Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভয় সমগ্র ১ – মঞ্জিল সেন

    মঞ্জিল সেন এক পাতা গল্প457 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চীনা পুতুল

    ক্লাবঘরে বৃদ্ধ ভদ্রলোকটির মুখোমুখি আমরা বসে ছিলাম। ভদ্রলোকের চুলগুলি তুষারের মতো সাদা, গালের চামড়া কুঁচকে গেছে, দু-হাত দস্তানায় ঢাকা। মৃদুকণ্ঠে তিনি তাঁর কাহিনি বলছিলেন

    আমার তখন যুবা বয়স বাবা মা দু-জনেই মারা গেছেন। তখন এত ঘিঞ্জি বসতি ছিল না, লোকজনের এত ভিড়ও ছিল না। বাবা যে ছোটো দোতলা বাড়ি করেছিলেন আমিই তার মালিক এবং একমাত্র বাসিন্দা। একমাত্র বললে হয়তো ভুল হবে কারণ নবীনও অনেকদিন ধরে ছিল। নবীন আমাদের পুরোনো চাকর, ঘরের কাজকর্ম, রান্নাবান্না সবই সে করে। আমার একটা শখ ছিল প্রাচীন দুষ্প্রাপ্য জিনিসপত্র সংগ্রহ করা, এর জন্য কম টাকা আমি খরচ করিনি। এই সময় হঠাৎ একটা লাক্ষার বাক্স আমার হাতে এল। চমৎকার বাক্সটি! সোনালি বার্নিশ, মসৃণ আর যেন ঝকঝক করছে। আট ইঞ্চি লম্বা, চার ইঞ্চি চওড়া আর ভেতরের গভীরতা প্রায় পাঁচ ইঞ্চি।

    বাক্সর ঢাকনার ওপর কালো আলখাল্লা পরা এক চীনার ছবি। তার ডান হাতে উদ্যত তরোয়াল। ছবিটা এত জীবন্ত যে চমকে যেতে হয়। ছবির মুখটা অত্যন্ত ভয়াবহ হলেও শিল্পীর শিল্পনৈপুণ্যের তারিফ করতে হয়। নিপুণ হাতে ছোট্ট একটা মুখের মধ্যে তিনি হিংসা ও ঘৃণার অভিব্যক্তি এমন নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন যে হঠাৎ দেখলে মনে হয় জীবন্ত মুখ। সময় ও কালের ঝড়ঝাপটা উপেক্ষা করে ছবিটা অম্লান রয়েছে।

    বাক্সটা বাড়িতে এনে আমি দেখলাম, ওটা তালা বন্ধ। দোকানে আমাকে কোনো চাবি দেয়নি, আমিও তখন অত খেয়াল করিনি। আমি ওটা তুলে চাবির ছোট্ট ফুটোটা পরীক্ষা করছি এমন সময় আমার মনে হল, বাক্সর মধ্যে যেন কিছু একটা নড়েচড়ে বেড়াচ্ছে! আমি একটু অবাকই হলাম কারণ ওই বন্ধ বাক্সর মধ্যে কোনো জীবন্ত প্রাণী থাকতে পারে তা আমি ঠিক বিশ্বাস করতে পারছিলাম না।

    একটা ছোটো স্ক্রু-ড্রাইভার দিয়ে আমি বাক্সর তলাটা খুলে ফেললাম। ঢাকনা খুলেই আমি চমকে উঠলাম। একজোড়া খুদে কালো চোখ আমার দিকে তাকিয়ে আছে। কুচকুচে কালো চোখে খুদে শানিত দৃষ্টি। চোখ দুটো একটা হলদে পুতুলের মতো মুখের ওপর বসানো। পুতুলের মুখটা মনে হয় সূক্ষ্ম, নরম চামড়া দিয়ে তৈরি কারণ মানুষের মুখের চামড়ার সঙ্গে তার এতটুকু প্রভেদ আমার চোখে পড়ল না। আমি বাক্সর মধ্যে হাত ঢুকিয়ে একটা আঙুল দিয়ে ওটার গাল স্পর্শ করলাম আর সঙ্গেসঙ্গে আঙুলটা সরিয়ে আনলাম। আমি হলপ করে বলতে পারি, কোনো জীবিত মানুষের গালে আঙুল ছোঁয়ালে যেরকম অনুভূতি হয় আমারও ঠিক সেইরকম অনুভূতি হয়েছিল। এই খুদে মূর্তিটার শরীর সাড়ে তিন ইঞ্চির বেশি হবে না, কিন্তু হলদে মুখের সঙ্গে শরীরের আকৃতিগত সামঞ্জস্য এত নিখুঁত যে, মনে হয় যেন শিল্পী সব কিছু মেপে মূর্তিটাকে বানিয়েছেন। মূর্তিটার গায়ে কালো সিল্কের আলখাল্লার মতো একটা পোশাক, পায়ে জুতো। কোমরে একটা কারুকার্য করা তরোয়ালের খাপ, খাপের ওপরদিকে তরোয়ালের হাতলটা দেখা যাচ্ছে। আমি দু-আঙুল দিয়ে সন্তর্পণে হাতলটা চেপে ধরে তরোয়ালটা বের করে আনলাম। ওটা আকারে একটা দেশলাইয়ের কাঠির মতো কিন্তু ক্ষুরধার। আমি ওটাকে আবার খাপে ঢুকিয়ে বাক্সর ঢাকনার ওপর যে ছবিটা ছিল সেটার দিকে তাকালাম। আমার মনে কোনো সন্দেহ রইল না যে ওই ছবিটারই অবিকল নকল হল মূর্তিটা।

    আরও দেখুন
    পুতুল
    পুতুলটাকে
    পুতুলের
    পুতুলটা
    পুতুলটার
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা ভাষা
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা গল্প
    বাংলা কবিতা

    আমি কৌতূহলী হয়ে মূর্তির একটা হাত আঙুল দিয়ে নাড়াচাড়া করতে লাগলাম। আশ্চর্য! চামড়ার তলায় হাড়, শিরা-উপশিরা সবই যেন আমি অনুভব করতে পারছি। আঙুলগুলিও আলাদাভাবে নাড়ানো যাচ্ছে, প্রত্যেকটি আঙুলের ডগায় ছুঁচোলো নখ। বাক্সর ঢাকনার তলার দিকে চীনা ভাষায় কী যেন লেখা ছিল। আমি ঢাকনা বন্ধ করে বাক্সটাকে একটা টেবিলের ওপর রেখে দিলাম।

    সেদিন রাত্রে আমার ফিরতে অনেক দেরি হল, প্রায় একটা। সিঁড়ি দিয়ে দোতলায় আমার শোবার ঘরে যাব এমন সময় মনে হল একতলায় যে ঘরে বাক্সটা রেখেছিলাম, সে-ঘর থেকে কেমন একটা শব্দ আসছে।

    আমার বাবা ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার। বাড়িটাও তৈরি করিয়েছিলেন নিজের তত্ত্বাবধানে, অনেকটা বিলিতি কায়দায়। সদর দরজায় ইয়েল-লকের ব্যবস্থা, ঘরের জানলাগুলি গরাদহীন হলেও দামি কাচের শার্সি লাগানো আর বসবার ঘরে শীতকালের জন্য একটা চুল্লির ব্যবস্থাও ছিল।

    আমি শব্দটা শুনে ঘরের দরজা খুলে আলো জ্বাললাম। টেবিলের ওপর রাখা বাক্সটার ওপর আমার চোখ পড়তেই দেখলাম, বাক্সর ঢাকনাটা খোলা। আমি একটু অবাক হয়েই বাক্সর ভেতরে উঁকি মারলাম। কী আশ্চর্য! পুতুলটা তো নেই!

    আরও দেখুন
    পুতুলের
    পুতুল
    পুতুলটা
    পুতুলটার
    পুতুলটাকে
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা কমিকস
    বুক শেল্ফ
    বইয়ের
    অনলাইন বুক

    পরদিন সকালে ঘুম ভাঙতেই আমি নীচে নেমে এলাম। টেবিলের ওপর বাক্সটা আছে ঠিকই কিন্তু রাত্রে আমি ওটার ঢাকনা খোলা দেখেছিলাম, এখন সেটা বন্ধ। আমি ঢাকনা খুলতেই পুতুলটা আমার চোখে পড়ল। খুদে চোখ দুটো অমঙ্গলভরা দৃষ্টি নিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমি তাড়াতাড়ি ঢাকনাটা বন্ধ করে দিলাম। একটা অদ্ভুত জিনিস আমার নজরে পড়ল। ঢাকনার ওপর যে চীনে লোকটার ছবি ছিল, তার তরোয়ালের ডগায় ক্ষীণ লাল রঙের ছোপ। আমার স্পষ্ট মনে আছে গতকাল ওই ছোপটা আমি কিন্তু দেখিনি।

    চা খেতে খেতে আমি খবরের কাগজটা খুলে বসলাম। বড়ো বড়ো হরফে শিরোনামা একটা সংবাদ সহজেই দৃষ্টি আকর্ষণ করে

    ‘নৃশংস হত্যাকাণ্ড! গতকাল রাত্রে জেমস অ্যান্ড কোম্পানির ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মি প্যাটারসনকে কেউ নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। তীক্ষ্ন অস্ত্রের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত তাঁর দেহ পথের ওপর পড়ে থাকতে দেখা যায়।’

    কেন জানি না আমার মনটা একটা অস্বস্তিতে ভরে গেল।

    আরও দেখুন
    পুতুলটার
    পুতুল
    পুতুলটা
    পুতুলের
    পুতুলটাকে
    বাংলা কবিতা
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    সেবা প্রকাশনীর বই
    নতুন উপন্যাস

    পরদিন সকালে কী মনে করে আমি ওই বাক্সর ঢাকনার ওপর আঁকা ছবিটা ভালো করে লক্ষ করলাম। স্বীকার করতে লজ্জা নেই, আমার বুক যেন হিম হয়ে গেল। উদ্যত সেই তরোয়ালের ওপর লাল ছোপটা প্রসারিত হয়ে আরও একটু নীচে নেমেছে। আমি আঙুল দিয়ে জোরে জোরে ঘষলাম কিন্তু লাল দাগটা উঠল না। আমি বাক্সটা খুলে পুতুলের কোমরের খাপ থেকে খুদে তরোয়ালটা তুলে ধরলাম। আমার সর্বাঙ্গ যেন অবশ হয়ে গেল। সেটারও ডগায় রক্তের মতো লাল ছোপ। ঢাকনার ওপর ছবিতে যতটুকু নেমেছে, তরোয়ালেরও ঠিক ততটুকু লালচে হয়ে আছে। আমি মন্ত্রমুগ্ধের মতো তরোয়ালটা আবার খাপে পুরে বাক্সটা বন্ধ করে দিলাম।

    সেদিনও খবরের কাগজে এক নৃশংস হত্যার ঘটনা চোখে পড়ল। দুটো হত্যাই যে একই ধরনের এবং একই লোক বা দলের কাজ সে-বিষয়ে পুলিশের সন্দেহ নেই। আমার মনে একটা ক্ষীণ সন্দেহ উঁকি দিতে লাগল। লাক্ষার বাক্সে খুদে পুতুলটার সঙ্গে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের কি কোনো সম্পর্ক আছে? কিন্তু তাও কি সম্ভব! সমস্ত ব্যাপারটাই অবিশ্বাস্য।

    বাক্সর ঢাকনার তলার দিকে চীনা ভাষায় যা লেখা ছিল তার ঠিক অনুলিপি করে চীনা ভাষায় দক্ষ আমার এক বন্ধুর কাছে সেটা ডাকে পাঠিয়ে দিলাম। তাকে অনুরোধ করলাম যেন লেখাটার পাঠোদ্ধার করে আমাকে ফিরতি ডাকে পাঠিয়ে দেয়। তারপর যে দোকান থেকে বাক্সটা কিনেছিলাম সেই দোকানের মালিকের সঙ্গে দেখা করে বাক্সটার ইতিহাস জানতে চাইলাম।

    আরও দেখুন
    পুতুলটাকে
    পুতুলের
    পুতুলটার
    পুতুলটা
    পুতুল
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বই পড়ুন
    বাংলা গল্প

    দোকানদার তার খাতাপত্র দেখে বলল, ‘চীনদেশে তৈরি সেই লাক্ষার বাক্সটার কথা জানতে চাইছেন তো? এই যে পেয়েছি। ওটার নম্বর ছিল ছিয়াত্তর, ত্রিশ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আপনি ওটা জলের দামে পেয়েছেন, চাবিটি ছিল না তাই অত কম দামে ছেড়ে দিতে হয়েছে। ওটার মালিক ছিলেন মি জোনস। ভদ্রলোক একটা বিলিতি কোম্পানিতে বড়োসাহেব ছিলেন, বিয়ে-থা করেননি, সংসারে কেউ ছিল না। সম্প্রতি চীনে বেড়াতে গিয়ে বাক্সটা তিনি সংগ্রহ করেছিলেন। হঠাৎ তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি উইল করে তাঁর সমস্ত সম্পত্তি এক খ্রিস্টান সোসাইটিকে দান করে যান, তারাই তাঁর মৃত্যুর পর কিছু জিনিসপত্র নিলামে বিক্রির ব্যবস্থা করেন। দোকানের মালিক বাক্সটা ওই নিলামেই কিনেছিলেন।

    আমি বাড়ি ফিরে এলাম। রাত্রে খাওয়া-দাওয়া সেরে শুয়ে পড়লাম। গভীর রাত্রে কেন জানি না হঠাৎ আমার ঘুমটা ভেঙে গেল, টেবিলের ওপর রাখা টাইমপিসের রেডিয়াম ডায়ালে দেখলাম ঠিক বারোটা বেজেছে। চারদিক নিস্তব্ধ। একটা অজানা ভয় আমার বুকে যেন পাথরের মতো চেপে বসেছে। তারপরই আমি বাইরে রাস্তায় জুতোর শব্দ শুনতে পেলাম, শব্দটা যেন আমার মাথার সামনের জানলার ঠিক তলা থেকে শুরু হয়ে আস্তে আস্তে মিলিয়ে গেল। আমি বিছানা ছেড়ে উঠে পড়লাম। মনের মধ্যে কী যেন একটা খচ খচ করছে। দোতলায় আমার শোবার ঘরের ঠিক নীচের ঘরেই লাক্ষার বাক্সটা ছিল। আমি একতলায় নেমে ওই ঘরে ঢুকে আলো জ্বাললাম। দেখি জানালাটা খোলা, কেউ ছিটকিনি খুলে রেখেছে। আমি ঘুরে বাক্সটার দিকে তাকালাম, ওটার ঢাকনা খোলা। আমি পা টিপে টিপে এগিয়ে গেলাম, যা সন্দেহ করেছিলাম ঠিক তাই! বাক্সর ভেতরটা খালি, পুতুলটা নেই।

    আরও দেখুন
    পুতুলটা
    পুতুল
    পুতুলের
    পুতুলটার
    পুতুলটাকে
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা উপন্যাস
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    সেবা প্রকাশনীর বই

    ঘরের জানালাটা খোলাই ছিল। বিছানায় শুয়ে এই অবিশ্বাস্য ঘটনার কথা ভাবতে ভাবতে একসময় আমি ঘুমিয়ে পড়লাম। পাতলা ঘুমের মধ্যে একবার যেন মনে হল নীচের ঘরের জানলাটা বন্ধ করার শব্দ হল। পরদিন সকালে বাক্সর মধ্যে যথারীতি পুতুলটাকে দেখতে পেলাম, আরও দেখলাম যে বাক্সর ঢাকনায় এবং পুতুলের কোমরবন্ধ তরোয়ালে লাল দাগটা বেড়ে প্রায় হাতলের কাছে পৌঁছেছে।

    পরদিন সকালে কাগজে আরও একটা নৃশংস হত্যার কাহিনি পড়লাম। ধারালো অস্ত্র দিয়ে আততায়ী হত ব্যক্তিকে যেন ফালা ফালা করে ফেলেছে। পুলিশ দিশেহারা হয়ে পড়েছে, সন্দেহবশে কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। পুলিশের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনায় সমস্ত কাগজগুলিই মুখর হয়ে উঠেছে। শুধু একটা ব্যাপার পুলিশ জানতে পেরেছে তা হল নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিল। সুতরাং আন্দাজ করা কঠিন নয় যে, একটা আক্রোশই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডগুলির মূল কারণ।

    এদিকে আমিও নানা সূত্রে অনুসন্ধান করতে শুরু করলাম। অনেক ছোটাছুটির পর একটা সূত্র আবিষ্কার করলাম, হত ব্যক্তিদের এক পূর্বপুরুষ ছিলেন কর্নেল বার্টন। তাঁর সম্বন্ধে খোঁজখবর করে জানতে পারলাম ইংরেজ আমলে তিনি ভারতের সামরিক বাহিনীতে ছিলেন এবং পরে চীনে মোতায়েন ব্রিটিশ সৈন্যবাহিনীতে তাঁকে বদলি করা হয়। ১৯০০ খ্রিস্টাব্দে চীনে এক গোঁড়া ধর্মীয় সম্প্রদায়ের সশস্ত্র অভ্যুত্থান কঠোর হস্তে দমন করার পুরস্কারস্বরূপ তাঁকে সম্মানিত করা হয়। ১৯০৪ খ্রিস্টাব্দে হংকং-এ এক অজ্ঞাত আততায়ীর হাতে তিনি নিহত হন।

    আরও দেখুন
    পুতুলটাকে
    পুতুলটা
    পুতুলটার
    পুতুল
    পুতুলের
    সেবা প্রকাশনীর বই
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    সাহিত্য পর্যালোচনা

    যেদিন এই ঘটনার কথা জানতে পারলাম, সেদিনই আমার বন্ধুর কাছ থেকে চিঠি পেলাম, তিনি চীনা ভাষার লেখা লিপিটার পাঠোদ্ধার করে পাঠিয়েছেন। আমি সেটা পড়লাম, ‘আমি প্রতিশোধ নেব।’ আমার মনে আর কোনো সন্দেহ রইল না যে পুতুলটা মন্ত্রপূত এবং কর্নেল বার্টনের ওপর বিজাতীয় আক্রোশবশে ওই গুপ্ত ধর্মীয় সম্প্রদায় ওটাকে বার্টনের আত্মীয়স্বজন নিধন-যজ্ঞে নিযুক্ত করেছে। আমি বাক্সর ডালাটা খুললাম, পুতুলটা যেন ব্যঙ্গভরা দৃষ্টি নিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছে।

    সেদিনই আমি মনস্থির করে ফেললাম বাক্সটাকে বিদায় করতেই হবে, ওটা যেন আমার জীবনে অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বেশ অনেক রাত্রে বাক্সটাকে হাতে নিয়ে আমি বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়লাম। আমার বাড়ি থেকে চেতলা ব্রিজটা বেশি দূরে নয়। বর্ষাকাল, গঙ্গার জল দু-কূল ছাপিয়ে গেছে। ঝিরঝির করে বৃষ্টি পড়ছিল, ব্রিজের ওপরটা একেবারে ফাঁকা। সুযোগ বুঝে আমি বাক্সটাকে সজোরে গঙ্গাবক্ষে বিসর্জন দিলাম। ঝপ করে একটা শব্দ হল আর ঠিক সেইসময় টালিগঞ্জ থানা থেকে ঢং ঢং করে মধ্যরাত্রি ঘোষণা করল। ঘণ্টাধ্বনি মিলিয়ে যাবার সঙ্গেসঙ্গে নদী থেকে একটা চিৎকার আমার কানে ভেসে এল। মানুষের চিৎকার।

    আরও দেখুন
    পুতুলটাকে
    পুতুলের
    পুতুলটা
    পুতুলটার
    পুতুল
    গ্রন্থাগার সেবা
    বইয়ের
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বুক শেল্ফ

    এমন সময় ঝম ঝম করে বৃষ্টি নামল আর বৃষ্টির শব্দ ভেদ করে আরও একটা শব্দ আমার কানে ভেসে এল। কেউ যেন গঙ্গায় প্রবল স্রোতের বিরুদ্ধে হাত-পা ছুড়ে জীবনমরণ সংগ্রাম করছে। কয়েক মিনিট মাত্র, তারপরই আমি পায়ের শব্দ শুনতে পেলাম, কেউ যেন আমার দিকে এগিয়ে আসছে। একটা ভয়ানক আতঙ্কে আমার শরীর যেন অবশ হয়ে গেল! আমি দৌড়ে পালাবার চেষ্টা করলাম, কিন্তু পা ওঠাতে পারলাম না। যেন নড়বার ক্ষমতাটুকু পর্যন্ত হারিয়ে ফেলেছি। বৃষ্টি জোরে পড়ছিল, সব কিছু ঝাপসা, আর সেই পায়ের শব্দটা ক্রমেই আমার দিকে এগিয়ে আসছে। ক্রমে বৃষ্টির মধ্যে দিয়ে একটা মূর্তি অস্পষ্ট আকার নিতে লাগল, তারপর একসময় দৈত্যের মতো চেহারার একটি লোক আমার কাছে এসে দাঁড়াল, তার বাঁ-হাতে সেই গালার বাক্সটা। আমি বোবার মতো তার মুখের দিকে তাকিয়ে রইলাম। একজন চীনা, সাধারণ চীনাদের চাইতে অনেক লম্বা, চওড়া বুক-কাঁধ। হলদে মুখে নিষ্ঠুরতার ছাপ ভয়ংকরভাবে ফুটে উঠেছে। আমার ঘরে সেই পুতুলটার মুখই যেন আমি দেখছি, শুধু পুতুলটা অনেকগুণ বড়ো হলে যে মানুষের আকার নেবে, আমার সামনে দাঁড়ানো চীনেটা তাই। তার সর্বাঙ্গ সিক্ত, পোশাক থেকে জল ঝরছে। আমার দিকে তীব্র দৃষ্টিতে ও তাকাল, রাগে ফেটে পড়তে চাইছে। আমি মনে মনে ঈশ্বরের নাম জপতে লাগলাম, এই বুঝি ও খাপ থেকে তরোয়াল বের করে আমাকে কোপ মারে! ওর হাতটাও তরোয়ালের হাতলের ওপর নড়াচড়া করছে, একটু যেন ওর দোনামনা ভাব। কিন্তু আমাকে বোধ হয় ও নগণ্য ভেবে মুখে একটা তাচ্ছিলের ভঙ্গি করে হঠাৎ বড়ো বড়ো পা ফেলে অদৃশ্য হয়ে গেল।

    আরও দেখুন
    পুতুল
    পুতুলটার
    পুতুলটাকে
    পুতুলটা
    পুতুলের
    বাংলা কবিতা
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা ভাষা
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা কমিকস

    পরদিন সকালে বাক্সটাকে যথারীতি আবার আমার টেবিলের ওপর দেখতে পেলাম। তরোয়ালটা লাল হয়ে গিয়েছিল। পরের দিন সংবাদপত্রে আর একটি মর্মান্তিক হত্যার খবর চোখে পড়ল। বলা বাহুল্য, হতভাগ্য ব্যক্তিও একজন ইংরেজ। বোধ হয় যে রাত্রে আমি ওকে ধ্বংস করতে চেয়েছিলাম সে-রাত্রের হত্যাটাই ওর জিঘাংসার শেষ বলি।

    কিন্তু কর্নেল বার্টনের ওপর বিজাতীয় বিদ্বেষবশত তাঁর বংশধরদের নিশ্চিহ্ন করার জন্য যে হত্যালীলা শুরু হয়েছিল, সেই জিঘাংসা চরিতার্থ হলেও নৃশংস হত্যাকাণ্ড কিন্তু ওখানেই থামেনি। খুনের নেশায় বোধ হয় ওই চীনে জল্লাদটা উন্মাদ হয়ে উঠেছিল। নিরীহ লোকও তার তরোয়ালের আঘাতে প্রাণ হারাতে লাগল। নবীন একদিন আতঙ্কগ্রস্তের মতো এসে বলল, ‘আমাদের পাড়াতেই এক ভদ্রমহিলা তাঁর শোবার ঘরে গভীর রাতে নৃশংসভাবে খুন হয়েছেন। ভদ্রমহিলা একা ফ্ল্যাটে ছিলেন, তাঁর স্বামী অফিসের কাজে বাইরে গিয়েছিলেন, আর সেই সুযোগে খুনি তার কাজ হাসিল করেছে।

    ইতিমধ্যে আমার মধ্যে একটা অদ্ভুত পরিবর্তন এসেছে। ওই জল্লাদটা আমাকে যেন জাদুমন্ত্র-বলে বশ করে ফেলেছে। ওর প্রভাব আমি মর্মে মর্মে অনুভব করি। সত্যি কথা বলতে কী, আমাদের দু-জনের মধ্যে যেন একটা যোগসূত্র গড়ে উঠেছে। প্রতিটি হত্যার পর ও যেন আমার সঙ্গে উল্লাস করতে চায় আর আমিও ওর গোপনীয়তা রক্ষা করার প্রয়াস পাই। কখন মাঝরাত হবে আর জল্লাদটা জেগে উঠবে, এই প্রত্যাশায় সন্ধের পর থেকেই আমার মধ্যে একটা উন্মাদনা দেখা দেয়।

    আরও দেখুন
    পুতুলটার
    পুতুল
    পুতুলটা
    পুতুলের
    পুতুলটাকে
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    পিডিএফ
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    বই
    অনলাইন বই

    কিন্তু এরপর থেকে ক্রমশ আমি ওর মধ্যে একটা পরিবর্তন লক্ষ করতে লাগলাম। আমার বাড়িতে আশ্রয় নেবার জন্যই আমাকে ওর প্রয়োজন হয়েছিল, কিন্তু এখন ওর মুখের ভাবে ও পরিবর্তনে আমার মনে হতে লাগল আমিও হয়তো আর নিরাপদ নই।

    ‘আমি পুতুলটার মধ্যে যেন একটা বিদ্রূপের আভাস লক্ষ করলাম। গভীর রাত্রে রক্তের নেশায় ও বেরিয়ে পড়ত, ফিরে আসার পর সাফল্যের আনন্দে ওর মুখ আনন্দে উদ্ভাসিত হয়ে উঠত, আমরা দু-জনে হাসাহাসি করতাম। এখন কিন্তু আর ও আমার সঙ্গে হাসাহাসি করে না, আমাকে লক্ষ করেই হাসে বটে, কিন্তু সেটা উপহাসের হাসি। সেই হাসির মর্ম বুঝতে আমার দেরি হয় না, বুঝতে পারি আমারও দিন ঘনিয়ে এসেছে।

    কিন্তু জল্লাদটা আমার বিচারবুদ্ধিকে আমল না দিয়ে ভুল করেছিল। রাত বারোটার পর ও অজেয় হয়ে ওঠে, কিন্তু ভোর থেকে রাত বারোটা পর্যন্ত ও যে অসহায় পুতুল ছাড়া আর কিছু নয় এ সত্যটা আমার কাছে আর গোপন ছিল না। আমি স্থির করলাম ও আঘাত হানবার আগেই ওকে ধ্বংস করতে হবে।

    আরও দেখুন
    পুতুল
    পুতুলটা
    পুতুলটার
    পুতুলটাকে
    পুতুলের
    গ্রন্থাগার
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা ই-বই
    Books
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার

    নবীনকে আমি ক-দিনের ছুটি দিলাম। এক সন্ধ্যায় বেশ কিছু শুকনো কাঠ দিয়ে আমি আমার চুল্লিটায় আগুন জ্বালালাম। আগুন বেশ ভালোরকম জ্বলে ওঠার পর আমি লাক্ষার বাক্সটা সেই ঘরে নিয়ে এলাম। শয়তানটাকে একবার শেষ দেখার প্রলোভন আমি সংবরণ করতে পারলাম না। ডালাটা খুলে আমি ওর মুখের দিকে তাকালাম। ওর মুখে সেই এক অশুভ অভিব্যক্তি, এতটুকুও বদলায়নি। বাক্সর ডালাটা বন্ধ করে আমি ওটাকে প্রজ্বলিত অগ্নিকুণ্ডের মধ্যে নিক্ষেপ করলাম। লাক্ষার বাক্স মুহূর্তের মধ্যে জ্বলে উঠল।

    লেলিহান আগুনের শিখায় জীবন্ত দগ্ধ প্রাণীর মতোই যেন ও ছটফট করছে। ও চিৎকার করে উঠল, এক ক্ষীণ শব্দ আমার কানে ভেসে এল, তারপর পুতুলটা ভস্মে পরিণত হল। চামড়া পোড়ার একটা কটু গন্ধ আমার নাকে এসে লাগল। আমি ঘরের সব জানলাগুলি খুলে দিলাম, মুক্ত বাতাস ঘরে ঢুকতেই অনেকদিন পরে আমি নিজেকে মুক্ত, স্বাধীন অনুভব করলাম।

    হঠাৎ একটা সত্য আমার কাছে স্পষ্ট হয়ে উঠল। এতদিন প্রত্যক্ষভাবে না হলেও পরোক্ষভাবে আমি যেন নিজেকে ওর জঘন্যতম অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে ফেলেছি, একথা আমি কোনো মতেই অস্বীকার করতে পারি না।

    আরও দেখুন
    পুতুলের
    পুতুলটা
    পুতুলটার
    পুতুল
    পুতুলটাকে
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বইয়ের
    বাংলা অডিওবুক

    সেরাত্রে আমি এক ভয়ংকর স্বপ্ন দেখলাম। দেখলাম, ওই শয়তানটা যত লোককে হত্যা করেছে তাদের সকলের হৃৎপিণ্ডের রক্ত একটা গামলায় ভরা হয়েছে, তারপর কেউ যেন সেই রক্তে বার বার আমাকে হাত ধুতে বাধ্য করছে, আমার দু-হাত রক্তে রাঙা হয়ে উঠেছে। সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে সেই দুঃস্বপ্নের হাত থেকে মুক্তি পেয়ে আমি যেন হাঁপ ছেড়ে বাঁচলাম। হঠাৎ নিজের হাতের দিকে আমার দৃষ্টি পড়ল আর একটা হতাশা ও আতঙ্কে আমার গলা দিয়ে একটা আর্তস্বর বেরিয়ে এল। দিনের পরিষ্কার আলোয় আমি সভয়ে দেখলাম আমার হাত দুটো সত্যিই রক্তাক্ত মনে হচ্ছে, যেন সদ্য রক্তের মধ্যে হাত ডুবিয়েছি। আমি বাথরুমে ছুটে গেলাম, সাবাদন দিয়ে খুব ভালো করে দু-হাত ধুয়ে ফেললাম, কিন্তু লালচে ভাবটা আর কিছুতেই গেল না। আমার অপরাধের জ্বলন্ত সাক্ষী সেই গাঢ় লালিমা আজও আমি দু-হাতে বয়ে বেড়াচ্ছি।

    বৃদ্ধ ভদ্রলোক থামলেন। কিছুক্ষণ পর আমাদের সকলের মুখের ওপর দৃষ্টি বুলিয়ে বললেন, ‘আপনারা আমার কথা হয়তো বিশ্বাস করছেন না, ভাবছেন আমি এক গাঁজাখুরি গল্প ফেঁদেছি! হায় রে, তা যদি সত্যি হত! কিন্তু আমার কাহিনির এক বর্ণও মিথ্যে নয়, এই দেখুন।’ ভদ্রলোক টান দিয়ে দু-হাতের দস্তানা খুলে ফেললেন আর আমরা সবাই সবিস্ময় লক্ষ করলাম, ভদ্রলোকের দু-হাতের আঙুলের ডগা থেকে কবজি পর্যন্ত লালচে, যেন এক গামলা রক্তের মধ্যে হাত দুটোকে ডোবানো হয়েছে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউপন্যাস সমগ্র ১ – মঞ্জিল সেন
    Next Article অরিগামির গোলকধাঁধায় – মাহরীন ফেরদৌস

    Related Articles

    মঞ্জিল সেন

    উপন্যাস সমগ্র ১ – মঞ্জিল সেন

    November 10, 2025
    মঞ্জিল সেন

    ভয় সমগ্র ২ – মঞ্জিল সেন

    November 8, 2025
    মঞ্জিল সেন

    অদ্বিতীয় সত্যজিৎ : সত্যজিতের প্রথম পূর্ণাঙ্গ জীবনী – মঞ্জিল সেন

    November 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }