Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভয় সমগ্র ১ – মঞ্জিল সেন

    মঞ্জিল সেন এক পাতা গল্প457 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কয়লাখনির ভূত

    ঘটনাটি শুনেছিলাম আমার এক বন্ধুপত্নীর মুখ থেকে। তিনি অনুরোধ করেছিলেন সব নাম-ধাম গোপন রাখতে তাই কিছুটা কল্পনার আশ্রয় নিতে হল।

    ধরা যাক বন্ধুপত্নীর নাম চন্দনা। তার তখন দশ বছর বয়স। ওর বাবা সেসময় ধানবাদে চাকরি করতেন। চন্দনার এক দাদা ছিল, তার মাথায় সবসময় দুষ্টুমি বুদ্ধি খেলত, বিশেষ করে ছোটোদের ভয় দেখাবার ব্যাপারে সে ছিল ওস্তাদ।

    ওদের এক মেজোদাদু, মানে মায়ের আপন মেজোকাকা, সেইসময় ধানবাদ থেকে মাইল কুড়ি দূরে একটা কোলিয়ারির ম্যানেজার হয়ে এলেন। তখনও কোলিয়ারিগুলি সরকার থেকে নিয়ে নেওয়া হয়নি। যে কোলিয়ারির কথা বলছি, তার মালিক তখন ছিলেন ছন্দের জাদুকর বিখ্যাত এক কবির ভাই। তিনি আবার ওটা কিনেছিলেন এক ইংরেজ মালিকের কাছ থেকে।

    মেজোদাদু প্রথমে ধানবাদে চন্দনাদের বাড়িতে এসে উঠেছিলেন, এক রাত্রি সেখানে কাটিয়ে পরদিন সকালে ওদের নিয়ে তিনি গাড়িতে কোলিয়ারির দিকে রওনা দিলেন।

    কোলিয়ারিটা একটা মালভূমির মতো জায়গায়। চারদিক সবুজ, সুন্দর, শুধু একটাই ব্যতিক্রম, এখানে ওখানে খানাখন্দ ফলে গাড়ির ভেতর সবাইকে বেশ কয়েকবার ঝাঁকুনি সহ্য করতে হল।

    মেজোদাদু নতুন ম্যানেজার হয়ে আসছেন, তার ওপর তিনি খোদ মালিকের বিশেষ প্রিয়পাত্র, তাই তাঁর সম্বর্ধনার কোনো ত্রুটি ছিল না। কুলি-মজুর থেকে শুরু করে সবাই জড়ো হয়েছিল তাঁর বাংলোর সামনে। একটা কথা বলা হয়নি, কুলি-মজুরদের বেশিরভাগই ছিল সাঁওতাল বা আদিবাসী।

    মস্ত বড়ো বাংলো। আগে সাহেব ম্যানেজার ছিলেন তাই তিনি নিজের পছন্দমতো সব ঘর সাজিয়েছিলেন। হল ঘরের মতো পাঁচটা বিরাট বিরাট ঘর। দামি কাঠের দরজা, জাফরি কাটা রঙিন কাচের জানালা, প্রত্যেক ঘরে ফায়ার প্লেস বা আরাম-চুল্লি। বাংলোর পেছনে অনেকখানি জায়গা নিয়ে একটা বাগান। গোটা কুড়ি গোলাপ গাছে নানান রঙের বড়ো বড়ো গোলাপ ফুল ফুটে আছে, আর কোনো ফুলগাছ নেই, বাকিটা বড়ো বড়ো ঘাস আর বুনো গাছে ছেয়ে গেছে।

    সেদিন আর রান্নাবান্নার পাট করতে হয়নি, এত খাবার এসেছিল যে কয়েকদিন উনুনে আঁচ দেবার দরকার হবে না। সবাই বিদায় নেবার পর খাওয়া সারতে সারতে বেলা হয়ে গেল। মেজোদাদু খেয়েই কোলিয়ারিতে চলে গেলেন। তিনি শুধু কাজের মানুষই ছিলেন না, অত্যন্ত সাহসী এবং শৃঙ্খলাপরায়ণ মানুষ ছিলেন। চেহারাটাও ছিল দশাসই, শক্তিধর এক মানুষ।

    আরও দেখুন
    বুক শেল্ফ
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বইয়ের
    নতুন উপন্যাস
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই

    সন্ধের পর চন্দনা, ওর দাদা আর মেজোদিদার এক বোনের মেয়ে, সেও মেজোদাদুর সঙ্গে কলকাতা থেকে বেড়াতে এসেছিল, মাঝের একটা ঘরে বসে লুডো খেলছিল। ওরা একটা জানালার কাছে বসে ছিল। মস্ত জানালা, ওটা ছিল বাগানের দিকে মুখ করা। জানালা খোলাই ছিল। বাইরেটা গাঢ় অন্ধকার। তখন বিজলিবাতির অত ঘটা ছিল না, বাংলোর প্রত্যেক ঘরে ছিল ঝাড়লন্ঠন।

    চন্দনার দাদা একবার মাথা তুলে জানালার দিকে তাকিয়ে কেমন যেন অসাড় হয়ে গেল, তারপরই চেঁচিয়ে উঠল, ‘ওটা কী! ওটা কী!’

    ওর দৃষ্টি অনুসরণ করে অন্য দু-জনও দেখল অন্ধকারের মধ্যে যেন জ্বলজ্বল করছে দুটো চোখ আর দু-পাটি সাদা দাঁত যেন হাসছে। মেজোদিদার বোনের মেয়ে গোঁ গোঁ করতে করতে অজ্ঞান হয়ে গেল। ওদের চেঁচামেচিতে বাড়ির সবাই ছুটে এল। মেজোদাদু ধানবাদ থেকে কাজের লোক নিয়ে এসেছিলেন, তা ছাড়াও দু-জন বেয়ারা বাবুর্চি ছিল। কোম্পানি থেকেই তাদের মাইনে দেওয়া হত। তারাও এসে পড়ল, কিন্তু জানালায় আর কিছু দেখা গেল না।

    আরও দেখুন
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বিনামূল্যে বই
    Library
    বাংলা গল্প
    গ্রন্থাগার
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা বই

    মেজোদাদু ফিরে এসে সব শুনে চন্দনার দাদাকেই বকাবকি করলেন। অন্যদের ভয় দেখাবার ওর স্বভাব তাঁর অজানা ছিল না। হয়তো কোনো আদিবাসীকে শিখিয়ে পড়িয়ে ওখানে দাঁড়াতে বলেছিল। অন্ধকারে তার কালো শরীরটা দেখা যায়নি শুধু জ্বলজ্বলে চোখ আর সাদা দাঁতের পাটি দেখেই মেয়েরা ভয় পেয়েছে। চন্দনার দাদা যত বলে সে অমন কাজ করেনি, তিনি ততই তাকে ধমকান।

    পরদিন চন্দনার মা ছেলে-মেয়েকে নিয়ে ধানবাদে ফিরে গেলেন। ছেলে-মেয়েদের ইস্কুল খোলা আছে তাই থাকার উপায় নেই।

    কয়েকদিন কেটে গেছে, মেজোদাদু কোলিয়ারি থেকে ফিরে সন্ধেবেলা সামনের লন-এ একটা আরামকেদারায় বসে বিশ্রাম করছিলেন। চারদিক অন্ধকার শুধু খানিক দূরে কোলিয়ারির অগুনতি আলো মিট মিট করে জ্বলছে।

    হঠাৎ মেজোদাদুর নজরে পড়ল তার থেকে কয়েক গজ দূরে ডান দিকের এক কোণে কে যেন বিড়ি ফুঁকছে। মানুষটকে অন্ধকারে দেখা যাচ্ছে না, কিন্তু বিড়ির আগুন একবার জ্বলে উঠছে তারপর নিভু নিভু হয়ে আসছে। মেজোদাদু যেন দেখেও দেখেননি এমনভাবে মুখ ফিরিয়ে রইলেন। তিনি একটা কোলিয়ারির ম্যানেজার, হাজার হাজার লোক তাঁর হুকুম মেনে চলে, দোর্দণ্ড তাঁর প্রতাপ, তাঁর সামনে কেউ বিড়ি ফুঁকবে এটা যেমন উচিত নয়, তেমন সেটা দেখাও উচিত নয় তাঁর।

    আরও দেখুন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা ইসলামিক বই
    অনলাইন বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    PDF
    Library
    বাংলা উপন্যাস

    পরে মেজোদিদাকে তিনি বললেন, ‘ওখানে কে বিড়ি টানছিল, না করে দিয়ো। পাশেই একটা গাড্ডা আছে, অন্ধকারে পা হড়কে পড়ে গেলে আর দেখতে হবে না।’

    মেজোদিদা কাজের লোকজনকে সেকথা বলতে তারা যেন আকাশ থেকে পড়ল। কেউ ওখানে যায়নি, বিড়িও খায়নি। তা ছাড়া সাহেব ওখানে বসে আছেন, ওদের অত বুকের পাটা নেই যে তাঁকে দেখিয়ে দেখিয়ে বিড়ি ফুঁকবে।

    মেজোদাদুর মনটা খুঁতখুঁত করল, তবে কি কয়লাখনির কোনো কুলি ওখানে দাঁড়িয়ে ছিল! সাহস তো কম নয়!

    দিন দুই পরে কোলিয়ারি থেকে একটু বিকেল বিকেল ফিরে তিনি একটা খুরপি আর নিড়ানি নিয়ে বাগানে গেলেন। মালিকে তিনি বলে দিয়েছিলেন বুনো ঘাস আর জংলা গাছ পরিষ্কার করতে। আজ তিনি গোলাপ গাছের গোড়ার মাটি উসকে দেবেন। পাথুরে জায়গা, গাছের গোড়া শক্ত জমাট হয়ে গেছে। কিন্তু পরিচর্যা ছাড়াই রোজ এত ফুল ফোটে সেটাই আশ্চর্য। গোলাপ খুব শৌখিন গাছ, ভালোমতো যত্ন না করলে শুকিয়ে মরে যায় অথচ এই গাছগুলো বিনা পরিচর্যায় ঝড়বৃষ্টি, গরম সব উপেক্ষা করে বেঁচেই শুধু নেই, মনে হয় যেন একেবারে তাজা, ফুলগুলিও তেমন টাটকা আর কী তাদের বাস! সমস্ত বাগানটা ম ম করে গোলাপ ফুলের গন্ধে।

    আরও দেখুন
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বই পড়ুন
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা বই
    বাংলা সাহিত্য

    মেজোদাদু খুরপি দিয়ে একটা গাছের গোড়ার মাটি আলগা করতে গিয়ে দেখলেন পাথরের মতো শক্ত হয়ে আছে। তিনি খুব জোরে খুরপিটা বসাবার জন্য হাত তুলেছেন, কে যেন পেছন থেকে তাঁর হাত চেপে ধরল। তিনি ভাবলেন আপিস থেকে ফিরেই বাগানের কাজে হাত লাগিয়েছেন বলে মেজোদিদাই বোধ হয় হাতটা চেপে ধরেছেন। তিনি একটু বিরক্ত হয়েই বললেন, ‘আঃ! কী হচ্ছে, ছাড়।’

    কিন্তু তাতে কোনো ফল হল না দেখে তিনি পেছন ফিরে তাকালেন। আশ্চর্য! কেউ তো পেছনে নেই। ব্যাপারটা কী হল! তিনি আস্তে আস্তে হাতটা নামিয়ে নিলেন। হাত নাড়াচাড়া করতে কোনো অসুবিধে হচ্ছে না অথচ…।

    চিন্তিত মুখে তিনি ঘরে ফিরে এলেন। মেজোদিদাকে এ ব্যাপারে কিছু বললেন না।

    এরপর এক ছুটির দিনে তিনি খনির দু-জন মালকাটারকে বাড়িতে ডেকে পাঠলেন। দু-জনেই আদিবাসী, সাঁওতাল। তিনি তাদের গোলাপ বাগানের চারপাশের জমিটা কোপাতে বললেন, ও জায়গায় তিনি নতুন গাছ লাগাবেন।

    লোক দুটি কেমন যেন ইতস্তত করতে লাগল। মেজোদাদু অবাক হয়ে বললেন, ‘কী হল?’

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা ভাষা
    বইয়ের
    বাংলা কমিকস
    বাংলা ই-বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা গানের লিরিক্স বই

    ওদের একজন বলল জমিটা পাথরের মতো শক্ত, কোপানো যাবে না।

    মেজোদাদু রেগে গিয়ে বললেন, ‘ঠিক আছে, আমিই তবে কোপাচ্ছি।’

    তিনি একজনের হাত থেকে কোদালটা প্রায় কেড়ে নিয়ে মাথার ওপর তুলেছেন আর কোদালটা তাঁর হাত ফসকে পেছনদিকে পড়ে গেল।

    মেজোদাদু ভাবলেন এসব কাজে তাঁর অভ্যাস নেই বলেই বোধ হয় কোদালটা ঠিকমতো ধরতে পারেননি। তিনি ওটাকে মাটি থেকে কুড়িয়ে নিতে যাবেন এমন সময় যার হাত থেকে তিনি ওটা কেড়ে নিয়েছিলেন, সে তাঁর দু-হাত চেপে ধরে অমন কাজ না করতে অনুরোধ করল।

    মেজোদাদু অবাক হলেন। তিনি লোকটির মুখের দিকে তাকিয়ে আছেন দেখে সে বলল, সাহেবের মঙ্গলের জন্যই একথা সে বলছে।

    আরও দেখুন
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    সাহিত্য পত্রিকা
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা ভাষা
    Library
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    গ্রন্থাগার
    পিডিএফ

    পর পর কয়েকটি ঘটনায় মেজোদাদুর মনেও একটা খটকা জেগেছিল, তাই লোকটির স্পর্ধায় তিনি মেজাজ হারালেন না, শান্ত কণ্ঠে ব্যাপারটা কী জানতে চাইলেন।

    লোকটি বলল সে কিছু গোপন করবে না কিন্তু সাহেব যেন একথা কাউকে না বলেন, তার মুখেই তিনি সব জেনেছেন এটা জানাজানি হলে তার শাস্তি হবে।

    লোকটি এক বিচিত্র কাহিনি শোনাল। এই কোলিয়ারির আগের মালিক ছিলেন সাহেব, এখানকার ম্যানেজারও ছিলেন এক সাহেব— নিষ্ঠুর, বিবেকহীন এক মানুষ। একবার খনিতে দুর্ঘটনায় অনেক কুলি-মজুর মারা গিয়েছিল। সবাই ছিল আদিবাসী। হতাহতের সংখ্যা কম দেখাবার জন্য সাহেব রাতারাতি অনেক মৃতদেহ সরিয়ে ফেলেন। তাঁর হুকুমে ওই বাগানেই মাটির তলায় কুড়িজনের মৃতদেহ পুঁতে ফেলা হয়। সাহেব ওখানে গোলাপের চারা লাগিয়ে দেন। এইগুলিই সেই গোলাপ। ওদের তলায় আছে সেই হতভাগ্যদের মৃতদেহ। গোলাপগাছগুলি তাই এত বছরেও তাজা আর ফুলে ফুলে ভরে থাকে তাদের ডালপালা। এখানের জমিতে কেউ হাত দিতে গেলেই তার অমঙ্গল ঘটে। বাকি মৃতদেহগুলি এই মালভূমির এখানে-সেখানে গোর দেওয়া হয়েছিল, তাই এত খানাখন্দ, ভালো করে মাটি ভরাট করাও হয়নি।

    আরও দেখুন
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা গল্প
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    পিডিএফ

    ওই ঘটনার পর সেই সাহেব এখানে টিকতে পারেনি। লোকে বলে সাহেব খুব ভয় পেয়েছিলেন, কেন, সেটা কেউ জানে না। তারপর থেকে এই বাংলোয় কোনো ম্যানেজারই তেরাত্তির কাটাতে পারেননি। তাই এতদিন ম্যানেজারের পদটা খালি পড়ে ছিল। ওই লোকটি একথাও বলল যে, বাবু ব্রাহ্মণ, বাড়িতে গিন্নিমা জপতপ করেন তাই বোধ হয় তাঁদের কোনো অমঙ্গল হয়নি। এ নিয়ে কোলিয়ারিতে কথাও উঠেছে, বাবু বোধ হয় টিকে গেলেন।

    মেজোদাদু চিন্তিত মুখে ঘরে ফিরে গেলেন, বাড়ির কাউকে এ ঘটনার কথা বললেন না।

    আরও কয়েকদিন কেটে গেছে। মেজোদাদু একদিন গোধূলি বেলায় বাগানে বসে আছেন। তিনি ওই হতভাগ্য মজুরদের কথাই চিন্তা করছিলেন। যদি কোনো ক্রিয়াকর্ম করে ওদের আত্মার সদগতি করা যায় তাই চিন্তা করছিলেন। হঠাৎ তাঁর চমক ভাঙল। তাঁর সামনে হঠাৎ যেন মাটি ফুঁড়ে দাঁড়িয়ে আছে এক আদিবাসী যুবক। কালো গায়ের রং, কোঁকড়ানো চুল আর চাবুকের মতো ছিপছিপে চেহারা।

    ‘কে তুই,’ মেজোদাদু ভীষণ চমকে উঠে বললেন, ‘কোথা থেকে এলি?’

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বই
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা ভাষা
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা ই-বুক রিডার

    লোকটি দাঁত বার করে হাসল, ঝকঝকে সাদা দাঁত, তারপর আঙুল দিয়ে গোলাপ বাগানটা দেখিয়ে দিল।

    মেজোদাদু ব্যাপারটা বুঝলেন না, তিনি জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন।

    লোকটি নিজের বুকে হাত দিল তারপর আবার গোলাপ বাগানটার দিকে আঙুল দেখাল। মেজোদাদু তবু হাঁ করে তাকিয়ে আছেন দেখে সে গোলাপ বাগানের দিকে এগিয়ে গেল তারপর মেজোদাদুর চোখের সামনেই একটা গোলাপ গাছের তলায় অদৃশ্য হল, যেন মাটির তলায় ঢুকে গেল।

    মেজোদাদু এতক্ষণে ব্যাপারটা বুঝলেন। হতভাগ্যদের একজনের প্রেতাত্মা তাঁর কাছে এসেছিল। তিনি যখন তাদের সদগতির কথা চিন্তা করছিলেন তখনই সে তাঁকে দেখা দিল। বোধ হয় মেজোদাদুর উদ্দেশ্যকে সাধুবাদ জানাতেই সে এসেছিল। অসমসাহসী মেজোদাদুর সারা শরীরে কাঁটা দিয়ে উঠল, তিনি তাড়াতাড়ি বাড়ির ভেতর চলে গেলেন।

    পরদিন তিনি মাল-কাটার সেই লোক দুটিকে ডেকে পাঠালেন, মৃত্যুর পর তাদের পারলৌকিক ক্রিয়াকর্মের কথা জানতে চাইলেন। তারা বলল হিন্দুদের মতোই তাদের শব দাহ করা হয়। মেজোদাদু তখন তাঁর ইচ্ছে কথা বললেন, ওই হতভাগ্যদের মৃতদেহ মাটির তলা থেকে তুলে শাস্ত্রীয় নিয়মে তিনি তাদের দাহ করবেন। তাঁর বিশ্বাস তাহলে ওই হতভাগ্যদের আত্মা মুক্তি পাবে।

    ওরা কিন্তু এবার মেজোদাদুর কথায় রাজি হয়ে গেল, শুধু তাই নয়, বলল তাদের স্বজাতিদের সবাইকে নিয়ে এসে মেজোদাদুকে এ কাজে সাহায্য করবে। মেজোদাদু পরদিনই কলকাতায় গিয়ে কোলিয়ারির মালিকের সঙ্গে দেখা করলেন, তাঁকে সব খুলে বললেন। সব শুনে তিনি বললেন, ‘এখন বুঝতে পারছি কেন কোনো ম্যানেজার ওই বাংলোয় টিকতে পারছিল না। আপনি সাত্ত্বিক ব্রাহ্মণ, আপনার উপবীতই আপনার রক্ষাকবচের কাজ করেছে।’

    তিনি সানন্দে মেজোদাদুর প্রস্তাবে সম্মতি দিলেন এবং ওই কাজের জন্য আলাদা টাকাও মঞ্জুর করলেন।

    এক শুভদিনে আদিবাসীরা এসে কোদালে হাত লাগাল। কয়েকজন পুরোহিত মন্ত্র উচ্চারণ করে গঙ্গা জল ছিটোতে লাগলেন। এই কাজের জন্য কলসি কলসি গঙ্গাজল নিয়ে আসা হয়েছিল। ওই পুরোহিতদের মধ্যে আদিবাসীদের পুরোহিতও ছিল। এবার কিন্তু মাটি কোপাবার সময় কোনো বিঘ্ন ঘটল না।

    মাটির তলা থেকে নরকঙ্কাল উদ্ধার হল কুড়িটি। কোনোটাই অক্ষত নেই। হয় করোটি বিচ্ছিন্ন হয়েছে নয় হাত-পা। চোখের জায়গায় গর্ত, দাঁতগুলি বেরিয়ে আছে। বীভৎস সেই দৃশ্য।

    অনেকগুলো চিতা একসঙ্গে জ্বলল। পুরোহিতদের মন্ত্রপাঠের মধ্য দিয়ে আদিবাসীরাই তাদের প্রথামতো আগুন দিল সেইসব চিতায়। লেলিহান শিখা যেন আকাশে মিলিয়ে গেল।

    তারপর থেকে ওই বাংলোয় আর কখনো প্রেতাত্মাদের উপদ্রব হয়নি। মেজোদাদু ওই কয়লাখনির কুলি মজুরদের উন্নতির জন্য অনেক কিছু করেছিলেন, ওখানকার আদিবাসীরা তাঁকে দেবতার মতো শ্রদ্ধাভক্তি করত। সেই কয়লাখনি আজও আছে তবে সেই জায়গাটা এখন আর চেনার উপায় নেই। বিজলিবাতি আর দালানকোঠায় একটা শহরই গড়ে উঠেছে সেখানে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউপন্যাস সমগ্র ১ – মঞ্জিল সেন
    Next Article অরিগামির গোলকধাঁধায় – মাহরীন ফেরদৌস

    Related Articles

    মঞ্জিল সেন

    উপন্যাস সমগ্র ১ – মঞ্জিল সেন

    November 10, 2025
    মঞ্জিল সেন

    ভয় সমগ্র ২ – মঞ্জিল সেন

    November 8, 2025
    মঞ্জিল সেন

    অদ্বিতীয় সত্যজিৎ : সত্যজিতের প্রথম পূর্ণাঙ্গ জীবনী – মঞ্জিল সেন

    November 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }