Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভয় সমগ্র ১ – মঞ্জিল সেন

    মঞ্জিল সেন এক পাতা গল্প457 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হাতের পাঞ্জা

    উত্তরপ্রদেশের একটি বর্ধিষু গ্রাম। সবারই প্রায় সচ্ছল অবস্থা। গাঁয়ের লোকবসতি যেমন কম, অভাবও তেমনি নগণ্য। ওই সুখী গাঁয়ে একমাত্র অসুখী লোক ছিল রাজেশ। তার ঠাকুরদা একজন ভূস্বামী ছিলেন, কিন্তু রাজেশের বাবা ছিলেন বেহিসেবি এবং যাকে বলে উড়নচণ্ডী। ফলে বাবা মারা যাবার পর রাজেশের ভাগ্যে জমিজমা আর জুটল না, সব তার বাবা বেচে দিয়েছিলেন। রাজেশ ঠিক করল শহরে গিয়ে কাজকর্মের চেষ্টা করবে, কিন্তু বাড়িটার একটা ব্যবস্থা করা দরকার। ওটা পুরোনো হলেও সাবেকি আমলের, ঘরও অনেক।

    ঠিক এই সময় অশোক শর্মা ওই বাড়িটা দীর্ঘমেয়াদি লিজ নেবার জন্য এগিয়ে এলেন। মি শর্মা কেমন করে বাড়িটার কথা জানতে পারলেন সেটাই আশ্চর্য, কারণ তিনি ওই অঞ্চলের বাসিন্দা নন। কোথা থেকে তিনি এসেছেন, কী করেন, কিছুই জানা গেল না। ভদ্রলোক সত্যিকার সুপুরুষ, কিন্তু কেমন যেন নির্বিকার ভাব। চেহারা দেখে তাঁকে মধ্যবয়সি অনুমান করা যায়। তিনি যে বেশ অবস্থাপন্ন, সে-বিষয়ে গাঁয়ের কারো মনে সন্দেহ ছিল না। ভদ্রলোক একা একজন চাকর নিয়ে অত বড়ো বাড়িতে বাস করতে শুরু করলেন। গাঁয়ের লোকজনের সঙ্গে মেলামেশা দূরের কথা, সামনাসামনি পড়লেও তিনি অনেকটা উপেক্ষা ভরেই তাদের পাশ কাটিয়ে চলে যেতেন। এই কারণে গাঁয়ের মানুষরাও তাঁকে অনেকটা একঘরে করার মতো এড়িয়ে চলত।

    গাঁয়ের ডাক্তার প্রকাশ খান্নাই একমাত্র তাঁর বাড়ি গিয়েছিলেন। এক সন্ধ্যায় মি শর্মা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে, তাঁর চাকর ডা খান্নাকে ডেকে নিয়ে আসে। মি শর্মা বিছানায় চিত হয়ে শুয়েছিলেন, তাঁর সমস্ত শরীর ঠান্ডা ও শক্ত হয়ে গেছে, খোলা চোখ দুটি স্থির আছে, ঠিক যেন একটি মৃতদেহ।

    প্রায় ঘণ্টাখানেক পর তাঁর শরীরের কাঠিন্য দূর হল, চোখে স্বাভাবিক দৃষ্টি ফিরে এল। উঠে বসে তিনি ডা খান্নার দিকে ভুরু কুঁচকে তাকালেন, তারপর যেন রাগত কণ্ঠেই প্রশ্ন করলেন, ‘কে আপনি?’

    ‘আমি এ গাঁয়ের ডাক্তার। আপনার চাকরের মুখে আপনি অসুস্থ এই খবর পেয়ে এসেছি।’

    ডা খান্না মানুষটি ছিলেন হাসিখুশি, মিশুকে— যাকে বলে ভালোমানুষ। তিনি বুঝলেন তাঁকে জবাব দেওয়া হল একটু রূঢ়ভাবেই, তবু তিনি রাগ করলেন না।

    ‘আচ্ছা, নমস্কার।’ মৃদুকণ্ঠে কথাটা বলে তিনি দরজার দিকে পা বাড়ালেন।

    আরও দেখুন
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বইয়ের
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা বই
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা গল্প
    সেবা প্রকাশনীর বই

    ‘এক মিনিট ডাক্তার সাব।’ মি শর্মা বলে উঠলেন, ‘আমার ব্যবহারে আপনি হয়তো অসন্তুষ্ট হলেন। আপনাকে খুলেই বলি, এই ধরনের রোগের আক্রমণ আমার মাঝে মাঝেই হয়ে থাকে। ঠিক কখন যে আক্রান্ত হব, তা আগে আমি টের পাই না। আক্রান্ত হবার পর এক ঘণ্টা থেকে এক নাগাড়ে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত আমার শরীর অসাড় হয়ে যায়। সেসময় কোনো ডাক্তারের চিকিৎসাই আমার উপকারে আসে না। ওই ঘোরটা কেটে যাবার সঙ্গেসঙ্গেই আমার স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসে, তা আপনি নিজের চোখেই দেখলেন।’

    ‘আপনার মনও কি সেই সময় অচেতন থাকে?’ ডা খান্না প্রশ্ন করলেন।

    ‘বর্তমান সম্বন্ধে অচেতন, কিন্তু অতীত সম্বন্ধে সম্পূর্ণ চেতনা থাকে।’ একটা ক্লান্ত নিশ্বাস ফেলে মি শর্মা জবাব দিলেন।

    ‘আপনার কি সেসময় কোনো কষ্ট হয়?’

    ‘হ্যাঁ! আমার মনে হয়, যেন একটা বরফের মতো ঠান্ডা হাত হৃৎপিণ্ডের ওপর চেপে বসেছে; তারপর চাপটা বাড়তে থাকে, অসহ্য যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে আমি অজ্ঞান হয়ে যাই।’

    আরও দেখুন
    সেবা প্রকাশনীর বই
    Library
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    Books
    নতুন উপন্যাস
    পিডিএফ
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বইয়ের
    বাংলা গল্প
    বই

    ‘হুম!’ ডা খান্না মন্তব্য করলেন, ‘কেসটা একটু অদ্ভুত ধরনের, তবে চিকিৎসায় সারবে না এমন নয়। আমার কথামতো ওষুধ খেতে আপনার যদি আপত্তি না থাকে, তবে ওই যন্ত্রণার উপশম আমি করতে পারব বলে আশা রাখি।’

    ‘ভুল, মস্ত ভুল, ডাক্তার সাব। যতক্ষণ পর্যন্ত আপনারা ফল সম্বন্ধে আশাবদী, ততক্ষণ আপনারা শুধু ওষুধের ব্যবস্থাই করে যান।’

    ‘আমাদের পেশা সম্বন্ধে আপনার ভালো ধারণা নেই দেখছি।’

    ‘পেশা সম্বন্ধে যতটা নয়, যারা ওই বৃত্তি গ্রহণ করেছে, তাদের সম্বন্ধে বলতে পারেন। পৃথিবী শঠ আর মূর্খে ভরা; মূর্খরা ওষুধ গ্রহণ করে, আর যারা শঠ তারা ওষুধের ব্যবস্থা করে।’

    ডা খান্না এবার ঝাঁঝালো কণ্ঠে বললেন, ‘তবে কি আমি ধরে নেব, পৃথিবীতে আপনিই একমাত্র উঁচুদরের মানুষ, যেহেতু আপনি ওষুধের ব্যবস্থা করার মতো শঠও নন, কিংবা ওষুধ গ্রহণ করার মতো মূর্খও নন!’

    আরও দেখুন
    অনলাইন বুক
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা বই
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা সাহিত্য
    বুক শেল্ফ
    PDF

    ‘আপনাকে কিছুই ধরে নিতে হবে না। আমার মধ্যে আপনি এমন একজন মানুষের দেখা পাবেন, যে লোভে অন্ধ হয়ে একমাত্র বন্ধুর প্রতি শুধু অবিচারই করেনি, ঘোর অপরাধ করেছিল, আর যার ফলে আজ আমার এই পরিণতি। আপনি যদি আমার জীবনের ইতিহাস জানতেন তবে—’

    ‘তবে কী?’

    ‘এক হতভাগ্য মানুষের জন্য হয়তো আপনি অনুকম্পা বোধ করতেন। কৃতকর্মের জন্য প্রতিটি মুহূর্ত প্রায়শ্চিত্ত করতে হচ্ছে আমাকে। আচ্ছা, নমস্কার।’

    মি শর্মা এই প্রসঙ্গে আর কিছু আলোচনা করতে ইচ্ছুক নন, বুঝতে পেরে ডা খান্না বিদায় নিলেন। তাঁর মনে একটা ক্ষীণ সন্দেহ উঁকি মারছিল, ভদ্রলোকের মাথায় কি গোলমাল আছে? অথবা ভদ্রলোক এমন একজন রহস্যময় মানুষ যাদের কথা গল্প বলেই মনে হয়।

    বেশ কয়েক মাস কেটে গেল। মি শর্মা এখনও আগের মতোই রহস্যময় রয়ে গেছেন। ডা খান্নার সঙ্গে বার দুই তাঁর পথে দেখা হয়েছে, সামান্য ভদ্রতাসূচক কথাবার্তাও হয়েছে, কিন্তু ওই পর্যন্ত। গাঁয়ের আর কারো সঙ্গে তিনি নিজে থেকে আলাপ করার ইচ্ছে প্রকাশ করেননি, তাঁরাও নিজেদের সম্মান বাঁচিয়ে চলেছেন।

    আরও দেখুন
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বইয়ের
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    অনলাইন বই
    অনলাইন বুক
    বাংলা শিশু সাহিত্য

    ঠিক এই সময় একটা ঘটনা ঘটল, রেল দফতর থেকে জানানো হল, একটা ব্রাঞ্চ লাইনের জন্য ওই গাঁয়ের অনেকটা জমি দরকার, কারণ লাইনটা গ্রামের মাঝবরাবর গিয়ে আর একটা লাইনের সঙ্গে মিশবে। ওই বিজ্ঞপ্তির পর গাঁয়ে খুব উত্তেজনা দেখা দিল। অনেকের জমি তো যাবেই, তা ছাড়া লাইন বসানো হলে গাঁয়ের যে শান্তি ভঙ্গ হবে, সে-বিষয়ে ওখানকার লোকের মনে কোনো দ্বিমত ছিল না।

    গাঁয়ের মানুষরা সমস্বরে প্রতিবাদ করে উঠল। ঠিক হল, সরকারের কাছে গণস্বাক্ষর দিযে ওই প্রস্তাব কার্যকর না করার জন্য অনুরোধ জানানো হবে। ভূস্বামীদের মধ্যে ভার্মাজিই ছিলেন বয়সে ও সম্পদে সবার বড়ো। তাঁর বাড়িতে একটা মিটিং ডাকা হল, গাঁয়ের সম্মানিত সবাই সেখানে একটা নির্দিষ্ট দিনে হাজির হয়ে চিঠির খসড়া সম্বন্ধে আলোচনা করবেন। খাওয়া-দাওয়ারও ব্যবস্থা আছে।

    মি শর্মা এই প্রসঙ্গে একটা চিঠি পেলেন, কিন্তু জবাব দেওয়া প্রয়োজন মনে করলেন না। দ্বিতীয় চিঠিতে তাঁকে জানানো হল, তিনি যে বাড়ি লিজ নিয়েছেন, সেটাও রেললাইনের পরিকল্পনার মধ্যে পড়ছে। এর উত্তরে তিনি লিখলেন যে, খবরটা শুনে তিনি দুঃখিত, কারণ রেললাইন তাঁর জমির ওপর দিয়ে গেলে, তাঁকে অবশ্যই ও জায়গা ছেড়ে চলে যেতে হবে, কিন্তু প্রস্তাবিত অধিবেশনে যোগ দেবার কোনো ইচ্ছে তাঁর নেই।

    আরও দেখুন
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    বাংলা কমিকস
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বিনামূল্যে বই
    বুক শেল্ফ
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা লাইব্রেরী
    Library
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা ভাষা

    গাঁয়ের লোকেরা তখন ডা খান্নাকে দিয়ে তাঁর ওপর চাপ দিল। শেষ পর্যন্ত তিনি রাজি হলেন। কিন্তু বললেন, তাঁর উপস্থিতির ফলে যা-ই ঘটুক না কেন, তার জন্য তাঁকে যেন পরে দায়ী করা না হয়।

    মি শর্মাকে ওই সভায় আমন্ত্রণ জানাবার কারণ ছিল। কেমন করে জানি রটে গেছিল তিনি খুব বিদ্বান এবং নানা দেশ ঘোরার ফলে তাঁর অভিজ্ঞতাও প্রচুর, ইংরেজিতে যাকে বলে ম্যান অভ দ্য ওয়ার্ল্ড। তাই তাঁকে দিয়ে প্রস্তাবিত প্রতিবাদ লিপির খসড়া তৈরি করাবার বুদ্ধিটা কয়েকজনের মাথায় এসেছিল। গাঁয়ের ভূস্বামীরা ধনী হলেও ঠিক যাকে বলে বিদ্বান, তা কেউ ছিলেন না। তা ছাড়া মি শর্মার লিজ নেওয়া বাড়ি ও জমির পুরোটাই রেল কর্তৃপক্ষের নকশার মধ্যে পড়েছিল, তাই প্রতিবাদী হিসেবে তাঁকেও দলভুক্ত করাটা গাঁয়ের অধিবাসীদের নিজেদের স্বার্থেই প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল।

    নির্ধারিত দিনে মি শর্মা কাঁটায় কাঁটায় এগারোটায় (ওই সময়টাই চিঠিতে উল্লেখ ছিল) ভার্মাজির বাড়ি এলেন। ভার্মাজি এবং গাঁয়ের দু-চারজন মাতব্বর গোছের মানুষ এগিয়ে এসে তাঁকে অভ্যর্থনা জানালেন, তিনি আসাতে সবাই যে খুশি হয়েছেন, তা জানাতেও কার্পণ্য করলেন না। মি শর্মা গম্ভীর মুখে জবাব দিলেন, তিনি এসব সভায় আসা পছন্দ করেন না, কিন্তু ডা খান্না পীড়াপীড়ি করায় ভদ্রতার খাতিরেই এসেছেন।

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা কমিকস
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বই পড়ুন
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ভাষা
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ

    তারপর সকলে যাতে শুনতে পায়, এমনভাবে গলা তুলে বললেন, ‘ভালো কথা, আমার এক বন্ধুও আসবেন, আমার পাশের আসনটা তাঁর জন্য খালি রাখলে আমি বাধিত হব।’

    মি শর্মার কথা শুনে সবাই অবাক হল, কারণ তাঁর কেউ বন্ধু আছে বলে কারো জানা ছিল না। কাউকে তাঁর বাড়ি যেতেও কেউ কখনো দেখেনি।

    ‘আপনার বন্ধুও কি আমাদের এই ব্যাপারে আগ্রহী?’ ভার্মাজি জিজ্ঞেস করলেন।

    ‘একটুও না।’

    ‘তাঁর কি এখানে কোনো সম্পত্তি আছে?’

    ‘না।’

    ‘আমাদের এই সভায় শুধু তাঁদেরই আসতে বলা হয়েছে,’ ভার্মাজি একটু যেন অপ্রতিভের মতো বললেন, ‘যাঁরা আজকের আলোচনায় যোগ দেবেন কিংবা যাঁদের জমি রেল কর্তৃপক্ষ দখল করতে চাইছেন।’ ‘আপনাদের কোনো আপত্তি থাকলে, আমি চলে যাচ্ছি।’

    আরও দেখুন
    বাংলা অডিওবুক
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    বইয়ের
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বই
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    অনলাইন বুক
    বাংলা লাইব্রেরী

    ‘না, না, আপনার বন্ধু আমাদেরও অতিথি।’

    ঘরের মধ্যে কিছুক্ষণ একটা উৎকট নিস্তব্ধতা বিরাজ করতে থাকে, তারপর আবার গুঞ্জন শুরু হয়। ইতিমধ্যে সবার খাবার ডাক এল, কথা ছিল মধ্যাহ্নভোজনের পর সবাই হৃষ্ট মনে গুরুতর বিষয়টা নিয়ে আলোচনায় বসবেন। ভার্মাজি তাঁর বড়োলোকি চাল দেখাবার এই অপূর্ব সুযোগ খুশি মনেই গ্রহণ করেছিলেন, তাই খাওয়া-দাওয়ার আয়োজনও করেছিলেন প্রচুর।

    ‘আপনার বন্ধুকে দেখছি না তো?’ তিনি মি শর্মাকে বললেন, ‘অপরিচিত কাউকে চোখে পড়ছে না।’

    ‘উনি এখনও আসেননি, কিন্তু আসবেন। আপনি তার জন্য ব্যস্ত হবেন না, শুধু আমার পাশের আসন খালি রেখে দেবেন।’

    সবাই খেতে বসলেন। ভার্মাজি চেয়ার-টেবিলের ব্যবস্থা করেছিলেন। সুস্বাদু রান্না, পদও অনেক। সবাই নিবিষ্ট চিত্তে খাচ্ছিলেন; হঠাৎ কেন জানি সবাই মুখ তুললেন আর ভীষণ চমকে উঠলেন। খালি চেয়ারটা আর খালি নেই। মি শর্মা কিন্তু এতটুকু আশ্চর্য হয়েছেন বলে মনে হল না। তাঁর পাশের চেয়ারটিতে যিনি বসে আছেন, তাঁর চেহারায় আভিজাত্যের চিহ্ন ফুটে উঠেছে, বয়স চল্লিশে থেকে পঞ্চাশের মধ্যে। আগন্তুকের কাঁচা-পাকা কোঁকড়ানো চুল পরিপাটিভাবে আঁচড়ানো। সবচেয়ে আশ্চর্য হল তাঁর গায়ের রং— অনেকটা ছাইয়ের মতো ফ্যাকাশে, কেমন যেন অস্বস্তির সৃষ্টি করে। পোশাকও এখানকার মানুষদের মতো নয়, কালো প্যান্ট, দুধের মতো সাদা শার্ট, কালো কোট, গলায় টাই আর পায়ে চকচকে কালো জুতো।

    আরও দেখুন
    বাংলা কবিতা
    Books
    উপন্যাস সংগ্রহ
    ই-বই ডাউনলোড
    বিনামূল্যে বই
    পিডিএফ
    গ্রন্থাগার সেবা
    অনলাইন বুক
    বাংলা কমিকস
    বাংলা লাইব্রেরী

    চেয়ারে চুপচাপ তিনি বসে ছিলেন। কেউ তাঁকে ঘরে ঢুকতে দেখেনি, কেউ তাঁকে চেয়ারে বসতে দেখেনি— যেন জাদুমন্ত্রবলে তিনি সকলের চোখে ধুলো দিয়ে ঘরে ঢুকে আসন গ্রহণ করেছেন। আগন্তুকের বাঁ-হাতের আঙুলগুলো টেবিলের ওপর খেলা করছিল। সবিস্ময় সবাই লক্ষ করলেন তাঁর তর্জনী ও অনামিকার আঙুল দুটো নেই।

    আশ্চর্যের ব্যাপার, সবাই যখন খাওয়া বন্ধ করে অবাক হয়ে আগন্তুককে দেখছিলেন, মি শর্মা কিন্তু সম্পূর্ণ উদাসীন, তাঁর পাশে যিনি বসে আছেন তাঁর সম্বন্ধে যেন তিনি নিরাসক্ত অথচ আগন্তুকের উপস্থিতির জন্য তিনিই দায়ী। কারো সঙ্গে আগন্তুকের পরিচয় করিয়ে দেওয়াও তিনি প্রয়োজন মনে করলেন না। একটা দারুণ অস্বস্তিতে সবার মন ভরে উঠল।

    ভার্মাজিই আবহাওয়া সহজ করে তোলার উদ্দেশ্যে একটা হাসির কথা বললেন। আস্তে আস্তে ঘরে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে এল।

    পাতে বড়ো বড়ো মাছের টুকরো পড়তেই কে একজন বলে উঠলেন, ‘সেবার বর্ষায় বিলের জল উপচে ডাঙা ভাসিয়েছিল মনে আছে? বড়ো বড়ো রুই-কাতলা ধানের খেতে, পথে-ঘাটে ভেসে বেড়াচ্ছিল। আমাদের সবজি বাগানেই তো একটা ইয়া বড়ো কাতলা মাছ ধরেছিলাম। সেটা বোধ হয় ১৯৪৪।’

    আরও দেখুন
    বুক শেল্ফ
    সেবা প্রকাশনীর বই
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    নতুন উপন্যাস
    অনলাইন বই
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    Library

    ‘না,’ আগন্তুক বললেন, ‘১৯৪৫।’

    ‘আপনি…আপনি কি তখন এখানে ছিলেন?’ যিনি বলছিলেন তিনি যেন একটু তোতলা হয়ে গেলেন।

    ‘না।’

    ‘বছরটা আমার ঠিক মনে নেই, তবে সেবারই আলি হোসেন তার বউকে খুন করে জেলে গিয়েছিল। বিচারে ওর তিরিশ বছর জেল হয়েছিল, ছাড়া পাবার সময় হয়ে এল বোধ হয়।’ সে ভদ্রলোক আবার বললেন।

    ‘আলি হোসেন কোনোদিনই আর ছাড়া পাবে না।’ আগন্তুক বললেন।

    ‘আপনি কি তাকে চেনেন।’ ভার্মাজি কৌতূহল ভরে প্রশ্ন করলেন।

    ‘অল্প কিছুদিন আগে তার সঙ্গে আমার দেখা হয়েছিল।’

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    গ্রন্থাগার
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বইয়ের
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার

    ‘কোথায়? আগ্রা জেলে?’

    ‘না।’

    ‘এখন তবে ও কোথায় আছে?’

    ‘কবরে।’

    ভর্মাজি অনাহূত অতিথির দিকে পূর্ণ দৃষ্টিতে তাকালেন; তাঁর গা ছমছম করে উঠল।

    খাওয়া-দাওয়ার পর আসল উদ্দেশ্য নিয়ে আলোচনা শুরু হল। সবাই একসঙ্গে কথা বলতে থাকায় এমন একটা অবস্থার সৃষ্টি হল, যাকে হট্টগোল ছাড়া আর কিছু বলা চলে না। শেষ পর্যন্ত মি শর্মাকে ভার্মাজি কিছু বলতে অনুরোধ করলেন। তিনি উঠে দাঁড়িয়ে এমন জ্বালাময়ী বর্ক্তৃতা দিলেন, যা ওখানকার মানুষ কোনোদিন শোনেনি। শেষ পর্যন্ত ঠিক মি শর্মাই প্রতিবাদলিপির খসড়া বানাবেন।

    আরও দেখুন
    বাংলা উপন্যাস
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্য
    ই-বই ডাউনলোড
    বই পড়ুন
    বাংলা অডিওবুক
    বুক শেল্ফ

    এতক্ষণ পর্যন্ত আগন্তুক চুপচাপ কথা শুনছিলেন। প্রতিবাদপত্রের প্রসঙ্গ উঠতেই তিনি বলে উঠলেন, ‘আপনারা অনর্থক কষ্ট করবেন, আপনাদের আবেদনে কিছুই হবে না।’

    ‘আপনি কী করে জানলেন?’ ভার্মাজি তীক্ষ্ন কণ্ঠেই প্রশ্ন করলেন।

    ‘আমি সত্যি কথাই বলছি।’

    ‘আপনি হয়তো রেল কোম্পানির একজন লোক।’ কে একজন ব্যঙ্গকণ্ঠে বলে উঠল।

    ‘আজ থেকে ঠিক উনিশ মাসের মাথায়,’ শান্তকণ্ঠে আগন্তুক বললেন, ‘এই গাঁয়ের মাঝ দিয়ে একটা ট্রেন যাবে—’

    ‘আশা করি আপনার ভবিষ্যদবাণী সফল হবে না।’ ভার্মাজি বললেন।

    ‘বিফল হবে না।’

    যাই হোক, আবেদনপত্র পাঠানো হবে এবং সকলে সই দেবেন এই প্রস্তাবমতো সভা ভঙ্গ হল।

    ‘আপনার ভবিষ্যদবাণী আমাদের মনে এতটুকু রেখাপাত করেনি; দেখলেন তো!’ ভার্মাজি আগন্তুককে পরিহাস করে বললেন।

    আগন্তুক সামান্য হেসে বললেন, ‘পাঁচ সপ্তাহ পরে আবার আপনার সঙ্গে দেখা হবে—’

    ‘আপনি দেখছি সময় সম্বন্ধেই বেশি ভবিষ্যদবাণী করেন।’ ভার্মাজি জবাব দিলেন।

    আগন্তুক কোনো কথা না বলে মৃদু অভিবাদন জানিয়ে বেরিয়ে গেলেন।

    ডা খান্না এই সুযোগে মি শর্মাকে পাকড়াও করলেন। বললেন, ‘কিছু মনে করবেন না, আপনার বন্ধুর চেহারাটি কেমন যেন অস্বাভাবিক।’

    ‘ঠিকই বলেছেন।’

    ‘উনি কি কোনো অসুখে ভুগছেন? আমি পেশাগত আগ্রহ নিয়েই জিজ্ঞেস করছি— অন্য কোনো কারণে নয়।’

    ‘না, কোনো অসুখে ভুগছেন না, আমি হলপ করে বলতে পারি।’ জবাব দেবার সময় মি শর্মার শরীর কেঁপে উঠল।

    ‘অদ্ভুত,’ ডা খান্না অনেকটা যেন আপনমনেই বললেন, ‘জীবিত মানুষের এমন গায়ের রং আগে কখনো চোখে পড়েনি।’

    ‘উনি হয়তো জীবিত মানুষ নন।’ কথাটা বলেই মি শর্মা বেরিয়ে গেলেন আর ডা খান্না হতবুদ্ধির মতো তাঁর গমনপথের দিকে তাকিয়ে রইলেন।

    পাঁচ সপ্তাহ পরে ভার্মাজি তাঁর ঘোড়ায় চেপে সান্ধ্য-ভ্রমণ করে ফিরছিলেন। অনেক দিনের পুরোনো ঘোড়া, খুব বাধ্য। হঠাৎ ঘোড়াটা লাফিয়ে উঠে ভার্মাজিকে মাটিতে ফেলে দিয়ে ছুট মারল। নরম মাটির ওপর পড়ায় তাঁর তেমন কিছু চোট লাগল না, কিন্তু তিনি ঘোড়ার ব্যবহারে আশ্চর্য হলেন। উঠে দাঁড়িয়ে গা-হাত-পা ঝেড়ে তিনি ঘোড়াটা যেদিকে গেছে, সেদিকে এগিয়ে গেলেন। একটা পুকুরপাড়ে ঘোড়া স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে আছে আর তার পাশেই একজন মানুষের মূর্তি তাঁর চোখে পড়ল। মূর্তিটি আর কেউ নয়, পাঁচ সপ্তাহ আগে তাঁর বাড়িতে দেখা সেই অনাহূত অতিথি, আর সেদিনও তাঁর গায়ে যে পোশাক ছিল, আজও তাই। তাঁর দিকে পেছন ফিরে তিনি দাঁড়িয়ে আছেন।

    ওই নির্জন খোলা জায়গায়, পড়ন্ত বেলায় অমনভাবে ভদ্রলোককে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে ভার্মাজির একটু ভয়ই হল। সাহসী বলে তাঁর অহংকার ছিল, কিন্তু এই অপরাহ্নে তাঁর মনে হল এই লোকটির সঙ্গে এই অবস্থায় দেখা না হলেই বোধ হয় ভালো ছিল।

    যাই হোক তিনি এগিয়ে গেলেন। তাঁর পায়ের শব্দে ওই ভদ্রলোক ফিরে তাকাবেন— এটাই ভার্মাজি আশা বা আশঙ্কা করেছিলেন, কিন্তু তেমন কিছু হল না। ভার্মাজি যখন আবার ঘোড়ার পিঠে চেপে ফেরার জন্য ঘোড়ার মুখ ঘুরিয়েছেন, তখনই মূর্তিটি ঘুরে দাঁড়াল। ভার্মাজির মুখের দিকে তাকিয়ে যে হাতে দুটো আঙুল নেই, নিঃশব্দে সে-হাতটা বাড়িয়ে দিল পুকুরের জলের দিকে।

    ভার্মাজি জোরকদমে ঘোড়া ছুটিয়ে দিলেন।

    ওই ঘটনার পর মাস তিনেক কেটে গেছে। গাঁয়ের মানুষদের আর্জি আবেদন সব নিষ্ফল হয়েছে। কয়েকশো মজুর রেললাইন বসাবার কাজে উদয়াস্ত খাটছে, গাঁয়ের শান্ত নির্জনতা আর নেই। যে পুকুরপাড়ে ভার্মাজি অনাহূত অতিথিকে দেখে ভয় পেয়েছিলেন, রেললাইনের বাঁধ তৈরির জন্য সেই পুকুরের জল ছেঁচে ফেলা দরকার হয়ে পড়ল। যখন পুকুরের জল প্রায় নিঃশেষ হয়ে এসেছে, তখন একটা ভয়ানক দৃশ্যে কুলি-মজুরের দল আঁতকে উঠে কাজ বন্ধ করল, ঊর্ধ্বতন কর্মচারীরা ছুটে এলেন। দৃশ্যটি আর কিছু নয়, মানুষের একটি কঙ্কাল— কাদায় বুক পর্যন্ত ডুবে আছে।

    হাতের কাছেই ছিলেন ডা খান্না, তাই তাঁর ডাক পড়ল। তিনি কঙ্কালটাকে পরীক্ষা করে অস্ফুট কণ্ঠে বলে উঠলেন, ‘আশ্চর্য, বাঁ-হাতের দুটো আঙুল নেই।’

    কার কঙ্কাল? পুকুরেই-বা এল কী করে? এসব প্রশ্নের কোনো সদুত্তর পাওয়া গেল না। কঙ্কালটাকে কবর দেওয়া হোক, এই সিদ্ধান্তই শেষ পর্যন্ত সবাই মেনে নিলেন। ফেরার পথে ডা খান্নার মনে হল, মি শর্মা হয়তো ওই কঙ্কাল সম্বন্ধে কিছু জানতে পারেন। তাঁর রহস্যময় বন্ধুরও বাঁ-হাতের দুটো আঙুল ছিল না।

    তিনি মি শর্মার বাড়ির দরজার কড়া নাড়লেন, কিন্তু কোনো জবাব পেলেন না। বারকয়েক ব্যর্থ চেষ্টার পর তিনি খিড়কির দরজার দিকে এগিয়ে গেলেন। মি শর্মার চাকরটি কী কারণে কাজ ছেড়ে চলে গিয়েছিল, তাই বাড়িতে ভদ্রলোক একা। যদি ওই অবস্থায় ভদ্রলোক অদ্ভুত সেই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন— এই আশঙ্কায় ডা খান্না ব্যস্ত হয়ে পড়লেন। খিড়কির দরজা খোলাই ছিল। তিনি ভেতরে ঢুকলেন। বসবার ঘরে পা দিয়েই যে দৃশ্য তাঁর চোখে পড়ল, তাতে তিনি চমকে উঠলেন। মি শর্মা মাটিতে চিত হয়ে পড়ে আছেন, তাঁর মুখ যন্ত্রণায় বিকৃত হয়ে গেছে।

    উনি কি মারা গেছেন, না সেই বিচিত্র পীড়ায় জ্ঞান হারিয়েছেন? ডা খান্না হাঁটু গেড়ে বসে তাঁর একটা হাত তুলে নাড়ি পরীক্ষা করলেন। নাড়ির গতি নেই। নাকের কাছে হাতের তালু ধরলেন, না, নিশ্বাস পড়ছে না। ভদ্রলোক সত্যিই মারা গেছেন। ডা খান্না নিঃসন্দেহ হবার জন্য বুকের কাছে জামাটা সরালেন, হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন অনুভব করার উদ্দেশ্যে একটু ঝুঁকে পড়তেই ভূত দেখার মতো তিনি চমকে উঠলেন। মি শর্মার বুকে হৃৎপিণ্ডের ঠিক ওপর, একটা হাতের ছাপ পরিষ্কার ফুটে উঠেছে, আঙুলগুলিও স্পষ্ট, শুধু দ্বিতীয় আর চতুর্থ আঙুলের চিহ্ন নেই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউপন্যাস সমগ্র ১ – মঞ্জিল সেন
    Next Article অরিগামির গোলকধাঁধায় – মাহরীন ফেরদৌস

    Related Articles

    মঞ্জিল সেন

    উপন্যাস সমগ্র ১ – মঞ্জিল সেন

    November 10, 2025
    মঞ্জিল সেন

    ভয় সমগ্র ২ – মঞ্জিল সেন

    November 8, 2025
    মঞ্জিল সেন

    অদ্বিতীয় সত্যজিৎ : সত্যজিতের প্রথম পূর্ণাঙ্গ জীবনী – মঞ্জিল সেন

    November 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }