Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভয় সমগ্র ১ – মঞ্জিল সেন

    মঞ্জিল সেন এক পাতা গল্প457 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রেতাত্মার প্রতিহিংসা

    বিলেতের এক কুলীন বংশে জর্জ উডফলের জন্ম। ইং ১৮৫০ কিংবা তার সমসাময়িক কোনো এক বছরে ভাগ্যের অন্বেষণে সে দেশান্তরী হয়েছিল, পাড়ি দিয়েছিল অস্ট্রেলিয়ায়।

    ১৮৫১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে হারগ্রেভস নামে ক্যালিফোর্নিয়ার এক স্বর্ণখনির মালিক সিডনি থেকে প্রায় একশো মাইল উত্তর-পশ্চিমে একটা খাঁড়ির কাছে সোনার সন্ধান পেয়েছিলেন। তারপর ভিক্টোরিয়াতেও যখন সোনার খোঁজ পাওয়া গিয়েছিল, তখন বিদেশ থেকে আগত মানুষদের মধ্যে স্বর্ণ আহরণের যে উন্মাদনার সৃষ্টি হয়েছিল, উডফলও তাতে যোগ দিয়েছিল। কাতারে কাতারে দুঃসাহসী মানুষের এই স্বর্ণ-তৃষা বা তার পেছনে দৌড় থেকেই এসেছিল ‘গোল্ড-রাশ’ কথাটা।

    উডফল এই দৌড়ে আরও দু-জনের সঙ্গে জোট বেঁধেছিল। তাদের নাম হার্পার আর ফ্রিথ— দু-জনেই গুন্ডা প্রকৃতির মানুষ। হার্পার কয়েক বছর আগে একটা কয়েদি বোঝাই জাহাজে ওখানে এসেছিল। ইংল্যান্ড থেকে অবাঞ্ছিত কয়েদিদের সেসময় অস্ট্রেলিয়ায় নির্বাসন দেওয়ার প্রথা ছিল। তবে হার্পার কিংবা ফ্রিথ কেউই খুব খারাপ চরিত্রের লোক ছিল না। স্বর্ণের সম্ভাবনায় তখন কিন্তু হাজার হাজার বদ চরিত্রের মানুষ এসে ভিড় করছিল অস্ট্রেলিয়ায় এবং এই ব্যাপারটা ওখানকার কর্তৃপক্ষের কাছে শিরঃপীড়ার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

    হার্পার কিংবা ফ্রিথ কেউই নাম স্বাক্ষর পর্যন্ত করতে পারত না তবু উডফলের সঙ্গে তাদের বেশ দোস্তি হয়ে গেল। একজন শিক্ষিত ইংরেজ ভদ্রলোক তাদের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়েছে, আচরণে উন্নাসিকতার লেশমাত্র নেই, এটা কম কথা নয়।

    তাদের বরাত ভালো, সোনার সন্ধান তারা পেয়েছিল। এজন্য দুর্গম পাহাড়ে তাদের যেতে হয়েছিল। স্বর্ণরেণু আর স্বর্ণপিণ্ড যা তারা খোঁড়াখুঁড়ি করে পেয়েছিল, তাদের ভাগ্য ফেরাবার পক্ষে তা যথেষ্টই বলতে হবে। বাকি জীবনটা আরামে কাটাবার মতো সোনা এসেছিল তাদের হাতে। কিন্তু সোনার সন্ধানে যারা সব কষ্ট আর পরিশ্রম তুচ্ছ করে বেরিয়ে পড়ে, তারা বোধ হয় কখনো যা পেয়েছে তা নিয়ে সন্তুষ্ট হয় না। একরকম রোগে তারা আক্রান্ত হয়, সেটা হল স্বর্ণ-তৃষা, আরও সোনা চাই…আরও।

    যে সোনা তাদের হাতে এসেছে, সিডনিতে গিয়ে তা বিক্রি করার কথা তারা আলোচনা করছিল, এই সময় একটা আশ্চর্য গুহা তারা আবিষ্কার করল। যে পাহাড়ে ওই গুহাটা ছিল, সেটা দেখে ওদের মনে হয়েছিল রাশি রাশি সোনা আছে ওই পাহাড়ের গহ্বরে গহ্বরে; একটা নয়নাভিরাম জলপ্রপাত নেমেছিল ওটার গা বেয়ে। ওই গুহার ভেতর ঢোকা সহজ ছিল না। অনেক পরিশ্রম করে পাহাড়ের গা বেয়ে এদিক-ওদিক উঠে গুহার প্রবেশপথটা ওরা খুঁজে পেল। পাহাড়ের মুখে একটা খাড়া স্তম্ভের মাঝামাঝি অংশের মতো ওটার আকৃতি। ওখানে নামবার জন্য গুহামুখ থেকে তলায় আলগা শিলাখণ্ডের ভেতর দিয়ে ছুঁচোলো খুঁটি ঢোকাতেও হয়েছিল তাদের।

    নীচে নেমে তারা অবাক হয়ে দেখল ভেতরটা একটা গির্জার মতো গভীর গিরিগুহা বা খাদ। দূরে বিরাট জলপ্রপাতের মেঘগর্জন গুহার ভেতর প্রতিধ্বনিত হয়ে গম গম করছিল। ওদের টর্চের আলোয় ঝলমল করে উঠল জমাট বাঁধা চুন আর ঝকমক করে উঠল বহুবর্ণের পাথরের সমান ও সমান্তরাল সব প্রান্ত। সবচেয়ে যা ওদের উত্তেজনার সৃষ্টি করল তা হল, যেসব বিরাট স্তম্ভ অবলম্বন করে গুহার ছাদ টিকেছিল, সেগুলো স্ফটিকে মোড়া।

    কিন্তু এই অপূর্ব আর বিস্ময় জাগানো জায়গা থেকে নামমাত্র সোনা পাওয়া গেল। ঝকঝকে চমৎকার স্ফটিক দৃষ্টিমধুর হলে কী হবে, তাতে সোনার অনুপাত ছিল নেহাতই অল্প। তাই সংগ্রহ করতে তাদের একটা শিলাস্তর ভাঙতে হল। ওটা দেখতে ছিল চমৎকার খোদাই করা গির্জার বেদির মতো। ওটার পেছনে আরেকটা ছোটো গুহা তাদের নজরে পড়ল।

    ওখানে সোনার সন্ধানে ব্যর্থ হয়ে তারা ঠিক করল ছোটো গুহাতেই রাত কাটাবে, পরদিন যাত্রা করবে সিডনি।

    সেই রাতে সভ্যজগতে ফিরে যাবার কথা নিয়েই তাদের মধ্যে আলোচনা হচ্ছিল। প্রত্যেকেই নিজের নিজের সোনার মূল্যের একটা হিসেব কষে দেখল তাদের কঠিন পরিশ্রমের ফল খারাপ হয়নি। ভবিষ্যতে প্রত্যেকেই মোটামুটি স্বচ্ছন্দে জীবন কাটাতে পারবে। এই সোনার জন্য তাদের অনেক ঘাম ঝরাতে হয়েছে, এই সভ্যজগতের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য উপভোগ করাই হবে তাদের জীবনের লক্ষ্য।

    এসব কথা যখন হচ্ছিল, জর্জ উডফল কেমন যেন চুপচাপ হয়ে গিয়েছিল। তার চিন্তাধারা বইছিল অন্য স্রোতে। সঙ্গী দু-জনের কাছে যা সোনা পাওয়া গেছে তাই ছিল যথেষ্ট, কিন্তু তার কাছে নয়। দেশে নিঃস্ব হয়ে সে অস্ট্রেলিয়ায় এসেছিল ভাগ্যকে নতুন করে গড়ে তোলার জন্য। তার সঙ্গী দু-জন স্বর্ণ খননকারী মজদুর ছাড়া আর কিছু নয়, তাদের প্রত্যাশাও কম, যা পেয়েছে তাই মনে করছে অনেক। তবে তিনজনের মোট সোনার বিনিময়ে যে টাকা পাওয়া যাবে তা একজন ভদ্রলোকের ভাগ্য গড়বার পক্ষে পর্যাপ্ত।

    কিন্তু সঙ্গী দু-জনের সোনা চুরি করে চম্পট দেওয়া সম্ভব নয়। সারা জীবনের মতো চিহ্নিত হয়ে থাকতে হবে। এ ধরনের অপরাধ কেউ ভোলে না, ক্ষমাও করে না, একদিন-না-একদিন আঘাত আসবেই।

    মাত্র একটাই সমাধান আছে— সঙ্গীদের খুন করা।

    হার্পার আর ফ্রিথ একটু পরেই গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ল। উডফল শুয়ে শুয়ে নানারকম মতলব আঁটছিল। গুহার মধ্যে যে আগুন জ্বালানো হয়েছিল তা নিভে যাবার আগেই খুব চটপট কাজ সারতে হবে।

    আগুন কমে আসা পর্যন্ত উডফল অপেক্ষা করল, তারপর নিঃশব্দে এবং এক নিমেষে তার ক্ষুরধার ছুরি দিয়ে আঘাত হানল। ফ্রিথ ছিল ঠিক তার পাশেই, ছুরির ফলা ভেদ করল তার হৃৎপিণ্ড। হার্পার কিন্তু হঠাৎ জেগে উঠল। হিংস্র, বন্য পরিবেশে মানুষের ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় সজাগ হয়ে ওঠে, বিপদ সম্বন্ধে সচেতন করে দেয়, সেটাই বোধ হয় ওর ঘুম ভাঙার কারণ।

    হার্পার টলমল করে উঠে দাঁড়াল, তারপর সোজা ঝাঁপিয়ে পড়ল উডফলের ওপর। কিন্তু হার্পারের চোখে তখনও ঘুমের আমেজ তাই তাকে কাবু করতে বেশি বেগ পেতে হল না উডফলের। তার গলা চেপে ধরে কণ্ঠনালী চিরে দিল। দু-জনে প্রচণ্ড ধস্তাধস্তি করতে করতে গড়িয়ে পড়ল মাটিতে। উডফলের ছুরিটা হাত থেকে পড়ে গিয়েছিল, কিন্তু হার্পারের গলা থেকে তার বজ্রমুষ্টি শিথিল হল না। হার্পার অর্ধ অচেতন অবস্থায় লুটিয়ে পড়ল।

    উডফল এবার ছুরিটা কুড়িয়ে সঙ্গীকে খতম করার জন্য তেড়ে গেল। হার্পার আপ্রাণ চেষ্টায় উঠে বসেছে, তার মুখ বিবর্ণ, দু-চোখ ঠিকরে বেরিয়ে আসছে, হাঁ করে সে নিশ্বাস নিচ্ছে। কথা বলার ক্ষমতা তার ছিল না, আধবসা অবস্থায় দু-হাত জোড় করে কাতর দৃষ্টিতে সে দয়া ভিক্ষা করল।

    কিন্তু উডফল দয়া করল না। ছুরির ফলাটা সজোরে হার্পারের বুকে বসিয়ে দিল। হার্পারের মরণ আর্তনাদ ভূ-গর্ভের সমাধিকক্ষের মতো ওই পর্বতগুহা থেকে গুহান্তরে ধাক্কা খেয়ে বার বার প্রতিধ্বনিত হয়ে উঠল।

    তখন রাত, তবু উডফল ঠিক করল তখুনি ওই জায়গা ছেড়ে চলে যাবে। সঙ্গীদের বোঁচকা থেকে তাদের সংগৃহীত সোনা সে নিজের বোঁচকায় ভরল। কিন্তু চরম বিশ্বাসঘাতকতায় যাদের সে খুন করেছে, গলাকাটা অবস্থায় পড়ে থাকা তাদের মৃতদেহের দিকে তাকিয়ে তার বিবেক হঠাৎ জেগে উঠল, ভাবল ওদের কবর দেবে। ফলে তার অপরাধের চিহ্নও লোপ পাবে।

    কিন্তু গুহার মধ্যে ওই পাথুরে মেঝে খুঁড়ে গর্ত করা প্রায় অসাধ্য ব্যাপার। অনেক কষ্টে সামান্য একটু গর্ত করার পর তাকে হাল ছাড়তে হল। এই দুর্গম, নির্জন জায়গায় কেউ কোনোদিন আসবে, এই গুহা আবিষ্কার করবে এমন সম্ভাবনা খুবই কম, যদিও-বা আসে এই খুনের সঙ্গে তাকে জড়াবার কোনো প্রমাণ নেই।

    ওই অগভীর গর্তটার মধ্যেই সে মৃতদেহ দুটি টেনে নিয়ে আলগা নুড়ি পাথরে যতটা সম্ভব চাপা দিল। এভাবে তাদের ফেলে সে যাত্রা করল সিডনি।

    তারিখটা ছিল বিশে সেপ্টেম্বর, সাল ১৮৫২ কি ১৮৫৩।

    সিডনিতে কেউ তাকে চিনত না। সেসময় ওই নগরের জনসংখ্যা ছিল মাত্র এক লাখ, আজ যেখানে তা কুড়ি লাখও ছাড়িয়েছে। অত বড়ো জায়গায় কেউ তার পরিচয় কিংবা তার সম্বন্ধে কিছু জানবে এমন সম্ভাবনা ছিল না বললেই চলে। সবাইকে সে বলে বেড়াল, বিলেত থেকে অল্প কিছুদিন হল সে এসেছে, সঙ্গে কিছু পুঁজিও আছে, সেটা সে ব্যাবসায় খাটাতে চায়।

    উডফল সুযোগসন্ধানী ছিল না এমন অপবাদ কেউ দিতে পারবে না। গুহার মধ্যে সুযোগ খুঁজে সে তার সঙ্গীদের খুন করেছিল, আত্মসাৎ করেছিল তাদের বহু পরিশ্রমের ধনরত্ন। এখানেও সে সুযোগ বুঝে একটা খনিতে তার প্রায় সমস্ত টাকা বিনিয়োগ করল। এক সপ্তাহ পরে ওই খনির শেয়ার চড় চড় করে বেড়ে গেল, আর রাতারাতি বড়োলোক হয়ে গেল উডফল।

    নিজের সাফল্যে খুব খুশি উডফল, জঘন্যতম অপরাধের স্মৃতি তার মন থেকে প্রায় মুছেই গেছে। এখন সে জীবনকে পুরোপুরি উপভোগ করছে, পটস পয়েন্ট-এ একটা চমৎকার বাড়ি কিনেছে। মাঝে মাঝে তার বাড়িতে ভোজ-উৎসব হয়, নিমন্ত্রিত হয়ে আসেন গণ্যমান্য মানুষ।

    আবার ফিরে এল সেপ্টেম্বর। মাসের মাঝামাঝি এক সন্ধ্যায় নিজের বাড়িতে খোলা জানলার সামনে বসে ছিল উডফল। একটু দূরে অন্ধকারে চোখে পড়ছে পোর্ট জ্যাকসনের অস্পষ্ট জলরাশি আর পোতাশ্রয়ের উজ্জ্বল আলো— এই দুয়ের মধ্যে ঘোরাফেরা করছিল উডফলের দৃষ্টি। হঠাৎ কৃতকর্মের জন্য তার মনে দারুণ অনুতাপ হল। তখন তার মনে হচ্ছিল হাতের রক্ত মুছে ফেলার জন্য সব ধনসম্পদ ত্যাগ করতে সে রাজি আছে। মনের এমন অবস্থায় আবেগের বশে সে একবার ভাবল পুলিশের কাছে গিয়ে তার অপরাধ স্বীকার করবে।

    আবেগতাড়িত মনের ওই অবস্থা অবশ্য বেশিক্ষণ রইল না। জানলা থেকে সে সরে এল, ভেবে দেখল মৃত ব্যক্তি কথা বলতে পারে না, সুতরাং তার কোনো ভয় নেই।

    ঘরের ভেতর ফিরে দাঁড়াতেই সে শুনতে পেল স্পষ্ট গলায় কে যেন বলে উঠল, ‘সময় হয়েছে, এসো শুরু করি।’

    বাড়িতে চোর ঢুকেছে মনে করে উডফল রিভলভার হাতে সারাবাড়ি খুঁজে দেখল, কিন্তু না, বাইরের কেউ আসেনি।

    সব বাতি নিভিয়ে সে শোবার আয়োজন করল, একটা বড়ো মোমবাতি নিয়ে এগিয়ে চলল ঘরের দিকে। সবে এক পা বাড়িয়েছে, ভারী শরীরের মতো কিছু একটা ধপ করে তার পায়ের সামনে আছড়ে পড়ল। আতঙ্কে দু-পা পিছিয়ে যেতেই নানারকম শব্দ কানে আসতে লাগল তার— যেসব শব্দ মাসের পর মাস তাকে তাড়া করছে, কিন্তু এখন সেই শব্দ প্রচণ্ড হয়ে তার কানে যেন তালা ধরিয়ে দিচ্ছে।

    সেই জলপ্রপাতের গর্জন প্রতিধ্বনিত হচ্ছে, তারপরই ছুরিবিদ্ধ হার্পারের মরণ আর্তনাদ ওর কানের পর্দা যেন ফালা ফালা করে দিল। আরও নানারকম ভয়াবহ, অবর্ণনীয় সব শব্দ ছড়িয়ে পড়ল সারা বাড়িতে।

    উডফল দু-হাতে কান চেপে বসে পড়ল, কিন্তু সেই ভূতুড়ে শব্দ অপ্রতিরোধ্য। সে যেন ফিরে গেছে সেই গুহায়, ফিরে এসেছে সেই ভয়ংকর রাত— একটা জীবন্ত দুঃস্বপ্ন যেন তার সমস্ত চেতনা আচ্ছন্ন করে ফেলেছে।

    এই ভয়াবহ শব্দে তার কাজের লোকরা জেগে উঠবে এই আশাঙ্কাই সে করছিল। সব শব্দকে ছাপিয়ে উঠছিল হার্পারের তীব্র মরণ আর্তনাদ।

    কিন্তু কেউ এল না। আস্তে আস্তে উডফলের কাছে এ ব্যাপারটা স্পষ্ট হয়ে উঠল যে, সে ছাড়া আর কারো কানে ওই শব্দ যাচ্ছে না— শয়তানের ঐকতান শুধু তাকেই উপলক্ষ করে।

    এই উপলব্ধি হওয়ামাত্র সব শব্দ হঠাৎ থেমে গেল। তারপর ঠিক যেন তার পাশে দাঁড়িয়ে বলছে এমনভাবে হার্পারের গলা সে শুনতে পেল

    ‘তুমি ভুলে যাচ্ছ জর্জ। আর সাতদিন পরেই বিশে সেপ্টেম্বর। তোমাকে সেকথা মনে করিয়ে দিতে আমরা এসেছি।’

    ভীষণ আতঙ্কে শিউরে উঠল উডফল। তার বদ্ধ ধারণা হল শুধু হার্পার নয়, ফ্রিথের আত্মাও উপস্থিত আছে ঘরের মধ্যে, কিন্তু কথা বলছে হার্পার, যে হার্পারের মরণ আর্তনাদ তার মগজে জীবন্ত প্রতিধ্বনি হয়ে আছে।

    ‘তোমার সময় এখনও আসেনি জর্জ, কিন্তু যতদিন তা না আসে, আমরা তোমাকে মনে করিয়ে দেব। বিশ তারিখে আমরা তোমাকে গুহায় আশা করব। শুধুমাত্র তবেই আমাদের হাত থেকে তুমি রেহাই পাবে।’

    ‘হ্যাঁ, আমি আসব,’ বিড় বিড় করে বলল উডফল, তারপরই জ্ঞান হারাল।

    জ্ঞান হবার পর তার মনে হল সমস্ত ব্যাপারটাই একটা দুঃস্বপ্ন।

    যাহোক গুহায় সে গিয়েছিল, একটা রাত সেখানে কাটিয়েছিল। এই ঘটনায় সে লিখেছিল, ‘সে এক মানসিক যন্ত্রণাদায়ক ভয়ংকর রাত। পরে আমি অবাক হয়ে ভেবেছি ওই ঘটনার পরেও কেমন করে প্রাণ আর সুস্থ মস্তিষ্ক নিয়ে ফিরে এসেছিলাম।’

    ওই গুহায় সেরাতে সাংঘাতিক কিছু যে ঘটেছিল তা শুধু কল্পনাই করা যায়। তবে যে সঙ্গী দু-জনকে খুন করে সে অগভীর গর্তে ফেলে রেখেছিল, তাদের স্পর্শ করার কিংবা নতুনভাবে সমাধিস্থ করার সাহস তার হয়নি। এই কাহিনিতে এটা উল্লেখযোগ্য, পরবর্তী ঘটনায় তা পরিষ্কার হবে।

    প্রত্যেক বছর ২০ সেপ্টেম্বর ওই গুহায় ভয়ংকর এক তীর্থযাত্রায় বেরিয়ে পড়ত উডফল, এক নারকীয় পরিবেশে কাটত তার সারারাত। ওই গলিত শব দুটি যেন তাকে উপহাস করত। একটি করে বছর যায়, আরও পচন ধরে শবের, কঙ্কালসার হয়ে আসে, কিন্তু এক অস্বাভাবিক পরিবেশে তারা যেন জীবন্ত।

    এই তীর্থযাত্রাই তাকে শান্তি এনে দেয়। চতুর্থ বছরের পর সে ঠিক করল আর যাবে না, কিন্তু এড়াতে পারল না। হার্পার ফ্রিথের আত্মা তার বাড়ি এসে এমন উপদ্রব শুরু করল যে সে বাধ্য হল তার বাৎসরিক তীর্থযাত্রায় ছেদ না ঘটাতে।

    তবে এই ঘটনায় একটা ভালো প্রতিক্রিয়া হল। উডফলের জীবনের ধারা গেল বদলে। সমস্ত আমোদ আহ্লাদ থেকে সে নিজেকে গুটিয়ে নিল, পাপের প্রায়শ্চিত্ত করার বাসনায় জনহিতকর কাজে সঁপে দিল নিজেকে। দানধ্যানে মন দিল। উপাসনার জন্য নিয়মিত গির্জায় যেতে শুরু করল। সিডনির একজন সম্মানিত মানুষ হিসাবে ছড়িয়ে পড়ল তার নাম। সে যে একজন জঘন্য অপরাধী তা কল্পনা করাও সম্ভব ছিল না।

    কুড়িটা বছর কেটে গেল, তার মধ্যে উনিশবার ওই গুহায় সে রাত কাটিয়েছে। শেষ পর্যন্ত সে মনস্থির করে ফেলল, আর নয়, এবার স্বীকারোক্তি করবে।

    একদিন রাত্রে সমস্ত ঘটনা সে খুলে লিখল, কিছুই বাদ দিল না, উপসংহারে সে লিখল, আরও একবার সে ওই গুহায় তীর্থযাত্রা করবে, ফিরে এসে আত্মসমর্পণ করবে পুলিশের কাছে।

    শেষবারের মতো সেই গুহায় গিয়েছিল উডফল, কিন্তু আর ফেরেনি।

    একজন দয়ালু, পরোপকারী মানুষের আকস্মিক অন্তর্ধানে সিডনিতে দারুণ শোরগোল পড়ে গেল, নগরবাসীরা শোকসভায় তার সম্বন্ধে অনেক গুণগান করল। তার অন্তর্ধানের সঙ্গে কোনো অপরাধজনিত ঘটনার সম্পর্ক আছে এমন সন্দেহ করার কারণ ঘটেনি। তবে বিষয়সংক্রান্ত ব্যাপারে কোনো ত্রুটি বা বিশৃঙ্খলা ছিল না। সিডনির নাগরিকরা তার স্মরণে এক স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করল।

    পাঁচ বছর এই রহস্যের সমাধান হয়নি।

    ইং ১৮০০ সালের সত্তর দশকের শেষের দিকে দু-জন মানুষ ছুটি কাটাতে জনপ্রাণীহীন দুর্গম অঞ্চলে বেরিয়ে পড়েছিলেন। একজন হলেন উইলিয়াম রোলি, পেশায় ইঞ্জিনিয়র, নিউ সাউথ ওয়েলস-এ অনেকগুলো খাল তাঁর তত্ত্বাবধানে কাটা হয়েছিল। দ্বিতীয়জন হলেন সিডনির একটি গির্জার যাজক, নাম চার্লস পাওয়ার। ঊনবিংশ শতাব্দীতে এমন দুর্গম অঞ্চলে বেরিয়ে পড়া, তাঁবু খাটিয়ে রাত্রিবাস আর পাখি শিকার করে আগুনে ঝলসে খাওয়া, সপ্তাহান্ত ছুটি কাটাবার একটা চমৎকার রীতি ছিল। অ্যাডভেঞ্চার আর বেড়াবার আনন্দ দুটোই উপভোগ করা যেত একসঙ্গে। যাজকমশাই ওই সফরের বেশির ভাগ সময় নানান বর্ণের ও প্রজাতির প্রজাপতি সংগ্রহে ব্যস্ত রেখেছিলেন নিজেকে।

    দু-জনেই উডফলকে নামে এবং চাক্ষুষ আলাপে চিনতেন।

    বিশে সেপ্টেম্বর তাঁরা পৌঁছুলেন সেই পাহাড়ের ধারে, যেটা থেকে চঞ্চলা তরুণীর মতো লাফিয়ে লাফিয়ে নেমে এসেছে নয়নাভিরাম একটা জলপ্রপাত। চারদিকের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মোহিত হয়ে রাতটা তাঁরা ওখানেই কাটাবেন ঠিক করলেন। ওই দিনটা যে একটা হিংস্র ঘটনার বার্ষিকী সেটা তাঁদের জানবার কথা নয়।

    রাতের খাওয়া সেরে দু-জনে তাঁবুর ভেতরে পাইপ ধরিয়ে মৌজ করছিলেন। মাঝখানে আগুন জ্বলছে, শুধু ঠান্ডাই নয়, বুনো জন্তুকে ঠেকিয়ে রাখবে তাঁবুর আগুন। তুমুল ঝড়ের সঙ্গে শুরু হল প্রচণ্ড বর্ষণ, সেইসঙ্গে ঘন ঘন বজ্রপাত। জলপ্রপাতের ওপর হঠাৎ এক গাঢ় লাল আলোর ছটা যেন তাঁদের চোখ ধাঁধিয়ে দিল। ঠিক যেন নেমে এসেছে রক্তের স্রোত। তাঁরা মনে করলেন ব্যাপারটা প্রাকৃতিক বিস্ময় ছাড়া আর কিছু নয়। ঝড়বৃষ্টি থেমে যাবার পরেও তীব্র আলোর ছটা মিলিয়ে গেল না, ঠিক যেন প্রপাতের মাঝামাঝি জায়গায় জলের মধ্যেই ওটা স্থির হয়ে আছে, মনে হচ্ছে যেন একজন মানুষের মূর্তি।

    উইলিয়াম আর যাজক চার্লস ব্যাপারটা অনুসন্ধানের জন্য অন্ধকারে হোঁচট খেতে খেতে এগিয়ে গেলেন। কাছাকাছি পৌঁছে তাঁরা দাঁড়িয়ে পড়লেন যেন আর নড়বার চড়বার ক্ষমতা নেই। তাঁদের চোখে পড়ল যাকে মানুষ বলে তাঁদের মনে হয়েছিল সেটা সত্যিই একটা মৃত মানুষের মুখ। অনেক আগেই যার মৃত্যু হয়েছে, এখন মুখ আর গায়ের চামড়া সংকুচিত, শুকিয়ে গেছে, কোথাও কোথাও খসে পড়েছে। রক্তিম আলোর ছটায় ওঠা যেন ঝুলে আছে, আর ইশারায় তাঁদের ডাকছে। তারপরই তীব্র যন্ত্রণায় মুচড়ে মুচড়ে উঠছে।

    ওটাকে যেখানে দেখা গিয়েছিল সেখানে পাহাড় বেয়ে উঠতে তাঁদের প্রায় দেড় ঘণ্টা সময় লেগে গেল। আরও এক ঘণ্টা লাগল পাহাড়ের শিখরে পৌঁছোতে যেখানে জলপ্রপাত আছড়ে পড়ছিল নীচের খাদে। খাড়া গিরিচূড়া, অন্ধকারে পাহাড়টাকে প্রকাণ্ড দৈত্যের মতো মনে হচ্ছিল।

    একটা ভেঙে পড়া গাছ তাঁদের চোখে পড়ল। দেখেই বোঝা যায় ওটাকে কুড়ুল দিয়ে কাটা হয়েছিল, একটা তির নীচের দিকে চিহ্নিত করছিল।

    ওটার কাছেই গুহার প্রবেশমুখ তাঁরা দেখতে পেলেন, ঝোপঝাড়ে ওটা প্রায় ঢাকা পড়েছে। রোলি একটা কচি চারাগাছ কেটে ওই ঝোপঝাড়ে বাড়ি মেরে পথ করে এগুচ্ছিলেন, তারপরই গুহার মুখটা বেরিয়ে পড়ল, যেটা খাড়াভাবে নীচে গিয়ে শেষ হয়েছে।

    পঁচিশ বছর আগে উডফল আর তার দুই সঙ্গী যে খুঁটি বাড়িয়ে গুহার মুখ থেকে নামিয়ে দিয়েছিল সেটা তখনও তেমন শক্তভাবেই লাগানো ছিল। একটা লন্ঠন জ্বালিয়ে রোলি আর পাওয়ার নীচে নামলেন।

    গির্জার মতো আকৃতির সেই গভীর গিরিগুহায় দাঁড়িয়ে অবাক বিস্ময়ে তাঁরা চারদিক দেখছিলেন। বেদির মতন প্রকাণ্ড পাথুরে গঠন যাজকের মনে অপরিসীম কৌতূহলের সঞ্চার করল। তিনি যখন ঘুরেফিরে মুগ্ধ দৃষ্টিতে ভেতরের সৌন্দর্য দেখছিলেন, রোলি তখন ভাঙা স্ফটিক প্রস্তরের গহ্বর দিয়ে ছোটো গুহায় ঢুকে পড়েছিল।

    তাঁর ভয়ার্ত আর্তনাদে পাওয়ার ছুটে গেলেন।

    ‘কী হল?’ যাজক জিজ্ঞেস করলেন।

    ‘এখান থেকে চলুন,’ রোলি বললেন, তিনি খুব ভয় পেয়েছেন, ‘এ জায়গাটা ভালো নয়।’

    ‘কেন? ব্যাপার কী?’ পাওয়ার জানতে চাইলেন।

    রোলি লন্ঠনটা তুলে ধরলেন। তাঁদের সামনে অগভীর একটা কবর। ওটা খুঁড়ে যে মাটি পাশে জমা করা হয়েছিল, ওপর থেকে অনবরত ফোঁটা ফোঁটা জল পড়ে তা পাথরের মতো শক্ত হয়ে গেছে। এমনকী যা দিয়ে কবর খোঁড়ার চেষ্টা হয়েছিল তাও সেখানে পড়ে ছিল।

    কিন্তু সব ছাপিয়ে গেছে ভয়াবহ এক দৃশ্য। কবরের একপাশে আধবসা অবস্থায় রয়েছে এক নরকঙ্কাল, গায়ের জামা আর প্যান্ট ছেঁড়া ন্যাকড়া হয়ে গেছে, কবরে উঁকি মেরে যেন কিছু দেখছে কঙ্কালটা আর দাঁত বের করে হাসছে, একটা মড়ার খুলির দন্ত বিকশিত বীভৎস হাসি, যা দেখে অতি বড়ো সাহসীরও বুক কেঁপে ওঠে।

    কবরের মধ্যে আরও দুটো শব, একটার ওপর আরেকটা, কবরের পাশে যেটা আধবসা অবস্থায় রয়েছে, ওপরেরটা সেটার মতোই কঙ্কালে পরিণত হয়েছে। তলাকার মৃতদেহটার কিন্তু পচনের শেষ অবস্থা, তবে অন্য দুটোর মতো অত দীর্ঘকালের শব নয়।

    ওই মৃতদেহটা কেমন যেন চেনা চেনা মনে হল আতঙ্কিত রোলি আর পাওয়ারের। তবু সাহসে ভর করে রোলি হাতের চারাগাছটা দিয়ে ওপরের কঙ্কালটা একপাশে সরাতেই দু-জনে চমকে উঠলেন। ঝড়বৃষ্টি থেমে যাবার পর জলপ্রপাতের মাঝখানে যার মূর্তি দেখা গিয়েছিল, নীচের মৃতদেহ তার।

    এই আবিষ্কারে দু-জনেই হতবুদ্ধি হয়ে গেলেন। সমস্ত ব্যাপারটাই ভূতুড়ে এ বিষয়ে তাঁদের মনে সন্দেহ ছিল না। একটা ঘটনা তাঁদের কাছে খুব রহস্যজনক মনে হচ্ছিল। দুটো মৃতদেহ অনেক বছরের পুরোনো, তৃতীয়টা সেই তুলনায় অত পুরোনো নয়। তা যদি হয় তবে যার মৃত্যু পরে হয়েছে তার ওপর অন্য মৃতদেহ কী করে এল, যার মৃত্যু হয়েছে অনেক আগে? যুক্তিতে বলে আগে যার মৃত্যু হয়েছে তার দেহটাই থাকবে তলায় আর পরেরটা ওপরে।

    রোলি এবং তাঁর বন্ধু যদি কোনো সূত্র পাওয়া যায় এই আশায় গুহার চারদিকে তাকালেন। একটা পুরোনো কোট তাঁদের চোখে পড়ল। ওটাও ন্যাকড়ার মতো হয়ে এসেছে, তবে নামকরা দর্জির ঘরে উৎকৃষ্ট কাপড়ের তৈরি। সিডনির অন্যতম শ্রেষ্ঠ এক দর্জির দোকানের লেবেল লাগানো ছিল ওই কোটে। কোটের পকেটে একটা চৌকো ধাতব বাক্স পাওয়া গেল, ওপরে খোদাই করা ছিল ‘জর্জ উডফল, পটস পয়েন্ট, সিডনি।’ সেই বাক্সর ভেতর ছিল উডফলের স্বীকারোক্তি, কেমন করে সব সোনা আত্মসাৎ করার জন্য সে তার সঙ্গী দু-জনকে খুন করেছিল, কীভাবে এক অপ্রতিরোধ্য আর ভয়ংকর অপশক্তির তাড়নায় বছরের পর বছর সে এই গুহায় আসতে বাধ্য হয়েছিল।

    উডফলের অন্তর্ধান রহস্যের কিনারা হল, কিন্তু পুরোটা নয়। স্বীকারোক্তিতে উডফল লিখেছিল শেষবারের মতো সে গুহায় যাবে, ফিরে এসে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করবে। কিন্তু সে আর ফেরেনি। তবে কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছিল?

    ওই অগভীর কবরের মধ্যে হার্পার আর ফ্রিথের মৃতদেহ সে শুইয়ে রেখেছিল। উনিশ বছর ওই গুহায় গিয়ে তাদের সেই অবস্থায় শায়িত দেখেছিল উডফল। স্বীকারোক্তি লেখার পর বিংশতি তীর্থযাত্রায় ওই গুহায় গিয়ে সে কী দেখেছিল? তার মৃত সঙ্গীরা কবরের ধারে তারই জন্য অপেক্ষা করছে? স্বীকারোক্তি করার পরেই কি সে অশুভ আত্মার ক্ষমতার শিকার হয়েছিল?

    রোলি আর পাওয়ার তিনটি দেহ বা কঙ্কালকে ওই গুহার মধ্যে সমাধিস্থ করেছিলেন। যাজক পাওয়ার তাদের আত্মার মুক্তির কামনায় উপাসনা করেছিলেন। তাঁর দৃঢ় বিশ্বাস হয়েছিল উডফলের স্বীকারোক্তি যাতে তাঁদের হাতে পড়ে এবং সেইসঙ্গে তিনটি মৃতদেহের ক্রিশ্চান ধর্মমতে সৎকার হয় তাই এক অদৃশ্য শক্তি ওই গুহায় নিয়ে গিয়েছিল তাঁদের। দীর্ঘকাল যন্ত্রণাপীড়িত তিনটি আত্মা হয়তো শান্তি পেয়েছিল শেষ পর্যন্ত।

    তাদের সমাধির ওপর তিনি আর রোলি স্বর্ণখচিত স্ফটিকের স্তূপ দিয়ে সমাধিস্তম্ভ বানিয়ে দিয়েছিলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউপন্যাস সমগ্র ১ – মঞ্জিল সেন
    Next Article অরিগামির গোলকধাঁধায় – মাহরীন ফেরদৌস

    Related Articles

    মঞ্জিল সেন

    উপন্যাস সমগ্র ১ – মঞ্জিল সেন

    November 10, 2025
    মঞ্জিল সেন

    ভয় সমগ্র ২ – মঞ্জিল সেন

    November 8, 2025
    মঞ্জিল সেন

    অদ্বিতীয় সত্যজিৎ : সত্যজিতের প্রথম পূর্ণাঙ্গ জীবনী – মঞ্জিল সেন

    November 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }