কলকাতায় বসেও গায়ে কাঁটা দেয়। ঘটনাটা লিখতে বসে এই রাত্তিরে এখনো আমার গায়ের লোম খাড়া হয়ে উঠেছে সত্যি সত্যি।

    গণপতিদের বাড়ির দোতলার হলঘরে বসে আমরা আড্ডা দিচ্ছিলাম। অবিশ্যি আড্ডা দিচ্ছিলাম বললে ভুল বলা হবে, আমরা আড্ডা দেবার ভান করছিলাম। আসলে ফটকের অপেক্ষা করছিলাম সেই বিকেল পাঁচটা থেকে। যদিও পাঁচটার সময়ে ও কদাচিৎই এখানে আসে, ওর আসতে আসতে সন্ধ্যা লেগে যায়। মাসীমা, মানে গণপতির মা যখন চা আর জলখাবার পাঠিয়ে দেন এঘরে, ঠিক তার কিছু আগে ও এসে হাজির হয় কান এঁটো করা একমুখ হাসি নিয়ে। তারপর সিঙারার চুবড়ির খুব কাছ ঘেঁসে বসে পড়ে রোজ একটি মাত্র বাক্যই মুখস্থ সংলাপের মত আওড়ে যাবে, ইস, আজ বড্ড দেরি করে ফেললাম তাই না?

    আগে আগে জবাব দিতাম, এখন আর দিই না। এখন আমরা সবাই ওর ওপরে তিতিবিরক্ত, কেউ আর ওকে পছন্দ করি না। ওর মতিগতি বুঝে ফেলার পর অসহ্য লাগবারই কথা। আসলে ফটকে আমাদের বন্ধু-টন্ধু কেউ নয়, ফাঁক তালে আমাদের মধ্যে এসে ভিড়ে গেছে। গল্প করতে, আড্ডা দিতে আদৌ আসে না, আসে জম্পেশ খ্যাটনের লোভে। মাসীমার হাতের ওই বোম্বাই সাইজের গব্য ঘৃতে ভাজা সিঙারা আর প্রায় টেনিস বলের সাইজের কাঁচা গোল্লার কথা ভাবলে আমাদেরই জিবে জল আসে, তা ওর মত হ্যাংলা পেটুকের তো কথাই নেই। টপ স্পীডে মুখ চালিয়ে ও শেষ তক আমাদের ভাগেও ভাগ বসায়। তারপর চায়ের কাপের শেষ বিন্দুটি পর্যন্ত শুষে খেয়ে মিনিট পাঁচেক ক্লাউন মার্কা হাসিমুখে কেমন ঘোরের মধ্যে বসে থাকে। শেষে যেন ধড়মড় করে জেগে উঠে বলে, ইস, আজ বড্ড দেরি করে ফেললাম তাই না? বলেই নিঃশব্দে ভ্যানিশ হয়ে যায়। ওর ওপরে আমরা চটেছি কি সাথে। কিন্তু গণপতি নিতান্ত ভদ্র ছেলে, ভালমানুষ। বাড়িতে কেউ বন্ধুর মত এলে তাকে অপমান করে তাড়ানো তো দূরের কথা, দুটো কড়া কথা বলাও ওর পক্ষে সম্ভব নয়। তাই অনেক শলাপরামর্শ এঁটে আমরা আজ তৈরী হয়েছি ফটকেকে এমন শিক্ষা দিতে, যাতে নিজে থেকেই ও সটকে পড়ে, আর কখনও না এ বাড়িমুখো হয়।

    কিন্তু এই গল্পের আগেও একটা গল্প আছে। ম্যাট্রিক পরীক্ষা দিয়ে তখন হঠাৎই বেকার হয়ে পড়েছি। সামনে ধু ধু ছুটি, অখন্ড অবসর, অথচ কিছুই করার নেই। আচমকা স্বাধীনতা পেয়ে গেলে যে দশা হয় আর কি। এটা ভাঙছি, ওটা জুড়ছি। গল্পের বই পড়েও যেন সময় কাটতে চায় না। সকাল বিকেল টো টো কোম্পানির বিনে মাইনের চাকরি বেছে নিয়েছি শেষ ইস্তক। আহিরীটোলায় বি কে পাল এভিনিউতে তখন দুপুরবেলায় ছেলেরা সাইকেল শিখত। শহর তখন কি রকম ফাঁকা ছিল বুঝতেই পার। ঘন্টা পিছু নামমাত্র ভাড়ায় সাইকেল পাওয়া যেত। সাইকেল জানাই ছিল আমাদের। শুধু পুরনো অভ্যেস ঝালাই করতে উঠে পড়ে লেগে গেলাম আমরা।

    দু’চাকার ভাড়া করা পক্ষীরাজ ছুটিয়ে আমরা শহরতলীর তেপান্তরের দিকে চলে গিয়েছিলাম সেদিন। শুধু আমাদের ঘোড়ার নয়, আমাদেরও তখন পাবা গজিয়েছে। একেক দিন একেক দিক আবিষ্কার করতে বেরিয়ে পড়ি। আজ শুনে হাসবে তোমরা, কিন্তু তখন কলকাতা শহরটাকেই অনক বড় মনে হত, শহরতলী মানেই যেন বিদেশ। আহিরীটোলা থেকে চিড়িয়ার মোড় কিংবা ঘুঘুডাঙা তখন অনেক দূর। বি টি রোড দিয়ে এত বাস-মিনি-ট্যাক্সি তো তখন চলত না, সেটা ছিল পায়ে হাঁটার যুগ। টালার নতুন পুল পেরিয়ে সবে পাকপাড়ার মুখে পৌঁছেছি অমনি কে যেন ডাকল আমাদের নাম ধরে। আমি লালু আর অবনী সাইকেল থামিয়ে ঘাড় ফিরিয়ে দেখি গণপতি। গণপতি সামন্ত। ওরিয়েন্টাল ইস্কুলে ক্লাস নাইনে এসে ভর্তি হয়েছিল, সামান্য বন্ধুত্ব ছিল এক সেকশনেই পড়ি বলে, কিন্তু ঘনিষ্ঠতা ছিল না। তবু পোশাকে-আসাকে আর হালচালে ঘুঝতাম ও আমাদের মতন না, বড়লোকের ছেলে।

    হাতে একগোছা নেমন্তন্নের চিঠি নিয়ে ও এগিয়ে এল আমাদের দিকে তোমরা এদিকে?

    বেড়াচ্ছি। কিন্তু তুমি? এদিকেই থাক বুঝি?

    না। তবে এবার থেকে থাকব। বলেই সাইকেলের সীটের ওপর রেখে তিনটে খামের ওপরে আমাদের তিনজনের নাম লিখে দিয়ে বলল, রাস্তায় চিঠি দিলাম বলে মনে কিছু করো না। কাল আমাদের নতুন বাড়িতে গৃহ প্রবেশের নেমন্তন্ন। এসো কিন্তু।

    মনে করব কি, নেমন্তন্নটা লুফে নিলাম। পরদিন গিয়ে দেখি, নতুন বাড়ি ঠিক না, একটা পুরনো বাগানবাড়িকেই ঘষে মেজে চমৎকার তিনতলা বানানো হয়েছে। আর এলাহি আয়োজন করেছেন গণপতির বাবা। দম ভর খেয়ে আমরা ফিরে আসছিলাম, কিন্তু গণপতি ওর বাড়ির সবার সঙ্গে আলাপ করিয়ে দিল। আমরা ওর স্কুলের বন্ধু শুনে সবাই খুব খুশি। ওর মা তো বলেই বসলেন, বাঃ ভালোই বল, রোজ বিকেলে তোমরা বেড়াতে বেড়াতে চলে আসবে। নতুন এ পাড়ায় এসে গণুও বড্ড একলা হয়ে গেছে।

    সেই থেকে আমরা গণপতির বন্ধু, রোজ আসি গল্প করতে। চারপাশ খোলামেলা, ফাঁকা, চমৎকার। বেড়াতে আসার মত জায়গাই বটে। দোতলার হলঘরটায় বসে নিরিবিলিতে জমিয়ে আড্ডা দিই। নিমাই ফাইফরমাস খাটে, চা জলখাবার পৌঁছে দিয়ে যায়। প্রথম রাউডে আসে বড় এক গ্লাস করে ঘরে পাকানো গুলাবী লস্যি। আহিরীটোলার ঘিঞ্জি পাড়া আর মুড়ি তেলেভাজার জগৎ থেকে বেরিয়ে এসে সত্যিই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলি আমরা। শুধু অস্বস্তি ওই ফটিকচন্দ্র। ও মাঝখানে এসেই যা রসভঙ্গ করে। আমাদের নিরঙ্কুশ আড্ডায় বেরসিকের মত থাবা বসায়। যেমন মোটা চেহারা, তেমনি মোটা বুদ্ধি ছেলেটার। আর তেমন কিম্ভূত রুচি। চুনোট করা ধুতি আর গিলে করা পাঞ্জাবী পরে, গায়ে এক গাদা সেন্ট ঢেলে যেন ধেড়ে নিতবর সেজে হাজির হয়। এই বয়সে এই চেহারায় কেউ আড্ডা দিতে আসে ভাবাই যায় না। সিঁড়ির মুখে ওর জুতোর শব্দ পাবার আগেই সেন্টের গন্ধ পাই। এসেই সরু মেয়েলি গলায় ওর মুখস্থ বয়ান ছুঁড়ে দেয় আমাদের দিকে। লালু বাঁকা গলায় আমার কানে কানে বলে, বাবু কালচার।

    শেষে থাকতে না পেরে একদিন বলেই ফেললাম গণপতিকে, তোমার বন্ধুটি ভাই কেমন যেন! কিছু মনে করো না।

    ফটিক সেই মাত্র একরাশ সিঙারা আর কাঁচাগোল্লাকে গোল্লায় পাঠিয়ে উঠে গেছে।

    গণপতি আমার কথায় চমকে উঠে বলল, কার কথা বলছ?

    –ফটিকচন্দ্র। আমি গলায় ঝাঁঝ মিশিয়ে বলি, আড্ডাটাকে রোজ কেমন মাটি করে দেয়।

    এবার দ্বিতীয় দফা চমকাবার পালা গণপতির। বলল, সে কি। ও তোমাদের সঙ্গে আসে, আমি ভাবি তোমাদের বন্ধু।

    লালু বলল, না। আমরা কস্মিনকালেও আগে ওকে দেখিনি।

    অবনী বলল, গৃহপ্রবেশের দিন প্রথম দেখেছি। আমার পাশে বসে ছত্রিশখানা লুচি আর পঁচিশটা রসগোল্লা খেয়েছিল রাক্ষসের নত। কিরে, ঠিক না? আমার দিকে সমর্থনের চোখে তাকাল অবনী।

    আমি বললাম, হ্যাঁ ভাই। ওর খাদ্য তালিকাটা ওই রসগোল্লা আর লুচিতেই ঠেকে থাকেনি সেদিন। আমি তো ভেবেছিলাম ব্যাটা সেই রাত্তিরেই কলেরা হয়ে মরবে।

    গণপতি বলল, যাঃ ওরকম বলিসনি। খেতে একটু ভালবাসে আর কি।

    লালু চটে গেল। বলল, একটু। ওকে তুই একটু খাওয়া বলিস? খাওয়া ছাড়া ও জানেটা কী? এখানে কি ও আড্ডা দিতে আসে ভাবিস। রামছাগল ব্যাটা।

    আমি চিন্তিত গলায় বললাম, যে ছাগলই হোক, আমি ভাবছি রহস্যটা কী! ও কে? কোত্থেকে আসে?

    গণপতি মাথা চুলকে বলল, তাহলে বোধহয় পাড়ারই কেউ। বাবা নেমন্তন্ন পত্র ছড়িয়েছিল এস্তার। এই পাড়ারই কোন বাড়ির ছেলে। তবে প্রথম কদিন কিন্তু তোদের পেছন পেছনই এসেছে। তাই আমি ভেবেছিলাম–

    অবনী বলল, রবাহূত বলে একটা কথা আছে, এবার বাংলার কোশ্চেনে বাক্য রচনা করতে দিয়েছিল। কিন্তু ওতো দেখছি রবাহূতও নয়।

    লালু রাগী গলায় বলল, তাহলে এবার এর একটা বিহিত করা দরকার। একটা মোক্ষম দাওয়াই বাতলা দিকি, অবনী। তোর মাথায় তো নানারকম ফন্দি-ফিকির ভাল খোলে।

    অবনী গণপতির দিকে তাকিয়ে বলল, কী, রাজী?

    গণপতি একটু চুপ করে থেকে বলল, আমি কিন্তু মুখে কিছু বলতে পারব না। কোন কৌশলে যদি ওকে ভাগাতে পার আমার আপত্তি নেই।

    আমি বললাম, মাথায় একটা আইডিয়া এসেছে। ছেলেটাকে দেখে মনে হয় ভীতু টাইপের, ওকে ভূতের ভয় দেখাতে হবে। তাহলে অন্তত সন্ধ্যেবেলা তোদের এই নির্জন বাড়ির ধারে কাছে আসতে সাহস পাবে না।

    অবনীর মুখ চোখ সঙ্গে সঙ্গে উজ্জ্বল হয়ে উঠল।

    লালু মৃদু আপত্তি জানাল, ভূতের ভয় ওর নাও থাকতে পারে।

    না থাকলেও পাইয়ে দিতে পারব। — অবনী রহস্যময় হাসি হাসল, কিরে গণু, তোদের নিমাইকে দলে পাওয়া যাবে না বল?

    স্বচ্ছন্দে।–গণপতি ঘাড় হেলাল। শূন্যে একটা তুড়ি ফাটিয়ে অবনী বলল, তাহলে শোন।

    আমরা ঘন হয়ে বসলাম। অবনী তার প্ল্যান রসিয়ে রসিয়ে বলল। এই ঘরে আগে নাকি একজন বন্দুকের গুলিতে আত্মহত্যা করেছিল। খবরটা বাড়ি কেনার আগে গণপতির বাবা জানতে পারেননি। কিন্তু পরশু রাত্তির থেকে হঠাৎ ভুতুড়ে উৎপাত শুরু হয়েছে। সন্ধ্যে থেকেই একটার পর একটা ঘরের বাল্ব ফিউজ হয়ে যেতে থাকে। আবার দিনের বেলা সেগুলি দিব্যি জ্বলে ওঠে। স্কাইলাইটগুলো খোলে আর বন্ধ হয়। দরজাগুলো আপনা আপনি বন্ধ হয়ে যায়। বাইরে থেকে শাটার টেনে রেখে যায়। ঘরের ভেতর যখন তখন গুলির শব্দ শোনা যায় আর বারুদের গন্ধে বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। এমনি ধরণের নানা উৎপাত। শুকনো মুখে, বেশ ভয় পাওয়া গলায় এই গল্পটা ফটকে আসার পর গণপতি বলবে। যেন সকলকেই বলছে, এই প্রথম। তার আগে কাল সকালেই একটা ফিউজ বাল্ব যোগাড় করে লাগিয়ে রাখতে হবে এই ঘরে। কালীপটকা ভরে দুটো মোটা মোমবাতি রেডি করে আনার ভার অবনী নিজেই নিল। ইলেকট্রিক আলোর বদলে ওই মোম দুটো জ্বলবে এই ঘরে। পটকা এমনভাবে সেট করতে হবে যাতে মিনিট দশেকের মধ্যে ওর পলতেয় আগুন ধরে যায়। সেই সঙ্গে আর একটা কাজ সেরে রাখতে হবে। এ ঘরের স্কাইলাইটগুলোয় কালো সুতো বেঁধে সেই সুতোর প্রাস্তগুলো ওপরের তলার জানলার শিকের সঙ্গে জড়িয়ে রাখতে হবে এমনভাবে যাতে নিমাই তিনতলার ঘর থেকেই এ ঘরের স্কাইলাইট খুলতে আর বন্ধ করতে পারে।

    জলখাবার দিয়ে যাবার পর নিমাইয়ের কাজ হবে এ ঘরের ভেজান দরজা দুটোয় নিঃশব্দে ছিটকিনি টেনে দিয়ে যাবে। তারপর মিনিট কয়েক পরে স্কাইলাইটের খেলা শুরু করবে। এদিকে ভূতের গপ্পো জমে উঠেছে। ওই ওই! বলে আমরা খুব ভয় পেয়ে যাব। তারপরে যেই দড়াম করে মোমবাতি নিবে যাবে আমরা আঁতকে উঠে জড়ামরি করে ছুটে গিয়ে দরজা খোলার চেষ্টা করব। দরজা বাইরে থেকে বন্ধ, সুতরাং খুলবে না। লালু অন্ধকারের মধ্যে কুকুর কান্নার ডাক ডেকে আমাদের পিলে চমকে দেবে। বহুদিনের প্র্যাকটিস, ওই ডাকটা ও মোক্ষম ডাকতে পারে। তারপর দেখা যাবে মজাটা।

    পরের দিন যথারীতি আমরা আগে ভাগেই গণপতিদের বাড়িতে গিয়ে হাজির হলাম।

    সব ব্যবস্থা পাকা। আমরা চারজন অপেক্ষা করে আছি কিন্তু ফটকে আসছে না। ধীরে ধীরে বিকেল মরে সন্ধ্যে হল। বাইরে অন্ধকারও ধীরে ধীরে ঘন হল। মাসীমার পাঠানো সিঙারার গামলা আর কাঁচাগোল্লার থালা নিয়ে নিমাই এসে গেল। অবনী অগত্যা মোমদুটো জ্বেলে দিল। তারপর নিমাইকে ইশারায় কাছে ডেকে কানে কানে বলল, তুই চলে যাস না, ধারে কাছেই থাকিস। ওই দাদাবাবু এনে আস্তে করে দরজায় ছিটকিনি লাগিয়ে চলে যাবি। বাকি সব মনে আছে তো?

    নিমাই দাঁত বের করে হাসল।

    এক মিনিট দু মিনিট করে সময় গড়িয়ে যাচ্ছে। উত্তেজনায় আমাদের হাতের আঙুল ঠান্ডা হয়ে এসেছে। গরম সিঙারাও জুড়েয়ে আসছে ক্রমশ, কিন্তু আমাদের সেদিকে কোন খেয়ালই নেই। গোটা প্ল্যানটা না আপসেট করে দেয় ফটকে। হতভাগা কি জানতে পেরে গেছে আমাদের মতলব। কিন্তু তাই বা কি করে হবে। দিম বুঝেই কি ব্যাটা আজ কামাই করে বসল। এরকম টেনশন নিয়ে কি বসে থাকা যায়? মোম দুটো তো আর বসে নেই, নিয়ম মাফিক গলে ছোট হয়ে আসছে। যেন বোমার পলতেয় আগুন ধরিয়ে আমরা অপেক্ষা করছি।

    লালু আর থাকতে না পেরে ককিয়ে উঠল। মোমবাতি মা ফেটে যায় দুম করে।

    চুপ কর। অবনী ধমকে উঠল, যখন তখন ফাটলেই হল। আমি ঘড়ি দেখছি না? এখনো পাক্কা ছ মিমিট বাকি।

    সস্‌স্। ঠোটে আঙুল ছুঁইয়ে গণপতি ইশারা করল। আর ঠিক সেই মুহূর্তে এক ঝলক ঠান্ডা হাওয়ার মত সেন্টের তীব্র গন্ধ আমার নাকে এসে পৌঁছাল। পরের মুহূর্তেই জুতোর শব্দ। ফটকে মুখ বাড়াল ঘরের মধ্যে। এক মুহূর্ত থমকে ঘরের মধ্যে এগিয়ে আসতে আসতে বলল, ইস। আজ বড্ডই দেরি করে ফেললাম, তাই না?

    আমি স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে বললাম, হ্যাঁ। সিঙারাগুলো বোধহয় এতক্ষণে ঠান্ডা হয়েই গেল।

    অ্যাঁ! বলেই ফটকে গামলা থেকে মিখারা ভুলে নিল, এক ভাষায় দুটো। তারপরেই সিঙারায় জলহস্তীর মত কামড় বসাতে দমাতে বলল, একী মাইরি, তোমরা ভূতের মত মোম জ্বালিয়ে বসে আছ কেন?

    লালু তাড়াতাড়ি বলল, বাল্ব ফিউজ হয়ে গেছে।

    অবনী বলল, তাইতো গণপতি, আর একটা বালব কিনিয়ে আন না নিমাইকে দিয়ে।

    কানে পৌঁছাবার মত নয় তবু আমরা টের পেলাম দরজায় ছিটকিনি আঁটা হয়ে গেল। শব্দটা ভুল শুনিনি তার প্রমাণ লালু আমাকে চিমটি কাটল।

    গণপতি যেন অনিচ্ছা সত্ত্বেও হাতে একটা সিঙারা তুলে নিয়েছিল, বলল, লাভ নেই। সেই তো আবার ফিউজ হয়ে যাবে।

    ফিউজ হয়ে যাবে। তার মানে? প্রশ্নটা ছুঁড়ে দিয়ে অরনী গণপতিকে চোখ টিপল। কিন্তু ফটকের তখন প্রায় বেহুঁশ অবস্থা। তার হাত একবার গামলা, একবার থালা ছুঁয়ে চলেছে। মনে হচ্ছে আজ দেরিতে আসার জন্যে বুঝি মরিয়া হয়ে উঠেছে। গণপতি অবনীর ধরতাই পেয়ে সবিস্তারে গল্পটা শুরু করল। বেশ জোরে জোরেই, যাতে ফটকের কর্ণগোচর হয় প্রতিটা শব্দ।

    উদ্দেশ্য সিদ্ধ হয়েছে মনে হল, কারণ ফটকে খাওয়া থামিয়ে বার দুই গণপতির মুখের দিকে তাকাল। এমন সময় বেশ শব্দ করে স্কাইলাইট দুটো নাচানাচি শুরু করে দিল।

    ওই ওই! আমি আঁতকে ওঠার মত করে চেঁচিয়ে উঠলাম।

    লালু এক হাত লাফিয়ে উঠে ‘উরি বাবা’ বলে আমাকে জাপটে ধরল। অবনী পাংশু মুখে বলল, এ কী রে গণা। এ যে ভুতুড়ে কান্ডই শুরু হয়ে গেল!

    এই তো সবে শুরু। গণপতি বলল, একটু বস, সবই নিজের চোখে দেখতে পাবে। কিভাবে যে আমরা দিন কাটাচ্ছি … রাতে ঘুমোতে পারি না, ভাইরে!

    ইস বড্ড দেরি হয়ে গেল আজ! শেষ কাঁচাগোল্লাটা মুখে পুরে দিয়ে ফটকে আচমকা উঠে দাঁড়াল, আচ্ছা

    তার মুখ দেখে ঠিক বোঝা যাচ্ছিল না, কিন্তু সত্যিই ভয় পেয়েছে। টের পেয়ে আনন্দই হচ্ছিল আমার।

    ভয় পাওয়া গলা করে আমি দাঁত মুখ খিঁচিয়ে উঠলাম, বস! যাবে কী। যেতে গিয়ে শেষে কি প্রাণটা খোয়াবে? দেখছ না কী শুরু হয়ে গেছে।

    ফটকের মুখ দিয়ে কেমন গোঁ গোঁ শব্দ বেরলো। আর ঠিক সেই মুহূর্তে, আমাদের বহুক্ষণের উত্তেজনার অবসান ঘটিয়ে বন্ধ ঘরের মধ্যে পরপর দুটো বোমা ফাটার আওয়াজ হল। মোমবাতি দুটো ছিটকে গিয়ে ঘর অন্ধকার হয়ে গেল। সেই সঙ্গে আর্ত চিৎকার। হুড়োহুড়ি। অবনীর গলা পেলাম দরজার কাছ থেকে। দরজায় দুমদুম আওয়াজ করছে ভয়ার্ত গলায় চেঁচাচ্ছে, খোল খোল দরজা খোল। এ কী। কে আটকে দিল বাইরে থেকে?

    একটা কুকুরের কান্না ঘরের অন্ধকারকে যেন ফালা ফালা করে দিল এই সময়ে। সেই সঙ্গে গণপতির আর্তনাদ, ছাড় ছাড়। একটা ঝটাপটির শব্দ। পেতলের গামলা আর থালাটা ছিটকে পড়ল মেঝের ওপর ঝনঝন করে। হঠাৎ মনে হল বরফের মত ঠান্ডা দুখানা হাত সাঁড়াশির মত আমার গলা চেপে ধরছে। প্রাণপণে চেঁচাতে গেলাম, কিন্তু আমার গলা দিয়ে গোঙানীর মত সামান্য একটু আওয়াজ বেরল মাত্র। জ্ঞান হারিয়ে ফেলার মুহূর্তে বুঝতে পারলাম আমাদের তৈরী ছকের বাইরে ভয়ঙ্কর কিছু একটা ঘটছে। আর রক্ষা নেই।

    সেকেন্ড কয়েকের জন্য বোধহয় জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলাম। চোখ মেলে দেখি মেঝের ওপরে চিৎপাত হয়ে পড়ে আছি। সিলিং-এর আলোটা দিব্যি জ্বলছে। ঘাড় ফিরিয়ে দেখলাম অবনী আর লালু ঘরের এককোণে বসে ঠকঠক করে কাঁপছে। বিধ্বস্ত চেহারায় গণপতি পড়ে আছে তক্তপোশের ওপর চোখ উল্টে। ধড়মড় করে উঠে গণপতির কাছে গেলাম। না, বেঁচেই আছে, তবে অজ্ঞান।

    অতি কষ্টে বলল, জল শিগগীর জল আন।

    অবনী আর লালু দুজনেই উঠে দাঁড়িয়েছিল, কিন্তু ঘরের মধ্যে কোথাও জলের কুঁজো নেই। জলের গেলাসগুলো উলটে জল গড়াচ্ছিল মেঝেময়। দুই হাতে সেই জল থাবড়ে আমি গণপতির চোখেমুখে জলের ছিটে দিলাম। লালু ছুটে গেল দরজা খুলে নিমাইকে ডাকতে। কিন্তু দরজা বাইরে থেকে বন্ধ

    অবনী আঁতকে উঠে বলল, আরে একী কান্ড! ফটকে, ফটকে গেল কোথায়?

    সত্যি আমাদের কারো মনেই ছিল না ফটিকের কথা। তক্তপোশের নিচে টিচে সব জায়গা দেখা হল, ফটকে ভ্যানিশ। একেবারে কর্পূরের মত উবে গেছে যেন।

    এরপরে আর কোনদিন ফটকে ও বাড়িতে আসেনি। আমরাও যাইনি। পরে শুনেছিলাম ঘটনাটা। ফটিকচন্দ্র কুন্ডু বলে একটা ছেলে সত্যিই ছিল গণপতিদের পাড়ায়। কিন্তু সে ছিলই, এখন নেই। কমাস আগে নাকি দীঘার দিকে কোথায় বরযাত্রী হয়ে যাচ্ছিল বাসে করে। অ্যাকসিডেন্টে মারা যায়। তারপর তাকে ওপাড়ার নেমন্তন্ন বাড়িতে কেউ কেউ দেখেছে। ওই বরযাত্রীর পোশাকেই। গিলে করা পাঞ্জাবী, চুনোট করা ধুতি, গায়ে সেন্টের গন্ধ। …

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রবন্ধাবলী – রাজশেখর বসু
    Next Article সব ভুতুড়ে – লীলা মজুমদার

    Related Articles

    লীলা মজুমদার

    বদ্যিনাথের বড়ি – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    হলদে পাখির পালক – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    বাঘের চোখ – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    গুপির গুপ্তখাতা – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    পদিপিসীর বর্মিবাক্স – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    টং লিং – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }