Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভয় সমগ্র ১ – মঞ্জিল সেন

    মঞ্জিল সেন এক পাতা গল্প457 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রাচীর প্রহরী

    ‘পুব দিকের সীমানা-পাঁচিলের তলায় কয়েকটা কঙ্কাল পাওয়া গেছে।’ মি শর্মা বললেন, ‘আশ্চর্য কাণ্ড, এই ধ্বংসস্তূপের মধ্যে ওই পাঁচিলটাই শুধু খাড়া আছে।’

    ‘শোনেননি,’ মি কাপুর একমুখ সিগারেটের ধোঁয়া ছেড়ে বললেন, ‘আগে এমন একটা বিশ্বাস ছিল যে, মৃত মানুষের দেহ মাটির তলায় পুঁতে তার ওপর ভিত গড়লে সে-বাড়ি সহজে ভেঙে পড়ে না।’

    ‘বোগাস।’ মি সোন্ধি গরম কফির পেয়ালায় চুমুক দিয়ে বলে উঠলেন, ‘এই বিংশ শতাব্দীতে এসব কেউ বিশ্বাস করে!’

    ‘আমি কিন্তু শুনেছি,’ মি যোশী মাথা দোলাতে দোলাতে বললেন, ‘মৃতের প্রেতাত্মা নাকি ধ্বংসের হাত থেকে ইমারত রক্ষা করে। বড়ো বড়ো প্রাসাদ কিংবা সেতু তৈরির আগে মাত্র একশো দেড়শো বছর আগেও মানুষ খুন করা হত। তাদের সমাধির ওপর গড়ে উঠত সুরম্য প্রাসাদ।’

    ‘অত পেছনে যাবার দরকার নেই।’ মি দাশগুপ্ত মৃদু হেসে বললেন, ‘আমার জীবনেই এমন একটা ব্যাপার ঘটেছিল, যার ব্যাখ্যা আজও আমি খুঁজে পাইনি।’

    সবাই মি দাশগুপ্তের কাহিনি শোনার জন্য উদগ্রীব হয়ে উঠলেন।

    নির্জন প্রান্তরে তাঁবু খাঁটিয়ে ওঁরা অস্থায়ী আস্তানা গেড়েছেন। সবাই ভারত সরকারের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের কর্মী। এ জায়গাটা ইতিহাসপ্রসিদ্ধ। গভীর জঙ্গলে অনেকখানি জায়গা জুড়ে বিরাট এক ভগ্নস্তূপ। তাই মাটি খোঁড়াখুঁড়ি চলছে, আর সেইসূত্রেই পাওয়া গেছে কয়েকটা কঙ্কাল।

    এখানে ওখানে আগুন জ্বলছে। ঠান্ডা পড়েছে, তাই আগুনের পাশে ভিড় করেছে কুলি-মজুরের দল। হরিণের মাংস রান্নার গন্ধ ভেসে আসছে। পুরু অথচ নরম আর গরম রুটির সঙ্গে মাংস এই ঠান্ডায় ভালোই লাগবে।

    ‘তখনও আমি সরকারি চাকরিতে ঢুকিনি।’ মি দাশগুপ্ত তাঁর কাহিনি শুরু করলেন। ‘সদ্য কলেজ থেকে বেরিয়ে একটা আর্কিটেকচারাল কনসার্নে ঢুকেছি। কোম্পানি একটা কাজে পাঞ্জাবে এক জায়গায় যাবার নির্দেশ দিল আমাকে। কাজটা আর কিছুই নয়, ওখানে এক প্রাচীন জমিদার বাড়ির ধ্বংসস্তূপ দেখে একটা নকশা বানাতে হবে আমাকে। প্রাচীনকালের অনেক ঐতিহাসিক, অ-ঐতিহাসিক বাড়ির কারুকার্য কিংবা পুরোনো স্থাপত্য বর্তমান স্থপতিশিল্পে আমরা আমদানি করেছি, একথা আপনারা সবাই জানেন।

    আরও দেখুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা কমিকস
    Library
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বইয়ের
    অনলাইন বুক
    সাহিত্য পর্যালোচনা

    ‘যথাসময়ে আমি সেখানে গিয়ে হাজির হলাম। জায়গাটা আধা গ্রাম, আধা শহর। ধ্বংসস্তূপটা দেখে কিন্তু আমি অবাক হলাম। শুনেছিলাম ওটার বয়স আড়াইশো বছরেরও বেশি, কিন্তু ভেঙে পড়লেও কিছু দেয়াল আর খিলান তখনও মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে। বাড়িটা হয়তো একসময় চারপাশে উঁচু পাঁচিলে ঘেরা ছিল। এখন শুধু পেছন দিকের পাঁচিলটা জরাজীর্ণ অবস্থায় কোনোমতে খাড়া রয়েছে। পাঁচিলের পাশ দিয়েই চলে গেছে একটা নদী। ভাঙা ইট-পাথরের স্তূপের ভেতর মাঝে মাঝে কিছু জায়গা সমান। আর যা চোখে পড়ে, তা হল আধখানা সিঁড়ি, এখানে ওখানে পাথরের দেয়াল ভাঙা কার্নিশ, মুখ থুবড়ে পড়া ছাদ, আরও অনেক কিছু।

    ‘বেশ অনেকটা জায়গা নিয়ে বাড়িটা; ভগ্নস্তূপের চারপাশে ঘাসবনে ভরা জমি। আমার স্কেচ করতে কোনো অসুবিধে হচ্ছিল না, বরং বেশ আনন্দই পাচ্ছিলাম। আমার ভাগ্য ভালো, এক গৃহস্থ পরিবারে একটা ঘর ভাড়া পেয়েছিলাম। পরিবারের কর্তা একজন শিখ ভদ্রলোক, বহুদিন কলকাতায় ছিলেন, তাই আমাকে বেশ আদরযত্ন করেছিলেন। আমার কাজেও তাঁর খুব আগ্রহ লক্ষ করে আমি খুশিই হচ্ছিলাম। প্রত্যেক দিন সন্ধের কিছু আগে মিস্টার সিং ওই ভগ্নস্তূপের কাছে এসে আমাকে ডাক দিতেন, তারপর গল্প করতে করতে আমরা বাড়ির দিকে হাঁটা দিতাম। ভগ্নস্তূপটা ছিল লোকালয়ের একটু বাইরে, মিস্টার সিং-এর বাড়ি থেকে হাঁটাপথে প্রায় পনেরো কুড়ি মিনিট। ফেরার পথে প্রাচীন বাড়িটার স্থাপত্যশিল্প সম্বন্ধে আমি তাঁকে বলতাম। তিনি চুপ করে আমার কথা শুনতেন, উচ্ছাসের বাধা দিতেন না।

    আরও দেখুন
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    PDF
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা সাহিত্য
    Library
    বাংলা বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    Books

    ‘মিস্টার সিং যে রোজ বিকেলে আমার কাছে এসে হাজির হতেন এবং ফেরার পথে আমাকে সঙ্গ দিতেন, তার জন্য তখন তাঁর প্রতি আমার মনের ভাব প্রসন্ন হলেও পরে বুঝেছিলাম কেন তিনি সন্ধেবেলা ওখানে একা আমাকে থাকতে দিতেন না। আমি যেদিন ওখান থেকে চলে আসব, তার আগের রাতে আমি ঠিক করলাম শেষবারের মতো ভগ্নস্তূপের কাছে যাব। কারণ অবশ্য ছিল। আমার নকশা শেষ, শুধু তোরণটার কাঠামোর কিছু খুঁটিনাটি কাজ বাকি। ভাবলাম, চাঁদনি রাত আছে, তেমন অসুবিধে হবে না, খাওয়া-দাওয়া সেরে ওখানে গিয়ে কাজটা সেরে ফেলব। কতক্ষণ আর লাগবে, বড়োজোর আধ ঘণ্টা পঁয়তাল্লিশ মিনিট। চাঁদনি রাতে এইসব প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ অন্য রূপ নেয়, সেটাও আমার কাছে কম লোভনীয় নয়।

    ‘রাতের খাওয়া সেরে মিস্টার সিংকে আমি আমার উদ্দেশ্য জানালাম। তিনি কিন্তু আমার কথা শুনে যেন আঁতকে উঠলেন, বললেন, ‘কী সর্বনাশ! আপনি এই রাত্তিরে ওখানে যাবেন!’

    ‘কেন, রাত্তির তো কী হয়েছে!’ আমি বেশ অবাক হয়েই জবাব দিলাম, ‘ওখানে তো আর বাঘ, ভালুকের ভয় নেই।’

    আরও দেখুন
    বই পড়ুন
    বাংলা ই-বই
    বাংলা ভাষা
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বইয়ের
    Library
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা উপন্যাস

    ‘সন্ধের পর আপনার ওখানে যাওয়া চলতে পারে না।’ বেশ একটু উঁচু গলায় তিনি বললেন, ‘পাগল ছাড়া কেউ অমন কাজ করবে না।’

    ‘কেন!’ আমি অনেকটা বিমূঢ়ের মতো প্রশ্ন করলাম। ভদ্রলোকের আচরণে আমি যেন হতবাক হয়ে গেছি।

    ‘কারণ আপনি আর ফিরে আসতে পারবেন না, নদীর ধারের দেয়ালটা আপনাকে আটকে দেবে।’

    আমি তাঁর মুখের দিকে স্তম্ভিতের মতো তাকালাম। ‘দেয়ালটা আমাকে আটকে দেবে।’ কোনোমতে আমি বললাম।

    ‘হ্যাঁ, তাই।’ দৃঢ় কণ্ঠে বলে উঠলেন দীর্ঘদেহী, বৃদ্ধ মিস্টার সিং। ‘রোজ সন্ধের আগে আমি কি এমনি এমনি আপনার ওখানে যেতাম বলে আপনি মনে করেছেন! যাতে আপনি সন্ধের পর ওখানে না থাকেন, তাই যেতাম। আপনি এখানে বিদেশি, আমাদের অতিথি, আপনার ভালো-মন্দ দেখা আমার উচিত মনে করেই আমি ও কাজ করেছি।’

    ‘কিন্তু আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না, মিস্টার সিং!’ আমি একটু ধাতস্থ হয়ে বললাম, ‘দয়া করে আমাকে ব্যাপারটা খুলে বলবেন?’

    আরও দেখুন
    অনলাইন বই
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা কবিতা
    বুক শেল্ফ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    Library
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা শিশু সাহিত্য

    ‘প্রীতম সিং আর তার ছেলেদের প্রেতাত্মা ওখানে ঘুরে বেড়ায়।’

    ‘তারপরই মিস্টার সিং আমাকে অবিশ্বাস্য এক কাহিনি শোনালেন। অতীতে ওই অঞ্চলে দুটি বর্ধিষু পরিবার বাস করত। প্রীতম সিং আর তার জ্ঞাতি ভাই মাখন সিং। জ্ঞাতি হলে কী হবে, দুই পরিবারের মধ্যে অনেকদিন ধরে মনোমালিন্য চলছিল। শেষ পর্যন্ত একদিন চূড়ান্ত পরিণতি নিল তাদের বিরোধ। বিরোধটা বেধেছিল এখন যেখানে ভগ্নস্তূপ সেই জমি নিয়ে। মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একরাতে দু-দলের মধ্যে সংঘর্ষ হল। প্রীতম সিং আর তার দুই ছেলে মারা গেল সেই সংঘর্ষে। মাখন সিং তাদের মৃতদেহ ওই জমিতে পুঁতে তার ওপর বাড়ি তৈরি শুরু করল। বিরাট বাড়ি। ভারতবর্ষের নানা জায়গা থেকে মালমশলা আর কারিগর জোগাড় করে চমৎকার একটা ইমারত গড়ে তুলল মাখন সিং।

    ‘প্রীতম সিং আর তার ছেলেদের যেখানে সমাধিস্থ করা হয়েছিল তার ওপরেই শোনা যায়, নদীর দিকের পাঁচিলটা উঠেছিল। ইমারত ভেঙে পড়েছে, কিন্তু আপনি নিশ্চয়ই লক্ষ করেছেন, পেছন দিকের পাঁচিলটা এখনও দাঁড়িয়ে আছে। অন্য তিন দিকের পাঁচিলের চিহ্ন নেই, শুধু ওটাই কালের সঙ্গে লড়াই করে টিকে আছে। শোনা যায় প্রীতম সিং আর তার দুই ছেলের প্রেতাত্মা রক্ষা করছে ওই পাঁচিলকে।’

    আরও দেখুন
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা অডিওবুক
    বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার

    ‘আপনার কথা না হয় মানলাম,’ আমি এবার একটু ঠাট্টা করে বললাম, ‘কিন্তু রাতে ওখানে গেলে বিপদ আছে বলছেন কেন? প্রেতাত্মারা যদি পাঁচিলটাকে রক্ষাই করে, তবে ওটা যে আমার ওপর ভেঙে পড়বে, এমন সম্ভাবনা নিশ্চয়ই নেই।’

    ‘আপনি পরিহাস করছেন?’ মি সিং-এর দু-চোখ যেন জ্বলে উঠল, ‘আমার কাছে শুনুন, রাত্তিরে যারা ওখানে গেছে, তাদের কেউ ফিরে আসেনি। প্রীতম সিং আর তার ছেলেদের প্রেতাত্মা শুধু পাঁচিলটা রক্ষাই করছে না, সুযোগমতো অন্যদেরও ওই দায়িত্বের অংশীদার করে নিচ্ছে।’

    ‘অর্থাৎ রাত্তিরে যারা ওখানে যায়, তারা ওখানে থাকতে বাধ্য হয়?’

    ‘আমার গলায় ব্যঙ্গের সুর ছিল। মিস্টার সিং-এর দীর্ঘ শরীর যেন হঠাৎ শক্ত হয়ে গেল। তিনি বললেন, ”আমার বাপ, ঠাকুরদা ঘটনা জানতেন। আমার বাবার মুখেই আমি দু-জনের কথা শুনেছি, যারা ওখান থেকে ফেরেনি। তাদের মধ্যে একজন ছিল রাখাল। হারানো গোরুর খোঁজে ওখানে গিয়েছিল। দ্বিতীয়জন এসেছিল আপনাদেরই মুলুক থেকে। আপনার মতোই সে ব্যাপারটাকে হেসে উড়িয়ে দিয়েছিল। ভূতপ্রেতে তার বিশ্বাস ছিল না।”

    আরও দেখুন
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    অনলাইন বই
    Books
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা ভাষা
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন

    ‘মিস্টার সিং এরপর আর আমার সঙ্গে এ নিয়ে তর্ক করলেন না, নিজের কাজে চলে গেলেন। তবে তাঁর কথা আমি অবিশ্বাস করছি, তার জন্য তিনি মনে মনে আহত হয়েছেন, তা বুঝতে আমার বাকি রইল না। সত্যি কথা বলতে কী, আমি তাঁর গল্পের এক বর্ণও বিশ্বাস করিনি। তবু ওখানে যাবার আগে আমার মনে মুহূর্তের দ্বিধা এল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত যাওয়াই ঠিক করলাম। বিশেষ করে তোরণটার নকশা আমার অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে, ওটা সম্পূর্ণ না করে ফেরা আমার উচিত নয়।

    ‘পকেটে টর্চ আর জিনিসপত্তর নিয়ে আমি বেরিয়ে পড়লাম। সত্যি কথা বলতে কী, আমার গা একটু ছমছমই করছিল। হয়তো মিস্টার সিং ওই কাহিনি না শোনালে আমার মনে কোনো প্রতিক্রিয়াই হত না। নির্জন পথ দিয়ে যেতে যেতে সামান্য শব্দে আমি চমকে উঠেছিলাম। ভগ্নস্তূপের যখন খানিকটা দূরে তখন আমি থমকে দাঁড়ালাম, একবার ভাবলাম ফিরে যাই। কিন্তু মিস্টার সিং-এর মুখে যে হাসি ফুটে উঠবে, তা মনে করে আমি সাহসে বুক বাঁধলাম। আমি শুধু তোরণটার কাছেই যাব না, নদীর ধারে পাঁচিলটার কাছে গিয়ে প্রীতম সিংদের প্রেতাত্মাকে বিদায় জানিয়ে আসব।

    ‘মনে সাহস ফিরে আসায় আমি এগিয়ে গেলাম। ফুটফুটে চাঁদের আলোয় ভগ্নস্তূপটা প্রেতের মতো দেখাচ্ছে। টর্চের আলোয় আমি কাগজে চটপট টান শুরু করলাম। আমি যতক্ষণ ভেবেছিলাম, তার অনেক কম সময়ের মধ্যেই আমার কাজ হয়ে গেল। ততক্ষণে আমার ভয় একেবারে কেটে গেছে। উঠে দাঁড়িয়ে, টর্চ জ্বালিয়ে আমি তোরণের ভেতর দিয়ে এগিয়ে চললাম। আমার লক্ষ্য অক্ষত ওই পাঁচিলটা।

    আরও দেখুন
    বাংলা বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা সাহিত্য
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    নতুন উপন্যাস
    বই
    বুক শেল্ফ

    ‘বুঝতেই পারছেন, পাঁচিলের কাছে পৌঁছোতে আমাকে স্তূপীকৃত জঞ্জালের ওপর দিয়ে যেতে হচ্ছিল। পাঁচিলের সামনে দাঁড়িয়ে আমি ওটার ওপর টর্চ ফেললাম, আর তখুনি আমার পাঁচ ব্যাটারির টর্চটা নিভে গেল।

    ‘ভয় পাইনি, একথা বললে মিথ্যে বলা হবে। আমি প্রায় সঙ্গেসঙ্গেই ফিরে দাঁড়িয়ে তোরণ লক্ষ করে ছুটব ভাবলাম, কিন্তু যেমন করেই হোক ভয়কে জয় করলাম। একটা পাঁচিলের ভয়ে পালিয়ে যাব! একথা ভাবতেই মনে সাহস ফিরে এল। চাঁদের আলো থাকলেও একটু একটু করে কুয়াশা জমতে শুরু করেছিল, তাই খুব ভালো দেখতে পাচ্ছিলাম না। দৌড়োতে গেলে ইতস্তত ছড়ানো ইট-পাথরে ঠোক্কর খেয়ে পড়ে যাবার সম্ভাবনা ষোলো আনাই। শুধু তো ছড়ানোই নয়, ছোটো ছোটো স্তূপ হয়ে আছে সর্বত্র। পড়ে গেলে পা মচকে সারারাত ওখানে পড়ে থাকার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সেটা মোটেই সুখকর কল্পনা নয়।

    ‘টর্চটা কয়েকবার ঝাঁকিয়ে, হাতের তালুতে আস্তে আস্তে আঘাত করে আমি চেষ্টা করলাম ওটা জ্বালাতে। হয়তো কোনো যান্ত্রিক গোলযোগে ওটা নিভে গেছে, কিংবা ঠিক কনট্যাক্ট পাচ্ছে না। কিন্তু বার বার চেষ্টা সত্ত্বেও টর্চটা জ্বলল না, অথচ মাত্র ক-দিন আগেই আমি নতুন ব্যাটারি ভরেছি।

    আরও দেখুন
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা ই-বই
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা কমিকস
    বইয়ের
    বাংলা ভাষা
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ

    ‘একটা বিরক্তিসূচক শব্দ করে আমি টর্চটা ওভারকোটের পকেটে পুরলাম। আমাকে এখন হামাগুড়ি দিয়ে তোরণের কাছে যেতে হবে, নইলে হোঁচট খেয়ে পড়ে যাব। হঠাৎ মনে পড়ল আমার পকেটে একটা দেশলাই আছে। আমি যেখানে দাঁড়িয়ে ছিলাম, সে-জায়গাটা কিন্তু বেশ অন্ধকার। উঁচু পাঁচিলের ছায়ায় অন্ধকার। আমি সাবধানে দেশলাই বার করে একটা কাঠি ঘষলাম, কিন্তু আগুন জ্বলল না। কাঠির যে দিকে বারুদ থাকে তার উলটো দিক ঘষেছি মনে করে আমি একবার আঙুল দিয়ে বারুদটা অনুভব করে ঠিকমতো কাঠিটা ধরলাম। কিন্তু এবারও জ্বলল না দেশলাইয়ের কাঠি। আমার বুক দমে গেল। খুব আশা করেছিলাম, দেশলাইয়ের আগুনের আলোতেই পথ করে আমি এগোব, কিন্তু এ কী ফ্যাসাদে পড়লাম। এটা বর্ষাকাল নয়, শীতের শুরু, সুতরাং স্যাঁৎসেঁতে আবহাওয়ার জন্য দেশলাইয়ে ছাতা পড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। আবার চেষ্টা করলাম, কিন্তু বৃথা সে-চেষ্টা। এবার আমার হাত কাঁপতে লাগল। পাগলের মতো একটার পর একটা কাঠি আমি দেশলাইয়ের বাক্সের গায়ে ঘষতে লাগলাম আর হতাশায় ছুড়ে দিতে লাগলাম সামনের দিকে। শেষ কাঠিটা হাতে নিয়ে আমি মনে মনে ভগবানকে ডাকলাম, তারপর খুব সাবধানে ঘষলাম কাঠির বারুদের দিকটা। ফ্যাস করে একটা শব্দ হল, আগুন জ্বলল না।

    আরও দেখুন
    অনলাইন বুক
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা কমিকস
    বাংলা ভাষা
    বইয়ের
    সেবা প্রকাশনীর বই

    ‘দেশলাইটা আমার হাত থেকে পড়ে গেল। চারদিক শান্ত, টুঁ শব্দটি নেই। একটা অস্বাভাবিক ভূতুড়ে নিস্তব্ধতা। আমি স্পষ্ট অনুভব করলাম, আমার বুকের ভেতর ধুকধুকুনি ক্রমেই বেড়ে চলেছে। আমি ঘামতে শুরু করেছি।’

    মি দাশগুপ্ত একটু থামলেন। হিম পড়তে শুরু করেছে। কিন্তু তাঁবুর মধ্যে একটা বড়ো লোহার চুল্লিতে আগুন গনগন করছে বলে বেশ গরম হয়ে উঠেছে ভেতরটা— আরামদায়ক পরিবেশ। গরম কফি এল। পেয়ালায় চুমুক দিয়ে সবার মুখের দিকে চোখ বুলোলেন মি দাশগুপ্ত। উৎকণ্ঠ প্রত্যাশা ভরা কয়েকজোড়া চোখ। মৃদু হেসে পেয়ালাটা নামিয়ে রাখলেন তিনি।

    ‘একটা কথা আপনারা বিশ্বাস করুন,’ তিনি আবার শুরু করলেন, ‘ওই অবস্থার মধ্যে তখনও আমি নার্ভ হারাইনি। আমি হামাগুড়ি দিয়ে এগোতে শুরু করলাম। তোরণের কাছে যে পৌঁছোতে পারব, সে-বিষয়ে আমার কোনো সন্দেহ ছিল না। এবড়োখেবড়ো জঙ্গলের ওপর দিয়ে আমি চলেছি। বেশ অনেকটা যাবার পর ভাবলাম, পাঁচিল থেকে দূরে, তোরণের কাছাকাছি হয়তো এসে পড়েছি। মুখ তুলে তাকিয়েই আমি চমকে উঠলাম, আমার সামনে বাধার মতো দাঁড়িয়ে আছে পাঁচিলটা।

    আরও দেখুন
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বই
    গ্রন্থাগার
    বাংলা গল্প
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ

    ‘সঙ্গেসঙ্গে আমি পেছন ফিরে উলটোদিকে হামা দিতে লাগলাম। খানিক পরে অনুভব করলাম যেন একটু ফাঁকা জায়গায় এসে পড়েছি। তার মানে পাঁচিল থেকে সরে এসেছি। ইট-পাথরের জঙ্গল পেরিয়ে পৌঁছে গেছি তোরণের কাছাকাছি। মনে মনে হাঁপ ছেড়ে মুখ তুললাম আমি। কিন্তু এ কী। পাঁচিলটা এখানেও আমার পথ আগলে দাঁড়িয়ে আছে।

    ‘এতক্ষণে আমার মনের বাঁধ ভেঙে খানখান হয়ে গেল। একটা ভয়ানক আতঙ্ক আমাকে যেন গ্রাস করতে চাইছে। উঠে দাঁড়িয়ে দৌড়োতে গেলে শক্ত ইট-পাথরে হোঁচট খেয়ে পড়ে যাব, অবচেতন মনের এই আশঙ্কাটাই হয়তো ও কাজ থেকে নিবৃত্ত করল আমাকে। আমি তাড়া-খাওয়া জন্তুর মতো এদিক-ওদিক হামা দিয়ে এগোতে লাগলাম, লক্ষ্য ওই পাঁচিল থেকে দূরে সরে থাকা, কিন্তু প্রত্যেকবারই আমার এগোবার চেষ্টা বাধা পেতে লাগল ওই পাঁচিলে। একটা পাঁচিলই যেন চারটে হয়ে আমাকে ঘিরে ধরেছে, আমার বেরোবার পথ নেই, সারাজীবন চার পাঁচিলে বন্দি হয়ে শুকিয়ে মরতে হবে আমাকে। সে যে কী ভয়াবহ মনের অবস্থা, তা আপনাদের বুঝিয়ে বলতে পারব না।

    ‘কতক্ষণ এভাবে কেটেছিল, তা জানি না। সময়ের জ্ঞান আমি হারিয়ে ফেলেছিলাম। প্রত্যেকবার পাঁচিলে বাধা পেয়ে হতাশায় আমার মন ভেঙে পড়ছিল, তারপর আবার নতুন উৎসাহে উলটোদিকে হামা দিয়ে পালাতে চাইছিলাম, কিন্তু ওটা যেন আমাকে পালাতে দেবে না বলেই আমার সামনে বাধার প্রাচীর হয়ে দাঁড়াচ্ছিল।’

    আরও দেখুন
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা ইসলামিক বই
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা বই
    বাংলা কবিতা
    নতুন উপন্যাস
    অনলাইন বুক
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বইয়ের
    PDF

    মি দাশগুপ্ত একটানা কথা বলার পর বোধ হয় একটু দম নেবার জন্য থামলেন। একটা উৎকট নিস্তব্ধতা, কারো মুখে কথা নেই। কফি কখন জুড়িয়ে ঠান্ডা হয়ে গেছে। এক ঝলক ঠান্ডা হাওয়া তাঁবুর ভেতর ঢুকে আগুনে গরম পরিবেশকে বিপর্যস্ত করে দিতে চাইল।

    ‘তারপর একসময় সব আশা ছেড়ে একটা উঁচু পাথরের ওপর আমি বসে পড়লাম।’ মি দাশগুপ্ত আবার তাঁর কাহিনি শুরু করলেন, ‘সারারাত চেষ্টা করলেও ওখান থেকে আমি বেরোতে পারব না, এটা উপলব্ধি হবার পর আশ্চর্য একটা শান্ত ভাব এল আমার মনে। পরের ঘটনার জন্য মনকে শক্ত করলাম আমি। হঠাৎ ভাঙা ইট-পাথরে কেমন যেন একটা শব্দ হল, প্রীতম সিং আর অন্যদের প্রেতাত্মারা কি আমার দিকে এগিয়ে আসছে? আমাকেও কি তাদের সঙ্গী হয়ে পাহারা দিতে হবে এই পাঁচিলকে যুগ যুগ ধরে! মনে মনে ভগবানের নাম নেওয়া ছাড়া আর কোনো গতি ছিল না আমার।

    ‘তারপরই হঠাৎ এক ঝলক আলো এসে পড়ল আমার মুখের ওপর। দু-চোখ বুজে ফেললাম। কয়েক জোড়া পায়ের শব্দ এগিয়ে আসছে আমার দিকে। চোখ খোলার সাহস হল না, না জানি কী বীভৎস দৃশ্য দেখতে হবে। আমি বোধ হয় জ্ঞান হারিয়ে ফেলছিলাম। মনে হল কারা যেন চাপা গলায় কথা বলছে। তারপরই অনুভব করলাম, মাটি ছাড়া হয়ে আমি ওপরে উঠছি, পাঁজাকোলা করে কেউ যেন আমাকে তুলে নিয়েছে। সঙ্গেসঙ্গে আমি জ্ঞান হারালাম।

    ‘জ্ঞান ফিরতেই দেখি, আমি আমার বিছানায় শুয়ে আছি। ঘরের ভেতর এক ঝলক রোদের আলো, আর আমার বিছানার পাশে একটা চেয়ারে বসে, মিস্টার সিং ঢুলছেন। আমি নড়েচড়ে উঠতেই তিনি তড়াক করে চেয়ার ছেড়ে আমার দিকে একটু ঝুঁকে প্রশ্ন করলেন, ”তবিয়ত ঠিক লাগছে তো?”

    ‘আমি অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাঁর দিকে তাকিয়ে রইলাম। আস্তে আস্তে আমার মাথার ভেতরটা পরিষ্কার হয়ে যেতে লাগল, সমস্ত ব্যাপারটা স্বচ্ছ হয়ে উঠছে;;;

    ‘আপনাকে কী বলে ধন্যবাদ দেব,’ মৃদু কণ্ঠে বললাম আমি, ‘দেয়ালটা চারদিক থেকে আমাকে ঘিরে ধরেছিল, আমি মরবার জন্য তৈরি হয়েছিলাম…ওটা কিছুতেই বেরোতে দিচ্ছিল না আমাকে।’

    ‘ভগবানকে ধন্যবাদ, ওটার হাত থেকে আপনাকে বাঁচাতে পেরেছি। আমার একার ওখানে যাবার সহস ছিল না, তাই ডাগদার সাব আর চারজন লোক নিয়ে আমরা ওখানে গিয়েছিলাম। লণ্ঠন আর টর্চ ছিল আমাদের হাতে।’

    ডাক্তার বেদি এলেন একটু পরেই। মধ্যবয়সি ভদ্রলোক, বেশ হাসিখুশি মনে হল।

    ‘ইয়ংম্যান, আপনি তবে ভূত বিশ্বাস করেন না!’— হাসিমুখে তিনি আমার দিকে এগিয়ে আসতে আসতে বললেন।

    আমার নাড়ি পরীক্ষা করে তিনি আবার বললেন, ‘রাতের ওই অভিজ্ঞতার পর পালস বিট খারাপ নয়। হ্যাঁ, যা বলছিলাম, আপনি ভূত বিশ্বাস করেন না। আমিও বোধ হয় করি না, তবে রাতে একা ওখানে আমি যেতাম কি না সন্দেহ।’

    তাঁর চোখ দুটো যেন হাসছে। আমিও হাসলাম। গতরাতের নিদারুণ অভিজ্ঞতার পর দিনের আলো আর ডাক্তার সাহেবের খোলা মন আমার শরীরে যেন শক্তি জোগাল।

    ‘এবার বলুন তো…,’ তিনি আমার বিছানার পাশে বসে পড়ে বললেন, ‘কী ঘটেছিল? আমরা আপনাকে ওখান থেকে যখন নিয়ে আসছিলাম, আপনি শিশুর মতো কাঁদছিলেন।’

    ‘তাই নাকি!’— আমি লজ্জা পেলাম, ‘আমার মনে পড়ে না।’

    ‘লজ্জা পাবার কিছু নেই।— ডাক্তার সাহেব আমাকে উৎসাহ দিয়ে বললেন, ‘আপনার মনে যে ভয় জমেছিল, তা ভেসে যেতে সাহায্য করেছে ওটা। কিন্তু হয়েছিল কী!’

    ‘আমি থেমে থেমে আদ্যোপান্ত তাঁকে খুলে বললাম। টর্চ আর দেশলাই যে জ্বলেনি, তা বলতেও ভুললাম না।

    ‘হুম!’— আমার কথা শেষ হবার পর তিনি বললেন, ‘আমার মনে হয় ভয় পেয়ে আপনি বিবেচনা হারিয়ে ফেলেছিলেন, তাই একই জায়গায় গোল হয়ে ঘুরছিলেন। অন্ধকার ঘরে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেলে হাতড়ে হাতড়ে দরজা খুঁজে পাচ্ছে না, এমন ঘটনা বিরল নয়।’

    ‘কিন্তু আমার টর্চ! আমার দেশলাই!’— আমি প্রতিবাদ করে উঠলাম।

    ‘দেখি টর্চটা!’— তিনি বললেন।

    ‘আমার ওভারকোটের পকেটে আছে ওঠা।’— কনুইয়ে ভর দিয়ে উঠে বললাম আমি।

    ‘তিনি দেয়ালে ঝোলানো আমার ওভারকোটের দিকে এগিয়ে গেলেন। টর্চটা বার করে বোতাম টিপতেই জ্বলে উঠল ওটা। কয়েকবার টর্চটা জ্বালালেন আর নেভালেন ডাক্তার সাহেব। তারপর বললেন, ‘হুম! এটা থেকে কিছু প্রমাণ হয় না। একদিন আমার মোটর গাড়ির হর্ন বাজছিল না। দোকানে নিয়ে যাব ভাবছিলাম, কিন্তু তার দরকার হয়নি। পরে আবার বাজতে শুরু করেছিল। যান্ত্রিক গোলযোগ, আপনা থেকেই আবার ঠিক হয়ে গিয়েছিল।’

    ‘টর্চটা রেখে দিয়ে তিনি আমার দিকে ফিরে তাকালেন। তারপর বললেন, ”আমি সমস্ত ঘটনার সম্ভাব্য একটা ব্যাখ্যা করতে চাইছি। কিন্তু বিশ্বাস করুন, শুধু রাতেই নয়, দিনের আলোতেও ওখানে যাবার প্রলোভন আমার হবে না।”’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউপন্যাস সমগ্র ১ – মঞ্জিল সেন
    Next Article অরিগামির গোলকধাঁধায় – মাহরীন ফেরদৌস

    Related Articles

    মঞ্জিল সেন

    উপন্যাস সমগ্র ১ – মঞ্জিল সেন

    November 10, 2025
    মঞ্জিল সেন

    ভয় সমগ্র ২ – মঞ্জিল সেন

    November 8, 2025
    মঞ্জিল সেন

    অদ্বিতীয় সত্যজিৎ : সত্যজিতের প্রথম পূর্ণাঙ্গ জীবনী – মঞ্জিল সেন

    November 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }